পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় হরিঢালী, কপিলমুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সাড়ে ১১টায় হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুপুর ১২ টায় কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির ,১টায় কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন ডাবলু, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, শেখ ইমামুল ইসলাম, শেখ আনারুল ইসলাম, পৌর যুগ্ম আহবায়ক সাইফুদ্দিন সুমন,এ্যাডঃ এস্কেন্দার, সরদার তোফাজ্জেল হোসেন, সন্তোষ সরদার, আবু মুছা,সরজিত ঘোষ দেবেন, প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার মন্ডল, কার্তিক চন্দ্র সরকার,বিকাশ চন্দ্র দাস,স্বপন কুমার বিশ্বাস, মনিরুল ইসলাম, সবুজ সরদার,প্রকাশ ঘোষ,রহিমা আক্তার সন্ধ্যা,খলিলুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, শামিমা আক্তার, সোহরাব সরদার, দেবব্রত ভদ্র, শেখ খায়ের, বি এম আকিজ উদ্দিন, হুরায়রা বাদশা, শহিদুর রহমান, ওবায়দুল্লাহ সরদার, কাসেম জোয়াদ্দার,শেখ আলামিন, শহিদুল রহমান, শেখ জুলু,মমিনুর রহমান, ইদ্রিস আলী, দীপংকর অধিকারী,কামাল হোসেন, মিলন,জাহিদ হোসেন, মারুফ, আবু হানিফ,আব্দুল মজিদ।
Category: দেশজুড়ে
-

পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিএনপির সভাপতি ডাঃ আব্দুল মজিদের মতবিনিময়
-

মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা
পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিলিজিয়াসমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শংকর ঢালী, আসাদুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুল আজিজ, কামাল হোসেন। শিক্ষক রত্নেশ্বর সরকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক রনজুমানারা, গীতা রাণী, মাহফুজা খাতুন, ললিতা নাথ, নার্গিস পারভীন, সুষ্মিতা রায়, শামিমা নাসরিন সিমা, আজমেরী সুলতানা, এসএম আমিনুর রহমান লিটু, শাহানা ইয়াছমিন, আবু সাঈদ পলাশ, অনুপম ঘোষ, নাজমুল হোসেন, শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী বিশ্বাস, সাইমা, আফিফ আহসান আহমেদ, সিয়াম ও সাইমা। অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। -

পাইকগাছায় ঘুঘু দিয়ে ঘুঘু শিকার
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
পাইকগাছায় ঘুঘু দিয়ে ঘুঘু শিকার করছে এক দল শিকারীরা। ঘুঘুর ডাক অধিকাংশ মানুষই পছন্দ করেন। শুধু তাই নয়, এই পাখি দেখতেও বেশ সুন্দর। অথচ এই পাখি শিকারের মতো অপরাধে করতে মানুষ নিষ্ঠুর হয়ে উঠছে। ঘুঘু দেখেছো; ঘুঘুর ফাঁদ দেখনি, এমন প্রবাদ বাক্য আমরা প্রায়ই বলতে শুনি। এবার দেখা মিললো ঘুঘু ও ঘুঘু ধরা খাচার ফাঁদ।
মাংস খাওয়ার জন্য ঘুঘু শিকারের প্রবণতা বেশি। শরীরের শক্তিবৃদ্ধিতে বা দুর্বল পুরুষের সবল হতে ঘুঘুর মাংস খাওয়ার অদ্ভুত এক ধারণা প্রচলিত আছে এ অঞ্চলের কিছু মানুষের মধ্যে। যার কারণে পরিযায়ী পাখির বাইরে মাংস খাওয়ার জন্য ঘুঘু পাখিকেই বেশি শিকার করা হয়।
উপকূলের পাইকগাছাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুঘু দিয়ে ঘুঘু ধারা শিকারিদের তৎপরতা বেড়েছে। সম্প্রতি পাইকগাছায় উপজেলার কপিলমুনি ও গদাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে শিকারির কাছে ঘুঘু ও ঘুঘু ধরার ফাঁদ দুইয়েরই দেখা মিলেছে।
ঘুঘু ধরার ফাঁদ ও পদ্ধতি বেশ অভিনব। বাঁশের একটি খাঁচার ভিতরে জীবন্ত ঘুঘু পাখি রেখে দেওয়া হয় খাবার। খাঁচাটি জাল ও লতাপাতা দিয়ে জড়িয়ে রাখা হয় যাতে সহজে দৃষ্টিতে গোচর না হয়। যেখানে ঘুঘু পাখির বেশী আনাগোনা বা আবাসস্থল আছে এমন বাঁশঝাড় ও উচু গাছ সংলগ্ন ধান বা সবজি ক্ষেতে পাখির আনাগোনা দেখে লম্বা বাঁশ জোড়া দিয়ে খাঁচাটি পেতে রাখা হয়। শিকারি নিরাপদ দূরত্ব থেকে পর্যবেক্ষণ করে খাঁচাটি। খাচার ভিতর বন্দী ঘুঘু পাখি ডাকাডাকি শুরু করে। সেই ডাকে আশেপাশে বিচরণ করা পাখিরা আকৃষ্ট হয়ে খাঁচার কাছে আসে খাবারের লোভে অথবা বন্দী ঘুঘুকে মুক্ত করতে কিংবা দেখতে। খাঁচার খুব কাছে গিয়ে খাঁচায় পা অথবা ঠোঁট বাড়িয়ে দিলেই জালে জড়িয়ে আটকে যায় ঘুঘু। দূর থেকে শিকারী ছুটে এসে খচার ফাদটি নামিয়ে ঘুঘুটি ধরে ফেলে।
সম্প্রতি উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের সানু ও শহিদুল গাজী, গদাইপুর ইউনিয়নের চেচুয়া গ্রামের করিম গাজীকে ঘুঘু ও ঘুঘু ধরার ফাঁদ নিয়ে শিকারে যেতে দেখা গেছে। কপিলমুনি ইউনিয়ানের শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক সানু (৬০) কে দেখা যায় শীতের ভোর বেলায় একটি খাঁচায় বন্দী ঘুঘু পাখি নিয়ে ঘুঘু ধরার জন্য যাচ্ছেন। বাঁশঝাড় ও উচুগাছের কাছে ধান ও সবজি ক্ষেতে ঘুঘু ধরার জন্য ফাঁদ পাতবেন। খাঁচাবন্দী ঘুঘু পাখি নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, খাঁচায় বন্দী এই ঘুঘু পাখি দিয়েই ঘুঘু পাখি ধরি। শখের বসে এভাবে পাখি ধরে রান্না করে খান সানু। পাখি শিকার করা অন্যায় জানালে তিনি বলেন, শুনেছি,পাখি পরিবেশের উপকার করে। তবে শখ করে মাঝে মাঝে পাখি ধরি। আর পাকি শিকার করবেন না বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
উপজেলার পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবি’র সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান বলেন,পাখি সহ সকল বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, লালন-পালন, ক্রয়-বিক্রয় বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন- ২০১২, অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে,শিকারী ও অসাধুদের সতর্ক করতে উপজেলার বিভিন্ন গাছে পাখির বাসার জন্য কাঠের তৈরি বাস্ক, মাটির পাত্র, প্রচার পত্র ও বিল বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। আগে এলাকায় দেখতাম প্রচুর পাখি শিকার হতো। বনবিবি’র বিভিন্ন প্রচার প্রচারণায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। এখন পাখি শিকারের সংখ্যা কমে গেছে। তবে এখনো লুকিয়ে লুকিয়ে গ্রামের কিছু মানুষ মাঝে মাঝে ফাঁদ পেতে ঘুঘু, বক, মাছরাঙ্গা শিকার করেছে। শীতের সময় শিকারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। তিনি আরো জানান, পাখি শিকার বন্ধে ও প্রকৃতিতে এর উপকারিতা এবং বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন, এর লঙ্ঘনে যে শাস্তির বিধান আছে সে বিষয়েগুলো নিয়ে প্রচারণা এবং সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারলে পাখি শিকার পুরোপুরি বন্ধ হবে।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসীম। পাখিরা শুধু প্রকৃতির শোভা বর্ধনই করে না,পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা করে। পোকামাকড় খেয়ে এরা কৃষকের উপকার করে। উপজেলা প্রসাশন পাখি শিকার বন্ধে সবসময় তৎপর রয়েছে। পাখি শিকার করলে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি পাখি শিকার বন্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সচেতন এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

পীরগঞ্জে ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে ব্যবসায় ক্ষতি করার অভিযোগ
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ব্যবসার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্পে ভেজাল তেল বিক্রি করা হচ্ছে মর্মে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে পরিজুল ইসলাম হৃদয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন মেসার্স আর.এন ফিলিং স্টেশনের স্বত্ত্বাধিকারী রাজিউল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের মৃত ওসমান আলীর ছেলে পরিজুল ইসলাম হৃদয় অনৈতিক সুবিধা লাভের জন্য গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে মেসার্স আর.এন ফিলিং স্টেশনের স্বত্ত্বাধিকারী রাজিউল ইসলামের নামে বিভিন্ন অপপ্রচার সহ হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন। হুমকি দিয়েও সুবিধা করতে না পেরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন ওই ব্যক্তি। তার প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে গত ১৯ নভেম্বর মেসার্স আর.এন ফিলিং স্টেশনে পানি মিশ্রিত পেট্রোল বিক্রি করা হয় মর্মে হৃদয় তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। বিষয়টি মুহুর্তেই ভাইরাল হয়। যা আদৌও সত্য নয়। হৃদয়ের ওই ফেসবুক প্রচারনার কারণে ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন পেট্রোল পাম্প মালিক। ওই তেল পাম্পের মালিক রাজিউল ইসলাম এ নিয়ে হৃদয়ের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উল্টো আরো ক্ষতি করার হুমকি দেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।এ বিষয়ে অভিযুক্তকারী পরিজুল ইসলাম হৃদয়ের মতামত জানতে চাওয়া হইলে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল করা হলে, তার ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
এন এন রানা
পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও -

নেছারাবাদে গলায় ওড়না পেচিয়ে স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহ-ত্যা।
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //
নেছারাবাদে ইশরাত জাহান জেবিন(১৫) নামে সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুল শিক্ষার্থী গলায় ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ইশরাত জাহান জেবিন স্বরূপকাঠি কলেজিয়েট একাডেমি স্কুলে পড়াশোনা করতো। বুধবার বিকালে নিজেদের বাসায় কাঠের ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে সে আত্মহত্যা করে।
নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের চার নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। সে বরছাকাঠি মোঃ জহিরুল ইসলাম এর বড় মেয়ে। ওয়ার্ড মেম্বার শামীম এ খবর নিশ্চিত করেছেন। শামীম জানান, মায়ের সাথে রাগারাগি করে আত্মহত্যা করেছে জানতে পারে।
জানাগেছে, মেয়েটি তার মায়ের সাথে মোবাইলে সিম চেইঞ্জ করা নিয়ে রাগারাগি করে। বিকালে ঘটনার সময় মা পাশের বসায় ছিলো। মোবাইলে সিম চেইঞ্জ করছে কিনা সেটা দেখার জন্য মা ঘরে এসে জেবিনকে ডাক দেয়। কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে ডুকেই জেবিনকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় দেখতে পায়। মা ডাক চিৎকার দিলে স্বজনরা তাকে নামিয়ে নেছারাবাদ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
ইশরাত জাহান জেবিন এর মা জানান, সকালে মোবাইলে সিম চেইঞ্জ করা নিয়ে দাদি, নাতির সাথে রাগারাগি হয় এবং আমিও একটু বকাবকি দিয়েছিলাম। জেবিন এর মা কাদো কাদো কন্ঠে আরো জানান,আমার মেয়েটা ছোট বেলা থেকেই খুব জেদি ছিলো সামান্য কিছু একটা বিষয়ে নিয়ে রাগারাগি করতো। এমন কি ওর ছোট ভাইয়ের সাথেও রাগারাগি করতো।
ওয়ার্ড কমিশনার শামীম জানান, আমি খবর পেয়ে ওদের বাসায় গিয়েছিলাম। শুনছি তার মায়ের সাথে একটু রাগারাগি হয়েছিলো। ঘরের সাথে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। থানা থেকে পুলিশ এসেছিলো। লাশ থানায় নিয়ে গেছে।
নেছারাবাদ থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) বনি আমিন জানান, খবর পেয়ে থানা থেকে লোক পাঠিয়েছি বডি নিয়ে আশা হয়েছে “শুনেছি মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। সকালে ময়না তদন্তের জন্য পিরোজপুর পাঠানো হবে।
-

ঝিনাইদহে ম্যাটস শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও মানববন্ধন কর্মসূচি
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
১০ম গ্রেডে নিয়োগের সুযোগসহ ৪ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন কর্মসুচি পালন করছেন ঝিনাইদহের ম্যাটস শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ঝিনাইদহ-খুলনা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে ধর্মঘট ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে কর্মসূচিতে ঝিনাইদহ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। কর্মসুচি শেষে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাজমুল হাসান ও আবুবকর। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায়ে নানা রকম ¤েøাগান দিতে থাকেন। বক্তারা বলেন, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন। স্বাস্থ্যখাতে যেসব অনিয়ম রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। ম্যাটস শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি দ্রæত বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। ম্যাটস শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ১০ম গ্রেডে শূণ্যপদে নিয়োগ ও সরকারী/বেসরকারী পর্যায়ে নতুন পদ সৃষ্টি, ৪ বছরের একাডেমিক কোর্স বহাল, অসঙ্গতিপূর্ণ কারিকুলাম সংশোধন ও ভাতাসহ এক বছরের ইন্টার্নসীপ, স্বতন্ত্র ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ গঠন এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ড ও বিএমএন্ডডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে ম্যাটস শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ। -

বিরামপুরে ট্রাক চাপায় সাংবাদিক আহত “ঘাতক ট্রাককে আটকাতে গিয়ে পথচারী হুদার মৃ-ত্যু
খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিরামপুরে ট্রাক চাপায় এক সাংবাদিক গুরুত্বর আহত হয়েছেন। এসময় ট্রাক আটক করতে গিয়ে চাকার নিচে পড়ে এক পথচারীর মৃত্যু ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শহরের কলাবাগান প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, মোহনা টিভির বিরামপুর প্রতিনিধি আকরাম হোসেন মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে এলাকার কলাবাগান মোড়ে একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এসময় পথচারীরা ট্রাকটি আটকের চেষ্টা করে। ওই সময় সবেদ আলী হুদ্দা (৪৫) নামে একজন ট্রাকের চালকের দরজায় উঠে গেলে তাকে নিয়েই ট্রাক দিনাজপুর অভিমুখে চলতে থাকে। হুদ্দা চিৎকার করতে থাকলে দুর্গাপুর ঢিবি নামক স্থানে হুদ্দাকে ট্রাকের চালক চলন্ত ট্রাক থেকে মহাসড়কে ফেলে দেয়। এতে তার মৃত্যু ঘটে। তিনি পৌর এলাকার টাটকপুর গ্রামের সমশের আলীর ছেলে।
অপরদিকে, গুরুত্বর আহত সাংবাদিক আকরাম হোসেনকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর দিনাজপুর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত সাংবাদিকের সাথে থাকা তার ভাই আকতার হোসেন বলেন, আকরাম হোসেনের মাথা ফেটে গেছে এবং বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর আঘাত পেয়েছেন। বর্তমানে সাংবাদিক আকরাম হোসেন সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। আহত সাংবাদিক আকরাম হোসেন বিরামপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং কয়েক বছর ধরে বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
আহত সাংবাদিক আকরাম হোসেনের সুস্থ্যতার জন্য বিরামপুর প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে দোয়া করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। -

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারের প্রয়োজনে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি ঘোষণা
স্টাফ। রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারের প্রয়োজনে আলহাজ্ব মোঃ শামসুল আলম খান আহবায়ক এবং আজগর হোসেন রবিনকে সদস্য সচিব করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ৫ আগষ্ট পতনের পর জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশের সকল প্রেসক্লাব ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্ত হলেও ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব এখনো সেই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। ময়মনসিংহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গাঙ্গিনাপাড়ে অবস্থিত ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবটি গঠিত হবার সময় থেকেই পদাধিকার বলে প্রেসক্লাবের সভাপতি জেলা প্রশাসক। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনে বর্তমান ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক এ প্রেসক্লাবের সভাপতি থাকছেন না বলে নিশ্চিত করেছেন। বিভাগীয় নগরী হওয়ায় ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের সংখ্যাও ব্যাপক হারে বেড়েছে। তবে পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে আইনজীবী, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, সরকারি চাকরিজীবি থাকায় স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদকগণ অবহেলিত হয়েছেন এ প্রেসক্লাবে।
তবে এরই মধ্যে প্রেসক্লাব সংস্কার আন্দোলনকারী সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের অধিকাংশ দাবীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে “প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান” করার ক্ষেত্রে বর্তমান জেলা প্রশাসক মোঃ মুফিদুল আলম জানিয়েছেন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সভাপতির পদে আর থাকবেন না। তিনি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার প্রশ্নে স্থানীয় পেশাদার সাংবাদিকদের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার প্রশ্নে অধিকার বঞ্চিত সাংবাদিকরা (১৩ নভেম্বর) বুধবার বিকেলে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। মতবিনিময় সভায় দৈনিক ইনকিলাবের বিশেষ সংবাদদাতা ও দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ শামসুল আলম খানের সভাপতিত্বে ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার চীপ ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ শিবলী সাদিক খানে সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন, আনন্দ টিভি ও দৈনিক জনকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল খান, দৈনিক নতুন সময় প্রতিনিধি মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, সাপ্তাহিক ময়মনসিংহের সময় পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক দিপক চন্দ্র দে, দৈনিক সময়ের কাগজের প্রতিনিধি মোঃ সাদেকুর রহমান সাদেক, দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার ময়মনসিংহ প্রতিনিধি সুমন ভট্টাচার্য, সুবর্ণ বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আরিফ রেওগীর, দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার ব্যুরো প্রধান আশিকুর রহমান মিঠু, সোনালী শীষ পত্রিকার চীফ রিপোর্টার জহর লাল দে, দৈনিক সমাজ সংবাদের জেলা প্রতিনিধি খালেদ, দৈনিক শেয়ার বিজ পত্রিকার প্রতিনিধি সুলতান রহমান বাপ্পী, দৈনিক দেশের ডাক পত্রিকার প্রতিনিধি সজীব রাজভর বিপিন, দৈনিক বঙ্গসংবাদের প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া পলাশ, দৈনিক প্রথম কথা পত্রিকার প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান পাইলটসহ প্রমুখ।
এসময় বক্তারা, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব অতিবিলম্বে সংস্কার করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। এতে যেকোনো বাঁধা বিপত্তি আসলেও পিছ পা হবেননা। সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের এই আন্দোলন সফল করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার প্রশ্নে আলহাজ্ব মোঃ শামসুল আলম খানকে আহবায়ক এবং আজগর হোসেন রবিনকে সদস্য সচিব করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। কমিটির অন্যান্য সাংবাদিকদের নামের তালিকা দ্রুত প্রকাশ করে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানসহ পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
এর আগে বিভাগীগ ও জেলা প্রশাসনের সাথে সংস্কার বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
-

চাকরি দেওয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সুজানগরে এক প্রতারক গ্রেফতার
এম এ আলিম রিপন ঃ জেলা এনএসআই, পাবনার তথ্যের ভিত্তিতে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় চাকরি প্রত্যাশীদের অর্থের মাধ্যমে চাকরি প্রদানের আশ্বাস ও অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে মোঃ কামরুল হাসান(৪৫) নামে এক প্রতারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে পাবনা জেলার বেড়া পৌরসভার আলহেরানগর এলাকার মৃত মেহেদী হাসানের ছেলে। বুধবার বিকেলে সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ থেকে ওই প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়। জানাযায়, সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নাজিরগঞ্জ বাজার এলাকায় মৎস্য অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক পদের সদ্য ভাইভা সম্পন্নকৃত চাকরি প্রত্যাশীকে অর্থের মাধ্যমে চাকরি প্রদানের আশ্বাস ও অর্থ আত্মসাৎ কালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।আটককৃত প্রতারক গত ২০২৩ সালে প্রকাশিত মৎস্য অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক পদের সদ্য ভাইভা সম্পন্নকৃত পাবনা জেলার ১৩ জন চাকরি প্রত্যাশীদের তালিকা গোপনীয়ভাবে সংগ্রহ করে প্রত্যেকে মোবাইলে যোগাযোগ করে ১১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি প্রদানের আশ্বাস প্রদান করে। আশ্বাসকৃত চাকরি প্রত্যাশী ০১ জন ব্যক্তির সাথে উক্ত ঘটনাস্থলে গোপনীয় ভাবে অবস্থানকালে প্রত্যাশীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলা এনএসআই পাবনার একজন সদস্য সার্ভেইলেন্সের মাধ্যমে উক্ত প্রতারককে আটক করে থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সুজানগর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, আটককৃত প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।। -

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৩০,০০০/- টাকা জরিমানা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এবং পাটগ্রাম উপজেলা প্রশাসন এর যৌথ উদ্যোগে ১২.১১.২০২৪ ইং তারিখে পাটগ্রাম উপজেলায় একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।
উক্ত মোবাইল কোর্ট অভিযানে পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা বাজারে মেসার্স মা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি নামক প্রতিষ্ঠানে সিএম লাইসেন্স ও মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ ছাড়া ব্রেড ও বিস্কুট পণ্য বিক্রি করায় বিএসটিআই আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৩০,০০০/- জরিমানা অনাদায়ে তিনমাস কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা হয় এবং অতি সত্বর লাইসেন্স গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হয়।
উক্ত অভিযানে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন পাটগ্রাম উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম। প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার (সিএম) জনাব খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান ও পরিদর্শক (মেট্রোলজি) জনাব মোঃ আহসান হাবীব।
জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।