Category: দেশজুড়ে

  • উজিরপুরে দরিদ্র কৃষককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা। থানায় অভিযোগ

    উজিরপুরে দরিদ্র কৃষককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা। থানায় অভিযোগ

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালে উজিরপুরে হত দরিদ্র এক কৃষককে রাতভর নির্যাতন করে রশিতে বেধে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা চেষ্টার করেছে সন্ত্রাসীরা। হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে কৃষক নুরুল আমিন।

    এই লোমহর্ষ ঘটনাটি ঘটেছে উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের হস্তিশুন্ড গ্রামে। অভিযোগ ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশ্বের মৃত কারী মোহাম্মদ আলী শিকদারের পুত্র কৃষক নুরুল আমিন শিকদার (৫০) কিছুদিন আগে একই এলাকার বাবলু সরদারের ছেলে সন্ত্রাসী সুজন সরদারের চুরির ঘটনা দেখে ফেলে।এ কারনে নুরুল আমিন থানায় জিডি ও করেছিলেন।এ ঘটনার জের ধরে ৬ জুলাই সন্ধ্যায় সুজন সরদার(৩০) মৃত আফজাল এর পুত্র আরিফ ও শামসু ফকিরের ছেলে মিজান ফকির নুরুল আমিন সিকদারের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।নুরুল আমিনকে খুজতে থাকে।

    কৃষক মোঃ নুরুল আমিনের স্ত্রী মুক্তামনি জানান ৬ জুলাই সন্ধ্যায় তার স্বামী স্থানীয় বাজারে বাজার করতে গেলে আগে থেকে ওতপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে পথ রোধ করে এবং হাত মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। এবং সন্ধ্যা থেকে সারারাত তাকে পাশবিক নির্যাতন করে গাছের সাথে রশি দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সময় অচেতন হয়ে নাক মুখ থেকে রক্ত ঝরলে সন্ত্রাসীরা তার মৃত্যু ভেবে একটি পরিত্যক্ত পুকুরের পারে ফেলে রেখে স্থান ত্যাগ করে।

    এদিকে নিখোঁজ নুরুল আমিন সিকদারের পরিবারের লোকজন তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে। সারারাত খোঁজাখুঁজির পরে ৭ জুলাই সকালে একই এলাকার হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর পাশে সন্ত্রাসী আরিফের বাড়ির পাশ্ববর্তী হাজী ইসমাইলের বাড়ির পুকুর পারে কর্দমাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তার পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।অভিযুক্ত মিজান ফকির জানান ঐ রাতে পাশের বাড়ির একটি ঘরের কাছে অন্ধকারে একটি লোক দেখে চোর মনে করে

    ধাওয়া করি তাকে নুরুল আমিনের মত মনে হয়েছে। তাই তার বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে চলে এসেছি। তাকে হামলার ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা।

    এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ জানান। একজন কৃষক কে মারধরের একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • জবি ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার-নেপথ্যে ছাত্রশিবির

    জবি ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার-নেপথ্যে ছাত্রশিবির

    হেলাল শেখঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতিবাচক সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসাইনের বিশ্ববিদ্যালয়ে টেন্ডার বাণিজ্য সংক্রান্ত এবং শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসাইনের মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন রয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি নামে যে সংগঠন রয়েছে সেটি দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকায় তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে। এর মূলে রয়েছে সাংবাদিক সমিতির একটি অংশ ছাত্রশিবির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায়।

    বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ছাত্রশিবির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত অংশ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাথে লেঁয়াজো করে তাদের অবস্থান শক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে আসছে। তবে তারা শাখা ছাত্রলীগের কোন সহায়তা না পাওয়ায় এবং তাদের কার্যক্রমে শাখা ছাত্রলীগ বাঁধা হওয়ায়, শিবির নিয়ন্ত্রিত অংশটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে বিতর্কিক করতে দীর্ঘদিন ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে সংবাদগুলো প্রকাশিত হয়েছে।

    বরাবরই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসাইন তাদের বিরুদ্ধে আনীত বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ হয় উপাচার্য ভবন থেকেই এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হওয়ায় এসব ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের প্রভাব বিস্তারের কোন সুযোগ নেই। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসাইনের মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এস এম আক্তার হোসাইনের যুক্ত থাকার যে সকল তথ্য তুলে ধারা হয়েছে সেটিও ভিত্তিহীন। বিশেষ করে প্রশ্নফাঁস সংক্রাত যে মেসেঞ্জার টেক্সট এর কথা বলা হচ্ছে সেটি প্রমাণ হিসেবে কোন গ্রহণযোগ্যতা পায় না।

    দীর্ঘদিন ধরে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছেন সাজিদ হোসেন, তিনি এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে বলেন, বর্তমানে প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধন হওয়ায় খুব সহজে সাধারণ অ্যাপস অথবা এডিটিং টুলস ব্যবহার করে যেকোনো ছবি বা ভিডিয়ো যে কেউ এডিট (সম্পাদনা) করতে পারে। এছাড়া যে কোন স্কিনশটও তৈরি করা যায়। আর এভাবেই সহজলভ্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে হয়রানি ও সম্মানহানি করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, এস এম আক্তার হোসাইনের যে স্কিনশট এর কথা বলা হচ্ছে এটি যে কেউ খুব সহজে তৈরি করতে পারবেন। সুতরাং এগুলো কোনও অভিযোগের জন্য দালিলিক প্রমাণ হতে পারে না।

    এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসাইন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করি ফলে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হয়। স্বাধীনতা বিরোধীরা বিভিন্ন সময় প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে থাকে। সুতরাং এসকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে রাজপথে সক্রিয় থাকতে হবে।

  • তানোরের কামারগাঁ ইউপি উপ-নির্বাচনে মসলেম এগিয়ে

    তানোরের কামারগাঁ ইউপি উপ-নির্বাচনে মসলেম এগিয়ে

    আলিফ হোসেন, তানোর
    রাজশাহীর তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরা হলেন কামারগাঁ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক, সুফি কামাল মিন্টু এবং মাসুদ করিম। গত ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার তারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গত
    ৫ জুলাই শুক্রবার যাচাই-বাছাই শেষে তিনজন প্রার্থীর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামি ১০ জুলাই প্রত্যাহার ও ১১ জুলাই প্রতীক বরাদ্দ এবং ২৭ জুলাই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে ইতমধ্যে বিভিন্ন কৌশলে প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে। তবে সাধারণ ভোটারদের মাঝে এখানো পচ্ছেন্দের শীর্ষে রয়েছেন পরিক্ষিত নেতৃত্ব ও পরপর দু’বারের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মসলেম উদ্দিন প্রামানিক। কারণ মসলেম উদ্দিনের ১০ বছর দায়িত্বপালন সময়ে তিনি যেমন সবার উপকার করতে পারেননি। তেমনি তার দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আর এই বোধদয় সাধারণ ভোটারদের ব্যাপকভাবে নাড়া দিয়েছে। তিনি রাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টি করে রাজনীতি করেছেন। তার সময়ে গভীর নলকুপ অপারেটর বাণিজ্যে,খাস পুকুর-জমি দখল, অপারেটরদের দৌরাত্ম্য, পুকুর খনন-পুনঃখননে চাঁদাবাজি, সালিশ বাণিজ্যে, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী, মাতৃত্বকালীন ইত্যাদির কার্ড বানিজ্যে ছিলো না। এছাড়াও মসজিদ-মন্দীর-গীর্জায় অনুদান, টিআর-কাবিটা-কাবিখা ও কর্মসৃজন ইত্যাদি প্রকল্পে কমিশন বাণিজ্যে ছিলো না।
    জানা গেছে, বিগত ২০১১ ও ২০১৬ সালে কামারগাঁ ইউপি নির্বাচনে পরপর দু’বার বিপুল ভোটের ব্যবধানে মসলেম উদ্দিন প্রামানিক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। কর্মী-জনবান্ধব নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তা না থাকলে কেউ ইউপি নির্বাচনে পরপর দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারেন না। এদিকে বিগত ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনে তিনি মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদন্দীতা করেন।কিন্ত্ত বির্তকিত ফলাফল ঘোষণায় তিনি সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। যদিও তার কর্মী-সমর্থকদের দাবি তিনি ৪ হাজার ২০০ ভোটে বিজয়ী হলেও তাকে পরাজিত করা হয়েছে ।
    জানা গেছে, বিগত ২০২১ সালে কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রথমবারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি
    ফজলে রাব্বি ফরহাদ ।এর পরই কামারগাঁ ইউপিতে রাজনৈতিক সহাবস্থানের পরিবেশ নস্ট হয়। রাজনৈতিক পরিচয়ের হোমরাচোমরা ও অনুপ্রবেশকারী হঠাৎ আওয়ামী লীগের গভীর নলকুপ দখল, খাস জমি দখল, পুকুর খনন পুনঃখননে চাঁদাবাজি, কৃষকদের জিম্মি করে সেচ চার্জ আদায়ের নামে জুলুম-নির্যাতন নানা কারণে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। ইউপির সাধারণ মানুষ মসলেম উদ্দিনের অভাব অনুভব করতে শুরু করে।
    এদিকে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদের মৃত্যু হলে চেয়ারম্যান পদ শূণ্য হয়। চেয়ারম্যানের শূণ্য পদ পুরুণের জন্য উপ-নির্বাচন আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।
    জানা গেছে, গত জুন মাসের শেষ সপ্তাহে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার মনোনয়ন ফরম দাখিলেন শেষ দিন ছিল। গত ৫ জুলাই শুক্রবার যাচাই-বাছাই। আগামী ১০ জুলাই প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ১১ জুলাই প্রতীক বরাদ্দ ও ২৭ জুলাই ইভিএমে পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে।#

  • বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের ৭ম বিভাগীয় প্রধানের যোগদান

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের ৭ম বিভাগীয় প্রধানের যোগদান

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    অদ্য ০৭.০৭.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের ৭ম বিভাগীয় প্রধান হিসাবে প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলাম, উপপরিচালক (পদার্থ) যোগদান করেছেন। প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলাম কুয়েটের ইলেট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্টনিক্স বিভাগে ভর্তি হয়ে স্নাতক ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি পরীক্ষক (পদার্থ) হিসাবে বিএসটিআই, প্রধান কার্যালয়, ঢাকায় যোগদান করেন। বিএসটিআই’তে ২৬ বছরের চাকুরি জীবনে পদার্থ পরীক্ষণ উইং এ বিভিন্ন প্রকার পণ্য পরীক্ষণ কাজ সম্পাদন ও তদারকিসহ প্রধান কার্যালয়ে বিভিন্ন প্রকার নীতি নির্ধারনী কাজে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ওঝঙ ১৪০০১, ওঝঙ ৪৫০০১ ও ওঝঙ ৫০০০১ লিড অডিটর। তিনি বিএসটিআই’র প্রধান কার্যালয়ের ঝউএ ফোকাল পয়েন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি চাকুরীজীবনে তিনি ভারত, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইটালি, অষ্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণসহ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি ২০ জুন ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পিআরএলএ গমনকারী জনাব মফিজ উদ্দিন আহ্মাদ, উপপরিচালক (মেট্রোলজি) ও বিভাগীয় অফিস প্রধান, রংপুরের স্থলাভিষিক্ত হবেন। বিএসটিআই’র সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, প্রসারিত, ফলপ্রসূ এবং সেবামুখী করে সুচারুরুপে সম্পন্ন করার জন্য সকল সরকারী দপ্তর, বেসরকারী দপ্তর, স্টেক হোল্ডার এবং সাধারণ ভোক্তা সাধারণের সার্বিক সহায়তা তিনি কামনা করেন।

  • ঘাস চুরি দেখে ফেলায় কালীগঞ্জে  কৃষককে গলাকেটে হত্যা

    ঘাস চুরি দেখে ফেলায় কালীগঞ্জে কৃষককে গলাকেটে হত্যা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঘাস চুরি দেখে ফেলায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার শাহাপুর গ্রামে আলমগীর হোসেন (৩৩) নামে এক কৃষককে গলাকেটে হত্যা করেছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ নিহত’র লাশ একই গ্রামের মিটুল হোসেনের বেগুন ক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে। আলমগীর শাহাপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। কালীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আবু আজিফ খবর নিশ্চিত করেছেন। নিহত’র স্ত্রী স্বপ্না খাতুন জানান, শুক্রবার দুপুরে আলমগীর মাঠে ঘাস কাটতে গিয়ে দেখে তার ক্ষেত থেকে একজন নেপিয়ার ঘাস কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে ওই চোরের সঙ্গে তার বাদানুবাদ হয়। বাড়ি এসে ঘটনাটি স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে জানালেও চোরের নাম প্রকাশ করেনি। আলমগীর বলেছিল ওই চোর তার হাত ও পা ধরে অনুনয় বিনয় করে নাম প্রকাশ করতে বারণ করেছে। স্ত্রী স্বপনা খাতুনের ধারণা ওই চোরই তাকে হত্যা করেছে। নিহত’র বড় ভাই পলাশ জানান, শনিবার দুপুরে মাঠে ঘাষ পাহারা দিতে গিয়ে সে আর বাড়ি ফেরেনি। খোজাখুজি করতে মাঠে গেলে দেখা যায় মিটুলের বেগুন ক্ষেতে তার গলাকাটা লাশ পড়ে আছে। ঘাস চুরি দেখে ফেলায় তার ভাইকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। নিহত আলমগীরের আঁখি খাতুন (১৫) ও সাদিয়া (৮) নামে দুইটি মেয়ে রয়েছে। কালীগঞ্জ থানার এসআই প্রকাশ কুমার ঘটনাস্থল থেকে জানান, আলমগীর নামে এক কৃষকের গলাকাটা লাশ শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে শনিবার দুপুরে তাকে হত্যা করা হতে পারে। তার পেছনে একাধিক ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন রয়েছে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে পরে তার গলাকাটে দুর্বৃত্তরা।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • রাঙ্গাবালীতে খালে অবৈধ বাঁধ, হুমকিতে আমন চাষ ৭শ একর জমি অনাবাদি প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধন

    রাঙ্গাবালীতে খালে অবৈধ বাঁধ, হুমকিতে আমন চাষ ৭শ একর জমি অনাবাদি প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধন

    রফিকুল ইসলাম ঃ
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালী একটি মহল। এতে কৃষি কাজ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে ওই ইউনিয়নের প্রায় তিন শতাধিক কৃষক পরিবার। গত কয়েক দিনে মুষালধারে বৃষ্টিতে ৩ গ্রামের ৭শ একর আবাদি কৃষি জমিতে প্রায় ৩/৪ ফুট পানি জমে রয়েছে। খালে বাঁধ দেওয়ার কারনে জমানো পানি নিষ্কাশণ না হওয়ায় কৃষি কাজ নিয়ে দুর্ভিষহ অবস্থায় অন্তত কয়েকশ কৃষক । স্থানীয়দের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনে কোন ধরনের সহায়তা না পেয়ে শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে ঘন্টা ব্যাপি মানববন্ধন করেছে দুই শতাধিক কৃষক। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তারা।

    জানা গেছে, চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজসহ ৩টি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালটি মন্ডল স্লুইস খালের সাথে সংযুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে ওই খালে প্রভাবশালী একটি মহল ১০-১২ টি বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে। যার ফলে ওই গ্রামের প্রায় ৭শ একর আবাদি জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এ কারণে বন্ধ রয়েছে চাষাবাদ।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রভাবশালী কয়েকজন মানুষ তাদের স্বার্থের জন্য উত্তর চরমোন্তাজ গ্রামের প্রধান খালে ১২ টির মতো বাঁধ দিয়ে কৃষকের অন্ন কেড়ে নিচ্ছে। এখন জমিতে ৩-৪ ফুটের মতো পানি জমে আছে। প্রায় ৩শ কৃষকের অন্তত ৭০০ একর জমির চাষাবাদ বন্ধ। এর দ্রুত সমাধান চাই প্রশাসনের কাছে। তা না হলে আমাদের প্রায় ৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ধান ও ফসল চাষাবাদ করে আমাদের জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। এমন অবস্থায় খালটি হতে অবৈধ দখলদারদের বাঁধ অপসারণ করে কৃষকদের মুক্তি দেয়ার জোড় দাবী জানাই।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান জানায়, কৃষকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে খালটিতে বেশ কয়েকটি বাঁধ রয়েছে। ফলে পাশ্ববর্তী গ্রামের কয়েকটি মাঠের পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়। খাল সংলগ্ন প্রায় ৬৫০-৭০০ একর জমিতে পানি জমে রয়েছে। এতে আমনসহ পরবর্তী মৌসুমী ফসল চাষ ব্যহত হতে পারে। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় আমরা অর্ধশতাধিক খালের অবৈধ বাঁধ কেটে দিয়েছি। এধরনের অবৈধ বাঁধের ব্যাপারে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, কৃষকদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। খালের বাঁধ অপসারনের জন্য ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা
    ০১৭২২৩৬৪৩৯৬

  • নার্সারি পেশাই বদলে গেছে পাইকগাছার গদাইপুর গ্রামের মানুষের ভাগ্য ;রপ্তানি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে

    নার্সারি পেশাই বদলে গেছে পাইকগাছার গদাইপুর গ্রামের মানুষের ভাগ্য ;রপ্তানি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর নার্সারি গ্রাম নামে খ্য্যাত। এ গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ি যেন একটি নার্সারি। কোথাও অনাবাদি নেই এক চিলতে জমি। নার্সারি পেশাই গদাইরের মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। গ্রামটিতে নীরব অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটে গেছে। নার্সারি ব্যবসা করে এখানকার অনেক মানুষ সফল হয়েছে। শূন্য থেকে কোটিপতিও হয়েছে। ইজারা নিয়ে নার্সারি গড়ে তুলে পরবর্তী সময়ে জমি ও বাড়ির মালিক হয়েছে। তাদের দেখাদেখি গ্রামের ক্ষেতের পর ক্ষেত গড়ে উঠেছে নার্সারি।
    উপজেলার গদাইপুর গ্রামের মেইন সড়কের দুই পাশে নার্সারিতে নানা প্রজাতির গাছের চারার দৃশ্য নজর কাড়ে। রাস্তার পাশে যতদূর দৃষ্টি যায় ফুল, ফল, মসলা ও বনজের চারা দেখা যায়। যেগুলোর গোড়ার মাটি পলি প্যাকেটে আবদ্ধ। চলতি পথে নার্সারিগুলোয় কর্মব্যস্ততার দৃশ্য চোখে পড়ে। কেউ নিড়ানি দিয়ে আগাছা বাছা ও ঝাঁজরি দিয়ে চারায় পানি দিচ্ছেন। আবার কেউ ভ্যান, নছিমন, ট্রাক ও পিকআপে চারা তুলে দিচ্ছেন। দেশী প্রজাতির পাশাপাশি বিদেশী ফলের চারারও উৎপাদন হয় পুরে। এখানে স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, ড্রাগন, থাই পেয়ারাসহ ৩০-৪০ প্রজাতির বিদেশী ফলের চারা তৈরি হয়। এছাড়া দেশী প্রজাতির সকল ফলের চারা নার্সারিগুলোয় পাওয়া যায়। এসব ফলের প্যাকেট চারা বছরজুড়ে পাওয়া যায়। প্যাকেটে রোপণ করা চারার পাশাপাশি টবে লাগানো ফুল-ফলের চারাও এখানে বিক্রি হয়। চুই, লবঙ্গ, তেজপাতা, দারুচিনি, গোলমরিচ, এলাচসহ বেশ কয়েক প্রজাতির মসলার চারা উৎপাদন ও বিক্রি হয়।
    গদাইপুরে ঢুকলে চোখে পড়ে ক্ষেতের পর ক্ষেত নার্সারি। বাড়ির সামনে-পেছনে ও আশপাশে নার্সারি গড়ে তুলেছেন সবাই। সব নার্সারির সানের সাইনবোর্ড লাগাানো। নানা রকমের ফুল, ফল ও মসলার চারা বাড়িগুলোর সামনে। বাড়ির ভেতরে গড়ে তোলা নার্সারিতে চারা কেনাবেচার দৃশ্যও নজর কাড়ে। কেবল বর্ষা মৌসুমেই এ গ্রামের কয়েকশ নার্সারিতে ৬কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়। আর সারা বছরের বিক্রি ১২কোটির বেশি।
    উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ছোট-বড় প্রায় ৫ শতাধিত নার্সারী গড়ে উঠেছে। যার উল্লেখযোগ্য সংখ্যা রয়েছে গদাইপুর গ্রামে। মৌসুম শুরুতে চারা তৈরীর জন্য নার্সারী মালিক ও কর্মচারীরা ব্যস্ত হয়ে ওঠে। বর্ষা শুরু হলে গুটি কলম তৈরী করা হবে। উপজেলার বিভিন্ন নার্সারীতে চলতি মৌসুমে কুলের প্রায় ১ কোটি কলম তৈরী হচ্ছে। গদাইপুর গ্রামের নার্সারী মালিক হাবিবুর রহমান জানান, তিনি নার্সারীতে ৭০ লাখ চারা উৎপাদনে ব্যস্ত রয়েছে। গদাইপুর গ্রামের অবস্থিত সততা নার্সারীর মালিক অঞ্জনা রানী পাল জানান তার নার্সারীতে বিভিন্ন জাতের কুলের প্রায় ৮ লাখ কলম তৈরী করছেন। তবে কলম তৈরীর সময় পার হয়ে গেলে এ মৌসুমের আর কলম তৈরী করা যাবে না। সে কারনে কলম তৈরীতে অধিক পয়সা খরচ হচ্ছে। তাছাড়া নার্সারীতে বিভিন্ন জাতের হাইব্রীড জাত কাটিমন আম ২০ হাজার, মাল্টা ২ লাখ, পিয়ারা ৫০ হাজার, সফেদা ৫০ হাজার, জামরুল ৩০ হাজার। এ সব কলমের মধ্যে থাই পেয়ারা, জামরুল, মালাটা, কদবেল, কমলালেবু, আম সহ বিভিন্ন জাতের কলম রয়েছে।নার্সারি ব্যবসায়ীরা জানান, গদা পুরে নার্সারি ব্যবসার যাত্রা হয় রিক্তা নার্সারি হাত ধরে। সওকত মলঙ্গী স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী সময়ে তিনি নার্সারির ব্যবসা শুরু করেন। তার ছেলেরা এখন সেই নার্সারি ব্যবসার হাল ধরেছেন। তাদের নার্সারি ব্যবসা দেখে সামছুর রহমানসহ অনেকে নার্সারির ক্ষেত গড়ে তোলেন।
    পাইকগাছা উপজেলা নার্সারী মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার পাল জানান, কলম তৈরীর শ্রমিক ঠিকমত না পাওয়ায় উচ্চ মূল্যে শ্রমিক নিয়ে কলম তৈরী করতে হচ্ছে। কারণ সময় চলে গেলে এ মৌসুমে আর কলম তৈরী করা যাবে না। গদাইপুর এলাকার তৈরী কলম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। তবে ঠিকমত বাজার দর না পাওয়ায় নার্সারী মালিকরা আশানারুপ ব্যবসা করতে পারছে না। নার্সারী ব্যবসায়ীরা জানান, চারা উৎপাদনে সরকারি ভাবে লোনের ব্যবস্থা করলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নার্সারী শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, পাইকগাছার নার্সারী শিল্প খুলনা জেলা শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে। নার্সারী ব্যবসায়ীরা চারা বিক্রি করার আশানারুপ বাজার ধরতে না পারায় তারা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নার্সারী ব্যবসা করে মালিক, ব্যবসায়ীরা সাবলম্বী হচ্ছে। তেমনি নার্সারীতে নিয়জিত হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। নার্সারীতে উৎপাদিত চারা সবুজ বননায়নে উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা রেখে পরিবেশের ভারশাম্য রক্ষা করছে। তেমনি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে রাখছে বড় অবদান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • মুন্সীগঞ্জে  ট্রাক চাপায় মা-মেয়ের মৃত্যু

    মুন্সীগঞ্জে ট্রাক চাপায় মা-মেয়ের মৃত্যু

    সোঃ লিটন মাহমুদ , মু্ন্সীগঞ্জঃ

    মুন্সীগঞ্জের সিপাহীপাড়া-মুক্তারপুর সড়কের রামপালের শান্তিনগর এলাকায় শাহ সিমেন্ট কোম্পানির একটি সিমেন্টবাহী ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকাল ৬ টার দিকে ওই দূর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘাতক ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয় স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নিহতরা হলেন-লিপি বেগম (৩৫) ও তার দশ মাসের মেয়ে আলিশা। তাদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,দশ মাসের মেয়ে আলিশাকে নিয়ে মিশুকে করে সিপাহীপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন মা লিপি বেগম। এ সময় মুক্তারপুরগামী দ্রুতগতির ট্রাকটি(ঢাকা মেট্রো- ড-১১-২৬১৪) মিশুককের সামনে থেকে ধাক্কা দিলে মা-মেয়ে মিশুক থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাপায় পৃষ্ট হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের।

    এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ট্রাকের ড্রাইভারকে আটক করা হয়েছে।
    দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

  • ময়মনসিংহ সদরে  বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    ময়মনসিংহ সদরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক-বালিকা (অনূর্ধ্ব-১৭) উদ্বোধন করা হয়েছে।

    শনিবার (৬ জুলাই) সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার বাস্তবায়নে উপজেলার চুড়খাই নাজিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি থেকে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় বিষয়কে স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধূলা ও সংস্কৃতি চর্চার সুসমন্বয় প্রয়োজন বলে জানান সাংসদ মোহিত উর রহমান শান্ত।

    এসময় তিনি বলেন, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা পূর্ণতা পায় না। এর সঙ্গে প্রয়োজন খেলাধূলা ও সংস্কৃতি চর্চার সুসমন্বয় ঘটানো। আর এর মাধ্যমেই একজন ছাত্র-ছাত্রী পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার এসব উপাদানের সমন্বয় ঘটেছে আওয়ামী লীগ সরকার আমলে। আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বাংলাদেশে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সফল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

    তিনি বলেন, যখনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকারে এসেছে তখনই তিনি চেষ্টা করেছেন খেলাধুলার প্রতি আমাদের ছেলেমেয়েদের আরও বেশি অনুরাগী করতে। কারণ খেলাধুলা মানুষের শারিরীক ও মানসিক শক্তি দেয়। দেশপ্রেম শেখায়, আনুগত্য শেখায় এবং সে সঙ্গে দেশেপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সাংসদ মোহিত উর রহমান শান্ত বলেন- আমাদের সফল ও বিশ্বসেরা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা চান আমাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, শরীর চর্চা, সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে নিজেদের উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।তাই খেলাধুলায় আমাদের ছেলেমেয়েরা যেন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে অংশগ্রহণ করে, আমাদের দেশীয় খেলাধুলাগুলোকেও সমানভাবে সুযোগ দিতে হবে। কারণ দেশীয় খেলাগুলোর মধ্য দিয়ে আমাদের ছেলেমেয়েদের আরও মেধা বিকাশের সুযোগ হবে ।

    এমপি বলেন,এই খেলার মাধ্যমে আমাদের ক্ষুদে ফুটবল খেলোয়াড়রা যারা আজকে এখান থেকে শুরু একদিন তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য আরও বেশি সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স এর -এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহমিনা সুলতানা কাজল , কোতোয়ালি মডেল থানার ইনচার্জ মাইনউদ্দিন , ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান , ভাবখালী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সোহেল । উদ্বোধনী খেলায় ঘাগড়া ইউ পি দল ট্রাইবেকারে ৪ – ২ গোলে ভাবখালী ইউ পি দলকে পরাজিত করে।

    এর আগে সংসদ সদস্যকে ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সোহেলসহ ইউপি সদস্যগণ।

  • টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের এক শত ছাব্বিশ কোটি ছয় লক্ষ আটানব্বই হাজার নয়শত পঁচানব্বই টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এবাজেটে এক কোটি দুই লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৪ টাকার রাজস্ব উদ্বৃত্ব দেখানো হয়েছে। রোববার ৭ জুলাই দুপুরে পৌর ভবনের সভা কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাজেট ঘোষণা করেন মধুপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মো. সিদ্দিক হোসেন খান।
    প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্বখাতে আয় ধরা হয়েছে নয় কোটি ৩১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৮ টাকা ৫২ পয়সা। সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে আট কোটি ২৮ লাখ ৮৭ হাজার ৩১৪ টাকা। এর মধ্যে মূলধন বাজেট ৫ কোটি পয়ত্রিশ লাখ ১০ হাজার ৮৩৪ টাকা। বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৫৫ কোটি, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ট্রাস্টি ফান্ডের আওতায় দুই কোটি, কোভিড-১৯ রেসপন্স এন্ড রিকোভারি প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটি ২০ হাজার, ৩০ পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় ২৬ কোটি, টাঙ্গাইল জেলার ১০টি পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটিসহ বিভিন্ন প্রকল্প ও রাজস্ব আয় মিলে একশত ২৬ কোটি ছয় লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৫ টাকা ৯৯ পয়সা আয় ধরা হয়েছে।
    নির্ধারিত ব্যয়ের খাতের পাশাপশি পৌরসভার সকল সড়ক পাকা করণ ও পৌরসভা পরিচ্ছন্ন করণসহ জনকল্যাণমূলক কাজকে এই বাজেটে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল মেয়র- ০১ ও ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জাকিরুল ইসলাম হক ফারুক, প্যানেল মেয়র -০২ ও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. বেশর আলী ফকির, প্যানেল মেয়র- ০৩ ও সংরক্ষিত আসন ৪, ৫, ও ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোছা. মালেকা বেগম, ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. হারুন অর রশিদ, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রায়হান, প্রসাসনিক কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল কায়ছার,প্রধান সহকারী মো. শাহীন মিয়া, হিসাব রক্ষক মো. মিজানুর রহমান আসাদ, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা সোনিয়া ইয়াসমিন, বাজার পরিদর্শক মাহমুদা পারভীন সহ পৌরসভার কাউন্সিলর, কর্মকর্তা -কর্মচারী, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিনিধি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সন্চালনা করেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো, নজরুল ইসলাম।