Category: দেশজুড়ে

  • শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের  সঙ্গে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর কমান্ডারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের  সঙ্গে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর কমান্ডারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    বান্দরবান থানচি প্রতিনিধি : মথি ত্রিপুরা।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি বহু জাতি-গোষ্ঠী ও বহু ধর্মের মানুষের আবাসভূমি। এই অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার, বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত শান্তিরাজ মিশন, থানচি-তে শুভ বড়দিন–২০২৫ উপলক্ষ্যে এক আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল, বিএসপি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন। তিনি বড়দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, যিশু খ্রিস্টের শিক্ষা মানবপ্রেম, ত্যাগ ও শান্তির প্রতীক, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    অনুষ্ঠানে সেক্টর কমান্ডার মহোদয় শান্তিরাজ মিশন চার্চসহ পার্শ্ববর্তী চার্চসমূহের জন্য শুভেচ্ছা উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এতে স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি) কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অন্যান্য খ্রিস্টান উপাসনালয়সমূহেও শুভ বড়দিন উপলক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
    পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী ও ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবির নিয়মিত মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সেক্টর কমান্ডার বান্দরবান তাঁর বক্তব্যে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং বলেন, বিজিবি ভবিষ্যতেও পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় মানবিক ও পেশাদার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
    উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি)-এর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বিপিএমএস (পদাতিক), জোনের অন্যান্য অফিসারবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ। সার্বিকভাবে, এই শুভেচ্ছা বিনিময় ও সহায়তা কার্যক্রম পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য ও পারস্পরিক বিশ্বাস সুদৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সকলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  • চিকিৎসার অ-ভাবে চোখের বাম পাশে  বি-রল টিউমার, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন রিকশাচালক মোতালেব

    চিকিৎসার অ-ভাবে চোখের বাম পাশে বি-রল টিউমার, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন রিকশাচালক মোতালেব

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

    চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মোতালেব পেশায় একজন রিকশাচালক। শৈশবকাল থেকে তার চোখের বাম পাশে একটি টিউমার নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিউমারটি ভয়াবহ আকার ধারণ করে ডান চোখটি প্রায় সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলেছে।

    গত ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টার দিকে কাজীর দেউরি এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক মিঠুন সাহার নজরে পড়েন মোতালেব । স্বউদ্যোগে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানতে চাইলে তিনি নিজের জীবনের এই করুণ বাস্তবতার কথা জানান।

    আবদুল মোতালেব জানান, ছোটবেলায় টিউমারটি ধরা পড়লেও পরিবারের চরম আর্থিক অনটনের কারণে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিউমারটি বড় হলেও টাকার অভাবে কোনো উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেননি তিনি।

    বর্তমানে শারীরিক কষ্ট, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা ও সামাজিক অবহেলার মাঝেও জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন রিকশা চালাতে বাধ্য হচ্ছেন শাহাদাত। তার এই অবস্থা যে কোনো মানবিক হৃদয়কে নাড়া দেয়।

    চিকিৎসকদের মতে, সঠিক চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এখনো তার অবস্থার উন্নতি সম্ভব হতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা তার পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব।

    এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেছেন শাহাদাত ও তার পরিবার, যাতে তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

  • বগুড়া শাজাহানপুরে জেএসডি নেতা মামুনের মায়ের ই-ন্তেকাল

    বগুড়া শাজাহানপুরে জেএসডি নেতা মামুনের মায়ের ই-ন্তেকাল

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া বাজার এলাকার রহিমাবাদ গ্রামের কৃতি সন্তান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশীদ মামুনের মমতাময়ী মা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।
    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ৯ ডিসেম্বর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর বাড়িতেই তার চিকিৎসা চলছিল। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৩টায় তিনি নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় রহিমাবাদ গ্রামে তার নিজ বাড়িতে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
    তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • স্বরূপকাঠিতে পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর গ্রে-ফতার

    স্বরূপকাঠিতে পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর গ্রে-ফতার

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর।।

    স্বরূপকাঠি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিঠুন আর্চায্য অনুজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
    পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    গ্রেফতারকৃত মিঠুন আর্চায্য অনুজ স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর এবং স্বরূপকাঠি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি স্বরূপকাঠি পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে।
    থানা সূত্রে জানা গেছে, কিছু দিন যাবত তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদি হাসান জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,
    মোঃ আনোয়ার হোসেন।

  • রাজনপুর আদর্শ গ্রাম তৈরি করে এলাকাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন

    রাজনপুর আদর্শ গ্রাম তৈরি করে এলাকাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন

    হারুন অর রশিদ দোয়ারাবাজার থেকেঃ
    সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর একজন তরুণ সমাজকর্মী ও সংগঠক সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের রাজনপুর গ্রামের ক্লিন ভিলেজ গ্রীণ ভিলেজ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কানাডা প্রবাসী রোটারিয়ান মো. ইকবাল হোসেন। তিনি ইতিমধ্যে তার মরহুম বাবার নামে “আবুল হোসেন ফাউন্ডেশন” গঠন করেছেন যা মুলত শিক্ষা, স্বাস্থ্য,সমাজ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবে।

    গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও একটি আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রযুক্তি ও নৈতিকতা—এই পাঁচটি স্তম্ভকে ভিত্তি করে তিনি গড়ে তুলতে চান একটি টেকসই ও মানবিক সমাজ।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর ) সরেজমিনে রাজনপুর গ্রামে উপস্থিত হয়ে দেখা যায় কানাডা প্রবাসী রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন এর নিজস্ব অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় রাজনপুর আদর্শ গ্রামের কাজ শেষের পথে।
    আদর্শ গ্রামে যা নির্মান করা হয়েছে, গ্রামের প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে প্রতিটা বাড়ির ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন। পরিষ্কার পরিছন্ন রাস্তাঘাট, নবীন প্রবীণদের বসার স্থান। যাত্রী ছাউনি, বাথরুম, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ওয়াশরুম। প্রতি বাড়ীর সামনে ডাস্টবিন। শিশুদের খেলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

    কর্মসংস্থানের লক্ষে সেলাই প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা। ফ্রি কোচিং এর ব্যবস্থা করা। গরীব অসহায়দের ঘর নির্মাণ,সাকো, কালভার্ট,নৌকা ইত্যাদির ব্যবস্থা, খাদ্য সহায়তা করার ব্যবস্থা, লাইব্রেরী ও বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র, গ্রামকে শতভাগ শিক্ষিত করা।

    ইকবাল হোসেনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা একটি প্রত্যন্ত গ্রামে হলেও, তার চিন্তা ও কর্মে ফুটে উঠেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। তিনি সুদূর কানাডায় বসেও নিজের গ্রামকে আদর্শ গ্রামে রূপ দিয়েছেন।

    ইতিমধ্যে তিনি তার ছোট ভাই মো. সাখাওয়াত হোসেন এর সার্বিক সহযোগিতায় রাজনপুর আদর্শ গ্রামের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শেষ করেছেন।

    রাজনপুর গ্রামের হবিবুর রহমান বলেন, ইকবাল হোসেন আমাকে বসবাসের জন্য একটি ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। আমার মতো বহু মানুষকে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিছে। আমি তার সুন্দর জীবন কামনা করি।

    সাংবাদিক আলাউদ্দিন বলেন, কানাডা প্রবাসী রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন একজন পরোপকারী মানুষ। করোনা, বন্যায় হাজার হাজার মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা ও ঘরবাড়ি বানিয়ে দিয়েছেন।

    আদর্শ গ্রাম নিয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে ইকবাল হোসেন বলেন, “আমি চাই এমন একটি গ্রাম গড়ে তুলতে, যেখানে মানুষ হবে স্বাবলম্বী, শিক্ষিত ও নৈতিকতাসম্পন্ন। শুধু আমার বাড়ী বাগান বাড়ি নয়, আমার পুরো গ্রামই হবে আলোকিত। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই আমার মূল লক্ষ্য।”

    দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ বলেন, আসা যাওয়ার সময় দেখা রাজনপুর একটি দৃষ্টিনন্দন গ্রাম।

    স্থানীয়দের ধারনা ইকবাল হোসেনের স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া। একদিন রাজনপুর নয়, এই আদর্শ গ্রামের মধ্য দিয়ে সারা উপজেলার দৃষ্টি পরিবর্তন হবে।

  • দীর্ঘ দেড় যুগ পরে তারেক রহমান ঐতিহাসিক ভাবে দেশের মাটিতে পা রেখেছেন

    দীর্ঘ দেড় যুগ পরে তারেক রহমান ঐতিহাসিক ভাবে দেশের মাটিতে পা রেখেছেন

    হেলাল শেখঃ দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঐতিহাসিক ভাবে মাতৃভূমির মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে এসেছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।

    তাদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর ২০২৫) বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা। এ সময় ছিলেন তারেক রহমানের পরিবারের সদস্যরাও।

    বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান সরাসরি রাজধানীর কুড়িল সংলগ্ন পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন।

    সংবর্ধনা শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে গুলশান-২ এর ১৯৬ নম্বর বাড়িতে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

    বিতর্কিত ‘ওয়ান-ইলেভেন’ সরকারের সময় গ্রেফতার করা হয় তারেক রহমানকে। পরে ২০০৮ সালে কারামুক্ত হয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তিনি। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান একাধিকবার দেশে এলেও তারেক রহমানের ফেরা হয়নি।

    আজকের এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তার দীর্ঘ নির্বাসনের অধ্যায়ের অবসান ঘটলো।

  • গোপালগঞ্জের কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে বড়দিন পালিত

    গোপালগঞ্জের কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে বড়দিন পালিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আনন্দ মুখর পরিবেশে গোপালগঞ্জে খ্রিস্টান ধর্মলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব “বড়দিন” পালিত হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন চার্চে প্রার্থনার মধ্যদিয়ে শুরু হয় বড়দিন। এই দিনটিকে ঘিরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে প্রার্থনা, আলোচনা সভা’সহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বড়দিন পালন করা হয়।

    এই ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট ২৫ ডিসেম্বর বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে ‘শুভ বড়দিন’ হিসেবে উদযাপন করে থাকেন। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারের মাধ্যমে মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই প্রভু যিশুর পৃথিবীতে আগমন ঘটেছিলো।

    এ সময় কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের পালক রেভারেন্ড পংকজ মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের সহ-সভাপতি মিস্টার উইলিয়াম ঢালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার দেবনাথ, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির, মুকসুদপুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, আঞ্চলিক ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের সহ-সভাপতি জেমস হেবল বাড়ৈ, চার্জের কোষাধাক্ষ অশোক বৈরাগী, পরিচালক মার্ক সিকদার,কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে সম্পাদক জ্যাকব বৈদ্য সহ সম্পাদক ও জলিলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইলিয়াকিম কুন্দার, চার্চ সেবক কমিটির সভাপতি মোহনলাল বৈরাগী, কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের সাবেক পালক প্রমঞ্জন বালা সহ এলাকার খ্রিস্টান ধর্মালম্বী শিশু যুবক, বৃদ্ধসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার নবাগত (UNO) এর সঙ্গে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার নবাগত (UNO) এর সঙ্গে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি:

    নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান খাঁন, উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    তিনি বলেন নলডাঙ্গার উন্নয়ন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি দ্বায়িত্ব পালন করবেন। সবার সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবা-মুখী, স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি হাসিব উদ্দিন, সহ-সভাপতি সত্যেন কুমার দাস,
    সাধারন সম্পাদক এ,কে,এম,খোরশেদ আলম এলটু, যুগ্ন-সম্পাদক ইফতেকারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, অর্থ-সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ রবিন, দপ্তর সম্পাদক মজনুর রহমান এবং নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সদস্য মধু প্রাং প্রমুখ।

  • নলডাঙ্গায় ইউশা ডেন্টাল কেয়ারের শুভ উদ্বোধন

    নলডাঙ্গায় ইউশা ডেন্টাল কেয়ারের শুভ উদ্বোধন

    এ,কে,এম, খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি :

    নাটোরের নলডাঙ্গায় আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসা সেবার লক্ষ্যে ইউশা ডেন্টাল কেয়ার–এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নলডাঙ্গা পৌর বাজারস্থ ডাঃ ইয়াছিন আলী সুপার মার্কেটের ২য় তলায় ফিতা কেটে ইউশা ডেন্টাল কেয়ারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

    ডেন্টাল কেয়ারে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন ডাঃ রবিউল ইসলাম (বিডিএস), বিসিএস (স্বাস্থ্য), যিনি বর্তমানে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ডেন্টাল সার্জন হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি জানান, প্রতি শুক্রবার তিনি ইউশা ডেন্টাল কেয়ারে নিয়মিত রোগী দেখবেন।

    এছাড়াও প্রতিষ্ঠানে একজন ডিপ্লোমা চিকিৎসক নিয়মিতভাবে ডেন্টাল চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি হাসিব উদ্দিন, সহ-সভাপতি সত্যেন কুমার দাস,
    সাধারন সম্পাদক এ,কে,এম,খোরশেদ আলম এলটু, যুগ্ন-সম্পাদক ইফতেকারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, অর্থ-সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ রবিন, দপ্তর সম্পাদক মজনুর রহমান এবং নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সদস্য মধু প্রাং প্রমুখ।

  • সলঙ্গার রাস্তায় রাস্তায় শীতের পিঠা

    সলঙ্গার রাস্তায় রাস্তায় শীতের পিঠা

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    চলছে পৌষ মাস।শুরু হয়েছে প্রচন্ড শীত।হাড় কাঁপানো উত্তরের হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।তাই তো সলঙ্গা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থান,রাস্তার মোড়,অলিতে-গলিতে দেখা মিলছে মৌসুমী পিঠা বিক্রেতাদের।পিঠাপ্রেমী,কর্মজীবিরা কিনে খাচ্ছেন ভাপা আর চিতই পিঠা।আবার কেউ কেউ প্রিয়জনদের জন্য কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন।প্রতি বছরের চেয়ে এবারে পিঠার দাম একটু বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।আগের মত ৫ টাকার কোন পিঠা আর পাওয়া যায় না।বিক্রেতারা বলছেন,সব কিছুর দাম এখন বেড়েই চলেছে।তাই ১০ টাকার নিচে এখন আর বিক্রির সুযোগ নাই।সিরাজগঞ্জ রোড সিদ্দিকিয়া মার্কেটের সামনে কথা হয় পিঠা বিক্রেতা বিধবা জরিনার সাথে।সে জানায়,প্রতিবছর শীতের সময় আমি এখানে পিঠা বিক্রি করে থাকি।খরচ বাদে যা লাভ হয় তা দিয়েই আমি খুশি।সিআরবিসি রেব অফিসের সামনে পিঠা বিক্রেতা রাজিয়া জানায়,প্রতিদিন ৫/৭ কেজি গুড়ার পিঠা বিক্রি করছি।শীত বাড়লে আরও বেশি গুড়ার পিঠা বিক্রি করতে পারবো।সলঙ্গা থানা সদর ডিম হাটা যেতেই দেখা মেলে আরেকটি পিঠার দোকানী।সে বলে,শীতের সময়ে বিকেল হতে গভীর রাত পর্যন্ত সিদ্ধ ডিম বিক্রি করি আর প্রতিদিন ভোরে ভাপা পিঠা বিক্রি করে সংসার চালাই।সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজ চৌরাস্তা মোড়ে অস্থায়ী পিঠা বিক্রেতা রেজাউল করিম জানায়,শীতের সময় প্রতি বছরই আমি এখানে পিঠা বিক্রি করে থাকি।ভাপা পিঠা,চিতই,ঝাল চিতই,কুসুল্লী পিঠা,তেলের পিঠার কদর এখানে বেশি।আমার এখানে চিতই পিঠার সাথে মরিচ ভর্তা,শুটকি ভর্তা,ধনিয়া পাতা,সরিষা বাটাসহ ৬/৭ ধরনের ভর্তা ফ্রি দিয়ে থাকি।মজা করে পিঠা খেতে খেতে কথা হয় জাহিদ,তুষার,রাজু নামের ক্রেতাদের সাথে।তারা জানায়,শীতের সন্ধ্যায় বন্ধুদের নিয়ে একসাথে বসে পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা।তাই তো সবাই বসে বসে মজা করে শীতের পিঠা খাচ্ছি।শীত এলে সলঙ্গা থানা সদরসহ থানার বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থান,হাট-বাজার ও রাস্তার মোড়ে ভাপা পিঠার দোকান ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।