Category: দেশজুড়ে

  • নলছিটিতে কর্মকর্তাকে ঘুস দিয়েও রেমালের সরকারি সাহায্য পেলেন না ক্ষতিগ্রস্তরা

    নলছিটিতে কর্মকর্তাকে ঘুস দিয়েও রেমালের সরকারি সাহায্য পেলেন না ক্ষতিগ্রস্তরা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে ঘুসের টাকা দিয়েও  ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারি সাহায্য পাননি বলে অভিযোগ করেছেন বাছাই প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত এক ট্যাগ অফিসারের বিরুদ্ধে। উপজেলার মগড় ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের দুই মহিলা ইউপি সদস্য ( আশা আক্তার ও ময়না বেগম) এ অভিযোগ করে মঙ্গলবার( ৮ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন, সদ্য সাবেক উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা উজ্জল কৃষ্ণ বেপারী। (যিনি অন্যত্র (ঢাকা হেড অফিস) বদলি হয়ে মঙ্গলবার ( ৮ অক্টোবর)নলছিটি ছেড়ছেন।)
    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালে উপজেলার মগড় ইউপির ১৫২( এক শত বায়ান্ন) জন ক্ষতিগ্রস্তকে সম্প্রতি( ৫ অক্টোবর) গৃহ নির্মাণের জন্য সরকারি সাহায্য জনপ্রতি এক বান্ডিল( এক বান) টিন ও ৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। ইতোপূর্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মৌখিক নির্দেশে ওই ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ দাখিল করেন ইউপি সদস্যরা। তাদের দেওয়া নামের তালিকা সরেজমিনে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা উজ্জ্বল কৃষ্ণ বেপারীকে ওই ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়। ইউপি সদস্যদের দেওয়া তালিকা বাছাইয়ে ঠিক রাখার আশ্বাস দিয়ে ওই কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে ঘুষ নেন। ইউপি সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে ওই ঘুসের টাকা তুলেন। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে  টিন ও টাকার চেক বন্টনকালে ইউপি সদস্যদের দেওয়া তালিকার অনেকেই এই সাহায্য পায়নি। ঘুসের টাকা দিয়েও সাহায্য না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয় ক্ষতিগ্রস্তরা।
    মগড় ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের ইউপি  সদস্য আশা আক্তার অভিযোগ দেওয়ার কথা স্বীকার করে  বলেন , ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ জনের নামের তালিকা ইউএনও( উপজেলা নির্বাহী অফিসার) স্যারের মৌখিক নির্দেশে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে  জমা দেন তিনি । সরেজমিনে যাচাইয়ে তা ঠিক রাখার জন্য ট্যাগ অফিসার উজ্জল কৃষ্ণ বেপারীকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে পনের জনের জন্য ১৫( পনের) হাজার টাকা দেন তিনি । কিন্তু তার দেওয়া তালিকার ক্ষতিগ্রস্তরা কেউ সাহায্য পায়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্তরা তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন। তারা ভাবছেন তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি ওই কর্মকর্তাকে টাকা দেননি। তিনি আরও জানান, ওই কর্মকর্তা ইউনিয়নের ১২  জন ইউপি সদস্যের কাছ থেকেই ওই হারে টাকা নিয়েছেন। এখন হয়তো অনেকেই তা স্বীকার করবেন না।
    অপর ইউপি সদস্য ময়না বেগম জানান, তিনি ৫জন ক্ষতিগ্রস্তের জন্য ওই কর্মকর্তাকে ৫০০০ টাকা দিয়েছেন। তারাও কেউ সাহায্য পায়নি।
    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কর্মকর্তা উজ্জ্বল কৃষ্ণ বেপারী সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরেজমিনে গিয়ে যাদের ঘরবাড়ির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ দেখেছি, তাদের নাম ঠিক রেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তালিকা দিয়েছি। তাতে অভিযোগকারী ওই মেম্বার সাহেবদের দেওয়া তালিকা থেকে যারা সাহায্য পাওয়ার যোগ্য তাদের কয়েকজনের নামও দিয়েছি। কিন্তু কেন তারা সাহায্য পায়নি তাতো আমি বলতে পারব না। আমিতো চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ নই। আমি শুধু যাচাই বাছাই করেছি। ইউএনও স্যার চূড়ান্ত সিন্ধান্ত নিয়েছেন।  তিনি আরও বলেন, মেম্বর সাহেবদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে তারা এসব কথা বলছেন।
    নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সমস্ত উপজেলায় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে টিন ও টাকার চেক স্বচ্ছভাবে বন্টন করা হয়েছে। যেটা সবাই জানে। আমি ওই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এরপর ওই মেম্বার সাহেবদেরকে বলেছি যদি একান্ত ক্ষতিগ্রস্ত কেউ সাহায্য না পেয়ে থাকেন, তাদের জন্য ব্যবস্থা করা হবে।

  • মধুপুরে  পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার সানতু

    মধুপুরে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার সানতু

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা পুলিশ সুপার। বুধবার রাত সাড়ে নয়টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রাইম এন্ড অবস পুলিশ সুপার পদে (পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শরাফ উদ্দিন,সহকারী পুলিশ সুপার মধুপুর সার্কেল ফারহানা আফরোজ জেমি মধুপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ মো. এমরানুল কবির, তদন্ত অফিসার রাসেল আহমেদ সহ থানার অন্যান্য পুলিশ অফিসার।
    পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বাবু সুশীল কুমার , সাধারণ সম্পাদক সাধন মজুমদার সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা।
    পরিদর্শনকালে জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ৮ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত আমাদের নিরাপত্তা বহাল থাকবে। পুজার নিরাপত্তা নিয়ে তারা শঙ্কিত নন বলেও তিনি জানান।

  • জীবননগর হাসাদাহ প্রেসক্লাবের সাথে নবাগত অফিসার ইনচার্জ মামুন হোসেন বিশ্বাসের মতবিনিময়

    জীবননগর হাসাদাহ প্রেসক্লাবের সাথে নবাগত অফিসার ইনচার্জ মামুন হোসেন বিশ্বাসের মতবিনিময়

    আল আমিন মোল্লা
    জীবননগর অফিস।

    জীবননগর হাসাদাহ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবাগত অফিসার ইনচার্জ ওসি মামুন হোসেন বিশ্বাসের সাথে হাসাদাহ প্রেসক্লাবের সদস্যগন ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসাদাহ প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আতিয়ার রহমান, সভাপতি ডি এম মতিয়ার রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল আলম সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান প্রচার সম্পাদক এম আই আতিয়ার রহমান ক্রিয়া সম্পাদক প্রফেসর হাসান ইমাম সাংস্কৃতিক সম্পাদক রায়হান উদ্দিন খোকনসহ সকল সাংবাদিক বিন্দু উপস্থিত ছিলেন।

  • দিন রাত কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও,লুটপাটে বাধা পড়ায় ষড়যন্ত্রে একটি চক্র

    দিন রাত কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও,লুটপাটে বাধা পড়ায় ষড়যন্ত্রে একটি চক্র

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:নজরুল ইসলাম যোগদানের এক বছরের মধ্যেই তার জনবান্ধব কার্যক্রমের মাধ্যমে উপজেলার সর্বস্তরেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন।দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে উপজেলার মাঠঘাট চষে বেরাচ্ছেন,সাধারণ মানুষের কথা শুনছেন,সমাধানও করছেন।সকাল থেকে মাঝরাত এমনকি মাঝে মধ্যে ভোররাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন বিভিন্ন সময়।বিশেষ করে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা মানুষের প্রয়োজনে ঝড়ের রাতেই ছুটেছেন খাদ্য সহায়তা নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে।সেচ্ছাসেবীদের নিয়ে নিজেই লেগে গিয়েছেন মাঝ রাতে রাস্তায় পরে থাকা গাছের ডালপালা কাটতে।
    শীতের দিনে দরিদ্রদের জন্য আসা কম্বল বিতরনে নিজেই ছুটে গিয়েছেন বস্তি কিংবা বেদে পল্লীর ঠিকানাহীন অসহায়দের কাছে।
    উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের অনিয়ম দুর্নিতী ধরে ধরে তা বন্ধ করতে হয়ে উঠেছিলেন তৎপর।অতীতে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ নাকরে অর্থ লুটপাটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া এবং জনপ্রতিনিধিদের অনিয়ম দুর্নিতীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকায় শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে এই উপজেলায় শুরু হয়েছে নানামুখী ষড়যন্ত্রও।গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে (টিআর,কাবিখা,কাবিটা) অতীতে কাজ না করেই তুলে নেয়া হতো বরাদ্দের অর্থ।গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন না করে এই তহবিলকে জনপ্রতিনিধিরা তাদের নিজেদের পকেট খরচ কিংবা ঈদ খরচ হিসেবে ধরে নিতেন।এতে বাধা দেয়ায়,কাজ না হলে অর্থ ছাড় না দেয়ায় তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগেন বিভিন্ন ইউনিয়নের দুর্নিতীবাজ চেয়ারম্যানরা।
    উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসার মান উন্নয়নে নিজেই সরেজমিনে পরিদর্শন করেন হাসপাতাল,ঘুরে ঘুরে খোজ খবর নেন ভর্তি রোগীদের।খাবারের মান উন্নয়নে কঠোর হবার নির্দেশনা দেন,হাসপাতালের চারপাশের ঝোপঝাড় পরিস্কার করে মশক নিধনেও ছিলো তারই পদক্ষেপ।
    এছাড়াও ঘুর্নিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আসা বরাদ্দ যাতে চেয়ারম্যানরা লুটপাট করে খেতে না পারেন সেজন্য সরাসরি উপজেলা প্রশাসনের থেকে সুবিধাভোগীদের মাঝে অর্থ এবং ঢেউটিন বিতরন করা হয়।যারফলে ইউনিয়ন পরিষদের অনেক জনপ্রতিনিধিরাই বিশাল অংকের উৎকোচ বঞ্চিত হয়ে আর ঠিক থাকতে পারছেন না।যারফলে তাদের নিজেদের পিঠ বাচাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করতে উঠেপড়ে লেগেছেন নানামুখী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে।সঠিক নাম ঠিকানাহীন অভিযোগকারীদের দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করছেন ভিত্তিহীন অভিযোগ।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে নাগরিকদের প্রায় সকলেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সেবায় অত্যন্ত সন্তষ্ট এবং তাকে অত্যন্ত সজ্জন বলেই স্বীকার করেন।
    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের তথ্য নিতেও ঝড়ের রাতে ছুটে গিয়েছিলেন নলছিটির দুই শহীদের বাড়িতে।বিদ্যুৎ না থাকলেও জেনারেটর চালিয়ে ভোররাত পর্যন্ত কাজ করে তা নিয়ে সকালেই আবার ছুটে গিয়েছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে।ভূমিহীনদের জন্য নির্মান করা সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মানেও তদারকি করছেন নিজেই।প্রায় দিনই সুযোগ বের করে ছুটে যান আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজের মান পরিদর্শনে।
    সর্বোপরি নলছিটি উপজেলার সাধারণ মানুষের মন জয় করতে পারলেও তিনি বিরাগভাজন হয়ে গেছেন দুর্নীতিবাজ এবং তাদের প্রশ্রয়দাতাদের চোখে।তবে তার বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র ও জনতা।
    এ বিষয়ে জানতে চাইলেও কারও বিরুদ্ধে নেতিবাচক কথা বলতে রাজি হননি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম।

  • রাজশাহীতে ষষ্ঠীর আনুষ্ঠানিকতায় শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু

    রাজশাহীতে ষষ্ঠীর আনুষ্ঠানিকতায় শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ শুভ্র শরতে কাঠি পড়েছে ঢাকে। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খের ধ্বনি আর ধূপের ধোঁয়ায় মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে নগর ও গ্রামের প্রতিটি পূজামণ্ডপ। মহাষষ্ঠীর পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) শুরু হয়েছে সনাতন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। আগামী রোববার (১৩ অক্টোবর) বিজয়া দশমী। ওই দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচ দিনব্যাপী এই শারদীয় দুর্গোৎসব।

    মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বোধনের মাধ্যমে রাজশাহীর মণ্ডপে মণ্ডপে দুর্গা দেবীর প্রতীমা থানে ওঠানো হয়। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এরই মধ্যে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে পুরো রাজশাহী মহানগর। বিপুল আনন্দ, উৎসব ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব উদযাপনে এবার মহানগরজুড়েই নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা।

    সনাতন শাস্ত্রের বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে, এ বছর দেবী দুর্গা দোলায় (পালকি) চড়ে কৈলাশ থেকে মর্ত্যালোকে (পৃথিবী) এসেছেন। এর ফলে মড়ক, মহামারি ও দুর্যোগ বাড়বে। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে কৈলাশে (স্বর্গে) ফিরে যাবেন গজে (হাতি) চড়ে। এর কারণে শস্যপূর্ণ হয়ে উঠবে এই বসুন্ধরা।

    বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় সায়াংকালে কল্পারম্ভ এবং বোধন আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে আজ উৎসবের প্রথম দিন ষষ্ঠী পূজা সম্পন্ন হয়। এদিন সকাল থেকে চন্ডিপাঠে মুখরিত রয়েছে মহানগরীর সব মণ্ডপ।

    বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) উৎসবের দ্বিতীয় দিন মহাসপ্তমীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে ভোর সাড়ে ৬টায়। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) মহাঅষ্টমীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৯টায় এবং সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে কুমারী পূজা। সন্ধিপূজা শুরু হবে বিকেল পৌনে ৫টায় এবং সমাপন হবে বিকেল সাড়ে ৫টায় মিনিটের মধ্যেই। শনিবার (১২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টায় শুরু হবে নবমী পূজা। পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হবে সকাল সাড়ে ১০টায়। পরদিন রোববার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টায় মহাদশমী পূজা আরম্ভ হবে। সকাল ৮টায় পুষ্পাঞ্জলি এবং পূজা সমাপন ও দর্পণ বিসর্জন হবে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের মধ্যে। সন্ধ্যা-আরাত্রিকের পর প্রতিমা বিসর্জন ও শান্তিজল গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন সম্প্রদায়ের পাঁচ দিনব্যাপী এই শারদীয় উৎসব।

    রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) সরকার অসীম কুমার জানান, এ বছর মহানগরের ৭৭টি এবং জেলার নয় উপজেলার ৩৩৫টি মিলিয়ে মোট ৪১২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা চলবে। পূজা চলাকালীন সময়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আজ থেকে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হলো। বিজয়াদশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী এই শারদীয় উৎসব।

    এদিকে দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে হটলাইন চালু করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। দুর্গাপূজা চলাকালে আরএমপির প্রতিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পূজা কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে বলা হয়েছে। আর যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে আরএমপি হটলাইন নম্বর (টেলিফোন: +৮৮০২৫৮৮৮০১৩৫১ অথবা মোবাইল: ০১৩২০-০৬৩৯৯৯) যোগাযোগ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

    রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, প্রতিবছরের মতো এবারও রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশেই পূজা উদযাপন হবে। দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। খোলা হয়েছে হটলাইন। কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করলে তাকে কঠোর হাতে দমন করা হবে।

    পুলিশের পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতায় বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

    তিনি বলেন, নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত হয় সেজন্য মণ্ডপগুলোকে সিসিটিভির আওতায় আনতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবকিছুই মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি নিজেও পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাবেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন। কোথাও কোন সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ দিকে গোদাগাড়ী উপজেলায় ৩৯ পূজামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াত বলেন, গোদাগাড়ীতে উৎসবমুখর পরিবেশেই পূজা উদযাপন হচ্ছে। দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। খোলা হয়েছে হটলাইন। কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করলে তাকে কঠোর হাতে দমন করা হবে। এবার প্রশাসনের পাশাপাশি, রাজনৈতিক দল, শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সবাই সহযোগিতা করছেন। কোথায় কোন প্রকার সমস্যা নেই বলে জানান এ কর্মকর্তা।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ১

    গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ১

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর উদপুরে ট্রাক ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছে। বুধবার ভোর ৫ টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর পাঁচটায় ইট বোঝায় একটি টলি রাজশাহীর দিকে আসছিল অপর একটি ট্রাক যাহার নাম্বার ঢাকা মেট্রো ট২২ -৫১২৭ ঢাকা থেকে চাঁপাই এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছিল পথে মধ্যে রাজশাহী মহাসড়কের উদপুর নামক স্থানে পৌঁছালে এদুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে প্রেমতলি ফাঁড়ীর পুলিশ ঘটন স্থলে গিয়ে ঘাতক ট্রাকটি আটক করে।

    নিহতের নাম মাসুদ রানা ট্রলিচালক (৪২) তিনি রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার, হড়গ্রাম এলাকার মান্নানের ছেলে। আহতরা হলেন রাকিব (২৩) পিতা নুরুল ইসলাম চাইপাড়া প্রেমতলী গোদাগাড়ী ও সাগর আলি (২২) পিতা জিয়ারুল গ্রাম হাটখোলা গোমস্তাপুর চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

    এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রেমতলী ফাড়ীর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক , এস এম মাকছুূুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে,
    নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

    পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টে অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মাত্রার হর্ণ ব্যবহারে জরিমানা করা হয়েছে।

    বুধবার (৯ অক্টোবর) পঞ্চগড় সদর উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গন এলাকার পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়কে “শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদ্বারিত্বমূলক প্রকল্প” এর আওতায় পরিবেশ অধিদপ্তর, পঞ্চগড় জেলা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন, পঞ্চগড়ের যৌথ উদ্যোগে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জরিমানা করা হয়।

    জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার হর্ণ ব্যবহারের অভিযোগে দুইটি ট্রাক এর ড্রাইভারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ধায্যর্পূর্বক আদায় করা হয় ও অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ১০টি হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ করা হয়।

    উক্ত অভিযানে জেলা প্রশাসন, পঞ্চগড় এর সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ও মো. আসিফ আলীর নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর, পঞ্চগড় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী প্রসিকিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এতে পুলিশ বিভাগ, পঞ্চগড় এর একদল সদস্য অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।

    পরিবেশ অধিদপ্তর, পঞ্চগড় জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরণের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানানো হয়।

    মুহম্মদ তরিকুল সাংবাদিক ।।

  • তানোরে শহীদি কাফেলার কমিটি গঠন

    তানোরে শহীদি কাফেলার কমিটি গঠন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে শহীদি কাফেলা
    বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) শাখার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের যুব বিভাগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর বুধবার কমিটি গঠন উপলক্ষে পাঁচন্দর ইউপির বিনোদপুর স্কুল চত্ত্বরে কর্মী সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এদিন ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মাজেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তানোর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আলমগীর হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক ডিএম আক্কাস আলী, পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) আমির জুয়েল রানা, ইউপি নায়েবে আমির মাওলানা এরশাদ আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা ওবাইদুর রহমান, তোফাজ্জল হোসেন, ডাঃ মোজাহার আলী ও মাওলানা রুস্তম আলী প্রমুখ।এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দগণ।এদিন ইনসান আলীকে সভাপতি, গোলাম মোস্তফা সম্পাদক ও আব্দুল্লাহ আল-কাফিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুব শাখার ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কোরআন তেলওয়াত করেন মাওলানা আব্দুস সবুর। কোরআন তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে কর্মী সমাবেশের শুভ সূচনা করা হয়।

  • গোদাগাড়ীতে গবাদিপশুর  পিপিআর এবং ক্ষুরারোগ নির্মুলে বিনামূল্যে

    গোদাগাড়ীতে গবাদিপশুর পিপিআর এবং ক্ষুরারোগ নির্মুলে বিনামূল্যে

    টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর এর পিপিআর এবং ক্ষুরারোগ নির্মুল প্রকল্প এর আওতায় সারা দেশের মত গোদাগাড়ীতে বিনামুল্যে পিপিআর রোগের টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ১ অক্টোবর হতে শুরু করে ১৮ অক্টোবর পযন্ত চলমান থাকবে।

    উপজেলা প্রানিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল গোদাগাড়ীর সার্বিক তত্বাবধানে গোটা উপজেলাতে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ডোজ পিপিআর টিকা প্রদান করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২ দিন করে এ টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

    উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শায়লা শারমিনের বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতালের আয়োজনে গবাদিপশু পালনকারীদের বিভিন্নভাবে সেবা দেয়া হচ্ছে তারই অংশ হিসেবে উঠান বৈঠক ও ফ্রি ভ্যাটেনারী মেডিকেল ক্যাম্প করা হয়েছে।

    এখন উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে বিনামূল্যে পিপিআর টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এলাকার মানুষ বেশ আগ্রহের সাথে তাদের ছাগল নিয়ে এসে টিকা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গোদাগাড়ী একটি বড় উপজেলা, গবাদিপশুর সংখ্যাও বেশী আমাদের সীমিত লোকবল নিয়ে পরিশ্রম করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি কোন ধরণের সমস্যা হচ্ছে না।

    মোঃ হায়দার আলী
    ,রাজশাহী।

  • নলছিটিতে চরকয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    নলছিটিতে চরকয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নে চরকয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেবি ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবকরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
    অভিযোগে জানা যায়, বেবি ইয়াসমিন বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়ম করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের নলকূপের সঙ্গে সংযোগ করে নিজের ঘরে পানির লাইন নিয়েছেন। ফলে নলকূপটি শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করতে পারছে না। ঝড়-বন্যায় বিদ্যালয়ে কোন ক্ষতি না হলেও তিনি স্থানীয় মিস্ত্রি এনে নতুন দুটি টিন খুলে ফেলেন। বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বরাদ্দ এনে তা আত্মসাত করেন। গত ২৬ জানুয়ারি বিদ্যালয়ের মাঠের পাশে দুটি চাম্বল গাছ কেটে বিক্রি করে দেন। ওই টাকাও তিনি আত্মসাত করেন। গাছ কাটার জন্য কোন কমিটি করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই তিনি গাছ কেটে বিক্রি করেন। বিদ্যালয়টি তাঁর বাড়ির পাশে হওয়ায় তিনি ঠিকমতো ক্লাসে আসেন না। স্কুল রেখে বাড়িতে গিয়ে রান্না করনে। এ বিষয়ে অভিভাবকরা কিছু বললে, তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এই প্রধান শিক্ষক। তাঁর অনৈতিক কর্মকান্ডের ফলে দিনদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ হারাচ্ছে। তাঁর খামখেয়ালীপনায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
    এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বেবি ইয়াসমিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমার বাড়ির পাশে স্কুল থাকায় অনেকেই আমাকে সহ্য করতে পারেন না।
    ঝালকাঠির জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অশোক কুমার সমাদ্দার বলেন, ইতোমধ্যে বেবি ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। রিপোর্ট পেলে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।