Category: দেশজুড়ে

  • সুজানগর এন এ কলেজের সভাপতি হলেন শহিদুর রহমান

    সুজানগর এন এ কলেজের সভাপতি হলেন শহিদুর রহমান

    এম এ আলিম রিপন: সুজানগর পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী  নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রী কলেজের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী  ও সমাজসেবক আলহাজ্ব শহিদুর রহমান ।  সে অত্র কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন প্রামানিকের একমাত্র ছেলে। এদিকে নতুন এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কলেজ পরিচালনা কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি শহিদুর রহমানের  সভাপতিত্বে  এডহক কমিটির প্রথম এ  সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে  কলেজের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন নতুন সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নতুন সভাপতি শহিদুর রহমান জানান তিনি যেন কলেজের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন এজন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে ৫ সদস্যের এডহক কমিটির অনুমোদন দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন প্রামানিকের সন্তান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী ছাত্র শহিদুর রহমানকে  সভাপতি মনোনীত করা হয়।গত ৯ ডিসেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়ের অনুমোদনক্রমে কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল হাই সিদ্দিক সরকার  কর্তৃক সই করা কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর প্রেরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।চিঠিতে বলা হয়, এডহক কমিটির মেয়াদ পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে অনূর্ধ্ব ৬ মাস। এ সময়ের মধ্যে নিয়মিত গভর্নিং বডি গঠনের কার্যক্রম অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডি গঠন সংক্রান্ত অধিভুক্ত কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) সংবিধি ২০১৯ এর ৭নং ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) এ মনোনয়ন যে কোন সময় প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।তাছাড়া পদাধিকার বলে কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে  সদস্য সচিব করা হয়েছে। বাকি ৩ জনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার আমীর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী ছাত্রশিবির নেতা অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিনকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য, সুজানগর উপজেলা বিএনপির  সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ  হিতৈষী সদস্য এবং কলেজের শিক্ষকদের মধ্য থেকে মোখলেসুর রহমান  সদস্য হিসেবে কমিটিতে রয়েছে। 

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে ফসলি জমিতে ইটভাটা,হুমকির মুখে আবাদ

    সুজানগরে ফসলি জমিতে ইটভাটা,হুমকির মুখে আবাদ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গড়ে উঠছে তিন ফসলি কৃষি জমিতে অবৈধভাবে ইটভাটা। এ সকল ইটভাটা নির্মাণ নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয় কৃষকেরা। জানা যায়, সরকারি নিয়মনীতি না মেনে সুজানগর উপজেলায় অবৈধভাবে তিন ফসলি কৃষি জমি গ্রাস করে গড়ে উঠছে ১০টির অধিক ইটভাটা। অবৈধভাবে গড়ে উঠা এসকল ইটভাটার কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকেরা।  শনিবার(২১ ডিসেম্বর) এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এক বছর আগে যেখানে পেঁয়াজ,ধানসহ বিভিন্ন সবজি আবাদ হতো সেখানে এখন নির্মাণ করা হচ্ছে ইটভাটা।শ্রমিকরা পুরোদমে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। নির্মিত ইটভাটার পাশের জমিতে চলছে পেঁয়াজের চারা রোপণ কার্যক্রম।স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, ইটভাটা নির্মাণের ফলে আমাদের ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভাটার সঙ্গে লাগানো রয়েছে কয়েকশ’ একর আবাদী জমি। আবাদি জমিতে এভাবে ইটভাটা নির্মাণের বিপক্ষে এলাকার সবাই। কিন্তু ভাটার মালিকেরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেন না। ফসলি জমিতে ভাটা হলে আশপাশের অন্য জমিগুলোতে কোনো আবাদ হবে না।  সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইট প্রস্তুত ও ভাটা (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী কৃষি জমি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বনভূমি,অভয়ারণ্য,জনবসতিপূর্ণ ও আবাসিক এলাকায় ও বছরে একের অধিক উৎপাদিত ফসলী কৃষি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করা নিষেধ রয়েছে । কিন্তু সে আইন লঙ্ঘন করে সুজানগর উপজেলার প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা গড়ে তুলছে ইটভাটা। শুধু তাই নয় গ্রামীণ রাস্তা ব্যবহার করে ভারী যানবাহন দিয়ে ইট ও ইট তৈরির কঁাচামাল পরিবহন করায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পাকা রাস্তা। ইটভাটা তৈরি করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, বিএসটিআই এর সনদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, জেলা প্রশাসক প্রদত্ত লাইসেন্স, কৃষি অধিদপ্তরের প্রত্যয়ন পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ইটভাটা স্থাপন করতে হয়। কিন্তুু উপজেলার বেশিরভাগ ইটভাটারই কাগজপত্র নেই। যার ফলে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ভাটাগুলো থেকে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, উপজেলায় যে কৃষি জমি রয়েছে সে সকল জমির বেশিরভাগই দুই বা তিন ফসলী জমি, আর এ ধরনের জমিতে ইটভাটা করার কোন নিয়ম নাই।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, যে সকল ইটভাটার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই সেই সকল ইট ভাটার বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।।

  • ঝিনাইদহে ৩ দিন ব্যাপী বেসিক জার্নালিজম বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

    ঝিনাইদহে ৩ দিন ব্যাপী বেসিক জার্নালিজম বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে আগ্রহ সৃষ্টি, কর্মরত সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও মান সম্পন্ন প্রতিবেদনের সংখ্যা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ঝিনাইদহে ৩ দিন ব্যাপী বেসিক জার্নালিজম বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়। কর্মশালার উদ্বোধন করেন পিআইবি’র অধ্যয়ন ও প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক পারভীন সুলতানা রাব্বী। এ সময় ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল কাজল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান লিটন, সহ সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম রবিউল ইসলাম রবি, সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক প্রথম আলোর আজাদ রহমানসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষনে জেলা ও উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও কনটেন্ট ক্রিকেটারসহ ৩৫ জন সাংবাদিক অংশ গ্রহণ করেন। শনিবার থেকে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে আগামী ২৩ তারিখ পর্যন্ত। এসময় সাংবাদিকদের বেসিক জার্নালিজম বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন পিআইবির প্রশিক্ষণ পরিচালক পারভীন সুলতানা রাব্বী, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. জামিল খান ও এডজাস্ট ফ্যাকাল্টি ইউনিভার্সিটি অফ লিভারেল আর্ট এর সম্পদ ব্যক্তি নাজিয়া আফরিন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • তানোরে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা

    তানোরে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের (কোল্ড স্টোর) হিমাগারগুলোতে অযৌক্তিকভাবে আলুর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষকেরা প্রতিবাদ সভা করেছেন।
    জানা গেছে, গত ২১ ডিসেম্বর শনিবার
    তানোর উপজেলা আলু চাষী কল্যান সমিতির উদ্যোগে এবং সমিতির সভাপতি আলহাজ নুরুল ইসরামের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক আব্দুল মতিনের সঞ্চালনায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌর সভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম কারি।অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও আলু চাষী আবু সাইদ বাবু, তানোর পৌর সভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান, তানোর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন তোফা, ব্যবসায়ী ও আলু চাষি লিমন ও আহসান হাবিব প্রমুখ। এছাড়াও প্রতিবাদ সভায় কয়েকশ’ ব্যবসায়ী ও আলু চাষিগণ উপস্থিত ছিলেন।
    এদিন প্রতিবাদ সভায় বক্তাগণ বলেন, হিমাগার কর্তৃপক্ষ সিন্ডিকেট ও আলু চাষীদের জিম্মি করে অযৌক্তিকভাবে ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। গত বছর হিমাগার গুলোতে প্রতি বস্তা আলুর ভাড়া ছিলো ২৫৫ টাকা। অথচ কোনো পুর্ব ঘোষণা ছাড়াই এবছর অগ্রিম বুকিং স্লিপ কাটার সময় প্রতি বস্তার রেট ধরা হয়েছে ২৮৫ টাকা। তারপরও কৃষকরা কোন প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু এখন হিমাগার কর্তৃপক্ষ বলছে আলুর ভাড়া দিতে হবে প্রতি কেজি ৮ টাকা। যা চাষি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি জুলুম-নির্যাতন-অবিচার। এসময় আলু চাষি কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বলেন, স্রিপ কাটার সময় যে রেট ধরা হয়েছে তার বেশী হলে তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত বছর হিমাগারগুলোতে ৭০ কেজির প্রতি বস্তা আলুর ভাড়া ছিলো ২৫৫ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া পড়ে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। এবছর বুকিং শ্লীপ কাটার সময় রেট ধরা হয়েছে ২৮৫ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া পড়বে ৪ টাকা। কিন্তু এখন হঠাৎ করেই হিমাগার কর্তৃপক্ষ বুকিং শ্লীপ কাটা ব্যবসায়ী ও চাষীদের জানিয়েছেন এবছর আলুর ভাড়া দিতে হবে প্রতি কেজি ৮ টাকা। যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুন। এটাতো ইংরেজদের নীল চাষের গল্পকেও হার মানায়। তারা এবিষয়ে বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    এদিকে হিমাগার কর্তৃপক্ষের এমন ঘোষনার পর পরই আলু চাষী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে,বিরাজ করছে উত্তেজনা।
    এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোরের আমান (কোল্ড স্টোর) হিমাগারের ম্যানেজার জালাল উদ্দীন বলেন, গত বছর প্রতি ৫০ কেজির বস্তার ভাড়া ছিলো ৩০০ টাকা এবং লেবার খবচ ১৫ টাকা। কিন্তু আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা ৫০ কেজি আলুর পরিবর্তে ৭০ কেজি থেকে ৮০ কেজি করে আলু রেখেছিল। যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। এবছর সরকার কর্তৃক এবং বাংলাদেশ কোল্ড স্টোর এ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আলুর ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে (৫০কেজির বস্তা) প্রতি কেজি ৮ টাকা। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই।#

  • তানোরে জামায়াতের স্মরণকালের সর্ববৃহৎ কর্মী সভা

    তানোরে জামায়াতের স্মরণকালের সর্ববৃহৎ কর্মী সভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে জামায়াতে ইসলামী তানোর উপজেলা শাখার উদ্যোগে কর্মী সভা আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ২১ ডিসেম্বর শনিবার জামায়াতে ইসলামী তানোর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা জামায়াতের সম্পাদক ডিএম আক্কাশ আলীর সঞ্চালনায় ও সভাপতি আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠ চত্বরে আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংসদ মাওলানা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক, সভাপতি শিক্ষা বিভাগ ড, ওবাইদুল্লাহ,
    পশ্চিম নায়েবে আমির আব্দুল হাসান, জেলা পশ্চিম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি মাওলানা জামিলুর রহমান, জেলা পশ্চিম ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, জেলা পশ্চিম কর্মপরিষদ সদস্য জালাল উদ্দিন, সাবেক জেলা আমির মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সমাজ কল্যান সম্পাদক জামাল উদ্দিন, প্রফেসর একে আজাদ,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আরজান আলী মাষ্টার, রমজান আলী, মাওলানা আনিসুর রহমান,পাঁচন্দর ইউপি জামায়াতের আমির জুয়েল রানা, আজাহার আলী ও কাজী আফজাল হোসেনপ্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর প্রকাশ্যে জামায়াতের এমন কর্মসুচিতে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের ঢল নামে। গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠ কানায় কানায় পুর্ণ হয়ে উঠে। দীর্ঘদিন পর জামায়াতের প্রকাশ্যে কর্মসূচিতে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বত্ত্বঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে কর্মী সভা স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসভায় রুপ লাভ করে।
    অপরদিকে দলের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা জনদুর্ভোগ এড়িয়ে রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে রাস্তায় ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করেছেন।এবিষয়টি সর্ব মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। কর্মী সভায়
    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুস্পষ্ট ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, সরকার নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়েছে তবে সুস্পষ্ট কথা এখনো বলেনি। সংস্কারকে দ্রুত এগিয়ে নিন। ক্রমান্বয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণাটাও দিয়ে দিন। ঘোষণাটা হলে মানুষের মধ্যে একটি আস্থা তৈরি হবে। তিনি আরো বলেন, গত ১৪,১৮ ও ২৪ সালের মত নির্বাচন আমরা এ দেশে আর দেখতে চাই না, আমার ভোট আমি দিবো যাকে খুশি তাকে দিবো তবে আগামীতে ইসলামের মাধ্যমে দেশ চলবে ঘুষ, চাঁদা কমিশন ও সন্ত্রাসমুক্ত রাষ্ট্র গড়তে জামায়াত ইসলাম রাজপথে ছিলো এবং আছে আগামীতেও থাকবে ইনশাল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল
    খালেক বলেন, এক ফ্যাসিবাদ গিয়েছে আরেক ফ্যাসিবাদের সূচনা শুরু হচ্ছে দেশে। জামায়াত ইসলাম যতদিন দেশে আছে ততদিন এই দেশে ফ্যাসিসের জন্ম হতে দিবে না। আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনা হবে ইসলামের দ্বারাই ইনশাল্লাহ।#

  • দুর্বার তারুণ্যের বংকিরার পক্ষ থেকে  শীত বস্ত্র বিতরণ

    দুর্বার তারুণ্যের বংকিরার পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    এতো শীত এলো গেলো ইরাম করে কম্বল কেউ দিইনি, শীতির কম্বল পেয়ে রাতি ওমে হবেনে, ভালো করে ঘুমতি পারবানে- দূর্বার সংগঠনের কম্বল পেয়ে কথা গুলো বলছিলো বংকিরা গ্রামের প্রতিবন্ধী সায়েম সরদার ওরফে মেছের।ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামের তরুণ্যের অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন দূর্বার এর উদ্যোগে আশিটি দরিদ্র ব্যক্তির পরিবারের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করে। কম্বল পেয়ে বংকিরা, হাজরা, গোবিন্দপুর গ্রামের এ সকল সহজ- সরল মানুষের মুখে হাঁসি ফুটে ওঠে।শুক্রবার সকাল দশটায় স্কুল মাঠে ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব হায়দার আলীর সভাপতিত্বে কম্বল বিতরণ আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য দেয় সংগঠনের সভাপতি সাজ্জাদুল হক রকি। উপস্থিত ছিলেন প্রতিভাস ঝিনাইদহের পরিচালক সাকিব মোহাম্মদ আল হাসান,বংকিরা পুলিশ ক্যাম্পেন ইনচার্জ আলমগীর হোসেন উপদেষ্টা সদস্য আনোয়ার পাশা বিদ্যুৎ, শিক্ষক মাসুদুর রহমান, ব্যবসায়ী হামিদুর রহমান, বাউল সাধক লতিফ সাইজিসহ দূর্বার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তন্ময় চক্রবর্তী, জসিম উদ্দীন,আল আমিন হোসাইন,উন্নত চক্রবর্তী, শিহাব আহমেদ সহ দুর্বার এর সকল সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোহেল রানা।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে পাইকগাছার জনজীবন বিপর্যস্ত

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে পাইকগাছার জনজীবন বিপর্যস্ত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে শীত মৌসুমে প্রথম শুরু হলো গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে শীতের মধ্যে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে পাইকগাছাসহ উপকূলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলায় নিচু জমিতে দেরিতে আমন ধান কর্তন শুরু হওয়ায় ক্ষেতের পাকা ও কাটা ধানের ক্ষতির শঙ্কা বাড়ছে।

    গতকাল শুক্রবার গভীর রাত থেকে থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি এই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। শনিবার রাত পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সাথে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং সকাল থেকে রোদের দেখা মেলেনি। ঠান্ডায় রাস্তায় মানুষের চলাচল কমে গেছে। শহর ও গ্রামের বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। যা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে সবচেয়ে বিপদে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজন। একদিকে শীত, অন্যদিকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে তারা কাজেও যেতে পারছেন না। শীত ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনমজুর ও ভ্যানচালকরা যারা কাজে বের হয়েছেন তারা পড়েছেন চরম বিপাকে।
    বৃষ্টিতে শীতের দাপট আরও বেড়েছে। এতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন খেটে খাওয়া, ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী নিম্নআয়ের মানুষ। কেননা, হাড় কাঁপানো শীতে তারা কাজ করতে পারছেন না।
    দিনমজুর কওছার আলী বলেন, রোদ ওঠেনি তার ওপর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। কনকনে শীতে হাত-পা বরফ হয়ে যাচ্ছে। তবে বাড়িতে বসে থাকলে তো আর মুখে খাবার জুটবে না। তাই বাধ্য হয়ে এই শীত-বৃষ্টির মধ্যে কাজের সন্ধানে বের হয়েছি। জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, আবহাওয়ার এই অবস্থা আগামীকাল পর্যন্ত থাকবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদে বড় দিন উপলক্ষে বান্দরবানের থানচি উপজেলায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে সেনাবাহিনী

    খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদে বড় দিন উপলক্ষে বান্দরবানের থানচি উপজেলায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে সেনাবাহিনী

    বান্দরবান ( থানচি) প্রতিনিধি : মথি ত্রিপুরা।

    শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১২টায় ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্বপূর্ণ বাকলাই পাড়া সাবজোনের প্রাতাপাড়ায় এ উৎসব উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    দি ম্যাজেস্টিক টাইগারস এর অধিনায়কের পক্ষে পাড়াবাসীর জন্য খাদ্য সামগ্রী(চাল ৪০ কেজি, ডাল ১০ কেজি, তেল ১০ লিটার, চিনি ১০ কেজি, চা পাতা ৫ কেজি, লবণ ৫ কেজি ও আনুষাঙ্গিক মসলা) বিতরণ করেন সেনা সাব জোনের সাবজোন কমান্ডার।

    অনুদান পেয়ে প্রাতাপাড়া এলাকার কমিউনিটি ব্যাপ্তিষ্ট চার্চের ধর্মগুরু সার ত্লিং বম ও ভারপ্রাপ্ত কারবারি পাকত্লিরং বম বলেন, ‘এটি আমাদের ধর্মীয় বড় উৎসব। সেনাবাহিনী আমাদের যে সহযোগীতা করেছে তা দিয়ে আমরা পাড়াবাসী, পরিবার-পরিজন নিয়ে উৎসবের আয়োজন করতে পারবো।

    বড়দিনের উৎসব আয়োজনের ব্যাপারে অধিনায়ক ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট বলেন, চার্চ গুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর পেট্রোলিং টহল থাকবে। পাহাড়ে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি সবার মাঝে সম্প্রীতি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর।

  • ময়মনসিংহের বিদায়ী পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা ও নবাগত পুলিশ সুপারকে বরণ

    ময়মনসিংহের বিদায়ী পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা ও নবাগত পুলিশ সুপারকে বরণ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে বিদায়ী পুলিশ সুপার আজিজুল ইসলামককে বিদায় সংবর্ধনা ও নবাগত পুলিশ পুলিশ সুপার আখতার উল আলমকে বরণ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রি.) রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়ে ডিআইজি ডিআইজি ড. মোঃ আশরাফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভার
    শুরুতে ময়মনসিংহ জেলার বিদায়ী পুলিশ সুপার মোঃ আজিজুল ইসলাম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) কে বিদায়ী সংবর্ধনা এবং নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ কাজী আখতার উল আলম কে ফুল দিয়ে বরণ করেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোঃ আশরাফুর রহমানের নেতৃত্বে রেঞ্জ পুলিশের সকল সদস্যরা। এসময় ডিআইজিসহ উপস্থিত সকলে বিদায়ী ও নব যোগদানকৃত কর্মকর্তাদের পেশাগত ও পারিবারিক জীবনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করেন।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (ক্রাইম ম্যানেজম্যান্ট), মোঃ ফয়েজ আহমেদ পিপিএম, রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, ময়মনসিংহ; পুলিশ সুপার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট), মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) [পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত], ময়মনসিংহ জেলা; মোঃ শামীম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( ক্রাইম এন্ড অপস্)[পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত], ময়মনসিংহ জেলা; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস), মো: মেজবাহ উদ্দিন, রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, ময়মনসিংহ; এস. এম. আসিফ আল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি), রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়, ময়মনসিংহ সহ অত্রাফিসের বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য বৃন্দ।

  • হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য “ধানের গোলা”

    হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য “ধানের গোলা”

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট (রাজশাহী) থেকেঃ

    আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য “ধানের গোলা”। একটা সময় গেরস্থের বাড়িতে ধানের গোলা ছিল।

    ‘গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু আর পুকুর ভরা মাছ’। প্রচলিত প্রবাদটি আজও মানুষের মুখে শোনা যায়। কিন্তু গ্রামের পর গ্রাম ঘুরেও দেখতে পাওয়া যায় না বাংলার ঐতিহ্যবাহী ধানের গোলা।ধান ছাড়াও রাখা হতো চাল, গম ভুট্টাসহ নানা খাদ্যশস্য।

    মাঠের পর মাঠ ধানক্ষেত থাকলেও উপজেলার অধিকাংশ কৃষকের বাড়িতে এখন নেই ধান, গম মজুত করে রাখার বাঁশ-বেত ও কাদা দিয়ে তৈরি গোলাঘর। 

    এ উপজেলার বেশির ভাগ মানুষের প্রধান পেশা কৃষি। এক সময় এখানে সমাজের নেতৃত্ব নির্ভর করত কার কয়টি ধানের গোলা আছে। এই হিসাব কষে কন্যা পাত্রস্থ করতেও বর পক্ষের বাড়ি থেকে ধানের গোলার খবর নেওয়া হতো। যা এখন রূপকথা।

    গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ দিয়ে গোল আকৃতির তৈরি করা ধানের গোলা বসানো হতো উঁচুতে। গোলা নির্মাণ করার জন্য বিভিন্ন এলাকায় আগে দক্ষ শ্রমিক ছিল। এখন আর গোলা নির্মাণ শ্রমিকদের দেখা মেলে না।

    পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন তারা। গ্রামে-গঞ্জে দক্ষ কারিগরদের হাতে তৈরি বাঁশের ধানের গোলা এক সময় গ্রামীণ জনপদে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও কালের বিবর্তনে তা বিলুপ্তির পথে। 

    মানুষের জীবন-মানের পরিবর্তনের ফলে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে তাদের পারিবারিক ব্যবহার্য উপকরণে। ফলে ঐতিহ্যবাহী বাঁশের ধানের গোলার জায়গা দখল করে নিয়েছে পাটের বস্তা আর টিন বা প্লাস্টিকের তৈরি ড্রাম।

    এগুলো তৈরি ঝামেলামুক্ত ও সহজে বাজারে পাওয়া যায় বলে মানুষ বাঁশের গোলার পরিবর্তে এসব আধুনিক উপকরণ ব্যবহারে দিন দিন অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশের গোলার কদর।

    শনিবার সকালে (২১ ডিসেম্বর ২৪) সরজমিনে চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে জানা গেছে, গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ দিয়ে গোল আকৃতির তৈরি করা ধানের গোলা বসানো হতো উঁচুতে। গোলার মাথায় থাকত টিনের বা খড়ের তৈরি পিরামিড আকৃতির মতো ছাউনি। গোলা নির্মাণ করার জন্য বিভিন্ন এলাকায় আগে দক্ষ শ্রমিক ছিল। গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ ফাটিয়ে ও কঞ্চি দিয়ে প্রথমে গোল আকৃতির কাঠামো তৈরি করা হতো। এরপর তার গায়ের ভেতরে বাইরে মাটির আস্তরণ লাগানো হতো। এর মধ্যে প্রবেশপথ রাখা হতো। যাতে করে প্রয়োজনে ধান রাখা বা বের করা যায়। মাটির তৈরি গোলাতে ধান ভালো থাকে। একটি গোলায় বছরের অধিক সময় পর্যন্ত ১০০-২০০ মণ ধান ভালোভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

    ৭৬ বছর বয়সী মরিয়ম বিবি বলেন, আমাদের সময় প্রায় সব বাড়িতে ধানের গোলাঘর ছিলো। সারা বছর গোলা থেকে ধান বের করে তা সিদ্ধ-শুকান করে ঢেঁকিতে পাড় দিয়ে চাল বেড় করতাম। এখন আর তা করতে হয় না। মিল-কারখানা আর চাতালে এসব কাজ হয়।

    কৃষক লোকমান হোসেন বলেন, কালের বিবর্তনে ধানের গোলা আজ বিলুপ্ত প্রায়। আশির দশকের দিকে ওই সব ধানের গোলা কৃষক ও সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতো। এখন এসব আর হয় না, আধুনিকতার ছোঁয়ায় সব হারিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।