Category: দেশজুড়ে

  • তালতলীতে রাখাইন জেলেদের মাঝে মাছ ধরা ট্রলার বিতরণ

    তালতলীতে রাখাইন জেলেদের মাঝে মাছ ধরা ট্রলার বিতরণ

    তালতলী প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে রাখাইন জেলেদের মাঝে মাছ ধরার ট্রলার দুটি বিতরণ করা হয় সহযোগিতায় শেয়ার ট্রাস্ট, কারিগরি সহায়তায় স্টাট ফান বাংলাদেশ, সুন্দরবন কোলিশন, ম্যানটোরিং সংস্থা জাগো নারী, বাস্তবায়নে রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, নামিশে পাড়া ৭ জন জেলে,তাঁতী পাড়া ৭ জন জেলে মোট১৪ জনকে দুইটি মাছ ধরার ট্রলার বিতরণ করা হয় ৩১ অক্টোবর রোজ বৃহস্পতিবার বিকাল চারটা তাঁতী পাড়াতে রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নির্বাহী পরিচালক মি:মংচিন থান এর সভাপতিত্বে বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগর সৈকত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: খলিলুর রহমান,নামিশে পাড়া বৌদ্ধ বিহারের সাধারণ সম্পাদক মি: তেমংশে, সমাজসেবক মো:ছোবাহান চাপরাসি,সাবেক ইউপি সদস্য মো:ইব্রাহিম বিশ্বাস,সমাজ সেবক মোঃ আল আমিন, আর এসডিও সিনিয়র ভলান্টিয়ার মি:মংথানচো জোজো সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি ।

  • গোদাগাড়ীতে থানা পুলিশ ১৩৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

    গোদাগাড়ীতে থানা পুলিশ ১৩৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১৩৫ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কাদিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে।

    গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তের নাম মোঃ ডালিম রেজা (৩০)। মোঃ ডালিম রেজা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার আজগুবি গ্রামের মোঃ তুফানীর ছেলে।
    এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রফিকুল আলম।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম ও ফোর্সসহ গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে গোদাগাড়ী থানার উজানপাড়া বাইপাস মোড় এলাকায় মাদক উদ্ধারের জন্য নিয়োজিত ছিলো।

    এমন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, গোদাগাড়ী মডেল থানার কাদিপুর গ্রামস্থ রাজশাহী হতে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আঞ্চলিক মহাসড়কের এমএসবি ইটভাটা সংলগ্ন জনৈক মোঃ রবিউল ইসলাম এর বাড়ির উত্তরপার্শ্বের ইটের দেওয়াল সংলগ্ন ফাঁকা জায়গায় একজন ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

    এমন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহীর পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ সোহেল রানার নেতৃত্বে গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম ও ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে।

    এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ অভিযুক্ত মোঃ ডালিম রেজাকে আটক করে এবং তার দেখানো মতে পাঁচটি চটের বস্তায় রক্ষিত পলিথিনের ভিতর পোটলা করা মোড়ানো ১৩৫ কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধারসহ তাকে গ্রেফতার করে।

    উল্লেখ্য, অভিযুক্ত মোঃ ডালিম রেজার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। গাঁজা উদ্ধারের এ ঘটনায় রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এ একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • সুজানগরে জাতীয় ইঁদুর দমন অভিযান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    সুজানগরে জাতীয় ইঁদুর দমন অভিযান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    এম এ আলিম রিপনঃ“ছাত্র-শিক্ষক-কৃষক ভাই, ইঁদুর দমনে সহযোগিতা চাই”-এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পাবনার সুজানগরে চলছে ইঁদুর দমন অভিযান। এ উপলক্ষে বুধবার (৩০ অক্টোবর) র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে। এদিন বেলা ১১টায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বের হওয়া র‌্যালীটি স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার উপপরিচালক ড.মোঃ জামাল উদ্দিন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারুক হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় জাতীয় ইঁদুর দমন অভিযানের আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজানগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রাফিউল ইসলাম। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার উপপরিচালক ড. মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, ইঁদুর আমাদের বৈশ্বিক জীববৈচিত্রের একটি অংশ। তাই ইঁদুর দমনের পদ্ধতি হতে হবে পরিবেশ সম্মত, যাতে অন্যান্য উপকারী জীবের কোন ক্ষতি না হয়। ইঁদুর তিনভাবে মানুষের ক্ষতি করে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথমত মাঠের কৃষিশস্য খেয়ে ফেলে, দ্বিতীয়ত গুদামজাত খাদ্যশস্য ভোগ ও কলুষিত (নষ্ট) করে। তৃতীয়ত, মানুষ এবং পশুপাখির মারাত্মক রোগের জীবাণু বহন করে ইঁদুর। শুধু তাই নয় বাংলাদেশে প্রতি বছর অনেক ফসল ইঁদুরের জন্য নষ্ট ও অনেক জমির ফসল ইঁদুরের আক্রমণের শিকার হয়। শাকসবজি, দানাজাতীয়, মূল জাতীয়, ফলসহ প্রায় সবকিছুই ক্ষতি করে থাকে ইঁদুর। সংরক্ষিত ফসলেরও ক্ষতি করে। তাছাড়া ইঁদুর মুরগির খামারে গর্ত করে, খাবার খেয়ে, ডিম ও ছোট মুরগি খেয়ে প্রতি বছর প্রতিটি খামারের অনেক টাকা ক্ষতি করে থাকে। এছাড়া গবাদিপশু ও পোল্ট্রিতে অনেক রোগের বাহক ইঁদুর। তাই ইঁদুর নিধনের প্রযুক্তিগুলো সবার দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। সেগুলোর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান তিনি। সুজানগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন, ক্ষতি বিবেচনায় বাংলাদেশে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ১৯৮৩ সাল থেকে ইঁদুর দমন অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সুজানগর উপজেলায় ২০২৪ সালের জানুয়ারী মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ২৯০৬০টি ইঁদুর দমন করা হয়েছে। এর ফলে ইঁদুরের হাত থেকে ২৯০ মেট্রিক টন ফসল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে । গত ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইঁদুর দমন অভিযান আগামী ৯ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরের পদ্মায় পুলিশের এএসআই মুকুলের ম*রদেহ উদ্ধার

    সুজানগরের পদ্মায় পুলিশের এএসআই মুকুলের ম*রদেহ উদ্ধার

    এম এ আলিম রিপনঃ পদ্মা নদীতে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর কুষ্টিয়া পুলিশের এএসআই মুকুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ঘাট পুলিশ ফাঁড়ি। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার এএসআই। বুধবার (৩০ অক্টবর) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে পদ্মা নদীর পাবনার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের মহনপুর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৩ টার দিকে কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ এলাকায় নদী থেকে এএসআই সদরুল আলমের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। নাজিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বেলাল হোসেন জানান, পদ্মা নদীতে ডিঙ্গি নৌকার মাঝি আমাকে ফোন করে মরদেহের খবর দেয়। তারা মরদেহটি রশি দিয়ে ড্রেজারের সাথে বেধে রেখেছিল। পরে আমরা গিয়ে উদ্ধার করি। উল্লেখ্য, গত সোমবার ভোররাত ৪টার দিকে একটি নৌকায় স্থানীয় দুই ইউপি সদস্য ছানোয়ার ও আনোয়ার কুমারখালী থানার ছয়জন পুলিশকে নিয়ে পদ্মা নদীতে যায়। এসময় অবৈধভাবে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন জেলেরা। পুলিশের নৌকা জেলেদের দিকে গেলে দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এসময় নৌকায় থাকা এএসআই সদরুল আলম ও এএসআই মুকুল হোসেন নদীতে ঝাঁপ দেন। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ ছিলেন।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

    নড়াইলে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশের অভিযানে পঞ্চাশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার। মোঃ আশরাফুল মোল্যা (৪০) নামের একজন ইয়াবা কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ আশরাফুল মোল্যা (৪০) লোহাগড়া থানাধীন তালবাড়িয়া রাবু মোল্যার ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    মন্গবার (২৯ অক্টোবর) লোহাগড়া থানাধীন গোপীনাথপুর দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের সামনে পাঁকা রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল লোহাগড়া থানার অফিসার (ওসি) ইনচার্জ মোঃ আশিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) কাজী আবুল হোসেন ও এএসআই (নিঃ) মোঃ মিকাইল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ আশরাফুল মোল্যা (৪০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির কাছ থেকে পঞ্চাশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • নড়াইলে গরু চোর সন্দেহে তিন জনকে পিটিয়ে হ*ত্যা

    নড়াইলে গরু চোর সন্দেহে তিন জনকে পিটিয়ে হ*ত্যা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে গরু চোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা। নড়াইল সদর উপজেলায় গরু চোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকালে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    নিহতদের মধ্যে নুরনবী ও দুলাল নামে দুজনের পরিচয় মিলেছে। তাদের বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ এলাকায়। বাকি একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার তুলারামপুর গ্রামের হান্নান মোল্যার বাড়িতে হানা দেয় চার চোর। এ সময় বাড়িতে কুকুর ডেকে উঠলে হান্নান মোল্যা টের পান। তার ডাক চিৎকারে এগিয়ে আসে আশেপাশের লোকজন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে ধাওয়া করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। এতে তিনজন নিহত হন এবং একজন পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তুলরামপুর এলাকা থেকে একাধিক গরু চুরি ঘটনা ঘটেছে।
    নড়াইল সদর থানার ওসি মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • উপজেলা সমবায় অফিস নেছারাবাদে সমবায় দিবস পালনের নাম করে সমবায় সমিতি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    উপজেলা সমবায় অফিস নেছারাবাদে সমবায় দিবস পালনের নাম করে সমবায় সমিতি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি //

    নেছারাবাদে সমবায় দিবসের নাম করে সমবায় সমিতি থেকে ব্যাপকহারে চাদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি সমবায় সমিতি থেকে এক হাজার থেকে পাচ হাজার টাকা নিচ্ছে উপজেলা সমবায় অফিস। পপুলার মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ লি: এর মালিক মো: ফরিদ চৌধুরী নামে জনৈক এক লোক মারফত ওই চাদা উঠানো হচ্ছে। আবার কোন কোন সমবায় সমিতি থেকে খোদ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নিজে গিয়ে চাদা এনেছেন। আর এ কাজে তাকে সাহয্য করছেন, উপজেলা সমবায় অফিসের অফিস সহায়ক পিন্টু। তবে, অফিসসহায়ক পিন্টু বলেছেন, আমি শুধুমাত্র সমবায় সমিতিতে সমবায় দিবসের দাওয়াত কার্ড দিয়ে এসেছি। কোন টাকা নেইনি।

    আতা বহুমুখী সমবায় সমিতির মালিক উত্তম মিস্ত্রী বলেন, প্রতি বছর সমবায় দিবস পালনে আমি সমবায় অফিসে অনুষ্ঠান পালনে পাচ হাজার টাকা দেই। এ বছর আগামী ২ নভেম্বর(শনিবার) সমবায় দিবস পালনের জন্য পাচ হাজার টাকা দিয়েছি। তবে আমি অফিসে এসে টাকা দেইনি। উপজেলার পপুলার মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ লি: এর মালিক মো: ফরিদ চৌধুরীর কাছে টাকা দিয়ে আসছি। এর পূর্বে বিগত বছরে দিবস পালনের জন্য অফিসের অফিস সহায়ক পিন্টু এসে টাকা নিত।

    উপজেলার সমেদয়কাঠি ইউনিয়নের দুর্গাকাঠি গ্রামের ঘাসফুল ক্ষুদ্র সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির মালিক বিধান রায় অভিযোগ করেন, সমবায় দিবস উপলক্ষে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হাসান রকি নিজে গিয়ে আমার অফিস থেকে পাচ হাজার টাকা চাদা এনেছেন। চাদা না দিলে তারা আবার অডিটে গিয়ে আইনের মারপ্যাচ দেখান। তাই ঝামেলা না করে চাদা দিয়ে দেই।

    নিউ ন্যাশনাল সমবায় সমিতির মালিক মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ বলেন, প্রতি বছর সমবায় দিবসে আমরা সব সমবায় সমিতিগুলো অফিসে একটা টাকা দিয়ে থাকি। এ বছরও আমার কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। চাদা না দিলে আবার অডিটে নানা ত্রুটি ধরা হয়।

    সেবক হেল্থ এন্ড এডুকেশন সোসাইটি নামে অপর একটি সমিতির মালিক কৃষ্ণ কান্ত দাস বলেন, সমাবায় দিবস আসলে আমরা সবাই অফিসে একটা খরচ দিয়ে আসি। পপুলার সমিতির মালিক মো: ফরিদ চৌধুরী সবার কাছ থেকে চাদা তুলে অফিসে দিয়ে আসেন। আমাকে দুই হাজার টাকা চাদা দিতে হবে।

    পপুলার মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ লি: এর মালিক মো: ফরিদ চৌধুরী বলেন, সমবায় দিবসে অনুষ্ঠান সফল করার জন্য আমাদের একটা চাদা দিতে হয়। আমি সমবায় অফিসে পাচ হাজার টাকা দিয়েছি। মুলত সমবায় দিবস আসলে আমরা সবাই বৈঠক করে অফিসে অনুষ্ঠানের জন্য একটা খরচ দিয়ে আসি।

    উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো: হাসান রকি জানান, উপজেলায় মোট ২৬৪ টি সমবায় সমিতি রয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্য আরো কিছু সমিতি বাদ দেয়া হবে। সমবায় দিবস পালনের জন্য সরকারিভাবে বিশ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে। তার থেকে ভ্যাট আইটি বাদ যাবে। দিবস পালনের জন্য মুলত অনেক খরচ হয়। সব সমবায় সমিতির মালিকেরা অনুষ্ঠানের দিন একটু মোরগ পোলাউ খাবে বলে তারা দাবি জানিয়েছে। তার প্রেক্ষিতে সাধ্যনুযায়ি যে যা পারছে দিচ্ছে। এখানো জোড় জবরদস্তি কিছু চাওয়া হয়নি।

  • ঝিনাইদহে সড়ক দু*র্ঘটনায় একজন নিহ*ত

    ঝিনাইদহে সড়ক দু*র্ঘটনায় একজন নিহ*ত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদাহ সদর উপজেলার সাধুহাটি কৃষি খামার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সুবাহান মল্লিক (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর বারোটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুবাহান মল্লিক শৈলকুপা উপজেলার মাইলমারি গ্রামের জাহান মল্লিকের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে তার মেয়ে (তৃতীয় লিঙ্গ) সুখজান নেছার কাছে থাকতেন। পুলিশ ও প্রত্যাক্ষ্যদশী সূত্রে জানা গেছে ঝিনাইদহ চুয়াডাঙ্গা সড়কের সাধুহাটি কৃষি খামারের কাছে একটি পাখি ভ্যান ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে দুই মহিলাসহ তিনজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সুবাহান মল্লিক মারা যান। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার আইভি জানান, সুবাহান মল্লিকের মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে। ঝিনাইদাহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন খবর নিশ্চিত করেছেন। আহত দুই মহিলাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • রাজশাহীতে ডা. কাজেম হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে সংবাদ সস্মেলন

    রাজশাহীতে ডা. কাজেম হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে সংবাদ সস্মেলন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীতে ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদের খুনিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে চিকিৎসকরা। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শিক্ষক, চিকিৎসক ও ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে বুধবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে মেডিকেল কলেজ সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন ন্যাশনাল ডাক্তার ফোরাম (এনডিএফ) এর সাধারণ সম্পাদক ডা: এম মুর্শেদ জামান মিঞা।

    তিনি বলেন, গত ২৯ অক্টোবর-২০২৩ ইং তারিখ, ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদ নির্মম ও নৃশংসভাবে খুন হয়েছে। তিনি উত্তরাঞ্চলের বিখ্যাত একজন চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন। রাজশাহী লক্ষিপুরে পপুলার হাসপাতাল থেকে গত ২৯ অক্টোবর-২০২৩ তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ১২ টার দিকে রোগী দেখা শেষ করে চেম্বার থেকে মোটরসাইকেল যোগে উপশহরের নিজ বাসায় ফিরছিলেন। এমন সময় রাস্তায় ওঁৎ পেতে থাকা খুনিরা মাইক্রোবাস যোগে পিছু নেয়, বর্ণালী মোড়ের পশ্চিম দিকে শ্রম আদালতের বিপরীতে মেসার্স কোরাইশি থাই-এলুমনিয়াম দোকানের পাশে গতিরোধ করে মাইক্রো দিয়ে ধাক্কা দিলে ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদ ফুটপাতের উপর পড়ে যায়।

    এসময় খুনিরা অতিদ্রুত মাইক্রোবাস থেকে নেমে তার বুকে পরপর তিনটি ছুরিকাঘাত করে আবারও মাইক্রোযোগে পালিয়ে যায়। তার মোটরসাইকেল চালক শাহীন ও অন্যান্য পথচারীরা রক্তাক্ত অবস্থায় ডা. কাজেমকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ডা. কাজেমকে দ্রুত আইসিইউতে প্রেরণের ব্যবস্থা করেন। আইসিইউতে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকবৃন্দ ডা. কাজেম কে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

    পরদিন সোমবার সকালে পুলিশের সুরাৎহাল প্রতিবেদন ও ফরেনসিক ময়না তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি পেশাদার খুনিদের হাতে একটি নিখুঁত খুন বলে উল্লেখ করা হয়। এ নৃশংস খুনের প্রতিবাদে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বিক্ষোভ ও মানবন্ধনসহ নানান কর্মসূচী পালন করেন। ডা. কাজেম হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে টানা কয়েকদিন বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়।

    এ নৃশংস খুনের বিচার চেয়ে রাজপাড়া থানায় ৩০ অক্টোবর-২০২৩ ইং তারিখ ডা. কাজেমের স্ত্রী ডা. ফারহানা ইয়াসমিন সোমা একটি খুনের মামলা দায়ের করেন। খুনের ১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মামলার কোন অগ্রগতি চোখে পড়ার মত বা দৃশ্যমান হচ্ছে না। রাজশাহী শহরকে শান্তির শহর বলা হয়, জানমালের নিরাপত্তার জন্য এ শহরে শত শত সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। যে স্থানে ডা. কাজেম খুন হয়েছে সেখানেও সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল ও আছে।

    তিনি আরো বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট এ খুনের ঘটনা তদন্ত করেছেন, কিন্তু ফ্যাসীবাদীর দোসররা আসামী গ্রেপ্তারে কোন সহযোগীতা না করে বরং অজ্ঞাত কোন কারণে তার বিলম্ব ঘটিয়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত এ নৃশংস খুন সম্পর্কে কোন অগ্রগতি বা বিষয় জানতে পারছিনা। পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতের বাবা যোগাযোগ করলে পিবিআই কর্তৃপক্ষ উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি হয়েছে বলে জানাতে পারেননি।

    আমরা আশংকা করছি, এ খুনের কোন সুষ্ঠু বিচার আমরা পাবো কি না। কারন দীর্ঘ এক বছর সময়কাল অতিবাহিত হলেও কোন ধরণের সামান্যতম অগ্রগতি আমাদের জানানো হচ্ছে না। এ খুনের সাথে কারা জড়িত তা জানতে চায়। তার স্ত্রী-সন্তানেরাও জানতে চায় খুনি কে? কেন খুন করা হলো? পরিবর্তীত রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রেক্ষাপটে তাই আজ আমরা নিহত ডা. কাজেমের বাবা মা, স্ত্রী সন্তান, ভাই বোন, আত্মীয়-স্বজন ও সর্ব স্তরের চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে ডা. কাজেমের খুনিদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবী জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলন হতে অভিযোগ তুলা হয়েছে, এই হত্যা কান্ডের সাথে রাষ্ট্রযন্ত্র, রাজনৈতিক মহল জড়িত থেকে পেশাদার খুনিদের দিয়ে এমন হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। যারা তদন্তে জড়িত আছে তারা সুষ্ঠ তদন্ত না করে অবহেলা করছে।

    এছাড়াও একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে ঘটনার যে সিসিটিভি ফুটেজ ছিলো তা তদন্ত সংস্থা পিবিআই কাট করে নিয়ে গেছে। ফুটেজের আগের ও পরের অংশ রেখে গেছে। সেই বিষয় গুলো নিয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গেলে কর্ণপাত করছে না। বরং আমরা যারা এই পেশার সাথে জড়িত আছে তাদেরইে বারবার বলা হয়েছে আপনার নিজেরা সাবধানে চলাফেরা করুন। তাদের এই কথা বর্তায় আমরাও নিজেরা আতঙ্কে থেকে চলাফেরা করেছি। এমনকি ভাড়া করা গান ম্যান দিয়ে চলতে হয়েছে। আমরা নিজেরা এখনো নিরাপদ নই। এতেই বুঝা যায় এই হত্যা কান্ডের সাথে কারা জড়িত আছে।

    সংবাদ সম্মেলন থেকে আরো জানানো হয়, এখন একটি নিরপেক্ষ সরকার আছে। আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করবো তদন্ত কোনদিনে যাচ্ছে। যদি বুঝতে পারি কোন বিচার পাওয়ার আশঙ্কা নাই বা একটি খুনের রহস্য উন্মোচন হচ্ছে না তাহলে আমরা ঐক্যবন্ধ হয়ে কর্মবিরতির মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে কঠোর আন্দোলন করার হুশিয়ারী প্রদান করা হয়।

    পরে সাংবাদিকরে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ন্যাশনাল ডাক্তার ফোরাম (এনডিএফ) এর রাজশাহী সভাপতি অধ্যাপক ডা: কাজী মহিউদ্দিন আহমেদ, ডাক্তার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিএবি) সভাপতি ডা: ওয়াসীম হোসেন, এনডিএফ রাজশাহীর সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা: জাহাঙ্গীর আলম।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • দোয়ারাবাজারে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশে মিজান চৌধুরী  ‘ সংস্কার সেরে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন’

    দোয়ারাবাজারে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশে মিজান চৌধুরী ‘ সংস্কার সেরে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন’

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:: বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ‘জবাবদিহিতামূলক সরকার ফিরিয়ে আনুন। অন্তর্বতীকালীন সরকারকে আমরা সমর্থন দিয়েছি, সমর্থন দিয়ে যাব। আমরা সরকারের কাছে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ চাই এবং সংস্কার সেরে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদের পতন ও খুনী হাসিনা পালিয়ে গেলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি। রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিটি সেক্টরে এখনো বাকশালীদের প্রেতাত্মারা বসে আছে। তারা নানা ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করছে। এ ব্যাপারে সর্বস্তরের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

    বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে দোয়ারাবাজার উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল যুবদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সম্মেলনে মিজানুর রহমান চৌধুরী উপরোক্ত কথা বলেছেন।

    এসময় উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মানিক মাস্টার, যুগ্ম আহবায়ক ও সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ, খোরশেদ আলম, আহবায়ক কমিটির সদস্য এইচএম কামাল, আবু হেনা আজিজ, আব্দুল হক, আফিকুল ইসলাম, সামছুল ইসলাম, আমান উল্লাহ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এরশাদুর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুর আলম, আব্দুল আজিজ, আব্দুল মচব্বির, হাফিজুর রহমান, আব্দুল মতিন।

    উপস্থিত ছিলেন, দোয়ারাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহির মিয়া, পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ, মান্নারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলীম, নরসিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লয়লুছ খাঁন, দোহালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা: শওকত, পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালিব ভুইঁয়া, সুরমা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাহাত হোসেন, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, শাহ নেওয়াজ চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, জয়নাল আবেদীন, শাহজাহান মিন্টু, যুবদল নেতা সানোয়ার হোসেন, রিপন আহমদ, রুহুল আমীন, হামদু মিয়া, জহিরুল ইসলাম বাবুল, আশরাফুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল মনাফ, এরশাদ মেম্বার প্রমুখ।