Category: দেশজুড়ে

  • মুরাদনগরে  চাঁদা না পেয়ে কুপিয়ে আহত করলো  বিএনপির কর্মী দুলালকে 

    মুরাদনগরে  চাঁদা না পেয়ে কুপিয়ে আহত করলো  বিএনপির কর্মী দুলালকে 

    তরিকুল ইসলাম তরুন।।
    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন শ্রীকাইল ইউনিয়নের চন্দনাইল গ্রামের বাজার সংলগ্ন  পিন্সিপাল বাড়ির সামনে  ৮ ই জুলাই সকাল ৭ টায় মোহসিন মিয়ার ছেলে  বিএনপি কর্মী দুলাল কে একদল সন্ত্রাসী আওয়ামী নেতা নজরুল গং রা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে,

     এসময় তার স্বজনরা দুলালের চিৎকারে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও হুমকি সহ মারার চেষ্টা করে। 

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায় একই পাড়ার বাসিন্দা শাহ আলম, মানিক,রাহিম, পাবেল,সবুজ, মাসুদ,রাজিমসহ তাদের বস মাদক সম্রাট সাবেক চেয়ারম্যান নজরুলের নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাস্তার পাশে বিএনপির কর্মী দুলাল কেএকা  পেয়ে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে।এসময় দুলাল চাদা দিতে অস্বীকার করলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে  এবং মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে চাঁদা দিতে হবে এলাকায় থাকতে হলে। এসময় তার  আত্বচিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে এসে দুলাল কে উদ্ধার করে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়,দুলালের মাথায় চারটি সেলাই লাগে। 

     দুলালের পরিবার তাৎক্ষণিক থানায় গেলে পুলিশ  সেনাবাহিনীর নাম্বার দিয়ে যোগাযোগ করতে বলে। এবিষয়ে সাংবাদিকরা 

     নজরুল কে মুঠো ফোনে 

     কল দিলে রিসিভ করেনি,পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর হট নাম্বারে বিষয় টি অবহেলিত করলে ঘটনার স্থলে যাবে বলে

    জানায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নজরুল মাদক ব্যবসা করে, স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাস,সে ১ নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান, সে একাধিক মামলার আসামি, তার ইশারায় চন্দনাইল বাজারে একাধিক দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে।কেউ তার কাছে বিচার দিয়ে বিচার পায়না,এজন্য ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা,তার ছত্রছায়ায় শাহআলম, মানিক,সবুজ গংরা একেরপরএকটি ঘটনা করে পাড়পেয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৮ বছরে তার দূর্নীতি সীমাহীন তাকে রোহিঙ্গা চেয়ারম্যান বলা হয়,সে টাকা খেয়ে রোহিঙ্গা কে নিবন্ধন সনদ প্রদানের অভিযোগ প্রমাণ পাওয়া যায়। তাকে সাসপেন্স করা হয়ে ছিল। দেশের ক্লানি কালে তার অপরাধ আরো বাড়িয়ে ফেলছে,গত নির্বাচনে মুরাদনগর সংসদ নির্বাচনের পর গা ঢাকা দিয়ে ছিল, ছাত্র আন্দোলনের পর বিএনপি পরিচয় দিয়ে আবার সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে ভুক্ত ভোগী  মোহসিন মিয়ার ছেলে দুলাল বিচার চায়, দোষী দের ধরে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।

  • সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে দেশত্যাগের সময় বরিশাল মহানগর আ.লীগ নেতা আটক

    সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে দেশত্যাগের সময় বরিশাল মহানগর আ.লীগ নেতা আটক

    মো: আজিজুল ইসলাম(ইমরান) 

    সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশত্যাগের সময় বরিশাল মহানগর আওয়ামিলীগ নেতাকে আটক করেছে বিজিবি। 

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরার ভোমরা ইমিগ্রেশন শেষে ভারতে যাওয়ার সময় বিজিবি তাকে আটক করে।

    আটককৃতের নাম নিরব হোসেন টুটুল (৫৫)। তিনি বরিশাল সদরের মৃত হারুনার রশিদ এর ছেলে ও বরিশাল চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক, জেলা মৎস্য মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ মহানগর আওয়ামিলীগ নেতা বলে জানিয়েছে বিজিবি। 

    সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়ান বিজিবির ভোমরা ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মোঃ আফজাল হোসেন জানান, সীমান্তে রেড এলার্ট  জারি করাহয়েছে। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ভারতে যাওয়ার সময় নিরব হোসেন টুটুল নামের ওই ব্যাক্তিকে দেখে সন্দেহ হলে তাক জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানাজায় তিনি বরিশাল মহানগর আওয়ামিলীগ নেতা। পরে তাকে আটক করাহয়। এবিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

  • শরণখোলা প্রেসক্লাবে হামলায় সভাপতি লিটন ,সাধারণ সম্পাদক মহিদুল আহত

    শরণখোলা প্রেসক্লাবে হামলায় সভাপতি লিটন ,সাধারণ সম্পাদক মহিদুল আহত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের শরণখোলা প্রেসক্লাবে সন্ত্রাসী হামলায় দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন। বুধবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে এই সশস্ত্র হামলা করা হয়। এ ঘটনায় বাগেরহাট জেলাজুড়ে সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির অঙ্গসংগঠন মহিলা দলের শরণখোলা উপজেলা সভানেত্রী সাগর আক্তারের উপস্থিতিতে তার দুই ছেলে শামিম হাসান সুজন, সোহাগ এবং পদ্মা ডায়গনেস্টিক সেন্টারের মালিক হেলাল তালুকদারের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একদল সন্ত্রাসী এই হামলা চালায়।

    শরণখোলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা জানান, প্রেসক্লাব সভাপতি প্রতিদিনের বাংলাদেশের উপজেলা প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক কালের কন্ঠের প্রতিনিধি মহিদুল ইসলামকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেন হামলাকারীরা। এ ছাড়া প্রেসক্লাবে তাণ্ডব চালিয়ে চেয়ার, টেবিল, কম্পিউটার, ল্যাপটবসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাংচুর করেন বলে জানা গেছে।

    এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দলটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা আরো বলেন, প্রেসক্লাবের দুইটি কম্পিউটার ও নির্মাণ কাজের জন্য রাখা তিন লাখ টাকা লুটে নিয়েছেন হামলাকারীরা। স্থানীয়রাসহ অন্য সাংবাদিকরা এসে আহত দুইজনকে শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    শরণখোলা প্রেসক্লাবে হামলার বিষয়ে বাগেরহাট জেলা জাতিয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী শাহিদা আক্তার বলেন, দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহিংসতা না করতে দলীয় নেতাকর্মীদের বার বার নির্দেশনা দিয়েছেন। এরপরেও যারা সহিংসতা করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • আশুলিয়ায় ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সুলতানা ইয়াসমিন তিনদিন ধরে নি*খোঁজ

    আশুলিয়ায় ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সুলতানা ইয়াসমিন তিনদিন ধরে নি*খোঁজ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সুলতানা ইয়াসমিন ওরফে মুসলিমা (১২), পুলিশ সদস্য ইকবাল এর বাসার গৃহকর্মী তিনদিন ধরে নিখোঁজ হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ৮ আগস্ট ২০২৪ইং দুপুরে ভিকটিমের মামা-পালক বাবা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, গত ৫ আগস্ট থেকে নিখোঁজ মেয়েটি, ঘটনার দিন বাসায় কাউকে না বলে সুলতানা কোথায় যে, চলে গেছে আমরা কেউ তা জানিনা, তবে একটি ছেলেকে সন্দেহ করা হচ্ছে, ওই ছেলের সাথে সুলতানা’র প্রেমের সম্পর্ক চিলো।

    ভিকটিম সুলতানা ইয়াসমিন ওরফে মুসলিমা’র প্রেমিক টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকার মোঃ শহিদুল ইসলামের ছেলে নুর-ইসলাম (১৮) বলেন, তার সাথে দুই বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, হঠাৎ নিখোঁজ হয়েছে, আমি কিছুই জানিনা। অনেকেই বলছেন, পুরো বিষয়টি রহস্যজনক।

    উক্ত ভিকটিমের দ্রুত সন্ধান চায় ভুক্তভোগী পরিবার, মোবাইল নাম্বার 01728024580। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে ভুক্তভোগী পরিবার খুব চিন্তিত, ভিকটিম কোথায় আছে, কেমন আছে? বেঁচে আছে কি না তার খবর কেউ বলতে পারছেন না।

    ভিকটিমকে উদ্ধার ও তার সন্ধান পেতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

  • শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের শপথ

    শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের শপথ

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান স্বাধীনতার স্থপতি, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের মাটিতে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শপথ নিয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    বুধবার (৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেতা-কর্মীরা শপথ বাক্য পাঠ করেন। শপথ বাক্য পাঠ করান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান।

    নেতারা সমবেত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি শপথ করছি যে, যতদিন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরিয়ে না আনব ততদিন পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরে যাবো না। আমি আরও শপথ করছি যে, তাঁর ওপর ঘটে যাওয়া সব অন্যায়ের প্রতিশোধ নেব। আজ থেকে আমাদের আন্দোলন শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা। আমি এই শপথ বাক্য বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ ছুঁয়ে করছি। আমাদের এই শপথ মহান রাব্বুল আলামীন কবুল করুন। আমিন, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’

    শপথ অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাব উদ্দিন আজম, টুঙ্গিপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

    এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা গোপালগঞ্জ থেকে মিছিল নিয়ে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে নেতা-কর্মীরা বেদীর পাশে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর পবিত্র ফাতেহা ও দুরুদ পাঠ শেষে নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু সহ ‘৭৫ -এর ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনায়, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।

    এসময় গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান লিটন, দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হক, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রাজিউদ্দিন খান, নজরুল ইসলাম, নাজমুল হাসান নাজিম, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সিদ্দিক সিকদার, গোপালগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর আলিমুজ্জামান বিটু, টুঙ্গিপাড়া পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক বি.এম তৌফিক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিউটন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আমীর হামজা সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

    শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাব উদ্দিন আজম বলেন, ‘এই পরিস্থিতি আমাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে দেশে ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত প্রতিবাদ-প্রতিরোধ অব্যাহত রাখবো। প্রত্যেককে গ্রেপ্তার এড়িয়ে চলতে হবে। তারপরও যদি কেউ গ্রেপ্তার হয়, আমিও যদি গ্রেপ্তার হই আপনারা বসে থাকবেন না। যে শক্তি নিয়ে আপনারা এখন চলছেন, তারচেয়ে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে রাজপথে নামবেন। কারণ গোপালগঞ্জের মানুষ মুজিব প্রেমী, গোপালগঞ্জের মানুষ মুজিব পাগল মানুষ। তাই বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।’

  • সুজানগরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জামায়াতের আমীরের

    সুজানগরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জামায়াতের আমীরের

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ঃ পাবনার সুজানগরে সকল ধরনের নৈরাজ্য বর্জন করে শান্তিপুর্ণভাবে জীবন ব্যবস্থা পরিচালনার লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন। বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্য করে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা নিরাপদে থাকবেন,শান্তিতে থাকবেন, কাউকে আপনাদের উপর অন্যায় অত্যাচার, জুলুম,নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা লুটপাট করতে দেওয়া হবে না। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা আপনাদের পাশে আছে এবং থাকবে ইনশআল্লাহ। যদি এ ধরনের কোন সমস্যায় আপনারা পড়েন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে খবর দেবেন।প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ওই সকল অপকর্ম ও সন্ত্রাসীদের এমন ধরণের ঘৃণ্য কাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। মত বিনিময় সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এমন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় এবং তাদের পাশে থাকার জন্য জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী রণজিত কুমার,সাধারণ সম্পাদক মি.তরিত কুমার কুন্ডু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার সেক্রেটারী টুটুল হোসাইন বিশ্বাস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর পৌর নায়েবে আমীর রফিকুল ইসলাম খান, জামায়াতে ইসলামী সুজানগর পৌর শাখার আমীর অধ্যাপক ফারুক-ই-আযম,সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল মমিন, গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে দৈনিক যায়যায়দিনের উপজেলা প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী বিজন কুমার পাল, সুজানগর পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী জয়ন্ত কুমার কুন্ডু,সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ কুমার রায়, সুজানগর বাজার মন্দির কমিটির সভাপতি তপন কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অশোক কুমার, সুজিত কুমার ঘোষ ,সুদেব কুমার ঘোষ, শ্রী স্বপন কুমার বিশ্বাস, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল মমিন ও সেক্রেটারী সাগর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় সুজানগর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এদিন পৃথক পৃথকভাবে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় করণীয় বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান, পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম ও থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিনের সাথে তাদের নিজ নিজ কার্যালয়ে মত বিনিময় করেন সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে শহর বিভিন্ন রাস্তায় পরিচ্ছন্নে হাত লাগালো শিক্ষার্থীরা

    নড়াইলে শহর বিভিন্ন রাস্তায় পরিচ্ছন্নে হাত লাগালো শিক্ষার্থীরা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    নড়াইলে শহর পরিচ্ছন্নে হাত লাগালো শিক্ষার্থীরা। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা জঞ্জাল অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে মাঠে নামেন তারা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইলজেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে শুরু করে রূপগঞ্জ অভিমুখে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়।

    ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন সম্মান বিভাগের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল নূর, ঢাকা কলেজের শাওনসহ নড়াইলের সন্তান কয়েকজনের উদ্যোগে এ কার্যক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয়। শহর পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি সমাজ গঠনে ভবিষ্যতে তাদের নানা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও শিক্ষার্থীরা জানায়।

  • তানোর বিএনপিতে ফের প্রাণচাঞ্চল্য

    তানোর বিএনপিতে ফের প্রাণচাঞ্চল্য

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান জামিনে মুক্ত হয়েছেন।জানা গেছে, ৬ আগস্ট মঙ্গলবার রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন তানোর বিএনপির তরুণ কর্ণধার মিজানুর রহমান মিজান। এদিন প্রায় সহস্রাধিক মোটরসাইকেল শোডাউন নিয়ে নেতাকর্মীরা মিজানকে বরণ করেন। এসব নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের ভাল বাসায় সিক্ত হয়েছেন মিজান। তানোর বিএনপির নিপীড়িত-নির্যাতিত নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের উচ্ছ্বাস মিজান। বিএনপির তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের অশ্রুসজল ভালবাসা আকুন্ঠ সমর্থন প্রমাণ করেছে,তানোর বিএনপির রাজনীতিতে মিজানের কোনো বিকল্প নাই।
    এদিকে মিজানের মুক্তিতে তানোরে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক পর উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য। তানোর বিএনপিার তৃণমূলে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন মিজান। তানোর বিএনপিতে মিজানের কোনো বিকল্প নাই তাকে ঘিরে ইতমধ্যে বিএনপিতে বইছে ঐক্যর হাওয়া।অন্যদিকে মিজানের মুক্তিতে
    বিএনপির রাজনীতিতে রাতারাতি নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। এতদিন যে সকল নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কারণে নিজেদের রাজনীতি থেকে দুরে সরিয়ে রেখেছিল তাঁরা আবারো রাজনীতিতে সক্রীয় হয়েছে। আবারও গা-ঝাড়া দিয়ে নবউদ্দ্যোমে দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে শুরু করেছেন। যে কারণে দীর্ঘদিন পর এখানে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতিতে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।
    অথচ আওয়ামী লীগের বাধার কারণে
    তানোরে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক বিএনপির তেমন কোনো কার্যক্রম ছিল না। তবে তানোর বিএনপির তরুণ নেতৃত্ব মিজানুর রহমান মিজানের কারা মুক্তিতে সেই চিত্র রাতারাতি পাল্টে গেছে। মিজানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকরা অতীতের সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

  • গাজীপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর আ:লীগ নেতার হা*মলা, নিহ*ত ১

    গাজীপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর আ:লীগ নেতার হা*মলা, নিহ*ত ১

    গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
    গাজীপুর সদর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হামলা
    চালিয়েছে ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের এক জন নিহত সহ তিন জন আহত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের বর্তাপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তি পিরুজালী ইউনিয়নের বর্তাপাড়া গ্রামের সফিউর রহমান মাস্টারের ছেলে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ এর ছোট ভাই মোতালেব হোসেন (৫২)। এ সময় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী সন্তান সহ আরো কয়েক জন আহত হয়।

    নিহতের পরিবার জানায়, সরকার পতনের পর বিজয় মিছিল থেকে ফিরে আসার সময় পিরুজালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ ও তার ছেলে নাহিদ এবং ভাতিজা শাওন সহ আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ এর পরিবারের উপর। এসময় মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ এর ছোট ভাই মোতালেব কে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ।

    এ সময় তাকে বাঁচাতে গেলে মুক্তিযোদ্ধা সহ তার পরিবারের আরো ৩ সদস্য আহত হয়। পরে আহতদেরকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করে।

    মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ জানাযায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমার এবং আমার পরিবারের উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমার ছোট ভাই নিহত হয়েছে এবং আমি সহ পরিবারের অনেকেই আহত হয়েছে। এছাড়াও আমার পরিবারের আরো কয়েকজন সদস্য গুরুতর আহত হয়। তবে এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন রয়েছে বলেও জানান এ মুক্তিযোদ্ধা।

    জয়দেবপুর থানায় পুলিশ শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইবরাহিম খলিল কে ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি।

    রাসেল শেখ
    গাজীপুর

  • কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছে ২০৯ বন্দি গু*লিতে নিহ*ত ৬

    কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছে ২০৯ বন্দি গু*লিতে নিহ*ত ৬

    গাজীপুর প্রতিনিধি:গাজীপুরে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় গুলিতে ৬ বন্দি নিহত হয়েছেন। এসময় কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন ২০৯ জন বন্দী। মঙ্গলবার বিকালে কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটে। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহতরা হলেন, নরসিংদীর রায়পুরা থানার নলভাটা গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে মোঃ জিন্নাহ (২৯), সিলেটর মৌলভী বাজার কমলগঞ্জ থানার রামেশ্বরপুর এলাকার মকবুল মিয়ার ছেলে ইমতিয়াজ পাভেল (২৭), নওগঁার আব্দুস সালাম সরদারের ছেলে আসলাম হোসেন (২৭), আফজাল হোসেন (৬৩) তার পিতার নাম রইজ উদ্দিন, স্বপন শেখ কালু (৪৫) পিতা আব্দুর রাজ্জাক শেখ ও রাধে শ্যাম হরিজজন জমাদ্দার (৬৭) পিতা মৃত রাম হরিজন। তিনজনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    জেল সুপার জানান, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে কারাগারের বন্দীরা হঠাৎ বিদ্রোহ শুরু করে। তারা কারাগার থেকে বের হওয়ার জন্য বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে এবং ফটক ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কারারক্ষীরা তাদের নিভৃত করার চেষ্টা করলে বন্দিরা কারারক্ষীদের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে সেনাবাহিনী কমান্ডো অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।

    বন্দীদের মধ্যে ২০৯ জন দেয়ালটপকে পালিয়ে গেছে। এ সময় গুলিতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। রাত তিনটার দিকে নিহতদের লাশ ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, রাত ৩টা ৪০ মিনিটে কারাগার থেকে ছয়টি লাশ হাসপাতালে আসা হয়।

    তিনি আরো জানান, পুলিশ না থাকায় লাশগুলো পড়ে থাকে। পরে পুলিশ কমিশনার কার্যালয় থেকে একজন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এসে লাশের সুরতহাল করেন। লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন্ন হলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    কারাগারে বন্দি নিহতের খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালে ভিড় করেন। এসময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। নিহত বন্দী ইমতিয়াজের ভাই সোহেল আহমেদ বলেন, আমার ভাই আড়াই বছর ধরে কারাগারে বন্দি ছিল। সকালে খবর পাই কারাগারে সে গুলিতে মারা গেছে।

    এ ব্যাপারে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। বিস্তারিত খবর নিয়ে জানাতে পারবো।

    রাসেল শেখ
    গাজীপুর