ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৩ জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী গ্রাম মাইলবাড়িয়া থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, ভারতের উত্তর প্রদেশ জেলার শাহপুর থানার বাশারতপুর গ্রামের সারাদ এডবিনের মেয়ে জাউন কল্লবীন, পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হরিণঘাটা থানার সুবেন্দ্রপুর গ্রামের জগবন্ধুর মেয়ে কশৈল্লা সরকার ও শেহজানপুর জেলার ভান্ডা থানার রাড়–য়া গ্রামের রানু বার্মার ছেলে কাজল বার্মা। রোববার সন্ধ্যার দিকে বিজিবির এক ই-মেইল বার্তায় এ খবর জানানো হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহশেপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক কর্ণেল আজিজুস শহীদ জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে মাইলবাড়িয়া গ্রামে তিন ভারতীয় নাগরিক প্রবেশ করেছে এবং ওই গ্রামেই অবস্থান করছে। খবর পেয়ে শ্যামকুড় বিওপির বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তিন ভারতীয় নাগরিককে আটক করে।’ তিনি আরো বলেন,‘আটককৃতদের বিরুদ্ধ মহশেপুর থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মহেশপুর থানার ওসি ফয়েজ উদ্দীন জানান, বিবিজি তিনজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। তারা আসলে ভারতীয় নাকি বাংলাদেশী তা জিজ্ঞাসাবাদ না করে বলা যাচ্ছে না। তিনি এও জানান, বাংলাদেশে তাদের আত্মীয় সজন রয়েছে।
Category: দেশজুড়ে
-

মহেশপুর সীমান্ত থেকে তিন ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার
-

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটি গঠন উপলক্ষে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা সম্পন্ন
মোঃ শহিদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধিঃচট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহবায়ক মোঃজাকির হোসেন ভুইঁয়া্ এর সভাপতিত্বে ও জেলা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ ইউসুফ হাওলাদার এবং মহানগর কমিটির সদস্য সচিব মো : ইব্রাহিম এর যৌথ সঞ্চালনায় দুপুর ১১ ঘটিকায় ইপিজেডস্থ হোটেল আয়াত এ উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর বন্দর, ইপিজেড,পতেঙ্গা, সদরঘাট, হালিশহর, আকবর শাহ থানা এবং চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড,ফটিকছড়ি ও বাঁশখালী উপজেলার আহবায়ক কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জনাব মো: মামুনুল ইসলাম চৌধুরী(আহবায়ক চট্টগ্রাম জেলা)শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন, সদস্য সচিব চট্টগ্রাম মহানগর মোহাম্মদ ইব্রাহীম।আরো বক্তব্য রাখেন যুগ্ন আহবায়ক চট্টগ্রাম মহানগর মোহাম্মদ ফোরকান, যুগ্ন আহবায়ক চট্টগ্রাম জেলা কেএম মাযহারুল হক,সদস্য চট্টগ্রাম মহানগর মো:সোহাগ, আহবায়ক ইপিজেড থানা মোঃ আনোয়ার হোসেন রাসেল, আহবায়ক পতেঙ্গা থানা মোঃ জাকির হোসেন, আহবায়ক হালিশহর থানা মোঃ আনোয়ারু কাদের সদস্য সচিব হালিশহর থানা আরমান শিকদার, আহবায়ক বন্দর থানা,
মোঃ ফরিদুল আলম (আহবায়ক সদরঘাট থানা) মো: মাসুম বিল্লাহ, আহবায়ক সীতাকুন্ড থানা, এ এস এম সাযেম, মো: লোকমান হোসেন সদস্য সচিব সীতাকুন্ড থানা, আজকের মানব সময় পত্রিকার সম্পাদক মো: মোসলেহ উদ্দিন বাহার, আরো উপস্থিত ছিলেন উপরে উল্লেখিত থানা গুলো থেকে আগত সম্মানিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক বৃন্দ। -

পটিয়ায় বিজয় র্যালী সফল করতে বিএনপির প্রস্তুতি সভা
মহিউদ্দীন চৌধুরী,পটিয়া প্রতিনিধি।।
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পটিয়ায় বিএনপি ও অঙ্গসংঠনের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালী সফল করতে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বায়তুশ শরফ আদর্শ দাখিল মাদ্রাসায় আগামীকাল ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় দিবসের বর্ণাঢ্য র্যালী সফল করতে আয়োজিত এক প্রস্ততি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া। এসময় তিনি, আগামীকাল সোমবার ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস পটিয়া উপলক্ষে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি, যুবদল সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সকাল ১০টায় ইন্দ্রপুলস্থ বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা সম্মুখ থেকে বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালী সফল করতে সর্বস্তরের জনগণকে অংশ গ্রহণের জন্য তিনি অনুরোধ জানান। এসময় তিনি ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি এস এম সুমন এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সহ সভাপতি কলিম উল্লাহ চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক নাছির উদ্দিন, বিএনপি নেতা আবু জাফর চৌধুরী, জাফর আহমদ ফারুকী, নুরুল আমিন মধু, মোহাম্মদ শওকত, শাহ্ আলম, মো: নাজমুন, মাহবুব আলম মেম্বার, মোহাম্মদ মামুন, মো: শাহজাহান মধু, শফিকুল আলম, মো: ফারুক, মামুন শিকদার, মঈন উদ্দিন, আক্তার হোসেন, এম এ রুবেল, মামুনুর রশীদ খুলু প্রমূখ -

লালমনিরহাটে নবাগত গোয়েন্দা শাখার ওসি ফিরোজ হোসেনের, যোগদান
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাট জেলার গোয়েন্দা শাখার নবাগত অফিসার ইনচার্জ যোগদান ও দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। গত(১০ই ডিসেম্বর)২০২৪ইং জেলা সদর গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে এস আই, এ এস আই, কনস্টেবল, সহ সকলের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন নবাগত ওসি ফিরোজ হোসেন।
জানা গেছে এর আগে তিনি কর্মরত ছিলেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ হিসাবে । লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ পদটিতে নবাগত অফিসার ইনর্চাজ ফিরোজ হোসেন, যোগদান করেছে।
নবাগত অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ হোসেন, বলেন জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত থেকে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন সহ সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠ পরিচালনার মাধ্যমে সর্ব সাধারন কে সঠিক সেবা প্রদানে সকল পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তি বর্গের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
হাসমত উল্লাহ ।।
-

সুজানগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগওে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শনিবার সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, সুজানগর থানার ওসি(তদন্ত) লালবুর রহমান, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন,উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক ফারুক-ই আজম, ছাত্র প্রতিনিধি দীপ মাহবুব ও ছাত্র প্রতিনিধি তৌফিক প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন,শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিন। এ দিন ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন।নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের শেষলগ্নে পুরো দেশের মানুষ যখন চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই এ দেশীয় নরঘাতক রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালিকে মেধাশূন্য করার এ নৃশংস নিধনযজ্ঞ সেদিন গোটা জাতিসহ পুরো বিশ্বকেই হতবিহ্বল করে দিয়েছিল।পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দু’দিন আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে ঘাতক চক্র কেবল ঢাকা শহরেই প্রায় দেড়শ বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশার কৃতী মানুষকে চোখ বেঁধে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে। সান্ধ্য আইনের মধ্যে সেই রাতে তালিকা ধরে ধরে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিসেবী ও পদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হত্যা করে ফেলে রাখা হয় নিস্তব্ধ ভূতুড়ে অন্ধকারে।বাঙালি জাতির দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামে এই বুদ্ধিজীবীরা মেধা, মনন ও লেখার মাধ্যমে স্বাধীনতার সংগঠকদের প্রেরণা জুগিয়েছেন। দেখিয়েছেন মুক্তির পথ। গোটা জাতিকে উদ্দীপ্ত করেছেন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম যেন কিছুতেই সহ্য হচ্ছিল না স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের।১৪ ডিসেম্বরকে বুদ্ধিজীবীদের নিধনযজ্ঞের দিন হিসেবে স্মরণ করা হলেও মূলত ১০ ডিসেম্বর ইতিহাসের এ ঘৃণ্যতম অপকর্মের সূচনা হয়। সপ্তাহজুড়ে এদের তালিকায় একে একে উঠে আসে বুদ্ধিদীপ্ত সাহসী মানুষের নাম। মূলত ১০ ডিসেম্বর থেকেই রাতের অঁাধারে তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর প্রতিনিধি। -

সুজানগর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম মোল্লা
এম এ আলিম রিপনঃ আগামী পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন চাইবেন জানিয়ে নিজের প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছেন সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুস সালাম মোল্লা। শনিবার পৌর শহরে বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেকে প্রার্থীতা হওয়ার এই ঘোষণা দেন তিনি। শোডাউনে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশ নেন। শোডাউন পরবর্তী উপজেলা গেট চত্বরে সুজানগর পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সিদ্দিক বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুস সালাম মোল্লা।অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মজিবর খঁান, বিএনপি নেতা ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল বাতেন , পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার মোল্লা, সুজানগর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জালাল খান, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারেক, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল আওয়াল, সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল খান, বিএনপি নেতা বাদশা শেখ, ওমর শেখ, যুবদল নেতা আরিফ বিশ্বাস, ইউসুব আলী টোকন, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আনোয়ার হোসেন, এন এ কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুবদল নেতা নবী মোল্লা, যুবনেতা মানিক খান, ৩ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি বিল্লাল, ছাত্রদল নেতা আলম মন্ডল ও এন এ কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল প্রমুখ। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আব্দুস সালাম মোল্লা বলেন, আমি সুজানগর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করছি। আমি সুজানগর পৌরবাসীকে জানাতে চাই- আমার দল বিএনপি যদি দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেবার সিদ্ধান্ত নেন, তবে দলের কাছে আমি মনোনয়ন চাইব এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়ন দিলে সুজানগর পৌরবাসীর জন্য কাজ করতে পারব ইনশআল্লাহ। নিজের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ইতিহাস তুলে ধরে আব্দুস সালাম মোল্লা বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। (১৯৮৯-১৯৯১) সাল পর্যন্ত বাংলাদেশজাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রী কলেজ শাখার সভাপতি, (১৯৯২-১৯৯৬) সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সুজানগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক, (২০০৯-২০১৯) সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ০৩ নং ওয়ার্ড সুজানগর পৌর শাখার সভাপতি, (২০১০-২০১৫) সাল পর্যন্ত সুজানগর পৌর বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক, (২০১৫-২০১৮) সাল পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী দল সুজানগর পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক, (২০২০-২০২৩) সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল পাবনা জেলা শাখার সম্মানিত সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী দল সুজানগর পৌর শাখার বর্তমানে যুগ্ন আহব্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়া সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পৌর ঈদ গাঁহ মাঠের সহ-সাধারণ সম্পাদক, তারাবাড়ীয়া নতুন গোরস্থানের সাধারণ সম্পাদক, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সম্মানিত সদস্য এবং হযরত শাহজালাল কিন্ডারগার্টেন একাডেমী পরিচালনা কমিটির সম্মানিত সদস্য ও আদর্শ ক্লাবের আহ্বায়ক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পাল করছি। বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের আমলে নিযার্তনের বর্ণনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৯০ স্বৈরাচার পতনের গণ আন্দোলনের রাজপথে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছি, ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত আওয়ামী সরকার কতর্ৃক বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ও হামলার স্বীকার হয়েছি। মিথ্যা মামলা থাকার কারণে মা-বাবা পরিবার ছেলে পলাতক জীবন যাপন করেছি এবং বসবাস কৃত বাড়ী-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে ভাংচুর ও লুটপাটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। ২০১৪ সালের হাসিনার অবৈধ্য নিবার্চন বয়কট আন্দোলনে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছি। ২০১৫ সালে কেন্দ্র ঘোষিত কালো পতাকা মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রাসীদ্বারা নিযার্তনের স্বীকার হয়েছি। বর্তমানেও শহিদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারন করে গণতন্ত্রের মা আপোষহীন দেশনেত্রীর মুক্তি আন্দোলনের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি। আগামী দেশনায়ক বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী এবং সুজানগরের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করছি। যেহেতু আমি বিএনপি পরিবারের সন্তান এবং পৌরসভার বাসিন্দা তাই আমার দল বিএনপি ও পৌরবাসীর কাছে আমার দাবির একটা জায়গা তো আছে। আব্দুস সালাম মোল্লা আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে আমি সুজানগর পৌরবাসীর ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। পৌরবাসী আমাকে মেয়র নির্বাচিত করলে আমি চেষ্টা করব সুজানগর পৌরবাসীর সার্বিক কল্যাণে কাজ করতে। এজন্য তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।।
-

রাড়ুলী আল-হেরা মাদরাসা’র আজীবন সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী রাড়ুলী আল-হেরা দারুল কুরআন মাদরাসা’র আজীবন সদস্য সম্মেলন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে মাদরাসা প্রাঙ্গনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। মাদরাসা’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আলহাজ্ব ডাঃ মুহাম্মদ কওসার আলী গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট স ম বাবর আলী। মাদরাসা’র মুহতামিম হাফেজ মাওলানা আবু তাহের মিজবাহ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ, সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী সরদার, দখিনা’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, প্রভাষক মোমিন উদ্দিন সানা, মাষ্টার লুৎফর রহমান, মাষ্টার উকিল উদ্দিন, প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ও মিনারুল ইসলাম সানা। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কয়রার মঠবাটী দাখিল মাদরাসা’র সুপার আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া হুসাইন।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

পাইকগাছায় জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য হিস্যার দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য হিস্যা’র দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে প্রধান সড়কে মা সংসদ, ওয়াশ বাজেট মনিটরিং ক্লাব ও যুব গ্রুপের সহযোগিতায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণ এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।
প্রাক্তন অধ্যাপক জিএমএম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডঃ এফএম,এ রাজ্জাক, পিন্টু চন্দ্র দাশ,মিতা রানী দাশ,মিন্টু অধিকারি ও চামেলি বেগম। বক্তারা “জলবায়ু ক্ষয়-ক্ষতির ন্যায্য হিস্যা, নিরাপদ পানি নিশ্চিত করণ ও নদী ভাঙ্গন রোধে সরকারের কাছে পর্যাপ্ত বাজেট দাবী করেন। তা-ছাড়া লবন পানির প্রবেশ রোধ, নদী খনন ও মিঠা পানির উৎস রক্ষা করার দাবী জানান। -

পাইকগাছায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, ওসি সবজেল হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক ও মেডিকেল অফিসার ইব্রাহিম গাজী। ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের জিএম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা রণজিৎ সরকার, দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওহাব, মাওলানা আবু সাদেক, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ ও শিক্ষার্থী কাজী মুশফিকুর রহমান। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরতেই শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। -

শৈলকুপায় বিএনপির দুই গ্রপের সংঘর্ষে ২৫ জন আহত ৩০ বাড়ি ভাংচুর
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
তুচ্ছ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকায় সামাজিক দলাদলি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সাতগাছি গ্রামে বিএনপি সমর্থিত দুই সামাজিক দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের ৩০ বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর চালায়। আগুন দেওয়া হয় গোয়াল ঘরে। সংঘর্ষে নারীসহ ২৫ জন আহত হন। সরজিমন পরিদর্শনকালে এলাকাবাসী জানান, সাতগাছী মসজিদে গত শুক্রবার মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক হাকিম মোল্যা বক্তব্য রাখেন। সেই বক্তব্যে মসজিদ কমিটির সভাপতি মতলেব মোল্যার নাতি ছেলের সূন্নতে খৎনার অনুষ্ঠান করা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাধারণ সম্পাদকের এ কথার প্রতিবাদ করেন সভাপতি মতলেব মোল্যা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাতে মতলেব মোল্যা ও হাকিম মোল্যার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তানজু (৩৫), সম্পা খাতুন (৩০), বশির মোল্যা (৪০), জাফর মোল্যা (৩০), রুপচাঁদ (৩৫) জামেলা খাতুন (৬৫), রোকনুজ্জামান (৩৫), সুজন(৩৫), আমিরুল (২৫), সাগর (২৭), সাহেব আলী (৫০), আক্তার হোসেন (২৫), আকবর আলী শেখ (৬০), আব্দুল হাকিম (৭৫), রাশেদ আলী (২৫) সহ ২৫ ব্যক্তি আহত হন। আহতদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার হামলা পাল্টা হামলার জের ধরে শনিবার সকালে মসজিদ কমিটির সভাপতি মতলেব মোল্যা ও সাধারন সম্পাদক হাকিম মোল্যার সমর্থকরা আবারো দফায় দফায় একে অপরের সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালাতে থাকে। হামলায় কোরবান আলী, শুকুর আলী, এরশাদ আলী, দুলাল, রজব আলী, আজিবর রহমান, তৈমুর মোল্যা, কাদের মোল্যা, জালাল মেল্যা, জান্নাত আলী, ফিরোজ, বাবু, মিলন, সিদ্দিক শেখ, নাজির আলী সহ ৩০ বাড়ি ভাংচুর করা হয়। এদিকে শৈলকুপা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড হুমায়ন বাবর ফিরোজ অভিযোগ করেছেন, বিএনপির কাঁধে ভর করে সাতগাছি এলাকার কতিপয় আ’লীগ নেতা এই হামলা ও ভাংচুরের নেতৃত্ব দেন। এই মারামারির সঙ্গে দলীয় কোন্দল নয় বরং সামাজিক দলাদলি রয়েছে। এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুম খান বলেন, বিএনপি সমর্থিত দুইটি সামাজি দল তুচ্ছ ঘটনা দিয়ে সাতগাছি গ্রামে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। শনিবার সকালে কিছু বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে। আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।।।