Category: দেশজুড়ে

  • নিজ এলকায় “গ্রাম বৈঠক” করলেন ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা

    নিজ এলকায় “গ্রাম বৈঠক” করলেন ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা

    ঘাটাইল প্রতিনিধি
    টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কৃতি সন্তান ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা নিজ এলাকার জনসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও গ্রাম বৈঠক করেন।

    বুধবার (২১ আগষ্ট) সন্ধ্যায় ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের ফুলহারা স্কুল মাঠে স্থানীয় জনতার সঙ্গে “গ্রাম বৈঠকে” মিলিত হন।

    সমাজ এবং রাজনীতির সংস্কারের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে কাজ করার জন্য গ্রামবাসির অংশগ্রহণ, সহযোহিতা ও পরামর্শ কামনা করেন।

    গ্রাম বৈঠকে উপস্থিত গ্রামবাসি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে, নিজেদের সাংবিধানিক অধিকারে অধিক সোচ্চার হওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সেই সাথে সোহেল রানাকে ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-গণমানুষের রাজনীতি করার উপদেশ দেন।

  • মহালছড়িতে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষ-তিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী

    মহালছড়িতে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষ-তিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।।

    মহালছড়ি জোন অদম্য সাতান্ন কর্তৃক সারাদেশের ন্যায় খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আজ ২২আগস্ট ২৪ বৃহস্পতিবার ত্রাণ বিতরন করেছেন মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল শাহ্‌রিয়ার সাফকাত ভূইয়া,পিএসসি উপস্থিতিতে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    ত্রাণ পেয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে মোঃ দ্বীন মিয়া ও দয়াল চাকমা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, গত ০২ দিন ধরে আমরা পানিবন্দি, বাজারে যেতে পারছিলাম না। আজকে মহালছড়ি জোনের এই সহায়তা পেয়ে খুশি লাগছে।

    পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পাশাপাশি খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি জোন নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলাসহ দেশের আর্থ-সামাজিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। মানবেতর চাহিদা পরিপূরণের মাধ্যমে হতদরিদ্র মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় আছে, ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, অতিবৃষ্টির কারণে চেঙ্গী নদীর পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হওয়ায় মহালছড়ির চৌংড়াছড়ি গুচ্ছগ্রাম, সাতঘড়িয়া, লেবুছড়ি, পাকিজাছড়ি, ১নং মহালছড়ি সদরে, মাইসছড়ি ও ক্যায়াংঘাটের নিম্নাঞ্চল এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় শতাধিক পরিবার।

  • মোংলায় জমি বন্ধক দিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

    মোংলায় জমি বন্ধক দিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

    মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
    মোংলায় জমি বন্ধক দিয়ে টাকা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এক ব্যবসায়ী। উপজেলার দিগরাজ এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ শাহিন শেখ জমি বন্ধক রাখেন একই এলাকার দোদান্ড প্রতাপশালী ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন হাওলাদারের কাছে। ২০১৩ সালে বন্ধকীর জমির জন্য নেওয়া টাকা পরিষোধ করেও জমি ফেরত পাচ্ছেন না তিনি। এ অবস্থায় জমি ফেরত চাইলে তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এ ঘটনায় জমি ফেরত পেতে সে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে ভুক্তভোগি শাহিন শেখ জানান।

    বাগেরহাট জেলা আদলতের একজন উকিলের পাঠনো ওই আইনি নোটিশের মাধ্যমে জানা যায়, ব্যবসায়ী শাহিন শেখ মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের দিগরাজ মৌজায় তার ৭৫দশমিক ৫০শতক জমি ২০১৩সালে একই এলাকার ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন হাওলাদারের কাছে বন্ধক রেখে ২৮লাখ ৮০হাজার টাকা নেন। পরে ওই জমি শাহিন ছাড়িয়ে নিতে নাসির উদ্দিন হাওলাদারের কাছে গেলে তার কাছে ৫০লাখ টাকা দাবি করেন। রাজনৈতি এক হেভিওয়েট নেতার প্রশ্রয়ে দোদান্ড প্রতাপশালী বনে যাওয়া নাসিরের দাবি অনুযায়ী শাহিন ৫০লাখ টাকাও দেন শাহিন।

    ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শাহিন শেখ বলেন, ৫০লাখ টাকা নিয়ে নাসির তার ওই জমি ফেরত না দিয়ে জালিয়াতি করে জমিটি তার নামে মিউটেশন করে নেয়। তবে জমিটি শাহিনের দখলে থাকলেও ভোগ করতে পারছেন না তিনি। এজন্য জমি ও তার টাকা ফেরত নিতে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    এ বিষয়ে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন হাওলাদারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, শাহিন তার জমি কখনোই বন্ধক রাখেননি, আমি ও আমার স্ত্রী আসমার কাছে গত ২০১৩সালে বিক্রি করেছেন। আমার এ জমির মিউটেশনসহ খাজনাও পরিশোধ করা আছে। বন্ধকী জমি কখনো মিউটেশন হয়না, খাজনা দেয়া যায়না উল্লেখ তিনি আরও বলেন, শাহিন এখন তার বিক্রি করা জমি জবর দখল নিতে গত ১৭আগষ্ট তাকে হত্যা চেষ্টা চালায়। এজন্য গত ১৮আগষ্ট শাহিনকে আসামী করে আমার ভাগ্নে মোঃ সোহেল মোংলা থানায় একটি মামলাও করেছেন। এ প্রসঙ্গে মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম মামলা রুজুর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

  • সুজানগরে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিলেন ইউএনও

    সুজানগরে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিলেন ইউএনও

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) ঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিলেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। বৃহস্পতিবার উপজেলার প্রত্যন্ত অ লে অবস্থিত কামালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ইংরেজী এবং নবম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন তিনি। এ সময় তিনি ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি,দেশ ও মানবপ্রেমে উদ্বুদ্ধ এবং সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে ভালো করে লেখাপড়া, শুদ্ধ বানান ও নিয়মিত ক্লাস করার উপদেশ দেন। এছাড়া বাল্যবিবাহ,ইভটিজিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ক্লাস নেওয়া প্রসঙ্গে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মাসুমা আক্তার বলেন,ইউএনও স্যারকে শিক্ষক হিসেবে পেয়ে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। তিনি আমাদের লেখাপড়া শিখে বড় হওয়ার উৎসাহ দিয়েছেন। ওনার কাছ থেকে আমরা অনেক নতুন নতুন বিষয় জানলাম। ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র মনির হোসেন বলেন, ইউএনও স্যার ইংরেজী ক্লাস নিয়েছেন, ক্লাসে এসে স্যার আমাদের ইংরেজী বিষয়ের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। স্যারের ক্লাস আমাদের খুব ভালো লেগেছে। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লাসরুমে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় ও পড়াশুনার সার্বিক খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন,শিক্ষার্থীদের পড়াতে খুব ভালো লাগে। শিক্ষা ও জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার মতো আনন্দ আর কিছুতে নেই। শিক্ষার্থীদের পড়ানো অসাধারণ ব্যাপার। তাতে দুটি লাভ হয়,প্রথমত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারছি আবার ওই বিদ্যালয়ে কোন সমস্যা আছে কিনা সেটাও সরেজমিন দেখতে পারছি। তিনি আরো বলেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী ও দেশের একজন নাগরিক হিসেবে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সকলকে অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসার লক্ষ্যে পরিশ্রম করে যাব।প্রকৃত শিক্ষা অর্জন,শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ইউএনও মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে দুর্নীতি মামলায় সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ও সাবেক ৫ কমিশনারের ৭ বছরের সাজা বহাল

    নড়াইলে দুর্নীতি মামলায় সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ও সাবেক ৫ কমিশনারের ৭ বছরের সাজা বহাল

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    দুদকের করা দূর্নীতি মামলায় নড়াইল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস ও সাবেক ৫ কমিশনারের ৭ বছরের সাজা বহাল রেখেছ আদালত। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার(২২আগষ্ট) যশোরের স্পেশাল জজ আদালতের হাজিরা দিলে আদালত তাদের সাজা মওকুফের আবেদন(লিভ টু আপিল) বাতিল করে সাজা বহালের রায় প্রদান করেন। মামলার অন্যান্য দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন পৌরসভার তৎকালীন কমিশনার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বাচ্চু, কমিশনার আহম্মেদ আলী খান, কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কমিশনার মোহাম্মদ তেলায়েত হোসেন ও কমিশনার শরফুল আলম লিটু। নড়াইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস মারা যাওয়ায় মামলা থেকে অব্যহতি পেয়েছেন।

    মামলার বিবরনে জানা যায়, ২০০৯ সালে নড়াইল পৌরসভার রপগঞ্জ পশুরহাটের হাট-বাজার ইজারা নীতিমালার শর্ত ভেঙ্গে বাংলা ১৪১১, ১৪১২ ও ১৪১৩ সনের ইজারা মূল্য ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬’শ ৬৫ টাকা আত্মসাৎ করায় দুর্নীতি দমন কমিশন সম্মিলিত যশোর-এর সহকারী পরিচালক মো: ওয়াজদ আলী গাজী বাদি হয়ে ২০০৯ সালের ৭ আগস্ট নড়াইল পৌরসভার ৭জন জনপ্রতিনিধি ও ১জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় ২০১৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ স্পেশাল জজ আদালত দন্ডবিধি ৪০৯, ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৭জনকে শাস্তি প্রদান করেন। সাবেক অফিস সহকারী মতিউর রহমান মত্যুবরণ করায় রায় থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়। দন্ডবিধি ৪০৯ ধারায় প্রত্যককে ৩বছর এবং ৫(২) ধারায় ৪ বছর করে শাস্তি প্রদান করে এবং প্রত্যককে ১ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকার জরিমানা করেন।

    যশোর জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিটর অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, উচ আদালতে করা লিভ টু আপিল আসামীদের নিম্ন আদালতে হাজিরা দেবার আদেশ দেয়া হয়েছিলো। আদালত তাদের লিভ টু আপিল খারিজ করে সাজা বহাল রেখেছেন। এই মামলায় নিম্ন আদালতের জামিন দেবার এখতিয়ার নেই। তারা পরবর্তীত উচ আদালতে সাজার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করতে পারবেন।

  • ধামইরহাটে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন এডিসি বিরোদা রানী রায়

    ধামইরহাটে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন এডিসি বিরোদা রানী রায়

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি :

    নওগাঁর ধামইরহাট পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহণ পূর্বক পৌরসভার কার্যক্রম শুরু করলেন এডিসি বিরোদা রানী রায়। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনায় তিনি ২০ আগষ্ট পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে যোগদান করেন এবং ২২ আগষ্ট বৃহস্পতিবার প্রথম দিন অফিস করেন। দুপুরে পৌর প্রশাসক বিরোদা রানী রায় ধামইরহাট পৌরসভা কার্যালয়ে উপস্থিত হলে ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং নবনিযুক্ত পৌর প্রশাসককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ও বরণ করে নেন। পৌর প্রশাসক বিরোদা রানী রায় কাউন্সিলর, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কুশলাদি জিজ্ঞাসা করেন এবং জনসেবায় সুষ্ঠভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ প্রতিনিধি ।।

  • নড়াইলে গণহত্যাকারী খুনী হাসিনার বিচারের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবকদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

    নড়াইলে গণহত্যাকারী খুনী হাসিনার বিচারের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবকদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।।

    নড়াইলে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে গণহত্যাকার খুনি শেখ হাসিনার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নড়াইল জেলা শাখা ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকালে নড়াইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে বিএনপির কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
    জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, শাপলা চত্বরে রাতের অন্ধকারে অসংখ্য নিরীহ আলেম ও মাদ্রাসা ছাত্র হত্যা, গত ১৫ বছরে হত্যা গুম-খুন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে দানবে পরিনত করার মাধ্যমে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নিষ্ঠুরভাবে দমন, হেফাজত কর্মীদের নির্যাতন ও হত্যা, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নৃশংস গণহত্যায় শহিদের স্মরনে ও খুনী হাসিনার বিচারের দাবিতে নড়াইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, জেলা যুবদল, ছাত্রদল,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিসহ জেলার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির নেতা শাহরিয়ার রিজভী জর্জ,মুজাহিদুর রহমান পলাশ, জেলা স্বেচ্ছাস স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খন্দকার ফছিয়ার রহমান,সদস্য সচিব মনজুরুল সাঈদ বাবু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শায়দাত কবীর রুবেল, ছাত্রদলের সভাপতি ফরিদ বিশ্বাস, খন্দকার মাহমুদুর হাসান সনি প্রমুখ। এসময় বিএনপি’র জেলা উপজেলার নেতাকর্মীরা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ , সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • বন্যার্তদের পাশে সমাজের উচ্চবৃত্তদের দাঁড়াতে বিএনপি নেতা-আকবর হোসেন উদাত্ত আহ্বান

    বন্যার্তদের পাশে সমাজের উচ্চবৃত্তদের দাঁড়াতে বিএনপি নেতা-আকবর হোসেন উদাত্ত আহ্বান

    সুমন খান:

    সিলেটে নোয়াখালি ফেনীসহ দেশের যে কয়টি জেলায় টানা বন্যা হচ্ছে সেই সকল জেলার স্থানীয় প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ নিজ নিজ স্ব-অবস্থান থেকে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন রাজধানী মিরপুর শাহ আলী থানার বিএনপি নেতা আকবর হোসেন ।

    এরই মধ্য আমাদের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি ডাঃ আউয়াল দলের প্রতিটি নেতাকর্মী যার যার নিজ অবস্থান থেকে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

    মিরপুর শাহ আলী থানার বিএনপি নেতা আকবর হোসেন বলেন, বন্যা এ দেশে নতুন কোন ঘটনা নয়। প্রতিবছরই কোন না কোন এলাকা বন্যাকবলিত হয়। প্রবল বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল সিলেটসহ ১৩টি উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এই ভারী বর্ষণে ঘরবাড়ি, ফসলের জমি, গবাদিপশুসহ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন এলাকার মানুষ। বন্যায় পানিবন্দি এলাকাগুলোতে খাদ্য, চিকিৎসা এবং আশ্রয়ের সংকট দেখা দিয়েছে৷ বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে৷

    এক সপ্তাহ ধরে ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে পড়েছে বন্যাকবলিত অঞ্চলের মানুষ।টানা বন্যার কারনে সিলেট ফেনী নোয়াখালী জেলার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। বেশ কয়েকটি এলাকার রাস্তাঘাট এখন চলাচলের অনুপযোগী হয় পড়েছে। অনেক বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রী, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা পানি পার হয়ে তাদের গন্তব্যস্থলে ছুটছেন।

    রাজধানী মিরপুর শাহ্ আলী থানার বিএনপি নেতা আকবর বলেন এ অবস্থায় প্রতিটি জেলা ও সমাজের বিত্তবান লোকদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান থাকবে আপনারা সকলে যার যার অবস্থান থেকে নিজ এলাকার সকল বন্যার্তদের প্রতি মানবতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।আপনাদের একটু চেষ্টায় বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

  • গ্রীষ্মে পানি না ছেড়ে বানায় মরুভূমি বর্ষার পানি ছেড়ে দিয়ে বন্যায় ভাসায়

    গ্রীষ্মে পানি না ছেড়ে বানায় মরুভূমি বর্ষার পানি ছেড়ে দিয়ে বন্যায় ভাসায়

    নাজিম উদ্দিন রানা: জামায়াত ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা শুনে আসছি, প্রতিবেশী দেশ ভারত আমাদের সবচেয়ে বড় বন্ধু। কিন্তু তারা গ্রীষ্মে যখন আমাদের পানির প্রয়োজন হয়, তখন আমাদেরকে পানি না দিয়ে পিপাসার্ত করে দেয়। গ্রীষ্মে পানি না ছেড়ে বানায় মরুভূমি, আর বর্ষার সময় পানি ছেড়ে দিয়ে বন্যায় ভাসায়। আমরা অবাক। ভারত কেমন বন্ধু আমাদের?

    বুধবার (২২ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের শেখের কেল্লা এলাকায় পানিবন্দি দুর্গত বাসিন্দাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে এ সব কথা বলেন তিনি।

    জামায়াতের আমির আরোও বলেন, ভারত শুকনা মৌসুমে পানি আটকিয়ে রাখে, আর বর্ষায় সময় একসাথে সব গেট খুলে দেয়।আমাদের একটা সরকার ছিল, সাড়ে ১৫ বছর। তারা বলতো আমাদের দেশকে সিঙ্গাপুর বানায় ছাড়ছে। এ হলো সিঙ্গাপুরের দৃশ্য। তারা বলতো এটা কানাডা, এ হলো কানাডার দৃশ্য।

    শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের ছাত্র যুব সমাজ তাদের সামনে বুক পেতে দিয়ে, বুকের মধ্যে গুলি নিয়ে তাদেরকে তাড়িয়েছে বাংলার বুক থেকে। একটা শাসক সাড়ে ১৫ বছর দেশ শাসন করলো, তাকে পালাতে হবে কেন? তারা বলতো- আমাদেরকে নাকি উন্নয়নের মহাসড়কে উঠায়ছে।
    আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ আমাদের থেকে জালিম বিদায় করেছেন। চিরতরে যেন এ জালিমের বিদায় হয়। আর কোন জালিমের আগমন না ঘটে। দেশ যেন সুবিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রত্যেকটা মা-বোন, ভাইয়েরা যাতে সন্মানের সাথে বসবাস করতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করবে। কেউ কাউকে বাঁধা দেবে না। সকল ধর্মের মানুষ তার ধর্মীয় অনুশাসন পালন করে, তাতে বাঁধা নেই।

    বক্তব্য শেষে দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করতে দোয়া করেন জামায়াতের এ নেতা।

    ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় নেতা দ্বীন মোহাম্মদ, সহ সেক্রেটারী মাওলানা এটিএম মাছুম, জেলা জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ভূইয়া, নায়েবে আমির এআর হাফিজ উল্যা, সেক্রেটারী ফারুক হোসেন নুরনবী, সহ সেক্রেটারী এডভোকেট নাছির উদ্দিন মাহমুদ, মহসিন কবির মুরাদ,শহর আমির এড,আবু ফারাহ নিশান, শিবিরের জেলা সভাপতি আরমান পাটওয়ারী, সেক্রেটারী ফরিদ উদ্দিন।

  • নলছিটিতে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও বন্যার্তদের জন্য দোয়ার আয়োজন

    নলছিটিতে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও বন্যার্তদের জন্য দোয়ার আয়োজন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টায় ভারতীয় আগ্রাসন,পানি সন্ত্রাসের কারনে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ ও বন্যার্তদের জন্য দোয়ার আয়োজন করে ছাত্র ও জনতা।
    ভারি বৃষ্টির প্রভাবে পানির চাপ বাড়ায় কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারতের ত্রিপুরার ডাম্বুর বাধের গেইট খুলে দেয়ায় বাংলাদেশের ফেনী,কুমিল্লা,চট্টগ্রাম প্লাবিত হয়েছে।এতে গৃহহীন হয়ে পরেছেন প্রায় দুই লক্ষ পরিবার।কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়া এভাবে মধ্যরাতে বাধের গেইট খুলে বাংলাদেশকে প্লাবিত করায় ক্ষোভে উত্তাল বাংলাদেশ।এরই প্রেক্ষিতে নলছিটি উপজেলার ছাত্র ও জনতা এই বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন।
    আসরের নামাজের পরে নগরীর বাস স্ট্যান্ডে শহীদ সেলিম তালুকদার স্মৃতি চত্তরে এ বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।
    এতে দোয়া পরিচালনা করেন এবং বক্তব্য রাখেন আখরপারা বাজার মসজিদের খতিব হাফেজ মাহফুজুর রহমান।ছাত্র ও স্থানীয় জনতার মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন বালী তাইফুর রহমান তূর্য, লিমন হোসেন,চট্টগ্রাম ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ, মাহফুজুর রহমান তাহমিদ,সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা মো:মারজান,দ্বীপ,আব্দুল্লাহ,আব্দুর রহমান,মো:মিরাজ,রামিম,মো:সাইফুল,ফাইয়াজ,আ:আহাদ প্রমুখ।এসময় বক্তারা বলেন ভারত পানি সন্ত্রাসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ করছে।তারা আন্তর্জাতিক অভিন্ন নদীগুলোতে বাধ দিয়ে বাংলাদেশের অংশকে হত্যা করেছে।শুকনো মৌসুমে তারা আমাদেরকে পানি না দিয়ে মরুভূমিতে পরিনত করেছে।নদীতে পানির প্রবাহ না থাকায় নদীর নাব্যতা হারিয়েছে, এরপর যখন বর্ষায় তারা প্লাবিত হয় তখন পানি জমিয়ে বাধ খুলে দেয়।যারফলে একই সময় অধিক পরিমানে পানির স্রোতে বাংলাদেশ প্লাবিত হয়।যাতে শত শত মিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয় বাংলাদেশ।কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে সংযোগ থাকা অভিন্ন ৫৪ টি নদীর প্রতিটি নদীর ন্যায্য হিস্যার দাবিও জানান তারা।ভারত কোনোদিন বাংলাদেশের বন্ধু ছিল না,বন্ধু হলে এভাবে প্রতিবছর বাধ খুলে দিয়ে চুবিয়ে মারতে পারতো না।তাদের সাথে বানিজ্যিক, কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকতে পারে কিন্তু কোনো মালিক-গোলাম সম্পর্ক বা স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক থাকতে পারে না।এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন,মোদী জি কান খুলে শুনে নাও,বাংলাদেশ আর ভারতের গোলাম হয়ে থাকবে না।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রতিটি ভারতীয় ষড়যন্ত্র রক্ত দিয়ে হলেও রুখে দেয়া হবে।
    এসময় বক্তারা আরও বলেন, ভারতের প্রতিটি বাধের বিপরীতে বাংলাদেশকেও বাধ নির্মান করতে হবে, এবং এতে যদি নাগরিকদের শ্রম দিতে হয়,অর্থ দিতে হয় তাহলে তাও দিতে রাজি আছে বাংলাদেশের মানুষ।প্রয়োজন হলে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের বিরুদ্ধে মামলা করতেও সরকারকে অনুরোধ করেন তারা।ভারতের রক্ষীতা বা দাস হয়ে থাকবে না বাংলাদেশ বলেও হুশিয়ারি দেন তারা।
    বন্যার্তদের জন্য মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে দোয়ার মাধ্যমে শতাধিক ছাত্র ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ঘন্টাব্যাপী এ সমাবেশ সমাপ্ত করা হয়।