Category: দেশজুড়ে

  • রাজশাহীতে আধুনিক ল্যাবে ১দিনেই মিলছে মাদক পরীক্ষার প্রতিবেদন- আর যেতে হয় না ঢাকায়

    রাজশাহীতে আধুনিক ল্যাবে ১দিনেই মিলছে মাদক পরীক্ষার প্রতিবেদন- আর যেতে হয় না ঢাকায়

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় অফিসে চালু হয়েছে রাসায়নিক পরীক্ষাগার। ১৭ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ল্যাবে পরীক্ষা শুরু হয়। এতে করে একদিনের মধ্যেই মিলছে মাদক পরীক্ষার ফলাফল। আধুনিক এই পরীক্ষাগার চালুর ফলে একদিকে যেমন দ্রুত মামলার চার্জশিট হবে, ঠিক তেমনই কমবে খরচ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি রাজশাহী বিভাগের মামলাগুলোর তদন্তে গতি আনবে। আর যেতে হবে না ঢাকায়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় অফিসের তথ্যমতে, রাজশাহী বিভাগে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অধীনে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৪১টি মাদক পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে জানুয়ারিতে ৮৪টি, ফেব্রুয়ারিতে ৯৬টি, মার্চ মাসে ৮৮টি, এপ্রিল মাসে ৯৭টি, মে মাসে ১০২টি, জুন মাসে ৯২টি, জুলাই মাসে ৭১টি, আগস্টে ৩৫টি ও সেপ্টেম্বর মাসে ৭৬টি মাদকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

    রাজশাহী বিভাগীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারের পরীক্ষক আবু হাসান জানান, ৩০ জুন এই ল্যাবের প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। এর আগে ১৯ মার্চ ল্যাবটির গেজেট প্রকাশ পায়। এরপর নিয়োগ ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করে ১৭ অক্টোবর এটি চালু করা হয়। বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সব পরীক্ষা এখানে করা হচ্ছে। ল্যাবটিতে মোট সাতজন কাজ করছেন। গত ছয়দিনে এখানে পরীক্ষা শেষে ১৪টি ফলাফল দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এটি একটি আধুনিক ল্যাব। সব সুযোগ-সুবিধা এখানে আছে। ল্যাবটির প্রতিদিনর সক্ষমতা প্রায় ৭০টি রিপোর্ট প্রস্তুত করার। এছাড়া যে কোনো ধরনের মাদক সর্বোচ্চ ২০ মিনিটের মধ্যেই পরীক্ষা করা সম্ভব। এগুলো ফলাফল দিতে এক থেকে সর্বোচ্চ তিনদিন সময় লাগছে। একদিনের মধ্যেই যে কোনো মাদকের পরীক্ষা করা সম্ভব।

    রাজশাহী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, একটি মাদক মামলার প্রধান সাক্ষ্য হলো মাদকের পরীক্ষার প্রতিবেদন। আগে আমাদের এখানে কোনো মাদক মামলা বা মালামাল উদ্ধার হলে সেটি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হতো। ফলে সময় লেগে যেত ২-৩ সপ্তাহ বা তারও বেশি। এটি এখন তিনদিনের মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। এটি একদিকে যেমন সময় কমাচ্ছে, মামলার তদন্তে গতি আনছে। পাশাপাশি সরকারের ব্যয়ও সংকোচন হচ্ছে।

    জিল্লুর রহমান আরও বলেন, একটি মামলার তদন্ত দ্রুত হলে চার্জশিটও দ্রুত দেওয়া সম্ভব। ল্যাব হওয়ার কারণে এটিতে গতি এসেছে। ফলে এখন দ্রুত মাদক মামলা নিষ্পত্তি হবে।

    রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, পুলিশ তো সরাসরি মাদক উদ্ধার করে। কিন্তু মাদকের রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে বিলম্ব হওয়ায় চার্জশিট দিতে সময় লেগে যায়। এই রিপোর্টটা যদি দ্রুততম সময়ে পাওয়া যায় তবে দ্রুত তদন্ত শেষ হবে, দ্রুত চার্জশিট হবে এবং দ্রুত বিচার কাজও শুরু করা সম্ভব হবে।

    রাজশাহী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন বলেন, এটি শুধু আমাদের জন্য নয়। সবার জন্য ব্যবহার করা যাবে। ফলে রাজশাহীর মাদক মামলায় অনেক গতি আসবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় মিতালী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে এ পরিচিতি সভার আয়োজন করা হয়।

    সাবেক ইউপি সদস্য বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিতালী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক সবির উদ্দিন, বিএনপি নেতা আব্দুল গফুর খান, যুবদলের নেতা আব্দুল সালাম, আজমপুর গ্রামের সভার সার্বিক সহযোগী ও যুবদল নেতা আঙ্গুর মিয়া, রাহ্’মিন মিয়া, তারেক আহমদ,
    কৃষক দলের সহ-সভাপতি আকবর আলী,
    মাসুক আহমদ লুৎতুর, যুবদল নেতা তাহের, আলী-রাজ ,সেজুল আহমদ, মো. রিপন মিয়া, সফিকুল, লিয়াকত আলী, আবুল হোসেন, ফখর উদ্দিন, সোহাগ রুবেল প্রমুখ।
    সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুক মিয়া ও মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায়
    মান্নার গাও ইউনিয়ন কৃষক দলের পরিচিতি উপস্থাপন করা হয়। সভাপতি খোকন আহমদ, সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন, ইসকন্দর আলী, সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন মিয়া। এছাড়াও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।।

    সভায় বক্তারা, জাতীয়তাবাদীদল বিএনপির আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে ছাতক দোয়ারাবাজার আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি কলিমউদ্দিন আহমেদ মিলন ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ বারীর হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহব্বান জানিয়েছেন। এসময় বক্তারা আরও বলেন, কৃষিকাজে সর্বপ্রথম বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। সে লক্ষ্যে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য জাতীয়তাবাদী কৃষক দল গঠন করা হয়।

  • ছিনাইয়ের আচার্য মৌজায় সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ

    ছিনাইয়ের আচার্য মৌজায় সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ

    বিশেষ প্রতিনিধি।।

    বুধবার বৃষ্টির মাঝে পড়ন্ত বিকালে লোকচক্ষুর আড়ালে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নাধীন আচার্য মৌজার বৈদ্যের বাজার নিকটস্থ আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০০ গজ পশ্চিম দিকের সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে অবৈধভাবে সরকারী রাস্তায় বসবাসকারী গোলাপ মিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি প্রায় পনের বছর ধরে সরকারী রাস্তার সামান্য অংশ রেখে বাকী রাস্তা দখল করে চারটি টিনের ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছেন। তিনি কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের বাসিন্দা, কোন এক অজ্ঞাত কারণে তাকে তার স্থায়ী ঠিকানা হতে স্থানীয় লোকজন বিতাড়িত করেছেন মর্মে জানা যায়। তার নিকট সরকারী রাস্তার ৩টি গাছ ২১০০ টাকায় ক্রয় করেন বৈদ্যের বাজারের গাছ ব্যবসায়ী মজিবর রহমান। গাছ ব্যবসায়ী মজিবর রহমান প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, গোলাপ মিয়া তাকে জানান, তার জমিতে তার নিজের রোপনকৃত ৩টি গাছ বিক্রয় করবেন। যেহেতু তিনি দৈর্ঘদিন ধরে ঐ স্থানে বসবাস করে আসছেন, তাই আমি গাছ তিনটি তার নিজের মনে করে ২১০০ টাকায় ক্রয় করেছি। এগুলো সরকারী রাস্তার গাছ বিষয়টি জানা থাকলে কখনোই ক্রয় করতাম না। গাছগুলো ছোট ছিলো তাই স মিলে চিড়ে খড়ি করা হয়েছে। ছিনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতি দায়িত্ব পালনকারী প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ঘটনাটি তিনি শুনেছেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার (আচার্য) মেম্বার আশীষ কুমার রায় ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেছেন এবং মেম্বার আশীষ কুমার রায় সরেজমিন পরিদর্শনে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন মর্মে চেয়ারম্যানকে জানান। উক্ত মেম্বার চেয়ারম্যানকে আরো জানান যে, গাছগুলো গোলাপ মিয়া সরকারী রাস্তায় রোপন করেছেন এবং সন্তানের চিকিৎসার জন্য তা বিক্রয় করেছেন। সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয় করা যায় কিনা, জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন, বাচ্চার চিকিৎসার জন্য নিজের রোপন করা গাছ কেটে এবং বিক্রয় করেছেন, বিষয়টি মানবিক। তথাপিও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোলাপ মিয়াকে ইউনিয়ন পরিষদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজারহাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আশাদুল হককে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, এবিষয়ে তথ্য পেলেই তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    স্থানীয় লোকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান যে, গোলাপকে আমরা অনেকেই বলেছি, সরকারী রাস্তার বসবাস না করে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে, কিন্তু তিনি তা করতে আগ্রহী ছিলেন না। বরং সরকারী রাস্তায় দিনের পর দিন স্থানীয়দের আবাদী জমির ক্ষতি করে নির্জন স্থানে তিনি বসবাস করে আসছেন। কেউ কেউ বলে থাকেন তার একজন মেয়ে জামাই নেশায় আসক্ত হওয়ায় তিনি হয়তোবা তার বাড়ীতে মেয়ে জামাইয়ের মাধ্যমে নেশারুদের নেশা করার সুযোগ দিয়ে অবৈধ সুবিধা নিয়ে থাকতে পারেন।

    তার অবৈধ বাড়ী সংলগ্ন আবাদী জমির মালিক ইয়াকুব আলী খন্দকার বলেন, প্রতিবছরই তিনি আমার ফসলি জমির ফসল নষ্ট করে থাকেন এবং জমিতে গর্ত খননসহ বাড়ী ব্যবহার্য ময়লা আবর্জনা জমিতে ফেলে ফসল নষ্ট করে থাকেন। তাকে এধরনের কাজ না করার কথা বলতে গেলেই তিনি মেরে ফেলার হুমকি প্রদানসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে থাকেন। ইয়াকুব আলী খন্দকার সরকারের দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে বলেন, গোলাপ মিয়া যেহেতু সরকারী রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছেন, তাই তাকে ভূমিহীন হিসেবে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর দিয়ে সরকারী রাস্তা উদ্ধারসহ তার বাড়ী আশে পাশের আবাদী ফসলী জমিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে অনুরোধ করছি।

  • শার্শার গৃহবধু হালিমা-বাবু দম্পতি তাদের কোলের শিশুকে ফিরে পেতে চায়

    শার্শার গৃহবধু হালিমা-বাবু দম্পতি তাদের কোলের শিশুকে ফিরে পেতে চায়

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের গৃহবধূ হালিমা দম্পতির আকুতি যে কোনো ভাবে হোক আমার বাচ্চাটা আপনারা ফিরিয়ে দেন। বাচ্চা না পেলে আমি বাঁচবো না। গাইবান্ধা সদরের গোবিন্দপুর নেকিরভিটা গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে হালিমা বেগম (২১)। মায়ের নাম মোমেনা বেগম। ৫ বছর পর্বে যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের হত দরিদ্র বাবুরালী মোল্যার (২৫) সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ২ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।  হালিমা আবারো গর্ভবতী হলে হত দরিদ্র স্বামীর বাড়ি থেকে সে বাপের বাড়ী গাইবান্ধায় চলে যায়। সেখানে তার প্রসব বেদনা উঠলে তার মা মোমেন বেগম গাইবান্ধা শহরের একটি ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা দেন। দীনমজুরের স্ত্রী মোমেনা বেগম মেয়ের সিজার করানোর জন্য প্রতিবেশী রুবেল-হাসি দম্পতির কাছ থেকে কিছু টাকা নেন। ২০২৪ এর ১৯ শে আগষ্ট হালিমার গর্ভ থেকে দ্বিতীয় বারের মত আরো একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের সময় সে জ্ঞান হারায়।  ৪ দিন পরে  যখন তার জ্ঞান ফেরে সে তখন জানতে পারে তার সন্তানকে একই গ্রামের রুবেল ও হাসি  দম্পতি নিয়ে গেছে। সে তখন দুধের যন্ত্রনা ও সন্তান শোকে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর সে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের স্মরনাপন্ন হয়। চেয়ারম্যানের পরামর্শে গাইবান্ধা  সদর থানায় একটি অভিযোগ করলে পুলিশ  নবজাতককে উদ্ধার করে হালিমার কাছে হস্তান্তর করে। কিন্তু ঐদিন গভীর রাতে রুবেল তার লোকজন নিয়ে এসে জোর জবরদস্তি করে  শিশুটিকে হালিমা বেগমের কাছ থেকে ছিনিয়ে  অন্যত্র নিয়ে যায়। দুই মাস হতে চললো হালিমা তার কোলের শিশুটিকে এখনো ফিরে পায়নি। নাড়িছেঁড়া ধন কোলের শিশুকে কাছে না পেয়ে হালিমা দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

    এব্যাপারে মুঠো ফোনে নিঃসন্তান রুবেল-হাসি দম্পতির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হালিমা বেগমের মা মোমেন খাতুন শিশুটিকে আমাকে দত্তক দিয়েছে।  এজন্য আমি শিশুটির গর্ভকালীন সময় থেকে এপর্যন্ত যাবতীয় ব্যায়ভার বহন করেছি। তিনি আরো বলেন এপর্যন্ত আমার ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। শিশুটিকে ফিরিয়ে নিতে হলে ৮০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হবে। শিশুটি রাখার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন থানা পুলিশের লিখিত রয়েছে আমার কাছে।

    বাবু-হালিমা দম্পতির কথা এব্যাপারে আমরা কিছুই জানিনা। হালিমা জানায়, আমার মায়ের সহযোগিতা থাকতে পারে। তবে আমরা আমাদের বাচ্চাটি ফেরৎ চাই। এব্যাপারে তারা যশোর ও গাইবান্ধা জেলার জেলাপ্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • ত্রিশালে ইউএনও’র নেতৃত্বে অভিযানে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন এসিল্যান্ড

    ত্রিশালে ইউএনও’র নেতৃত্বে অভিযানে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন এসিল্যান্ড

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক ও জনপথ এর মালিকানাধীন সরকারি সম্পত্তিকে অবৈধ ভাবে দখলে নিয়ে গড়ে উঠা প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনাকে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ এর নেতৃত্ব উপজেলা প্রশাসন। ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছিলো এসব অবৈধ স্থাপনা। এর ফলে মহাসড়কে তীব্র যানজটসহ বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকতো কবি নজরুল স্মৃতিবিজড়িত গুরুত্বপূর্ণ এই শহরে।অবশেষে
    সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহের ত্রিশালে মহাসড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করার ফলে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন ত্রিশালের সর্বস্তরের মানুষ।

    বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

    ত্রিশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান।

    উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, মহাসড়কের দুপাশে অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পুনরায় দখল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগ ময়মনসিংহের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোফাখখারুল ইসলাম।

    এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ময়মনসিংহের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, ত্রিশাল দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ডের চারপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে এবং আগামীতে তা অব্যাহত থাকবে।

  • রামগড় উপজেলা” পৌর” বিএনপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাজার পরিচালনা কমিটি

    রামগড় উপজেলা” পৌর” বিএনপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাজার পরিচালনা কমিটি

    এমদাদ খান রামগড় প্রতিনিধি 

    বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল রামগড় উপজেলা ও পৌর শাখার নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন” নব গঠিত রামগড় বাজার পরিচালনা কমিটি  বুধবার ২৩শে অক্টোবর সন্ধ্যায় রামগড় বিএনপি, অংগ ও সহযোগি সংগঠনের যৌথ কার্যালয় এর হল রুমে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    এসময় রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল, সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত মোরর্শেদ ভূইয়া মিঠু, পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন,সিনিয়র সহসভাপতি সুজায়েত আলি সুজা, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, উপস্থিত ছিলেন। 

    রামগড় বাজার পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সেলিম, সিনিয়র সহসভাপতি বেলাল হোসেন, সহসভাপতি নুরুল করিম, সহসভাপতি ফয়েজ আহম্মদ  মিলন, কোষাধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন, সহ কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, দপ্তর সম্পাদক এমদাদ খান, প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দিন মিন্টু, ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম রানা, সন্মানিত সদস্য আব্দুল মান্নান, দেলোয়ার হোসেন রাজু, আলমগীর হোসেন জীবন, প্রমূখ।

  • আত্রাইয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন 

    আত্রাইয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক,আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় বিয়াম ল্যাবটেরিয়াম স্কুল এ্যান্ড কলেজে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। 

    এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রোকসানা হ্যাপী।

     ডাঃ রোকসানা হ্যাপী বলেন,জরায়ুমুখে ক্যান্সারের প্রতিরোধের জন্য এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষীত, প্রতিরোধ ও কার্য়কর। এই টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। 

    তিনি আরও বলেন,১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদান করার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

     আত্রাইয়ে ২৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান কেন্দ্রে ও ১৯২ টি কমিউনিটি সাবব্লকের টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা গুলো প্রদান করা হচ্ছে। 

    এইসব কেন্দ্র থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ম শ্রেণী-৯ম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ৮৩৯৫ জনকে ও কমিউনিটি/সাবব্লকের (১০-১৪ বছর) কিশোরীর সংখ্যা ১০৫০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 

    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • কুমিল্লায় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ও সংবাদ সম্মেলন

    কুমিল্লায় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ও সংবাদ সম্মেলন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন” এই প্রতিপাদ্যে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লায় গত ২২ শে অক্টোবর সিটি করপোরেশন ও ২৩ শে অক্টোবর সিভিল সার্জন অফিস সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দেন। ২৪ অক্টোবর
    থেকে স্কুল পর্যায়ে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় ধর্মপুর রেলও‌য়ে পাব‌লিক হাই স্কুলে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার।

    জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ নাছিমা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার পোদ্দার, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের পরিচালক প্রফেসর ডা: মোঃ জহিরুল আলম,
    কুমেকের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এম হাসান, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এস এম তৌহিদুর রহমান, গোমতী হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মজিবুর রহমান, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল হক, রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলাম, সমন্বয়ক রুবেল হোসাইন প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। এ টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদানের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    এদিকে বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর আনন্দ ধারা বিদ্যাপীঠ এ টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ছামছুল আলম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মোঃ সারোয়ার আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবু সায়েম ভূইয়া, কুসিক মেডিকেল অফিসার ডা. চন্দনা রানী দেবনাথ, আনন্দধারা বিদ্যাপীঠ এর উপদেষ্টা মো: কামাল উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক আফরোজা হাসনাত, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো: জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

    প্রসঙ্গত, কুমিল্লায় জরায়ুমুখে ক্যান্সার প্রতিরোধে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকাসহ জেলার ১৭টি উপজেলায় তিন লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ জনকে সরকারের উদ্যোগে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে স্কুলগামী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪০জন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ হাজার ৩২৭জন কিশোরীকে বিনামূল্যে এ টিকা দেওয়া হবে। পাঁচ হাজার ২১৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নয় হাজার ৯৪২ টি কেন্দ্রে এ টিকা দেওয়া হবে।

  • মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি থানায় জিডি

    মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি থানায় জিডি

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার খিদিরপাড়া ইউনিয়নের করার বাগ গ্রামের মোঃ আশু হাওলাদারের পুত্র সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদার কে প্রাননাশের হুমকির ঘটনায় থানায় লিখিত জিডি করেছেন তিনি ।

    সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদার র‍্যাব-১০  ও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বলেন, আমি বিডিসি ক্রাইম বার্তার সম্পাদক ও বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যান ইউনিয়ন (বসকো) কেন্দ্রীয় পরিষদ এর মহা সচিব ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার হিসাবে কর্মরত আছি।

    গত ২০/১০/২০২৪ ইং তারিখে অনুমানিক রাত ০৯:০০ ঘটিকায় সিরাজদিখানের ধামালিয়া বাজার এলাকায় ব্যক্তিগত কাজে হাজী মোঃ জাকির হোসেন বেপারী মেম্বার এর কাছে গেলে, ডাঃ রতনের দোকানের সামনে গত কয়ক বছর আগে তাদের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান টংগীবাড়ী মাদকের ছড়াছড়ি শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করায় পূর্ব সত্রুতার জের ধরে আমাকে গালি গালাজ ও প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে এবং আমার সাংবাদিকতার পেশাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে ও আমাকে ধাওয়া করলে আমি রতনের দোকানে আশ্রয় নেই। সেখানেও আমাকে মেরে ফেলার জন্য তার লোকজন নিয়ে হামলা করে পরবর্তীতে স্থানীয় মেম্বার এসে আমাকে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যায়। পরে আমি থানায় লিখিত একটি সাধারণ ডায়েরি বিনীত হই জিডি নং ৯১৩ র‍্যাব-১০ এর কোম্পানিতে অভিযোগ করা হয়।

    এবিষয়ে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (এমএসএস) এর নিন্দা, বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যাণ ইউনিয়ন (বসকো’র), নিন্দা জানিয়েছেন।

    এবিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনে ইউএনও,খুশি স্থানীয়রা

    উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনে ইউএনও,খুশি স্থানীয়রা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নাগরিকদের নানাবিধ সমস্যা এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং চলমান অবস্থা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো: নজরুল ইসলাম।পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়ার পরপরই এর মালিপুর,মাটিভাংগা, নান্দিকাঠি, শীতলপাড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের দুর্দশা এবং থেমে থাকা কাজ পরিদর্শনে বের হন তিনি।এতে পৌরসভা এলাকার লোকজনও বেশ ইতিবাচকভাবে তাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন এবং বাকি ওয়ার্ডের নাগরিকরাও তাকে ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান।
    নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে গত বুধবার ২৩ অক্টোবর পৌরসভা এলাকার ভাংগাদেউলা ফরাসিনা গ্রামের সড়ক ধ্বসে দুটি গ্রামের চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে শুরুতেই সেখানে ছুটে যান তিনি এবং সরেজমিনে দেখে সাথে সাথে পৌরসভার দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।এছাড়াও এলাকার প্রায় পঞ্চাশটি পরিবারের প্রায় দুইশতাধিক লোকের দূর্ভোগ শুনে ঝুকিপূর্ণ বাশের সাকোর স্থানে ব্রিজ নির্মানেরও নির্দেশনা প্রদান করেন।এসময় তার এই তাৎক্ষনিক পদক্ষেপে উচ্ছাস প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।এছাড়াও পৌরসভার কান্ডপাশা বাজারের ভেঙে যাওয়া ঝুকিপূর্ণ ব্রিজ দেখেও তা দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌরসভার প্রশাসক মো:নজরুল ইসলাম।
    এরপরই দপদপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন তিনি।ইউনিয়নের তিমিরকাঠী,দপদপিয়া,কয়া,ভরতকাঠী,বুড়ির হাট,বীর নারায়ণ সহ সকল ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।এসময় তার সাথে ছিলেন দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল,ইউপি সদস্য সিরাজ মোল্লা,হারুন খন্দকার,হাসান বিশ্বাস,সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিনা আক্তার সহ স্থানীয়রা।
    উন্নয়ন প্রকল্প দেখতে যাওয়ায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সরেজমিনে পেয়ে অত্যন্ত আন্দন্দ প্রকাশ করেন এবং আশার কথা ব্যক্ত করেন।
    এসময় স্থানীয়রা বলেন,এরকম সচ্ছতা এর আগে থেকেই নিশ্চিত করা গেলে উপজেলার অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যেতো।তারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।এবং তাকে কাছে পেয়ে অনেকেই তাদের নানাবিধ সমস্যার কথা ইউএনওর কাছে তুলে ধরেন এবং তিনি তা সমাধানের আস্বাস দেন।
    এসময় যেসকল উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো কাজই করা হয়নি সেগুলোতে যাতে বিল উত্তোলন করে নিয়ে না যেতে পারে সে ব্যাপারেও নির্দেশনা দেন।
    এ বিষয়ে নলছিটির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম বলেন,পৌরসভা এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে দেখা হচ্ছে।নাগরিকদের সমস্যা শুনে শুনে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানেরও চেষ্টা করছি।নাগরিকদের সেবায় উপজেলা প্রশাসনের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।