পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের ড্রেন সহ আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর আব্দুল গফফার মোড়ল, নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আহম্মদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী লিটু শেখ, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, স ম আব্দুর রব, আব্দুর রাজ্জাক সরদার, ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলম, কওছার আলী গোলদার, জাহিদুল ইসলাম, শাহিদুল ইসলাম, আশরাফুজ্জামান টুটুল, ফসিয়ার রহমান, মহাসিন সরদার ও আতিয়ার রহমান। উল্লেখ্য, বিশ^ ব্যাংকের অর্থায়নে কোভিড-১৯ প্রকল্পের আওতায় পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের নাগরিক সাংবাদিক আব্দুল আজিজ এর বাড়ির সামনে প্রায় ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৭৫ মিটার দৈর্ঘের ড্রেন সহ আরসিসি সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে পৌরসভা।
Category: দেশজুড়ে
-

পাইকগাছা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের ড্রেন সহ আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
-

পাইকগাছায় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ; দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা পৌর সদরের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ এর আওতায় মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর নেতৃত্বে উপজেলা মৎস্য দপ্তর থেকে পৌর সদরের বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আনুমানিক ৫০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এছাড়া দুই ব্যবসায়ীর একজনকে ৫ হাজার এবং আরেকজনকে ৩ হাজার সহ মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দকৃত কারেন্ট জাল থানার সামনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা কাওসার আকন, ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার, মৃদুল সরকার ও পেশকার মোহাম্মদ ইব্রাহীম। -

পাইকগাছায় চিংড়ি ও মৎস্য খাত রক্ষা করার দাবীতে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় চিংড়ি ও মৎস্য খাত রক্ষা করার দাবীতে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে পৌর সদরে উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের চিংড়ি চাষী ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেন উপজেলা চিংড়ি চাষী সমিতির নেতৃবৃন্দ। উপজেলা চিংড়ি চাষী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রিপন এর স ালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, এ্যাডঃ মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, মনোহর চন্দ্র সানা, রেজাউল ইসলাম, আলহাজ¦ আব্দুল মজিদ সানা, এসএম রেজাউল হক, সাজ্জাত আলী সরদার, আলমগীর সরদার, সাঈদুর রহমান পল্টু, প ানন সানা, জামিলুর রহমান রানা, সায়েদ আলী কালাই, বজলু গাজী, রেজাউল বিশ^াস, মোবাররক সরদার, রেজাউল ইসলাম, শওকত সরদার, রবিউল ইসলাম, কিনা সরদার, অধীর মেম্বর ও মাহমুদুল সানা। মতবিনিময় সভায় বক্তারা লবণ পানির চিংড়ি চাষ বহাল রাখতে চিংড়ি চাষী ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।ইমদাদুল হক
পাইকগাছা, খুলনা। -

কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সহকারী কমিশনার নুরুন নাহারের বিরুদ্ধে ঘুষ আদায়ের অভিযোগে বিক্ষোভ
হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সহকারী কমিশনার নুরুন নাহার সিদ্দিকার বিরুদ্ধে প্রায় সব ফাইলে ন্যূনতম তিনশো টাকা ঘুষ ও ফাইল আটকে রেখে অনৈতিকভাবে লাখ টাকা অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন গার্মেন্টস এক্সসোরিজ ও স্টেশনারি ব্যবসায়ীরা।
এ সময় বহিরাগতদের দিয়ে অফিস কার্যক্রম পরিচালানার অভিযোগ করে আন্দোলনরত ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা সঠিক নিয়মেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। এরপরেও প্রতিটি ফাইল প্রতি ন্যূনতম ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়ীদের ফাইল আটকে রাখেন এই সহকারী কমিশনার।
তারা আর-ও বলেন, আগে যেখানে এক থেকে দুই দিনে ফাইল প্রস্তুত হতো, এখন সেখানে ঘুষ দিয়েও প্রায় ১৫ দিন সময় লেগে যাচ্ছে। আগে কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ নিতেন কাজও সরাসরি হয়ে যেতো। কিন্তু এখন প্রতিটি ফাইলের জন্য অগ্রিম ঘুষ দিতে হয়। অগ্রিম টাকা দিয়েও প্রায় ১৫/২০ দিন যাওয়ার পরেও ফাইল আটকে থাকে।
ঝুট ব্যবসায়ী বাহার উদ্দিন বাহার বলেন, অতিরিক্ত টাকা (ঘুষ) না দিলে ঝুটের ফাইল আটকে রাখেন ওই কর্মকর্তা। এমন অবস্থায় কারখানায় ঝুটসহ অন্যান্য মালামাল নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে অনেক খারাপ আচরণ করেন তিনি। এছাড়া লাইসেন্স বাতিল করার হুমকি দেন। এতে করে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে আজ বিক্ষোভে নেমেছেন।
ব্যবসায়ী মাসুদ রানা বলেন, ব্যবসার শুরু থেকেই প্রতিটা ফাইলের জন্য ৩০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হচ্ছে। প্রায় তিন বছর ধরে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সহকারী কমিশনার এই ঘুষ আদায় করে চলেছেন। আমরা বাধ্য হয়েই ঘুষ দিচ্ছিলাম। কিন্তু সম্প্রতি তারা আমাদের কাছ থেকে অগ্রিম ঘুষ আদায়ের জন্য ব্যক্তিগত চারজন লোক নিয়োগ দিয়েছেন। যারা আগে ঘুষ নেন কিন্তু কর্মকর্তারা আমাদের ফাইল আটকে রাখেন। এতে করে বিভিন্ন মালামাল কারখানায় সরবরাহ করতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সাভার রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট ডিইপিজেড বিভাগের সহকারী কমিশনার নুরুন নাহার সিদ্দিকা বলেন, আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো কথা বলতে পারব না। তবে তারা যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বহিরাগত যারা অফিসে আসতেন তাদের আমি বের করে দিয়েছি।
-

পাইকগাছায় উত্তম কৃষি চর্চা সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় দিনব্যাপি উত্তম কৃষি চর্চা (জিপিএ) সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এ্যান্ড রুরাল ট্রান্স ফরনেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষক প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দিনব্যাপি এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। পার্টনার প্রকল্পের খুলনা অ লের মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেনের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অ লের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক ও উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক উদ্যান কৃষিবিদ মোঃ আব্দুস সামাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাস। বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম মনিরুল হুদা, সহকারী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বিশ^জিৎ দাশ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ তোফায়েল আহম্মেদ তুহিন, রুবাইয়া খাতুন, কৃষক আনিছুর রহমান, কবির মোড়ল, জেসমিন নাহার শিলা ও স্বপ্না মন্ডল। প্রশিক্ষণে এলাকার ২৫জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। -

পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারি সমিতির সংবাদ সম্মেলন
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।
পাইকগাছায় মৎস্য আড়ৎদারি সমিতি নিয়ে বিভ্রান্তি মূলক নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় মৎস্য আড়ৎদারি সমবায় সমিতি লিঃ উক্ত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
৯জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় মৎস্য আড়ৎদারি সমবায় সমিতির লিঃ এর কার্যলয়ে সংবাদ সম্মেলন সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক লিখিত বক্তব্য বলেন, গত ইং- ২০০০ সাল থেকে বাতিখালি মৌজায় শ্রী দুলাল চন্দ্র গংদের নিকট হইতে পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারি সমবায় সমিতি লিঃ ও ব্যাক্তি মালিকানায় ১২৩০-১২৩১ নং দলিল মুলে জমি ক্রয় করা হয়েছে। ২০০৫ সালে অত্র জমিতে পাকা মার্কেট নির্মাণ পূর্বক সুনামের সহিত ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। সম্প্রতি আমাদের সুনাম ও সুখ্যাতির জন্য পাইকগাছা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রশাসনের উদ্যোগে একটি মডেল মৎস্য আড়ৎ তৈরির জন্য সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিসারিজ প্রজেক্টের আওতায় মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক ৩ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। যা টেন্ডার হলে কাজ শুরু হবে।
তাহারা আরো বলেন, পাইকগাছায় একটি মডেল মৎস্য আড়ৎ নির্মাণ হলে ব্যবসায়ী তথা পাইকগাছা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এমতাবস্থায় মৎস্য আড়ৎদারি মার্কেট নিয়ে কতিপয় সাংবাদিক বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিভ্রান্তিমুলক খবর প্রচার করায় আমাদের মার্কেটের সুনাম ও সুখ্যাতি সহ ব্যবসায় বিরুপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে আমরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উক্ত বিষয়টি পত্র পত্রিকায় প্রকাশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

আগৈলঝাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে রক্তদান ও বরিশাল(ROB)এর বৃক্ষরোপন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত
বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-
রক্তদানের অপেক্ষায় বরিশাল (ROB) সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্দ্যগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার ৩নং বাগধা ইউনিয়ন এর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ROB সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ শাহাদাত হোসেন এর তত্বাবধানে ৪০০টি ফলজ ও বনজ চারা গাছ বিতরন করা হয়েছে। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাগধা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আইউব আলী মিয়া’এবং বরিশাল বিভাগের স্বর্নপদক প্রাপ্ত বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি।বাগদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাটির সভাপতিত্বে বাগধা ইউনিয়নের ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং একটি স্থানীয় সেচ্ছাসেবী সংগঠন এর নিকট ৪০০টি ফলজ ও বনজ চারা গাছ হস্তান্তর করা হয়েছে।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা সাংগঠনিক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোজাম্মেল হক হাওলাদার, বাগধা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আমিনুল ইসলাম তাজ, ইউনিয়নের জন প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বারপাইকা আল-মদিনা যুব ফাউন্ডেশন, গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও কোমলমতি শিক্ষার্থী প্রমুখ।
-

খাগড়াছড়িতে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিরসনে সচেতনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়িতে জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নিরসনে সচেতনতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৯জুলাই) সকাল ১১টার সময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।
এসময় পুলিশ সুপার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে যেভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সেটা অর্থনৈতিক ও কৃষি হোক অথবা অন্যান্য যে কোন সেক্টরের হোক আমাদের সুনাগরিক হিসেবে সে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অন্যান্য নেতিবাচক যে সমস্ত কর্মকাণ্ড আছে প্রতিহত করার জন্য আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। আইন-শৃঙ্খলার একজন সদস্য হিসেবে বলতে পারি যে আমি ব্যক্তিগতভাবে কাজ করলে হবে না আমরা সবাই মিলে কিন্তু এই দেশকে সোনার বাংলা ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলবো।
তিনি আরো বলেন, আমি একটি বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই আমরা যে সম্প্রীতির মধ্যে খাগড়াছড়ি জেলার সবাই একত্রে বসবাস করছি সে সম্প্রীতির মিলবন্ধন বজায় থাকবে।
এসময় সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ খলিলুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ সহিদুজ্জামান।বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম দিদার, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা ইসলাম, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান প্রমুখ।
আলোচনায় সভায় জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং এতিমখানা’র ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা অংশ নেন।
-

বন্যা পরবর্তী শিশুদের মধ্যে শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে
দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের উদ্যোগে
বন্যা পরবর্তী শিশুদের মধ্যে শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেহেরু নিগার তনুর সভাপতিত্বে উপস্থিত হয়ে, ইউনিয়ন ওয়ারী মনোনীত শিশুদের নামের তালিকা মোতাবেক ১৬৬ জন অভিভাবকদের মধ্যে এই শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়।
খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চিনি, বিস্কুট, সুজি, মসুর ডাল, সাগু, সোয়া বিন তেল, ও ব্রাউন চাউল।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আম্বিয়া আহমদ, সমবায় কর্মকর্তা মো.মোফাজ্জল হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারী মো. আজাদুর রহমান, মো. ফরিদ মিয়া প্রমুখ।
-

এনবিআর কর্মকর্তা এনামুলের কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান
হেলাল শেখঃ এনবিআর কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক। ফেনীর সোনাগাজীতে এনবিআর কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হকের কোটি টাকার সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তিনি সিলেটের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার হিসেবে কর্মরত। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলার পর আলোচনায় আসেন এনবিআরের এই কর্মকর্তা। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ফেনীর সদর ইউনিয়নের মনগাজী হলেও নতুন করে বাড়ি করেন পৌরসভার তুলাতলী এলাকায়।
আজ মঙ্গলবার ওই এলকায় সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, তাদের এলাকায় চারপাশে বাউন্ডারি দেওয়া চারটি বহুতল ভবন রয়েছে এনামুলের। যেগুলোর একটি পাঁচতলা, একটি দোতলা, আর দুটি তিনতলা বিশিষ্ট ভবন। তৃতীয় তলা বিশিষ্ট নুরে জান্নাত ভবনটি মেয়েকে দিয়েছেন এনামুল। সেখানে বাসা ভাড়ার খোঁজে গেলে বাড়ির কেয়ারটেকার জানান, এ সকল সম্পত্তির দেখাশোনা করেন এনামুলের ভগ্নিপতি শরিফ।
ফেনীর সোনাগাজিতে এনবিআর কর্মকর্তা এনামুল হকের সম্পত্তি। এ ছাড়াও সোনাগাজীর হাজী স্ট্যান্ড নামক এলাকায় ১২০ শতকের বাউন্ডারি দেওয়া জায়গা রয়েছে। যে সম্পত্তির বর্তমান মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি চাকরি করে এত টাকার জমি ক্রয় অবৈধ উপায় ছাড়া সম্ভব নয়। হঠাৎ এতসব সম্পত্তির মালিক বনে যাওয়া নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এনামুলের মায়ের ভাষ্যমতে, সোনাগাজীর চরখোন্দকার মৌজার ১২০ শতাংশ সম্পত্তি ছাড়াও থাক খোয়াজ লামছিতে আছে ১২০ শতাংশ। যেটিতে ১০-১২টি সুবিশাল দিঘী রয়েছে।
এনবিআর কর্মকর্তা এনামুলের বহুতল বিশিষ্ট ভবন। এনামুলের মা ছলেয়া বেগম বলেন, ‘হের টেকাটা তো ওইভাবে আইছে। টেকার ডকুমেন্ট আছে না, আপনে কত দিছেন, ওই কত দিছে, বিদেশওয়ালা কত দিছে, দেশওয়ালারা কত দিছে। চিটাগংয়ে বাড়ি করছে, সেইটা সাড়ে ৩ কোটি টাকা বেচছে। আরও কিছু জায়গা হারাইছে-টারাইছে। হেতে (এনামুল) কি করে হেতে জানে।’
এনামুলের সম্পত্তি দেখাশোনা করেন তাঁরই ভগ্নিপতি শরিফ। এ বিষয়ে জানার জন্য সরেজমিনে গেলে শরীফ কথা বলতে রাজি হননি।
এ নিয়ে এনামুলের প্রতিবেশী ও সোনাগাজী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর নুরুনবী লিটন বলেন, ‘এনাম ভাই আমার নিকটতম প্রতিবেশী। ভালো জানাশোনা আমাদের নাই। এলাকায় আসা-যাওয়া না করার ফলে তাঁর সাথে কারও সে রকম যোগাযোগ নাই। উনার সম্পত্তি আসলে কীভাবে, কার মাধ্যমে কিনেছেন নির্দিষ্ট করে বলা আমার পক্ষে কঠিন। তবে দুই-চার বছরের মধ্যে উনি ২-৪টি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। সেটি উনার ভগ্নিপতিকে দেখাশোনা করতে দেখেছি। উনার বিভিন্ন জায়গায় যে অঢেল সম্পত্তি কীভাবে কার মাধ্যমে কিনেছেন তা আমি জানি না।’
ফেনীর সোনাগাজীতে এনবিআইর কর্মকর্তা এনামুলের দুইটি দোতলা বাড়ি। কাউন্সিলর আরও বলেন, ‘দুর্নীতির মাধ্যমে উনার অর্জিত সম্পত্তি দেখে আমরা অবাক, লজ্জিত, হতাশ ও ক্ষুব্ধ। আমরা চাইব এনাম ভাই হোক, মতিউর কিংবা যে কেউ হোক, সকল দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি হোক।’
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় এনবিআর কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হকের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেন ঢাকার একটি আদালত। গত বছরের ৩১ জুলাই এনামুলের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা অবৈধ আয়ের অভিযোগে মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম। চলতি বছরের ৫ জুন এ মামলায় কমিশনারেট অব কাস্টমস ভ্যালুয়েশন অ্যান্ড ইন্টারনাল অডিটের সাবেক কমিশনার এনামুলের সব স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত।