Category: দেশজুড়ে

  • পাইকগাছায় গাঁ*জা সহ মাদ*ক কারবারি আ*টক

    পাইকগাছায় গাঁ*জা সহ মাদ*ক কারবারি আ*টক

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযানে এক মাদক কারবারিকে ৬’শ গ্রাম গাঁজা সহ একটি ডিসকভার (১৩৫) মোটরসাইকেলের টুলবক্স’র মধ্যে অভিনব কায়দায় মাদক বহন করা বাইকটি আটক করেছে থানা পুলিশ। এ বিষয়ে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে, মামলা নং- ৩। এছাড়া আটক ব্যক্তিকে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
    থানা থেকে প্রাপ্ত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক এসআই অমিত দেবনাথ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পাইকগাছা পৌরসভা ও সোলাদানা ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থান-শিবসা ব্রিজের উপর থেকে সাতক্ষীরা জেলার বাঁশদহ গ্রামের মোঃ আখের আলী কারিকরের ছেলে মোঃ আমজাদ হোসেন কারিকর(৫০) এর মোটরসাইকেলের টুলবক্সে থাকা ৬’শ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করা হয়।
    এবিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান, মাদক কারবারি আমজাদ হোসেন আটক করা হয়েছে। এবং তার নামে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা সহ মোটরসাইকেলটি জব্দ পূর্বক আসামিকে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় একটি হনুমানের ম*র্মান্তিক মু*ত্যু হয়েছে

    পাইকগাছায় একটি হনুমানের ম*র্মান্তিক মু*ত্যু হয়েছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় একটি হনুমানের মর্মান্তিক মুত্যু হয়েছে। কয়েক দিন পাইকগাছায় ২টি হনুমান বিভিন্ন স্থানে বিচারণ করে বেড়াচ্ছে। ১২ জুলাই শুক্রবার সকালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে একটি বৈদুতিক খুটির উপর থেকে হনুমানটি বিদ্যুৎ তাড়িত হয়ে নিচে পড়ে যায়। নিচে পাকা রাস্তার উপর পড়ে মুখ ও মাথা থেতলে রক্ত খরণ হয়। এসময় সকালে বৃষ্টি হচ্ছিল। পাশের অনেকে হনুমানটিকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। বনমালা কিন্ডার গার্টেনের প্রধান শিক্ষক দেবজানি মন্ডল হনুমানটিকে বাঁচানোর জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।কিন্তু হনুমানটি বাঁচানো যাযনি অবশেষে মারা যায়। থানায় খবর দেওয়া হয় বন্ অধিদপ্তরের থেকে লোক এসে মৃত্যু হনুমানটিকে নিয়ে যায়। খবর পেযে পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর ও মাহাবুবুর রহমান রঞ্জু ঘটনাস্থানে উপস্থিত হন। হনুমানটির মৃত্যুতে অপর হুনুমানটি পাশে বসে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে।যা ছিলো খুবই হৃদয় বিদারক ও মর্মান্তিক।

  • বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি।। গতকাল ১৩ জুলাই শনিবার সকাল১০ টা থেকে একটানা বিকালে ৪ টি পযর্ন্ত উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদের ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে প্রথম হয়েছেন খাইরুল ইসলাম সোহাগ (৩৪৬), দ্বিতীয় জাহিদ হোসেন সরদার(৩২৪), তৃতীয় আব্দুস সত্তার বেপারী (২৬০) এবং মোঃ নজরুল ইসলাম সরোয়ার(২০৫) ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য প্রার্থীরা হলেন মোঃ ফিরোজ আলম(১৪০), গোকুল চন্দ্র দেবনাম(১০০), আবুল কালাম আজাদ(৯৮), মোঃ এনায়েত হোসেন মোল্লা(৫১), এবং মোঃ হাফিজুর রহমান (৪৬) ভোট পেয়েছেন।

    নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য পদে দু’জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে মোসা: নুপুর খানম( ৩৭৬) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহানা পারভীন (১২১) ভোট পেয়েছেন।

    এছাড়া শিক্ষকদের ২১ জন ভোটারের মধ্যে দু’জন শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে মোঃ আ: কাইউম(১২) এবং দেব দুলাল হালদার (১২) সমান ভোট পেয়েছেন। এ পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থির অন্য দু’জন পেয়েছেন মোঃ জাকির হোসেন (৯) এবং অন্য প্রার্থী মোঃ জসিম উদ্দিন আকন পেয়েছেন শূন্য ভোট।
    নির্বাচনে সাধারণ অভিভাবক পদে মোট ৬৮৫ জন ভোটার ছিলেন। এর মধ্যে ৫১০ জন অভিভাবক ভোটার ভোট প্রদান করেন।

    এ নির্বাচনে প্রিজাইডং অফিসার ছিলেন উপজেলা আইসিটির সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ হাফিজ আল আসাদ এবং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ছিলেন বিদ্যালয়ের ভার-প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাকসুদা বেগম।#

  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরন করেন মজিবুল আলম সাদাত

    বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরন করেন মজিবুল আলম সাদাত

    মো. হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মজিবুল আলম সাদাত, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরন করেন। উজানের ঢল ও কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিতে হাতীবান্ধায় বন্যা সৃষ্টি হয়েছিল। ডুবে ছিলো রাস্তাঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এ উপজেলার অনেক মানুষ। বন্যার প্রাদুর্ভাবে এই সব অঞ্চলে বসবাসরত মানুষনের ভিটেমাটি ও জীবন জীবিকার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। চরাঞ্চলের মানুষের প্রতিদিনের বেঁচে থাকার লড়াই ও অন্তহীন দুঃখ কষ্ট কিছুটা লাঘব করার উদ্দেশ্যে ৬নং পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মজিবুল আলম সাদাত, এর নেতৃত্বে সরকারি বরাদ্দ ও নিজরে অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার মুড়ি, চিড়া,গুড় বিস্কুট সেলাইন বিতরণ করা হয়। এসব পেয়ে বানভাসিরা অনেক খুশি।

    ৬নং পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মজিবুল আলম সাদাত বলেন, আমি হাতীবান্ধা সন্তান। এখানে জন্মই যেন আমার আজন্ম পাপ। এ কথা কারও অজানা নয় যে, প্রতিবছর একাধিকবার বন্যায় আক্রান্ত হয় পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্যোগের সঙ্গেই যেন বেঁচে থাকে। একবার মাথা তুলে দাঁড়ায়, আবার কোমর ভেঙে যায়। অসহায় এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। যতটুকু সহায়তা পাওয়া যায়, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে প্রয়োজন আমাদের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থান গড়ে তোলা। পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের মানুষ কর্মসংস্থান চায়, তারা অনুদান চায় না। দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী—সবার কাছে আবেদন, আমাদের লালমনিরহাট জেলা নিয়ে একটু ভাবুন। এ জেলার জন্য বিশেষ বাজেট দিন, বাজেটের সুষ্ঠু তদন্ত করুন, নদীতে বাঁধ দিন, নদী খনন করুন, দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • কুমিল্লায় নবাগত পুলিশ সুপার কে গনঅভিনন্দন

    কুমিল্লায় নবাগত পুলিশ সুপার কে গনঅভিনন্দন

    কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার এম এ মান্নান বদলী হয়ে সিলেট চলে যান গত ১ লা জুলাই। তার স্থলে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে যোগদান করেন পটুয়াখালী থেকে বদলী হযে আসা মোঃ সাইদুল ইসলাম বিপিএম, তিনি প্রথম দিন কর্মদিবসে সারা দিন কুমিল্লার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের গন অভিনন্দনে সিক্ত হন।তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল বিকালে দৈনিক মানবকন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক আমাদের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মোঃতরিকুল ইসলাম তরুণের নেতৃত্বে দৈনিক মানবকন্ঠ, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম বিপিএম কে ফুলেল শুভেচছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার সহ সভাপতি মোঃ বাবর হোসেন, মোঃফেরদৌস মাহমুদ মিঠু,মোঃ জয়দল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জুয়েল রানা মজুমদার,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক কামরুজ্জামান, সাংবাদিক জাহিদ হাসান,নির্বাহী সদস্য মাইনুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র কুন্ড, জামাল হোসেন,দেলোয়ার হোসেন সহ প্রমুখ।

  • প্রতি বছর ১ হাজার তরুন-তরুণি প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে-পলক এমপি

    প্রতি বছর ১ হাজার তরুন-তরুণি প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে-পলক এমপি

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।তিনি ১৩ জুলাই শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর সিংপাড়ায় “শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
    তিনি বলেন, এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের আইটিতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করে একাডেমিয়া এবং আইটি ইন্ডাষ্ট্রির মধ্যে সেতুবন্ধন প্রতিষ্ঠা করা হবে এর মাধ্যমে। ফলে আইটি–আইটিইএস খাতে বাংলাদেশের যুব সমাজের আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে। আগামী ২ বছরের মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেলার আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গেলে কার্যক্রম শুরু হবে। এটি চালু হলে ঠাকুরগাঁও জেলার তরুন-তরুণিরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেই ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে ডলার আয় করবে। ডলার আয়ের জন্য আর বিদেশে পারি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আর এই তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই আমরা ২০৪১ সালেল মধ্যে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিযোগিতার এই যুগে তরুণদের টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নেই। সরকার এজন্যই একটি প্রযুক্তি নির্ভর জাতি গড়ে তূলতে কাজ করে চলেছে। ঠাকুরগাঁও জেলার যে গতানুগতিক ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হয়ে এসেছে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের আইটিতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করে আইটি ইন্ডাষ্ট্রিতেও এখন ঠাকুরগাঁও জেলা বাসীর অবদান রাখার ক্ষেত্র প্রস্তুত হলো। এর মাধ্যমে যুব সমাজের আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ, ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক এমপি বলেছেন, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে বের হয়ে তরুণ উদ্যোক্তারা আইটি ইন্ডাষ্ট্রিতে যেনো ব্যাপক পরিসরে কাজ করতে পারে সে লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হাই-টেক পার্ক স্থাপনের কাজও সমান্তরালে চলমান রয়েছে। এই ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার হতে প্রতি বছর এক হাজার তরুন-তরুণি প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী,বাংলাদেশ আ’লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য দ্রৌপদী দেবী আগারওয়ালা এমপি,ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজন এমপি, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফরউল্লাহ এনডিসি (গ্রেড-১),প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কের) মিথুন সরকার,ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃআব্দুল মজিদ আপেল,পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারুল ইসলাম সরকার,সালন্দর ইউনিয়নের সভাপতি মাজেদুর রহমান,সাধারণ সম্পাদক আবু দাইয়াম জনি,সালন্দর ইউপির চেয়ারম্যান ফজলে এলাহী মুকুট,সহ আ’লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবন্দ ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য থাকে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এটি বাস্তবায়ন করছে। মোট ২ দশমিক ১৮ একর জায়গা নিয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর সিংপাড়া মৌজায় এটি নির্মিত হচ্ছে।ঠাকুরগাঁও সহ ১৩টি জেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১১৫ কোটি টাকা।এবং অপরদিকে বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কের মান যাচাইয়ের জন্য নেটওয়ার্ক কোয়ালিটি টেস্ট–ড্রাইভ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘হার পাওয়ার” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ঠাকুরগাঁও জেলার ২৬৫ জন নারী প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করেন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক।এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারদের সাথে লিরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ”র মতবিনিময় সভা-সম্পন্ন

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারদের সাথে লিরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ”র মতবিনিময় সভা-সম্পন্ন

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারদের সাথে লিরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ হোটেল এ্যামব্রোশিয়ার হলরুমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাশ। এতে আরও বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মোঃ গোলাম মোরশেদ, সিনিয়র, ডি,জি,এম,এ,কে,এম হাসান কবির, লাকী এন্টারপ্রাইজ স্বর্থাধিকারী মোঃ নাছির উদ্দিন, ঠিকাদার এস,এম,আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু), আবু সাঈদ সুমন,মোঃ মহসিন,সৈয়দ সাজেদুল করিম সাজু,মোঃ শওকত আলম,এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ঠিকাদার মোঃ মোসলেম উদ্দিন খাঁন,মোঃ আজম,মোঃ মুজিবুর রহমান, মোঃ বখতিয়ার, সাইফুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, প্রকৌশলী মোঃ খোরশেদ, যুধিষ্ঠি দাশ,মোঃ মাহফুজ, কাজল সেন, মোঃ হাজবি, মোঃ মিজান,লিরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ডি,এস,এম, মোঃ সালাউদ্দিন,ডি,এস,এম, মোঃ আতিক,মোঃ আতিক উল্লাহ সহ সম্মানিত ঠিকাদার ও লিরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর কর্মকর্তবৃন্দ। পরে লিরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর সৌজন্যে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।

  • মুক্তিযুদ্ধে পুলিশঃ ময়মনসিংহ জেলা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

    মুক্তিযুদ্ধে পুলিশঃ ময়মনসিংহ জেলা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান খান এমপি।।অনুষ্ঠানে “গেস্ট অফ অনার” হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাবিবুর রহমান, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)।

    শনিবার (১৩ জুলাই) তিনি বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ময়মনসিংহ” এর শুভ উদ্বোধন ও “মুক্তিযুদ্ধে পুলিশঃ ময়মনসিংহ জেলা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। মহান মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে।তিনি বলেন-পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। এই সশস্ত্র প্রতিরোধটিই বাঙ্গালীদের কাছে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরুর বার্তা পৌছে দেয়। পরবর্তীতে পুলিশের এই সদস্যরা ৯ মাস জুড়ে দেশব্যাপী গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন এবং পাকিস্তানী সেনাদের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ডাক দেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের ১ হাজার ২৬২ জন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেন। শুধু মহান মুক্তিযুদ্ধেই নয়, দেশের প্রয়োজনে ও বিভিন্ন সংকটে জীবন উৎসর্গ করতে কুণ্ঠাবোধ করেননি পুলিশ সদস্যরা। চলমান কভিড-১৯ অতিমারিতে দেশ ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত ১০৬ জন পুলিশ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী পুলিশের বীর সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

    ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম (বার) পিপিএম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অপরাধের ধরন ও কৌশলে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে। অপরাধীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে সাইবার অপরাধ সংঘটন করছে, যা প্রতিরোধ করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশের তথ্য-প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে বর্তমান সরকার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    তিনি বাংলাদেশ পুলিশ ময়মনসিংহ রেঞ্জের প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার আহবান জানান।

    একই দিনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বিপিএম পিপিএম এর ব্যতিক্রমী এবং দূরদর্শী চিন্তার ফসল ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ লাইন্সের অভ্যন্তরে বৃটিশ স্থাপত্যশিল্পের ঐতিহ্যের ধারক পুরাতন পুলিশ হাসপাতাল ভবনে নির্মিত বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ময়মনসিংহ উদ্বোধন করেন।

    উল্ল্যেখ্য-বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার উপজীব্য সংবলিত পাঁচটি গ্যালারি ও আর্কাইভ নিয়ে গড়ে উঠেছে এ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা । ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বিপিএম, পিপিএম এর অসাধারণ উদ্যোগ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক), এম এম মোহাইমেনুর রশিদ, পিপিএম (সেবা) মহোদয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে নির্মিত এই জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বাংলাদেশ পুলিশের ঐতিহ্যকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবে বলেও মন্তব্য করেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা । ময়মনসিংহবাসীর পক্ষ থেকে এই ব্যতিক্রমী ও কার্যকর উদ্যোগের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন তারা।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া,ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, জাতীয় সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্ত,শরীফ আহমেদ, ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল,মাহমুদুল হক সায়েম,নিলুফার আঞ্জুম পপি,কৃষিবিদ ড.নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক সরকার, এবিএম আনিসুজ্জামান, মাহমুদুল হাসান সুমন,জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী,ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূইয়া,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এহতেশামুল আলম, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সহসভাপতি আমিনুল হক শামীম সিআইপিসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর সুধীজন।

  • স্ত্রীর যৌতুক মামলায়, শেষ রক্ষা হয়নি স্বামী রাশেদ ব্যাংক কর্মকর্তা  কারাগারে

    স্ত্রীর যৌতুক মামলায়, শেষ রক্ষা হয়নি স্বামী রাশেদ ব্যাংক কর্মকর্তা কারাগারে

    শহিদুল ইসলাম।

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রামে যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামী মোঃ রাশেদকে (৩০) গ্রেফতার করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড আসাদগঞ্জ উপ শাখার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
    গ্রেপ্তারকৃত রাশেদ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন গ্রামের মৃত হাফেজ আহম্মদের ছেলে।

    গত ১০ জুলাই মোঃ রাশেদ এর স্ত্রী নিপা আক্তার তার বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর আদালতে জেলা লিগ্যাল এইড চট্টগ্রামের সহযোগিতায় মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মামলা রেকর্ড (নথিভুক্ত) করে বিষয়টি তদন্তের জন্য বাকলিয়া থানাকে নির্দেশ দেন। পরদিন বাকলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি রেকর্ড হয় এবং একই দিন সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করে।

    মামলার নথি থেকে জানা যায়, মোঃ রাশেদ ২০২১ সালে নিপা আক্তারকে বিয়ে করেন এবং এ পরিবারে তাদের একটি পূত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর সাময়িক সুখে থাকলেও কিছুদিন পরই যৌতুকের দাবিতে শুরু হয় স্ত্রীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। ২০২২ সালের ২৭ এপ্রিল অভিযুক্ত রাশেদ তার স্ত্রী নিপার আক্তারের নিকট ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন দাবি করে। মোবাইল ফোন কিনে দিলেও টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কাউকে না জানিয়ে শরীয়তপুর থেকে চট্টগ্রাম চলে আসে রাশেদ। এর পর থেকে তালাক নোটিশ পাঠায়, যৌতুক নিয়ে নোটিশ প্রত্যাহার করে। আবার নোটিশ পাঠায়, আবার প্রত্যাহার করে। নোটিশ-প্রত্যাহার, নোটিশ-প্রত্যাহারের ট্রেন চলতে থাকলে হয়রানির চির মুক্তির জন্য ২০২২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলা করতে বাধ্য হন স্ত্রী নিপা আক্তার। তার স্ত্রী যেকোন শর্তে সংসার করতে আগ্রহী হওয়ায় পাঁচ লাখ টাকার দেনমোহর না পেয়েও পেয়েছে মর্মে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন স্বামীর বন্ধু এডভোকেট মনির (ভিডিও/অডিও ক্লিপ রয়েছে)। পরে তিনিই আবার এক লক্ষ টাকা দেনমোহরে নতুন কাবিননামা তৈরি করে বিয়ে করান। কয়েক মাস পর দেওয়া হয় পুনরায় তালাক। জানা যায়, শরীয়তপুর জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে শিশুর ভরণপোষণের জন্য আবেদন করলে লিগ্যাল এইড অফিসার প্রতিমাসের জন্য ৫০০০ টাকা ধার্য করে দেন। যা প্রতিবছর ১০% হারে বৃদ্ধি পাবে। এক শিশুর ভরণপোষণের জন্য প্রতি মাসে এ টাকা দিতে পারলে সংসারই করা যায় উল্লেখ করে রাশেদ পুনরায় ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ ১২ লক্ষ টাকা মোহরানা ধার্য্যে আরেকটি কাবিননামা সম্পাদনা করেন তার বন্ধু মনিরকে দিয়ে এবং বাসা ভাড়া নিয়ে নগরীর কালামিয়া বাজার দু’তলা মসজিদের পাশে আব্দুল খালেকের বাড়িতে একসাথে থাকতে শুরু করে। ৭ মে আবারো ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন রাশেদ। যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে মারধর করে ঘুমন্ত স্ত্রীর স্বর্ণালংকার নিয়ে বের হয়ে যান তিনি। এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করতে গেলে থানা আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেন। পরে এই নারী বাধ্য হয়ে আদালতে যান।
    জানা যায়, রাশেদ তার বন্ধু মনিরের সহযোগিতায় কাবিন সম্পাদনা করে উল্টো তিনি নিজেই কাবিন জালিয়াতির মামলা করেন।
    বাদীনি নিপা আক্তার বলেন, আমি যতবারই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি, বিপরীতে তিনি আমাকে হয়রানি করেছেন। আমার বাপের সম্পত্তি বিক্রি করে পুরো পরিবারকে নিঃস্ব করেছেন।

    জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী আহমদ কবির (করিম) বলেন, চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড অফিস আমাকে বাদীনি নিপা আক্তারের পক্ষে প্যানেল আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে আমরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর আদালতে আসামী মোঃ রাশেদ এর বিরুদ্ধে বিচারের প্রার্থনায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। নালিশী দরখাস্ত পর্যালোচনায় ও অভিযোগকারী পরীক্ষা করে অভিযোগের বক্তব্য সন্তোষ জনক হওয়ায় জেলা ও দায়রা জজ এর বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মদ ওসমান গনি অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন জমা দিতে বাকলিয়া থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন। এই নির্দেশের জন্য আমি বিজ্ঞ বিচারক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে যারা যৌতুক লোভী তারা সতর্ক হবে বলে আশা করি।

    বাকলিয়া থানার কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার বলেন, আসামী রাশেদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • রাজশাহীর বাগমারায় অনলাইন জুয়ার কালো থাবায় নিঃস্ব হচ্ছে তরুণ-যুব সমাজ

    রাজশাহীর বাগমারায় অনলাইন জুয়ার কালো থাবায় নিঃস্ব হচ্ছে তরুণ-যুব সমাজ

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    দেশে নতুন আতঙ্কের নাম অনলাইন জুয়া। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে জুয়া খেলা বহু পুরনো এবং প্রচলিত এক প্রকার অবসর-বিনোদনের মাধ্যম। প্রযুক্তির ক্রমবিকাশের সঙ্গে জুয়ার অন্যান্য মাধ্যমের চেয়ে অনলাইন জুয়াতেই এখন মানুষের অংশগ্রহণ বেশি। এক ধরনের কৌতূহল থেকে তরুণ প্রজন্ম আকৃষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন জুয়ার সাইটে।

    রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার প্রায় প্রত্যেকটি গ্রামে অনলাইন জুয়া খেলা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্কুল-কলেজে পড়য়া শিক্ষার্থীরাও ঝুঁকে পড়ছে এই অনলাইন জুয়ায়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে চলে এসব জুয়ার আসর। মোবাইল ফোনে অনলাইন জুয়ার অ্যাপস ডাউনলোড করে সেই অ্যাপসের লিংক অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে চালানো হয় জুয়া।

    ওয়ানএক্সবেট, বেটবাজডট৩৬৫, ক্রিকেক্স, বেট৩৬৫এনআই ও মসবেটসহ বিভিন্ন জুয়ার সাইটে টাকা পাচার হচ্ছে। প্রথমে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে শুরু করে খেলা। এক পর্যায়ে লোভে পড়ে খোয়াচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

    বিদেশ থেকে পরিচালিত এসব সাইট পরিচালনা করছে বাংলাদেশের এজেন্টরা। মাঠে-ঘাটে, হাট-বাজারে এমনকি পাড়ার চায়ের দোকানে একপ্রকার প্রকাশ্যেই বসে অনলাইন জুয়ার আসর। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নেই কোনো সুনিদ্দিষ্ট তথ্য।

    উপজেলার বিপ্রকয়া গ্রামের একজন জুয়াড়ি জানান, আমি একজন ভ্যান চালক, লোভে পড়ে ছয় মাস আগে এক বন্ধুর মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সাথে পরিচয় ঘটে। এরপর একে একে বাড়ির গোয়ালে থাকা চারটি গুরু বিক্রি করে পাঁচ লাখ টাকা খোয় গেছে সাথে আমর উর্পাজনে মাধ্যম ভ্যানটাও চলে গেছে । এখন বউ ছেলে মেয়ে নিয়ে বেঁচে থাকা দুস্কও হয়ে পড়েছে আমি পুরোপুরি নিঃস্ব।

    উপজেলার ভবানিগঞ্জ কলেজের একজন শিক্ষার্থী বলেন, লোভে পড়ে বিভিন্ন অযুহাতে বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে অনলাইন জুয়া খেলে সব টাকা নষ্ট করে ফেলেছি । একবার আমি (৫০০) পাঁচশত টাকা দিয়ে বেট / বাজি ধরে ৩০০০/= তিন হাজার টাকা জিতি, তারপরে জেতার লোভ আমাকে পেয়ে বসে, য়ার ফলে কলেজের নাম করে বাড়ি হতে অনেক টাকা নিয়ে আমি এখানে বাজি ধরি কিন্তু আর কোন বাজিতে আমি জিতিনি । জুয়ার টাকা জোগাড় করতে না পেরে আমার কিছু বন্ধুরা পা বাড়াচ্ছে অপরাধ জগতে। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়তে হচ্ছে। আমার বন্ধুরা সবাই এখন এই অনলাইন জুয়া খেলে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক ও উপজেলার একডালা গ্রামের বাসিন্দা জানান, আমার ছেলে প্রথমে ফ্রী ফায়ার ও পাবজি গেম খেলতো। এখন বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে নিয়মিত জুয়া খেলে খলে। কিছু বলতে গেলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। তিনি জানান, জুয়ায় আর্থিক লেনদেনের সহজ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট করার সুযোগ রয়েছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও লেনদেন করা যায়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাহেরপুর পৌরসভার তাহেরপুর বাজারের একজন অনলাইন জুয়ার এজেন্ট বলেন , আমার কাছে ভ্যানচালক , কৃষক, দিমজুর ,চাকুরিজীবী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই অনলাইন জুয়ার জন্যে প্রচুর পরিমাণে টাকা লেনদেন করে, আমি বিকাশ নগদের মাধ্যমে এ ধরনের এজেন্ট হিসেবে কাজ করি এতে করে প্রতিদিন আমার কাছ থেকে তাহেরপুর বাজারে কমপক্ষে দিনে গড় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা বর্তমানে লেনদেন হচ্ছে । এই বাজারে আমার মতো আরো এজেন্ট আছে, আমি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি তবে আমার পরামর্শ এই ধরনের অনলাইন জুয়ায় আসক্ত না হওয়ার ।

    শুধু বাগমারা উপজেলাতে নয় পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে এই অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ থাবা , শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কৃষক দিনমজুর ভ্যানচালক,চাকুরিজীবী এমনকি ব্যবসায়ীরাও জড়িয়ে পড়েছে এই অনলাইন জুয়াতে। অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ টাকা উপার্জনের জন্যে তারা এই ধরনের অনলাইন অবৈধ ওয়েবসাইট গুলোতে বাজি/জুয়া খেলছে ।

    পুঠিয়া উপজেলার শিলমাঢ়িয়া ইউনিয়নের মঙ্গল পাড়া গোবিন্দ পাড়া গ্রামের একজন জুয়াড়ির সাথে মুঠো ফোনে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, সে তাহেরপুর বাজারে এক দোকানে সেলসম্যান এর কাজ করতেন, এক বন্ধুর মাধ্যমে এই অনলাইন জুয়ার ব্যপারে জানতে পারে, প্রথমে সে কিছু টাকা এখান থেকে পেলেও পরবর্তীতে এই লোভে পড়ে তার দোকানের মালিক তাকে ২০০,০০০/= ( দুই লক্ষ টাকা ) ব্যাংকে জমা করতে পাঠিয়ে ছিল, দোকানের সেই টাকা সে ব্যাংকে জমা না করে জুয়ার খেলে ২০০,০০০/= ( দুই লক্ষ টাকা ) সব হেরে যায়, টাকা পরিশোধ করতে না পারায় সে দীর্ঘদিন এলাকা থেকে পলাতক ।

    শুধু তাই নয় একই গ্রামের ভ্যানচালক মোঃ রবিউল ইসলাম আনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে তার ভ্যান বিক্রি করেছে এবং তার জমি ছিল প্রায় দশ কাঠা সেই জমিও বিক্রি করেছে এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে বর্তমানে তার পরিবারসহ পালাতক।

    এই অনলাইন জুয়ার থাবা ছড়িয়ে পড়েছে সমাজের সর্বত্র তাই সমাজের সকলকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং পরিবারের সদস্যদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সন্তানরা কোথায় কখন কিভাবে কি করছে মোবাইলে কতটুকু সময় দিচ্ছে এবং সামাজিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমেই হয়তো বা রোধ করা যেতে পারে এই জুয়ার ভয়াবহ থাবা।

    পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট অনুযায়ী, জুয়ার জন্য জুয়ারি তিন মাসের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। মানুষকে শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক সবদিক থেকেই পুঙ্গ করে মেরে ফেলার মতো মানববিধ্বংসী এই মোবাইল জুয়া কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। তাই সচেতনতার পাশাপাশি প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ

    এ ব্যাপারে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই। তবে আমি শুনেছি অনলাইন জুয়ার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। আমরা চেষ্টা করছি এজন্টেদেরকে ধরতে। তাদেরকে ধরতে পারলে অনলাইন জুয়ার প্রসার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।