আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে আমনখেতে পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, ফসলের জমিতে গাছের মরা ডাল, কঞ্চি, বাঁশের আগা পুঁতে বা ধঞ্চে গাছ পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করার নাম ‘পার্চিং’। পার্চিংয়ে পাখি বসার সুযোগ পেলে তার দৃষ্টিসীমায় কোনো ক্ষতিকর পোকা দেখা মাত্রই সেটি সে ধরে খেয়ে ফেলবে। এভাবে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ধানখেতের পোকার আক্রমণ কমিয়ে বেশি ফলন পাওয়া যাবে। বিষবিহীন নিরাপদ ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি। উপজেলায় ধানখেতে পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে এখন ধানচাষিদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি। দেখা গেছে ধানের জমিতে গাছের ডাল, খুঁটি, বাঁশের কঞ্চি বা মাঝে মাঝে ধঞ্চে গাছ পুঁতা হয়। সেগুলোর উপর বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা বসে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ফেলে।এই পার্চিং পদ্ধতি ফসলের পোকা দমনের জন্য অত্যন্ত কম ব্যয়বিহীন এবং পরিবেশবান্ধব। এই পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন খরচ ও কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাওয়ায় এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে উপজেলার কৃষকদের মাঝে। অনেক কৃষক আমনখেতে কীটনাশক পরিহার করে পোকা দমনে সহজ ও লাভজনক পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবারে রোপা-আমনের লক্ষমাত্রা ২২ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। কৃষিতে আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে বলেই অল্প সময়ের মধ্যে জমি চাষ ও রোপন শেষ করতে পারছেন কৃষকেরা। কৃষকদের সহায়তায় প্রণোদনা হিসেবে উপজেলা কৃষি-সম্প্রসারণ দপ্তর হতে কৃষকদের রাসায়নিক সার ও আমন বীজ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদেরকে এক বিঘা জমির বিপরীতে জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার কৃষকরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাদের জমিতে আমন ধান রোপণ করেছেন। বর্তমানে তাদের রোপণকৃত ধানগাছগুলো বড় হচ্ছে। এখন সবুজে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠগুলো। আর এই ধানের গাছ কৃষকদের মনে এনে দিয়েছে প্রশান্তি। পার্চিং সাধারণতঃ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। ডেড পার্চিং ও লাইভ পার্চিং। মরা ডালপালা পুঁতে দিলে তা হবে ডেড পার্চিং আর জীবন্ত ধঞ্চের ডাল জমিতে পুঁতে দিলে তা হবে লাইভ পার্চিং। কৃষকরা তাদের আমনখেত ক্ষতিকারক পোকা থেকে রক্ষার জন্য বাঁশের আগা, বাঁশের কঞ্চি, গাছের ডাল এবং জীবন্ত ধঞ্চের ডাল পুঁতে বিভিন্ন পোকামাকড় থেকে ফসল রক্ষা করেছেন। এসব ব্যবহারে শালিক, বুলবুলি, ফিঙ্গেসহ বিভিন্ন ধরনের পোকাখাদক পাখি ক্ষেতের পার্চিংয়ের উপরে বসে। সেখান থেকে উড়ে উড়ে গিয়ে ক্ষতিকারক পোকা ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলে। এর ফলে কীটনাশক ছাড়াই পোকার আক্রমণ থেকে ধানগাছগুলো রক্ষা পাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ধান উৎপাদন বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। উপজেলার কামারগাঁ ইউপির কৃষক মোবারক আলী ও আইয়ুব আলী জানান, এবার তাদের জমিতে ধান এখন সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠেছে। তারা সম্পূর্ণ ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি করেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, ক্ষতিকর পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি খুব কার্যকর। এই পদ্ধতি কাজে লাগালে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ ও কম হয়। বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে পার্চিং পদ্ধতির চাষ। #
Category: দেশজুড়ে
-

তানোরে আমনখেতে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে
-

দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা- জামায়তের নায়েবী আমীর
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবর রহমান বলেছেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও পাশ্ববর্তী দেশে বসে তিনি একটার পর একটা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। তার কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।
শনিবার বিকেল ৩ টায় রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হাসিনা যেই গণহত্যা চালিয়েছে সেটা পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধ। তিনি নিজ দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন তা ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষেই শুধু সম্ভব। এজন্য তিনি এদেশের মানুষের কাছে আজীবন ঘৃণার পাত্র হিসেবে থাকবেন। পুলিশের বেতনভাতা হয় জনগণের টাকায়। কিন্তু সেই দলীয় পুলিশ জনগণের ওপর গুলি করে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। যা কখনই কাম্য নয়। এটি ইতিহাসে জঘন্যতম কাজ। আওয়ামী লীগ তাদের শাসন আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের দলীয় লোকদের বসিয়েছে। তাই সেসব প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষ লোক বসাতে হবে। না হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে না।
জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল খালেকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক রাজশাহী, অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ড. মোহম্মদ ওবায়দুল্লাহ,
প্রমুখ।মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

মহেশপুরে ৩৫ কোটি টাকার ভারতীয় মাদকদ্রব্য ধ্বংস
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৫ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে মহেশপুরের খালিশপুর ৫৮ বিজিবি। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) খালিশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে এই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে বিজিবি’র কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্ণেল মারুফুল আবেদীন, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার দুইজন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহেশপুরে ৫৮ বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৫ কোটি টাকা মুল্যের ১২ হাজার ৪’ ৬৩ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ১৩ বোতল সিরাপ, ৪৯ হাজার ৮০ বোতল মদ, ৭৬ কেজি গাজা ও ৮’শ ৭১ পিচ ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ধ্বংস করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে সীমান্ত এলাকায় মাদক বিরোধী কার্যক্রম ও প্রচারণার উদ্বোধন করা হয়।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।। -

বানারীপাড়ায় ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে শিশুদের কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
আব্দুল আউয়াল
বানারীপাড়া (বরিশাল)প্রতিনিধি:বরিশালের বানারীপাড়ায় পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে শিশুদের কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে আর-রহমান জামে মসজিদে এ কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ মাগরিব থেকে এশার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত ঈদ-ই মিলাদুন্নবীর (সঃ) আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বানারীপাড়া বন্দর বাজার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা নুরে নুহু। বিশেষ অতিথি ছিলেন আর-রহমান জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা
আরিফুর রহমান শামীম। বাদ এশা দোয়া- মিলাদের পূর্বে প্রধান অতিথি হাফেজ মাওলানা নুরে নুহু কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশু শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান সাদ,রেদোয়ানুল ইসলাম রাফি , নাইমুর রহমান, ফারহান ও সাজিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। আর- রহমান মসজিদের সভাপতি ও বন্দর বাজারের ব্যবসায়ী হাফেজ মোঃ হাসান মোল্লা ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে এ আয়োজন করেন। এতে স্থানীয় বিশিষ্টজনসহ নানা বয়সের সর্বস্তরের মুসুল্লীরা অংশগ্রহণ করেন।আব্দুল আউয়াল
বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি: -

র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে অভিনব কায়দায় বালির ট্রাকে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও ট্রাক জব্দ।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।
১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ বিকাল ০৩.৪৫ ঘটিকায় র্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রানীনগর সাকিনস্থ মের্সাস বোয়ালিয়া ফিলিং স্টেশন এর সামনে সিরাজগঞ্জ হতে পাবনাগামী মহাসড়কের উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য গাঁজা বহন ও ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১টি ট্রাক, ০২ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ২৭,০০০/- টাকা জব্দ করা হয়।
২। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ আতিকুল ইসলাম (৪২), পিতা-মৃতঃ কালু শেখ, সাং-দক্ষিণ বারইপাড়া, ২। মোঃ লিটন মিয়া (২০), পিতা-মোঃ মায়ানুর রহমান, সাং-কেতকিবাড়ী, ৩। মোঃ জামিল ইসলাম (১৯), পিতা-মোঃ ইসমাইল হোসেন, সাং-কেতকিবাড়ী, সর্ব থানা-হাতিবান্ধা, জেলা-লালমনিরহাট।
৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিগণ দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে ট্রাক যোগে মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।
র্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।
-

নড়াইলে সেনাবাহিনীর সফল অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইল সদরে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মাইকিং করে সদরের গোবরা বাজার এলাকায় উজ্জ্বল চেয়ারম্যান গ্রুপ ও নিউটন গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
নড়াইল সদর থানার তদন্ত পরিদর্শক মো. সাজেদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার অভিযুক্তরা হলেন: নড়াইল সদরের গোবরা গ্রামের মৃত মুরাদ শেখের ছেলে ইকবাল শেখ (৫০), ইউনুস সরদারের ছেলে ইয়াসিন সরদার (২০), ইখতিয়ার মোল্যার ছেলে মিনহাজ মোল্যা (১৮), খায়রুল ইসলামের ছেলে আকাশ শেখ (১৯) এবং সদরের সোবারঘোপ এলাকার এনামুল শেখের ছেলে মাছুম শেখ (১৮)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নড়াইল সদরের গোবরা বাজার এলাকায় সিংগা শোলপুর ইউনিয়নের সাবেক আলোচিত চেয়ারম্যান উজ্জ্বল শেখ ও নিউটন গাজীর মধ্যে এলাকার আধিপত্য বিস্তারের জেরে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। বিরোধের জেরে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিক গোবরা বাজার এলাকায় দুপক্ষ সমর্থিতরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। তাৎক্ষণিক খবরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত দুই দলকে ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় সোলায়মান শেখ ও মোহাম্মদ তুহিন নামের আহত দুজনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানে বিপুল সংখ্যক দেশীয়, রামদা, ছুরি, সড়কি, বল্লম, লোহার রড জব্দ করে পাঁচ অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। পরে জব্দ করা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ তাদের নড়াইল সদর থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী।আরও জানা যায়, দুই পক্ষের অভিযুক্ত দলনেতা সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জ্বল শেখ ও নিউটন গাজীর বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় বেশ কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে।
-

চাপারহাটে পিঁড়িতে বসে চুল-দাঁড়ি কাঁটে না মানুষ
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
মানুষ স্বভাবগতই সুন্দরের পূজারী।চুল দাড়ি মানুষের সৌন্দর্য বহন করে। এই চুল- দাঁড়ি নিয়ে যুগে যুগে মানুষের ভাবনার অন্ত নেই। এই কারণেই ‘নরসুন্দরদের’ কদর ও প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। চুল-দাঁড়ি কেটে মানুষকে দেখতে সুন্দর করাই যাদের কাজ তারাই হলেন ‘নরসুন্দর’। যারা আমাদের কাছে নাপিত হিসেবেও পরিচিত। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় হরিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
আধুনিক সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের ফলে আজ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গতিধারায় এসেছে পরিবর্তন, লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, আধুনিক সভ্যতায় গড়ে উঠেছে আধুনিক মানের সেলুন। কদর বেশি হওয়ায় অনেকেই ঝুঁকছেন সেই সব সেলুনগুলোর দিকেই। এখনো হাট-বাজারে, গ্রামগঞ্জের পিঁড়িতে বা খাটে বসে চুল-দাঁড়ি কাঁটে ‘নরসুন্দরেরা’ হাঁটুর নিচে মাথা পেতে আবহমান বাংলার মানুষের চুল-দাঁড়ি কাটার রীতি চলে গেছে আসলেও সেই আদি পরিচিত দৃশ্য এখন আর সচরাচর চোখে পড়ে না।
হারানোর পথে আবহমান কাল ধরে চলে আসা এই গ্রামীণ ঐতিহ্য।লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা অনেক হাট-বাজারে এখনো মাঝে মধ্যে চোখে পড়ে চীর চেনা এই দৃশ্য শিমিত । অল্প খরচের কথা মাথায় রেখে এখনো তাঁদের কাছে অনেকেই চুল-দাঁড়ি কাটাতে অনেকে।
কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সতীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত প্রফুল্ল শীল, বংশ পরিক্রমায় হয়েছেন নরসুন্দর। দীর্ঘ দিন ধরে এ পেশায় ছিলেন । উপজেলার চাপারহাট সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে কাজ করতে তিনি। তার মৃত্যুর পর বাপ-দাদার এ পেশা ধরে রাখার মতো তার বংশে তার ছেলে প্রদীব কুমার শীল আছে।
প্রদীব কুমার শীল, জানান,অনেক আগে আমার বাবার চুল কাটা বাবদ দিতে হতো। হাটে বাজারে মানুষের সাথে চলা ফেরার জন্য বাদ দিতে পারে নাই। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বাবা চুল কাটতো ৩টাকা আর দাঁড়ি কাটার জন্য ২ টাকা। সে সময় যা আয় হতো তা দিয়ে সংসার ভালোভাবেই চলতো। কিন্তু বর্তমানে ৪০ টাকায় চুল ও ৩০ টাকা দাঁড়ি কেটেও সারা দিন যে টাকা উপার্জন হয় তা দিয়ে সাংসারিক ব্যয় নির্বাহ করতে আমার হিমশিম খেতে হয়।
হযরত আলী,নামে এক ব্যক্তি জানান,এখনতো উপজেলার হাট বাজারে অনেক আধুনিক সেলুন আছে।কিন্তু যখনই বাজারে যাই ও-ই চুল কাটা দেখলে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়।চিরচেনা পিঁড়িতে বা খাটে বসে চুল-দাঁড়ি কাঁটে ‘নরসুন্দরেরা’ হাঁটুর নিচে মাথা পেতে চুল-দাঁড়ি কাটার এ-ই দৃশ্য ছোটবেলায় স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। আরো জানান,আমরা এখনোm এ দৃশ্য নিজের চোখে দেখলেও, এমন একটা সময় আসবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই দৃশ্য গল্পই মনে হবে।
হাসমত উল্লাহ ।।
-

লালমনিরহাটে ৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
লালমনিরহাট থানার পুলিশর বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫কেজি গাঁজা ও পিকাবসহ ২ জন আসামি গ্রেফতার করেন। জেলা পুলিশ সুপার, মোঃ তরিকুল ইসলাম, দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক এর নের্তৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) রওশন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ সদর থানার ৮নং গোকুন্ডা ইউনিয়নের পূর্ব দালালপড়া মৌজাস্থ তিস্তা সড়ক সেতুর উত্তর পার্শ্বে টোলঘরের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে একটি পুরাতন ফ্যাকাসে হলুদ নীল রংয়ের পিকাপ যাহার রেজি নং-ঢাকা মেট্রো-ন-১১-৭৬২৮ ২ ও ৫কেজি গাঁজাসহ দুই জন কে গ্রেফতার করেন পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামী শরিফুল ইসলাম, পাবনা জেলা সাঁথিয়া থানার পাইকর হাট পশ্চিম পাড়া গ্রামের সিদ্দিক আলী, ছেলে। শান্ত ইসলাম, পাবনা জেলা সাঁথিয়া থানার মুছিদাগ গ্রামের মাহমুদ আলী, ছেলে। গ্রেফতাকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয। বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোকুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা সড়ক সেতুর উত্তর পার্শ্বে হতে একটি পুরাতন পিকাপ ও ৫কেজি গাঁজাসহ দুই জন কে গ্রেফতার করেন পুলিশ।
হাসমত উল্লাহ ।।
-

রাজশাহীতে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালিত
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস আজ (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্বের দেশের অন্যান্য জেলার মত বাজশাহীতেও দিবসটি পালিত হয়েছে। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘জলাতঙ্ক নিমূলে প্রয়োজন সব প্রতিবন্ধকতা নিরসন’। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজশাহীতে র্যালি ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তের আয়োজনে মেট্রো প্রাণিসম্পদ দপ্তরে আলোচনা সভায় জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতোয়ার রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ আব্দুল হাই সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফজলে রাব্বী।
রাজবাড়ী আঞ্চলিক দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামারের উপপরিচালক ড. মোঃ ইসমাইল হক, কৃত্রিম প্রজনন ল্যাবরেটরী, রাজশাহীর উপপরিচালক ডাঃ গোলাম মোস্তফা, পবা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সরকারসহ উপজেলা, জেলা, বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন ঔষুধ কম্পানীর প্রতিনিধি, খামারী উপস্থিত ছিলেন।
ডা. মোঃ আব্দুল হাই সরকার বলেন, সম্প্রতি কুকুর-বিড়ালসহ অন্যান্য প্রাণীর আক্রমণের শিকার হওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। গত বছর প্রাণীর কামড়-আঁচড়ে আক্রান্ত ৫ লাখেরও বেশি মানুষ জলাতঙ্কের টিকা নিয়েছেন। এতে জলাতঙ্কে আক্রান্ত রোগীর বহুলাংশে সংখ্যা কমেছে। বাংলাদেশে ২০১০ সালের আগে প্রতিবছর জলাতঙ্ক রোগে ২০০০ এর বেশি মানুষ মারা যেত, যা ২০২৩ সালে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪২ জনে। তার আগের বছর ছিল ৪৪ জন। মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মরণঘাতী জলাতঙ্ক বহু পুরোনো সংক্রামক রোগ। এই রোগের লক্ষণ দেখা দিলে মৃত্যু অনিবার্য। তবে সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা তথা টিকা গ্রহণ করলে এ রোগ শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। কুকুর, বিড়াল, বানর, বেজি ও শিয়ালের কামড় বা আঁচড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষারযুক্ত সাবান পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান কমপক্ষে ১৫ মিনিট ধুয়ে নিতে হবে। সঙ্গে যথাসময়ে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নিলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. আতোয়ার রহমান মরণঘাতী জলাতঙ্ক রোগের ভয়াবহতা উল্লেখ পূর্বক এর বিরুদ্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা দেন। প্রাণি থেকে মানুষে ছড়াতে পারে, এব্যপারে আতঙ্কিত না হয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। জলাতঙ্ক রোগ বহনকারী কুকুর, দিলে, আঁচড় দিলে নিকটস্থ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নিয়ে গিয়ে ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া নেয়ার পরামার্শ দেন এ কর্মকর্তা।
এ দিকে ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার জলাতঙ্ক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করে। স্বাস্থ্য বিভাগ, প্রাণিসম্পদ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ২০১১-১২ সাল থেকে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূল কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। জলাতঙ্ক রোগ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কৌশল পত্র প্রস্তুত করে দেশকে জলাতঙ্কমুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে এবং তা বাস্তবায়নে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়। আর এসব বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছে জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ল্যাবে প্রাণীদেহে জলাতঙ্কের জীবাণু নিশ্চিতকরণের কাজ করছে। এতে নির্দিষ্ট স্থানে এ রোগের উপস্থিতি ও প্রাদুর্ভাব নির্ণয় করে মানুষ ও প্রাণিদেহে জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর নির্ভর করে পরিবেশে জলাতঙ্কের প্রধান উৎস কুকুরের মধ্যে ব্যাপকহারে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।
১৫০ টি পোষা প্রাণিকে, (বিড়াল, কুকুর) বিনামূল্যে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা
প্রদান কর হয়। বক্তাগণ জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা, প্রাণি থেকে কিভাবে মানুষের দেহে বিস্তার করে সে ব্যপারে বিস্তর আলোচনা করেন।মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

উজিরপুরে ইজ্জত বাঁচাতে যুবকের পুরুষাঙ্গ কর্তন, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ করলো এলাকাবাসী।
জুনায়েদ খান সিয়াম,
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের সানুহার গ্রামে গভীর রাতে ধর্ষণের চেষ্টা কালে এক যুবকের পুরুষাঙ্গ কর্তন করে দিলেন ভুক্তভোগী এক নারী। অভিযুক্ত যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।অভিযোগ, স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সানুহার গ্রামের মোঃ মোজাম্মেল আকনের পুত্র শাওন আকন (২৫) ও শোলক ইউনিয়নের কালা কচুয়া গ্রামের সেকেন্দার বালীর পুত্র মামুন বালী (৩৫) শুক্রবার রাত ২:৫৯ মিনিটে সানুহার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন মাওলানা আঃ মজিদ ফারুকীর ভাড়াটিয়ার বাসায় হানা দিয়ে দরজা ধাক্কাধাক্কি করে, এ সময় ভুক্তভোগী বিষয়টি আচ করতে পেরে ধারালো বটি নিয়ে ওথ পেতে থাকে। এ সময় বখাটে শাওন তার পুরুষাঙ্গ দরজার ফাঁকা দিয়ে প্রদর্শন করলে ভুক্তভোগী নারী ধারালো বটি দিয়ে আঘাত করে।এতে বখাটে যুবকের পুরুষাঙ্গের অধিকাংশ জায়গায় কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে ওই যুবককে আটক করে পুলিশের সোপর্দ করা হয়। এ বিষয়ে বাড়িওয়ালার ভায়ড়া ছেলে বজলুর রহমান জানান, অভিযুক্ত শাওন ও মামুন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও নারীদেরকে হেনস্তাকারী হিসেবে চিহ্নিত। অভিযুক্ত শাওনকে একাধিকবার চুরির অপরাধে গণধোলাই দিয়েছিল এলাকাবাসী। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাওন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাওন কে আটক করা হয়েছে, মামলার প্রস্তুতি চলছে।