Category: দেশজুড়ে

  • ফসলি জমির মাটি কাটায় দুটি এক্সেভেটর অ-কেজো করা হয়েছে

    ফসলি জমির মাটি কাটায় দুটি এক্সেভেটর অ-কেজো করা হয়েছে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলায় অবৈধভাবে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কেটে বিক্রি করায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধ মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন অকেজো করা হয়েছে।
    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানার নেতৃত্বে রোববার মোহনপুর উপজেলার মতিহার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে দুটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল
    এদিকে অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরিবহনের সুযোগ না থাকায় জব্দকৃত এক্সেভেটর দুটি ঘটনাস্থলেই অকেজো করে দেওয়া হয়
    এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানা বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিবেশ ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।এবিষয়ে তিনি জনসাধারনের কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
    এদিকে একাধিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কৃষি জমি রক্ষা করায় সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। #

  • মান্দায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামের চিত্র

    মান্দায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামের চিত্র

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী
    নওগাঁর মান্দায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য(কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা(কাবিটা) কর্মসুচি প্রকল্পের
    মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের বদলে যাচ্ছে গ্রামের উন্নয়নের চিত্র। এসব উন্নয়ন কর্মসুচির সুফল পেতে শুরু করেছেন প্রত্যন্ত এলাকার জনগোষ্ঠী। এতে এসব জনগোষ্ঠীর মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বদলে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
    জানা গেছে, মান্দায় গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা(কাবিটা) কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন,মেরামত সংস্কার ও উন্নয়ন করা হয়। গ্রামীণ এলাকার রাস্তাঘাট নির্মাণ, মেরামত, কালভার্ট তৈরি, সেচ নালা খনন এবং বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করার লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামীন অবহেলিত রাস্তা গুলো চিহ্নিত করে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে(ইউপি)
    এসব রাস্তা-ঘাটের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এসব উন্নয়ন কাজের ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। গ্রামীণ জীবনযাত্রার মানকে আরো উন্নত করতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
    এদিকে এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪টি ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আবার কিছু কাজ চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সুফল পাবেন জনগণ বদলে যাবে গ্রামীণ জনপদের চিত্র।
    সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার
    পরানপুর, ভারশোঁ, ভালাইন, কুসুম্বা, বিষ্ণুপুর ও গণেশপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে (ইউপি) প্রকল্প কর্মসূচির কাজ সম্পন্ন হয়েছে, আবার স্থানে চলমান রয়েছে।
    এদিকে চকরামাকান্ত গ্রামের পাকা রাস্তায় আব্বাসের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি খানাখন্দকে বেহাল দশায় ছিল। গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা আল মামুন, আলমগীর, জহিরুল জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাটি কেটে রাস্তাটি সংস্কার করায় চলাচলের অনেক সুবিধা হয়েছে। একই ইউনিয়নের (ইউপি) বনগ্রাম দুলালের বাড়ি হতে আতাউরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ইউপি সদস্য (মেম্বার) বিষ্ণু জানান, পিআইও স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজগুলো সঠিকভাবে করা হচ্ছে। পিআইও স্যার নিজেই এসব উন্নয়ন কাজ দেখভাল করছেন।এতে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে কেউ অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছে না। ইউপি সদস্য (মেম্বার) তানজিলা জানান, লোকজন না থাকায় কাজ কিছুদিন বন্ধ ছিল এখন আবার কাজ শুরু করা হয়েছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিয়ম মেনে কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে।তিনি বলেন,উন্নয়ন কাজগুলো পিআইও স্যার নিজেই সরেজমিন পরিদর্শন করছেন।
    এবিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে মান্দা উপজেলায় ইতিমধ্যে ৬০টি প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে সুবিধা ভোগ করছে জনগণ। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ফেরাতে প্রকল্পের তথ্যসম্বলিত সাইনবোর্ড ব্যবহার ও নাম ফলক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অথচ ইতিপূর্বে কোন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্পের সভাপতিগণ সাইনবোর্ড ব্যবহার করতেন না। একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাতে করে স্থানীয় জনগণ প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কে জানতে পারেন। এজন্যই মূলত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে কর্মসূচির আওতায় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বার্থে ধারাবাহিকভাবে প্রকল্প প্রদান ও বাস্তবায়ন করা হবে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, ইতি মধ্যেই কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সুবিধার্থে রাস্তাঘাট, ইটসলিং, এইচবিবি করুণ কালভার্ট, সিসি ঢালাই এর মাধ্যমে বেশ কিছু কাজ সংস্কার ও উন্নয়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পে যেহেতু আমাদের অফিস পর্যায়ের প্রত্যয়ন পত্রের মাধ্যমে শতভাগ কার্যক্রম গুলো দেখে বিল প্রদান করা হয়। এছাড়াও চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যগণ দেখভাল করেন এতে করে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সুবিধা হয়। এবিষয়ে ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদ(ইউপি)চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,এবার পিআইও স্যার নিজেই সবগুলো উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করছেন।তিনি বলেন,এতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে।#

  • নেছারাবাদে শহীদ ওসমান বিন হাদীর রু-হের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    নেছারাবাদে শহীদ ওসমান বিন হাদীর রু-হের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর //

    নেছারাবাদে জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) মাগরিব নামাজের পর নেছারাবাদ উপজেলার মাহামুদকাঠি বাশবাড়ি জামে মসজিদে এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    দোয়া মাহফিলে উপস্থিত থেকে মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সন্তান আলহাজ্ব শামীম সাঈদী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী এবং ছোট পুত্র আলহাজ্ব নাসিম সাঈদী।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এম এ বাসার কেন্দ্রীয় শিক্ষক পরিষদের নেতা ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হক, সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্র পরিচালক ছিদ্দিকুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক, নেছারাবাদ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. আবুল কালাম আজাদ।
    অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রশিদ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও মিডিয়া বিভাগের সভাপতি মো. গোলাম আযম আছলাম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, মো. মাসুম বিল্লাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে শহীদ ওসমান বিন হাদীর আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি ও ইসলামের কল্যাণে বিশেষ দোয়া করা হয়।
    দোয়া মাহফিল শেষে আল্লামা সাঈদীর তিন পুত্র আটঘর কুড়িয়ানার মাহামুদকাঠি বাশবাড়ি এলাকায় ওমান প্রবাসী মো. জিয়াউর রহমানের বাসায় আতিথেয়তা গ্রহণ করেন।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর ।।

  • সুজানগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৭৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

    সুজানগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৭৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে’ এই স্লোগানে পাবনার সুজানগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৭৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উদযাপন করা হয় এ অনুষ্ঠান।এ সময় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ১৯৭৪ সালের এসএসসি ব্যাচের পরীক্ষার্থী অ্যাডভোকেট আরশেদ আলম, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান, শামসুল আলম চৌধুরী জিন্না, মঞ্জু মন্ডল, আব্দুস সাত্তার মুন্সী, মনোয়ার হোসেন মধু, শ্রী অখিল কুণ্ড, সাদেক আলী, জাহাঙ্গীর হোসেন হারুন শেখ, এনামুল হক সোনাই, শ্রী ভবেশ দাস, মুমতাজ মন্টু, মোকছেদ খান, রাজ্জাক খান, ইব্রাহিম, আব্দুর রশিদ, মনসুর আলী, ছায়েন উদ্দিন, মোকছেদ আলী, সোতাহার, শফিউল আলম, জব্বর হোসেন, আব্দুল মান্নান, হাসেম হোসেন, কিয়ামুদ্দিন, মজিদ, খায়রুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আতাউর মঞ্জু, শফি, রশিদ, সুবাহান, মাবুদ আলী, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুস সাত্তার, শ্রী মধুসোধন, রাজা হোসেন, হারুন অর রশিদ, আব্দুল আজিজ, শ্রী সিদ্ধেশ্বর, লিয়াকত হোসেন, মঞ্জুর হোসেন, জালাল উদ্দিন, আবু বাক্কার, বন্দের আলী, ইমান আলী, আমিরুল ইসলাম ও মাজেদ আলী প্রমূখ।এদিকে পুনর্মিলনী উৎসবে এসব প্রাক্তনরা মেতে উঠেছিলেন আনন্দে, যেন তারা ফিরে গেছেন নিজেদের শৈশবে। পুরোনো বন্ধুদের এক সঙ্গে পেয়ে সব ক্লান্তি যেন দূর হয়ে গিয়েছিল। একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলির মাধ্যমে তৈরি করেন বন্ধুত্বের নতুন দ্বার। করে রাখেন ক্যামেরাবন্দি।প্রাক্তন শিক্ষার্থী এডভোকেট আরশেদ আলম বলেন, ‘আমরা শৈশব-কৈশোরের খেঁাজে এখানে ছুটে এসেছি, স্বপ্নের দুয়ারে, স্মৃতির আঙিনায়। বহুদিন পর স্কুলবন্ধুদের একত্রিত করতে পারলাম। নানা ব্যস্ততায় অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ ছিল না। পরে বন্ধুদের একত্রিত করার উদ্যোগ নিই, আর সেই ভাবনা বাস্তবায়ন করতেই এই মিলনমেলা। সত্যিই দারুণ একটা দিন কাটিয়েছি।শামসুল আলম জিন্না নামে আরেক প্রাক্তন স্মৃতিচারণে বলেন, ‘এই মিলন মেলা আমাদের আনন্দ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। এক সময় আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করলেও, জীবিকার তাগিদে অনেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। কেউ ঢাকা, কেউ চট্টগ্রাম, কেউবা আরও দূরদূরান্তের জেলায়। জীবনের এমনই নিয়ম। এখন হয়তো কালেভদ্রে সেসব বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়। ফলে আমরা চেয়েছিলাম এবারে সবাই একত্রিত হতে। সবাইকে দীর্ঘ ৫১ বছর পর পেয়ে অসাধারণ এক সময় উপভোগ করছি।’প্রাক্তন শিক্ষার্থী মঞ্জু মন্ডল বলেন, ‘কৈশোরের বন্ধুত্ব কখনও হারায় না, হারিয়ে যাবার নয়। জীবন-জীবিকার তাগিদে আমরা হয়তো ব্যস্ত থাকি, কিন্তু ছেলেবেলা কখনও মুছে যায় না, অমলিন হয়ে থাকে স্মৃতিপটে। এ কারণে জীবন চলার পথে যতো মানুষের সঙ্গেই বন্ধুত্ব হোক না কেন, স্কুলজীবনের বন্ধুত্বের মতো কখনও স্মৃতিময় হয় না। প্রকৃত বন্ধুই হলো স্কুল জীবনের খেলার সাথীরাই। তারাই প্রকৃত বন্ধু। এ কারণেই আমরা সবাই মিলে চেয়েছিলাম এমন একটা আয়োজন করতে যেখানে সবাই একসঙ্গে দীর্ঘ ৫১ টি বছর পর একত্রিত হতে পারবো। এটি আমাদেরকে ছোটবেলা, স্কুলজীবনকে ফিরিয়ে দিয়েছে।মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে খেলাধুলা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনে আনে ভিন্ন মাত্রা। সেখানে একে অপরের সঙ্গে আনন্দে দিনব্যাপী মেতে ওঠেন এসব প্রাক্তনরা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছার পল্লীতে তীব্র শীতে আ-গুন জ্বা-লিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা

    পাইকগাছার পল্লীতে তীব্র শীতে আ-গুন জ্বা-লিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছার গ্রামাঞ্চলে তীব্র শীতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে মানুষেরা।শীতের সকালে খড়-কুটো দিয়ে আগুন পোহানো গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য। পৌষের শীতে সবাই গরমের পোশাকে জবুথবু।অনেকের পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় শীতে কস্ট পায়। তাদের সূর্য ওঠার সঙ্গে-সঙ্গে বাড়ির আঙিনায় সকাল সন্ধ্যায় আগুন পোহানোর দৃশ্য দেখা যায়। প্রচণ্ড শীতে আগুন পোহানোর দৃশ্যটি সবার কাছে পরিচিত, সেটা হলো শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে আগুন পোহানো। এটা নতুন কিছু নয় পূর্বে থেকেই। এমন চিত্র শুধু গ্রামেই দৃশ্যমান।খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের পাশে মেইন সড়ক তার ধারে গ্রামে বৃদ্ধরা খড়-কুটো দিয়ে আগুন ধরিয়ে চারপাশে ৪-৫ জন মিলে আগুন পোহাতে দেখতে পাওয়া যায়। কেউ দাঁড়িয়ে কেউ বসে, যে, যেভাবে পারছেন আগুনের তাপ পোহাচ্ছেন। শৈত্যপ্রবাহে নাজেহাল অবস্থা সবার। হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডায় সবাই জবুথবু- শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার একই হাল। শীত থেকে যেন কারও বাঁচার সাধ্য নেই।
    এবারে হঠাৎ করেই শীত বেশি পড়তে শুরু করেছে। তার সাথে যোগ হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। শীতের সময় শীত পড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একনাগাড়ে এতদিন ধরে সাধারণত শৈত্যপ্রবাহ থাকে না। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রা দ্রুত নিচে নেমেছে। প্রচণ্ড ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ায় জনসাধারণের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুরা। শীতবস্ত্র ও খাবারের সংকটে হাজার-হাজার দরিদ্র মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। জেলাজুড়ে এক সপ্তাহ শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন তারা।আগুন পোয়াতে আসা শহিদুল ইসলাম বলেন, আগুন তাপানোর আয়োজনটা সাধারণত করে থাকে বাচ্চারাই। যদিও সে আয়োজন উপভোগ করে সবাই। তবে আগুন পোহাতে গিয়ে গাঁয়ের মানুষের দুর্ভোগও কম না। তারপরও শীতের প্রকোপ সহ্য করতে না পেরে মানুষ আগুন পোহায়। শীতের সকাল সন্ধ্যায় আগুন পোহাতে আমরা অনেক আনন্দ পাই। এটা নতুন কিছু নয়, আগুন পোহানো এটা পুরাতন প্রথা। অন্য বছরের তোলনায় এ বছর শীত একটু বেশি। তাই এমনিভাবে প্রতিদিনই গ্রামের ছেলেরা একত্রিত হয়ে আগুন পোহাই। কলেজ শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, দুই- তিন দিন ধরে সূর্যের চোখ দেখা যাচ্ছে না। প্রচণ্ড শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গ্রামের মানুষ।প্রতিদিন বেড়েই চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীদের ভিড়। কোথাও কোথাও সরকারি উদ্যোগে কম্বল বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সুজন কুমার সরকার বলেন, তীব্র শীতে শিশু-বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস, জ্বর, সর্দি কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শীতে আগুন পোহাতে বেশি দেখা যায় গ্রামাঞ্চলে। তবে আগুন পোহানো থেকে বিরত থাকাই ভালো। শীতে হাতে পায়ে মোজা ও ৪-৫ টি পাতলা গরম কাপড় পরলে শরীরের জন্য ভালো। প্রায়ই সংবাদপত্রে সে খবর উঠে আসে। পুড়ে দগ্ধ, পুড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হয় মানুষের।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • নড়াইলে জামায়াতের উদ্যোগে নামাজ প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরুস্কার বি-তরণ

    নড়াইলে জামায়াতের উদ্যোগে নামাজ প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরুস্কার বি-তরণ

    উজ্জ্বল রায়, (নড়াইল) জেলা প্রতিনিধি :
    নড়াইলের লোহাগড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোহাগড়া উপজেলার ১২ নং কাশিপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে রামেশ্বরপুর রাজনীতির মোড়ে সর্বোচ্ছ জামাতে নামাজ আদায়কারী বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে জামাতে নামাজ আদায়ে উদ্বুদ্ধ করতে রামেশ্বরপুর বাজার জামে মসজিদে চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্ছ জামাতে নামাজ আদায়কারী বিজয়ী পাঁচ জনকে ৫টি বাই সাইকেল পুরুস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। কাশিপুর ইউনিয়নের রোকন পদপ্রার্থী হাফেজ সরোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ভয়েস অব ইনসাফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো: আমিনুল ইসলাম, বিশেষ আতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাশিপুর ইউনিয়ন শাখা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহফুজুর রহমান এবং ওই ইউনিয়নের গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। পুরুস্কার পেয়ে বেজায় খুশী বিজয়ীরা। ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানের সার্বিক পৃষ্টপোষকতা করেন, গিলাতলা গ্রামের কৃতি সন্তান ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: আতিকুল ইসলাম। আতিক’র এমন অনেক সামাজিক কাজের জন্য উপস্থিত লোকজন তাকে আগামী দিনে কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
    এ বিষয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, এলাকার সার্বিক সামাজিক কাজে তিনি সহযোগীতা করে আসছেন এবং এ সহযোগীতা অব্যহত রাখবেন। কাশিপুর ইউনিয়ন বাসির চাওয়াকে সর্বোচ্ছ গুরুত্ব দিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করবেন।

    উজ্জ্বল রায়, (নড়াইল) জেলা প্রতিনিধি।

  • দোয়ারাবাজার সাইডিংঘাটে জাতীয় নাগরিক পাটি (এনসিপি)’র অফিস উ-দ্বোধন

    দোয়ারাবাজার সাইডিংঘাটে জাতীয় নাগরিক পাটি (এনসিপি)’র অফিস উ-দ্বোধন

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সাইডিংঘাটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র নতুন অফিসের উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলা এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লন্ডন লেবার পার্টি ও সুনামগঞ্জ জেলা এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন।

    অফিস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুহুল আমিন বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের অধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশ ও প্রবাসে থাকা এনসিপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দল আরও শক্তিশালী হবে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে।

    তিনি আরও বলেন, তরুণ সমাজকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করে একটি আধুনিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলাই এনসিপির মূল লক্ষ্য। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে এনসিপির নবগঠিত উপজেলা কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক শাহিনুর আলম, ইমরান হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শিব্বির আহমদ।

    দোয়ারাবাজার উপজেলা জাতীয় নাগরিক পাটি (এনসিপি)’র আহবায়ক আব্দুস সোবহান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির, যুগ্ম আহবায়ক ফরমান আলী তালুকদার, আহসান হাবীব হাসান মো. হাফিজ আহমদ,মো. মাহবুব মিয়া, মো.শফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব মনফর আলী।

  • পাইকগাছায় পুলিশের অ-ভিযানে ১৪৫ পিস ই-য়াবাসহ  মা-দক কা-রবারি গ্রে-ফতার

    পাইকগাছায় পুলিশের অ-ভিযানে ১৪৫ পিস ই-য়াবাসহ মা-দক কা-রবারি গ্রে-ফতার

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান জিরো টলারেন্স অভিযানে ১৪৫ পিস সবুজ রংয়ের ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত ও পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    আটক ব্যক্তি মো. আব্দুস সালাম মুন্না (৪০), পিতা মো. ইন্তাজ আলী মোল্লা, লস্কর ইউনিয়নের বাসিন্দা। পুলিশের তথ্যমতে, তিনি একজন পুরনো মাদক কারবারি এবং তার বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক মামলাতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।

    পুলিশ সূত্র জানায়, আটক আব্দুস সালাম মুন্নার বিরুদ্ধে জিআর ১৮১/১৮ (পাইকগাছা) নম্বরের একটি মাদক মামলায় পূর্ব থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে লস্কর ইউনিয়নের একটি নির্দিষ্ট স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাইকগাছা থানার উপ- পরিদর্শক কামরুজ্জামান। অভিযানে তার সঙ্গে ছিলেন এএসআই আনিছ। অভিযানের সময় আটক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি চালিয়ে ১৪৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যা আইনগত প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে।

    পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম কিবরিয়া জানান,“আটক ব্যক্তি একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং পূর্বে জিআর ১৮১/১৮ নম্বর মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    পুলিশ জানায়,জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    এদিকে, এলাকাবাসী পুলিশের এই কঠোর অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিদের কারণে এলাকার পরিবেশ ও যুবসমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। পুলিশের এমন ধারাবাহিক ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদক নির্মূল সম্ভব হবে।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা

  • পাইকগাছায় সরকারি মাটি কর্তন, যৌথ অভিযানে আ-টক -২  একজনের  কা-রাদণ্ড

    পাইকগাছায় সরকারি মাটি কর্তন, যৌথ অভিযানে আ-টক -২ একজনের কা-রাদণ্ড

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় সরকারি মাটি কাঁটার অপরাধে আকরাম হোসেন (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার রাত ১১ টা ২৭ ডিসেম্বর শনিবার রাত আড়াইটা উপজেলার চাঁদখালীত যৌথ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসন। অভিযান পরিচালনাকালে চাঁদখালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সরকারি খাসজমি ও কপোতাক্ষের বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় সরকারি মাটি কাঁটার সময় যৌথ অভিযানে দুজন কে হাতেনাতে আটক এবং ঘটনাস্থল থেকে ভেকু ও বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহার করা ৩ টি ব্যাটারি জব্দ করা হয়। পরে আটক দুই জনের মধ্যে কালিদাসপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান গাজীর ছেলে আকরাম হোসেন গাজী কে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে মুচলেকা দিয়ে তার অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয় । উল্লেখ্য উপজেলার চাঁদখালীতে বেশ কয়েকটি ইটভাটা রয়েছে একটি চক্র খননকৃত কপোতাক্ষ নদের বাঁধের মাটি এবং সরকারি জমি মাটি কেটে এসব ইটভাটায় দীর্ঘদিন সরবরাহ করে আসছিল। এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ইউএনও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন।

  • সুনামগঞ্জ ৫ ছাতক দোয়ারাবাজার আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাদিক সালিম এর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    সুনামগঞ্জ ৫ ছাতক দোয়ারাবাজার আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাদিক সালিম এর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জ–৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত রিকশা মার্কার প্রার্থী সাদিক সালীমের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
    আজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    নেতৃবৃন্দ জানান, সাদিক সালীম একজন আদর্শবান, সৎ ও জনবান্ধব নেতা। তাঁকে বিজয়ী করতে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
    মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ কামনা করেন এবং সুনামগঞ্জ–৫ আসনের ভোটারদের দোয়া ও সহযোগিতা চান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি
    শায়ক মাওলানা কামাল উদ্দিন, মাওলানা আলি হায়দর,হাফেজ জহির উদ্দিন, মুফতী আব্দুস সালাম, সেক্রেটারী দোয়ারাবাজার উপজেলা মাওলানা আব্দুল খালিক মানিক, প্রশিক্ষন সম্পাদক মাওলানা অলিউর রহমান, বাংলাবাজার ইউপি সভাপতি মাওলানা সুলতান মাহমুদ, ডা. নুর আলম, মো. হেলাল আহমদ প্রমুখ।