Category: দেশজুড়ে

  • বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগালে বদলে যাবে অর্থনীতি  মানুষের জীবনযাত্রা

    বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগালে বদলে যাবে অর্থনীতি মানুষের জীবনযাত্রা

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:আধুনিক বিশ্বে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার পর্যটন।বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন ঘিরে বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের বিকাশে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। এই বনের সৌন্দর্য দেখতে দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন ভ্রমণপিপাসুরা। তবে বন ঘিরে মানুষের যত আগ্রহ, কিছু অসুবিধা ও সীমাবদ্ধতার কারণে সেটা মেটাতে পারছেন না পর্যটকরা। এগুলোর বিষয়ে উদ্যোগ নিলে পর্যটকদের কাছে সুন্দরবন ভ্রমণ আরও আনন্দের হবে। এখানে পর্যটনশিল্পের বিকাশ হলে বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি ও এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা।

    পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতি বছর লাখো পর্যটক বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন দেখতে যান। বিশেষ করে শীত মৌসুমে এ সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। এতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। এ অবস্থায় দায়িত্বশীলদের সঠিক কর্মপরিকল্পনা, বন বিভাগ ও পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের সমন্বিত উদ্যোগের অভাবে বারবার হোঁচট খাচ্ছে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন। এতে অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নও ব্যাহত হয়।

    পর্যটকরা বলছেন, পর্যটনের ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনা থাকলেও দীর্ঘদিনেও পর্যটকদের জন্য বাড়েনি সুযোগ-সুবিধা। এ ছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসা, রাতে অবস্থান, বিশুদ্ধ পানি ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও নিশ্চিত হয়নি। সুন্দরবনের সড়কপথে চলাচলের তেমন কোনও ভালো ব্যবস্থা নেই। বনের ভেতর ঘুরে দেখার জন্য ওয়াকওয়ের অবস্থা তেমন ভালো না। এসব কারণেই ঠিক ওভাবে পর্যটক টানতে পারছে না সুন্দরবন।

    বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, যেহেতু সুন্দরবনের প্রতিবেশ, পরিবেশ ও ইকোসিস্টেম অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই এখানে ইকোট্যুরিজমের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন। যা তৈরিতে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পর্যটনশিল্পের বিকাশে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীববৈচিত্র্যের প্রাণ-প্রাচুর্যের কারণে সুন্দরবন পৃথিবীর অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র। এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের নাম। এ ছাড়া বনে আছে নানা ধরনের পাখি, চিত্রাল হরিণ, কুমির, ডলফিনসহ অসংখ্য প্রজাতির প্রাণী। তাই সুন্দরবন ঘিরে গড়ে তুলতে হবে ইকোট্যুরিজম। তবেই এটি বিনোদনের পাশাপাশি গবেষণার স্থান হয়ে উঠবে। বাড়বে প্রসার।

    পরিবেশবিদরা বলছেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনকে যদি সুন্দর করে নিয়ন্ত্রণ কিংবা পরিচালনা করা যায় তাহলে এটি বিরাট সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হবে। এ ছাড়া সুন্দরবনে পর্যটককেন্দ্রিক যেসব নৌযান আছে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালনা করা গেলে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হবে না। তখন পর্যটকদের কাছে সুন্দরবন ভ্রমণ আরও আনন্দের হবে।

    বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক মো. নুর আলম শেখ বলেন, ‘সুন্দরবনের প্রাকৃতিক যে বৈশিষ্ট্য এবং জীববৈচিত্র্য রয়েছে সেগুলোকে রক্ষা করেই পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটাতে হবে। বনের আশপাশে যেসব গ্রাম আছে সেগুলোকে ইকোট্যুরিজম সেন্টারে পরিণত করতে হবে। যেসব পর্যটক এখানে প্রবেশ করেন তারা যাতে বন্যপ্রাণীর ক্ষতি না করেন, প্লাস্টিক দূষণ না করেন, পরিবেশ সম্পর্কে সতেচন থাকেন, সে ব্যাপারে টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এই উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে।’

    সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পরিবেশবান্ধব পর্যটনশিল্পের বিপুল সম্ভাবনা আছে। এতে একদিকে দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধ হবে অন্যদিকে শিল্পের সঙ্গে জড়িত বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। তবে বনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সুন্দরবন ভ্রমণের নীতিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। তা না হলে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটকদের সুন্দরবন ভ্রমণের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে কারও কোনও ক্ষতি না হয়।’

    বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনের পর্যটন এলাকাগুলোতে পর্যটকবান্ধব অবকাঠামো না থাকা ও অনুমোদন পাওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ব্যাহত হচ্ছে ইকোট্যুরিজম। ২০১৪ সালে ভ্রমণ নীতিমালা প্রণীত হয়েছিল। যার আলোকে নতুন পর্যটনকেন্দ্র বাড়ানোর কাজ চলছে। তবে এখনও কাজ শেষ হয়নি।

    এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবনের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, ‘২০১৪ সালের ভ্রমণ নীতিমালা অনুযায়ী সুন্দরবনে বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্র বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগে ১১টি পর্যটনকেন্দ্র আছে। পর্যটকরা সেখানে গিয়ে মুগ্ধ হয়ে প্রকৃতি উপভোগ করছেন।’

    তিনি বলেন, ‘পর্যটকরা সুন্দরবনে যতই আসুক না কেন তাদের আমাদের ধরে রাখার মতো সক্ষমতা আছে। পরিবেশের ক্ষতি হবে না। এ ব্যাপারে বনরক্ষীদের প্রশিক্ষন দেওয়া আছে। সে অনুযায়ী পর্যটকদের সেবা দেওয়া হয়।’

    সুন্দরবন ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের গাইড শাকিল আহমেদ বলেন, কিছু সমস্যার কারণে বিদেশিরা একটু আকর্ষণ কম দেখাচ্ছে। আশা করি, এই খাত থেকে আরও আয় করা সম্ভব। যদি সরকার একটু নজর দেয়।সারা বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশ এ শিল্পে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। সঠিক তথ্য-উপাত্ত না পাওয়া গেলেও ধারণা করা হয়, বছরে প্রায় ৪ কোটি দেশীয় পর্যটক সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়ান। সে হিসেবে বাংলাদেশেও ভবিষ্যতে পর্যটকের সংখ্যা ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে পর্যটন খাতে নানা পদপে গ্রহণ করতে হবে, পদপে গুলো হলো- ১. পর্যটন সমৃদ্ধ অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন ২. সকল ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা ৩. পর্যটন এলাকায় পর্যটন পুলিশ কেন্দ্র স্থাপন ৪. বিমানবন্দর ও নৌবন্দর স্থাপন ও উন্নয়ন ৫. পর্যটন স্পটে পর্যটকদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা ৬. পর্যটন মেলার আয়োজন ৭. বিদেশি পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক গাইডের ব্যবস্থা করা ৮. বিদেশে বাংলাদেশের ট্যুরিজম প্রমোশনে রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের উদ্যোগী ভ‚মিকা পালন ৯. পাঠ্যপুস্তকে পর্যটন বিষয়ে কোর্সগুলো অন্তর্ভূক্তকরণ ১০. ওয়েব সাইটে প্রচারণা ১১. পর্যটন বিষয়ে শিা ও গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ ১২. টুরিস্ট জেনারেটিং দেশে পর্যটন অফিস ¯’াপন ১৩. পর্যটন এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত, গ্যাস ও টেলিফোন ব্যবস্থা ১৪. পর্যটন এলাকা বা তার আশপাশে সরকারি উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক থ্রি-স্টার/ফাইভ-স্টার হোটেল নির্মাণ করা ইত্যাদি।
    অপরূপ সৌন্দর্যের আধার বাংলাদেশ যার প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্রের কোনো জুড়ি নেই। সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

    ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। প্রতি বছরের মতো বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও যথাযথভাবে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের সঙ্গে মিল রেখে দেশে প্রতিপাদ্য করা হয়েছে ‘পর্যটন শান্তির সোপান’। পর্যটনশিল্পের বিকাশে পর্যায়ক্রমে ‘পর্যটন সপ্তাহ’ ও ‘পর্যটন মাস’ উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনসচিব নাসরীন জাহান।#

  • ভারতে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী(সঃ)কে কটুক্তির প্রতিবাদে যশোরের শার্শার রুদ্রপুরে বিক্ষোভ মিছিল

    ভারতে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী(সঃ)কে কটুক্তির প্রতিবাদে যশোরের শার্শার রুদ্রপুরে বিক্ষোভ মিছিল

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কে নিয়ে ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দু পুরোহিতের কটুক্তি ও বিজেপি নেতার চরম অশ্লীল ও অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে যশোরের শার্শার রুদ্রপুর গ্রামের ৭ টি মসজিদ থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মুসল্লীরা।

    শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর উপজেলার রুদ্রপুরের ৭ টি মসজিদ থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে মসজিদের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে জড়ো হয় মুসল্লীরা।

    এ সময় বক্তারা বলেন, ধর্মপ্রান মসুলমানগন বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সাঃ) কে নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সাঃ) এর অপমান তারা কখনোই বরদাশত করবেন না। ইসলাম ধর্ম ও মোহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে বিজেপির নেতা ও হিন্দু পুরোহিতের অবমাননাকর বক্তব্য মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত হেনেছে। আমরা ঘৃণাভরে তাদের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    তারা ভারতীয় সকল প্রকার পণ্য বর্জনে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান এবং কটুক্তিকারী হিন্দু পুরোহিত ও বিজেপি নেতাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবী তোলেন। এবং অবিলম্বে অপরাধিদেরকে গ্রেপ্তারের করে ফাঁসির দাবী জানান।
    এসময় এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিবর্গ সহ স্থানীয় সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • চৌদ্দগ্রাম ছুপুয়া মজুমদার বাড়ীতে ফ্রী হার্ট ও মেডিকেল ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রাম ছুপুয়া মজুমদার বাড়ীতে ফ্রী হার্ট ও মেডিকেল ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, 

     হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার ২০ বছর ও বিশ্ব হার্ট দিবসকে সামনে রেখে “জীবন বাঁচাতে চাই কর্মদ্যোগ” -এই শ্লোগান নিয়ে গতকাল ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত  হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লা ও ইনার হুইল ক্লাব অব কুমিল্লা’র উদ্যোগে চৌদ্দগ্রামের ছুপুয়া মজুমদার বাড়ীতে (ডা. আলী নুরের বাড়ী) এক ফ্রি হার্ট ও মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।  এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক হার্টের রোগী ও বন্যা পরবর্তী বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসা দেয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় ঔষধও বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ইসিজি, রক্ত পরিক্ষা বিনা মূল্যে করা হয়,এসময়  চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক ডা. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ, মহাসচিব ডা. গোলাম শাহজাহান, ডা. মল্লিকা বিশ্বাস, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রেজাউল করিম জামিল, বিশিষ্ট জেনারেল ও ব্রেস্ট সার্জন ডা. ইসরাত জাহান, গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. কবিতা সাহা, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. ফারহানা ইয়াসমীন, সিডি প্যাথ এন্ড হসপিটালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রাসেল আহমেদ, ডা. অম্বিকা সাহাএবং ডা. মানবেন্দ্র বিশ্বাস।সমগ্র ক্যাম্পটি সুন্দরভাবে আয়োজন ও সার্বিক তত্বাবধান করেন সিডি প্যাথ এন্ড হসপিটালের পরিচালক ও চৌদ্দগ্রামের কৃতিসন্তান ডা. আনোয়ারুল আজিজ মজুমদার (আলী নুর)। সহ এলাকার গন্য মান্য ব্যাক্তি বর্গ।

  • খুলনা জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগর এর আয়োজনে শুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

    খুলনা জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগর এর আয়োজনে শুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

    শেখ তৈয়ব আলী খুলনা।

    ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ শুক্রবার বেলা ৩:৩০ মিনিট খোলা প্রেসক্লাব ব্যাংককুয়েট হলে খুলনা জামায়াত ইসলামী খুলনা মহানগর এর আয়োজনে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সুরি সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান আমির বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার সাবেক এমপি ও সেক্রেটারি জেনারেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান কেন্দ্রীয় মজলিসে সুরা সদস্য ও আমির খুলনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বলেন গণহত্যাকারীদের রাজনীতি করার অধিকার নেই কেননা রাজনীতি করতে হবে দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাইরের কারো সাহায্য নিয়ে নয়। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন রাজনৈতিক দলসহ সকলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সংস্কার ও নির্বাচনের রোড ম্যাপ তৈরি করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে যথাযোগ্য নির্বাচন দিয়ে সরকারকে বিদায় নিতে হবে।

  • গণহ*ত্যায় পঞ্চগড়ে শহীদ ৫ পরিবারকে সহায়তা

    গণহ*ত্যায় পঞ্চগড়ে শহীদ ৫ পরিবারকে সহায়তা

     

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পঞ্চগড়ের ৫ জনের পরিবারকে সহায়তা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার শহীদদের বাড়িতে গিয়ে তাদের খোঁজখবর এবং সমস্যার কথা শুনেছেন জেলা প্রশাসক সাবেত আলী।  

    ছাত্র জনতার গণঅভুত্থানে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের কীত্তিনীয়া গ্রামের রবিউল ইসলামের সাগর রহমান ৫ আগষ্ট, বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের নতুন বস্তি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে আবু ছায়েদ ১৯ জুলাই, সাকোয়া ইউনিয়নের আমিন নগর গ্রামের হামিদ আলীর ছেলে সুমন ইসলাম ৫ আগষ্ট দেবীগঞ্জ উপজেলার সদও ইউনিয়নের মেলাপাড়া গ্রামের আজহারের ছেলে শাহাবুল ইসলাম ৪ আগষ্ট পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে এবং  ভাউলাগঞ্জ ইউনিয়নের টোকরাভাসা গ্রামের আজহার আলীর ছেলে সাজু ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ আগষ্ট মৃত্যুবরণ করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে নগদ অর্থ ও উপহার হিসেবে ফলমুল তুলে দেয়া হয়।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন, দেবীগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নাজির, সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেড আমিনুল হক তারেক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি, মখলেছুর রহমান সান এসময় উপস্থিত ছিলেন।  

    শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সমস্যার কথা শুনে যোগ্যতা ভিত্তিক চাকরির ব্যবস্থা, চিকিৎসাসহ সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।   এসময় শহীদদের কবর জিয়ারত এবং রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

  • রামগড় কালাডেবা বিএনপির উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ

    রামগড় কালাডেবা বিএনপির উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ

    মোহাম্মদ এমদাদ খান  রামগড় প্রতিনিধি 

    খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড় কালাডেবা বিএনপির উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  

    বুধবার  (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় কালাডেবা বাজার প্রাঙ্গনে আয়োজিত সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্যে রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া। পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নুরুজ্জামান দুলাল ৭নং ওয়ার্ড় বিএনপি, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন রাজু,  রামগড় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাজি নুরুল ইসলাম এর  সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথি থেকে বক্তব্যে রাখেন-রামগড় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন নুরু, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জসিম উদ্দিন,উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নুরুল আমিন মেম্বার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেফায়েত উল্লাহ ভুঁইয়া,  পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাফায়েত মোর্শেদ ভূইয়া মিঠু- পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজায়েত আলী সুজা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন হারুন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহ আলম বাদশা, পৌর যুবদলের আহবায়ক জামাল শামিম, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্র দলের সহ সভাপতি ও রামগড় উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইলিয়াছ। সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক  নুর হোসেন, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব জাহিদ অন্তর, নুরুল ইসলাম রাজু সাবেক যুগ্ম আহবায়ক পৌর ছাত্র দল,আব্দুর রহিম বিশাল সাবেক আহবায়ক পৌর ছাত্রদল। 

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম কাউন্সিলর, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নুরুল আলম আরিফ,  উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন। 

    এসময় বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের শিক্ষাসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। লুটপাট করেছে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। এখন পার্শ্ববর্তী দেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সাংসদ ওয়াদুদ ভূইয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

    এসময় আরো উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকশত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বরূপকাঠিতে সন্ধ্যা নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া নিখোঁজ যুবকের ভাসমান লা*শ উদ্ধার

    স্বরূপকাঠিতে সন্ধ্যা নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া নিখোঁজ যুবকের ভাসমান লা*শ উদ্ধার

    আনোয়ার হোসেন,
    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

    স্বরূপকাঠিতে সন্ধ্যা নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মো. সোহেল (৩৩) নামে এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে নিখোঁজের দুইদিন পর উপজেলার নাওয়ারা খালের মোহনায় সন্ধানদীর তীর থেকে সোহেলের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার সকালে পুলিশ লাশ ময়না তদন্তে পিরোজপুর মর্গে পাঠিয়েছে। সোহেল উপজেলার পুর্ব চামী গ্রামের মো. তোতা মিয়ার ছেলে। সে একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মাঝে মাঝে নদীতে মাছ শিকার করতেন।

    নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি আমিন বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের শেষে লাশ ময়না তদন্তে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    প্রসংগত, গত মংগলবার আনুমানিক রাত ১১ টার দিকে সোহেল প্রতিবেশি আব্দুল গাফ্ফার, আব্দুল মালেক, মো. সাইফুল ও মো. ফারুকের সাথে নিজ নিজ নৌকায় মাছ শিকার করতে সন্ধানদীতে যায়। পরদিন বুধবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে সংগীরা ছারছিনা নামক এলকার সন্ধ্যানদীতে সোহেলের নৌকা ভাসতে দেখে নৌকার কাছে যায়। নৌকায় সোহেলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পাওয়া গেলেও তাকে না পেয়ে স্বজনদের খবর দেয়। স্বজনরা সোহেলের সন্ধানে সন্ধ্যানদীসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার রাতে নাওরার স্থানীয়রা একটি ভাসমান লাশ দেখতে পান। পরে তারা নেছারাবাদ থানায় খবর দেয়।তার পরিবারের লোকজন এসে লাশটি সোহেলের তা নিশ্চিত করেন।

  • নড়াইল জেলা কালচাল অফিসার হামিদুর রহমানের বদলির আদেশ

    নড়াইল জেলা কালচাল অফিসার হামিদুর রহমানের বদলির আদেশ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল জেলা কালচাল অফিসার হামিদুর রহমানের বদলির আদেশ। অবশেষে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত নড়াইল জেলা কালচাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানের বদলির আদেশ হয়েছে। নতুন কালচারাল অফিসার না আসা পর্যন্ত একজন সহকারী কমিশনার কালচারাল অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।
    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ-এর ২৩ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাধারণ শাখায় এ সংক্রান্ত আদেশ এসে পৌঁছায়নি।
    নড়াইলের সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারী জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমান যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দূনর্ীতিতে জড়িয়ে পড়েন। একের পর এক শিল্পকলা একাডেমীর ছোট ছোট শিক্ষাথর্ী ও তাদের অভিভাবকদের সাথে স্বেচ্ছাচারিতা ও দূর্বব্যহার করতে থাকেন। তার বিরুদ্ধে সংস্কৃতিক সংগঠন, শিল্পী, কলাকুশলী, বিচারক, উৎসব সমন্বয়কারীর সম্মানী ও যাতায়াতভাড়া না দেয়া, সাজসজ্জা, ডকুমেন্টেশন ও প্রচার, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা, জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামের সাউন্ড, ইলেকট্রিক ও ভবন সংস্কারসহ বিভিন্ন খাত থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার দূনর্ীতির অভিযোগ ওঠে।
    ২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর নড়াইল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট জেলা কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ এনে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে ২৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসন ৫২জন সাংস্কৃতিক কমর্ী, শিক্ষাথরী, অভিভাবক ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বাক্ষ্য গ্রহন করে এবং আনিত অভিযোগের সত্যতা পায়। গত ৬ ফেব্রুয়ারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী কালচারাল অফিসার হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠায়।
    এরই সূত্র ধরে গত ২ এপ্রিল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর পক্ষ থেকে একটি তদন্ত দল নড়াইলে আসেন। হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদসহ তিন জন কর্মকর্তা নড়াইল শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষক,শিক্ষাথর্ী, অভিভাবক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষ্য নেন।
    এদিকে হামিদুরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হলেও তিনি বহাল তবিয়তে নড়াইলে ছিলেন। সে প্রশাসন ও নড়াইলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কাওকে পাত্তাই দেননি। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে প্রচন্ড নাখোশ থাকলেও হামিদুরকে বদলী এবং দূনর্ীতি-অনিয়মের শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ হিসেবে জানা গেছে, হামিদুরের খুঁটির জোর ছিল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি।
    জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংগীত বিভাগের শিক্ষক আশিষ কুমার স্বপনসহ একাধিক শিক্ষক বলেন, কালচারাল অফিসার আমাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত সম্মানী না দিয়ে সাদা কাগজে সই করতে বলেছেন। না করলে গালগালাজ করেছেন।
    শিক্ষার্থীরী অভিভাবকদের সাথে চরম দুর্বব্যবহার করেছেন। এসব কারণে গত ৫ এপ্রিল থেকে আমরা (শিক্ষক) ক্লাস বর্জন করি। এখন যেহেতু তিনি বদলি হয়েছেন। এখন আমরা ক্লাসে ফিরতে চাই। কারণ তিনি নড়াইলের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করেছেন। শিক্ষার্থীর সংখা চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। আমরা অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে এ ক্ষতি পুষিয়ে দিতে চাই।
    এসব বিষয়ে জানতে জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমানকে কয়েকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
    নবাগত নড়াইল জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান এ প্রতিনিধিকে বলেন, শুনেছি নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। তবে কি কারণে বদলি করা হয়েছে তা বলতে পারব না। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির কথা শুনেছি। কালচারাল অফিসার বদলি হবার পর সহকারী কমিশনার দায়িত্ব পালন করবেন কিনা এটিসহ শিল্পকলার সার্বিক বিষয়ে খোজ-খবর নিচ্ছি।

  • বর্ষাকাল ও কিছু কথা

    বর্ষাকাল ও কিছু কথা

    লেখকঃ মোঃ হায়দার আলীঃ আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। আর মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। বর্ষাকালের বৃষ্টি আল্লাহর তলার পক্ষ থেকেই বর্ষিত হয়। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে যখন প্রকৃতি জ্বলেপুড়ে একাকার, তখনই প্রকৃতিতে শীতল পরশ নিয়ে আসে বর্ষা। বর্ষাকালে প্রকৃতি যেন ফিরে পায় নবজীবন। বর্ষা আমাদের মনেও প্রশান্তি নিয়ে হাজির হয়। বর্ষার ছোঁয়ায় আমাদের মন উদাস হয়ে ওঠে। বর্ষাকালে গ্রামবাংলার প্রকৃতি গাঢ় সবুজ হয়ে ওঠে। চারদিকে শুধু সবুজের সমারোহ। গ্রামবাংলার প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে বর্ষাকালে। আকাশে কালো মেঘ ও সূর্যের লুকোচুরি খেলা। টিনের চালে বৃষ্টির ঝুমঝুম শব্দ যে কাউকে উদাস করে। আবার রাতের অন্ধকারে ঝিঁঝি পোকার ডাক। কখনো ঝুম বৃষ্টি, আবার কখনো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। এ ধরনের আবহাওয়া মানব মনে যেন তৈরি করে অপূর্ব এক রোমাঞ্চ।

    যখন বর্ষাকালে বৃষ্টি নামে তখন শুধু ছোটবেলার স্মৃতি গুলোই মনে পড়ে, আমরা ছোটবেলায় কত না বৃষ্টিতে ভিজেছি।
    বর্ষাকালে বৃষ্টির দিনে মায়ের হাতে সেই চাল ভাজা দিয়ে নারকেল খাওয়ার অনুভূতি শহরের মানুষগুলো কখনোই বুঝবে না।
    বর্ষাকালে বৃষ্টির পরে সবসময় ভালো কিছু সবার জন্য অপেক্ষা করে, তাইতো আমরা বৃষ্টিকে এত ভালবাসি।
    আমি বর্ষাকালের বৃষ্টিতে হাঁটি যাতে করে আমার অশ্রু ভেজা চোখ দুটি কেউ দেখতে না পারে।

    বাংলাদেশ হচ্ছে ছয় ঋতুর একটি দেশ এই ছয় ঋতুর মধ্যে একটি হচ্ছে বর্ষাকাল। তাই বর্ষাকালে আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণ বৃষ্টি হয় এবং নদী খাল বিল পানিতে ভরে ওঠে, বর্ষাকালে যখন নদ-নদী খাল-বিল পানিতে ভরে ওঠে তখন দেখতে কি যে সুন্দর লাগে শুধুমাত্র এই দেশের মানুষই বলতে পারবে। বাংলাদেশে বর্ষাকালে প্রচুর পরিমাণ মাছ পাওয়া যায় এই দেশের মানুষের প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভাত মাছ, আর মাছটি যদি জাতীয় মাছ ইলিশ হয় তবে কোন কথায় নেই। তাই এই দেশের মানুষের বর্ষাকাল খুব ভালো লাগে।

    বর্ষাকাল আসলেই চারদিকে পানি থৈ থৈ করে বর্ষাকালে প্রকৃতি তার অপরূপ সৌন্দর্যে সেজে ওঠে। বর্ষাকালে সারাদিন বৃষ্টি নেমে থাকে বর্ষাকালে আকাশে ভেসে বেড়ায় কালো মেঘ যে মেঘগুলো দেখলে দুই নয়ন ভরে উঠে আনন্দে।
    বাংলা বছরের ছয়টি ঋতুর মধ্যে বর্ষাকাল হচ্ছে সবচাইতে সুন্দর ঋতু, এই বর্ষাকালে আকাশে ঘন কালো মেঘে ঢেকে থাকে কালো মেঘ গুলো বৃষ্টি আকারে ঝরে পড়ে যখন বৃষ্টিগুলো পড়ে তখন কি যে ভালো লাগে বুঝানো বড় দায়।

    বর্ষাকালে বৃষ্টি কৃষিকাজের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে। গ্রীষ্মের শুষ্ক মাটি বৃষ্টির পানিতে নরম হয়ে ফসল উৎপাদনে উপযোগী হয়ে ওঠে। তখন কৃষকেরা জমিতে কৃষিকাজে ব্যস্ত সময় পার করেন।
    আবার কখনো দিনের কাজ শেষে তাঁরা গ্রামের বৈঠকঘরে অলস আড্ডায় মেতে ওঠে। গ্রামের মেয়েদের এ সময় কোনো কাজ থাকে না। তাই তাঁরা সবাই একসঙ্গে বসে সুই–সুতা দিয়ে নকশিকাঁথায় হরেক রকমের নকশা ফুটিয়ে তোলেন। ছোট ছেলেমেয়েরা কাগজের নৌকা বানিয়ে বর্ষার পানিতে খেলায় মেতে ওঠে।

    শহরের জীবনে বর্ষা কিছুটা ভোগান্তি তৈরি করে। শহরে খাল-বিলের সংখ্যা কম, তাই তীব্র বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তবুও গ্রীষ্মের উত্তপ্ত শহরে বৃষ্টির ফোঁটা মানুষের মনকে উৎফুল্ল করে। উত্তপ্ত শহর আস্তে আস্তে শীতল হয়ে ওঠে। শহরের যান্ত্রিকতায় গ্রামের মতো বর্ষাকাল উপভোগ করা না গেলেও বর্ষাকাল ঠিকই সৌন্দর্যের ডালি নিয়ে হাজির হয়। শহরের উঁচু কংক্রিটের ফাঁকে ফাঁকে ঘন কালো মেঘ ও সূর্যের লুকোচুরি খেলা অসাধারণ মনে হয়। এ সময় শহরের খাল ও লেকগুলো পানিতে ভরে যায়। পার্কগুলো সবুজে ছেয়ে যায়। এ যেন এক অপরূপ সৌন্দর্য।

    বর্ষাকালে ফুলের সৌন্দর্য আমাদের করে তোলে বিমোহিত। বর্ষার যে ফুলগুলো আমাদের আকৃষ্ট করে, তা হলো—শাপলা, কদম, কেয়া, কৃষ্ণচূড়া, কলাবতী, পদ্ম, দোলনচাঁপা, চন্দ্রপ্রভা, ঘাসফুল, পানাফুল, কলমি ফুল, কচুফুল, ঝিঙেফুল, কুমড়াফুল, হেলেঞ্চাফুল, কেশরদাম, পানিমরিচ, পাতা শেওলা, কাঁচকলা, পাটফুল, বনতুলসী, নলখাগড়া, ফণীমনসা, উলটকম্বল, কেওড়া, গোলপাতা, শিয়ালকাঁটা, কেন্দার, কামিনী, রঙ্গন, অলকানন্দ, বকুল এবং এ ছাড়া নানা রঙের অর্কিড। বর্ষা ঋতু যেন ফুলের জননী।

    আবহমানকাল ধরেই আমাদের প্রকৃতিকে বর্ষার ফুল স্বতন্ত্র সৌন্দর্য বিলিয়ে দিয়ে আসছে উদারতায়। বৃষ্টিস্নাত বর্ষার ফুলের উজ্জ্বল উপস্থিতি আমাদের মন রাঙিয়ে আসছে। কাজ শেষে সন্ধ্যায় প্রিয়জনের জন্য একগুচ্ছ কদমফুল হাতে বাসায় ফেরা। প্রিয়জনের মন রাঙাতে এর চেয়ে বেশি আর কী চাই!

    অনেক বিখ্যাত মানুষ বর্ষা নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। অনেক কবিতা, গল্প লিখেছেন।

    কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বর্ষাকাল ছিল অত্যন্ত প্রিয়। তাঁর অসংখ্য গান ও গল্পে বর্ষার প্রসঙ্গ এসেছে বহুবার। তিনি তাঁর প্রিয়তমাকে অন্য কোনো ঋতুতে নয়, বর্ষা ঋতুতেই আসতে বলেছেন—
    ‘যদি মন কাঁদে
    তুমি চলে এসো, চলে এসো
    এক বরষায়।
    শেষে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে চাই—
    ‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে। ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।’

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর। সোনার তরী কবিতা দিয়ে
    গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
    কূলে একা বসে’ আছি, নাহি ভরসা।
    রাশি রাশি ভারা ভারা
    ধান কাটা হ’ল সারা,
    ভরা নদী ক্ষুরধারা
    খর-পরশা।
    কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা।
    একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা,
    চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।
    পরপারে দেখি আঁকা
    তরুছায়ামসীমাখা
    গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
    প্রভাত বেলা।
    এ পারেতে ছোট ক্ষেত আমি একেলা।
    গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে!
    দেখে’ যেন মনে হয় চিনি উহারে।
    ভরা-পালে চলে যায়,
    কোন দিকে নাহি চায়,
    ঢেউগুলি নিরুপায়
    ভাঙ্গে দু’ধারে,
    দেখে’ যেন মনে হয় চিনি উহারে!
    ওগো তুমি কোথা যাও কোন্ বিদেশে!
    বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে!
    যেয়ো যেথা যেতে চাও,
    যারে খুসি তারে দাও
    শুধু তুমি নিয়ে যাও
    ক্ষণিক হেসে
    আমার সোনার ধান কূলেতে এসে!

    যত চাও তত লও তরণী পরে।
    আর আছে?—আর নাই, দিয়েছি ভরে’।
    এতকাল নদীকূলে
    যাহা লয়ে ছিনু ভুলে’
    সকলি দিলাম তুলে
    থরে বিথরে
    এখন আমারে লহ করুণা করে’!
    ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই! ছােট সে তরী
    আমারি সােনার ধানে গিয়েছে ভরি’।
    শ্রাবণ গগন ঘিরে
    ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
    শূন্য নদীর তীরে
    রহিনু পড়ি,
    যাহা ছিল নিয়ে গেল সােনার তরী।
    প্রেম নেই কোথাও -মুহতাসিম তকী
    আপনার চোখে বর্ষা এলে,
    কবিতার শহরে নামে বিরহ।
    আজকাল ভালো থাকবার চেষ্টা
    বড্ড ছেলেমানুষী মনে হয়!
    প্রেমিকার শহরে বৃষ্টি নামে,
    কিশোরী লজ্জায় নতজানু শহর
    আমাকে জানায়,
    এই শহরের প্রেম কাব্যে
    আমি এখন মৃত প্রজাপতি।

    আমার প্রেমিকা চলে গেছে।
    আমার কবিতা চলে গেছে
    মন খারাপের খাতায়।
    আমি এখন আর প্রেম লিখি না।

    আপনার শুভ্রতায়
    বুক ব্যাথা হয় খুব।
    কেমন যেন আজকাল
    কেউ নেই-
    কেউ নেই লাগে।
    আমি জানি
    আমি আপনার প্রেমিক
    ছিলাম না কখনোই!
    প্রেমিকা নতুন শাড়ি পড়ে,
    প্রেমিককে দেখাবে বলে।
    প্রাক্তন হবার অজুহাতে,
    আমার আর ব্যক্তিগত
    পাঠিকা নেই কোনো।

    আপনার চোখে বর্ষা এলে,
    কবিতার শহরে নামে বিরহ।
    আপনি মুখ ফিরিয়ে নিলে
    মনে হয়,
    আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে
    প্রিয়তমার সবচেয়ে প্রিয়তম কবিতা।

    “কিছু মানুষ আছে যারা বৃষ্টিকে অনুভব করে বাকিরা শুধু শরীর ভেজায়” – রজার মিলার
    “যখন মেঘের দল আর বোঝা সহ্য করতে পারে না তখনই স্বর্গের কান্নায় ভেঙে পড়ে বৃষ্টি” – আর কে
    “জীবনের কতগুলো মূল্যবান মুহূর্ত আমরা পার করি রংধনুর অপেক্ষায় স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানানোর আগে” – ডিয়েটার এফ
    “জীবন ঝড় কেটে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করার মধ্য নয়, জীবনের মূল অপবাদ বৃষ্টিতে ভিজতে উপভোগ করার মাধ্যম” – ভিভিয়ান গ্রিন
    “বৃষ্টির উপর তোমরা রাগ করোনা! কেননা সে এটা জানে না উপরের দিকে কিভাবে পড়তে হয়! ”
    অন্য সাধারন একটি দিনের থেকে বর্ষাকালের একটি দিন অনেকটা আলাদা কারণ শুধুমাত্র এই বর্ষাকালে আমাদের মনের ভিতরে রোমান্টিক মুড চলে আসে এবং ভালোবাসা বেড়ে যায় প্রকৃতির প্রতি। বর্ষাকালের সময় চারদিকে প্রাকৃতিক ভাবে নদ-নদী খাল-বিল পানিতে ভরে যায় তখন আমাদের এই বর্ষাকাল ঘিরে মনের ভিতরে সুখ দুঃখ চলে আসে এবং বর্ষাকালকে আমরা আপন করে নিয়ে থাকি।

    বর্ষা নামলে শহর ভিজে ভিজতে পারিনা আমি, শরীর ভেজানো ভীষণ সহজ মন ভেজানো দামী।
    রিমঝিম এই বৃষ্টির দিনে তোমার আবার মনে পড়ছে, তুমি আসবে বলে চলে গেলে হৃদয় আঙিনা শূন্য করে। আমার সারাটি দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম শুধু শ্রাবণ সন্ধ্যাটুকু তোমার কাছে চেয়ে নিলাম।
    বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর পায়ে দিয়ে সোনার নুপুর আঁকাবাঁকা মেঠো পথে কোন রূপসী হেটে যায়?
    অঝোর ধারায় বৃষ্টি আমার ভীষণ পছন্দ চারদিকে যেন একটা সাদা কোলাহল যাতে নীরবতা আছে কিন্তু শূন্যতা নেই – মার্ক হেডন।

    বৃষ্টি মানে একলা দুপুর তোমার ভেজা চুল, বৃষ্টি মানে রোদের ছুটি ভেসে আসে তোমার সুর।
    বৃষ্টির জন্য চেয়ে আছি নীল আকাশের পানে, ওগো বৃষ্টি তুমি ঝড়ে পড় আমার এই ক্লান্ত গায়ে।
    পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছে যারা বৃষ্টিকে অনুভব করে, বাকি মানুষগুলো শুধু বৃষ্টিতে শরীর ভিজায়। অন্য সাধারন একটি দিনের থেকে বর্ষাকালের একটি দিন অনেকটা আলাদা কারণ শুধুমাত্র এই বর্ষাকালে আমাদের মনের ভিতরে রোমান্টিক মুড চলে আসে এবং ভালোবাসা বেড়ে যায় প্রকৃতির প্রতি। বৃষ্টি শেষে সূর্য আবার উঠবেই তাই ব্যর্থতার পরে সফলতা আবার আসবেই।

    লেখক: মোঃ হায়দার আলী,
    গোদাগাড়ী উপজেলা শাখা,
    রাজশাহী।

  • রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২৫,০০০/- টাকা জরিমানা

    রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২৫,০০০/- টাকা জরিমানা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এবং পীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এর যৌথ উদ্যোগে ২৬.০৯.২০২৪ ইং তারিখে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।

    উক্ত মোবাইল কোর্ট অভিযানে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ধনশালা নামক স্থানে মেসার্স বারী ফিলিং স্টেশনে প্রতি ১০ লিটার পেট্রোলে ১৩০ মিলি, ডিজেলের দুটি ডিসপেনসিং ইউনিটে যথাক্রমে ১০০ মিলি ও ১১০ মিলি কম প্রদান করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২০,০০০/- জরিমানা করা হয়। ছোট উমরপুর বাজারে অবস্থিত মেসার্স সিথী ফিলিং স্টেশনে পেট্রোলের দুটি ডিসপেনসিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে যথাক্রমে ১০০ মিলি ও ৬০ মিলি কম পাওয়ায় একই আইনে ৫০০০/- জরিমানা করা হয়। এছাড়া উপজেলার খালাশপীরে অবস্থিত খালাশপীর ফিলিং স্টেশনের সকল ডিসপেনসিং ইউনিটে পরিমাপ সঠিক পাওয়া যায়। অভিযানে ত্রুটিপূর্ণ সকল ডিসপেনসিং ইউনিট সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

    উক্ত অভিযানে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন পীরগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ ইকবাল হাসান। প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) জনাব মোঃ আলমাস মিয়া ও ফিল্ড অফিসার (সিএম) জনাব খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।