Category: দেশজুড়ে

  • মুরাদনগরে আ,লীগ নেতা  জাহাঙ্গীর কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করছে স্থানীয়রা 

    মুরাদনগরে আ,লীগ নেতা  জাহাঙ্গীর কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করছে স্থানীয়রা 

    কুমিল্লা থেকে, তরিকুল ইসলাম তরুন।।

    নাম জাহাঙ্গীর  আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা, তার ওপর স্থানীয় চেয়ারম্যানের আত্মীয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার লোক এলাকায় নেই, জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরাসহ কামাল্লা গ্রামের  অর্ধশতাধিক পরিবার, জাহাঙ্গীর একটি আতংকের নাম,

    চেহারা-সুরত ‘নুরানি’। দাড়ি মেহেদিরাঙা। মুখে লেগে থাকে অমলিন হাসি আর নোংরা চিন্তা,  দেখে মনে হবে ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানেন না।  কিন্তু তাঁর ভয়ে নাকি এলাকার মানুষ কাঁপে, কুমিল্লার মুরাদনগরের কামাল্লা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এলাকার ‘বাদশাহ’ বনে গেছেন, নাম তাঁর জাহাঙ্গীর আলম।  সঙ্গে আছে তাঁর প্রতাপশালী আরো তিন আপন ভাই। মানুষকে ভয় দেখানো, হয়রানি, বিচার-সালিসের নামে টাকা কামানো ওই চার ভাইয়ের তখন  নিত্য কাজ ছিল,  অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থে ভাইদের বাড়িতে সারি সারি অট্টালিকা, বৈষম্য বিরোধী মতাদর্শের ছাত্র আন্দোলনের পর দেশ পরিবর্তন হলেও এদের ক্ষমতা কমেনি,স্থানীয় নাম ধারী সন্ত্রাসীদের আঁতাত করে পূর্বের ন্যায় অত্যাচার অনাচার, চাঁদাবাজি, আপন চাচা,চাচাতো ভাই রেহাই দেয়নি জাহাঙ্গীর পরিবার। একে তো আওয়ামী লীগের নেতা  তার ওপর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাশার মাষ্টারের  আত্মীয় হওয়ায় এখনো মুখ খুলতে নারাজ অনেকে। এমনই জানালো অর্ধ শতাধিক পরিবারের পক্ষে  ভুক্তভোগী  জসিম,কুদ্দুস, নসু মিয়া,রেমিট্যান্স যুদ্ধা মুকবুল,জসিম চৌ,এসময় কান্নায় ভেঙে পড়ে জাহাঙ্গীরের আপন চাচারা বলেন জাহাঙ্গীরের অনিয়ম, দূর্নীতি, চাঁদাবাজির কারনে অনেকে সবকিছু হারিয়েছি।,নিরহ মানুষদের বিরুদ্ধে  মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা করিয়ে হয়রানিসহ জমি দখল,জমি বিক্রি করে দলিল না দিয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে হয়রানি করেছে , পরের জায়গা দখল করা,বিচারের নামে অর্থ বানিজ্য সহ নানান অপরাধের ঘট ফাদার জাহাঙ্গীর, আমরা তার বিচার চাই, তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।   সরেজমিন ঘুরে ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমনই ছবি উঠে আসে।  গত বুধবার সকালে  মুরাদনগরের কামাল্লা ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ধারী জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে গিয়ে খোজ নিলে জাহাঙ্গীর বাড়িতে নেই বলে জানায় তার স্কুল পড়োয়া ছেলে জাহিদুল ইসলাম। বাড়ি জরোহওয়া  লোকজনের নালিশ বিষয়ে জাহাঙ্গীরের ছেলে জানায় সব মিথ্যা বানোয়াট তার বাবা ভদ্রলোক, জাহাঙ্গীরের মুঠো ফোনে কল দিয়ে যোগাযোগ করলে তিনি জানান রাজনৈতিক কারনে এসব হচ্ছে আমি কারো ক্ষতি করি নি, এগুলো অপবাদ,  কিন্তু স্থানীয়রা বলেন এ যেন ওই এলাকার সব কিছু দেখাশোনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।  গত ১৯ শে অক্টোবর ২০২৪ ইং বিভিন্না অপরাধে মুরাদনগর থানায় জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তিনটি  অভিযোগ হয়েছে।  অভিযোগ তদন্তে  মুরাদনগর থানা  পুলিশ গত ২৩ শে অক্টোবর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবিষয়ে মুরাদনগর থানা ইনচার্জ মাহবুবুল হক জানান ঘটনার স্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে আগের বিষয়ে কোন কিছু করতে পারবো না,এগুলো আদালতের বিষয়,  স্থানীয়রা আরো জানায় জাহাঙ্গীর তাঁর লোকজনকে দিয়ে এলাকায় একের পর এক অপকর্ম করে তার দায়ভার অন্যের কাঁধে চাপাতে সিদ্ধহস্ত। পরে হুমকি দিয়ে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নেন। এলাকার ‘প্রধান সালিসিয়ান’ হিসেবে তিনি নিরীহ অপরাধী সাব্যস্ত করে জরিমানা ‘আদায় করা তাঁর নেশা।  ইতি মধ্যে কয়েকটি ঘটনায় গত ১৯ শে অক্টোবর মুরাদনগর থানায় নতুন করে অভিযোগ দাখিল করেন ভুক্তভোগীরা। অতীতের আগুনের মামলা বিষয়ে আওয়ামী  নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সমাজে বিচার- আচার করি বলে অনেকেই আমাকে বাঁকা চোখে দেখে। আমার চাচা যে অভিযোগ করেছেন, তা মিথ্যা।  সুজন টাকার বিনিময়ে মানুষের বাড়িতে আগুন দিয়েছে, তা সে সালিসে স্বীকার করেছে। আলাউদ্দিন নিরপরাধ, ঘটনাক্রমে সে জেল খাটছে। ভুক্তভোগী 

    আব্দুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, ‘জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় অনৈতিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে চলে। এলাকার কেউ জমি কিনলে বা বাড়ি বানালে তাকে চাঁদা দিতে হয়। আমার মেজ ছেলে একখন্ড জমি কিনতে গিয়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে। কয়েক মাস আগে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাইলে আমি তাতে অপারগতা প্রকাশ করি। এ কারণে সে আমার পিছে লাগে। আমাকে অপদস্থ করতে একজনকে টাকা দিয়ে অন্যের বাড়িতে আগুন লাগায়। পরে ওই আগুন আমি লাগিয়েছি বলে এলাকায় প্রচার করে। এলাকায় গেলে আমাকে পুলিশে দেওয়ার হুমকি দিলে তখন আমি আদালতে মামলা করি। পেপে গাছ কাটার অপরাধে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাহাঙ্গীর,২০১৪ সালের অবৈধ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসার পর জাহাঙ্গীর আলমের অপকর্ম পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।

    সমাজের মধ্যে বিচারের নামে    জুলুম -অত্যাচার, নির্যাতন,অবিচার ইত্যাদি  শুরু করে।তার আরো তিন ভাই সমাজের মধ্যে বাহু শক্তি খাটিয়ে অন্যায় করে শুরু।বাজারের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তিদের   মার-ধর এবং হেনস্থা করার ছিল তিনভাইয়ের কাজ।আর এই সুবিধা খাটিয়ে জাহাঙ্গীর সৃষ্টি করে একটা অপরাধ জগত।সেই জগতের রাজা হচ্ছে সে।

    তার ওই অপকর্ম থেকে রেহাই পাইনি আপন চাচা এবং চাচাতো ভাইয়েরা।২০১৬সালের মিথ্যা জজ্ঞিমামলা দিয়ে সমাজের মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট করেছে জাহাঙ্গীর। এমনি অনেকের পরিবার কাজ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জাহাঙ্গীর এবং তার গ্যাং এর লোকেরা।

    তার ভাই এবং অস্ত্র ধারী গ্যাং এর লোকেরা মিলে সমাজের মধ্যে আগুন লাগিয়ে মানুষকে ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

    সে ২০১৬সাল থেকে তার লোক দিয়ে আগুন লাগায় এবং অন্য ছেলেদের নাম দিতে বাড়িতে নিয়ে টর্চার এবং লাটিপিটা করে।এমনি কান্না গলায় বর্ননা দিচ্ছিলেন ভুক্তভোগী বাবা শাহ-আলম বেপারী। 

    ২০১৭সালের ডিসেম্বর  মাসে তার দুই চাচাতো ভাই দেশে আসলে তাদের কাছে অধিক পরিমান চাঁদা চাই জাহাঙ্গীর এবং তার ভাইয়ের।চাঁদা দিয়ে অস্বীকার জানালে মিথ্যা অপকর্মে ফাসিয়ে দিবে বলে জানায় জাহাঙ্গীর এবং তার গ্যাং এর লোকেরা।

    পূর্বের আগুন লাগানো পরিমান ২০১৮সালে জানুয়ারি মাসে বাড়িয়ে দিয়ে তার দুই প্রবাসি চাচাতো ভাইয়ের নাম প্রকাশ করে জাহাঙ্গীর এবং তার তিন ভাই। চাচা নসু মিয়া চাদা দিতে অস্বীকার করায় গলায় ধালালো অস্ত্র ধরে জাহাঙ্গীর আলমের তিন ভাই আল-আমীন, আলম এবং আলমগীর। তাই সে ভয়ে রাজি হয়। এসময় নসু মিয়ার  কাছ থেকে ৭লক্ষ টাকা এবং একটি স্বর্নের নেকলেস নিয়ে যায় জাহাঙ্গীর। অপর চাচা আব্দুল কুদ্দুস মিয়াও অস্বীকার করলে তাকে মার-ধর করে এবং তার বাড়ি  দা এবং ধাঁলালো অস্ত্র দিয়ে বেড়া নষ্ট করে।আব্দুল কুদ্দুস মিয়া এবং ছেলেরা জীবন রক্ষা করতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় এবং আদালতের মামলা দায়ের করে।

    কিন্তু প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা কারনে তৎকালীন পুলিশ বার বার রিপোর্ট দিতে ব্যার্থ হয় জাহাঙ্গীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে। রেমিট্যান্স যুদ্ধা মুকবুল তাদের বিচার দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।স্থানীয় অর্ধ শত পরিবার প্রশাসনের কাছে  জাহাঙ্গীরের অপকর্মের বিচারের দাবি করে বলেন তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।

  • ঘাটাইলে চার মাদক ব্যবসায়িকে কারাদন্ড

    ঘাটাইলে চার মাদক ব্যবসায়িকে কারাদন্ড

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া

    টাংগাইলের  ঘাটাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার ও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৩০মিনিটে পৌর শহরের চান্দশী এলাকা থেকে  বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ সময় মো : সজীব (২৬), মো: জাহিদ (৩৬), মো : সবুজ খান (৩২) ও মো: রনি মিয়া (২৯)নামে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি কিশোর কুমার দাস।তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিশেষ আইনের আওতায় ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। 

    পুলিশ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কিশোর কুমার দাস জানান ঘাটাইল পৌর শহরের চান্দশী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে মাদকদ্রব্য সেবন ও বেচাকেনা করে আসছিলেন সংগবদ্ধ  একটি চক্র।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ মাদক কারবারিকে হাতে নাতে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।এ সময় তাদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ প্যান্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা

     হয়।

    চার মাদক ব্যবসায়ির ৩মাসের কারাদন্ডের বিষয় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহকারী কমিশনার ভূমি কিশোর কুমার দাস জানান নেশা জাতীয় ট্যাবলেট বিক্রি করার কারণে তাদের কে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

  • রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৪২,০০০ টাকা জরিমানা

    রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৪২,০০০ টাকা জরিমানা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এবং উপজেলা প্রশাসন, মিঠাপুকুর এর যৌথ উদ্যোগে রংপুর, মিঠাপুকুরে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে হোয়াইট ব্রেড পণ্যের সিএম লাইসেন্স না থাকায় মেসার্স তৃপ্তি ব্রেড এন্ড কনফেকশনারি, শঠিবাড়ী (হামিদের মোড়), মিঠাপুকুর, রংপুর ও মেসার্স ওয়াফি ডেইরী এন্ড সুইটস, মিঠাপুকুর বাজার, মিঠাপুকুর, রংপুরকে দই পণ্যের মোড়কজাত সনদ না থাকায় যথাক্রমে ১৫(১)/২৭ ধারা অনুযায়ী ৪০,০০০/- ও ২৪(১)/৪১ ধারা অনুযায়ী ২০০০/- জরিমানা করা হয় একইসাথে মিঠাপুকুর কাচাবাজারের মুদি ও সবজি ব্যবসায়ীদের দোকানে ব্যবহৃত ওজন ও ওজনযন্ত্র যাচাই করে সঠিক পাওয়া যায়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জনাব মুলতামিস বিল্লাহ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, মিঠাপুকুর, রংপুর। প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন মারুফা বেগম, ফিল্ড অফিসার (সিএম)। সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলমাস মিয়া, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুজানগরে ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি, পাবে প্রায় ১৮ হাজার কিশোরী

    সুজানগরে ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি, পাবে প্রায় ১৮ হাজার কিশোরী

    এম এ আলিম রিপনঃ এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী শুরু হচ্ছে (৫ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি ছাত্রী) স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি। এ উপলক্ষ্যে সুজানগরে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদান কর্মসূচির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্ব ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.সেলিম মোরশেদের স ালনায় সভায় সুজানগর থানার ওসি(তদন্ত) লালবুর রহমান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ফাউজিয়া সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জিল্লুর রহমান, মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহাতাব উদ্দিন,যায়যায়দিনের উপজেলা প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান ও দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদান কর্মসূচির বিষয়ে সার্বিক তথ্য উপস্থাপন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.নাসরিন আক্তার। সভায় সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, আজকের কিশোরী আগামী দিনের মা। তাদের সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষা। বৈশ্বিকভাবে সাধারণত নারীরা যে সকল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তার মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার চতুর্থ সর্বোচ্চ। বাংলাদেশি নারীদের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে ছয় লাখের বেশি নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে প্রায় তিন লাখ মৃত্যুবরণ করেন। এর প্রায় ৯০ ভাগই মৃত্যুই বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে ঘটে থাকে। ঢাকা বিভাগ বাদে দেশের অন্য সকল বিভাগে ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী একযোগে এইচপিভি টিকা প্রদান কার্যক্রম চলবে। ওয়ানলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সুজানগর পৌরসভায় ২৩৬৯ জন এবং উপজেলার অন্য সকল ইউনিয়নে ১৫হাজার ৩শ’ ৫২ জন কিশোরীকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায় স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি টিকার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। যা বর্তমান সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে পৌঁছে দিতে বিনামূল্যে এ টিকা প্রদান করবে।

  • রাজশাহীতে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

    রাজশাহীতে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিকালে রাজশাহী সিভিল সার্জন কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে ইউনিসেফের সহযোগিতায় এবং রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল কবীর। ‘একডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা বিভাগ ব্যতীত অন্য সাতটি বিভাগে মাসব্যাপী এই টিকা কার্যক্রম পরিচলিত হবে। সভায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্কুল এবং জনবসতি এলাকায় এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রচারাভিযান এবং টিকা নিবন্ধন কার্যক্রম জোরদার করতে জেলার স্কাউট ও গার্লস গাইড সদস্যদের অবহিত করা হয়।

    উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, তোমরাও এই টিকাদান কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণার অংশ। এই টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে ভয়ভীতি পাওয়ার কোনো কারণ নেই। কেউ যদি কোনো ভীতিমূলক কথাবার্তা বলে তাহলে তোমরা তা অগ্রাহ্য করবে। তোমরা অনেক মেধাবী এবং প্রগতিশীল। সরকারের এই সুদূরপ্রসারী ও মহৎ উদ্যোগ নস্যাৎ করার যেকোনো অপতৎপরতা তোমরা রুখে দেবে। গার্লস গাইডদের পাশাপাশি শিক্ষকদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনকে আরও অংশগ্রহণমূলক করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানান তিনি।

    জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এই টিকা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, তুমি তোমার মায়ের কথা চিন্তা করো। এখন যদি তোমার মা না থাকে বা অসুস্থ হয়ে যান তাহলে পরিবারজুড়ে একটি শুন্যতা নেমে আসবে। জরায়ুমুখ ক্যান্সারের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় ৫ হাজার মা মৃত্যুবরণ করেন। একটু সচেতন হয়ে সময়মতো এই টিকা গ্রহণ করলে আমরা এটি প্রতিরোধ করতে পারি।

    রাজশাহী জেলা তথ্য অফিস এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রমের প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও মাইকিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

    রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মোহা: ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. বায়েজীদ-উল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক নাফেয়ালা নাসরিন অবহিতকরণ সভাটি সঞ্চালনা করেন। সভায় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, শিক্ষক প্রতিনিধি, জেলা ও উপজেলা স্কাউটস এর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির তৃণমূল তারককে নিয়েই ভোট করতে চাই

    রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির তৃণমূল তারককে নিয়েই ভোট করতে চাই

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগাম হাওয়া বইছে।এদিকে বিশিষ্ট শিল্পপতি,সমাজসেবক, করোনাযোদ্ধা ও বার বার নির্যাতিত বিএনপির পরিক্ষিত নেতা এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেকের প্রার্থী হবার ঘোষনায় রাজনীতির মাঠে সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে গেছে, দেখা নিয়েছে নয়ামেরুকরণ। স্থানীয়রা জানান,বিএনপির তৃণমুল তারেককে নিয়েই ভোট করতে চাই।
    বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ তারেককে নিয়ে ভোট করার ঘোষণা দিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন।
    রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ তারেককেই সম্ভাব্য প্রার্থী ধরে
    নিয়ে ইতমধ্যে নির্বাচনী মাঠে জম্পেশ প্রচার-প্রচারণার মধ্যদিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারেকের বিশাল কর্মী
    বাহিনী বিএনপির উন্নয়ন-অর্জনের চিত্র ও তার যোগ্যতা তুলে ধরে সাধারণে ভোটারদের দৌড়-গোড়ায় গিয়ে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন।
    ফলে তারেকের আগমনে নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের
    নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরাজমান মতবিরোধ, মান-অভিমান ও ঐক্য প্রশ্নের বরফ গলতে শুরু করেছে। এখন
    তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও এটা বুঝতে সক্ষম হয়েছেন পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে মান-অভিমান থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্ত্ত ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তারা সকলে ঐক্যবদ্ধ।

  • তানোরের পাঁচন্দর ইউপি শহীদি কাফেলা যুব বিভাগের কমিটি ঘোষণা

    তানোরের পাঁচন্দর ইউপি শহীদি কাফেলা যুব বিভাগের কমিটি ঘোষণা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে শহীদি কাফেলা
    বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) শাখা যুব বিভাগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ২৩ অক্টোবর বুধবার যুব বিভাগের কমিটি গঠন উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) শাখার উদ্যোগে ও ইউপি আমির জুয়েল রানার সভাপতিত্বে প্রাণপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চত্ত্বরে আয়োজিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমীর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান।বিশেষ অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন সহসম্পাদক রাজশাহী জেলা পশ্চিম ডঃ ওবায়দুল্লাহ, সভাপতি জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলা পশ্চিম অধ্যাপক জামিলুর রহমান, জেলা ওলামা সভাপতি রাজশাহী পশ্চিম মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আমির মাওলানা আলমগীর হোসেন ও সম্পাদক ডিএম আক্কাশপ্রমুখ।
    এদিন হাফেজ হাসিবুল ইসলামকে সভাপতি, মুক্তারুল ইসলামকে সম্পাদক ও
    সোহরাব আলীকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে পাঁচন্দর ইউপি যুব শাখার ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ঘোষণা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কোরআন তেলওয়াত করেন ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা গোলাম কিবরিয়া।

  • নলছিটিতে দিনের আলোতেই চলছে মা ইলিশ নিধন, মৎস্য দফতরের ঢিলেঢালা অভিযান 

    নলছিটিতে দিনের আলোতেই চলছে মা ইলিশ নিধন, মৎস্য দফতরের ঢিলেঢালা অভিযান 

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটির সুগন্ধা নদীতে দিনের আলোতেই চলছে প্রকাশ্যে মা ইলিশ নিধন।

    ১৩ অক্টোবর থেকে শুরু হয় মা ইলিশ শিকার প্রতিরোধ কার্যক্রম। সরকারি ভাবে মা ইলিশ সংরক্ষণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও এর সাথে সম্পৃক্ত লোকজনের সহযোগিতায় মাছ শিকারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযানের শুরু থেকেই নলছিটির দুই নদী সুগন্ধা ও বিষখালীর বিভিন্ন পয়েন্টে মাছ শিকারের অভিযোগ রয়েছে।

    গত ২২ অক্টোবর দুপুর দুইটার দিকে সুগন্ধা নদীর মল্লিকপুর এলাকায় বেশকিছু নৌকায় মাছ ধরার দৃশ্য দেখতে পেয়ে এই প্রতিবেদক নলছিটির মৎস্য কর্মকর্তা রমনী মোহন মিস্ত্রীকে ফোনে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন তিনি সুগন্ধা নদীর মাটিভাঙা এলাকায় আছেন। অন্য একটি টিমকে ওই এলাকায় পাঠাচ্ছেন। বিকেল পাঁচটার দিকে একই এলাকায় ২০/২৫টি নৌকায় প্রকাশ্যে মাছ শিকার করতে দেখে পুনরায় মৎস্য কর্মকর্তাকে তার ব্যবহৃত 01718136535 মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে বলেন তিন বলেন ষাটপাকিয়া ফেরিঘাট এলাকায আছেন। মল্লিকপুর এলাকায় প্রকাশ্যে মাছ ধরার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন তিনি এখনই ওই দিকে যাচ্ছেন। প্রশ্ন হচ্ছে দুইটায় মাছ ধরার বিষয়টি তাকে অবগত করার পরে তিন ঘন্টা পার হলেও কেন তিনি পনেরো মিনিটের পথ পার হয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌছাতে পারলেন না?

    সচেতন মহলের অভিযোগ অভিযানের সম্পৃক্ত একটি অসাধু চক্রের সহযোগিতায় চলছে মা ইলিশ নিধন। ফলে ব্যর্থ হচ্ছে সরকারের মহতি উদ্যোগ। একটি মা ইলিশ নিধন মানে হাজার হাজার ইলিশ নিধন। সেখানে প্রতিদিন শতশত নৌকায় চলছে অবাধে মা ইলিশ নিধন। এলাকার সচেতন মহল এই অসাধু চক্রকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আরিফুর রহমান বলেন অভিযান ঢিলেঢালার অভিযোগ পেয়ে আজ থেকে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আজকে (২৩ অক্টোবর বুধবার পৌনে বারোটা) এখন পর্যন্ত ৭টি নৌকা ধ্বংস করেছি এবং দুই হাজার মিটারের মতো জাল জব্দ করেছি। আজ থেকে মা ইলিশ রক্ষর অভিযন  আরও জোরদার করা হবে।

  • কুসিক সাবেক কাউন্সিলারদের পূন্যবহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    কুসিক সাবেক কাউন্সিলারদের পূন্যবহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লা নগরীর একটি পার্টি সেন্টারে বুধবার সকালে সাবেক কাউন্সিলরদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    ওই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া, ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী মাহাবুবুর রহমান, ১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী জিয়াউল হক মুন্না, ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবদুর রহমান প্রমুখ। 

     
    সংবাদ সম্মেলনে
    তারা জানান, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করায় তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।
    জনগন নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন,

    ভোগান্তিতে পড়েছেন । সমাজে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে গেছে
    , চুরি ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অরাজকতা বাড়ছে। জনপ্রতিনিধি না থাকায় যানজট সহ সামাজিক অপরাধ বন্ধ করতে পারছেনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

     

    তারা দাবি করেন জনগনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে সারা দেশের সকল জনপ্রতিনিধিদের পুনর্বহাল করতে হবে। দাবি আদায়ে, আগামী সপ্তাহে মানববন্ধন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে অবস্থান কর্মসূচি সহ রাজধানী ঢাকায় সারা দেশের অপসারিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে একযোগে আন্দোলন করা হবে।
    এসময় কুমিল্লার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • রাঙ্গাবালীতে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত অপসারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

    রাঙ্গাবালীতে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত অপসারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

    রফিকুল ইসলাম,
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ষড়যন্ত্র মূলকভাবে অপসারণ চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে এ কর্মসূচি করা হয়। উপজেলার ৬ ইউনিয়নের অন্তত ২ হাজার নানা শ্রেনী পেশার মানুষ এতে অংশ নেয়।

    মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, জেলা শহর থেকে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাঙ্গাবালী ২০১২ সালে উপজেলায় রুপান্তর হলেও আদালতের কাজ পরিচালিত হতো পার্শ্ববর্তী গলাচিপা উপজেলায়। বর্ষাকালে জমিজমা ও ক্রিমিনাল মামলার জন্য জীবনের ঝুকি নিয়ে নদী পাড়ি দিয়ে যেতে হতো পার্শ্ববর্তী উপজেলায়। তবে সবশেষে ২০২৪ সালে সহকারী জজ আদালতের কার্যক্রম শুরু হলেও এখনো থমকে আছে জুডিশিল ম্যাজিস্ট্রেট আদলতের কাজ। তাই ভোগান্তি লাঘবে রাঙ্গাবালীতে বিচারিক ব্যবস্থার সুরহা চায় উপজেলাবাসী।

    সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দ্রুত স্থাপনের দাবী জানিয়ে মানববন্ধন শেষে আইন ও বিচার বিভাগীয় উপদেষ্টা বরাবর ৭টি দাবী তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।