Category: দেশজুড়ে

  • জনগণের সহযোগিতায় খুলনা বিভাগে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে  বিভাগীয় কমিশনার

    জনগণের সহযোগিতায় খুলনা বিভাগে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে বিভাগীয় কমিশনার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
    খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলায় জনগণের সহযোগিতায় সবচেয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে নানা রকম অপতৎপরতা থাকতে পারে। প্রশাসন শান্তি শৃঙ্খলা পরিপন্থী সকল অপতৎপরতা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ সার্কিট হাউস সংলগ্ন পরিবেশবান্ধব ফলের বাগান ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, নবনির্বাচিত সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ কবির, জেলা সহকারী কমিশনার এসএম শাদমান উল আলম, সহকারী কমিশনার মো. তানভীর ইসলাম সাগর, জেলা তথ্য অফিসার মো. আব্দুর রউফ, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন প্রমুখ।পরিবেশবান্ধব ফলের বাগান উদ্বোধনকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ বলেন, ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদীসহ সকল নদীর নাব্য সংকট দূরীকরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন থেকে এ বিষয়ে প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ বিষয়ে অবহিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খুলনা বিভাগের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আশা করছি, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • ইয়া-বা ব্যবসায়ী বাড়িতে পুলিশের সাঁ-ড়াশি অ-ভিযান ৮ লক্ষ টাকা ১২০০ পিস ই-য়াবা সহ গ্রে-প্তার ৩

    ইয়া-বা ব্যবসায়ী বাড়িতে পুলিশের সাঁ-ড়াশি অ-ভিযান ৮ লক্ষ টাকা ১২০০ পিস ই-য়াবা সহ গ্রে-প্তার ৩

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে উপজেলার যুগিহুদা গ্রামে এক ঝটিকা অভিযানে তাদের আটক করা হয়। এ সময় মাদক পাচারে ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ আসে যে মহেশপুর উপজেলার যুগিহুদা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুত করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আজ সকালে থানা পুলিশ ওই বাড়িতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও হাতেনাতে আটক হন তার পরিবারের সদস্যসহ ৩ জন। আটককৃতরা হলেন: ১. লাইলি বেগম (দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী) ২. লিমন হাসান (দেলোয়ার হোসেনের ছেলে) ৩. মেহেদি হাসান জিসান (পার্শ্ববর্তী জলিলপুর গ্রামের বাসিন্দা)তল্লাশিকালে পুলিশ দেলোয়ারের বাড়ি থেকে মোট ১২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। এছাড়া মাদক বিক্রির বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও যানবাহন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত তালিকার মধ্যে রয়েছে:নগদ টাকা: মাদক বিক্রির ৮ লাখ ৪ হাজার ৮৭০ টাকা।মোটরসাইকেল: মাদক পাচারে ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেল।মহেশপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত নগদ টাকা ও মালামাল রাষ্ট্রীয় কোষাগারে (ট্রেজারি) জমা দেওয়া হবে। পলাতক আসামি দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছা–কয়রা ; বহু প্রতিশ্রুতির উপকূল এখনো ব-ঞ্চনার ঢেউয়ে

    পাইকগাছা–কয়রা ; বহু প্রতিশ্রুতির উপকূল এখনো ব-ঞ্চনার ঢেউয়ে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা) ।।

    দক্ষিণ–পশ্চিম উপকূলের দুটি উপজেলা পাইকগাছা ও কয়রা—দুই দশক ধরে ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, স্বাস্থ্যসেবা–সংকট ও দুর্বল অবকাঠামোর চ্যালেঞ্জে জীবনযুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনে এখানে প্রতিশ্রুতির বন্যা নামে, কিন্তু মানুষের বাস্তব জীবন এখনো বদলায়নি প্রত্যাশিতভাবে। উন্নয়ন ও উপেক্ষার এই দ্বৈত বাস্তবতা খুলনা–৬ আসনকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক এলাকা করে তুলেছে।

    দুর্যোগ–ঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দু, কিন্তু নেই টেকসই সুরক্ষা

    কয়রা উপকূলীয় এলাকার মানুষ বর্ষার সময় আতঙ্কে দিন কাটায়। ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, আম্পানের পর বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এখনো আসেনি।

    কয়রার আমিনুর রহমান বলেন—“আমরা শুধু চাই শক্ত বাঁধ। ঝড়ের ভয় নয়, ভয় পাই পরের দিনের জীবনটাকে।”

    লবণাক্ততা ক্রমশ বাড়ছে। পানির কষ্ট এতটাই প্রকট যে প্রতিদিন বহু মানুষ কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে মিঠাপানি সংগ্রহ করে।

    পাইকগাছার খেটে–খাওয়া নারী রাবেয়া খাতুন বলেন—

    “মিঠাপানি কিনে খেতে হয়। গরীবের পক্ষে এটা টানা কঠিন।”

    যোগাযোগ–অবকাঠামো: বর্ষায় বিচ্ছিন্ন, শুষ্ক মৌসুমেও দুর্ভোগ

    পাইকগাছা–কয়রার বহু সড়ক এখনো জরাজীর্ণ। বর্ষায় চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা—সবই ব্যাহত হয়।স্থানীয় ছাত্র রাজু মল্লিক বলেন—

    “স্কুলে যেতে আমাদের সময় লাগে শহরের ছাত্রদের দ্বিগুণ। এটা বৈষম্য ছাড়া কিছুই না।”

    অতীতে কিছু সড়ক সংস্কার হলেও টেকসই রক্ষণাবেক্ষণের অভাব প্রকট। পাকা সড়কের পাশাপাশি সেতু–কালভার্টেও উন্নয়ন প্রয়োজন।

    স্বাস্থ্যসেবা: কাঠামো আছে, কার্যকারিতা নেই

    দু”উপজেলা মিলিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকলেও চিকিৎসক সংকট দীর্ঘদিনের। জরুরি বিভাগ, ডেলিভারি সেবা আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

    কয়রার জেলে নুরুল হক বলেন—

    “হাসপাতালে গেলে শুনি ডাক্তার নেই। তখন আমরা নদীপথে দূরে যেতে বাধ্য হই—জীবনটা ঝুঁকিতে থাকে।”

    শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা উপকূলের শিক্ষা খাতে বৈষম্য চোখে পড়ে। স্কুল–কলেজে শিক্ষক সংকট, অপর্যাপ্ত ভবন ও ল্যাবরেটরি শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে দেয়। উচ্চশিক্ষা করতে হলে সবাইকে শহরমুখী হতে হয়।

    অন্যদিকে, কৃষি কমে গেছে লবণাক্ততার কারণে। চিংড়ি শিল্পে আয়ের সুযোগ থাকলেও দামের অস্থিরতা, লবণাক্ত পানি এবং ঘের–নির্ভর অর্থনীতিতে অনেক পরিবার ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: প্রতিশ্রুতির তালিকা লম্বা, বাস্তবায়নের গতি ধীরপ্রতিটি নির্বাচনেই উপকূল রক্ষায় টেকসই বাঁধ, আধুনিক সড়ক নেটওয়ার্ক, কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা, পানির সঙ্কট নিরসন ও কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি আসে।এবারও রাজনৈতিক নেতারা বলেছেন—পাইকগাছা–কয়রাকে জলবায়ুর ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা হবে,মিঠাপানির স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হবে, স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ বরাদ্দ আসবে, ডুবে যাওয়া অঞ্চলগুলো পুনর্বাসন করা হবে।

    মানুষ এসব প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানায়, তবে তাদের একটাই অনুরোধ—প্রতিশ্রুতি যেন কাগজে না থাকে, মাঠে আসে।

    পাইকগাছা–কয়রার মানুষ অভিযোগ নয়—অধিকার চায়।

    উন্নয়ন চায়, নিরাপত্তা চায়, বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা চায়।

    দুই উপজেলার বঞ্চনার দীর্ঘ ইতিহাসের শেষে তারা শুধু একটি কথাই শোনার অপেক্ষায়—উপকূলের এই মানুষরাই দেশের সমান নাগরিক, তাই উন্নয়নও সমান পাওয়ার অধিকার তাদের।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা

  • বাবুগঞ্জের রহমতপুরে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে যাত্রী ছাউনি, ডা-স্টবিনে পরিণত হওয়ায় ক্ষো-ভ

    বাবুগঞ্জের রহমতপুরে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে যাত্রী ছাউনি, ডা-স্টবিনে পরিণত হওয়ায় ক্ষো-ভ

    মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রী ছাউনি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলায় পড়ে আছে। লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই যাত্রী ছাউনিটি বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য আশ্রয়স্থল না হয়ে ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রী ছাউনিটির সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। বাস কাউন্টার সংলগ্ন এই স্থাপনাটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীদের বসার উপযোগী কোনো পরিবেশ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও যাত্রীরা।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বাস কাউন্টার কিংবা স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে যাত্রী ছাউনিটি স্বাভাবিক ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

    এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করেন, দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার কাজ করা হলে যাত্রী ছাউনিটি আবারও যাত্রীদের বসার উপযোগী করা সম্ভব। তাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

  • নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নৌপথে আসা রোগীদের চ-রম দু-র্ভোগ

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নৌপথে আসা রোগীদের চ-রম দু-র্ভোগ

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নৌপথে আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘাটলার স্থানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কারণে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত ওই ঘাটলাটি বন্ধ করে দিয়ে অপ্রয়োজনীয় টয়লেট নির্মাণ করায় শতশত রোগীর যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যেখানে পূর্ব থেকেই একটি টয়লেট ছিলো।

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স একটি জনগুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল। এখানে প্রতিদিন নেছারাবাদ উপজেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর, বানারীপাড়া ও ঝালকাঠি জেলা থেকেও বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। নদীপথে যোগাযোগ সুবিধাজনক হওয়ায় অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় এখানে রোগীর চাপ তুলনামূলক বেশি।

    হাসপাতাল সংলগ্ন কাঠেরপোল এলাকায় খালের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ঐ গুরুত্বপূর্ণ এই ঘাটলাটি ব্যবহার করে দূর-দূরান্ত থেকে নৌপথে আগত রোগীরা সরাসরি নেমে সহজেই হাসপাতালে পৌঁছাতে পারতেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এবং নদীপথনির্ভর এলাকার মানুষের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত কার্যকর ও প্রয়োজনীয় ঘাটলা।

    কিন্তু কয়েক মাস আগে ওই ঘাটলাটির সামনেই একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, ওই স্থানে টয়লেট নির্মাণ একেবারেই অপ্রয়োজনীয় ছিল কারন পাশে পূর্ব থেকো পাবলিক টয়লেট ছিলো । ঘাটলাটি বন্ধ করে দেওয়ায় এখন নৌপথে আসা রোগী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীসহ অসুস্থ ব্যক্তিদের কাদা-পানি মাড়িয়ে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।

    এলাকাবাসী জানান, টয়লেট নির্মাণের সময় জগন্নাথকাঠি বন্দরের কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেখানে নতুন একটি ঘাটলা নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানানোসহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

    স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি কার্যকর ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ঘাটলা বন্ধ করে অপ্রয়োজনীয় টয়লেট নির্মাণ চরম পরিকল্পনাহীনতারই প্রমাণ। দ্রুত ওই স্থানে একটি নতুন ঘাটলা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা, যাতে নৌপথে আগত রোগীরা নির্বিঘ্নে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারেন।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আসাদুজ্জামান বলেন, রোগিদের খুবই কষ্ট হচ্ছে ওঠা নামা করতে বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আলাপ করেছি এখানে একটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এখানে একটি ঘাটলা নির্মানের জন্য।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর।

  • মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে দলীয়  মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন দিদার

    মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন দিদার

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ শনিবার (২০ শে ) ডিসেম্বর দুপুর ২ঘটিকায় জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয় থেকে মুন্সীগঞ্জের ৩ আসনের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন আরিফুজ্জামান দিদার।

    এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার আজ জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ৩ আসনের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

    তিনি এ আসনে আসন্ন নির্বাচনে নতুন মুখ। তবে রাজনীতির মাঠে তিনি হচ্ছেন পুরাতন মুখ।
    মুন্সীগঞ্জ ৩আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,০৬,৮৮৩ জন এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,৬১,৭৫, মহিলা ভোটার ২,৪৫,১২১ এবং এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা: ৩,৫৪,৪৬৩ জন (৬৯.৯%), গজারিয়া
    উপজেলা: ১,৫২,৪২০ জন (৩০.১%) ।
    মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ও গজারিয়া উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত।

    ১৯৮৬ সালের ১লা জানুয়ারিতে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে জাতীয় ছাত্রসমাজ মুন্সীগঞ্জের সরকারি হরগংগা কলেজ শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার এখানে রাজনীতিতে পদচারণা শুরু করেন। এর মাধ্যমে তার জীবনে রাজনীতির অভিষেক ঘটে। তারপর থেকে এ ঘরনার রাজনীতি তার জীবনে প্রবহমান রয়েছে।

    ১৯৮৬-১৯৮৭ সালের সরকারি হরগংগা কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে স্বপন-আজিম-দিদার পরিষদে এজিএস পদে এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার প্রতিদ্বন্ধিতা করেন।

    এ কারণে সেই সময়ে তাকে কারাবরণ করতে হয়। ১৯৮৮ সালের দিকে তিনি জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি পল্লীবন্ধু এরশাদের মুক্তি আন্দোলনে জেলাব্যাপি স্বেচ্ছাকারাবরণ, অনশন, প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন। ২০১২ সালে জাতীয় যুব সংহতি জেলা সম্মেলনে সিনিয়র সহ সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় জাতীয় যুব সংহতির সদস্য নির্বাচিত হন।

    ২০১৪ সালে তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর তার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির কর্মসূচিতে জেলা ব্যাপি সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করেন। সেই সময়ে তিনি নির্বাচনের লক্ষ্যে এ আসনের দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। সেই সময়টাতে তাকে দল মনোনয়ন দেয়নি।

    তবে তিনি দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে দলের বিরুদ্ধে যাননি। ২০২৩ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলনে তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালে নির্বাচনে আবারো দলীয় মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন। কিন্তু এবারো তিনি দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হন। ব্যাপক প্রচার প্রচারণা থাকা সত্বেও। তবুও তিনি দলের পক্ষে ছিলেন। ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে তিনি জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব নির্বাচিত হন।

    এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার একান্ত সাক্ষাৎকারে আমাদেরকে বলেনআসন্ন নির্বাচনে এ আসনে বিজয়ী হলে অবহেলিত গজারিয়া উপজেলার ফুলদি নদীতে সেতু ও মুন্সীগঞ্জ সদরের সাথে রাজধানী ঢাকার সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

    তিনি আরো বলেন ,তৃণমূল পর্যায়ে জাতীয় পার্টির কমিটি করার জন্য জেলা ব্যাপী রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছেন। জেলা পর্যায়ে জাতীয় পার্টিতে যে বিভেদ ছিল তা তার দায়িত্ব নেয়ার পরে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামীর রাজনীতিতে পথ চলাতে সকলে আস্থা প্রকাশ করেছেন।

    উক্ত সময় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা এবং গজারিয়া উপজেলার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।

  • নলছিটিতে ছাত্রলীগ নেতা গ্রে-ফতার

    নলছিটিতে ছাত্রলীগ নেতা গ্রে-ফতার

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পরিচালিত অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২ অভিযানের অংশ হিসেবে হামিদুল ইসলাম খান সোহাগ নামের এক ছাত্রলীগ (নিষিদ্ধ ঘোষিত)নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) গভীর রাতে নলছিটি পৌরসভা এলাকার নাঙ্গুলী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার সোহাগ নাঙ্গুলী গ্রামের নুরুল ইসলাম খানের ছেলে।

    নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) মো. আশরাফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ঝালকাঠি সদর থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • কোটালীপাড়ায় ক্ষ-তিপূরণ না দিয়ে দোকান মালিককে বিপাকে ফেলার অভিযোগ ভা-ড়াটিয়ার বিরু-দ্ধে

    কোটালীপাড়ায় ক্ষ-তিপূরণ না দিয়ে দোকান মালিককে বিপাকে ফেলার অভিযোগ ভা-ড়াটিয়ার বিরু-দ্ধে

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর বাজার পুরনো ব্যাংক ভবন মার্কেটে ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়া বোরখার দোকানের জন্য মাহাবুব সুলতানের নিকট থেকে ভাড়া নেয়। ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়া তিন বছরের চুক্তিনামায় দুটি দোকানকে একটি দোকান বানিয়ে গত ১-৪-২২ ইং তারিখ থেকে ৩০-৯-২৪ ইং তারিখ ৩ বছরের চুক্তিনামা ৪ লক্ষ টাকা অগ্রীম, মাসিক ৫০০০ টাকার ১ হাজার টাকা প্রতি মাসে কর্তন বাদে মাসিক ৪ হাজার টাকা ভাড়ায় চুক্তিনামা হয়। দোকান মালিক মাহাবুব সুলতান প্রথমে মার্কেটের কথা ভেবে দুটি দোকানকে একটা দোকান বানাতে চাইনি। কিন্তু ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়া দীর্ঘ বছর ব্যবসার আশ্বাস দেওয়ায় দুটি দোকান একটি দোকান করে ভাড়া নেয়। কিছুদিন পর ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়া দোকান খুলেন তো খুলেন না। এক সময় স্থায়ীভাবে দোকান বন্ধ রেখে গা-ঢাকা দেয় ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়া। শোনা যায় এলাকায় এবং বাজারের বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা ধার আনে। ধারের টাকা ফেরত না দিতে পারায় এলাকা থেকে পালিয়ে যায় সে এবং টাকার মামলায় হাজত খেটেছে।

    এদিকে দোকান মালিক মাহাবুব ভাড়াটিয়াকেও পাচ্ছে না, দোকান ঘরের মাসিক ভাড়াও পাচ্ছেন না। হঠাৎ করে দোকান মালিক মাহবুব সুলতানের নামে ২২-০৯-২৫ ইং তারিখে কোটালীপাড়া থানায় ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়া দোকান মালিক মাহবুব সুলতানের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখিত দোকানের অগ্রিম ফেরত না দিয়ে ভাড়া দিয়েছে মর্মে।

    পরে এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার তদন্ত অফিসার এস আই সাইফুর রহমান সরেজমিনে এসে দেখেন দোকানটি রহিম দাড়িয়ারই রয়েছে এবং রহিম দাড়িয়ার নামের সাইনবোর্ড দেখতে পান। পরে তদন্তে অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা না মেলায় ভাড়াটে দোকান ঘর মালিকের বিরুদ্ধে গত ২৮-১০-২৫ ইং তারিখে গোপালগঞ্জ আদালতে একই অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

    দোকানের চুক্তিনামায় যে সকল সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন তাদের কাছে জানতে চাইলে কেরামত আলী হাওলাদার বলেন, দোকানটি রহিম দাড়িয়ার অনুরোধে ভাড়া এনে দেওয়া হয়েছিল। দুঃখের বিষয় আমাদের বা ঘাঘর বাজার বনিক সমিতিকে না জানিয়ে হঠাৎ করে মামলা দেওয়াটা ঠিক হয়নি। দ্বিতীয় সাক্ষী, মতি মুন্সী বলেন, থানায় বসে রহিম দাড়িয়াকে জিজ্ঞেস করেছিলাম দোকান নেওয়ার সময় আমাদের হাত পা ধরেছিলে আর এখন মামলা দিয়েছো আমরা জানলামও না। তৃতীয় সাক্ষী, নান্নু হাওলাদার বলেন, দোকান মালিককে দিয়ে অনেক টাকা খরচ করে দুইটি দোকান ভেঙে একটি দোকানে পরিণত করে। হঠাৎ করে দোকান বন্ধ রেখে দেনার কারণে পালিয়ে যায়।এদিকে দোকান বন্ধ থাকায় মার্কেটের ক্ষতি হচ্ছে অন্যদিকে মালিক কোন ভাড়া পাচ্ছে না। এ বিষয়টি বাজারের অধিকাংশ ব্যবসায়ী জানেন। আইনগতভাবে এবং সামাজিকভাবে দোকান মালিককে ক্ষতিপুরণ না দিতে এই মিথ্যে অভিযোগ করে থাকতে পারে। ঘাঘর বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল বলেন মার্কেটের এই দোকানটি কয়েক বছর বন্ধ দেখতেছি। ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়াকেও দেখিনা।দোকান মালিক অসামাজিক ব্যক্তি নয় যে কারণে মামলা দায়ের করতে হবে। তাছাড়া বিষয়টি বাজারের ব্যবসায়ীদের সহ বণিক সমিতিকে জানাতে পারতো।

    এ বিষয়ে ভুক্তভোগী দোকান মালিক মাহাবুব সুলতান বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এতোদিন সে আমাকে অর্থনৈতিক ক্ষতি করেছে এখন আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করতেছে। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখেন তার অভিযোগের সামান্য একটি বাক্য যদি সত্য হয়, তাহলে আমি কয়েক গুণ টাকা সহ যেকোন শাস্তি মেনে নেব। আমাকে দিয়ে দোকানে প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচ করিয়েছে এবং প্রায় তিন বছর আমার ভাড়া দেয়নি। এছাড়াও দোকানের ডেকোরেশনে এবং কয়েক বছর বন্ধ থাকায় ওয়ালগুলো নষ্ট হয়েছে। তাছাড়া দোকান বন্ধ থাকায় মার্কেটের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আর এই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে একবার থানায়, একবার আদালতে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করে। দোকানের বিষয়ে ভাড়াটিয়া রহিম দাড়িয়া বলেন বাজারে আমার সমস্যা থাকায় আদালতে গিয়েছি। হিসাব কিতাব করে আদালত যে বিচার করবে আমি তা মেনে নেব।

  • আসন্ন শুভ বড়দিন উপলক্ষে বলিবাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভিড়

    আসন্ন শুভ বড়দিন উপলক্ষে বলিবাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভিড়

    বান্দরবান(থানচি) প্রতিনিধি: মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানে থানচি উপজেলায় আসন্ন ২৫ শে ডিসেম্বর শুভ বড়দিনকে সামনে রেখে বলিবাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই বাজারে মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
    বড়দিন উপলক্ষে পোশাক, খাবার, কেক, মোমবাতি, উপহারসামগ্রী ও ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। অনেক দোকানদার জানান, অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ সময়ে বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।বছরের শেষ মাস ছেলে/মেয়েরাও ছুটিতে বাড়ির ফিরে এসে আরও ক্রেতা বিক্রেতা ভিড় জমে।
    ক্রেতারা জানান, পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে বড়দিন উদযাপনের জন্য আগেভাগেই কেনাকাটা করতে তারা বাজারে এসেছেন। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কোথাও কোথাও বেচা কেনার  ও চলাচলে কিছুটা ভোগান্তিও দেখা গেছে।
    সব মিলিয়ে বড়দিনকে কেন্দ্র করে বলিবাজারে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যবসায়ীরাও ভালো বিক্রির আশায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।এই বেচাকেনার আগামী বুধবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে স্হানীয়রা জানান।

  • জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মিতা বিরামপুরে গ্রে-প্তার

    জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মিতা বিরামপুরে গ্রে-প্তার

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা (৬৫) কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে ঢাকাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।

    শনিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেন। এর আগে, শুক্রবার রাত পৌনে ২টায় জেলার বিরামপুর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত আলতাফুজ্জামান মিতা বিরামপুর উপজেলার পূর্ব জগন্নাথপুর গ্রামের সালেহ উদ্দিন আহমেদের ছেলে ও দিনাজপুর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

    অতিরিক্তি পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত আলতাফুজ্জামান মিতার বিরুদ্ধে দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন থানা ও ডিএমপিতে একাধিক মামলা রয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    মো: জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।