Category: দেশজুড়ে

  • লা*শ হয়ে ফেরা সাজু পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয় 

    লা*শ হয়ে ফেরা সাজু পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয় 

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় 

    সাজু মিয়া (২৬)। বাড়ি পঞ্চগড়। সন্তান সম্ভাবা স্ত্রীকে রেখে জীবিকার তাগিদে গাজীপুরে যান জুলাই মাসের ২৪ তারিখে। সারা দেশে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু হলে তাতে যোগ দেন সাজু মিয়া। বাড়ি থেকে আসার তিন দিনের মাথায় তার স্ত্রীর কোলজুড়ে আসে এক পুত্র সন্তান। নাম রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদের নামানুসারে আবু সাঈদ। কিন্তু সেই সন্তানের মুখ আর দেখা হলো না তার। বাড়িতে ফিরলেন লাশ হয়ে। 

    সোমবার (১২ আগস্ট) বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয় সাজু মিয়াকে। এর আগে রোববার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাতে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। সাজু মিয়া আন্দোলনে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন গত ৫ আগস্ট। তার মৃত্যুতে গ্রামের বাড়িতে বইছে মাতম। নবজাতক সন্তান নিয়ে দিশেহারা তার স্ত্রী শারমিন আক্তার।

    সাজু মিয়ার বাড়ি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের টোকরাভাষা মিরপাড়া গ্রামে। বাবার নাম আজাহার আলী। চার ভাই-বোনের মধ্যে সাজু ছিলেন সবার বড়। তিনি গাজীপুরের একটি টেক্সটাইল মিলে চাকরি করে সংসার চালাতেন।

    সাজু মিয়া ২০১৫ সালে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর অভাবের সংসারের হাল ধরতে টেক্সটাইল মিলে কাজ শুরু করেন। তিনি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদের অঙ্গসংগঠন শ্রমিক অধিকার পরিষদের পঞ্চগড় জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন

    সোমবার বিকেলে সাজু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠোনে রাখা হয়েছে সাজুর লাশ। শেষ বারের মতো তাকে দেখতে আসেন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে পরিবেশ। বিলাপ করছেন তার দুই বোনসহ ও মা-বাবা। ঘরের ভেতর ১৬ দিন বয়সি ছেলেকে নিয়ে বসে আছেন তার স্ত্রী।  

    কান্নারত অবস্থায় তিনি বলেন, এই ছোট বাচ্চাকে নিয়ে কোথায় যাবো আমি, আমার ছেলেকে কে মানুষ করবে? আমি বিচার চাই, আমার স্বামীর খুনিদের বিচার চাই।

    জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের দাবিতে গাজীপুরের মাওনা থেকে একটি মিছিল বের হয়। সেই মিছিলে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন সাজু মিয়া। মাওনা থেকে ছাত্রজনতা মিছিলটি নিয়ে গণভবনের দিকে রওনা হয়। ওই সময় ময়মনসিংহ থেকে সাতটি পিকআপে করে আসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি করা হয়। এ সময় দুই দফা সাজুর পিঠে গুলি লাগে। এতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    সাজুর বাবা আজহার আলী বলেন, সাজু এই সংসার চালাতো। এখন কে এই পরিবারের হাল ধরবে। ছেলেটা আমার তার সন্তানের মুখ দেখার জন্য হাসপাতালে ছটফট করেছিলো, কিন্তু দেখতে পারলো না। বারবার বলেছিলো- আমি বাঁচবো না আমার ছেলেকে একবার দেখতে চাই। আমরা তাকে তার ছেলের মুখ দেখাতে পারিনি।

    সাজুর মা বলেন, হাসপাতালে থেকে ফোনে আমার ছেলে আমাকে বলেছিলো- কান্না করিও না মা, তোমার ছেলে শহীদ হবে। তুমি শহীদের মা হবা। শুধু আমার ছেলেকে দেখে রেখো, মানুষের মতো মানুষ করো।

    পঞ্চগড় জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মাহফুজার রহমান বলেন, এটি একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা। সন্তানের মুখ দেখারও সুযোগ পাননি আমাদের সহযোদ্ধা সাজু। আমরা অনুরোধ করবো সকলেই যেন তার পরিবারের খোঁজ রাখেন এবং দাবি থাকলো এই হত্যাকাণ্ডের বিচার যেন দ্রুতই করা হয়।

  • শরণখোলায় দেশের ডাক’র প্রতিনিধি নাজমুল শেখ ওপর সন্ত্রা*সী হাম*লা

    শরণখোলায় দেশের ডাক’র প্রতিনিধি নাজমুল শেখ ওপর সন্ত্রা*সী হাম*লা

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের শরণখোলায় সন্ত্রাসীদের হামলায় সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম শেখ গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নাজমুল ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দেশের ডাক পত্রিকার শরণখোলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন।

    আহত সাংবাদিক নাজমুল শেখ জানান, পেশাগত দায়ীত্ব পালন করে সোমবার সন্ধ্যায় তাফালবাড়ি বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের আজীজ পিয়নের ছেলে আলাউদ্দীনের নেতৃত্বে ৪/৫ জন সন্ত্রাসী তার উপড় হামলা চালায়।

    গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্বজনরা শরণখোলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পূর্ব শত্রুতার জ্বের ধরে হামলা করা হয়েছে বলে ধারণা করেন তিনি।

    শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক পল্লব বিশ্বাস জানান, আহত সাংবাদিকের ডান হাতে,কানে ও বাম পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত ইসলামী নেতাকর্মীদের মতবিনিময়

    লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত ইসলামী নেতাকর্মীদের মতবিনিময়

    নাজিম উদ্দিন রানা:
    লক্ষ্মীপুরের জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে জেলা জামায়াত ইসলামী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মতবিনিময় সভা করা হয়েছে । এসময়ে শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করে জেলা জামায়াতে ইসলামী ।

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর এর সেক্রেটারী ডক্টর মুহাম্মদ রেজাউল করিম সভাপতিত্বে মতবিনিময় ও নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের আমীর এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূইয়া, নায়েবে আমীর এ আর হাফিজ উল্যা, সেক্রেটারী মাওলানা ফারুক হোসাইন নুরনবী, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো: নাসির উদ্দীন ও এডভোকেট মহসিন কবির মুরাদ,শহর আমীর এডভোকেট আবুল ফারাহ্ নিশান, লক্ষ্মীপুর বারের সাবেক সভাপতি এডভোকেট শাহাদাত হোসেন, জেলা ছাত্র শিবির সভাপতি এমরান পাটোয়ারী ও সেক্রেটারি মো: ফরিদ উদ্দিন, শহর জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মোঃ জহিরুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এসময় প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহমদ হেলাল ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম পাবেলসহ জেলার কর্মরত প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

  • রং-তুলিতে বদলে গেছে তেঁতুলিয়ার দেয়ালের চিত্র

    রং-তুলিতে বদলে গেছে তেঁতুলিয়ার দেয়ালের চিত্র

    মো: বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :

    শিক্ষার্থীদের রং-তুলিতে বদলে গেছে তেঁতুলিয়ার দেয়ালের চিত্র

    শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের ১ দফা দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতি লিখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। সরকার পদত্যাগ ও নতুন সরকার গঠনের পর আগের গ্রাফিতি মুছে সেই দেয়ালে এখন বিজয়ের চিহ্ন, ক্যালিগ্রাফি লিখছেন তারা।

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেয়াল লিখন ও ক্যালিগ্রাফিতে অংশ নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ আগস্ট) উপজেলার পর্যটনস্পট ডাকবাংলো পিকনিক কর্ণারের দেয়ালগুলো রাঙিয়ে তোলেন তারা।

    , রোববার থেকেই শিক্ষার্থীদের অনেকে দেয়াল দেয়াল পরিষ্কার করছেন, কেউ কেউ রঙ মিশানোর কাজ করছেন, কেউ দেয়ালে লিখছেন। এসব চিত্রে দেখা গেছে ‘ক্ষমতা নয় সমতা চাই, বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর, ২৪-এর গণঅভ্যুথানসহ বিভিন্ন শ্লোগান। 

    সিয়াম, জুলহাস, রবিউলসহ কয়েকজন দর্শনার্থী দেয়াল লিখনে নিজেদের মুগ্ধতা করেছেন। এ কাজের উদ্যোগ নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    চিত্রশিল্পী হাসনাত সোহাগ জানিয়েছেন, সকাল থেকেই তেঁতুলিয়ার পর্যটনকেন্দ্র ডাকবাংলোর পিকনিক কর্ণারের দেয়ালগুলোতে অঙ্কন করেছি। এতে অংশ নিয়েছে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। আমি ও তানিন ভাইসহ সিনিয়র কয়েকজন ওদেরকে দেখিয়ে দিয়েছিলাম। তারা বেশ উৎসাহ নিয়ে কাজ করেছে। তবে পর্যাপ্ত ফান্ড না থাকায় ওরা রং কিনতে পারেনি। এটা খারাপ লেগেছে। শুভানুধ্যায়ীরা এগিয়ে এসে শিক্ষার্থীদেরকে সহযোগিতা করা উচিত। ওরা অনেক কিছু করতে পারে। ওরা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারে, এজন্য প্রয়োজন উৎসাহ ও সঠিক নির্দেশনা।

  • সুন্দরগঞ্জে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে অগ্নি সংযোগের চেষ্টায় গ্রেফতার-১

    সুন্দরগঞ্জে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে অগ্নি সংযোগের চেষ্টায় গ্রেফতার-১

    গাইবান্ধ জেলা প্রতিনিধিঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের কেকৈ কাজদহ গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে অগ্নিসংযোগের চেষ্টায় এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে সোর্পদ করেছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় ওই আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে(১৩৭৯) বসবাসরত আব্দুল হামিদ মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া পার্শ্ববর্তী মৃত ফান্দু বর্মনের ছেলে মংলু চন্দ্র বর্মনের ঘরের(১৩৮০) তালা ভেঙ্গে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পাশাপাশি দুষ্কৃতিকারী সবুজকে স্থানীয়রা আটক করে সংশ্লিষ্ট  ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদের জিম্মায় দেয়। পরে খবর পেয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম নিজেই সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে এসে সবুজকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এলাকাবাসীদের মধ্যে অনেকে জানান সবুজ ভান্ডারী তরীকা করে এবং সে মানসিক ভারসাম্যহীন। মংলু চন্দ্র অত্যন্ত অভাবগ্রস্থ হওয়ায় মাসখানেক আগে কাজের উদ্দেশ্যে পরিবার নিয়ে গিয়ে ঢাকায় থাকেন বলে জানা গেছে। 

    এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সবুজকে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন মনে হচ্ছে। ভাল মন্দ যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে। 

    এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, অগ্নি সংযোগের ঘটনায় ভালোভাবে খতিয়ে দেখে ক্ষতি পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে ডলুরা গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় ৫ পরিবারের বাড়ি ঘর ভাংচুর লুটপাট

    সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে ডলুরা গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় ৫ পরিবারের বাড়ি ঘর ভাংচুর লুটপাট

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরের উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ডলুরা গ্রামে দৃর্বত্তদের হামলায় অসহায় মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুর, লুঠপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। জানাযায় গত ৫ আগষ্ট রাতে ঘুমের ঘরে দফায় দফায় ৫ টি পরিবারের উপর পরিকল্পিত ভাবে এই হামলা চালানো হয়। এবং ঐ সমস্ত পরিবারের সদস্যদের প্রানে হত্যার পরিকল্পনা করে ঐ সমস্ত হামলা কারীরা। বাড়িতে যখন হামলা হয় তখন পিছনের দরজায় দিয়ে জঙ্গলের ডুবায় গিয়ে ঐ সমস্ত পরিবারের নারী পুরুষেররা প্রাণে রক্ষা পান। জানা যায় হামলাকারীরা সর্ব প্রথমে আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম ফুল মিয়ার বাড়িতে হামলা চালানো হয় এসময় ফুল মিয়ার ঘরে ভিতরে তার স্ত্রী ও ৪বছর বয়সী শিশু আরিয়ান ছিল। হামলার শব্দ শুনে কোন রকম পিছনের দরজা দিয়ে বাড়ির পাশের জঙ্গলে গিয়ে প্রাণ রক্ষা করেন তারা। ঘরে চার পাশের টিনের বেরা দাঁড়ালো অশ্র দিয়ে কুপিয়ে ঘরের ভিতরে থাকা সকল আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ টাকা পয়সা ও স্বর্ণ অলংঙ্কার ছিনতাই করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
    পরে পাশের বাড়ি কৃষক শফিউল্লাহর ঘরে হামলা চালানো হয় এবং বাড়িঘর ভাঙচুর করে ছিন্নভিন্ন করে ঘরের ভিতরে থাকা সকল জিনিসপত্র ভেঙ্গে চুরমার করে দেয় হামলা কারীরা এবং চকেস ও আলমারিতে থাকা নগদ ৫লক্ষ টাকা এবং সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার দুইটি গরু ৩০টি রাজা হাস দুটি রাম ছাগলসহ ১২টি মোরগ ১টি ফ্রিজ ১টি টিভিসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যায় । শফিউল্লাহর পরিবারের সবাই বাড়ির পিছনের জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে সারারাত জীবন বাঁচান। হামলাকারীরা এতে শান্ত হয়নি পরে পশু চিকিৎসক মোঃ দুলাল মিয়া ও তার ভাই ব্যবসায়ী আলাল মিয়ার বিল্ডিং বাড়িতে হামলা চালানো হয়? প্রথমে দুই ভাইয়ের দুটি মটর সাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় এবং বিল্ডিং ঘরের ভিতরে দরজা ভেঙ্গে ঢুকে সকল আসবাবপত্র ফ্রিজ ভাঙচুর করে ছিন্নভিন্ন করে দেয় । এসময় ঘরে থাকা দুলাল মিয়ার জমানো নগদ দুই লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা এবং দুলাল মিয়ার স্ত্রীর চার ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। পরে আলাল মিয়ার ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে সকল জিনিসপত্র ভেঙ্গে কেবিনেট ভেঙ্গে চুরমার করে বালু পাথর ব্যবসার পুঁজি নগদ ছয় লক্ষ টাকা এবং তার স্ত্রীর আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যার । পাশাপাশি আলাল মিয়ার ৩ বছর বয়সী শিশু সন্তান জুবায়েলকে পানিতে ফেলে হত্যার চেষ্টা করে ঐ সমস্ত উগ্রবাদী সন্ত্রাসীরা। তা ছাড়া একজন অসুস্থ কিডনি রোগে আক্রান্ত জাকির হোসেনের ঘর টি চুরমার করে দেয় ঐ হয়। ঐ সকল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস যেন কেঁদে উঠছে? কি দোষ করেছিল এ সমস্ত অসহায় মানুষগুলো? সরকার পতনের আন্দোলনকে পুঁজি করে পরিকল্পিত ভাবে লুঠপাট করাই ছিল ঐ সমস্ত হামলাকারীদের মুল উদ্দেশ্য। জানা যায় একই ইউনিয়নের বাসিন্দা কিছু বিএনপি ও জামায়াতের ছিন্নিত নেতারা প্রায় শতাধিক লোকজন সাথে নিয়ে প্রত্যাকের হাতে দেশিও দাঁড়ালো অশ্র রামদা,দা, লোহার পাইপ লাঠি সোটা নিয়ে এই হামলা চালায় এবং ভাংচুর ও লুটপাট করে। কিছুদিন পুলিশ না থাকায় এখন পর্যন্ত অসহায় জীবন যাপন করছেন ঐ সমস্ত পরিবারের লোকজন গুলি । বর্তমানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী সদস্যরা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন । ঐ সকল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে এসব মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এমনটি প্রত্যাশা করেন নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরা।

  • ঝিকরগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃ*ত্যু 

    ঝিকরগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃ*ত্যু 

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের ঝিকরগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় শামীমা খাতুন (৪০) নামের এক মহিলা নিহত হয়েছেন। তিনি ঝিকরগাছা সিটি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। নিহত শামিমার সহকর্মী মেহেদী হাসান জানান, প্রতিদিনের মত আজও অফিস শেষ করে শামিমা খাতুন আরেক সহকর্মীর মোটরসাইকেলে করে যশোরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। অফিস থেকে ১০০ গজ দুরে যশোর বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা বাসস্ট্যান্ডে পৌছালে পাশ দিয়ে যাওয়া একটি মোটরভ্যানে তার ব্যাগ বেধে তিনি রাস্তার উপর মোটরসাইকেলের ডান পাশে পড়ে যান। একই সময়ে যশোর গামী একটি ট্রাকের পেছনের চাকা মহিলার মাথার উপর দিয়ে চলে গেলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে জ্যামের সৃষ্টি হয়।

    ঝিকরগাছা উপজেলা ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ নয়ন চৌধুরী বলেন, দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুতই আমরা ঘটনাস্থলে চলে আসি এবং লাশ রাস্তা থেকে উঠিয়ে পাশে রেখে দিয়েছি। নিহত মহিলার মাথা পুরোপুরি থেতলে গিয়েছে। হাইওয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসলে আমরা লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করবো।

    ঝিকরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ বি এম কামাল হোসেন ভুইঁয়া বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে নাভারন হাইওয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। উনারা এসে লাশের দায়িত্ব নিবেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মৃতদেহ ঘটনাস্থলেই ছিল।

  • বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় খাগড়াছড়িতে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে

    বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় খাগড়াছড়িতে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে

    মিঠুন সাহা, জেলা প্রতিনিধি,খাগড়াছড়ি।

    বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় খাগড়াছড়িতে প্রেসক্লাব পুর্নগঠন পরবর্তী আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার ( ১২ আগস্ট) সকালে নবগঠিত প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাব ভবনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    এতে নবগঠিত কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমীর মল্লিকের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য। এই সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীন মজুমদার।

    সভায় জেলাসহ কর্মরত নয় উপজেলার বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।এবং উপজেলা থেকে আসা বিভিন্ন সাংবাদিকরা তাদের দাবীদাওয়া তুলে ধরেন ও মতামত প্রকাশ করেন।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,জেলা প্রেসক্লাব সকল সাংবাদিক এর জন্য সবসময় উন্মুক্ত থাকবে।এখানে প্রত্যেকে তার মতামত জানাতে পারবেন ।

    বিভিন্ন উপজেলা আসা সাংবাদিক থেকে বক্তব্য রাখেন, মো.মোবারক হোসেন, এসএস জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল আলম, দীপক সেন, কেফায়েত উল্লাহ, মো.শাহজাহান সাজু, মো. মহসিন, শ্যামল রুদ্র, নিজাম উদ্দিন লাভলু, নুরুল ইসলাম টুকুসহ প্রমূখ।

    এছাড়াও সভায় উপস্থিত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে মো. মুন্না, মো. আফিক, মাজহারুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

  • ঝিকরগাছায় মন্দির পরিদর্শনে জামায়াত নেতারা

    ঝিকরগাছায় মন্দির পরিদর্শনে জামায়াত নেতারা

    আজিজুল ইসলামঃ শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর মন্দির বা হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা হতে পারে এমন আশষ্কায় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঝিকরগাছায় হিন্দুদের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।

    মঙ্গলবার (১২ আগষ্ট) বিকালে ঝিকরগাছা শংকরপুর জামায়াতের উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন নেতাকর্মিরা।

    এ সময় শংকরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির জামিরুল ইসলাম,সেক্রেটারি ও সাবেক আলহাজ্ব নিছার উদ্দীন,ইউনিয়ন ওলামা পরিষদের সভাপতি মাও.আবুল বাসার,সহ সভাপতি কাজী আনোয়ার হুসাইন, সেক্রেটারি মাও. আহসানউল্লাহ জিহাদি,সহকারি সেক্রটারী মাও. ওমর ফারুক,ইউনিয়ন যুব জামায়াতের সভাপতি মেহেদী হাসান, জামায়াত নেতা সাজু আহম্মেদ, আলহাজ্ব আনোয়ারুল ইসলাম,সহ ইউনিয়ন জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় জামায়াত নেতারা দেশের সর্বস্তরের শান্তি প্রতিষ্ঠা, বিশেষ করে মন্দির-গির্জায় যাতে দুষ্কৃতকারীরা কোনো ধরনের হামলা করতে না পারে এ জন্য সবসময় পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা

    হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা

    নিজস্ব প্রতিনিধি।।
    গত শনিবার(১০আগস্ট) সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে নিরাপদ সড়ক চাই চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখা,আনসার সদস্য,ফায়ার ফাইটার ও ছাত্র-ছাত্রীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে  যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে কাজ করে। নিসচা কর্মীরা সড়কের সিগন্যালে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। কেউ ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করলেই তারা চালকদের বাধা দেন।

     এ চত্বরে ৩ টি আঞ্চলিক মহাড়কের রাস্তা এসে একত্রিত হয়েছে। অক্সিজেন, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গমাটি থেকে আসা/যাওয়া সকল প্রকার যানবাহন চলাচলে এ চত্বর টি ব্যবহার করতে হয়,যার ফলে এ “ওয়াই সেকশনে “যানজট সব সময় লেগে থাকে।

    মুলত দেশের ক্লান্তিলগ্নে সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পুলিশ না থাকায় নিসচা’র চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এর নির্দেশনায় সারাদেশে ১২২ টি শাখায় একযোগে ট্রাফিক কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখা ৩য় দিনের মত আজকেও এই কর্মসূচি পালন করে। গতকালও সারা দেশে একযোগে সড়কে কাজ করেছে নিসচা।

    নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার আহ্বায়ক জয় দাশ গুপ্ত বলেন, সড়কে যানজট নিরসনের লক্ষ্যে আমরা সড়কে সব সময় বৃদ্ধমান, যারা সড়কের সৃঙ্খলা নষ্ট করছে তাদের কে সচেতন করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, চলামান ট্রাফিক সংকট কাটিয়ে উঠতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যে যার অবস্থান থেকে সড়কে কাজ করে যেতে হবে।

    এতে অংশগ্রহন করেন, নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার আহ্বায়ক জয় দাশ গুপ্ত, কার্যকরি সদস্য মোঃ আরাফাত, সাধারণ সদস্য – পার্থ,আরমান,সাবিত,নাঈম, আনসার সদস্য, ফায়ার ফাইটার,ছাত্র-ছাত্রী সহ আরো অনেকে কাজ করেছেন।