Category: দেশজুড়ে

  • ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না ঝিনাইদহ সদর  উপজেলা শিক্ষা অফিসে

    ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসে

    আতিকুর রহমান,
    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস দূর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে। শিক্ষক নিবন্ধ থেকে পদায়ন, এমপিও থেকে নিয়োগ সব কিছুই হয় টাকার বিনিময়ে। জাল সদনে চাকরী প্রদান ও ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনও হয় অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে। আর এই কাজে সিদ্ধহস্ত ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান। ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম দূর্নীতির সাথে নিজে সম্পৃক্ত রেখেছেন কামরুজ্জামান। ঘুষ ছাড়া ওই অফিসে কোন কাজই হয় না। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে মোটা অংকের টাকা দাবী করেন। এদিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মোশাররফ হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিভুক্ত করতে জাল সদনে ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে কোরাম পূর্ণ করেন। এই বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করতে অযোগ্য প্রধান শিক্ষককে অর্থের মাধ্যমে যোগ্য বানিয়ে এমপিও আবেদনে সাক্ষর করে ২৩ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন এমন কথা চাউর হয়েছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়নের একটি স্কুলে অর্থের বিনিময়ে জাল সদনে চাকরী দিতে ম্যানেজিং কমিটির কাছে সুপারিশ করেন শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান। এদিকে সারা দেশ ব্যাপী “পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডরী ইন্সটিটিউটশনস” (চইএঝও) প্রকল্পের ২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রথম ধাপে সদর উপজেলার ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। পাঁচটি খাতে এই টাকা বরাদ্দের কথা ছিল। কিন্তু সেই টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে পকেটস্থ করা হয়েছে। শিক্ষা কর্মকর্তা সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনুদান প্রাপ্ত স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে ২০ হাজার টাকা সম্মানী হিসাবে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। একই ভাবে পিবিজিএসআই প্রকল্পের ২০২৩- ২৪ অর্থ বছরে সদর উপজেলার অনুদান প্রাপ্ত ৭ টি স্কুল থেকেও অর্থ আদায় করেছেন তিনি। সরজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বেড়শুলা মাদ্রাসা ও হলিধানী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির অনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দিতে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছেন শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। আমি দুর্নীতি করি না কাউকে করতে দিই না। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার আজহারুল ইসলাম জানান, নতুন যোগদানের কারনে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। তবে স্কুল নিয়ে জেলায় যদি কেউ দূর্নীতি করে তবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কাউকে পাওয়া যায় তবে তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নড়াইলে মাসিক কল্যাণ সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ

    নড়াইলে মাসিক কল্যাণ সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ। পুলিশ সুপার-নড়াইল দিকনির্দেশনায়। অফিসার ইনচার্জ, ছাব্বিরুল আলম জেলা গোয়েন্দা শাখা ( ডিবি) তত্ত্বাবধানে, এস আই ফারুক হোসেন নেতৃত্বে। এ এস আই- মাফুজ, কং সুপিয়ান, সুব্রত, ফয়সালদের সহযোগিতায়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায়। জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার (যৌথভাবে) নির্বাচিত। মাসিক কল্যাণ সভায় জুলাই/২৪ মাসের নড়াইল জেলার মাদক উদ্ধারকারী শ্রেষ্ঠ টিম নির্বাচিত হওয়ায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ টিমের প্রত্যেকটা সদস্যর। নড়াইলে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ। অপরদিকে নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার স্যারের দিক নির্দেশনায়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা-নড়াইল তত্ত্বাবধানে। এস আই আলী, ফিরোজ,ফারুক নেতৃত্বে, নড়াগাতি থানার নিয়মিত ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা কালে-একই দিনে উক্ত ডাকাত দল কর্তৃক ডাকাতি সংগঠনকালে ডাকাতদলকে গ্রেফতার এবং ডাকাতি করা মালামাল উদ্ধার। উক্ত কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশ সুপার নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহণ।

  • ঘাটাইলে ১২ বছর পর নিজ গ্রামে ফিরলেন ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা

    ঘাটাইলে ১২ বছর পর নিজ গ্রামে ফিরলেন ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা

    মোঃ রায়হান মিয়া ঘাটাইল প্রতিনিধি
    দীর্ঘ ১২ বছর তথা এক যুগ পর নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা।
    শনিবার (১৭আগস্ট) সোহেল রানা টাঙ্গাইল জেলায় ঘাটাইল উপজেলা জামুরিয়া ইউনিয়নের ফুলহারা নিজ গ্রামের বাড়িতে যান।
    সোহেল রানা বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় জর্জরিত থাকার কারণে দীর্ঘ ১২ বছর তিনি বাড়িতে ফিরতে পারেননি। বিগত বছরগুলোতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও পুলিশ-প্রশাসনের বাধায় নিজ বাড়িতে এক রাতও মায়ের সাথে ঘুমাতে পরেনি।
    এ সময় সোহেল রানা নিজ গ্রামে ফেরার খবরে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে দেখতে ছুটে আসেন এবং নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেতে চাইলে সোহেল রানা বলেন আমাকে নয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ কারিদের বরণ করে নিন।
    সোহেল রানা জানান, বহুবার গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলেও যেতে পারেননি। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ সরকরের পদত্যাগের দাবিতে ২০২২ সাল থেকে একদফা দাবিতে বিএনপি আন্দোলন শুরু করলে তার গ্রামের বাড়ি ফেরা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে তিনি ঢাকায় থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
    সর্বশেষ গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার সরকারের পতন ঘটলে তিনি বাড়িতে ফিরেন বলে জানান।

  • সুনামগঞ্জে ডাঃ মাহবুবুর রহমানের বদলীর দাবীতে সদর হাসপাতালে মানববন্ধন

    সুনামগঞ্জে ডাঃ মাহবুবুর রহমানের বদলীর দাবীতে সদর হাসপাতালে মানববন্ধন

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ জেলা ২৫০শয্যা সদর হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মীদের চাকরি বহাল রাখার দাবিতে এবং দূর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমানের বদলীর দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯শে আগষ্ট রোজ সোমবার সকালে সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আউটসোর্সিং কর্মীদের আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ভোক্তভোগী ৬৪ জন কর্মীরা জানান ২০১৭সাল হইতে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাকরী করে আসছেন তারা। রোগীদের সেবা ও হাসপাতালে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে দিনরাত মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতি বছর টৈন্ডার বাণিজ্যের কারনে সারা বছর চাকরি করে যে টাকা বেতন পান চাকরি ঠিকাতে বছরে বছরে টেন্ডার বানিজ্যের কারনে মোটা অংকের ঘোষ দিতে হয় তাদের? অন্যথায় তাদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এবার ও ঠিক সেটি হয়েছে। গত ২৯ জুন ২০২৪ইং আওয়ামী লীগ সরকার থাকা কালীন সময়ে নবাগত তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান যোগদানের পরপরই সদর হাসপাতালে কর্মরত ৬৪ জন আউটসোর্সিং অভিজ্ঞ নারী ও পুরুষ কর্মীদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেন এবং মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কর্মীদের কাছে এক লাখ টাকা করে ঘোষ দাবি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘোষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ঐ সমস্ত আউটসোর্সিং কর্মীদের ২মাসের বেতন আটকিয়ে নতুন করে টেন্ডার হবে বলে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান ও আরএমও ডাঃ রফিকুল ইসলাম। অপরদিকে তত্ত্বাবধায়কের ইচ্ছে মতো অন অভিজ্ঞ লোকজনকে হাসপাতালে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছেন বলে জানান মানব বন্ধননে বক্তারা। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সরকার পতনের পর সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের দূর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়কের বদলীর জন্য এবং অসহায় আউটসোর্সিং কর্মীদের চাকরি বহাল রাখার জন্য বর্তমান সরকারের প্রদান উপদেষ্টা কমিটির কাছে দাবী জানান ঐ সমস্ত কর্মীরা। পাশাপাশি টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে কর্মস্থলে তাদের মেয়াদ বাড়িয়ে বহাল রেখে চাকুরী করার সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভোক্তভোগী অসহায় আউটসোর্সিং কর্মীরা। মানব বন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আউটসোর্সিং কর্মীদের স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়। এব্যাপারে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মাহবুবুর রহমানের সাথে দেখা করতে তার অফিসে গিয়ে তাকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং হাসপাতালের আরএমও ডাঃ রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি ? তিনি জানান এসব বিষয়ে যা বলার তত্ত্বাবধায়ক বলবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান। বর্তমান অন্তর্ভুক্ত কালীন সরকার ঐ সমস্ত অসহায় আউটসোর্সিং কর্মীদের হাসপাতালে বহাল রেখে দূর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়কের বিরূদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মানব বন্ধনে বক্তারা।

  • গণহ*ত্যার বিচার দাবিতে সুজানগরে বিএনপির বিশাল সমাবেশ

    গণহ*ত্যার বিচার দাবিতে সুজানগরে বিএনপির বিশাল সমাবেশ

    এম এ আলিম রিপন ঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে গণহত্যার প্রতিবাদে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে সুজানগর উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় এন এ কলেজ মাঠে শনিবার পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামাল হোসেন বিশ^াসের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফের স ালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। অন্যদের মাঝে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ¦ এবিএম তৌফিক হাসান, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক ও রাণীনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহাতাব আলী মৃধা, বেড়া উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল গনী ফকির,সুজানগর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন বিশ^াস, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক শাহজাহান আলী শেখ,সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ মন্ডল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জনগণকে কোনঠাসা করে রেখেছিল। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীন দেশে স্বাধীন হিসেবে মুক্ত হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে দেশকে নতুন ভাবে গঠন করার এখনই সময়। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে ও সকল ধর্মের মানুষের সম্প্রীতির সমাজ গড়তে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি। সমাবেশ পরবর্তীতে আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা, বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য ও শেখ হাসিনার নির্দেশে কোটা আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণে যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে ছুটি নিয়ে পালালেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক

    ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে ছুটি নিয়ে পালালেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের আন্দোলনের মুখে ছুটি নিয়ে পালালেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক এসএম রফিকুল ইসলাম। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের দুর্নীতি, দলীয়করণ, ঘুষ বাণিজ্য ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য পাচারের অভিযোগ এনে ছাত্ররা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে। এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীরা জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন। ছাত্রদের কঠোর মনোভাবের কারণে জেলা প্রশাসক এসএম রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ মেয়াদি ছুটি নিয়ে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু হুরায়রা, সাইদুর রহমান, এলমা খাতুন, রত্না খাতুন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এসএম সোমেনুজ্জামান সোমেন, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ ও ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন, বখতিয়ার মাহমুদ, মাহবুব আলম মিলু ও আব্দুস সালাম।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের  সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেছেন রাজশাহী জেলা জামায়াত ইসলামীর পশ্চিম ও পূর্ব শাখার নেতৃবৃন্দ।

    রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটের সময় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তারা এ সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেন।

    মতবিনিময়কালে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ পুলিশ সুপারকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত আছে। নেতাকর্মীরা সংকটময় মুহূর্তেও মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় কাজ করেছে ও ভবিষ্যতেও করবে। মন্দির রক্ষায় নেতাকর্মীরা কাজ করেছে। কোনো জায়গায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠী চক্রান্ত চেষ্টার পরিকল্পনা করলে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা রুখে দিবে বলে এসপিকে জানান নেতৃবৃন্দ। এছাড়া জামায়াত নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং নিমূলে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহবান জানান। পুলিশ সুপার জামায়াত নেতৃবৃন্দকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামায়াত নেতাকর্মীদের পুলিশের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, পূর্ব জেলা আমীর রেজাউর রহমান, পশ্চিম জেলা সেক্রেটারী আব্দুল খালেক, পূর্ব জেলা সেক্রেটারী নাজমুল হক, জেলা পশ্চিমের সহকারী সেক্রেটারী ড. ওবায়দুল্লাহ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের রাজশাহী পশ্চিম জেলা সেক্রেটারী আব্দুল কাদির, শিবিরের জেলা সভাপতি রুবেল আলী প্রমূখ।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মউদুদ উর রশিদ সফদারের- পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন

    পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মউদুদ উর রশিদ সফদারের- পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন

    সুমন খান:

    পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নানা অনৈতিক কর্মকান্ড আর ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়মের কারণে মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের মাঝে নানা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সেচ্ছাচারিতার কোন জবাবদীহি না থাকার কারণে যা ইচ্ছা তাই করছে নিজ অধিনস্থ কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে। এতে চরম ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন এর মাঠ পর্যায়ে সহ প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এরি ধারাবাহিকতায় রবিবার অবৈধভাবে চুক্তিভিত্তিক দ্বিতীয়বার নিয়োগ প্রাপ্ত পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মউদুদ উর রশিদ সফদারের পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

    রবিবার ১৮ আগস্ট সকাল ১০ টার দিকে মিরপুর শিয়ালবাড়ী রোডে অবস্তিত পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এর প্রধান কার্যালয় সামনে মানববন্ধনের সময়ে কর্মকর্তা কর্মচারীরা এ দাবি জানায়।

    তারা বলেন, মউদুদ উর রশিদ সফদার অবৈধ ভাবে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ বাতিল সহ সকল দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, লুটতারাজ, স্বেচ্ছাচারিতা, দুঃশাসন ও বদলি বানিজ্যের দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠ তদন্ত পূর্ব কঠিন শাস্তি এবং পদত্যাগের দাবিও করা হয় মানববন্ধনে। এ সময়ে মানববন্ধন থেকে নানা শ্লোগান আসতে শোনা যায় তখন শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) ভবনের প্রধান ফটক।

    তারা আরো বলেন, পিডিবি এফ থেকে একজন যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবীও জানানো হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে।এছাড়া এমডির ক্ষমতার দাম্ভিকতা দির্ঘদীন অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ৭ জন কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে বলেও মানববন্ধন থেকে জানানো হয়।

    বক্তারা বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের ৪ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী এমডির অমানবিক নির্যাতনের মধ্য দিয়েই দীর্ঘদিন যাবত দুঃসহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বাধ্যহয়ে চাকরি করছেন তারা। এর থেকে পরিতানের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে। মানববন্ধন থেকে আরও জানানো হয়, আগস্টের ৫ তারিখ থেকে অফিস না করে আত্মগোপনে থেকে তার বিশ্বস্ত লোক দিয়ে অফিসের ফাইল পত্র বাসায় নিয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি। যাহা আইনের পরিপন্থী এমন্ত অবস্থায় এমডি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কর্মবিরতি ও লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা মানববন্ধনে অংশগ্রহন কারিরা।

  • নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী গোয়ালবাথান মুন্সীবাড়ি মসজিদ

    নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী গোয়ালবাথান মুন্সীবাড়ি মসজিদ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে এক রাতেই নির্মিত হয় ঐতিহ্যবাহী গোয়ালবাথান মুন্সীবাড়ি মসজিদ। ৪০০ বছর আগে মোগল শাসনামলে এক রাতে নির্মাণ করা হয় নড়াইল সদর উপজেলার গোয়ালবাথান ঐতিহ্যবাহী মুন্সীবাড়ি মসজিদ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মসজিদের ছাদের ওপরে চারপাশে ছোট ছোট চারটি মিনার এবং মাঝখানে একটি বড় গম্বুজ রয়েছে। ছোট ইট আর চুন-সুড়কির গাঁথুনির মাধ্যমে নির্মাণ করা হয়েছে এ মসজিদটি। জনশ্রুতি রয়েছে, ওই মসজিদটি জ্বীনদের দিয়ে নির্মাণকাজ করা হয় এবং ওই সময় জ্বীনরাও নামাজ আদায় করতেন।
    এলাকায় জনশ্রুতি আছে, মোগল শাসনামলে প্রায় ৪০০ বছর আগে একদিন এই গ্রামে এসে হঠাৎ করে বসবাস শুরু করেন মুন্সী হবৎউল্লাহ নামে এক ব্যক্তি। এর কিছু দিন পর তিনি এক রাতে ওই স্থানে এ মসজিদ এবং এর সংলগ্ন একটি পুকুর খনন করেন। সেই থেকে ওই গ্রামে আস্তে আস্তে জনবসতি শুরু হয় এবং ওই স্থানসহ আশপাশের এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা ওই মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায় করতে থাকেন।
    নড়াইল জেলায় ওই সময় অন্য কোনো মসজিদ না থাকায় জেলার বিভিন্ন এলাকার মুসলিম সম্প্রদয়ের মানুষরা নড়াইলের প্রথম মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসতেন বলেও জনশ্রুতি রয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয়, গোয়ালবাথান গ্রামের মুন্সীবাড়ির এ মসজিদটি নড়াইল জেলার সর্ব প্রথম ও প্রাচীনতম মসজিদ। ছোট ছোট ইট আর চুন সুড়কির গাঁথুনীর মাধ্যমে এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। অবশ্য মুসল্লি বেড়ে যাওয়ায় ১০ বছর আগে সামনের অংশ বর্ধিত করা হয়েছে।
    এলাকাবাসী জানান, ওই এলাকায় কোনো মানুষের বসতি ছিল না। বাগানে ভরা ছিল এলাকাটি। মুন্সী হবৎউল্লাহই ওই গ্রামের প্রথম বাসিন্দা ছিলেস। তার বসবাস শুরুর পর কোনো এক রাতে ওই মসজিদ এবং তার সঙ্গে লাগোয়া একটি পুকুর খনন করা হয়।
    মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা মুন্সী হবৎউল্লাহর বংশধরেরা আজও গোয়ালবাথান গ্রামে বসবাস করছেন। তারাও সঠিকভাবে বলতে পারেন না কত সালে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এ মসজিদটি। তবে মোগল শাসনামলে এবং কমপক্ষে ৪০০ বছর আগে এটি তাদের পূর্বপুরুষ মুন্সী হবৎউল্লাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন।
    এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে, ওই মসজিদটি জিনদের দিয়ে নির্মাণকাজ করা হয় এবং ওই সময় জিনরাও এ মসজিদে নামাজ আদায় করতেন। ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক গোয়ালবাথান গ্রামের মুন্সীবাড়ির মসজিদটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদে বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে আসেন। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ মসজিদটি দেখার জন্য আসেন।
    যশোর জেলার ভাঙ্গুরা এলাকার বাসিন্দা শাহরিয়ার হাসান বলেন, আমি গোয়ালবাথান মসজিদে এসে নামাজ পড়েছি। ৪০০ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি দেখে খুব ভালো লেগেছে। এই মসজিদটি প্রত্মতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করা হলে আরো ভালো হতো।
    সাব্বির হাসান নামে একজন বলেন, নড়াইলের গোয়ালবাথান মসজিদের নাম শুনেছি। কোনোদিন দেখার সৌভাগ্য হয়নি। নড়াইল জেলায় আমার নানু বাড়ি। নানু বাড়ি বেরাতে এসে আমি মসজিদটি দেখতে এসেছি। এখানে এসে নামাজ আদায় করেছি। মসজিদের গম্বুজ, নকশা ও সামনের পুকুর দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। প্রকৃতির রঙের সঙ্গে মসজিদর রঙও মিলে গেছে। সবকিছু মিলে ভীষণ ভালো লেগেছে।
    গোয়ালবাথান গ্রামের বাসিন্দা সমাজ সেবক সৈয়দ সামিউল ইসলাম শরফু বলেন, গোয়ালবাথান মসজিদটি ইতিহাসের পাতায় স্থান পেয়েছে। ৪০০ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন মানুষ। ৪০০ বছর আগে এই এলাকায় মানুষের বসবাস তেমন ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে জনবসতি বেড়ে যাওয়ায় মসজিদটির সবকিছু ঠিক রেখে বর্ধিত করা প্রয়োজন।
    ৩৬৬ বছরের পুরনো মোগল আমলের শাহ সুজা মসজিদ
    মসজিদটিতে ইমামের দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতার বংশধর ঐতিহ্যবাহী মুন্সীবাড়ির আলেম মুন্সী মাওলানা হাসমত আলী। তিনি বলেন, গোয়ালবাথানের এই মসজিদটি আমাদের পূর্বপুরুষ মুন্সী হবৎউল্লাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সে কারণে মসজিদ সংরক্ষণসহ সবকিছু আমরা ও মহল্লাবাসী মিলে দেখাশোনা করি। এখানে আমি এলাকাবাসীর সম্মতিতে ইমামতি করি। আমার কাছে খুব ভালো লাগে। তবে মসজিদের উন্নয়নে সরকারের পৃষ্টপোষকতা প্রয়োজন। সরকার কিংবা সমাজের বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে শতবর্ষের পুরোনো এই মসজিদটি ধ্বংসের করালগ্রাস থেকে সংরক্ষিত থাকবে।

  • মাউশির প্রদর্শক ও গবেষণা সহকারি পদের ফল প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন

    মাউশির প্রদর্শক ও গবেষণা সহকারি পদের ফল প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন

    আনোয়ার হোসেন,

    মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) প্রদর্শক ও গবেষণা সহকারী সহ সকল পদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করেছে নিয়োগ বঞ্চিত কয়েক শত শত প্রার্থীরা।
    রবিবার ১৮ই আগষ্ট সকাল ১১টায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করে।
    মানববন্ধনে উপস্থিত প্রার্থীরা বলেন গত ২০২১ এর আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে এ সকল পদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নানা জটিলতা কাটিয়ে প্রায় আড়াই বছর পরে গত ২৪/০৪/২০২৪ খ্রি: এ লিখিত পরীক্ষার ফলাফল
    প্রকাশিত হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় ৪ বছর এবং ভাইভা শেষ হওয়ার আড়াই মাস পরেও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত না হওয়ায ফলপ্রার্থী পরীক্ষার্থীবৃন্দ এই ফলাফলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং চিন্তিত।

    এ সময় ফলাফল প্রত্যাশীরা কয়েকটি দাবির কথা উল্লেখ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, সর্বোচ্চ সংখ্যক শুন্য পদ পূরণ করতে হবে,প্যানেল গঠন করে শূন্য পদ পূরণ করতে হবে,দুর্নীতিমুক্ত মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিউ প্রদান করতে হবে।

    পরিশেষে মাউশির প্রদর্শক, গবেষণা সহকারী সহ অন্যান্য পদের ফলাফল প্রত্যাশীগণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে স্বারকলিপি করেন।