Category: দেশজুড়ে

  • তানোরে আরইআরএমপি কর্মীদের মাঝে সঞ্চয় অর্থের  চেক প্রদান

    তানোরে আরইআরএমপি কর্মীদের মাঝে সঞ্চয় অর্থের চেক প্রদান

    আলিফ হোসেন,

    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষন কর্মসুচি (আরইআরএমপি)-৩ প্রকল্পে কর্মরত নারী শ্রমিকদের মাঝে সনদ ও সঞ্চয় অর্থের চেক বিতরণ করা হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে (ইউপি) এই প্রকল্পে মোট ৭০ জন দুঃস্থ কর্মক্ষম নারী শ্রমিক রয়েছে। চার মেয়াদী প্রকল্পে কর্মরত এসব শ্রমিকদের মুজুরী থেকে শতকরা ৪০ শতাংশ টাকা কেটে তাদের সঞ্চয় জমা রাখা হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এসব শ্রমিকদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দেয়া হয়।
    গত মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এলজিইডি’র আয়োজনে সনদ ও চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী এলজিইডির তত্ববধায়ক প্রকৌশলী শাহাদত হোসেন এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান। এস ময় ৭০ জন নারী কর্মীদের জনপ্রতি ১ লাখ ২০ হাজার ৮২৩ টাকার চেক প্রদান ও সনদ তুলে দেন ইউএনও। এসময় তিনি নারী কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এটা আপনাদের কষ্টার্জিত টাকা। এই টাকা দিয়ে আপনারা এমন কিছু করবেন যাতে করে সংসারে সাচ্ছন্দ্য ফিরে আসে। তিনি আয়বর্ধক কাজে এসব টাকা বিনিয়োগের পরামর্শ দেন।#

  • বানারীপাড়ায় আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    বানারীপাড়ায় আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা।। বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম ফারুক এবং জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীলসহ ৯৬ জন দলীয় নেতা-কর্মীকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬ জনকে সুনির্দিষ্ট ও ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।

    রোববার (২৫ আগস্ট) বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে বানারীপাড়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনিস মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেন। তিনি মামলায় উল্লেখ করেন, ২ মে তার বাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসামিরা পিস্তলসহ দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা ও লুটতরাজ করে।

    আদালতের বিচারক শারমিন সুলতানা নালিশী অভিযোগ মামলা হিসেবে রুজু করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বানারীপাড়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে এদিন রাতেই থানায় মামলা রুজু করা হয়।

    মামলার উল্লেখযোগ্য অপর আসামীরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চাখারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খিজির সরদার, সহ-সভাপতি ও চাখারের ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মজিবুল ইসলাম টুকু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত লাল কুন্ডু ও অধ্যাপক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল হাইয়ান, সদস্য ও সৈয়দকাঠি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আঃ মন্নান মৃধা, সদস্য শামসুল আলম মল্লিক ও সেলিম সরদার, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ফারুক বেপারী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফোরকান আলী হাওলাদার, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুমন খান, যুবলীগ নেতা মনির মল্লিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন খান, চাখার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।#

  • তারাগঞ্জে রাকিবুল নিখাঁজে দিশেহারা পরিবার

    তারাগঞ্জে রাকিবুল নিখাঁজে দিশেহারা পরিবার

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের উত্তর হাজীপুর (জানের পাড়) গ্রামের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের এমএলএসএস (নিরাপত্তাকর্মী) রাকিবের খোঁজে দিশেহারা পরিবার। জানা গেছে, উপজেলার উত্তর হাজীপুর (জানের পাড়) গ্রামের মৃত্যু আবুল হোসেন এর ছেলে মো. রাকিবুল ইসলাম (৩৫) নিখোঁজ হয়েছেন। গত ২৯ জুন ২০১৬ ই সাল হতে উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের এমএলএসএস (নিরাপত্তাকর্মী) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত রবিবার (২৫ আগস্ট) সকাল অনুমান ৯টার দিকে তার নিজ বাড়ি হতে অফিসের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে যান। পরে অফিসের সময় পেরিয়ে গেলেও দিন শেষে আর বাড়িতে ফিরেনি রাকিবুল। রাকিবের স্ত্রী রুপালী বেগম জানান, আমার স্বামী পিঙ্ক কালার টি সার্ট ও জিন্স প্যান্ট পরে অফিসের উদ্দেশ্যে যান। পরে আর বাড়িতে ফিরেনি। রাকিবের মোবাইল (০১৭২৮৪৬২৭৯৮) নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যাচ্ছেনা। এমতাবস্থায় নিরুপায় হয়ে তারাগঞ্জ থানায় নিখোঁজ সন্ধানে জিডি করেছি। এখন আমাদের পরিবারে আমার শ্বাশুরি সহ তিন সন্তান পাঁচজন রয়েছি। স্বামীর উপার্জনের উপর নির্ভর করে চলে আমাদের পরিবার। গত দুদিন হতে, আমার স্বামীর কোন সন্ধান না পেয়ে পুরো পরিবার আজ দিশেহারা। ইউপি সদস্য তাজ উদ্দিন বলেন, রাকিবুল ভালো ছেলে, এলাকার সবাই তাকে চেনে জানে। হঠাত করে কদিন হতে কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছে না। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার শ্যালক রাকিবুল ইসলাম। গত দুদিন হতে তার কোন সন্ধান পাচ্ছি না আমরা। কোন স্থানে তার সন্ধান পেলে অনুগ্রহ পূর্বক এই মোবইল ০১৭৪৯৪৮৭৯৯২ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। তারাগঞ্জ থানার ওসি সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, রাকিবুল ইসলামের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে, যাহার নাম্বার ৯১৯ ট্রাকিং নাম্বার ছঢঘ৫ঘচ। তার ব্যবহত মোবাইল নাম্বার তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সনাক্তের চেষ্টা চলমান রয়েছে।

  • মিনি কক্সবাজার খ্যাত হালতিবিলে অভিযান-তিন লক্ষাধিক টাকার হুইল-বর্শি পুড়ি*য়ে ধ্বং*স

    মিনি কক্সবাজার খ্যাত হালতিবিলে অভিযান-তিন লক্ষাধিক টাকার হুইল-বর্শি পুড়ি*য়ে ধ্বং*স

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ
    নাটোরের নলডাঙ্গার হালতি বিলের অভয়াশ্রমে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার সময় তিন লক্ষাধিক টাকা মূল্যের শতাধিক হুইল-বর্শি জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    উপজেলার হালতি বিলে অভয়াশ্রম(টাংকি) অভিযান পরিচালনা করে এ হুইল-বর্শি
    গুলো জব্দ করা হয়। এই শতাধিক হুইল-বর্শির অনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকা। পরে জব্দকৃত হুইল-বর্শিগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন,উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আশিকুর রহমান। এসময় নাটোর জেলা মৎস কর্মকতা,ড. আবুল কালাম আজাদ,
    নলডাঙ্গা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার,নলডাঙ্গা সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আল ইমরান আহমেদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার বলেন, উপজেলার হালতি বিলে অভয়াশ্রম(টাংকি) অভিযান পরিচালনা করে এ হুইল-বর্শি গুলো জব্দ করা হয়। এই শতাধিক হুইল-বর্শির অনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকা। পরে জব্দকৃত হুইল-বর্শিগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

  • উজিরপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খু*নের মামলার শাহীন চেয়ারম্যান সহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    উজিরপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খু*নের মামলার শাহীন চেয়ারম্যান সহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালে উজিরপুরে আওয়ামী লীগ নেতা সহ দুজনকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় সাতলা ইউনিয়নের চিন্হিত ভুমিদস্যু, চাদাবাজ, সন্ত্রাসী,একাধিক মামলার আসামী ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার সহ ২৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৬ আগষ্ট উজিরপুর মডেল থানায় নিহত ইদ্রিস হাওলাদারের স্ত্রী রেশমা বেগম বাদী হয়ে সাতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহীন হাওলাদার, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদ হাওলাদার সহ ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    উল্লেখ্য গত ২৪ আগস্ট রাত ১১ টার দিকে ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলাদার (৪০) ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তার চাচাতো ভাই সাগর হাওলাদার (২৭)এর মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ি পশ্চিম সাতলা ২নং ওয়ার্ডে ফিরছিলেন পথিমধ্যে সাতলা বড় ব্রিজের পশ্চিম পাড়ের ঢালে গেলে একদল অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধকরে ব্যবসায়ী ইদ্রিসকে কুপিয়ে ও পায়ের রগ বর্তন করে দেয় এ সময় মোটরসাইকেল চালক তার চাচাতো ভাই সাগর বাধা দিলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে  এসে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে আগৈলঝারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য  তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে রাত ১.৪৫ মিনিটে ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলদার মৃত্যুবরণ করেন তার কয়েক ঘন্টা পরে সাগরও মৃত্যুবরণ করেন। নিহত ইদ্রিস হাওলাদার পশ্চিম সাতলা গ্রামের সোহরাব হাওলাদারের পুত্র ও সাগর হাওলাদার একই বাড়ির শাহাদাত হাওলাদারের পুত্র। এ বিষয় নিহতদের চাচা সাবেক ইউপি সদস্য মোনাফছের হাওলাদার সাংবাদিকদেরকে অভিযোগ করে বলেন সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার ও  তার চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা আসাদ হাওলাদারের নেতৃত্বে ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তিনি সাংবাদিকদের কে আরো জানান,গত ১৭ মার্চ গভীর রাতে ইদ্রিস হাওলাদারের মালিকানাধীন মাছের ঘের, মুরগির খামার, পানি শেচ পাম্পে অগ্নি সংযোগ এর ঘটনায় ইদ্রিস হাওলাদার ও সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহীন হাওলদারের ও তার চাচাতো ভাই আসাদ হাওলাদার সহ ৪০ -৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় শাহীন চেয়ারম্যান কে জেল খাটতে হয়। তার প্রতিশোধ নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।    

     উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ জানান, নিহত ইদ্রিস হাওলাদার এর সাথে একটি মাছের ঘের নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে এই জোড়া হত্যাকান্ড সংঘটিত হতে পারে বলে প্রাথমিক অবস্থায় ধারনা করা যাচ্ছে। নিহত ইদ্রিস হাওলাদারের স্ত্রী বাদীহয়ে ২৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন, আমরা কবির বিশ্বাস নামে একজনকে গ্রেফতার করেছি। বাকি আসামীদের গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

  • পটিয়া প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিক্ষক এটিএম তোহা 

    পটিয়া প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিক্ষক এটিএম তোহা 

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ পটিয়া প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি এটিএম তোহাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। 

    ২৭ আগস্ট (মঙ্গলবার)  ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে পটিয়া প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি এটিএম তোহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কার্যকরী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এসময় উপস্থিত  ছিলেন, সহ-সভাপতি শফিউল আলম,সাধারণ সম্পাদক গোলাম কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ন ম সেলিম, অর্থ সম্পাদক বিকাশ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোরশেদ আলম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সনজয় সেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন, কার্যকরী সদস্য রনি কান্তি দেব, হেলাল উদ্দিন নিরব ও শহিদুল ইসলাম।

    সভায় বক্তারা বলেন, পটিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম দীর্ঘ দিন যাবত গুরুতর অসুস্থ। তার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করা হয়। বর্তমানে প্রেস ক্লাবের কার্যক্রমে গতিশীল করার লক্ষ্যে গঠনতন্ত্র মোতাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি এটিএম তোহা কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনোনীত করা হয়। 

    সভাপতির বক্তব্যে এটিএম তোহা বলেন, পটিয়া প্রেস ক্লাবকে বৈষম্য বিরোধী একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সংগঠনে রূপান্তর করা হবে। সম্প্রতি নোয়াখালী, ফেনি সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য বিত্তবানদের আহবান জানান। বন্যায় নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শ্রীঘ্রই একটি বৈষম্য মুক্ত ও গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বৈষম্যমুক্ত গণতান্ত্রিক পটিয়া গঠনের প্রত্যাশা আমাদের সকলের। আশা করি সরকার সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। স্বাধীনভাবে গণমাধ্যম কর্মীরা সঠিক সংবাদ প্রকাশ করতে পারবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নৈতিক স্থলন সহ গঠনতন্ত্রের সকল ধারা-উপধারা অনুসরণ করে প্রেস ক্লাবকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করা হবে। বিজ্ঞপ্তি।

  • তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে

    তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির ,বিশেষ প্রতিনিধি:
    আজ মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তিন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
    বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন- পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি কৃষ্ণ পদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার), খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোঃ মোজাম্মেল হক, বিপিএম (বার), পিপিএম-সেবা ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার) সরদার রকিবুল ইসলাম বিপিএম।
    সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে তাদের অবসর দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধা পাবেন।

  • পানছড়িতে তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

    পানছড়িতে তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট ) সকাল ১১টার সময় ৫নং লতিবান ইউনিয়ন পরিষদে উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এই ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম করা হয়।

    এই সহযোগিতা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শামসুল আলম ,৫নং লবিবান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভূমিধর রোয়াজা,আস্থা প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার তুহিন চাকমা,সিভিক মেম্বার দূর্বাদল চাকমা,সাংবাদিক মিঠুন সাহা,
    ইয়ুথ গ্রুপের আহ্বায়ক মিজ লাইচেন্দ্রা মারমাসহ ইয়ুথ গ্রুপের সদস্যবৃন্দ।

    বন্যাকবলিত পানছড়ি উপজেলার ৫টি এলাকা তালুকদার পাড়া, উগলছডি,উগ্যজ্যায়পাড়া,সাঁওতাল পাড়া,ধুধুকছড়া এলাকায় এই
    ত্রাণ সামগ্রীর বিতরণ করা হয়। যার মধ্যে ছিলো চাল ৫ কেজি,আলু ২ কেজি,তেল ১লিটার, ডাল ১/২ কেজি, লবন ১/২ কেজি।

    এই সহযোগিতা পেয়ে তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা আস্থা প্রকল্পের সদস্যবৃন্দদের ধন্যবাদ জানান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।

  • বন্যার্তদের জন্য প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে সিসিএন পরিবারের দুইদিনের বেতন প্রদান

    বন্যার্তদের জন্য প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে সিসিএন পরিবারের দুইদিনের বেতন প্রদান

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, 

     কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত সিসিএন শিক্ষা পরিবার তথা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সিসিএন মডেল কলেজের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুইদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান দেয়া হয়েছে।

     দেশে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে দূর্গত অঞ্চলের মানুষের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ওই অনুদান প্রদান করা হয়েছে।  জানা যায়, সিসিএন পরিবারের প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একদিনের বেতন বন্যার্তদের সহযোগিতায় প্রদান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং এই বিষয়ে সিসিএন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী কে অবহিত করেন। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যোগ করার ঘোষণা দেন।  এদিকে কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির শুরু থেকেই সিসিএন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীরাও বন্যা দূর্গতদের পাশে দাড়িয়েছে। 

    তারা ত্রাণ সরবরাহ, বন্যা দূর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে পৌছে দেয়া, জরুরী চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে জেলার বন্যাদূর্গত উপজেলা চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া এলাকা সহ অন্যান্য এলাকায় সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

  • বাগেরহাটে ঘেরের ভেড়ীবাঁধে চার স্তরের সবজি চাষ অর্থনৈতিকভাবে এখন স্বাবলম্বী চাষিরা

    বাগেরহাটে ঘেরের ভেড়ীবাঁধে চার স্তরের সবজি চাষ অর্থনৈতিকভাবে এখন স্বাবলম্বী চাষিরা

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. বিশেষ প্রতিনিধি : বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জসহ নয়টি উপজেলার মৎস্য ঘেরের ভেড়ীবাঁধে পতিত জমিতে চার স্তরের নিরাপদ সবজি চাষ করে কয়েক হাজার চাষি এখন অর্থনৈতিকভাবে আগের চেয়ে বেশ স্বাবলম্বী হয়েছেন। তাদের উৎপাদিত ১শ ট্রাক সবজি এখন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাজারে বিক্রয় হচ্ছে। ফলে তাদের মধ্যে বইছে শান্তির সুবাতাশ। উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থা এবং স্মল হোল্ডার কম্পিটিটিনেভস প্রজেক্ট (এসএসিপি) এর মাধ্যমে চাষিদের প্রশিক্ষণ ও নানা ধরণের সহযোগীতা প্রদান করায় এটি সম্ভব হয়েছে। চাষিরাও তাদের এ অর্থনৈতিক ধারা অব্যহত রাখতে চাই।

    বাগেরহাট কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৯টি উপজেলার মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, ফকিরহাট, চিতলমারী, মোল্লাহাট, মংলা, রামপাল, বাগহাট ও কচুয়ায় ১০ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ আবাদ হয়েছে। ৯ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নিজ জমিতে আখ চাষ করে চাষিরা আশানুরুপ ফলন পেয়েছে। এতে অনেকেই আধুনিক পদ্ধতিতে ভাল জাতের সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছে সবজি কাটতে। সারি সারি ভ্যান দাড়িয়ে আছে এ সবজি নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখান থেকে সবজি স্থানীয় বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা এসে নিয়ে যায়।

    বাগেরহাট কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৯টি উপজেলার মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা,ফকিরহাট, মোল্লাহাট, চিতলমারী, মংলা, রামপাল, বাগহাট ও কচুয়ায় ১০ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ আবাদ হয়েছে। ৯ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নিজ জমিতে সবজি চাষ করে চাষিরা আশানুরুপ ফলন পেয়েছে। এতে অনেকেই আধুনিক পদ্ধতিতে ভাল জাতের সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

    জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস এ অঞ্চলকে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসাবে গড়ে তোলার জন্য শতশত চাষিদের তাদের পতিত জমি ফেলে না রাখার জন্য নানা ধরণের পরামর্শ প্রদান করে আসছেন। শুধু তাই নয়, তারা যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন সেজন্য তাদেরকে হাতে-কলমে সবজি চাষের উপর নানা ধরণের প্রশিক্ষণ পরামর্শ ও সহযোগীতা প্রদান করে আসছেন। যারই অংশ হিসাবে তারা এ অঞ্চলের শতশত চাষিকে স্মল হোল্ডার কম্পিটিটিনেভস প্রজেক্ট (এসএসিপি) এর মাধ্যমে ঘেরের ভেড়ীবাঁধে পতিত জমিতে চাষাবাদ শুরু করার পরামর্শ প্রদান করেন। সেই পরামর্শ নিয়ে তারা সবজি চাষের উপর মনোযোগী হন।
    মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে শুধুমাত্র ঘেরের ভেড়ীবাঁধে মোট ৫৫শত হেক্টর জমিতে সবজির চাষ করা হয়েছে।

    ১৩ নং নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের জাহিদুল ইসলাম,সাব্বির হোসেন সুমন সহ একাধিক চাষিরা জানান, তারা তাদের ঘেরের ভেড়ীবাঁধে চার স্থরের সবজি চাষ করেছেন। একই ঘেরের ভেড়ীবাঁধের উপর যে চার প্রকার সবজি চাষ করা যায় তা তাঁরা কোন দিন কল্পনাও করতে পারেননী। স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শক্রমে তারা এ পদ্ধতিতে চাষ করা শিখেছেন।

    তারা বলেন, ঘেরের ভিতরে মাছ আর ডাঙ্গায় অর্থাৎ ঘেরের ভেড়ীতে বরবটি সিম, করলা, তরমুজ, বাঙ্গি, শসা, চাল কুমড়া ও লাউ এবং দুই গাছের মাঝখানে বেগুন মরিচ টমেটোসহ বিভিন্ন প্রকার সবজির চাষ করেছেন। শুধু তারা নয়, এ অঞ্চলের শতশত ঘের মালিক ও বিভিন্ন ব্যক্তি জমি হারি বা বরগা নিয়ে সবজির চাষ করেছেন। বাম্ফার ফলনও হয়েছে।

    নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের গ্রামের বিলে হাজার হাজার একর জমিতে মনোমুগ্ধকর সবজির চাষ করা হয়েছে। যা দেখলে মন প্রাণ জুড়িয়ে যায় এ যেন ভিন্ন এক অঞ্চল।

    সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, প্রতিদিন ভোর হতে দুপুর পর্যন্ত শতশত কৃষক তাদের ঘেরের পাড়ে গিয়ে বিভিন্ন সবজি তুলতে ব্যস্ত রয়েছেন। সেই সবজি বস্তায় ভরে ভ্যান যোগে কুরোলতলার মোড় বা বাজারে নিয়ে আসছেন। সেখানে কয়েকজন ক্রেতা তা ক্রয় করে বড়-বড় তুম্বু করে তা বস্থায় ভরে ট্রাক বা পিকাপে করে ঢাকা চট্টগ্রাম রাহশাহী ও খুলনার বিভিন্ন বড়বড় বাজরে নিয়ে যাচ্ছেন। চোখ জুড়ানো এ সমস্ত কার্যক্রম দেখে মন আরো মুগ্ধ হয়ে উঠে। এ যেন এক সবজির স্বর্গরাজ্য।

    সবজি ব্যবসায়ী আল আমীন শেখ, রবিউল ইসলামসহ একাধিক ব্যবসায়ী জানান, তাদের এই মোড় হতে প্রতিদিন ২৮-৩০টি ট্রাকে করে বিভিন্ন প্রকার সবজি ঢাকা চট্টগ্রাম ও রাজশাহীর বিভিন্ন বাজারে বিক্রয় করার জন্য পাঠানো হচ্ছে। সবজির মোটামুটি মূল্য এখানে একটু কম হলেও চাষিরা খুশি। কারণ তারা ঘেরের পাড়ে বসেই তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছেন।
    রব্বান শেখ ও সিহাব উদ্দিন সহ একাধিক চাষিরা বলেন, মাত্র দেড় দু’মাসে তারা ৫০হাজার টাকা থেকে শুরু করে দেড় লক্ষ টাকার সবজি বিক্রয় করেছেন। শুধু সবজিই নয়, নিচেই রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এবং অন্য মৌসুমে ঘেরের ভিতর ধানের চাষও করেন তাঁরা। শুধু বেতাগা ইউনিয়ন-ই নয়, মানসা-বাহিরদিয়া, শুভদিয়া, নলধা-মৌভোগ, পিলজংগ ও লখপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওর্য়াডের ঘেরের পাড়ে সবজির চাষ হয়েছে বিপুল পারিমানে। এ উপজেলায় প্রায় ৫শত হেক্টর জমিতে শুধুমাত্র ঘেরের ভেড়ীতে সবজি চাষ হয়েছে। প্রতিদিন এই উপজেলা হতে প্রায় ২৫ ট্রাক সবজি দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানী হচ্ছে। সবজি চাষে বাম্ফার ফলন হওয়ায় শতশত কৃষকের ভাগ্য বদলের পাশা-পাশি তারা অর্থনৈতিক ভাবে আগের চেয়ে অনেক স্বাবলম্বী হয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই অঞ্চল অর্থনৈতিক ভাবে সম্মৃদ্ধ হতে সক্ষম হয়েছে।

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলার১৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৫৫শত হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। আমরা চাষিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য সার্বক্ষনিক মনিটরিং ব্যবস্থা এবং স্মল হোল্ডার কম্পিটিটিনেভস প্রজেক্ট (এসএসিপি) এর মাধ্যমে চাষিদের প্রশিক্ষণসহ নানা ধরণের সহযোগীতা করে আসছি। যে কারনে তারা অর্থনৈতিক ভাবে আরো স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য তিনি সকল পতিত জমিতে চাষাবাদ করার জন্য স্থানীয় চাষিদের প্রতি আহবান জানান।

    এ ব্যাপারে মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল হক বাবুল বলেন, আমরা কৃষিকে সর্বো”চ্চ গুরুত্ব দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তাই তারা যাহাতে কৃষি পণ্য সহজেই বাজারজাত করতে পারে সে জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছি।

    বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শঙকর কুমার মজুমদার বলেন, বাগেরহাট জেলায় সবজি আবাদের উপর অতিরিক্ত জোর দেওয়া হয়েছে। সরকার সময়মত বীজ, সার ও ঋণ প্রবাহ সচল রেখেছেন। যার ফলে এবছর বিভিন্ন সবজি বিশেষ করে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। এ বছর বাগেরহাটের কয়েকটি উপজেলায় ৯৫ হাজার টন সবজি চাষ ফলন হবে। আমরাও কৃষকদের সব ধরণের কারিগরি সহযোগিতা ও বাজারজাত করণের পরামর্শ দিয়েছি। যাতে কৃষকরা লাভবান হতে পারে সেজন্য আমাদের সব ধরণের চেষ্টা রয়েছে।