Category: দেশজুড়ে

  • ভন্ড পীর বাবার নাটক সাজিয়ে এক স্কুল শিক্ষিকার কানের স্বর্ণালংকার ছিনতাই

    ভন্ড পীর বাবার নাটক সাজিয়ে এক স্কুল শিক্ষিকার কানের স্বর্ণালংকার ছিনতাই

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির  নলছিটিতে দিন দুপুরে তিন ছিনতাইকারী ভন্ড পীর বাবার নাটক সাজিয়ে এক স্কুল শিক্ষিকার কানের স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে নিয়েছে। শনিবার  ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৭(সাত)টার দিকে উপজেলার মানপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে । ক্ষতিগ্রস্ত (ভিকটিম )শারমিন বেগম উপজেলার মানপাশা বাজারের কুশঙ্গল ইউনিয়ন কিন্ডারগার্টেনের  শিক্ষিকা।
    তিনি জানান, এদিন সকাল সোয়া ৭টার দিকে মানপাশা গ্রামের তার বাবার বাড়ি থেকে কিন্ডারগার্টেন স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিছুদূর যাওয়ার পর পথিমধ্যে সামনে থেকে বয়স্ক এক  ব্যক্তি তাকে সালাম দেন। তিনি সালামের উত্তর না দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় পিছন থেকে  ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা এক যুবক তার কাছে আসে। ওই যুবক শিক্ষিকাকে জিজ্ঞেস করে,
    আপনি বাবার (ভন্ড বয়স্ক লোকটি)সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি সিলেটের মাজারের পীর । আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন। তার তদবিরে আমার এক ভাইয়ের প্যারালাইসিস ভালো হয়ে গেছে। আপনি নিয়ত করলে আপনার সব আশা বাবা পূরণ করে দিতে পারেন। এ সময় ওই যুবক  শিক্ষিকার পরিবারের সকল কিছু বিস্তারিত জানেন। এবং তার বাড়িতে এবং সঙ্গে কী আছে জানতে চান ।ওই  শিক্ষিকা সবকিছু তাদের কাছে খুলে বলেন। এক পর্যায়ে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা  লাভের প্রতারণামূলক আশা দিয়ে শিক্ষিকার মুখমণ্ডলে ভন্ড বাবা জোরপূর্বক দুইবার ‘ফু ‘ দেন ।  এর পরপরই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এ সুযোগে ভন্ড পীর বাবা ও তার  সহযোগী যুবক শিক্ষিকার কানে থাকা নতুন বানানো স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেয়। এ সময় কিছুটা দূরে  ওই ছিনতাইকারী চক্রের অপর এক সহযোগী মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিল।
    ছিনতাই শেষে তারা দ্রুত ওই মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা এসে ওই শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে সুস্থ করেন। ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের মূল্য ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা হবে বলে  শিক্ষিকা শারমিন বেগম দাবি করেন। তবে তিনি
    ওই ছিনতাইকারীদের কাউকে চিনেন না বলে জানান।
    নলছিটি থানার ওসি মো. মুরাদ আলী বলেন, আমি এখনো এ ধরণের কোনো খবর পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বেনাপোলে পাসপোর্টধারীর সাথে প্রতারনা, হেরোইন সহ ৫ প্রতারক গ্রেফতার

    বেনাপোলে পাসপোর্টধারীর সাথে প্রতারনা, হেরোইন সহ ৫ প্রতারক গ্রেফতার

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ যশোরের বেনাপোল চেকপোষ্টে অভিযান চালিয়ে পাসপোর্টধারীদের সাথে প্রতারনা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৫ প্রতারোককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের শরীর তল্লাশী করে প্রত্যেকের পকেট থেকে ১১০ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এদের নামে প্রতারনার একাধিক মামলা রয়েছে।
    শনিবার সকালে পাসপোর্টধারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চৌধুরী সুপার মার্কেটের গোঁপন ঘর থেকে তাদের গ্রেফতার করে।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার সাদিপুর গ্রামের সাহাজুল ইসলামের ছেলে আসাদুল ও ইশার উদ্দি্নের ছেলে মিরাজ, ভবারবেড় গ্রামের সমেদ হাওলাদারের ছেলে শামিম, ঘিবা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রনি,বড় আঁচড়া শহিদুল ইসলামের ছেলে ইমরান।
    তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের ওসি সুমন ভক্ত জানান, পাসপোর্টধারীদের জিম্মি করে প্রতারনার অভিযোগে চেকপোষ্ট সীমান্তে গোঁপন আস্তানা গুলো বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতারকরা সেসব ঘরের তালা ভেঙে আবারও আস্তানা গড়ে পাসপোর্টধারীদের সাথে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা ও মুল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিচ্ছে। এটা আয়না ঘরের মত বলা যেতে পারে। প্রতারনার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে একটি আস্তানা থেকে ৫ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে ধরা হয়। এসময় তাদের শরীর তল্লাশী করে প্রত্যেকের পকেট থেকে হেরোইনের পুরিয়া উদ্ধার করা হয়। এছাড়া প্রতারনার মাধ্যমে ছিনিয়ে নেওয়া অর্থ পাসপোর্ট যাত্রীদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
    এদিকে স্থানীয়রা জানান, ভোর ৩ টা থেকে সকাল ৮ টা পর্যন্ত প্রতারোকরা বন্দরের বাস টার্মিনাল ও প্যাছেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে ফরম লেখার কথা বলে প্রকাশ্যে তাদের আস্তানায় ডেকে নিয়ে টাকা ছিনিয়ে নিচ্ছে। এসব ঘর মালিকরা বেশি লাভের আশায় প্রতারকদের কাছে ঘর ভাড়া দেয়। প্রতারকরা সাইনবোর্ড বিহীন এসব আস্তানায় নিয়ে পাসপোর্টধারীদর৷ জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়। গত সপ্তাহে চেকপোষ্ট এলাকায় পাসপোর্টধারীদের সাথে প্রতারনা করার অভিযোগে ৮টি ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেয় পুলিশ। তবে প্রতারকরা সে তালা ভেঙে আবার আস্তনা গেড়ছে। এদের বিরুদ্ধে একাধিকবার দেওয়া হয়েছে প্রতারনার মামলা। তবে বার বার তারা ফিরে এসে আবারো প্রতারনার সাথে জড়িয়ে পড়ে । কোন ভাবে বন্ধ হচ্ছে না এদের কার্যক্রম।

  • ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বীজ রোপণ করেছিল বিএনপি : যুবদল সভাপতি

    ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বীজ রোপণ করেছিল বিএনপি : যুবদল সভাপতি

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বীজ রোপণ করেছিল বিএনপি। আর এই গাছে পানি ঢেলে পরিচর্যা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল রাজপথে ছিল বিধায় শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তিনি শনিবার বিকেলে ঝালকাঠিতে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে যৌথ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শহরের ব্র্যাকমোড় এলাকায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
    যুবদল সাধারণ সম্পাদক মুন্না বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন তবুও তিনি স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে কোন আপষ করেনি। তারেক রহমান বিদেশে থাকলেও অবৈধ সরকারের সঙ্গে আপষ করেনি। তাদের একটাই চিন্তা ছিল, এ দেশের মানুষের ব্যালটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ত্যাগ মনে রাখতে হবে।
    তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থ্যানে শহীদের সংখ্যা এখন ১৪২৩ জন। এর মধ্যে বিএনপির প্রায় ৪৬০ জনের মতো শহীদ হয়েছে। তাই ছাত্র-জনতার এই অভুত্থ্যানে বিএনপির ভূমিকা স্বীকার করতে হবে। আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। যেসব পুলিশ বৈষম্যবিরোধী আন্দোনে নির্বিচারে গুলি করেছে, তাদের বিচার করতে হবে।
    সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির বলেন, বিগত দিনে যেসব স্বৈরাচার ক্ষমতা দখল করেছিল, তাঁরা কিন্তু কেউ দেশ ছেড়ে পালায়নি, শেখ হাসিনার নিষ্ঠুরতা ও নির্যাতনে দেশে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। এই দেশের মাটিতে তাঁর আর জায়গা হবে না।
    ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুর রহমান খানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি তসলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম রিয়াদ ও মো. বায়েজিদ। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঝালকাঠি জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহŸায়ক রবিউল হাসান তুহিন, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম লিটন, সাধারণ সম্পাদক সরদার সাফায়েত হোসেন ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দিপু।

  • গৌরনদী মডেল থানায় জিডিও মামলা করতে কোন টাকা লাগবে না মত বিনিময় সভায় নবাগত ওসি ইউনুস মিয়া

    গৌরনদী মডেল থানায় জিডিও মামলা করতে কোন টাকা লাগবে না মত বিনিময় সভায় নবাগত ওসি ইউনুস মিয়া

    বি এম মনিরুল ইসলাম,
    বরিশালের গৌরনদীতে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসি’র মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় গৌরনদী মডেল থানায় মত বিনিময় সভায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইউনুস মিয়ার সাথে মত বিনিময় করেন সাংবাদিকরা। পূর্ব হতেই সাংবাদিকবন্ধু ও জনগণের সেবক হিসেবে জেলায় ব্যাপক পরিচিত রয়েছে এই মিডিয়াবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইউনুস মিয়া তিনি বলেন, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক আর পুলিশ জনগণের সেবক,আজ থেকে গৌরনদী মডেল থানায় জিডি ও মামলা করতে কোন টাকা লাগবে না,জনগণ কখনো হেনস্তার শিকার হবে না। অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক সাবেক সভাপতি গৌরনদী প্রেসক্লাব ও জাতীয় দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান রিপন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের গৌরনদী প্রতিনিধি বদরুজ্জামান খান সবুজ,গৌরনদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের গৌরনদী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলী বাবু,উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক খোলা কাগজের গৌরনদী প্রতিনিধি মোল্লা ফারুক হাসান, বাংলাদেশের খবরের গৌরনদী প্রতিনিধ এসএম মিজান, দৈনিক ভোরের সময়ের গৌরনদী প্রতিনিধি রাজীব ইসলাম তারিম,সাংবাদিক বিএম বেলাল, আরিফিন রিয়াদ, আতাউর রহমান চঞ্চল,পঙ্কজ কুন্ডু, আবু সালেক মামুন, এসময় নবাগত ওসি মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া উপজেলায় মাদক ও দালাল নির্মূলে সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা। জামায়তের নায়েবী আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা। জামায়তের নায়েবী আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবর রহমান বলেছেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও পাশ্ববর্তী দেশে বসে তিনি একটার পর একটা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। তার কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।

    শনিবার বিকেল ৩ টায় রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, হাসিনা যেই গণহত্যা চালিয়েছে সেটা পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধ। তিনি নিজ দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন তা ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষেই শুধু সম্ভব। এজন্য তিনি এদেশের মানুষের কাছে আজীবন ঘৃণার পাত্র হিসেবে থাকবেন। পুলিশের বেতনভাতা হয় জনগণের টাকায়। কিন্তু সেই দলীয় পুলিশ জনগণের ওপর গুলি করে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। যা কখনই কাম্য নয়। এটি ইতিহাসে জঘন্যতম কাজ। আওয়ামী লীগ তাদের শাসন আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের দলীয় লোকদের বসিয়েছে। তাই সেসব প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষ লোক বসাতে হবে। না হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে না।

    জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল খালেকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,
    কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক রাজশাহী, অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ড. মোহম্মদ ওবায়দুল্লাহ,
    প্রমুখ।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • ধামইরহাটে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন

    ধামইরহাটে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

    নওগাঁর ধামইরহাটে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটেছে। পুকুুর মালিক টুটিকাটা গ্রামের বজির উদ্দিন এর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫০) এ বিষয়ে ধামইরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুকুুর মালিক আনোয়ার হোসেনের অভিযোগে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোর ছয়টার দিকে পুকুুর পাহারাদার জাহাঙ্গীর এর পিতা মফিজ উদ্দিন পার্শ্ববর্তী পুকুর দেখে বাড়ি আসার পথে আনোয়ারের পুকুর পাড়ে চৌঘাট তালপাড়া গ্রামের লেদু পাহানের ছেলে জগেন পাহান (৫২) কে বালতি সহ দেখতে পায়, বালতি সহ এত ভোর সময়ে পুকুুর পাড়ে জগেন পাহান কেন এমন জিজ্ঞাসাবাদ মফিজ উদ্দিন করলে জগেন পাহান কোন সদুত্তর না দিয়ে হন হন করে স্থান ত্যাগ করে বলে মফিজ উদ্দিন জানান। পরবর্তীতে গতকাল পুকুরে বিভিন্ন মরা মাছ ভেসে উঠতে দেখা যায়।
    পৈত্রিক সূত্র ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত উক্ত পুকুুরে আনোয়ার হোসেন ও আরিফ উদ্দিন আর,এস ৫ নং খতিয়ানের ৮৯৪ ও ৮৯৫ দাগে ১৩২ শতক পুকুর ভোগ দখল করতে থাকা অবস্থায় জগেন পাহান, অরুণ পাহান গং বিষ প্রয়োগ করায় দেড় লক্ষ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে বলে আনোয়ার হোসেন অভিযোগে জানান। তিনি আরো জানান, স্থানীয় চৌঘাট ঘাষিপুকুুর গ্রামের আদিবাসী মহৎ নেতা জগন্নাথ মন্ডল বিষয়টি গ্রাম্যভাবে মীমাংসা করার উদ্যোগ নিলেও জগেন-অরুণ গং গ্রাম্য সালিশ কে গুরুত্ব না দিয়ে বরং তারা উল্টো আমাদেরকে আরো ক্ষতি এবং পুকুুড় থেকে উচ্ছেদ করবে বলে হুমকি দেয়। আদিবাসী মহৎ জগন্নাথ মন্ডলকে মুঠো ফোনে ০১৭৪৩-০১১৬৯৬ নম্বরে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষ প্রয়োগের ঘটনাটি জানাজানি হয়েছে এবং গ্রাম্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছেন বলে স্বীকার করেন। বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের বিষয়ে অভিযুক্ত অরুণ পাহান কে মুঠো ফোনে ০১৭৩৭৮০৫১৫১ নম্বরে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এবং জগেন পাহান সহ কেউই বিষ প্রয়োগ করেননি এবং আনোয়ার হোসেন ও আরিফ উদ্দিন জোরপূর্বক পুকুরে মাছ ছেড়ে দিয়ে চাষ করে বলে জানান। তবে কি কাগজের মূলে অরুন ও জগেন পাহান গং পুকুুরের দাবী করেন জানতে চাইলে অরুন পাহান তার সদুত্তর দিতে ব্যার্থ হন। জগেন পাহান, অরুণ পাহান সহ আরও অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের লালু পাহানের ছেলে ছবিয়া পাহান, শ্যামা পাহানের ছেলে শিবু পাহান এবং লবিন পাহানের ছেলে কৃষ্ণ পাহান। লিখিত অভিযোগের বিষয় ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাইসুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি।।।

  • রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা

    রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী
    মোহনপুরের ধুরইল ইউনিয়নের (ইউপি) পালশা পশ্চিমপাড়া গ্রামে
    পূর্ববিরোধের সুত্র ধরে সংঘর্ষের ঘটনায় সাদ্দাম হোসেন(৩৩)নামে একজন পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত সাদ্দাম ধুরইল ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি। এবং তার ভাই গুরুত্বর আহত বুলবুল হোসেন একই ওয়ার্ড কৃষক দলের সদস্য। তারা পালশা পশ্চিম পাড়া গ্রামের ভেদু হোসেনের পুত্র। গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ধুরইল ইউপির পালশা পশ্চিমপাড়া গ্রামের পালশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
    এদিকে মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান
    সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে
    হামলাকারী একসার আলীকে (৩৫) আটক করেছেন। আটক একসার আলী একই গ্রামের আয়েজ উদ্দিন মন্ডলের পুত্র ও আওয়ামী লীগের সক্রীয় কর্মী।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সংঘর্ষের সময় একসার আলীর ধারালো হাসুয়ার কোপে সাদ্দাম হোসেন গুরুতর জখম হয়। এসময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাই বুলবুল হোসেনও গুরুতর জখম হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদ্দাম হোসেনকে মৃত ঘোষণা করে এবং তার ভাই বুলবুল হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) রেফার্ড করেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
    এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম জানান,
    নিহত সাদ্দাম ধুরইল ইউপির ৯নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও দলের একজন সক্রীয় নেতা ছিলেন। গত ৫ আগস্টসহ দলের সকল কর্মসুচিতে তার উপস্থিতি ছিল উল্লেখ করার মতো। রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগ কর্মীরা নির্মমভাবে এই হত্যাকান্ড ঘটায়।এবিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর জানান,
    সাদ্দাম হোসেন নিহতের ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তিনি বলেন, মামলায় ৫ জনের নাম উল্লেখ ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা করে মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়। আটক আসামির কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা হাসুয়া ও লোহার পাতি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এবিষয়ে মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, সাদ্দাম হোসেন নিহতের ঘটনায় একসার আলীকে আটক এবং আসামিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    অন্যান্য আসামীদের আটকের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।#

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে  পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি, ভাঙ্গনে  ব্রীজ, ঘরবাড়ি, ফসলী জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি, ভাঙ্গনে ব্রীজ, ঘরবাড়ি, ফসলী জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে

    রাজশাহী মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর বয়ারমারী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় উপজেলায় পদ্মা ও মাহানন্দা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যাপকহারে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। রাস্তার ব্রীজ, বাড়ী ঘর, ফসলী জমি মূহূত্বের মধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    উপজেলার রেলওয়ে বাজার ঘাটে এমনই কয়েকটি নৌকা এসে ভেড়ে। নৌকাগুলোর কোনোটিতে গরু-ছাগল, কোনোটিতে বস্তায় বস্তায় ধান আবার কোনোটিতে চর থেকে ভেঙে নিয়ে আসা বাড়ির চাল, টিনের ছাউনি, ধান, গম, ভুট্টা, চাউল,, বাড়ী ঘর নির্মানের পুরাতন সামগ্রী, ঢেউটিন, দরজা জানালা প্রভূতি। দেখে বুঝা যায়, ওপারে নদী ভাঙ্গনের ভয়াবহতা। এসব নৌকায় এসেছেন চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের চর বয়ারমারি গ্রামের আসগর আলীর পরিবার। আসগর আলী নামের এক ব্যক্তি বলেন, প্রতিবছরই তাঁদের গ্রাম পদ্মায় ভাঙে। এরইমধ্যে ১৫ বিঘা কৃষিজমি হারিয়েছেন তিনি। বাড়ি সরিয়েছেন ছয়বার। এবারও নদীর ভাঙন বাড়ির কাছে চলে আসার কারণে তাঁরা চলে এলেন এ পারে। মাছমারা গ্রামে আশ্রয় নেবেন তাঁরা।

    চর আষাদিয়াদহ কাঁনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসগর আলী বলেন, পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারনে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে জেলে পাড়ার একটি পাঁকা ব্রীজসহ রাস্তা নদীগর্ভে চলে গেছে। কয়েক দিন ধরে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে তাদের এলাকায় কয়েকটা রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে টমেটো ও ধানের খেত। চর বয়ারমারি গ্রামের অন্তত ৫০টি বাড়ি সরিয়ে নিতে হয়েছে। চর বয়ারমারির পাশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জেলেপাড়া গ্রামেও তীব্র নদীভাঙন চলছে। পোলাডাঙ্গা এলাকায় একটি সেতু ছিল। এই সেতুও ভেঙে গেছে নদীভাঙনের কারণে।

    গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ এনামুল হক বলেন, বন্যা ও ভাঙ্গনকবলিত মানুষ রেলবাজার ঘাট দিয়ে টিন, ঘরের চালা, ধান, গম, কলাই প্রভূতি নৌকায় নিয়ে আসছেন, মানুষ দুঃখ, কষ্টের সীমা নেই।

    চর আষাদিয়াদহ এলাকাবাসী মনিরুল ইসলাম জানান, পদ্মার পানি বাড়ার সাথে চর বয়ারমারী, কোদলকাটি গ্রামে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন মানুষ বিপদে আছেন, তাদের বাড়ী ঘর নিরাপদ দূরুত্বে সরিয়ে নিচ্ছেন, কোন কোন সময় সরানোর সময় পাচ্ছেন না। ব্রীজ, রাস্তা, অনেক ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    বন্যার আতঙ্কে চর এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গবাদিপশুসহ ঘরবাড়ি। ভেসে যাচ্ছে ফসলি জমি। পদ্মা নদীর ডান তীরে ভারতীয় সীমান্ত লাগোয়া এই চরের কয়েকটি গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে এক সপ্তাহ ধরে।

    ভাঙন চলছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার জেলে পাড়া, কোদলকাটি, পাকা এবং নারায়ণপুর এলাকায়ও। চাঁপাইনবাবগঞ্জেই পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে প্রায় ছয় হাজার পরিবার। চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরের বাসিন্দাদের অনেকেই এখন ভাঙন আতঙ্কে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ সবকিছু নৌকায় তুলে চলে আসছে এই পারে। খুঁজছে বসবাসের নতুন ঠিকানা।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলাতুলি ও নারায়ণপুর ইউনিয়নের প্রায় চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। আগের বছরও এই এলাকার দুই শতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরইমধ্যে ইউনিয়নের এক-তৃতীয়াংশ কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এবারও ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে বাড়িঘর, বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাহবুব-উল-ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে যে প্রায় ছয় হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় আছে। এটা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত তালিকা করার জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বলা হয়েছে। তালিকাটা চূড়ান্ত হলেই আমরা পানিবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ শুরু করব।’

    রাজশাহী বিভাগীয় কৃষি দপ্তরের হিসাবে, রাজশাহীর ৯ হাজার ৬৮১ বিঘা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৪ হাজার ৮৫৭ বিঘা ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবে গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বেড়েছে।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উত্তরাঞ্চলীয় পানিবিজ্ঞান পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ‘গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বেড়েছে। তবে বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাংখা পয়েন্টে পানি কমেছে। ফলে ভাটিতেও পানি কমবে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন পানি কমতে পারে।’

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় বৃদ্ধা সালেহা বেগমের মরদেহ উদ্বার

    নড়াইলে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় বৃদ্ধা সালেহা বেগমের মরদেহ উদ্বার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের নড়াগাতি থানার পুটিমারি গ্রামে জামরুল গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় সালেহা বেগম (৫৮) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। মৃত সালেহা বেগম নড়াগাতি থানার পুটিমারি গ্রামের মৃত সিদ্দিক শিকদারের স্ত্রী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৭সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার নড়াগাতি থানার পুটিমারি গ্রামে নিহতের দেবর সুরত শিকদারের বাড়ির পাশে জামরুল গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

    নিহতের বড় ছেলে ইব্রাহীম শিকদার ও ছোট ছেলে বিপ্লব শিকদার জাহাজে চাকুরী করেন। বিপ্লবের বয়স যখন ৬ মাস তখন সালেহা বেগমের স্বামী মারা যান। সেই থেকে তিনি দুটি ছেলেকে আকড়ে স্বামীর ভিটায় থাকেন। তিনি দুই ছেলের বউ এবং ১ পোতা (ছেলের ছেলে) নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। শুক্রবার ভোরে নিহতের দেবর সুরত শিকদারের বাড়ির পাশে জামরুল গাছে সালেহার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পরিবারের লোকজনের দাবি বৃদ্ধা সালেহা বেগম দীর্ঘদিন যাবত পেটে ব্যাথাসহ নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। এ যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

    নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) কিশোর কুমার রায় বিকালে বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় সালেহা বেগমের মরদেহ পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে  ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে অভিনব কায়দায় ট্রলি ব্যাগে মাদকদ্রব্য বহনকালে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় অদ্য ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ, রাত্রী ০৪:০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন চরিয়া শিকার উত্তরপাড়া আন্ডারপাস এর সামনে চান্দাইকোনা হতে বোয়ালিয়া বাজার গামী মহাসড়কের উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৩,৭৩৫/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ শাহিনুর ইসলাম (৩৭), পিতা-মোঃ আজিজার, সাং-ডোমার (পশ্চিম, চিকনমারী ডাক্টার পাড়া) ২। মোঃ নওশাদ ইমরান (৩৬), পিতা-মোঃ মেজবাউল, সাং-ছোট রাউতা উভয় থানা-ডোমার, জেলা-নীলফামার।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিরা দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সলঙ্গা থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।