Category: দেশজুড়ে

  • লক্ষ্মীপুরে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান জামায়াত নেতা

    লক্ষ্মীপুরে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান জামায়াত নেতা

    নাজিম উদ্দিন রানা: লক্ষ্মীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন জামায়াতের নেতৃবৃন্দরা। এসময় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার জন্য অনুদান প্রদান করেন তারা।

    রবিবার (১১আগষ্ট) বিকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিতে যান জেলার নেতারা।

    এরআগে চলমান সংকট নিরসন এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশের জামায়াত ইসলামীর নেতারা।
    এছাড়া সদর থানা ও শ্যাম সুন্দর জিউর আখড়া পরিদর্শন করেন তারা।

    বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম ঢাকা উত্তরের সেক্রেটারি ডক্টর রেজাউল করিমের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া, নায়েবে আমির এ.আর হাফিজ উল্লাহ, সেক্রেটারি ফারুক হোসেন নুরনবী, লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট শাহাদাত হোসেন, জেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন মাহমুদ,এডভোকেট মহসিন কবির মুরাদ,শহর জামায়াতে আমির আবুল ফারাহ নিশান সহ জামায়াত শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ জামায়াত ইসলামীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

    জামায়াত ইসলামের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন জামায়াত নেতা ডক্টর রেজাউল করিম।

    ড. রেজাউল করিম বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় আমিরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা বর্তমান সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। ইতিমধ্যেই আমাদের নেতাকর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়ি পাহারায় নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া জামায়াত ইসলাম কখনো প্রতিশোধে বিশ্বাসী না। বিগত বছরে আমাদের উপর নানা জুলুম নির্যাতন করলেও আমরা সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আমরা আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি দেশের শান্তি ফিরে আসবে।
    এছাড়া আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছে আমরা তাদের রুহের আত্নার মাগফেরাত কামনা করি এবং যারা আহত হয়েছে প্রত্যেকের সুস্থতা কামনা করছি।

  • সুন্দরবনের উপকূলীয় বঙ্গোপসাগর উত্তাল, খালি হাতে ফিরছেন জেলেরা

    সুন্দরবনের উপকূলীয় বঙ্গোপসাগর উত্তাল, খালি হাতে ফিরছেন জেলেরা

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি: :বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জীবন ও জীবিকা মাছের ওপর নির্ভর করেই চলে। একদিকে নিষেধাজ্ঞা আর অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে বঙ্গোপ সাগর থেকে ফিরে আসতে হয়েছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলার জেলেদের। ফলে ক্রমাগত লোকসানে পড়ে এখন দিশেহারা জেলে ও মহাজনরা। এতে ভালো নেই উপকূলের জেলে মৎস্যজীবীরা। এরই মধ্যে শুক্রবার (৯ আগস্ট) ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি রেখেছে আবহাওয়া বিভাগ।

    শরণখোলা উপজেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগরে এখন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। উত্তাল সাগরে টিকতে না পেরে শতাধিক ফিশিংবোট চারদিন ধরে রায়েন্দা, মোরেলগঞ্জের কুমারখালী, মহিপুর, খেপুপাড়া, নিদ্রাসখিনা ও পাথরঘাটাসহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন তারা।

    দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দফায় ২৩ জুলাই মধ্যরাতে তাদের ফিশিংবোট বহর সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্যোগের কবলে পড়ে। ফিরে আসতে বাধ্য হয় শতাধিক জেলে। আবহাওয়া ভালো হওয়ায় আবার সাগরে গিয়ে জাল ফেলতেই সাগরের অবস্থা আকস্মিক খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঢেউ ও ঝোড়ো বাতাসে টিকতে না পেরে বুধবার (৮ আগস্ট) থেকে উপকূলে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে ফিশিংবোট বহর। ফলে ক্রমাগত লোকসানে পড়ে এখন দিশেহারা জেলে ও ফিশিংবোট মালিকরা।

    শরণখোলা রাজৈর মৎস্যঘাটের আড়তদার কবীর হোসেন বলেন, সাগরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় ফিশিংবোট বহর সাগরে না গিয়ে তিনদিন ধরে রায়েন্দা মৎস্যঘাটে নোঙর করে আছে।

    পাড়েরহাট মৎস্যবন্দরের আড়তদার আনোয়ার হোসেন বলেন, জেলে মৎস্যজীবীরা এখন ভালো নেই। একদিকে সরকারের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, অপরদিকে সাগরে গিয়ে বারবার দুর্যোগের কবলে পড়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখে জেলেদের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে হচ্ছে।

    মোরেলগঞ্জের কুমারখালী এলাকার জেলে সাইফুল ইসলাম শেখ ও আব্দুল জলিল খান বলেন, নিষেধাজ্ঞার পরে সাগরে যাওয়ার প্রস্ততি নিয়ে রওনা হলে দুর্যোগের কারণে বোট নিয়ে ফিরে এসেছি। মহাজনদের চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি। মাছের ওপর নির্ভর করেই চলে আমাদের জীবন ও জীবিকা।

    বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ক্রমাগতভাবে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ছেন। মৎস্যজীবীরা ধার-দেনা করে লাখ লাখ টাকা খরচ করে সাগরে বোট পাঠিয়ে মাছ ধরতে না পেরে লোকসান গুনছেন।একদিকে ডিজেল ও মুদি পণ্যের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ট্রলার সাগরে গিয়ে মাছ ছাড়াই ফিরে আসছে। মাছ শিকারে যাওয়া প্রত্যেক জেলের পেছনে অনেক খরচ। এবার সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষে ট্রলার নিয়ে সাগরে যাওয়ার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হয়েছে। এমন চলতে থাকলে ধীরে ধীরে পেশা বদলে ফেলতে পারেন অনেকে।

    বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম খোকন জানান, দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক জেলে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে দুইবার খালি বোট নিয়ে ফিরে এসেছেন। প্রতি বছর নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে গিয়েই আমাদের দেশীয় জেলেরা বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়েন। ভারতের সঙ্গে মিল রেখে আমাদের দেশের সাগরে নিষেধাজ্ঞা দিলে জেলেরা ভালোভাবে মাছ ধরতে পারতেন। একদিকে ডিজেল ও মুদি পণ্যের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ট্রলার সাগরে গিয়ে মাছ ছাড়াই ফিরে আসছে। মাছ শিকারে যাওয়া প্রত্যেক জেলের পেছনে অনেক খরচ। এবার সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষে ট্রলার নিয়ে সাগরে যাওয়ার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হয়েছে। এমন চলতে থাকলে ধীরে ধীরে পেশা বদলে ফেলতে পারেন অনেকে।এ বিষয়ে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

  • সুন্দরগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা সার্বিক বিষয় নিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের আলোচনা সভা

    সুন্দরগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা সার্বিক বিষয় নিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের আলোচনা সভা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুন্দরগঞ্জ শাখার নেতা-কর্মীদের সাথে আইনশৃঙ্খলার সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা মহসিন সরদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমীর মাজেদুর রহমান,  পৌর জামাতের আমির মোঃ একরামুল হক, উপজেলা আমির অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি আতাউর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিন,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাফি,রংপুর কারমাইকেল কলেজের নুর, মেহেদী হাসান মীম, মাহিগঞ্জ পলক প্রমূখ। বক্তারা দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

  • সাবেক ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের তহবিল থেকে   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনে নিহত ৩ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান 

    সাবেক ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের তহবিল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনে নিহত ৩ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান 

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনে ঢাকায় পুলিশের গুলিতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নিহত ৩ জনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে । কুমিল্লা-৩ মুরাদনগরের ৫ বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয়u ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এর পক্ষ থেকে প্রতি পরিবারে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে ।

    কোটা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ঢাকায়  গুলিতে নিহতরা হলেন: মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নে মোচাগড়া গ্রামের মৃতু মুহর আলী মুন্সীর ছেলে আব্দুল আউয়াল (৫৬), রামচন্দ্রপুর উঃ ইউনিয়নের আমিননগর গ্রামের সোহরাব মিয়ার ছেলে মোঃ পারভেজ (২১) এবং বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের সেলিম কাজীর ছেলে কাজী নাজমুল ইসলাম (৩০)।

    গতকাল ১১ আগস্ট শনিবার বিকেলে উপজেলার নিহত ৩ জনের পরিবারের বাড়িতে গিয়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে অনুদান তুলে দেন উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন: মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ মহিউদ্দিন অঞ্জন, বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভূইয়া, নজরুল ইসলাম, ফারুক সরকার মজিব, বিএনপি সদস্য সোহেল আহম্মেদ বাবু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মাসুদ রানা, যুবদল নেতা মাসুম মুন্সী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ বাদসা, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মুরাদনগর উপজেলার নায়েবে আমীর হাফেজ আমিনুল ইসলাম, নবীপুর পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রুহুল আমিন তুহিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন, উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায় মাও: মহিবুল্লাহ প্রমূখ। সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ নিহতদের স্মরণে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও দোয়া করেন। এছাড়াও তাঁর পক্ষ থেকে নিহত পরিবারকে প্রতি মাসে নগদ অর্থ সহযোগিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • সাতক্ষীরা এগ্রিকালচার মেশিনারি মার্চেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের বিশেষ সভা

    সাতক্ষীরা এগ্রিকালচার মেশিনারি মার্চেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের বিশেষ সভা

    মোঃ আজিজুল ইসলাম(ইমরান)

    বাংলাদেশ এগ্রিকালচার মেশিনারি মার্চেন্ট এ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ১১ আগষ্ট সন্ধায় সদরের নিউমার্কেট মোড়ে মেসার্স জয়েন্ট অটোমোবাইল কার্যালয়ে এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রউফের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। সভার শুরুতে দেশব্যাপী ছাত্রজনতার উপর নির্বিচার গুলিতে নিহত ছাত্র জনতার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। পরে এ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন এ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি জয়েন্ট অটোমোবাইলের স্বত্বাধিকারী সাইফুল করিম সাবু,সাধারণ সম্পাদক নাসির মেশিনারীজ এর স্বত্বাধিকারী নাসির হোসেন, এ্যাসোসিয়েশনের ক্যাশিয়ার রহমান হার্ডওয়্যার অ্যান্ড মেশিনারির স্বত্বাধিকারী আব্দুর রহমান,হিয়া হার্ডওয়্যারের স্বত্বাধিকারী মিঠু, বিসমিল্লাহ মেশিনারির স্বত্বাধিকারী রাশেদুজ্জামান, সাতক্ষীরা বেয়ারিং হাউজের স্বত্বাধিকারী শহীদ হোসেন, রাধা গোবিন্দ হার্ডওয়্যারের স্বত্বাধিকারী আসুতোষ, মাহমুদপুর মেশিনারিজের স্বত্বাধিকারী জয়নন্ত কুমার সহ অন্য সদস্যবৃন্দ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আজিজুল ইসলাম ইমরান।

  • বেতাগীতে থানায় ফেরা পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ সদস্যরা

    বেতাগীতে থানায় ফেরা পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ সদস্যরা

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

    বরগুনার বেতাগীতে কর্মস্থলে ফিরে জনগণের কল্যাণে কাজ করার উৎসাহ যোগাতে পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ এর স্বেচ্ছাসেবকরা।

    রবিবার (১১ আগস্ট) বিকাল ৫ টার দিকে তারা বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের হাতে ফুল তেরা দিয়ে সারা দেশের পুলিশ সদস্যদের রাষ্ট্রের প্রয়োজনে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান।

    এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদশ বরগুনা জেলার সেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ বরগুনা জেলার সদস্য মোঃ ইমরান হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ‘পুলিশ রাষ্ট্রের প্রয়োজনে আবারও থানায় তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করবে এ জন্য আমরা অনুরোধ করতে এসেছি। যারা থানায় ফিরেছেন তাদের হাতে একটি করে গোলাপ তুলে দেওয়া হয়েছে।’

    এ উপস্থিত ছিলেন, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ বরগুনা জেলার কোষাধ্যক্ষ তাকওয়া তারিন নুপুর, সদস্য মোঃ ইমরান হোসেন, মোঃ সুমন মিয়া, মোঃ আরিফুল ইসলাম মান্না, মোঃ মাঈনুল ইসলাম তন্ময়, মোঃ সাইফুল ইসলাম রিয়াজ প্রমুখ।

    বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘উৎসাহ যোগাতে শিক্ষার্থী ও সেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদ জানাই। তারা সড়কে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও রোদ বৃষ্টির মধ্যে কষ্ট করে ট্রাফিকের কাজ করেছে। তাদেরও পড়ার টেবিলে ফিরতে এবং আমরাও সবাই কর্মস্থলে ফিরতে চাই। তাই আংশিক হলেও আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আশা করি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব পুলিশ সদস্যই আবারও জনকল্যাণে নিজ নিজ কর্মস্থলে কাজ শুরু করবেন।’

    শিক্ষার্থী ও ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ বরগুনার সেচ্ছাসেবকরা থানা ছাড়াও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদ ও সহকারী কমিশনার ভূমি বিপুল সিকদার এর সাথে আইনশৃঙ্খলা ও বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সহযোগীতা করার জন্য সাক্ষাৎ করেন।

  • শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে দেশে এনে বিচারের আওতায় আনতে হবে-দুলু

    শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে দেশে এনে বিচারের আওতায় আনতে হবে-দুলু

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি
    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক মন্ত্রী এ্যডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে দেশে এনে বিচারের আওতায় আনতে হবে। কোটা আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গুলি করে হত্যার জন্য আওয়ামীলীগ দল নিষিদ্ধ করার দাবী করেন। বৈষ্যম বিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ গত সাড়ে ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ তাদের নেতাকর্মীরা নাটোরসহ সারা দেশে যত হত্যা খুন ধর্ষন রাহাজানী করেছে সব গুলো তদন্ত করে সকল অপরাধীর বিচার করতে হবে। একই সময়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে তারা হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করেছে। অবিলম্বে তিনি আটক সকল নেতাকর্মীর মুক্তি ও তাদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার দাবী জানান। দুলু আরো বলেন, নাটোরের মাটিতে তার আমলে কোন সন্ত্রাস চাঁদাবাজী হয়নি এখনো তিনি নলডাঙ্গার মাটিতে কোন হত্যা, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজী করতে দেওয়া হবে না।তিনি নেতকর্মীদের শান্ত থাকার আহবান জানান। রোববার বিকাল ৪টার দিকে নাটোরের নলডাঙ্গা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন। নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নাটোর জেলা বিএনপির আহব্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, সদস্য সচিব রহিম নেওয়াজ, দুলুর সহধর্মীনি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, যুগ্ম আহবায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহিন, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক বিএনপি নেতা শফিফুল ইসলাম বুলবুল, নলডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি হাফিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন,পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্বাছ আলী নান্ন প্রমুখ।

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি।

  • রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের বাজার মনিটরিংকে সাধুবাদ জানালেন ভোক্তা অধিদপ্তরের ডিজি

    রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের বাজার মনিটরিংকে সাধুবাদ জানালেন ভোক্তা অধিদপ্তরের ডিজি

    হেলাল শেখঃ শিক্ষার্থীদের বাজার মনিটরিংকে সাধুবাদ জানালেন ভোক্তা ডিজি। শিক্ষার্থীদের বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

    শনিবার (১০ আগস্ট ২০২৪) নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের শাহ আলী মার্কেট, মিরপুরে বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার সময় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

    অভিযানের শুরুতে ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিরপুর শাহ আলী মার্কেট বাজারের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এ সময় তিনি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিবিধ-ব্যয় হ্রাস পেয়েছে এবং পণ্যের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানান।

    জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়ায় নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করে ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ভোক্তারাসহ সচেতন মহল।

  • পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি’র সভায় – এনামুল হক এনাম

    পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি’র সভায় – এনামুল হক এনাম

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম বলেছেন, পটিয়ার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সামাজিক সম্পৃত্তি রক্ষা, সংখ্যালঘু হিন্দু ও বৌদ্ধদের ধর্মীয় উপসনালয় নিরাপদ রাখা সহ সাধারণ জনগণের জানমাল রক্ষায় নেতাকর্মীদেরকে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে বিএনপির নেতাকর্মীদের। এছাড়াও তিনি নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করে রাজনীতিতে সুষ্ঠ গনতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখা, সাধারণ জনগণকে নিরাপদে রাখতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান সহ দূর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে সকল নেতাকর্মীদের একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান
    তিনি গতকাল শনিবার বিকেলে আওয়ামীলীগ সরকারের পতন ও অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন হওয়ার পরবর্তী করনীয় নির্ধারন বিষয় নিয়ে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বৃন্দ,পটিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, পৌরসভা বিএনপির ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ, উপজেলা ও পৌরসভার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
    পটিয়া পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম সওদাগর এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মফজল আহমদ চৌধুরী, রেজাউল করিম নেছার, একে এম জসীম, মঈনুল আলম ছোটন, শফিকুুল ইসলাম, সাইফুদ্দিন আহমেদ, হাজী কামাল উদ্দীন, আবুল বশর সওদাগর, হারুনুর রশীদ চৌধুরী, মোজাম্মেল হক চৌধুরী, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কমিশনার আবুল ফয়েজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ, তৌহিদুল আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব নাছির উদ্দীন, পৌরসভা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহসভাপতি হাজী আবদুল মন্নান তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক হামিদুর রহমান পিয়ারু, পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইয়াসির আরাফাত ইয়াসিন, সদস্য সচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু, পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক আবছার উদ্দীন সোহেল, সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওবায়দুল হক রিকু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ জাহেদ, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর সাইফু, সদস্য সচিব আবদুল কাদের, পৌরসভা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ আবছার, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ শাখাওয়াত, সদস্য সচিব আবু নোমান চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম হোসেন নয়ন, মোহাম্মদ শাহাদাত, রেজাউল করিম মিজান প্রমুখ।

  • মোরেলগঞ্জে ১২ বসতঘরে আগুন আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি , মৎস্য ঘের দখল, আওয়ামী লীগ আত্মগোপনে

    মোরেলগঞ্জে ১২ বসতঘরে আগুন আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি , মৎস্য ঘের দখল, আওয়ামী লীগ আত্মগোপনে

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে । বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মুখে ক্ষমতা ছেড়ে শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর গত ৫ আগস্ট থেকেই উপজেলার সর্বত্র মারপিট, ভাংচুর, লুট, চুরি, দখল ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে চলছে।

    ইতোমধ্যে মোরেলগঞ্জে কমপক্ষে ১২টি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ইউনিয়ন পরিষদ ভাংচুর, লুট, বহু দোকান বন্ধ করে দেওয়া ও মৎস্য ঘের দখলের ঘটনা ঘটেছে। থানা পুলিশ নির্লিপ্ত থাকায় অবাধে চলছে এসব তাণ্ডব। বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন আওয়ামী ঘরানার নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে রয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।
    খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পটপরিবর্তনের পর উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, শতাধিক ঘের দখল, পঞ্চকরণ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ভাংচুর, শতাধিক পরিবারের লোকজন বাড়ি শূন্য হয়ে পড়েছে। রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কাটাবুনিয়া গ্রামে মঙ্গলবার রার্তে ইউপি সদস্য শ্রমীক লীগ নেতা বাহার ফকির, আওয়ামী লীগ নেতা মুনসুর ফকির, হারুন ফকির, এসকেন্দার ফকির গ্রাম পুলিশ মোস্তফা খানসহ ৫ বসতবাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে বিভিন্ন মালামাল লুট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতে মধ্য বরিশাল গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা জামান, মজিবুল বয়াতী ও পূর্ব চিপাবারইখালী গ্রামে একটি বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। একই রাতে কেসি চালিতাবুনিয়া গ্রামের ফারুক হাওলাদারের বসতঘর ভাংচুর শেষে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এর আগে,মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফাসিয়াতলা গ্রামের নুরুজ্জামান আকন, মনির আকন, বড়পরি গ্রামের ইউপি সদস্য মহিদুল ইসলাম, কাটাবুনিয়া গ্রামের বাহার ফকির, মুনসুর ফকির, হারুন ফকির, এসকেন্দার ফকির ও গ্রাম পুলিশ মোস্তফা খানের বসতবাড়ির মালামাল লুট করে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।

    ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম পুলিশ মোস্তফা খানের স্ত্রী মিনা বেগম ও ইউপি মেম্বার বাহার ফকির বলেন, রাত ১১টার দিকে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি বাহিনী একযোগে ৪টি ঘরের মালামাল লুট করে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে তারা ৩টি গরু, ৫০ টি হাস ও ঘরের যাবতীয় মামলামাল ট্রাকে তুলে নিয়ে যায়। মোরেলগঞ্জে বাসস্টান্ড সংলগ্ন ব্যবসায়ী মোঃ তাজুল ইসলাম এর ক্রয়কৃত জমি গত ৮ আগষ্ট গভীর রাতে কাঠের স্থাপনা ভাংচুর করে জমি দখল করার চেষ্টা করে । জানাগেছে, মোঃ হাবিবুল্লা তালুকদার পিং- আঃ করিম তালুকদার ১৫/২০ জনের একটি দল রাতের আধারে ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

    এ জমি দখলের চেষ্টা টের পেয়ে আশপাসের লোকজন ঘটনাস্থল আসলে তাদেরকে অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখায়। ততক্ষনে দুষ্কৃতিকারীর জনসাধারনের টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।গ্রাম পুলিশ মোস্তফা খানের স্ত্রী মিনা বেগম জানান, রাত ১১টার দিকে ২০-থেকে ২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধদল প্রথমে আওয়ামী লীগ নেতা মুনসুর ফকিরের বাড়ি পর পর ৪টি ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পরে গ্রাম পুলিশ মোস্তফা খানের পাকা ভবনে পেট্রোল দিয়ে আগুন দেয় বিভিন্ন মামলামাল লুট করে নিয়ে যায়। এখনও ওই গ্রামের ৯টি পরিবারের কিছু মানুষ বাড়ি ছাড়া নারীরা থাকলে তারা রয়েছে আতংকে। বনগ্রাম ইউনিয়নের ইউপি সদস্য যুবলীগ নেতা রমেশ মুখাজির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, খাউলিয়া ইউনিয়নের সাবেক নারী সংরক্ষিত ইউপি সদস্য শাহানাজ বেগম, ইউপি সদস্য মহিদুল ইসলাম, ফাসিয়া তলা গ্রামের মনিরুজ্জামান আকন, তার ভাই মনির আকন, প্রধান শিক্ষক মোস্তফা মাষ্টার ও মজিবুল বয়াতির বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়াও মঙ্গলবার দিনে ও রাতে বারইখালী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বিপুর বাড়িতে হামলা, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বর ফরিদুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান জসিম মৃধা, মো. আনোয়ার হোসেন, লুৎফর চৌকিদার ও ফারুক দফাদার, কামরুল ইসলাম পলাশের বাড়িতে হামলা ভাংচুর ঘটনা ঘটেছে।

    তেলিগাতি ইউপি চেয়ারম্যান মোর্শেদা আক্তার বলেন, তার দুটি মৎস্য ঘেরের মাছ লুট করে নিয়েছে ও বসতবাড়ি থেকে গরু ও ছাগল নিয়ে গেছে। এছাড়াও ঢুলিগাতি ৪টি দোকান ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এখনও বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকে।

    পঞ্চকরণ ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক মজুমদার জানান, মঙ্গলবার বিকেলে কতিপয় লোকজন তার ইউনিয়ন পরিষদে ঢুকে কয়েকটি কক্ষ ভাংচুর চালিয়েছে। ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা বদিউজ্জামান মজুমদারের মৎস্য ঘেরের মাছ লুট করে নিয়েছে। ৫ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আবদুল লতিফ হাওলাদারের মৎস্য ঘের দখল করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এদিকে বহরবুনিয়া ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক মৎস্য ঘের দখল হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
    মোরেলগঞ্জ থানার কার্যক্রম বন্ধ থাকার করনে ওই এলাকার জনসাধারনের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    এবিষয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, অনাকাঙ্খিত যা কিছু ঘটছে এর কোন ঘটনার সাথে জামায়তে ইসলামী বা ছাত্র শিবিরের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরা বিভিন্ন এলাকায় পাহারা বসিয়েছি।

    এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল হক বাবুল বলেন, জেলা বিএনপির নির্দেশনা অনুযায়ী নেতাকর্মীরা গ্রামে গ্রামে সাধারণ মানুষের জান মাল রক্ষার্থে কমিটি করে পাহারা দিচ্ছেন। এ দেশ রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। কোন নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য চেষ্টা করছি।