Category: দেশজুড়ে

  • বানারীপাড়ায় দুই নারী মাদক কারবারি গাঁজাসহ গ্রেফতার সাতজন

    বানারীপাড়ায় দুই নারী মাদক কারবারি গাঁজাসহ গ্রেফতার সাতজন

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ

    বরিশালের বানারীপাড়ায় এক কেজি চারশত গ্রাম গাঁজাসহ জেসমিন বেগম (৪০) ও সুমা বেগম(৩৬) নামের দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
    মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে এক কেজি চারশত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানার সাধুরবটতলা এলাকায়।
    এ বিষয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই দিন দুপুরে তাদের বরিশাল জেলহাজতে পাঠানো হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুই নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে বাকি আসামি পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বলেন বিভিন্ন জায়গা থেকে গাঁজা সহ তাদের গ্রেফতার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • তারুণ্যের নলছিটির পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

    তারুণ্যের নলছিটির পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি, ২৮ অক্টোবর ২০২৪: তারুণ্যের নলছিটি ইয়ুথ অর্গানাইজেশন চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে দিনব্যাপী উদযাপন করেছে। আজ নলছিটি উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি ও অতিথিদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নজরুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস জনাব শেখ নেয়ামুল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সেলিমের মা সেলিনা বেগম, নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আবদুস সালাম, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শহিদুল ইসলাম আকন, ভলান্টিয়ার্স অফ নলছিটি’র আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন ফকির, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারি শাহজালাল হোসাইন জিহাদী, এবং নলছিটি থানার সেকেন্ড অফিসার জনাব মোঃ শহীদুল।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তারুণ্যের নলছিটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেরাব হোসেন রিফাত। এ সময় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান তাহমিদ, ওসমান গনি রেসানী, লিমন হোসেন, সানজিদা আক্তার এবং মিরাজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, স্মারক ম্যাগাজিন ‘তারুণ্যের দর্পণ’ মোড়ক উন্মোচন, প্রদর্শনী, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বার্ষিক সাধারণ সভা ও সাংগঠনিক কর্মশালা, এবং পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    এ আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়িত্বশীলতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তারুণ্যের নলছিটি ইয়ুথ অর্গানাইজেশন দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে, এবং এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তারা তরুণদের আরও সম্পৃক্ত ও উৎসাহিত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

  • গাইবান্ধায় ল্যাব সহকারী সবুজ অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন

    গাইবান্ধায় ল্যাব সহকারী সবুজ অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন

    আনিসুর রহমান আগুন।।
    সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধায় কলেজের ল্যাব সহকারী মিজানুর রহমান সবুজ ইদানীং এলাকায় আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে তার অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। সম্পদশালী সবুজ বর্তমানে গাইবান্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এণ্ড কলেজের ল্যাব সহকারী হিসেবে চাকুরি করছেন। এর আগে রংপুর পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে সবুজ কর্মরত ছিলেন।

    তার সম্পত্তির পরিমাণ সাধারণ মানুষের কাছে অবাক হওয়ার বিষয় হলেও তা বাস্তব ও সত্য। গাইবান্ধা শহরের থানা পাড়া মহল্লায় সবুজের দৃষ্টিনন্দন একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে, যার বাজার মূল্য কমপক্ষে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা হবে। ভবনটির ডিজাইন এবং স্থাপত্যশৈলী সবার নজর কেড়েছে। কেবল শহরের মধ্যেই নয়, গ্রামের বাড়িতেও তার একটি পাকা বাড়ি রয়েছে, এ থেকে আরও সম্পত্তি থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

    আশেপাশের লোকজন জানান, কয়েক বছর আগেও সবুজ একজন সাধারণ ডেন্টাল কেয়ারের সত্ত্বাধিকারী ছিলেন। তারপর ইলেকট্রনিক্স ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হন। কিন্তু বিগত চার বছরে হঠাৎ করে তিনি এত বিশাল সম্পদের মালিক বনে যান। অনেকের জন্য তা আশ্চর্যের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ চাকরিজীবী হিসেবে সবুজ ১৬তম গ্রেডের একজন কর্মচারী, সে অনুযায়ী তার মাসিক বেতন স্কেল- ৯৩০০ টাকা হয়। যে কারণে তার পক্ষে এত বিপুল সম্পদ অর্জন করা সম্ভব হয় কীভাবে! সে প্রশ্নই আজকাল ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে।

    ডিভাইস সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ:
    বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি ডিভাইস সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সবুজ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকুরিতে পরীক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় পাস করতে সহায়তা করা এবং এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। এই সিন্ডিকেটের সাথে তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা খাতুনও জড়িত আছেন বলে জানা গেছে। তিনি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। এই ডিভাইস সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই মূলত তারা ২ জনেই শহরে সংযুক্তি ঘটিয়েছেন বলে সন্দেহের ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

    তবে মিজানুর রহমান সবুজ তার বিশাল সম্পদের বৈধতা নিয়ে যে কোনো প্রকার অবৈধ উপার্জনের কথা অস্বীকার করেছেন। তার দাবী তিনি এবং তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক থেকে লোন করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। পাশাপাশি জমি বিক্রি করেও কিছু অর্থ সংগ্রহের কথা জানান। আরও দাবি করে বলেন, যে তার ব্যবসাও রয়েছে এবং তার সবকিছুই বৈধ আয়। কিন্তু সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ডিভাইস সিন্ডিকেটের বিষয়টিও মানতে নারাজ সবুজ।

    গাইবান্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ ল্যাব সহকারী পদে নিযুক্ত সবুজের বিপুল সম্পদের কথা জেনে বিস্ময় প্রকাশ করেন। অধ্যক্ষ বলেন, সবুজ আমাদের এখানে চাকরি করেন, সে ল্যাব সহকারি। সবুজের বেতন স্কেল মাত্র ৯৩০০ টাকা এবং তার এসব সম্পদের বিষয়ে আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না। তবে ভবিষ্যতে তার ওপর নজর রাখা হবে এবং প্রয়োজন হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে।

    গাইবান্ধা জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শরিফুল ইসলাম জানান, গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ায় মিজানুর রহমান সবুজের বাড়ি ৩ তলা নির্মাণের জন্য পৌরসভা থেকে অনুমোদন নেওয়া হলেও তিনি পৌরসভা আইনের তোয়াক্কা না করে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। যা বেআইনি এবং গুরুতর অপরাধ। ওই বেআইনি ভবন নির্মাণের বিষয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সবুজের এই হঠাৎ করেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষজনের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সবুজের আয়ের সঠিক উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। দেখা যাক, সবুজের সম্পদের বৈধতা এবং তার কর্মকাণ্ডের সত্যতা খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়! তা দেখার অপেক্ষায় রইল কৌতূহলী জনতা।

  • আ’লীগের লগি বৈঠা পৈশাচিক হত্যা কান্ডের বিচারের দাবিতে নলছিটিতে জামায়াত ইসলামীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    আ’লীগের লগি বৈঠা পৈশাচিক হত্যা কান্ডের বিচারের দাবিতে নলছিটিতে জামায়াত ইসলামীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ২৮ শে অক্টোবর ২০০৬ সালের লগিবৈঠা পৈশাচিক হত্যা কান্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াত ইসলামী নলছিটি উপজেলা শাখার আয়োজনে নলছিটিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২৮ অক্টোবর ) বিকাল ৪টায় নলছিটি পৌরসভা চত্তরে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক এজিএস ও বিশিষ্টা ব্যবসায়ী শেখ নেয়ামুল করিম। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, জামায়াত ইসলামী নলছিটি উপজেলা শাখার আমির মোও: জাকির হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কর্মপরিষদ সদস্য মাওঃ আবুবকর সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামী দপদপিয়া ইউনিয়নের সভাপতি মাওঃ মোঃ হেলাল উদ্দিন। এছাড়া ও বক্তব্য রাখেন নলছিটি পৌরসভা শাখার সভাপতি মাস্টার মোঃ আলমগীর হোসাইন, নলছিটি উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ আঃ সালাম, উপজেলার সেক্রেটারি মোঃ সাইদুর রহমান কবির প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি শেখ নেয়ামুল করিম তার বক্তব্যে বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ শে অক্টোবর আ’লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা লগিবৈঠা দিয়ে আমার চোখের সামনে জমায়াতের ২৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল।
    ৫ ই আগস্ট রাজপথ রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছিলো। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছিল।
    নলছিটির ছাত্র শহীদ সেলিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাকে কোনো হাসপাতাল ভর্তি করেনি। মাও: দেলোয়ার হোসেন সাঈদী কে হত্যা করা হয়। ৫ তারিখে মহান আল্লাহ পাক আপনাদের উপহার দিয়েছিলেন, যার জন্য এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি।
    মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত মানবাধিকার রক্ষায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমাজ গঠন করতে যোগ্য লোক নির্বাচন করতে হবে। আপনারা জনগন আমাদের ভোট দিলে সুন্দর সন্ত্রাস মুক্ত ও মাদকমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র উপহার দিতে পারবো।

  • প্রকাশিত সংবাদের পর বকশীপাড়া সপ্রাবির ঐ প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব

    প্রকাশিত সংবাদের পর বকশীপাড়া সপ্রাবির ঐ প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব

    খলিলুর রহমান খলিল , নিজস্ব প্রতিনিধি:
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বকশী পাড়া সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দাস এর বিরুদ্ধে দেরীতে স্কুল আসা ও সাংবাদিকের চাওয়া তথ্য প্রদানে গড়িমসি ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা সহ ক্ষুদ্র মেরামত বরাদ্দ ব্যয়ের পরিকল্পনার কাগজ দেখাতে গিয়ে হঠাৎ উত্তেজিত কণ্ঠে তারাগঞ্জের সাংবদিক দ্বারা বিরক্ত ও অত্যাচারিত হওয়ার মিথ্যে অপবাদ দিয়ে আক্রমণাত্বক হওয়ার ঘটনায় দৈনিক অধিকরণ ও দৈনিক নতুন বাজার অনলাইন পত্রিকায় গত (২২ অক্টোবর) ২০২৪ইং “সাংবাদিকদের সাথে তারাগঞ্জের বকশিপাড়া সপ্রাবি প্রধান শিক্ষকের উদ্ধত আচরণ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যাহা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি গোচর হয় এবং মোবাইল ফোনে অবগতকরণ ও ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও দেখানো হয়।

    প্রকাশিত সংবাদ ও সাংবাদিক কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য আমলে নিয়ে গত (২৮ অক্টোবর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঞ্জুমান আরা স্বাক্ষরিত একটি কৈফিয়ত তলব প্রসঙ্গে একটি চিঠি ইস্যু করেন। চিঠিতে বলা হয় দৈনিক নতুন বাজার পত্রিকায় গত ২২/১০/২৪ইং প্রকাশিত খবর অনুযায়ী
    আপনি ২০/১০/২৪ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিক পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না এবং সাংবাদিকদের সাথে উদ্ধত আচরণ করেছেন মর্মে জানা যায়, যাহা গণকর্মচারী শৃঙ্খলা(নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ ২০১৮ এর পরিপন্থি উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা কেন হবে না মর্মে সন্তোষজনক জবাব, পত্র প্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিনা ব্যর্থতায় চাওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য যে, গত (২০ অক্টোবর) ২০২৪ইং বকশী পাড়া সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দাস এর বিরুদ্ধে দেরীতে স্কুল আসা ও সাংবাদিকের চাওয়া
    ক্ষুদ্র মেরামত বরাদ্দ ব্যয়ের পরিকল্পনার তথ্য প্রদানে গড়িমসি এবং বিভ্রান্ত করার চেষ্টায় হঠাৎ উত্তেজিত কণ্ঠে দৈনিক অধিকরণ ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সাংবাদিকের সাথে উদ্ধত আচরণ সহ তারাগঞ্জের সাংবদিক দ্বারা বিরক্ত ও অত্যাচারিত হওয়ার মিথ্যে অপবাদ দেন। এসময় তিনি বলেন সাংবাদিক কি করতে পারে, আমার জানা আছে, এদরে অত্যাচারে শিক্ষকতা করা যাবে না। আপনাদের কি করার আছে করেন, তিনি আর কোন কথা না বলে তথ্য প্রদান ছাড়াই অফিস কক্ষ থেকে বেড়িয়ে যান।

    সংবাদটির পরবর্তী অবস্থা শিক্ষা বিষয়ক ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ৩য় পর্বে প্রকাশ করা হবে।

  • রাজারহাটে নারী প্র*তারক জনতার হাতে আটক

    রাজারহাটে নারী প্র*তারক জনতার হাতে আটক

    রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:২৯-১০-২০২৪ইং।রাজারহাট সদর ইউনিয়নের দুর্গারাম আবাসন এলাকায় সহজসরল মহিলাদেরকে সরকারি টিউবওয়েল দেয়ার নাম করে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার সময় প্রতারক’কে আটক করে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। 

    গ্রেপ্তারকৃত সালমা আক্তার স্মৃতি(২৭)কে মঙ্গলবার দুপুরে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে রাজারহাট থানা পুলিশ।পুলিশ জানায়, টাকা বিনিময়ে সরকারি  টিউবওয়েল বিতরণের বিষয়টি এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে প্রতারক’কে আটক করে রাজারহাট থানায় খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

    সালমা আক্তার স্মৃতি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের পশ্চিম পাখিউড়া এলাকার সুরুজ্জামান মোল্লার মেয়ে।অভাবের তাড়নায় সে বিভিন্ন জায়গায় প্রতারনা করতো বলে পুলিশ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছে। রাজারহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রেজাউল করিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেপ্তারকৃত প্রতারক’কে ১৫১ ধারায় মামলা দিয়ে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • রাজারহাটে যুবকের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড

    রাজারহাটে যুবকের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড

    রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:তারিখ:২৯-১০-২০২৪ইং।কুড়িগ্রামের রাজারহাটে কিশোরীর সঙ্গে অশালীন আচরন করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক যুবকের ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশাদুল হক।দন্ডপ্রাপ্ত যুবক আল-আমীন (২২) উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের সোনাবর গ্রামের সফর আলীর পুত্র। ২৮ শে অক্টোবর গতকাল সোমবার রাতে উক্ত যুবক একই গ্রামের হিন্দু পরিবারের এক কিশোরীকে জাপটে ধরে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এসময় কিশোরীর চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ওই যুবককে আটক করে পুলিশকে অবহিত করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারঃ) ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।এসময় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক নিজের অপরাধ স্বীকার করলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারঃ) আশাদুল হক যুবক আল-আমীনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
    রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারঃ) আশাদুল হক ও রাজারহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মো: রেজাউল করিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।#(ছবি সংযুক্ত)

    এনামুল হক সরকার
    রাজারহাট,কুড়িগ্রাম

  • সুন্দরগঞ্জে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের পিটিয়ে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

    সুন্দরগঞ্জে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের পিটিয়ে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বাংলাদেশ বাংজামায়াতের ইসলামীর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    সোমবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ আব্দুল মজিদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে এক গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  উপজেলা জামায়াতে ইসলামের আমীর অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জামাতে ইসলামের জেলা নায়েবে আমীর মোঃ মাজেদুর রহমান সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন,উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ আতাউর রহমান, সাবেক পৌর মেয়র নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু সোলায়মান সাজা, পৌর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ একরামুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক বদরুল আমিন, উপজেলা উলামা মাশায়েক সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম, যুব ও মানবসম্পদ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ইব্রাহিম আলী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের রংপুর জেলা সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান প্রমুখ। 

    উল্লেখ্য-২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের লগি–বৈঠার আঘাতে ঢাকাসহ সারাদেশে ২৬ জন জামাত শিবিরের নেতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করার প্রতিবাদে এবং খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে এ গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

  • সুজানগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃ*ত্যু,আহত ৩

    সুজানগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃ*ত্যু,আহত ৩

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের চরদুলাই এলাকায় সোমবার নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হৃদয় হোসেন (২২) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হন আরও ৩ শ্রমিক।নিহত হৃদয় কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার বানিয়াপাড়া গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে ।সুজানগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, চরদুলাই গ্রামের মোশারফ হোসেন মুরাদ মাস্টারের নির্মাণাধীন ভবনটিতে ওই শ্রমিক কাজ করছিলেন।অসাবধানতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন স্পর্শ করলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরও ৩ শ্রমিক আহত হন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে ২৮ অক্টোবরের খু*নিদের বিচার দাবিতে জামায়াতের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

    সুজানগরে ২৮ অক্টোবরের খু*নিদের বিচার দাবিতে জামায়াতের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বইঠাধারী সন্ত্রাসীদের তাণ্ডব ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(২৮ অক্টোবর) বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়। পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক কে,এম হেসাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী টুটুল হোসাইন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি রেজাউল করিম, সুজানগর পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর রফিকুল ইসলাম, সুজানগর পৌর জামায়াতের আমীর ফারক-ই-আযম, বাংলাদেশ মসজিদ মিশন সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি ও বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুল মমিন, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন,সুজানগর উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ বিশ^াস,সেক্রেটারী তরিকুল ইসলাম, পৌর সভাপতি মির্জা শহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারী শাকিল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল মমিন,সেক্রেটারী সাগর প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান বলেন, ‘শেখ হাসিনার নির্দেশে সেদিন লগি–বৈঠা দিয়ে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা করা হয়। তারা সেদিন হত্যা করে লাশের ওপর নৃত্য করেছিলো। তাই ২৮ অক্টোবরের সেই খুনিদের বিচার করতে হবে। এরপর বিগত ১৬ বছর জামায়াত এবং শিবিরের বিরুদ্ধে গুম খুন ও হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। তাদের বিচার এদেশের মাটিতে হবে ইনশাঅল্লাহ। সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক কে,এম হেসাব উদ্দিন বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগ জানত না আগামীকাল শেখ মুজিবুর রহমানের পতন হবে। তেমনিভাবে ৫ আগস্টের আগেও শেখ হাসিনা জানত না তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে। তারা কত বড় সন্ত্রাসী, কত বড় গুন্ডা কত বড় লুটতরাজকারী তা দেশবাসী দেখেছে। একারণেই এদেশের মানুষ আর তাদেরকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। শেখ হাসিনা ভোটারবিহীন ও প্রহসনের নির্বাচন দিয়ে এদেশকে অকার্যকর করে দিয়েছিল।‘লগি–বৈঠা দিয়ে আওয়ামী লীগ যে হত্যাকাণ্ড করেছিল তা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে সেই খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তারা সেদিন বাংলাদেশে হত্যার মহাউৎসব করেছিল। ১৬ বছর দেশ চালিয়ে দেশকে পঙ্গু করে দিয়েছে। এদেশের জনগণ তাদের বিচার নিশ্চিত করবে। যে ছাত্রজনতা জীবন দিয়ে এদেশকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করেছে। আমরা তাদের সেই সম্মান ধরে রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশআল্লাহ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।