Category: দেশজুড়ে

  • পলাশবাড়ীর ইউএনও’র বিরুদ্ধে হ-ত্যা মামলার আসামীকে দফাদার  পদে নিয়োগের অভিযোগ

    পলাশবাড়ীর ইউএনও’র বিরুদ্ধে হ-ত্যা মামলার আসামীকে দফাদার পদে নিয়োগের অভিযোগ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ৫নং মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদে দফাদার পদে হত্যা মামলার চার্জসিট ভুক্ত আসামিকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    শুক্রবার ১৩ই ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রথমে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা পরিমাপ,পরে সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ হল রুমে এমসিকিউ নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান অজ্ঞত কারনে সেই পরীক্ষার হলে সাংবাদিকের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে পরীক্ষা শেষ করেন।এরপর দুপুরে নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসানেরর কক্ষে প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    সকল প্রক্রিয়া শেষে বিকেল ৪ টার দিকে নোটিশ বোর্ডে ফলাফল প্রকাশের পর হত্যা মামলার চার্জসিট ভুক্ত আসামি নির্বাচিত,প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছাড়াই নির্বাচিত,শারীরিক যোগ্যতা ছাড়াই নির্বাচিত এবং সুপারিশকৃত প্রার্থীকে নির্বাচিত করাসহ ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতি ও স্বজন প্রীতির বিষয়গুলো সাংবাদিকদের নজরে আসে।

    ওই নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান,সদস্য থানা অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্টো ও উপজেলা আনসার-ভিডিপি কমান্ডার আব্দুল আউয়াল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    হত্যা মামলার চার্জসিটভুক্ত নিয়োগপ্রাপ্ত দফাদারের নাম মো. জহুরুল ইসলাম,তার পরীক্ষার রোল নম্বর-২০০৩। তিনি উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের বড় গোবিন্দপুর গ্রামের আজিম উদ্দীনের ছেলে। তার সিনিয়র প্রতিদ্বন্দ্বী বুজরুক বিষ্ণপুর গ্রামের সহাদেবের ছেলে শ্রী পরেশ,শ্রীলাল, শ্রী চিনিলাল ও ফরকান্দাপুর গ্রামের বাবর আলীর ছেলে ভোলা মিয়া। তাদের অভিযোগ জহুরুল মোটা অংকের নগদ নারায়ণ দিয়ে ইউপি সচিবসহ প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে আমাদের মোবাইলে হত্যার হুমকি দিয়ে নিয়োগ মাঠে উপস্থিত হতে দেয়নি। জহুরুল এই বলে তাদের হুমকি দেয় যে,একটা খুন করেছি,নিয়োগ মাঠে আসলে তোদেরকেও খুন করবো। ভয়ে আমরা কেউ নিয়োগ মাঠে উপস্থিত হইনি। আমরা মনে করেছিলাম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাঠে না থাকলে নিয়োগ মাঠ বিধি মোতাবেক স্থগিত হবে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়,জহুরুল ইসলাম ২০২১ সালে পলাশবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৫/৩০৮ তারিখঃ ০৪ডিসেম্বর-২০২১ধারা-৩০২/৩৪)’র চার্জশীটভূক্ত ৮ নম্বর আসামি।

    উল্লেখ যে,২০২১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর ভোরে উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের বড় গোবিন্দপুর গ্রামে মৃত আঃ মাজেদ প্রধানের স্ত্রী স্বপ্না বেগমের ধানের বীজতলা থেকে সাদা মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সাদা মিয়া ওই গ্রামের আব্দুল হান্নান মিয়ার ছেলে।

    এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে ৪ঠা ডিসেম্বর ২০২১ ইং পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    ক্লু লেস এ মামলাটি তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করেন তৎকালীন সময়ের তদন্তে নিয়োজিত কর্মকর্তা এস আই (নিঃ) মানিক রানা। পরে ব্যাপক তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করেন তিনি।

    অপরদিকে,হত্যা মামলার চার্জসিটভুক্ত আসামীকে দফাদার নিয়োগের বিষয়ে ইউএনও কামরুল হাসান বলেন,মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত জহুরুল ইসলাম নামে এক মহল্লাদার (চৌকিদার) ২০২১ সালে একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হন। সে সময় তিনি বরখাস্তও হন। পরবর্তীতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে স্বপদে পুনঃ বহাল করেন। গত শুক্রবারের পদোন্নতি পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র। তাকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। তার পরেও মামলার কাগজপত্র পুনঃ যাচাই করে তার নিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

    নিয়োগ বোর্ডের অপর সদস্য পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন,জহুরুল ইসলাম হত্যা মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামি। চার্জশীটে তার নাম রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচানাধীন বলেও জানান তিনি।

    এদিকে,নিয়োগ বোর্ডর অপর সদস্য উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ডার আব্দুল আউয়াল হোসেন বলেন,ইউএনও মহোদয়ের নিকট থেকে শুনেছি মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত জহুরুল ইসলাম নামে এক মহল্লাদার ২০২১ সালে একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হন। সে সময় তিনি বরখাস্তও হন। পরবর্তীতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে স্বপদে পুনঃ বহাল করেন। এর বেশী কিছু আমার জানা নেই। যেহেতু তার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো না তাই তাকেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।।

  • চারঘাটে বিলুপ্তির পথে শীতের অতিথি পাখি

    চারঘাটে বিলুপ্তির পথে শীতের অতিথি পাখি

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট (রাজশাহী) থেকেঃ

    প্রতিনিয়তই হারিয়ে যাচ্ছে পরিচিত পাখিদের ডাক৷ পাখির কলতানে ঘুম ভাঙ্গা যেন হয়ে উঠছে রূপকথার গল্প৷ আমাদের দেশে প্রতি বছরই বন্যপ্রাণী যেমন কমছে, তেমনি অতিথি পাখির সংখ্যাও কমছে।

    শীতের সময় সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, হিমালয়, উত্তোর এশিয়া, নেপালসহ পৃথিবীর নানা শীতপ্রধান দেশ থেকে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে অতিথি পাখিরা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আসে। কিন্তু  সাম্প্রতিককালে বেঙ্গল ফোবিক্যান, সারস ও বুঁচাহাস বিলুপ্তির পথে।

    ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন পাখির মিষ্টি কণ্ঠের আওয়াজ মুগ্ধ করত সবাইকে। এমনকি গ্রামগঞ্জের খেড়ের চালের উপর বাসা বেধে থাকত দেশীয় পাখিরা। কিন্তু বর্তমান আধুনিক যুগে গ্রামগঞ্জের বাসা বাড়ি আধুনিক হচ্ছে সেই। সাথে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় পাখির আশ্রয়ের ঠিকানা।

    আর যে খাবারের সন্ধানে পাখিগুলো ভোর থেকে বের হয়ে গ্রাম সবুজ মাঠের ফসলের চারদিকে ঘুরে বেড়াত কিন্তু আধুনিক যুগে সেখানে ক্ষেতে কীটনাশকের ব্যবহার, দেশীয় পাখির বিলুপ্তি অনেকাংশেই দায়ী।

    কৃষকরা এখন বিভিন্ন ফসলের ক্ষেতে সব সময় কীটনাশক প্রয়োগ করে। এতে করে পাখির খাদ্য ফড়িং, ফুতি, প্রজাপতি, মশা, লেদা পোকা, গোয়ালীসহ বিভিন্ন প্রকার কীটপতঙ্গ মারা যায় বা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। পাখিরাও দিনের পর দিন এসব খেয়ে মারা যাচ্ছে।

    তাছাড়া পাখি শিকারীদের নিষ্ঠুরতা তো রয়েছেই। কখনও কখনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ তথা ঝড়ে পাখির বাসা ভেঙ্গে পাখির ছানার মৃত্যু ঘটে ও ডিমগুলো নষ্ট হয়ে যায়। পাখির বিলুপ্তি ঘটায় যেমনি জীববৈচিত্রের সংকট বাড়ছে, তেমনি আমরা হারিয়ে ফেলেছি সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ। প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় পাখির ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই আমাদের সহনশীলতা এবং সচেতনতাই রক্ষা করতে পারে পাখির স্বাভাবিক বেঁচে থাকা।

    রবিবার সকালে (১৫ নভেম্বর) সরজমিনে রাজশাহীর চারঘাটে গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পাখির কিচির মিচির ডাকে এখন আর ঘুম ভাঙেনা আমাদের। গ্রামাঞ্চলের মানুষ প্রয়োজনের তাগিদেই ঝাড়-জঙ্গল কেটে ফেলছে। সবার ঘর বাড়ি মাটির ঘর থেকে দালান ঘরে নির্মাণ করছে। ফলে পাখিরা হারিয়ে ফেলছে তাদের চিরাচরিত বাসস্থান।

    গ্রামের মুরুব্বিরা বলেন, আগে মাঠ-ঘাট, ক্ষেতে-খামারে বিচিত্র ধরণের পাখিদের বিচরণ ছিল। পাখিরা সে সময় ঝাঁকে ঝাঁকে এসে তৃষ্ণা মেটাতো আর খাদ্য অনুসন্ধানে ব্যস্ত থাকতো। ফসলের মাঠে পাখি বসার দৃশ্য সচরাচর দেখা গেলেও এখন তা হারিয়ে যাচ্ছে।

    অতীতে গ্রাম এলাকায় ব্যাপকহারে টুনটুনি, চিল, পানকৌড়ি, ডাহুক, বালীহাঁস, কোকিল,বক, শালিক, ঘুঘু, দোয়েল, বাবুই, কাকসহ বিভিন্ন পাখিদের দেখা যেত। বর্তমানে জাতীয় পাখি দোয়েল, কাঠ ঠোকরা, কোকিল, ডাহুক, ক্যাসমেচি, বাবুই, ঘুঘু, বাওয়াই, শালিক, টুনটুনি, মাছরাঙা, বটর, টেইটেরা, গোমড়া ও প্যাচাসহ অনেক পাখিকে আর দেখা যায়না। শোনা যায় না এসব পাখির ডাক।

    গ্রামবাংলার অতি পরিচিত বসন্তে যে পাখি “বউ কথা কও” বলে গ্রামের প্রতিটি মানুষকে মাতিয়ে তুলতো সেই পাখির দেখাও আর পাওয়া যায়না। ফলে বর্তমান প্রজন্মরা চেনেনা এসব পাখি। এসব পাখির ডাকও শোনেনি কোনদিন। ফলে শিশু কিশোরদের কাছে দিন দিন হয়ে যাচ্ছে এসব পাখি ইতিহাস।

    গ্রামের বাসিন্দা খাইরুল মিয়া বলেন, আমার বয়স এখন ৭৯ বছর, যখন আমার বয়স ১০ বছর ছিল তখন আমাদের গ্রামে কত রঙের পাখি ছিল বলে শেষ করতে পারব না। ঘরের চালের উপর পাখিরা বাসা বেঁধে থাকত। পাখির শব্দে ঘুম ভাঙত আমার। অথচ এখন আর সেই পাখিগুলো নেই।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট বনবিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার মাহবুবুর বলেন, শীতের পাখি বিলুপ্তির কারণ আগের মত খাল-বিল বর্তমানে নেই তবে যে সমস্ত বিলে জলাশয় ছিলো সেগুলো এখন আর তেমন পানি দেখা যায় না। তাছাড়া ঐ সমস্ত খাল-বিলে ফসলের জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করায় সেখানে আর পাখিরা বসতে পারেনা। যার কারণে অতিথি পাখির আগমন আগের তুলনায় কমে গেছে। এ ছাড়া পদ্মা নদীতে যে সমস্ত অতিথি পাখি আসে এ শ্রেণির অসাধু লোক এগুলো শিকার করছে এমন খবর পেয়ে চর এলাকায় প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের দুইটি টিম কাজ করছে। সব মিলিয়ে শীতের অতিথি পাখি প্রায় বিলুপ্তির পথে। 

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী। 

  • সুজানগরে সম্পত্তি লিখে নিয়ে মারধর, দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায়  পিতার মামলা

    সুজানগরে সম্পত্তি লিখে নিয়ে মারধর, দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায়  পিতার মামলা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে চিকিৎসার কথা বলে পিতার সম্পত্তি লিখে নিয়েছেন ২ ছেলে। সম্পত্তি নেওয়ার পর দায়িত্বে অবহেলা ও তাকে মারধর করার অভিযোগে পিতা মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক(৭০) প্রতিকার চেয়ে  দুই ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন । বাবার ওপর ছেলের বর্বর নির্যাতনের এমন নির্দয় ঘটনা ঘটেছে উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের  চর জোড়পুকুরিয়া গ্রামে।  ছেলের হাতে মারপিটে রক্তাক্ত হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসী সুজানগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে অসহায় মোসলেম উদ্দিনকে চিকিৎসা প্রদান করান। রবিবার সুজানগর থানায় দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, মোসলেম উদ্দিনের ২ ছেলে, ২ মেয়ে । অসুস্থ বৃদ্ধ বাবাকে প্ররোচনা দিয়ে তাকে চিকিৎসা করানোর কথা বলে  জমি লিখে নেন তার দুই ছেলে মো.সুন্দর আলী(৩৫) ও শুকুর আলী(৩৮)। সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পর দুই ছেলে তার বাবা-মার প্রতি দায়িত্বে অবহেলা শুরু করেন। বাবার চিকিৎসা তো দুরের কথা এখন আর খেঁাজখবর পর্যন্ত নিচ্ছে না তার দুই সন্তান। জীবনের শেষ লগ্নে এসে অসুস্থ বৃদ্ধ স্বামীকে নিয়ে বর্তমানে চিন্তিত তার স্ত্রী।  দু’মুঠো ভাত ও ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী মোসলেম উদ্দিনের চিকিৎসার টাকার জন্য তাকে ঘুরতে হচ্ছে পথে পথে। বাধ্য হয়ে গত শনিবার  নিজের চিকিৎসার খরচ এবং ভরণপোষণের জন্য  ছেলেদের কাছে টাকা চাইলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পিতা মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করে রক্তাক্ত করে তার দুই সন্তান সুন্দর আলী ও শুকুর আলী। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ছেলের বিচার দাবি করে থানায় দুই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে অসহায় বাবা মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মসলেম উদ্দিনের ছেলে  শুকুর আলীকে তার বাবার কাছ থেকে জমি লিখে নেওয়া ও পিতাকে মারধর করার বিষয়ে রবিবার  দুপুরে  তার মোবাইল ফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান।  সুজানগর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে রবিবার জানান, পিতার মামলার ভিত্তিতে তার দুই সন্তানকে গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে উঠছে নতুন মূলকাটা পেঁয়াজ,উৎপাদন খরচ উঠা নিয়ে শঙ্কিত কৃষক

    সুজানগরে উঠছে নতুন মূলকাটা পেঁয়াজ,উৎপাদন খরচ উঠা নিয়ে শঙ্কিত কৃষক

    এম এ আলিম রিপন : দেশের উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী পাবনার সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন মূলকাটা পেঁয়াজ। বর্তমানে সুজানগর পৌর হাট সহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ব্যাপক পেঁয়াজ আমদানি হতে শুরু করেছে। রবিবার(১৫ ডিসেম্বর) সুজানগর পৌর হাটে গিয়ে দেখা যায় মানভেদে এ নতুন মূলকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০০-২২০০ টাকা মণ দরে । সুজানগর উপজেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানাযায়, গত বছর সুজানগরে ১৬’শ হেক্টর জমিতে মূলকাটা পেঁয়াজের আবাদ হলেও এবারে এই উপজেলায় পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে সাড়ে ১৬’শ হেক্টর জমিতে ।অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক সময়ে সার বীজ দিতে পারায় কৃষকেরা প্রতি বিঘা জমি থেকে ৬০ থেকে ৭০ মণ পর্যন্ত পেঁয়াজ এবারে ঘরে তুলছে। পৌর হাটে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা চরভবানীপুর গ্রামের পেঁয়াজ চাষী মোশারফ হোসেন বলেন, পেঁয়াজ উৎপাদন করতে প্রতি বিঘায় তাদের শ্রমিক,সার,বিষ সহ যে পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে আর বর্তমানে তারা যে দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন তাতে লাভ হবেনা।অপর কৃষক বাতেন হোসেন জানান, পেঁয়াজ আবাদ করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে বর্তমানে দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ উঠাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। পেঁয়াজ ব্যবসায়ী তোফাজ্জল হোসেন জানান, এই উপজেলার বৃহত্তর গাজনার বিল ও চর অঞ্চলে যেহেতু এই মূলকাটা পেঁয়াজ সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয়ে থাকে তাই চরঞ্চালের পার্শ্ববর্তী শ্যামগঞ্জ, বোনকোলা, রাইপুর ও পৌর হাট-বাজারেই সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজের আমদানি হয়ে থাকে।আর এই পেঁয়াজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ কেনার জন্য এখানে এসে থাকেন। এই পেঁয়াজ ঘরে বেশি দিন সংরক্ষণ করে রাখা না যাওয়ার কারণে কৃষকেরা মাঠ থেকে তুলেই স্থানীয় হাট বাজারে দ্রুত বিক্রি করে দিয়ে থাকেন ।উপজেলা কৃষি অফিসার ক…ষিবিদ রাফিউল ইসলাম রবিবার জানান, নতুন মৌসুমি এ মূলকাটা পেঁয়াজ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে উঠতে শুরু করায় এখন থেকে আস্তে আস্তে পেঁয়াজের দাম আরো অনেকটাই কমে আসবে । এছাড়া কৃষকেরা বর্তমানে তাদের জমিতে দানা পেঁয়াজ রোপণ করতে শুরু করেছেন। এবং এ উপজেলায় দানা পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ 

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • তানোরে শীশ মোহাম্মদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন

    তানোরে শীশ মোহাম্মদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বিএনপি নেতা প্রয়াত শীশ মোহাম্মদ স্মরণে একদিন ব্যাপী শীশ মোহাম্মদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২৪ আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর শনিবার
    কলমা যুব সংঘের উদ্যোগে ও এমদাদুল হক এমদাদের পরিচালনায় কলমা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত একদিন ব্যাপী শীশ মোহাম্মদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ ও বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও কলমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হযরত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলমা ইউপি বিএনপির সম্পাদক ও সহকারী শিক্ষক মানিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রায়হানুল হক, উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক শামসুল আলম মিন্টু ও উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক রাসেল আহম্মেদ।
    এদিন শীশ মোহাম্মদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে ৮টি দল অংশগ্রহণ করেন।
    এসময় ক্রীড়ামোদী বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিভিন্ন বয়সের মানুষ খেলা উপভোগ করেন করেন। খেলায় বিজয়ী হয়েছে মান্দা এবং রানারআপ হয়েছে চৌবাড়িয়া। বিজয়ী দলকে প্রথম পুরুস্কার ১৫;হাজার টাকা ও রানারআপ দলকে দ্বিতীয় পুরুস্কার ১২ হাজার টাকা দেয়া হয়।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ২০ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ২০ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে অভিনব কায়দায় পিকআপে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ২০ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০১ টি পিকআপ জব্দ।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি. দুপুর ১২.২০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন জাকস্ এনজিও এর সামনে রংপুর হতে ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কায়দায় (পিকআপের ড্রাইভারের ছিটের পিছনে ব্যাক ডালার নিচে) সংরক্ষিত ২০ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১,৯৪০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ১। মোঃ আরিফুল ইসলাম (৩৬) (ড্রাউভার), পিতা-মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, সাং-ছোট গুলগুলা, থানা-কোতয়ালী, জেলা-দিনাজপুর, ২। মোঃ লিটন মাসুদ রানা (২৮) (হেলপার), পিতা-মোঃ রশিদুল ইসলাম, সাং-কালিকাগাঁও, থানা-ঠাকুরগাঁও সদর , জেলা-ঠাকুরগাঁও।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের অর্ধ বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের অর্ধ বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম এর অর্ধ বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাওসেড এর সহযোগিতায় রোববার সকালে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের সভাপতি প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্র নাথ সরকারের সভাপতিত্বে ও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন অ্যাওসেড এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মাহবুবুর রহমান, সাংবাদিক এন ইসলাম সাগর, অখিল কুমার সরকার, শ্যামাপদ মন্ডল, সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, শাহিদা আক্তার, মানিক ভদ্র, সাবিনা ইয়াসমিন, বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য, ডাঃ বাসুদেব রায়, স্মিতা মন্ডল, তাহাজিবুল ইসলাম, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মানিক লাল বসু, ফিল্ড ম্যানেজার তুষার কান্তি বাইন, কৃষি সুপারভাইজার শুভঙ্কর বিশ্বাস, নাসরিন নাহার ও সুপ্রিয়া মন্ডল। সভায় দেলুটির দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, রাড়ুলী জেলে পল্লীর ভাঙ্গন এলাকার বেড়িবাঁধ দ্রুত মেরামত ও বাঁকার বাগ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কালভার্ট নির্মাণ এবং খাল খননে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান সহ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে আমীর ডাঃ শফিকুর রহমানের পাইকগাছায় আগমন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভা সফল করার লক্ষ্যে রোববার সকালে উপজেলা সদরের আল আমিন ট্রাস্টস্থ দলীয় কার্যালয়ে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলতাফ হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, কাজী তমজিদ আলম, উপজেলা সহ সেক্রেটারি মাওলানা বুলবুল আহমেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা আব্দুল খালেক, মাওলানা কামাল হোসেন, এডভোকেট আব্দুল মজিদ ও অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা। সভায় আগামী ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডাঃ শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভা সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

  • পলাশবাড়ীতে প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের চেষ্টা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

    পলাশবাড়ীতে প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের চেষ্টা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) কর্তৃক পলাশবাড়ীর বিদ্যুৎ গ্রাহকদের প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের অপতৎপরতা ও প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের চেষ্টা বন্ধের দাবীতে পলাশবাড়ী সচেতন নাগরিক সমাজ ও নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির যৌথ উদ্যোগে ১৫ই ডিসেম্বর রবিবার বেলা ১২ ঘটিকার সময় পলাশবাড়ী চৌমাথা মোড়ে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে পলাশবাড়ী নেসকোর গ্রাহকগণ ও সর্বসাধারণ জনতা উপস্থিত ছিলেন।

    পলাশবাড়ী সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম লিয়াকত এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আঞ্জু প্রধান,বিএনপি নেতা মুকুল আহমেদ,নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির আহবায়ক মুশফিকুর রহমান মিল্টন,সদস্য সচিব ফেরদাউছ মিয়া,পলাশবাড়ী মডেল প্রেসক্লাব সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা,সাধারণ সম্পাদক মাসুদার রহমান মাসুদ,রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম,উপজেলা হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু, বহুমুখী ব্যবসায়ী সমিতির নেতা আব্দুস সোবাহান, ব্যবসায়ি রেজোয়ান সরকার,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মমিন মন্ডল,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্লাত সরকার মিলন,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামীম রেজা,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিয়ান সরকার আরিফ,পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব আকাশ কবির পায়েল, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক মাজেদুল ইসলাম মাজেদ,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রানা মিয়া প্রমুখ।

    মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন, ব্যবসায়ী ও ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান নিক্সন।

    মানববন্ধনে বক্তারা,নেসকোর প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের অপচেষ্টা বন্ধের দাবী জানান এবং দাবী মানা না হলে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের অপচেষ্টা প্রতিহত করার ঘোষণা দেন বক্তা সহ আয়োজক নেতারা।

    এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল শেষে গ্রাহকগণ ও জনসাধারণকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে এ স্মারকলিপির অনুলিপি পলাশবাড়ী নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলীকে প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা।।

  • নেছারাবাদে রুপান্তরের শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা

    নেছারাবাদে রুপান্তরের শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ (পিরোজপুর) সংবাদদাতা ঃ

    নেছারাবাদে রুপান্তরের শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) সকলে স্বরূপকাঠি প্রেসকাবে রূপান্তরের আয়োজনে ওই সভার আয়োজন করা হয়। ইয়থ ফর সেইফ সুন্দরবন এর নেছারাবাদ উপজেলা শাখার আহবায়ক মো. ইয়াছিন এর সভাপতিত্বে পিরোজপুর জেলা প্রজেক্ট অফিসার সাহিদা বানু সোনিয়া এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরূপকাঠি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. হেমায়েত উদ্দিন, উপজেলা তথ্য সেবা কর্মকর্তা কামরুন কবির নিপু, সিনিয়র শিক্ষক মো. আতাউর রহমান, মো. এমাম সিকদার, অরণি পাঠাগারের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিক শিক্ষক ধীরেন হালদার, সমাজকর্মী মোসা. নিলুফা ইয়াসমিন, স্বরূপকাঠি প্রেসকাবের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক মো. রুহুল আমীন, মো আনোয়ার হোসেন, মো আজিজুল ইসলাম, এপেক্স ক্লিনিক এর ইনচার্জ ও ট্যুরিষ্ট গাইড মো. রফিকুল ইসলাম, ইয়থ ফর সেইফ সুন্দরবন এর নেছারাবাদ উপজেলা শাখার আহবায়ক সুবর্না আক্তার, ছাত্র মো. শোয়াইব, ভাংগারী ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে এনজিও,সমজাকর্মী, মৎস্য জীবি, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোক উপস্থিত ছিলেন।