Category: দেশজুড়ে

  • শীত ও কুয়াশার মধ্যেও গভীর রাতে আশুলিয়ায় “জামগড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫” অনুষ্ঠিত

    শীত ও কুয়াশার মধ্যেও গভীর রাতে আশুলিয়ায় “জামগড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫” অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ শীত ও কুয়াশার মধ্যেও গভীর রাতে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ায় অনুষ্ঠিত হলো “জামগড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৫ইং”।

    শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) রাত সাড়ে ৯টায় জামগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলা শুরু হয়। উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও আশুলিয়া থানা তাঁতি দলের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব বকুল ভুঁইয়া।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আনোয়ার হোসেন।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় ওরফে (হেলাল শেখ), সাংবাদিক সাগর, এছাড়াও মোঃ আফছার ও বাবু’সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন শেখ রাহাত, আল-আমিন ও নাঈম সাফওয়ান। খেলার শুরুতে উপস্থিত দর্শকদের বিনোদনের জন্য নাচ ও গানের আয়োজন করা হয়।

    ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় ফ্রেন্ডস স্কোয়াড বনাম জামগড়া কিংস। উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় জামগড়া কিংসকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে ফ্রেন্ডস স্কোয়াড দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

    রাত ১ টার দিকে (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) তারিখে খেলা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন এবং খেলায় অংশগ্রহণকারী দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে অতিথিরা বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন যুব সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে, তাই প্রতিটি এলাকায় এরকম বিভিন্ন খেলার আয়োজন করা দরকার।

  • কয়রা- পাইকগাছা জাপার মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এর প্রচা-রণা শুরু

    কয়রা- পাইকগাছা জাপার মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এর প্রচা-রণা শুরু

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

    খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) নির্বাচনী এলাকায় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় জাপার সদস্য, জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর জুম্মা নামাজ আদায় করে পিতা পাইকগাছা সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব এস এম আলী আকবর ও দাদা, দাদীর কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে প্রচার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

    ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার তার জন্মভূমি পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের ঘোষাল গ্রামে ঘোষাল জামে মসজিদে জুম্মা নামাজ পূর্বে মসজিদে চাচা, ভাই, আত্মীয় স্বজন ও গ্রামবাসীদের কাছে দোয়া চেয়ে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে গদাইপুরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে সোলাদানা ইউনিয়নে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি প্রয়াত প্রফুল্ল সরদারের ছোট ছেলে পৌরসভার সাবেক কমিশনার পরিতোষ কুমার সরদার পরলোক গমন করায় তার বাড়ীতে যেয়ে তার পরিবার পরিজনের সাথে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাপার আহবায়ক আলহাজ্ব গাজী শহিদুল ইসলাম খোকন, জেলা জাপার যুগ্ম-সম্পাদক ও উপজেলা সদস্য সচিব সামছুল হুদা খোকন, জেলা জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আব্দুস সামাদ, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আব্দুল আজিজ, পৌর জাপার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মুজিবর রহমান, পৌর যুবসংহতির সভাপতি শেখ মাসুদুর রহমান, জাপানেতা আব্দুর রহিম, দেবাশীষ সানা, মোঃ ফিরোজ খান ও এবাদুল সরদার।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা

  • নেছারাবাদে দিনমজুরের বসতঘরে অ-গ্নিকাণ্ড, লক্ষাধিক টাকার ক্ষ-য়ক্ষতি

    নেছারাবাদে দিনমজুরের বসতঘরে অ-গ্নিকাণ্ড, লক্ষাধিক টাকার ক্ষ-য়ক্ষতি

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,(পিরোজপুর) প্রতিনিধি;

    নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে দিনমজুরের বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
    ক্ষতিগ্রস্ত মিন্টু মিয়া পেশায় একজন দিনমজুর। তিনি আলহাজ্ব মো. জাকির হোসেনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে ফ্রিজের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরের আসবাবপত্র, ব্যবহার্য সামগ্রী ও ঘরের বেড়া আংশিক পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে মিন্টু মিয়া চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে সতর্ক করেন এবং ছেলের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    এ ঘটনায় মিন্টু মিয়ার আনুমানিক ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান।
    নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. মনির হোসেন বলেন, “সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করি। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।” অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর।

  • চাঁদা প্র-ত্যাখান করায় স-ন্ত্রাস তা-ন্ডবে আহত সহিদ হাসপাতালে

    চাঁদা প্র-ত্যাখান করায় স-ন্ত্রাস তা-ন্ডবে আহত সহিদ হাসপাতালে

    মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন | কুমিল্লা
    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন হায়দরাবাদ গ্রামে জমিতে মাটি ভরাটকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির জেরে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী হামলা, মারধর ও নগদ অর্থ ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং হত্যার পর লাশ গুম করার ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    ঘটনার শিকার মৃত জব্বর মিয়ার ছেলে সহিদ মিয়া (৪২), হায়দরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা, এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হায়দরাবাদ সামছুল হক কলেজের দক্ষিণ পাশে হারুন মিয়ার বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
    সহিদ মিয়ার খালাতো ভাই আলমগীর হোসেন মনির তার ক্রয়কৃত জমিতে মাটি ভরাটের উদ্দেশ্যে শ্রমিকসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় একই গ্রামের হারুন মিয়া, ময়নাল, হান্নান, দেলোয়ার, রুবেল ও আবু কালামসহ আরও ৪–৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সেখানে এসে কাজ চালিয়ে নিতে হলে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
    চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হান্নান মিয়ার হাতে থাকা ধারালো ছেনি দিয়ে আলমগীর হোসেনের মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আত্মরক্ষার সময় তিনি মাটিতে পড়ে গেলে ওই কোপ ভুক্তভোগী মো. বাবুর পায়ে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সময় ময়নালের হাতে থাকা লোহার রড এবং অন্য বিবাদীদের হাতে থাকা বাঁশ ও কাঠ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার একপর্যায়ে বিবাদীরা মো. বাবুর পকেট থেকে ড্রেজার মেশিনে মাটি কাটার কাজে ব্যবহারের জন্য রাখা নগদ ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। যাওয়ার সময় তারা ভবিষ্যতে চাঁদা না দিলে হত্যা এবং এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার হুমকি দেয়।
    পরে আহতদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাজনিত ব্যস্ততার কারণে অভিযোগ দায়েরে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদী সহিদ মিয়া।
    ভুক্তভোগীদের দাবি, ঘটনাস্থলের আশপাশের বাজার এলাকায় স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করলে পুরো ঘটনার দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া যাবে, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত হারুন মিয়ার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় জানতে পেরেই চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগালি, কটু মন্তব্য করেন এবং একপর্যায়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। ঘটনার বিষয়ে কোনো সদুত্তর না দিয়ে সাংবাদিকের প্রতি এমন আগ্রাসী আচরণ পেশাদার সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের প্রতি চরম অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
    এ প্রসঙ্গে বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাদের বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়বস্তু গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মায়ানমারে পাচারের সময় ১,৫০০ পিস মশারী ও ১০৮টি নৌকার প্রপেলার জ-ব্দ এবং ৫ জন আ-টক

    মায়ানমারে পাচারের সময় ১,৫০০ পিস মশারী ও ১০৮টি নৌকার প্রপেলার জ-ব্দ এবং ৫ জন আ-টক

    বান্দরবান থানচি প্রতিনিধি :মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানের থানচি উপজেলা  বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ থানচি বাজার পোস্টের বিপরীত পাশে অবস্থিত জিনয়ং পাড়া এলাকায় একটি ট্রাক থেকে সাদা বস্তাবন্দী মালামাল সীমান্ত দিয়ে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে  দুটি নৌকায় তোলা হচ্ছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৩৮ বিজিবি কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সকল নৌ চেকপোস্টকে তৎপরতা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করে।
    পরবর্তীতে আনুমানিক ১৫:৩০ ঘটিকায় বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের টেন্ডমুখ নৌ চেকপোস্টে সন্দেহভাজন নৌকা দুটিকে থামিয়ে তল্লাশি করা হলে ১৯টি বস্তায় মোট ১,৫০০ পিস মশারী এবং ১টি বস্তায় ১০৮টি নৌকার প্রপেলার ও চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা জব্দ করা হয়। এ সময় নৌকায় থাকা ০৫ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান যে, উদ্ধারকৃত মালামাল মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে বিজিবি কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ০৫ জন আসামী ও জব্দকৃত মালামাল থানচি থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।
    বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ পাচার রোধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাদের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে।

  • শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের  সঙ্গে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর কমান্ডারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের  সঙ্গে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর কমান্ডারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    বান্দরবান থানচি প্রতিনিধি : মথি ত্রিপুরা।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি বহু জাতি-গোষ্ঠী ও বহু ধর্মের মানুষের আবাসভূমি। এই অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার, বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত শান্তিরাজ মিশন, থানচি-তে শুভ বড়দিন–২০২৫ উপলক্ষ্যে এক আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল, বিএসপি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন। তিনি বড়দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, যিশু খ্রিস্টের শিক্ষা মানবপ্রেম, ত্যাগ ও শান্তির প্রতীক, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    অনুষ্ঠানে সেক্টর কমান্ডার মহোদয় শান্তিরাজ মিশন চার্চসহ পার্শ্ববর্তী চার্চসমূহের জন্য শুভেচ্ছা উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এতে স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি) কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অন্যান্য খ্রিস্টান উপাসনালয়সমূহেও শুভ বড়দিন উপলক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
    পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী ও ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবির নিয়মিত মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সেক্টর কমান্ডার বান্দরবান তাঁর বক্তব্যে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং বলেন, বিজিবি ভবিষ্যতেও পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় মানবিক ও পেশাদার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
    উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি)-এর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বিপিএমএস (পদাতিক), জোনের অন্যান্য অফিসারবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ। সার্বিকভাবে, এই শুভেচ্ছা বিনিময় ও সহায়তা কার্যক্রম পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য ও পারস্পরিক বিশ্বাস সুদৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সকলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  • চিকিৎসার অ-ভাবে চোখের বাম পাশে  বি-রল টিউমার, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন রিকশাচালক মোতালেব

    চিকিৎসার অ-ভাবে চোখের বাম পাশে বি-রল টিউমার, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন রিকশাচালক মোতালেব

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

    চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মোতালেব পেশায় একজন রিকশাচালক। শৈশবকাল থেকে তার চোখের বাম পাশে একটি টিউমার নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিউমারটি ভয়াবহ আকার ধারণ করে ডান চোখটি প্রায় সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলেছে।

    গত ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টার দিকে কাজীর দেউরি এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক মিঠুন সাহার নজরে পড়েন মোতালেব । স্বউদ্যোগে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানতে চাইলে তিনি নিজের জীবনের এই করুণ বাস্তবতার কথা জানান।

    আবদুল মোতালেব জানান, ছোটবেলায় টিউমারটি ধরা পড়লেও পরিবারের চরম আর্থিক অনটনের কারণে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিউমারটি বড় হলেও টাকার অভাবে কোনো উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেননি তিনি।

    বর্তমানে শারীরিক কষ্ট, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা ও সামাজিক অবহেলার মাঝেও জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন রিকশা চালাতে বাধ্য হচ্ছেন শাহাদাত। তার এই অবস্থা যে কোনো মানবিক হৃদয়কে নাড়া দেয়।

    চিকিৎসকদের মতে, সঠিক চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এখনো তার অবস্থার উন্নতি সম্ভব হতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা তার পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব।

    এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেছেন শাহাদাত ও তার পরিবার, যাতে তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

  • বগুড়া শাজাহানপুরে জেএসডি নেতা মামুনের মায়ের ই-ন্তেকাল

    বগুড়া শাজাহানপুরে জেএসডি নেতা মামুনের মায়ের ই-ন্তেকাল

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া বাজার এলাকার রহিমাবাদ গ্রামের কৃতি সন্তান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশীদ মামুনের মমতাময়ী মা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।
    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ৯ ডিসেম্বর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর বাড়িতেই তার চিকিৎসা চলছিল। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৩টায় তিনি নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় রহিমাবাদ গ্রামে তার নিজ বাড়িতে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
    তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • স্বরূপকাঠিতে পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর গ্রে-ফতার

    স্বরূপকাঠিতে পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর গ্রে-ফতার

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর।।

    স্বরূপকাঠি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিঠুন আর্চায্য অনুজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
    পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    গ্রেফতারকৃত মিঠুন আর্চায্য অনুজ স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর এবং স্বরূপকাঠি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি স্বরূপকাঠি পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে।
    থানা সূত্রে জানা গেছে, কিছু দিন যাবত তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদি হাসান জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,
    মোঃ আনোয়ার হোসেন।

  • রাজনপুর আদর্শ গ্রাম তৈরি করে এলাকাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন

    রাজনপুর আদর্শ গ্রাম তৈরি করে এলাকাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন

    হারুন অর রশিদ দোয়ারাবাজার থেকেঃ
    সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর একজন তরুণ সমাজকর্মী ও সংগঠক সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের রাজনপুর গ্রামের ক্লিন ভিলেজ গ্রীণ ভিলেজ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কানাডা প্রবাসী রোটারিয়ান মো. ইকবাল হোসেন। তিনি ইতিমধ্যে তার মরহুম বাবার নামে “আবুল হোসেন ফাউন্ডেশন” গঠন করেছেন যা মুলত শিক্ষা, স্বাস্থ্য,সমাজ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবে।

    গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও একটি আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রযুক্তি ও নৈতিকতা—এই পাঁচটি স্তম্ভকে ভিত্তি করে তিনি গড়ে তুলতে চান একটি টেকসই ও মানবিক সমাজ।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর ) সরেজমিনে রাজনপুর গ্রামে উপস্থিত হয়ে দেখা যায় কানাডা প্রবাসী রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন এর নিজস্ব অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় রাজনপুর আদর্শ গ্রামের কাজ শেষের পথে।
    আদর্শ গ্রামে যা নির্মান করা হয়েছে, গ্রামের প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে প্রতিটা বাড়ির ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন। পরিষ্কার পরিছন্ন রাস্তাঘাট, নবীন প্রবীণদের বসার স্থান। যাত্রী ছাউনি, বাথরুম, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ওয়াশরুম। প্রতি বাড়ীর সামনে ডাস্টবিন। শিশুদের খেলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

    কর্মসংস্থানের লক্ষে সেলাই প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা। ফ্রি কোচিং এর ব্যবস্থা করা। গরীব অসহায়দের ঘর নির্মাণ,সাকো, কালভার্ট,নৌকা ইত্যাদির ব্যবস্থা, খাদ্য সহায়তা করার ব্যবস্থা, লাইব্রেরী ও বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র, গ্রামকে শতভাগ শিক্ষিত করা।

    ইকবাল হোসেনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা একটি প্রত্যন্ত গ্রামে হলেও, তার চিন্তা ও কর্মে ফুটে উঠেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। তিনি সুদূর কানাডায় বসেও নিজের গ্রামকে আদর্শ গ্রামে রূপ দিয়েছেন।

    ইতিমধ্যে তিনি তার ছোট ভাই মো. সাখাওয়াত হোসেন এর সার্বিক সহযোগিতায় রাজনপুর আদর্শ গ্রামের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শেষ করেছেন।

    রাজনপুর গ্রামের হবিবুর রহমান বলেন, ইকবাল হোসেন আমাকে বসবাসের জন্য একটি ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। আমার মতো বহু মানুষকে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিছে। আমি তার সুন্দর জীবন কামনা করি।

    সাংবাদিক আলাউদ্দিন বলেন, কানাডা প্রবাসী রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন একজন পরোপকারী মানুষ। করোনা, বন্যায় হাজার হাজার মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা ও ঘরবাড়ি বানিয়ে দিয়েছেন।

    আদর্শ গ্রাম নিয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে ইকবাল হোসেন বলেন, “আমি চাই এমন একটি গ্রাম গড়ে তুলতে, যেখানে মানুষ হবে স্বাবলম্বী, শিক্ষিত ও নৈতিকতাসম্পন্ন। শুধু আমার বাড়ী বাগান বাড়ি নয়, আমার পুরো গ্রামই হবে আলোকিত। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই আমার মূল লক্ষ্য।”

    দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ বলেন, আসা যাওয়ার সময় দেখা রাজনপুর একটি দৃষ্টিনন্দন গ্রাম।

    স্থানীয়দের ধারনা ইকবাল হোসেনের স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া। একদিন রাজনপুর নয়, এই আদর্শ গ্রামের মধ্য দিয়ে সারা উপজেলার দৃষ্টি পরিবর্তন হবে।