আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান।
জানা গেছে, গত ৭ আগষ্ট বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনিক হলরুমে তানোরের সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়।
এদিন সভার শুরুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সেই সঙ্গে তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল করা হয়।
মতবিনিময় সভায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, সরকারি কোনো সম্পত্তিতে আঘাত করা যাবে না। তানোরে স্বাভাবিক জীবন যাপন যেন পরিচালিত হতে পারে তার জন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। আমরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবো। যারা বিভিন্ন অনিয়ম করে আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইবে, আমাদের ছাত্র জনতার অর্জনকে নষ্ট করতে চাইবে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন বলেন, স্বৈরশাসকের পতন হয়েছে। এত অন্যায় অত্যাচার খুন গুম করেছে এত লুটপাট করেছে পাপের ভার আল্লাহ সহ্য করতে পারে নাই। তাই এত ঘৃণ্যভাবে পতন হয়েছে। আমরা যারা তানোরে রাজনীতি করি সকলেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ জনকল্যাণে একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করি করবো।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা একটি সুন্দর তানোর উপজেলা চাই। সুশাসন যেখানে থাকবে ন্যায়বিচার থাকবে মানুষ স্বাধীনভাবে চলতে পারবে সেরকম একটি তানোর চাইলে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। সুন্দর তানোরের জন্য কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করবেন।’
এসময় অন্যন্যের মধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশতুরা আমিনা, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন, তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম মোল্লা, উপজেলা পরিষদ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নেতা আব্দুর রহিম মোল্লা, উপজেলা জামায়াতের ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী, তানোর পৌর জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক আজহার আলী সরদার, উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক সামসুদ্দিন মন্ডল, তানোর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, তানোর পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহাবুব মোল্লাপ্রমুখ।
এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি এবং তাঁদের সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত
ছিলেন।#
Category: দেশজুড়ে
-

তানোরে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনও’র মতবিনিময়
-

১১ দফা দাবিতে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের কর্মবিরতি
জহিরুল ইসলাম জয়, দোয়ারাবাজার থেকে-
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের ১১ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি পালন করছে পুলিশ সদস্যরা।
বুধবার (৭ আগস্ট) দুপুরে দোয়ারাবাজার থানার সম্মুখে দাড়িয়ে সকল পুলিশ সদস্যরা প্রেসব্রিফিংগে ১১ দফা দাবি উপস্থাপন করেন।
দাবি গুলো হলো, ১, বর্তমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যে সকল পুলিশসদস্য মৃত্যুবরণ করেছে তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের কর্মবিরতি ঘোষণা।
২,পুলিশ কোন সরকারের অধীনে কাজ করবে না নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে জনগণের সেবা করবে।
৩,পুলিশ কোন এমপি মন্ত্রী কে প্রোটোকল দিবে না।
৪,পুলিশ কোন সিনিয়র অফিসার কে প্রোটোকল দেবে না।
৫, পুলিশ ৮ ঘণ্টার বেশি ডিউটি করবে না।
৬,পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যেভাবে দ্রুত পদোন্নতি পায় ঠিক সেইভাবে অধিনস্থ কর্মচারীরিকেও দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
৭,পুলিশের ২০ দিন ছুটি বৃদ্ধি করে ৬০ দিন করতে হবে।
৮, ঊর্ধ্বতন অফিসারের মত অধিনস্থ কর্মচারীদের ও সোর্স মানি দিতে হবে।
৯,পুলিশকে প্রত্যেক মাসে ১০ তারিখের মধ্যে টিএ বিল নিশ্চিত করতে হবে।
১০,পুলিশের ঝুঁকিবাতা বৃদ্ধি করতে হবে।
১১,প্রত্যেক পুলিশ সদস্যদের নিজ রেঞ্জে বদলি করতে হবে।
এসময় দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বদরুল হাসান বলেন, নির্মমভাবে নিহত পুলিশ সদস্যদের হত্যার সুষ্ঠু বিচার, পুলিশ বাহিনী সংস্কার ও বৈষম্য দূরীকরণসহ সারা বাংলাদেশব্যাপী পুলিশ বাহিনীর ডাকা কর্মবিরতির অংশ হিসাবে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানার পুলিশের পক্ষ থেকে একাত্মতা পোষণ করে কর্মবিরতি ঘোষণা করলাম। -

হাসিনার পতনের পর পটিয়ার সাবেক এমপি জুয়েল সমর্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল
মহিউদ্দীন চৌধুরী।। ১৭ বছরে যুদ্ধের অবসান ও সৈরাচারি খুনী হাসিনার পতনের পর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দিনে পটিয়ার সাবেক এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল এর পক্ষ থেকে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যেগে বিজয় মিছিল করেছে। মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক যুবনেতা, বদরুল খায়ের চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি, চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল জলিল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনাফ, পটিয়া উপজেলার নব নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান এমদাদুল হাসান, জেলা বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মাষ্টার, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জাহেদুল হক, বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, মুজিবুর রহমান, ইদ্রিস পানু, নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন মিয়া, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজী মোহাম্মদ মনির, পটিয়া উপজেলা বিএনপি নেতা, মনছপ আলী, আমিনুর রহমান, , রিজুওনাল হক রিজু, আবুল হোসেন, বছিরুল আলম, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ওসমান, হাসমত আলী, যুবদল নেতা, মাইমুনুল ইসলাম জমির উদদীন আজাদ, মামুন, নাসির উদদীন, আবু শহীদ রমজান, জমির উদদীন, মোহাম্মদ আনিস, মোরশেদ, আজম, সালাউদ্দিন, বক্কর, শাহজাহান সিরাজ, খোকন শাহ, গাজী দিদার, মোহাম্মদ শাহআলম, মঈনুল হাসন, মোহাম্মদ ফারুক, সেলিম উদদীন, মোহাম্মদ ফোরকান,,সেলিম মেম্বার, ছাত্রদল নেতা, জাহেদুল ইসলাম সুজন, নাঈম উদদীন, আবদুল লতিফ, শাকের, নাজমুল, নজরুল আনিস , শফি, আরফাত,, জাবেদ, সহ নেতৃবৃন্দ।
-

গোদাগাড়ীতে সবদলের নেতাকর্মীদের নিমন্ত্রণ করলেন ইউএনও
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিমন্ত্রণে ১৭ বছর পর বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য নেতাকর্মীর যোগ দেন।
বুধবার সকাল ১১ টান সময় উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াতের সভাপতিত্বে বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শাওয়াল, সাধারন সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি ব্যারিষ্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক মহাবুবুল ইসলাম পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রুলু, সিনিয়র সহঃ আব্দুল অহাব সভাপতি সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বাবু, আব্দুল হান্নান, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ ইমামীম মোবিনপ্রমূখ। জামায়াত পশ্চিম জেলা আমিল অধ্যাপক আব্দুল খালেক, ড. মোঃ ওবাইদুল্লাহ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামসহ বিভিন্ন পর্যারের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুস সালাম শাওয়াল বলেন, প্রায় ১৮ বছর পর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাদের নেতাকর্মীদের দাওয়াত দিয়েছেন। এর আগে কোন প্রশাসনের কোন কর্মকর্তা নিমন্ত্রণ করেন নি এমন কি অফিসে আসতে পারিনি। বৃক্ষ কি ফলে পরিচয় আগামী দিনে কার্যক্রম দিয়ে উনি প্রমান করবেন কতটা যোগ্য প্রশাসক, আন্তরিক, দেশ প্রেমিক, ঘুষ, দুর্নীতি, বৈষম্যমূলক প্রশাসন গড়ে তুলবেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা ও পৌর, বিএনপি ছাত্রদলের সকল স্তরের নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান আমরা সবাই সুশৃংখল বিজয় উদযাপন করবে। একটি কুচক্রী মহল কেউবা কারা বিএনপি’র ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটে ব্যস্ত রয়েছেন। লুটপাটকারীদের সাথে বিএনপি, ছাত্রদলের কোন সম্পর্ক নেই। এর দায়ভার বিএনপি নিবে না। আপনারা সকলে সাবধান, সর্তক এবং তৎপর থাকবেন এরকম ঘটনা কেউ ঘটাতে গেলে তাকে ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দিবেন।
জামায়াত নেতা ড. ওবাইদুল্লাহ বলেন, ইউএনও অফিস, গোদাগাড়ী মডেল থানাপুলিশ, শিক্ষা অফিস মানুষের জুলুম করেছেন, অত্যাচার করেছে তার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে জনতা। দ্রুত পুলিশের কার্যক্রম শুরু করতে হবে। ঘুষ, দুর্নীতি, অত্যাচার বৈষম্যপূলক প্রশাসন গড়ে তুলতে হবে। ঘুষ দেননি বলে অনেকের বছরের পর বছর কাজ হয় নি। আমরা সন্ত্রাস, লুটপাটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা লুটপাট করেছে তাদের নিকট থেকে সকল সম্পদ উদ্ধার করতে হবে। কেউ করলে সেনাবাহিনী, প্রশাসনকে খবর দিয়ে তা প্রতিরোধ করতে হবে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত এ প্রসংগে বলেন, সব দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। সবাই নিয়ে আমরা ভাল থাকতে চাই। কেউ কোন ভাবে ব্যক্তিগত সম্পদ, রাষ্টীয় সম্পদ, ভ্যাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট করবে না। সবদলের নেতাকর্মীরা আমাদের কথা দিয়েছে এব্যপারে সহযোগিতায় করবেন। তৃতীয় পক্ষ এটা করলে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। যেখানে এধরনের অপরাধ করবেন তাদের ধরে আমাদের খবর দিবেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। আমরা চিঠি দিয়ে দিচ্ছি মসজিদে মসজিদে ইমামগণ বলবেন, কউ যেন জনগনের জানমালের ক্ষতি না করেন। জনগনের ট্রাস্কের টাকায় নির্মিত সরকারী সম্পদের যেন কেউ কোনভাবে ক্ষতিসাধন না করেন।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

নলছিটিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ সেলিমের নামে স্মৃতি চত্তরের নামকরন
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
ঝালকাঠির নলছিটিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া সেলিম তালুকদারের নামে নলছিটি বাস স্ট্যান্ডের একটি চত্তরের নামকরণ করা হয়েছে। আগে সেটি বিজয় উল্লাস নামে পরিচিত ছিলো।
নলছিটি উপজেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ০৭ আগস্ট বিকেলে শহীদ সেলিমের ছবি সহ একটি ফলক লাগানো হয়।এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে নলছিটির বালী তাইফুর রহমান তূর্য এবং এফ এইচ রিভান,ঝালকাঠির সমন্বয়কারী খালিদ সাইফুল্লাহ কাজটি সম্পন্ন করেন।
শহীদ সেলিম তালুকদার গত জুলাই মাসের ১৮ তারিখে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে পুলিশের গুলিতে আহত হন,পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জুলাই তার মৃত্যু হয়।তিনি নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর টিঅ্যান্ডটি এলাকার সুলতান তালুকদারের ছেলে। তাঁরা সপরিবার বাড্ডা লিংক রোডে বসবাস করতেন।সেলিম বিজিএমই ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে দুই বছর আগে স্নাতক সম্পন্ন করে নারায়ণগঞ্জের মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডাইং মিলস লিমিটেডের সহকারী মার্চেন্ডাইজার পদে চাকরি করতেন। -

নড়াইলে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামের ওপর গু*লি ও চারজনকে কু*পিয়ে আহত
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে দুর্বৃত্তদের জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের ওপর গুলি ও চারজনকে কুপিয়ে আহত। নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের ওপর গুলি। নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম (৫৫) দুর্বৃত্তদের গুলি বর্ষণের শিকার হয়েছেন। তনে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সন্ধায় নড়াইল শহরের কাগজীপাড়া এলাকায় এ গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আহতাবস্থায় মনিরুলকে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনার পর দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। নিজ দলের নেতা জড়িত সন্দেহে শহরের ভওয়াখালী উত্তরপাড়া ওই নেতার বাড়ির দিকে রওনা হন তারা। পথে তাদের ওপরও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হামলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সাগর শেখ (৩০), আন্নান হোসেন (৪০), মিন্টু মিয়া (৫০) ও সোহাগ হোসেনকে (২৪) আহত করা হয়। সঙ্গে থাকা লোকজন তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে নড়াইল সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. সুজল বকসী জানান, মো.মনিরুল ইসলাম এখন আশঙ্কামুক্ত হয়েছেন। তবে বাকিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাইফুল ইসলাম জানান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.মনিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হবার ঘটনা শুনেছি। বিষয়টি সম্পর্কে এখন কিছু বলতে পারছি না। -

বাগআঁচড়ায় স্বৈরাচার পতন আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের স্বরণে শোক সভা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় মঙ্গলবার বিকেলে বাগআঁচড়া ও কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলায় নিহত ছাত্রদের স্বরণে এক শোক র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপি ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস আলীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও শার্শার সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন,আওয়ামী সরকারের শাসনে গোটা জাতি নিষ্পেষিত ছিলো। আজ জাতী মুক্ত। এই সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র পুনরদ্ধার আন্দোলন করতে গিয়ে যে সমস্ত ছাত্ররা নিহত হয়েছেন তাদের এ জাতি শ্রদ্ধা ভরে স্বরণ করবে।
এসময় তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের কোন ধরনের প্রতিশোধ পরায়ন না হতে অনুরোধ করে বলেন,কোন মসজিদ মাদ্রাসার ছাত্র ইমাম মুয়াজ্জিনদের সাথে খারাপ আচারণ করা যাবে না। কোন দোকানপাটে হামলা লুট করা যাবে না। সকল ব্যবসায়ী সংখ্যালঘু পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের কে যুবদল ছাত্রদল কৃষকদলকে পাহারায় রাখার জন্য আদেশ প্রদান করেন।
এ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মিঠু,কায়বা ইউন বিএনপি নেতা,তাজউদ্দীন আহম্মেদ, মশিয়ার রহমান,কায়বা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছ,শহিদুল ইসলাম সহ বাগআঁচড়া,কায়বা,গোগা ইউনিয়ন যুবদল ছাত্রদল ও কৃষকদলের নেতৃবৃন্দ।
-

নলছিটিতে বিএনপি ও ছাত্রজনতার দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো কোটা সংস্কার আন্দোলন তথা হাসিনা পতনের আন্দোলনে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় আলোচনা ও দোয়া মোনাজাত। এ সময় ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন দলের সকল নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন কোন প্রকার সহিংসতা করা যাবে না। কোন উচ্ছৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি না হয় সে দিকে দলের নেতা কর্মীদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলেছেন। সংখ্যালগুদের নিরাপত্তা দিতে দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন। ওয়ার্ড ইউনিয়নে সহিংসতা সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটি করা হবে বলে জানান তিনি।
এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেন,উপজেলা বিএনপি আহবায়ক আনিসুর রহমান হেলাল খান, সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান, সাবেক কমিশনার ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ, আর ও উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদল সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন দিপু, বিএনপি নেতা সেলিম গাজী, জিয়াউল কবির মিঠু, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা তৌহিদুল আলম মান্না, সাইদুল কবির রানা, মেহেদী হাসান তারেক, এসময় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা হানজালা নোমানী, মোনাজাত আন্দোলনে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। এসময় উপজেলার বিএনপি, ছাত্রজনতা সহ সাধারন মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
-

উজিরপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কমিটি গঠন
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার প্রয়োজনে কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার ৬ আগস্ট এই কমিটি গঠন করা হয়।
সমন্বয়করা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে উজিরপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার প্রয়োজনে এই কমিটি কাজ করবে। আমরা শতাধিক সদস্য নিয়ে কমিটি গঠন করেছি। পৌরসভার গুরুত্ব পুর্ন মসজিদ মন্দির সহ জনগনের নিরাপত্তা দিতে আমরা সর্বদা মাঠে আছি। এলাকার দায়িত্বশীল নাগরিকদের পরামর্শ ও সম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।, আমাদের এলাকার মানুষ সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে চলে। তারপরও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেউ যাতে সংখ্যালঘুদের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে, সেদিকে আমরা দৃষ্টি রাখবো।
-

জনরোষ এড়াতে ঝিনাইদহের ৭১২ জনপ্রতিনিধি পালিয়েছেন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের বেশির ভাগ জনপ্রতিনিধি পালিয়ে গেছেন। জনতার গন আন্দোলনে তীব্র জনরোষে এ সব জনপ্রতিনিধি পালিয়ে গেছেন বলে জেলা প্রসাশনের স্থানীয় সরকার বিভাগ সুত্রে জানা গেছে। ফলে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা মানুষ সেবা পাচ্ছেন না। এরমধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরণ জনরোষে আক্রান্ত হয়ে নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত তার লাশ প্রকাশ্যে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর জেলার বেশির ভাগ জনপ্রতিনিধি গা ঢাকা দিয়েছেন। অনেকের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ¦ালিয়ে দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী জনগনের ধাওয়া খেয়ে অনেকটা দিগম্বর হয়ে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা পান। সারা জেলা থেকে এমন আতংকজনক খবর আসার কারণে জেলার ৬ উপজেলা চেয়ারম্যান, ৬ পৌর মেয়র মেয়র, ভাইস চেয়ারম্যান, ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বেশির ভাগ ইউপি মেম্বর গা ঢাকা দিয়েছেন।ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জানা গেছে, উপজেলা ও পৌর মেয়রসহ জেলায় সর্বমোট ৯৩৭ জন জনপ্রতিনিধি আছেন। এরমধ্যে ৬ জন উপজেলা চেয়ারম্যান, ১২ জন ভাইস চেয়ারম্যান, ৬ জন পৌর মেয়র, ৩৬ জন কাউন্সিলর, ৬৭ জন ইউপি চেয়ারম্যান ও ৮০৪ জন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিঞা খুরশিদ আলম ছাড়া ৬৬ জন চেয়ারম্যানই মঙ্গলবার অফিস করেননি। ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদি হিজল মঙ্গলবার অফিস করেনি। সোমবার রাতে তার বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুদ্ধ জনতা। এ করণে তিনি গা ঢাকা দিতে পারেন বলে অনেকেই মনে করছেন। হরিণাকুন্ডু পৌরসভায় গিয়ে দেখা যায়, মেয়র ফারুক হোসেনের চেয়ার ফাঁকা। ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক। শৈলকুপা পৌরসভার মেয়র কাজী আশরাফুল আজমকে অফিসে দেখা যায়নি। কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম অনেক আগেই পালিয়ে গেছেন। জেলার বিপুল সংখ্যক জনপ্রতিনিধিদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ সাইদুল আলম জানান, চরম দলীয়করণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, পেশি শক্তি প্রদর্শন ও সীমাহীন দুর্নীতির কারণে এসব জনপ্রতিনিধি জনরোষের শিকার হয়েছেন। এছাড়া জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারাও এই জনরোষের কারণ বলে তিনি মনে করেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রসাশকের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রথিন্দ্রনাথ রায় জানান, তিনিও এমন কথা শুনেছেন। তবে ইউনিয়ন পরিষদের অনেক সদস্য আছেন যারা প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আপাতত তারাও দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তবে সরকার গঠন হলে দ্রতই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি মনে করেন।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।