Category: দেশজুড়ে

  • বেনাপোল সীমান্তে প্রতারনার শিকার পাসপোর্টধারীর মৃত্যু,অসহায় আইন শৃঙ্খলাবাহিনী

    বেনাপোল সীমান্তে প্রতারনার শিকার পাসপোর্টধারীর মৃত্যু,অসহায় আইন শৃঙ্খলাবাহিনী

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতে সব নিরাপত্তা ব্যবস্থার নজর এড়িয়ে প্রতিনিয়ত প্রতারনাকারীর কবলে পড়ে অর্থ খুইয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন পাসপোর্টধারীরা। এবার প্রতারনার কবলে অর্থ হারিয়ে চিকিৎসা করাতে না পেরে দুঃচিন্তায় জীবন হারিয়েছেন অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ঢাকার মনোজ কুমার। দির্ঘদিন ধরে চিহ্নিত চক্রটি পাসপোর্টধারীদের সাথে প্রতারনা চালিয়ে আসলেও তাদের কাছে যেন অসহায় সীমান্তের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ আটকিয়ে জেল হাজতে পাঠালেও বারবার ছাড়া পেয়ে প্রতারনার ফিরছে এসব অপরাধীরা।

    সবশেষ গত ২১ ডিসেম্বর ভারতে যাওয়ার সময় এ চক্রটির প্রতারনার শিকার হয় ঢাকা কদমতলীর সারই মসজিদ রোড ধানিয়া এলাকার অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক মনোজ কুমার। মেয়ে অবন্তি করকে সাথে নিয়ে গত শনিবার চিকিৎসার জন্য বেনাপোল বন্দরে এসেছিলেন। এসময় চিহ্নিত ৫ ছিনতাইকারী পরিবহন স্টাফ পরিচয়ে ইমিগ্রেশন সংলগ্ন ওয়ান ব্যংকের এটিএম বুথের পাশে নিয়ে জিম্মি করে। পরে মেয়েকে প্রাণ নাশের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় ৩৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় মনোজ কুমারের মেয়ে অবন্তি করের দায়েরকৃত এজাহারে ঐ দিন পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আঁচড়া গ্রামের গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে শোয়েব আক্তার ও

    জাবের শেখের ছেলে শেখ রাহাদ অন্তর ও ইউসুফ আলীর ছেলে আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করে। এদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ছিনিয়ে নেওয়া টাকার মধ্যে মাত্র ১৩ হাজার। এ মামলায় এজাহারনামীয় ৫ জন ও অজ্ঞাতনামা ৭থেকে ৮ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের হয়। তবে ছিনতাইকৃত টাকা সব ফেরত না পাওয়ায় ভারতে চিকিৎসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এ শিক্ষকের। এ অবস্থায় দুঃচিন্তায় পড়ে হৃদ ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঘটনার ২ দিন পর ২৪ ডিসেম্বর কলকাতায় মারা যায় মনোজ কুমার। ২৬ ডিসেম্বর বাবার মরদেহ নিয়ে দেশে ফিরে চেকপোষ্ট এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ জানান ভুক্তভোগী অবন্তি কর।

    এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যে জানা যায়, বেনাপোল চেকপোষ্ট বন্দর এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারীদের মধ্যে আলোচিতরা রয়েছে, পোর্টথানার বড়আঁচড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে বাবু, শাহাজামালের ছেলে মারুফ,ছোটআঁচড়া গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন সাগর, সাদিপুর গ্রামের হারুনের ছেলে এবাদত। এছাড়া বেনাপোল চেকপোষ্টে চৌধুরী সুপার মার্কেটের রবি,সাইদুর সুপার মার্কেটের বাবুল,রেজাউল সুপার মার্কেটের হামিদ,ইউনুস সুপার মার্কেটে বরিশালের শামীম,রবি, হৃদয়,শিমুল, ইমরান ও মারুফ পেশাদার ছিনতাইকারী ।

    জানা যায়, দেশের গুরুত্বপুর্ণ এলাকা এবং রাষ্ট্রের ভারত গমনের প্রধান ফটক বেনাপোল চেকপোষ্ট। এই পথে প্রতিদিনি ৫ থেকে ৭ হাজার দেশী বিদেশী লোক যাতায়াত করে থাকে। আর ওইসব যাত্রীদের এক শ্রেনীর ছিনতাইকারী লাইনের আগে অনলাইন ট্যাক্স, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট করতে হবে না এসব প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে আসে তাদের নির্দিষ্ট ঘরে। তারপর অনলাইন ফর্মপূরণ এবং টাকার নাম্বার লিখতে হবে, না লিখলে কাস্টমস আটক করবে বলে নানা ভাবে দুর দুরান্ত থেকে আসা যাত্রীদের বুঝিয়ে তাদের কাছে থাকা টাকা গুনতে গুনতে পাসপোর্ট যাত্রীর অগোচরে ফেলে দেয় টেবিলের নীচে। এভাবে প্রতিনয়ত সাধারন এসব যাত্রীদের টাকা ছিনতাই করছে এই চক্রগুলো।

    দিনে দুপুরে এমন ঘটনা প্রতিদিনই ঘটায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    বন্দর প্যাছেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ জানান, পাসপোর্টধারী মনোজ কুমারের মহদেহ দেশে ফেরত এসেছে নিশ্চিত করে জানান, বাবার মৃত্যু নিয়ে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মেয়ে। প্রতারনাকারীরা দির্ঘদিন ঘরে চেকপোষ্ট এলাকায় প্রতারনা চালিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে পাসপোর্টধারীদের সতর্ক করা হলেও তারা ফাঁদে পড়ছেন।

    বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের উপপরিদর্শক(এসআই) রাশেদুজ্জামান জানান জানান, ঐ পাসপোর্টধারীর সাথে প্রতারনা করে যারা অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিল তাদের ৩ জনকে ঐদিন গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রতারনা প্রতিরোধে সবার সহযোগীতা প্রয়োজন জানিয়ে বলেন, পাসপোর্টধারীদেরও সতর্ক থাকতে হবে। পুলিশ এ চক্রের অনেককে গ্রেফতার করেছেন এবং প্রতারনাকারীদের আস্তানায় তালাও ঝুলিয়েছে।

    ভারতগামী পাসপোর্টধারী নজরুল ইসলাম জানান, পাসপোর্টধারীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বন্দর এলাকায় পুলিশ,বিজিবি,আনসার ও বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থ্যা কাজ করছে। এত নিরাপত্তার মধ্যে একটি চক্র প্রতিদিন পাসপোর্টধারীদের সাথে প্রতারনা চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা দুঃখজনক।

    বেনাপোল চেকপোষ্ট ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি মশিয়ার রহমান জানান, সীমান্তে বিভিন্ন পরিচয়ে ছিনতাইকারীরা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ছিনতাইয়ের ঘটনা চালাচ্ছে। যা বেনাপোল বন্দর এলাকার ভাবমূর্তীও ক্ষুন্ন করছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে প্রশাসনিক নিরাপত্তা বাড়ানোর আহবান জানানো হয়েছে।

  • পটিয়ায় রসিদাবাদ পল্লী মঙ্গল সংস্থার নির্বাচন সম্পন্ন

    পটিয়ায় রসিদাবাদ পল্লী মঙ্গল সংস্থার নির্বাচন সম্পন্ন

    মহিউদ্দিন চৌধুরী।।
    পটিয়া সংবাদদাতা।।
    পটিয়ায় রশিদাবাদ পল্লী মঙ্গল সংস্থার ২০২৫-২০২৬ দ্বি-বার্ষিক কার্য নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন  হয়েছে। 
    ২৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকালে রসিদাবাদ পল্লী মঙ্গল সংস্থার নিজস্ব ভবনে তফশিল অনুযায়ী উৎসুক সদস্যদের উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে  নির্বাচন সম্পন্ন হয়। তবে একই পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
    প্রধান নির্বাচন কমিশনার এস এম হারুনুর রশিদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

    নির্বাচিতরা হলেন, সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এনাম,সহ-সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন, আবু কাউছার তুহিন, 
    সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বাবু, 
    সহ-সাধারণ সম্পাদক শামশুল ইসলাম, মোঃ মহিউদ্দীন,আব্দুল ওয়াজেদ,  
    সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাব উদ্দীন স্বাধীন,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ এরফানুল হোক চৌধুরী,অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সাজিন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন, 
    ধর্ম সম্পাদক মোঃ কায়েম, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিনহাজুর রহমান, 
    সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক রমজান আলী মুন্না, তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তুলক, ক্রীড়া সম্পাদক জোবায়ের বিন রশীদ,কৃষি সম্পাদক মোঃ কামরুন জামান,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাঈমুল হক, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক শাহরিয়ার ইবনে মালেক সৌরভ, অফিস সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক ইজাজুল হক জীবন,সদস্য সরোয়ার কামাল,ফারুক আজম রেজবি, তাফিকুর রহমান রানা, ইমতিয়াজ আহমদ,রাহিন হোসেন আসিফ।

    এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এস এম হারুনুর রশিদ, নির্বাচন কমিশন সদস্য মিজানুর রহমান ও আবদুল করিম ছাড়াও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কে এম ফিরোজ সিকদার,মাহবুবুল কবির মেম্বার, আরশাদুল শফি বাবলু,আবদুল মোমেন,আবদুল খালেক,আজীবন সদস্য মোরশেদুল শফি হিরু,নাজিম উদ্দীন,আমজাদ হোসেন,সাবেক সভাপতি আজগর হোসেন,মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী, মোহাম্মদ আনিস প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে নারী সহ আহত ৭ – এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

    পাইকগাছায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে নারী সহ আহত ৭ – এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

    ইমদাদুলহক,পাইকগাছা (খুলনা )।।

    খুলনার পাইকগাছায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে পুরুষ-নারী সহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    বুধবার সকালে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণে শিকার হন আহতরা। এসব কুকুরের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না বিভিন্ন বয়সী মানুষ সহ পথচারীরা। পাইকগাছা উপজেলায় আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বেওয়ারিশ কুকুর। বিভিন্ন সড়কে এমনকি গলির রাস্তায় সন্ধ্যার পর দল বেঁধে ঘুরতে থাকে এসব কুকুর। কুকুরের দলে ১০ থেকে ১৫টি এবং কোনো কোনো দলে ২০ থেকে ২৫টি কুকুর ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এ সময় পথচারীদের চলাচল করতে হয় আতঙ্ক নিয়ে। সন্ধ্যার পরে পাইকগাছা পৌর সদর সহ আসে পাশের এলাকায় বের হলে কুকুর দল বেঁধে পথচারী ধাওয়া শুরু করে বলে জানান স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বলেন কর্তৃপক্ষ দ্রুত বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের ব্যবস্থা না করলে আরো মানুষ আহত হবে বলে আশঙ্কা করছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তথ্য অনুযায়ী বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণে শিকার হয়েছেন, ইমদাদুল গাজী (৬০) আরাফাত হোসাইন (১৫) মোস্তফা (৫০) নিমাই মন্ডল (৭০) ফারুক মোড়ল(৩২) রুববান বিবি (৬০) আঃ গফুর গাজী(৬৫)। তারা পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারেও বলে আশঙ্কা করছেন সূত্রটি।

    কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত ইবাদুল গাজী জানান, সকাল ১০ টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে পাইকগাছা বাজারে আসার পথে চারা বটতলা নামক স্থানে আসলে ছুটে এসে একটি কুকুর তার পায়ে কামড় দেয়। আরাফাত হোসাইন জানান বাড়ি পাশে রাস্তায় গেলে একটা কুকুর ছুটে এসে তার পায়ে কামড় দেয়।

    আরেক রুগী মোস্তফা বলেন বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে আসলে বিরাশির মোড়ে আসলে একটি কুকুর এসে তার পায়ে কামড় দিয়ে ধরে রাখে সে আত্ম চিৎকার করলে পরবর্তীতে ছেড়ে দেয়।

    উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ ইব্রাহিম গাজী জানান, কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৭ জন রোগী আসছিলো তারা চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে হাসপাতাল থেকে এই ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হচ্ছে কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন গত ৬ মাস এই হাসপাতালে কোন ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই ফলে এই ভ্যাকসিন বাইরের থেকে নিয়ে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে।

    পাইকগাছায় ওয়াশ বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছাতে পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য ও জলবায়ু বাজেট বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডরপ এর আয়োজনে এবং হেলভেটার্স বাংলাদেশ এর সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত গণশুনানি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ্যাকশনস টু ক্লাইমেট চেঞ্জ এনসিউরিং সাসটেইনেবল সলিউশনস এক্সেস প্রকল্পের গণশুনানিতে স্বাগত বক্তৃতা করেন, উপজেলা ওয়াশ বাজেট মনিটরিং ক্লাব এর সভাপতি অবসর অধ্যাপক জিএমএম আজহারুল ইসলাম।

    এসময় উপজেলা পর্যায়ের সকল সেবা প্রদান দপ্তর সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগ অনুযোগ, পরামর্শ প্রশ্নোত্তর প্রদান করেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী শেখ, জনস্বাস্থ্যের উপ সহকারী প্রকৌশলী শাহদাত হুসাইন। এসময় উপজেলার সময়ন্বয়ক পিন্টু চন্দ্র দাস, সাংবাদিক পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, স্থানীয় রেজাউল করিম, মা সংসদের সুফিয়া বেগম, আরিফা আক্তার, ওয়াশ বাজেট মনিটরিং ক্লাবের নুরুন্নাহার বেগম, নাজমা, শংকরী দাশ, ময়না খাতুন, সুপ্রিয়া বেগম, মাহফুজা বেগম সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ওয়াশ কমিটি, বাজেট ক্লাব, মা সংসদ, যুব গ্রুপের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতা গণশুনানিতে বিভিন্ন ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতারা উপজেলা পর্যায়ের সেবা দাতা কর্মকর্তাদের সরাসরি তাদের সমস্যাবলী নিয়ে প্রশ্ন করেন এবং তারা উত্তর প্রদান করলে এর মাধ্যমে সেবা দাতাদের আরও জনবান্ধব হয়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়। মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা ও সুযোগগুলোতে দরিদ্র মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে গণশুনানির আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

    ইমদাদুল হক,

    পাইকগাছা,খুলনা।

  • তানোরে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ

    তানোরে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের (কোল্ড স্টোর) হিমাগারগুলোতে অযৌক্তিকভাবে আলুর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তানোর উপজেলা আলু চাষী কল্যান সমিতির উদ্যোগে এবং সমিতির সভাপতি আলহাজ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক এম রায়হান আলীর সঞ্চালনায় গোল্লাপাড়া বাজার ফুটবল মাঠে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সম্পাদক আব্দুল মতিন ও
    কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম কারী।অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও আলু চাষী আবু সাইদ বাবু, তানোর পৌর সভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান, আজাহার আলী, তানোর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন তোফা,আব্দুল মালেক মন্ডল,গোলাম মোর্তুজা,
    ব্যবসায়ী ও আলু চাষি লিমন,আলহাজ্ব সালাউদ্দিন শাহ্, গোলাম রাব্বানী, হাবিবুর রহমান হাবিব,আফজাল হোসেন ও আহসান হাবিব প্রমুখ। এছাড়াও কৃষক সমাবেশে কয়েকশ’ ব্যবসায়ী ও আলু চাষিগণ উপস্থিত ছিলেন।
    এদিন প্রতিবাদ সভায় বক্তাগণ বলেন, হিমাগার কর্তৃপক্ষ সিন্ডিকেট ও আলু চাষীদের জিম্মি করে অযৌক্তিকভাবে ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। গত বছর হিমাগার গুলোতে প্রতি বস্তা আলুর ভাড়া ছিলো ২৫৫ টাকা। অথচ কোনো পুর্ব ঘোষণা ছাড়াই এবছর অগ্রিম বুকিং স্লিপ কাটার সময় প্রতি বস্তার রেট ধরা হয়েছে ২৮৫ টাকা। তারপরও কৃষকরা কোন প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু এখন হিমাগার কর্তৃপক্ষ বলছে আলুর ভাড়া দিতে হবে প্রতি কেজি ৮ টাকা। যা চাষি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি জুলুম-নির্যাতন-অবিচার। এসময় আলু চাষি কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বলেন, স্রিপ কাটার সময় যে রেট ধরা হয়েছে তার বেশী হলে তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।তারা বলেন,ছাত্ররা আন্দোলন করে যদি শেখ হাসিনাকে তাড়াতে পারে,তাহলে আমরা কৃষকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে হিমাগার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবো ইনশাল্লাহ্।
    প্রয়োজনে হিমাগার অবরোধ করা হবে।তারা বলেন,আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে হিমাগার মালিকগণ দাবি না মানলে তারা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত বছর হিমাগারগুলোতে ৭০ কেজির প্রতি বস্তা আলুর ভাড়া ছিলো ২৫৫ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া পড়ে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। এবছর বুকিং শ্লীপ কাটার সময় রেট ধরা হয়েছে ২৮৫ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া পড়বে ৪ টাকা। কিন্তু এখন হঠাৎ করেই হিমাগার কর্তৃপক্ষ বুকিং শ্লীপ কাটা ব্যবসায়ী ও চাষীদের জানিয়েছেন এবছর আলুর ভাড়া দিতে হবে প্রতি কেজি ৮ টাকা। যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুন। এটাতো ইংরেজদের নীল চাষের গল্পকেও হার মানায়। তারা এবিষয়ে বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    এদিকে হিমাগার কর্তৃপক্ষের এমন ঘোষনার পর পরই আলু চাষী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে,বিরাজ করছে উত্তেজনা।
    এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোরের আমান (কোল্ড স্টোর) হিমাগারের ম্যানেজার জালাল উদ্দীন বলেন, গত বছর প্রতি ৫০ কেজির বস্তার ভাড়া ছিলো ৩০০ টাকা এবং লেবার খবচ ১৫ টাকা। কিন্তু আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা ৫০ কেজি আলুর পরিবর্তে ৭০ কেজি থেকে ৮০ কেজি করে আলু রেখেছিল। যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। এবছর সরকার কর্তৃক এবং বাংলাদেশ কোল্ড স্টোর এ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আলুর ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে (৫০কেজির বস্তা) প্রতি কেজি ৮ টাকা। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই।#

  • শৈলকুপায় নিহতের ঘটনায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর গুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

    শৈলকুপায় নিহতের ঘটনায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর গুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার দীঘলগ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় বাদশা মোল্যা নামে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় গ্রামটি মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়েছে। গ্রামটি পুরুষশুন্য। মামলার আসামীদের বাড়িতে কেউ নেই। এই সুযোগে দূর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে অর্ধশতাধিক পরিপাটি দালান বাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে দীঘলগ্রামে। বাড়িতে থাকতে না পেরে এই শীতে মানবতার জীবন যাপন করছেন ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ। তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাইলেও পুলিশ নিরাপত্ত দিতে পারেনি। দীঘলগ্রামটি ঘুরে দেখা গেছে, রহিম মোল্যার ছেলে টিপু সুলতান, টিটুল, মিটুল, মনো মোল্যার ছেলে মজনু, ফজলু, বিল্লাল, ছনো মোল্যার ছেলে নুর ইসলাম, হবিবার মোল্যার ছেলে মাসুদ, সুজন, মোখলেচ মোল্যার ছেলে তুষার, লিটন, ইব্রাহীম মোল্যার ছেলে চয়ন, মন্টু মোল্যার ছেলে জাহাঙ্গীর, আনোয়ার, দুলাল মোল্যার ছেলে লাকু, সাহেব আলী, ফটিক মোল্যার ছেলে হকছদ্দি, মাহাতাব, বক্কার মোল্যার ছেলে বাচ্চু ও ফিরোজ, মঙ্গল মোল্যার ছেলে রাজ্জাক, আফাঙ্গীর, জেনারুল, হামিদুর, নয়ন মোল্যার ছেলে বজলু, নজরুল, সাদ্দাম, গোলাম নবীর ছেলে লাল্টু, লাড্ডু, ইছাহাক মোল্যার ছেলে রেজাউল ও হাফিজুলের বাড়িঘরে দূর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। এসব পরিবারের শতাধীক সদস্য মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। দীঘল গ্রামের সিদ্দিক মোল্যার স্ত্রী কুলসুম বেগম জানান, গত ৬ ডিসেম্বর বিকালে গরু চুরির ঘটনায় বাহারুল মোল্যা ও রহিম মোল্যার পরিবারের মধ্যে নারীদের ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রুপ নেয়। এ সময় বাহারুল সমর্থক বাদশা মোল্যা আহত হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৯ ডিসেম্বর মারা যান। এঘটনার পর থেকে বাদশা মোল্যার সমর্থকরা তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে একতলা বিল্ডিং সহ প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমানে তারা অন্যত্র আত্মিয়ের বাড়িতে কষ্টে জীবন যাপন করছেন। দীঘল গ্রামের টিপু সুলতানে স্ত্রী টুম্পা খাতুন জানান, আমরা যদি অন্যায় করে থাকি তাহলে তার বিচার হোক কিন্তু আমাদের বাড়িঘর তো আর অন্যায় করেনি। সবই ভেঙ্গে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়িঘর ভাংচুরের বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ খান বলেন, সামাজিক বিরোধে যে কোন হত্যার পর বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর এটা শৈলকুপার সংস্কৃতি। বাদশা নিহতের পর অভিযুক্তদের মালামাল তারা নিজেরা প্রশাসনের সহযোগীতায় নিরাপদে সরিয়ে নেয়। তবে যারা প্রতিপক্ষরা ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে এ সুযোগে রাতের আধারে কিছু দূর্বৃত্ত বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্থরা যদি কোন অভিযোগ দেয় তাহলে তারা ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান। ওসি জানান, দীঘল গ্রামের বাদশা মোল্যা নিহতের ঘটনায় তার ভাই মিরাজ মোল্যা বাদী হয়ে ৩৭ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার ২৭ আসামী বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি বাতিল ও কথিত পকেট কমিটির জেলা আহবায়ক ওসমান আলী বিশ্বাসকে কৃষকদলের সব পদ থেকে অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা, উপজেলা ও পৌর কৃষকদলের পদত্যাগকারী নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম-আহবায়ক হাফিজুর রশিদ স্বপন। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম-আহবায়ক লাবলুর রহমান বাবলু, কামাল হোসেন, আব্দুর রউফ, জেলা কৃষকদলের সদস্য আবু জাফর ও পৌর কৃষকদলের যুগ্ম-আহবায়ক শহীদুল ইসলাম উপস্থিতি ছলেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়. কৃষকদল সদর উপজেলা ও পৌর শাখার আহবায়ক কমিটিতে ত্যাগি নেতা কর্মীদের বাদ দিয়ে দীর্ঘদিন যারা রাজনীতির সাথে নেই এমন ব্যক্তিদেরকে কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে। যেটা দলের জন্য ক্ষতির কারণ। জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ওসমান আলী বিশ্বাস একক সিদ্ধান্তে নিজস্ব আত্মীয়-স্বজন এবং তার ব্যক্তিগত কর্মচারীদের এই কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে আরও বলেন, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মোঃ ওসমান আলী বিশ্বাস অর্থের বিনিময়ে এসব পদ বেচাকেনা করেছে। বিতর্কিত পকেট কমিটি বাতিল ও জেলা আহবায়ক ওসমান আলী বিশ্বাসের অব্যাহতি দাবী করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবসময় বলে আসছেন বলেন, এক নেতার এক পদ কিন্তু ওসমান আলী বিশ্বাস একাই ৫টি পদ দখল করে আছেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ও পৌর কৃষকদলের ৯০ জন নেতাকর্মী পদত্যাগ করেন। উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর দেশের ৬৩টি জেলায় কৃষকদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হলেও ঝিনাইদহে পালিত হয়নি। এমনকি ১৪ ডিসেম্বব বুদ্ধিজীবি দিবস ও মহান বিজয় দিবস পালন করেনি কৃষকদলের ব্যানারে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • হত্যাচেষ্টায় দৈনিক জনবাণীর সম্পাদকসহ ৪ সাংবাদিকের ওপর হাম-লা

    হত্যাচেষ্টায় দৈনিক জনবাণীর সম্পাদকসহ ৪ সাংবাদিকের ওপর হাম-লা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    দৈনিক জনবাণী পত্রিকার সম্পাদক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকসহ চার সাংবাদিকের ওপর হামলা করেছে দৃর্বৃত্তরা। গতকাল (বুধবার) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাংলা মোটর এলাকায় প্লানাস টাওয়ার সংলগ্ন পত্রিকাটির কার্যালয়ের পাশে এ হামলা হয়।
    হামলার ঘটনায় জনবাণী পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক শফিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রাজু আহমেদ শাহ, বিশেষ প্রতিনিধি বশির হোসেন খান এবং অনলাইন মাল্টিমিডিয়া সম্পাদক আতাউর হোসেন আহত হন। সন্ধ্যা ৬টায় তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। সম্পাদক শফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত।
    আহত সাংবাদিক বশির হোসেন খান বলেন, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ করে ২০/২২ জনের দুর্বৃত্ত দল রড, লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তখন আমরা কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তারা আমাদের ওপর হামলে পড়ে। আমরা তাদের কাউকে চিনতে পারিনি।
    এর আগে হামলাকারীরা জনবাণীর পত্রিকার কার্যালয়ে গিয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বসুন্ধরা সিটি সেন্টার থেকে অফিসে যাচ্ছিলাম, আমাদেরকে অফিস না পেয়ে দুর্বৃত্তরা আমাদের খোঁজে বের হয়ে রাস্তায় পেয়ে হামলা চালায়।
    পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করা হয়েছে জানিয়ে বশির হোসেন খান, তারা (হামলাকারীরা) আমাদেরকে পেয়ে প্রথমে নাম জিজ্ঞেস করে। এরপর হামলা চালায়। এমনভাবে এসেছিল যে, মনে হয়েছে দূর থেকে কেউ দেখিয়ে দিয়েছে। হামলায় সম্পাদকের মাথা, হাত ও পিঠে ক্ষত হয়েছে। সম্পাদককে হত্যার জন্য টার্গেট করে এ হামলা চালানো হয়।
    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, বাংলা মোটর এলাকায় হামলার ঘটনায় আহত চার সাংবাদিক প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
    আইনি পদক্ষেপ নিতে আহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের পক্ষে শাহবাগ থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে।

  • বাগআঁচড়ায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বোমা নিক্ষেপ,দোকান ভাংচুর ও গু-লি বর্ষণ

    বাগআঁচড়ায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বোমা নিক্ষেপ,দোকান ভাংচুর ও গু-লি বর্ষণ

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বোমা নিক্ষেপ,দোকান ভাংচুর ও কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

    বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বাগআঁচড়া বাজারের ময়ূরী সিনেমা হলের সামনে দু দফায় এ ঘটনা ঘটে।

    প্রতাক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়,বাগআঁচড়ার ইসমাইল হোসেনের ছেলে যুবদলের বহিষ্কৃত কর্মি মাসুদ ও সাতমাইল এলাকার কপিল উদ্দীনের ছেলে যুবদল কর্মি বাবর আলী বাবু দু জনই বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি সমর্থিত ।

    তাদের দু জনের মধ্য যুবদলের আগামী কমিটি গঠনে পদ নিয়ে ও মাটি বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে পুর্ব থেকে দ্বন্ধ ছিলো। তারই জের ধরে মঙ্গলবার মাসুদের নেতৃত্বে বাবুকে বাগআঁচড়া বাজারে মারধোর করে ও তার কাছে থাকা ২০ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করে বাবু।

    এ ঘটনার পর বাবুর পক্ষের লোকজন খবর পেয়ে বুধবার রাত ১২ টার দিকে মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে ময়ূরী সিনেমা হলের সামনে মাসুদের বাবা ইসমাইল হোসেনের দোকানঘর ভাংচুর করে ও সেখানে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষন সহ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায়।

    পরের দিন বৃহস্পতিবার সকালে আবার ও একটি মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে মাসুদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে এবং চাইনিজ কুড়াল দিয়ে দুটি মোটর সাইকেল কুপিয়ে চলে যায়।

    এ ব্যাপারে বাবুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, বুধবার রাতে মাসুদ আমার মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে জোরপূর্বক মারধর করে আমার কাছে থাকা ২০ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে ঘটনাটি আমার লোকজনকে জানালে তারা মাসুদের বাড়ির সামনে যায়। এটা শুনে আমি ও মতি গিয়ে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসি। রাতে ও সকালে তারা নিজেরা বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও গাড়িভাংচুর করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

    এ ব্যাপারে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির আব্বাস জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কোন অভিযোগ বা মামলা হলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে তিনি জানান।

  • গৌরনদীতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ

    গৌরনদীতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ
    গৌরনদীতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র কম্বল বিতরন করা হয়েছে।

    উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ কামাল হোসেন বিপ্লবের নিজস্ব অর্থায়নে বৃহস্পতিবার ২৬ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় সরিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে শহিদদের স্মরনে স্হানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সরিকল ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের শীতার্তদের মধ্যে  শীত বস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

    গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেক দলের আহবায়ক মোঃ কামাল হোসেন বিপ্লবের সভাপতিত্বে জেলা ছাত্রনেতা মোঃ মুহিদুল ইসলাম সুমনের সঞ্চনালয় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ছরোয়ার হোসেন কামাল এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা সদস্য সচিব শরিফ জহির উদ্দিন স্বাজ্জাদ হান্নান। গৌরনদী উপজেলা সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ বদিউজ্জামান মিন্টু। সরিকল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মৃধা

    অন্যান্যদের মাঝে উপস্হিত ছিলেন সরিকল ইউনিয়ন সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আনিসুর রহমান হাওলাদার বিএনপি নেতা মোঃ পান্নু সরদার মোঃ মাকসুদুর রহমান মৃধা, গনঅধিকার পরিষদেরর বরিশাল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোঃ নুরুল আমিন হাওলাদার,ডাক্তার মোঃ কামাল হোসেন, ও সরিকল ইউনিয়নের অন্যতম ছাত্রনেতা মোঃ আলামিন প্রমুখ।

  • ইসলামি বিপ্লব ক্ষমতা দখল নয় – নুরুল ইসলাম বুলবুল

    ইসলামি বিপ্লব ক্ষমতা দখল নয় – নুরুল ইসলাম বুলবুল

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

    ইসলামি বিপ্লব মানে শুধু ক্ষমতা দখল নয় বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল বুধবার (২৫ শে ডিসেম্বর) সকাল ৯টা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার সিপাহিপাড়া একটি মাদরাসা মিলায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুন্সীগঞ্জ জেলার উদ্বেগে উপজেলা মজলিসে শুরার ও কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষা শিবিরে এ সব কথা বলেন তিনি আরো বলেন প্রতিদিন জামায়াতের কর্মীদের সামাজিক কাজ করতে হবে, সকল দায়িত্বশীলদের নিজেদের মান উন্নয়ন করতে হবে :বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরার সদস্য ও মুন্সীগঞ্জ জেলা আমির আ জ ম রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের জামায়াতের ইসলামের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল হক পাটোয়ারী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা এ কে এম ফখর উদ্দিন রাজি। শিক্ষা শিবিরে সকল সাংগঠনিক উপজেলার আমির, মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।