Category: দেশজুড়ে

  • উজিরপুরে বিএনপির নেতা গিয়াস বালীর ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক

    উজিরপুরে বিএনপির নেতা গিয়াস বালীর ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম,উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ গিয়াস উদ্দিন বালী ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    ১৫ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুর তিন টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যু কালে স্ত্রী দুই মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।তার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক মহল শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
    ১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ১০ টায় মরহুমের জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়েছে। তার মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উজিরপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু, বরিশাল জেলা বিএনপির আহবায়ক সাবেক এমপি আবুল হোসেন খান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড: মো: আবুল কালাম শাহিন,উজিরপুর উপজেলা বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক এস এম আলাউদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ হুমায়ুন খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল পৌর বিএনপির আহবায়ক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান টুলু, উজিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বাদল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সরদার সিদ্দিকুর রহমান, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও পৌর যুব দলের আহবায়ক শাহাবুদ্দিন আকন সাবু, কেন্দ্রীয় সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল আলম জুলফিকার ,উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আঃ রহিম সরদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান মাসুম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

  • নাগেশ্বরীর শিয়ালকান্দায় শালিসে জরিমানার টাকা ভাগাভাগি

    নাগেশ্বরীর শিয়ালকান্দায় শালিসে জরিমানার টাকা ভাগাভাগি

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরীর শিয়ালকান্দায় এক তালাকপ্রাপ্ত নারীর ঘরে কাঠ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম কে আটকের পর স্থানীয় আব্দুল জলিল ও নুরুল ইসলাম (নুরু) মাস্টারের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকে তালাকপ্রাপ্ত নারীর ঘরে থাকার অপরাধের শাস্তি হিসেবে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হলেও ওই টাকার মধ্যে ৩০হাজার টাকা তালাকপ্রাপ্ত পরিবারকে দিয়ে অবশিষ্ট টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সালিশকারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

    জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের শিয়ালকান্দা (হুরমুজটারী) গ্রামের আসাদ আলীর তালাকপ্রাপ্ত কন্যা আলমিনা খাতুনের সাথে কুটি নাওডাঙ্গা (আমিরটারী) গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী শাহাদত আলীর দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ সম্পর্ক চলে আসছিল। গত (১৩সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় আলমিনা খাতুনের ঘরে শাহাদত আলী কে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা শাহাদত কে আটক করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সন্তোষপুর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল ও ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আলী এবং রামখানা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম (নুরু মাস্টার)’র নেতৃত্বে স্থানীয়রাসহ ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম, মোস্তফা মেম্বার বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ভুক্তভোগীর বাড়িতে সালিশ বৈঠকে আলমিনার ঘরে থাকার অপরাধের শাস্তি হিসেবে শাহাদত আলীর ৬৭হাজার টাকা জরিমানা করে। সালিশ বৈঠকের জরিমানার টাকা নুরুল ইসলাম (নুরু মাস্টার) কে দেয়া হয়। এদিকে জরিমানার ৬৭হাজার টাকার মধ্যে ৩০হাজার টাকা আলমিনার মা গোলাপীর বেগম কে দেয় এবং অবশিষ্ট জরিমানার ৩৭হাজার টাকা আব্দুল জলিল এবং রামখানা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম (নুরু মাস্টার) ও তার লোকজন ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে উল্টো আলমিনার পরিবারকে চুপ থাকতে ভয়ভীতি দেখান।

    সালিশ বৈঠকের আয়োজক আব্দুল জলিলের মুঠোফোনে কথা হলে সালিশ বৈঠকের কথা স্বীকার করে বলেন, জরিমানার টাকা নুরুল ইসলাম (নুরু মাস্টার) ভুক্তভোগীর পরিবার কে দিয়েছেন তো। এ বিষয়ে নুরু মাস্টারের সাথে কথা বলেন। সৈয়দ আলীর ‘মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, শালিস বৈঠক হয়েছে তবে নুরু মাস্টার ভুক্তভোগী পরিবার কে সব টাকা দেয়ার কথা। নুরুল ইসলাম (নুরু মাস্টার)র ‘মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জরিমানার টাকা আলমিনার মা গোলাপী বেগম কে দেয়া হয়েছে।

    স্থানীয়রা বলেন, সালিশ বৈঠকে শাহাদত আলীর ৬৭হাজার টাকা জরিমানা করা হলেও আলমিনার মা গোলাপীর বেগম কে ৩০হাজার টাকা দেয়ার কথা জানি। বাকী টাকা নুরু মাস্টারের নেতৃত্বে আব্দুল জলিল, সৈয়দ আলী ও তার লোকজন ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।

    আলমিনা খাতুনের মা গোলাপী বেগমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে ঘটনা স্বীকার করে বলেন, নুরু মাস্টার এখনও জরিমানার টাকা আমাকে দেয় নাই। রিপোর্টার এর পরিচয় পাওয়ার পরে তিনি বলেন, নুরু মাস্টার আমাকে ৩০হাজার টাকা দিয়েছেন।

    নাগেশ্বরী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এ ধরণের কাজে লিপ্ত হওয়া বিধিবহির্ভূত। তদন্ত সাপেক্ষে রামখানা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হচ্ছে

    সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হচ্ছে

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়াসহ যেসকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও হত্যা মামলা অন্তর্বর্তী করা হয়েছে তা সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন।
    সাংবাদিকদের নামে এভাবে হত্যা মামলা দেওয়ার প্রবণতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করছে বলে মনে করেন সম্পাদক পরিষদ। গত শনিবার ১৪/০৯/২০২৪ইং এক বিবৃতিতে সম্পাদক পরিষদ এ কথা জানায়। এ ব্যাপারে দেশের শীর্ষ পত্রিকা প্রথম আলোসহ একাধিক সংবাদপত্রে এই বিবৃতি প্রকাশ হয়।
    উক্ত বিবৃতিতে বলা হয়, ঢালাও অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার ঘটনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সম্পাদক পরিষদ দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চায়, এ ধরণের মামলা প্রচলিত আইনের অপব্যবহারের শামিল। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিশ্রুতিরও লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
    বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সাংবাদিকেরা কোনো অপরাধ করে থাকলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ধারা অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সম্পাদক পরিষদ আরো জোর দিয়ে বলতে চায় যে, পেশাদারত্ব বাদ দিয়ে নীতিবিবর্জিত ও লেজুড়বৃত্তির সাংবাদিকতা বর্জনীয়। বিশেষ করে যে, সাংবাদিকেরা বিগত সময়ের সরকারের নানা নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাংবাদিকতার নামে অপপ্রচার বা এমন সমর্থন দিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রেস কাউন্সিলে একটি কমিটি গঠন করে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অনুসন্ধান হতে পারে। বিগত সরকারের সময়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ), সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ (সিএসএ) নিবর্তনমূলক বিভিন্ন আইন ও হয়রানিমূলক আটক-গ্রেফতারের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কন্ঠরোধের যে প্রয়াস চালানো হয়েছিলো, তা বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অত্যন্ত নিন্দিত ও সমালোচিত হয়েছিলো। আর বর্তমানে সাংবাদিকদের নামে এভাবে ক্রামাগত হত্যা মামলা দেওয়ার প্রবণতাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করছে বলে সম্পাদক পরিষদ মনে করে। এ অবস্থায় যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে এসব মামলা থেকে তাঁদেরকে অব্যাহতি দেওয়ার আহ্বান জানায় সম্পাদক পরিষদ।
    উক্ত বিষয়ে দৈনিক চৌকস পত্রিকার সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র চেয়ারম্যান এস এম নজরুল ইসলাম বলেন, রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়ায় আন্দোলনে ছাত্র-জনতা ও পুলিশকে হত্যা এবং সরকারি অস্ত্রসহ মালামাল লুটের ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক, যেসকল এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সেইসব এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে এবং সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। তবে হত্যা মামলায় যে সকল সাংবাদিকদেরকে আসামী করা হয়েছে তারা যদি জড়িত না থাকেন তবে তাঁদেরকে হয়রানি না করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। ১৯৭১ সালের পর ২০২৪ সালে আবারও গণহত্যার মত ঘটনা বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। আমাদের যেসকল সাংবাদিক হত্যার সাথে জড়িত না, তাদেরকে কেন হত্যা মামলায় আসামী করে সম্মানহানী ও হয়রানি করা হচ্ছে? আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিকরা কোনো চোর, ডাকাত নয়, তাদেরকে যেন অসম্মান না হয় সেদিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।

  • সুজানগরে তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ যুবলীগ নেতার

    সুজানগরে তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ যুবলীগ নেতার

    এম এ আলিম রিপনঃ গত তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ফিরোজের। তার সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন পরিবার। নিখোঁজ রফিকুল ইসলাম ফিরোজ (৫২) পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি। এ ঘটনায় নিখোঁজ রফিকুল ইসলাম ফিরোজের মামা আব্দুল লতিফ শেখ আতাইকুলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।সাধারণ ডায়েরিতে আব্দুল লতিফ শেখ জানান, গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাড়ি থেকে বের হন রফিকুল ইসলাম ফিরোজ। দুপুর দেড়টার দিকে আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া হাটে গরু কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। নিখোঁজ রফিকুল ইসলাম ফিরোজের বাবা আবুল হোসেন বলেন, ‘আমার ছেলে কী অবস্থায় আছে কোনো খবর পাচ্ছি না। কেউ অপহরণ করেছে কি না, তা-ও বুঝতে পারছি না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমার ছেলেকে দ্রুত আমার কাছে ফিরিয়ে দিন। আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান রবিবার যুগান্তরকে জানান, মোবাইল ডাটা সংগ্রহ করে তাকে দ্রুত খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • কোটচাঁদপুরে জামায়াত নেতা হ*ত্যা মামলায় দুই সাবেক  সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপারসহ ১৯ জন আসামী

    কোটচাঁদপুরে জামায়াত নেতা হ*ত্যা মামলায় দুই সাবেক সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপারসহ ১৯ জন আসামী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা এনামুল হক হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। রোববার দুপুরে কোটচাঁদপুর আমলী আদালতে ঝিনাইদহের চাকরীচ্যুত সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন নিহত’র ভাই বিএম তারিকুজ্জামান। এই নিয়ে সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহের বিভিন্ন আদালতে ৫টি হত্যা মামলা দায়ের হলো। মামলায় ঝিনাইদহ-৩ আসনে আ’লীগ দলীয় সাবেক দুই সংসদ সদস্য নবী নেওয়াজ ও শফিকুল আজম খান চঞ্চলসহ ১৪ জন নেতাকর্মী এবং কোটচাঁদপুরের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই সৈয়দ আলী ও কনস্টেবল সমির কুমারসহ মোট ১৯জনকে আসামী করা হয়েছে। বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার ভাই কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের অর্থ সম্পাদক এনামুল হককে ২০১৪ সালের পহেলা জানুয়ারী কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের মধ্য থেকে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলামের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফিরছিলেন। অপহরণের একদিন পর ২৬ জানুয়ারী কোটচাঁদপুর শহরের নওদাপাড়া গ্রামে এনামুল হকের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। ওই সময় পুলিশ দাবী করে যৌথ বাহিনীর অভিযানে এনামুল নিহত হন। বাদীর অভিযোগটি গ্রহন করে বিজ্ঞ আদালত কোটচাঁদপুর থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ্যাডভোকেট রুস্তম আলী আদালতে বাদীর পক্ষে অভিযোগটি দায়ের করেন। এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ওসি মোঃ সৈয়দ আল মামুন রোববার বিকালে জানান, আদালতের আদেশ এখনো থানায় পৌছায়নি। হাতে পেলে নির্দেশনা মোতাবেক মামলা রেকর্ড করা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • তানোরে টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    তানোরে টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে গত দু’দিনের ঝড়ো হাওয়া, গুড়ি গুড়ি ও ভারী বৃষ্টিতে কাঁচা ঘরবাড়ী, গাছপালা রাস্তা-ঘাট, সবজি খেতসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর শনি ও রোববার গুড়ি গুড়ি ও মাঝে মাঝে ভারী বৃষ্টির কারণে সুর্যের মুখ দেখা যায়নি, প্রয়োজনীয় কাজ ব্যতীত ঘর থেকে বের হননি সাধারণ মানুষ।গত
    ১৫ সেপ্টেম্বর রোববার উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ছাঐড়, নেজামপুর, বাতাসপুর ও দমদমা, তানোর পৌরসভার তাঁতিয়ারপাড়া, গোকুলমথুরা,ধানতৈড়, কালীগঞ্জ,
    মাসিন্দা হালদারপাড়া, চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের (ইউপি) বেড়লপাড়া, দাড়দহসহ বিভিন্ন এলাকা সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় পটলখেতের বান ভেঙ্গে পড়েছে, রাস্তার পার্শ্বের গাছ উপড়ে পড়েছে, শীতকালের আগাম সবজি খেতে পানি বেঁধে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে শীতকালীন ফুলকপি, বাঁধাকপি, সিম,লাউ, মরিচসহ আগাম শাকসবজি র ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে প্রতিটির জমিতে পানি বেঁধে যাওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় গাছগুলো প্রায় মরতে বসেছে। এতে ধরাশায়ী হয়েছেন ওই এলাকার সবজি চাষীরা। কৃষক হিরন ইসলাম বলেন, এক বিঘা জমিতে আগাম ঢেমনা পেয়াজ রোপনের জন্য জমি তৈরী করেছিলাম এবং ৫ কাঠা জমিতে রোপন করেছি, গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে তৈরীকৃত জমি নষ্ট হয়েগেছে, এইজমিতে আগামী ১৫ দিনেও পেয়াজ রোপনের উপযোগী হবে না, আর রোপনকৃত পেয়াজের জমিতে বৃষ্টির পানি বেঁধে থাকার কারণে ওই পেয়াজ গুলোও পঁচে নষ্ট হয়ে যাবে।
    এদিকে টানা দুইদিনের বৃষ্টিতে ঘর থেকে বের হতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। কামারগাঁ ইউপির মাড়িয়া গ্রামের দিনমজুর রহেদ আলী জানান, পরিবারে ৩জন সদস্যের একমাত্র উপার্জনকারী তিনি। প্রতিদিন ভোরে ফজরের নামাজ পড়ার পর বেরিয়ে যান দিনমজুরি করতে, দিন এনে দিন খাওয়া পরিবার আমার, দুইদিন থেকে কাজে যেতে না পারায় অতিকষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন কাঁটছে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, দুই দিনের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে উঠতি ফসলে কিছু সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে আজকালের মধ্যে আবহাওয়া ভালো হয়ে গেলে ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। #

  • ঝিনাইদহে একই ঘটনায় পুলিশের দু’রকমের প্রতিবেদন

    ঝিনাইদহে একই ঘটনায় পুলিশের দু’রকমের প্রতিবেদন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে একটি মামলা তদন্তে দুই রকম প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। একই ঘটনায় পুলিশের দুই এসআই দুই রকম প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করায় বাদীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে মামলার মেরিট নিয়ে। মামলা সুত্রে জানা গেছে, নিজেদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে কাজী ফারুক ও তার ছোট বোন কাজী শাহানাজের উপর হামলা এবং তাদের বাড়িঘরে লুটপাট চালানো হয়। হামলার ঘটনায় কাজী ফারুক ও তার বোন কাজী শাহানাজ ৯জনকে আসামী করে ঝিনাইদহের একটি আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা দুইটি তদন্তের জন্য পৃথক দুজন তদন্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। কাজী ফারুকের মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান ডাকবাংলা ক্যাম্পের এসআই সোহাগ হোসেন। অন্যদিকে বোন কাজী শাহানাজের মামলার দ্বায়িত্ব পান ঝিনাইদহ সদর থানার এস আই শামিম হোসেন। মামলার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সোহাগ আসামীদের পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন। অন্যদিকে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা সত্য বলে আসামীদের বিপক্ষে প্রতিবেদন দেন এসআই শামিম হোসেন। একই ঘটনায় দুই রকম পুলিশী প্রতিবেদন নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এক মামলার বাদী কাজী ফারুক অভিযোগ করেন, এস আই সোহাগ আসামীদের কাছ থেকে লাভবান হয়ে এমন অসংগতিপুর্ন প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে তাদের ধারণা। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আমার বোনের মামলায় এস আই শামিম হোসেন তাহলে কিভাবে ঘটনার সত্যতা পেলেন ?। এ ব্যাপারে এসআই সোহাগ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহীন উদ্দিন বলেন, যেহেতু দুটি মামলার তদন্ত দুই কর্মকর্তা করেছেন। যে যা তদন্ত করে পেয়েছেন তাই রিপোর্ট দিয়েছেন। যদি বাদীর আপত্তি থাকে তাহলে আদালতে নারাজি দিলে নতুন করে তদন্ত হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

    মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ (উপজেলা) প্রতিনিধি

    পিরোজপুর নেছারাবাদের ব্যাসকাঠী পাটিকেলবাড়ী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কুদ্দুস শিকদারের বিরুদ্ধে।

    সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার লাইব্রেরীতে এই ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উক্ত দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শাখার সহকারী শিক্ষক রেশমা আক্তার।

    সরেজমিনে জানা যায়, তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির আয়-ব্যয়ের হিসাব, নিয়োগ সংক্রান্ত ঘুষ বাণিজ্যের লেনদেন, সর্বশেষ নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেয়ার দাবিতে কুদ্দুস শিকদারের নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় ঢুকে একাধিক শিক্ষকদের লাঞ্ছনা হেনস্থার এ ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    অভিযোগসূত্রে জানা যায়, নেছারাবাদ উপজেলার ব্যাসকাঠি পাটিকেলবাড়ি নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ইফতেদায় শাখার লাইব্রেরীতে গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুরে এলাকার সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস শিকদারের নেতৃত্বে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন লোক আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে প্রবেশ করেন। এবং মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের উপর চড়াও হয়। তারা উত্তেজিতভাবে অতীতের সকল নিয়োগের জন্য টাকা পয়সা দাবি করে এবং চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মোঃ রহমত হোসেনকে মারতে উদ্ধত হয়। এ অবস্থায় মাদ্রাসায় এক ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং ছাত্র শিক্ষকের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান কুদ্দুস শিকদারের ছেলে শাকিল শিকদার সহকারী শিক্ষক রেশমা আক্তারকে চর থাপ্পড় মেরে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগাজ, তুই-তোকারি ও মানহানিকর শব্দ উচ্চারণ করে।

    লাঞ্ছিত হওয়া কাম-কম্পিউটার শিক্ষক মোঃ রহমত হোসেন বলেন, আমি প্রতিদিনের ন্যায় অফিসে বসে কাজ করছিলাম। হঠাৎ লাইব্রেরীতে ঢুকে আমাকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করতে থাকেন। আমি স্বাভাবিকভাবেই তাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলাম। কিন্তু স্থানীয় যুবক শাকিল শিকদার আমাকে স্কুলে না আসার জন্য হুমকি দেয় এবং পরবর্তীতে যেন হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেই তার জন্য নিষেধ করেন।

    সহকারী শিক্ষিকা রেশমা আক্তার জানান, আমি দুই বছর আগে সকল নিয়মকানুন মেনেই এই মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছি। স্থানীয় কুদ্দুস শিকদারের দাবি ওই সময়ের আমি সহ তিনজনের নিয়োগে অর্থনৈতিক লেনদেন হয়েছে। আমাদের কাছ থেকে জোর করে নিয়োগের সময় টাকা দেবার স্বীকারোক্তি আদায় করার চেষ্টা করে। সেই কারণে বারবার আমরা কোন টাকা দিয়েছি কিনা জিজ্ঞেস করছিল। তখন টাকার কথা অস্বীকার করায় আমার সাথে অন্যায় আচরণ সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছিল।

    এবিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান কুদ্দুস সিকদারের মুঠোফোনে কল দিলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ঐদিন তার সঙ্গে থাকা ছেলে শাকিল শিকদার জানায়, আমরা মাদ্রাসায় গিয়ে বিগত বছরের মাদ্রাসার হিসেব চেয়েছিলাম। সম্প্রতি পাঁচ লক্ষ টাকার বরাদ্দের হিসাব চেয়েছিলাম। এবং সভাপতি বলেছিলো মঙ্গলবারের মধ্যে হিসেব দিবে কিন্তু দেয়নি। সর্বশেষ নিয়োগপ্রাপ্ত ৩জন কত টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে এটা জিগ্যেস করেছিলাম। তবে কাউকে হুমকি ধামকি বা লাঞ্চিত করা হয়নি।

    মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের অভিযোগ সর্বশেষ তিনজন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন হয়েছে। আমার জানামতে এই মাদ্রাসায় নিয়োগ সম্পূর্ণ বিধি মোতাবেক হয়েছে এবং কোন ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন হয়নি। স্থানীয়রা নিয়োগপ্রাপ্তদের কাছে জোর করে টাকা দেওয়ার স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। এ বিষয়ে মাদ্রাসার বর্তমান সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের কাছে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সকলে জিগ্যেস করেছিলাম তারা জানালো নিয়ম কানুন মেনেই নিয়োগ হয়েছিল। মাদ্রাসায় গিয়ে ঝামেলা না করে অভিযোগকারীরা আমার কাছে একটা লিখিত দিতে পারতো। মাদ্রাসায় গিয়ে ঝামেলা করা ঠিক হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • জীবননগর পৌর বিএনপির সাথে জীবননগর পৌর ছাত্রদলের মত-বিনিময় সভা

    জীবননগর পৌর বিএনপির সাথে জীবননগর পৌর ছাত্রদলের মত-বিনিময় সভা

    আল আমিন মোল্লা,
    জীবননগর অফিস।

    শনিবার জীবননগর পৌর বিএনপির সাথে জীবননগর পৌর ছাত্রদলের মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্তৃক ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ চুরি ডাকাতি ও সংখ্যালঘুদের উপরে আক্রমণের প্রতিবাদে মত বিনিময় সভা করেন।

    সভাপতিত্ব করেন পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক কিরন হাসনাত রাসেল ও সঞ্চালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ও পৌর ছাত্রদল নেতা মো: তৌফিকুজ্জামান শ্রাবণ

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাজান কবীর
    পৌর বিএনপির সহ সভাপতি তাজুল ইসলাম পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফি উদ্দীন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির ইকবাল ঠান্ডু পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাজান আলাী।

  • চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মহসিন, সদস্য সচিব মীর জাকের

    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মহসিন, সদস্য সচিব মীর জাকের

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। 
    জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেনের যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। 

    নবগঠিত আংশিক আহবায়ক কমিটিতে স্থান পেয়েছে বোয়ালখালীর মহসিন চৌধুরী রানা। সালাউদ্দিন সুমনকে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক করে আরো ৫ জনকে করা হয়েছে যুগ্ম আহবায়ক। তারা হলেন সফিউল করিম সফি, হাজী নজরুল ইসলাম, আবদুল করিম, মাহবুবুল আলম পারভেজ ও আরিফুল ইসলাম। পটিয়ার মীর জাকের আহমেদকে কারা হয়েছে সদস্য সচিব।