Category: দেশজুড়ে

  • বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জননেতা সাইফুর রহমান রানাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জননেতা সাইফুর রহমান রানাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সফল সাধারণ সম্পাদক এবং ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা এর ঢাকা থেকে আগমনে বিএনপি’র সকল অঙ্গ-সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীরা শনিবার (২৮ডিসেম্বর) দুপুরে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে কুড়িগ্রামে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। অতঃপর মোটরসাইকেল বহরের মধ্য দিয়েই আনন্দ মিছিলের মাধ্যমে নাগেশ্বরীতে আসেন। পরে নাগেশ্বরী কলেজ মোড় উপজেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে হাজারো নেতা-কর্মীর ঢল নামে। উপজেলা বিএনপি’র আয়োজনে উপজেলা শহরের কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে কলেজ মোড় উপজেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে বিএনপি’র অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সফল সাধারণ সম্পাদক এবং ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিগত দিনগুলোতে আমরা রাজপথে রক্ত দিয়েছি, অনেক নেতাকর্মী জেলে গিয়েছে, অনেক নেতাকর্মী হারিয়েছি, কিন্তু একটা জায়গায় ভালো কাজ করেছি, সেটা হলো বিএনপি নেতাকর্মীরা জ্বলেপুড়ে খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছে।
    রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হয়েছে। নতুন রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের চিন্তা-চেতনা, তরুণদের চিন্তা-চেতনা আমাদের বুঝতে হবে। তাই সেভাবে রাজনীতি করতে হবে। পাশাপাশি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। কুড়িগ্রাম জেলায় বিএনপি’র সকল অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরননবী দুলাল, নাগেশ্বরী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক, কচাকাটা থানার বিএনপি নেতা তোলা ব্যাপারী সহ বিএনপি’র অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • বানারীপাড়ায় মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    বিশেষ প্রতিনিধি॥

    বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলা পরিষদের মাসিক উন্নয়ন,সমন্বয় ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও ইউএনও মো. বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফকরুল ইসলাম মৃধা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. প্রণব দত্ত,উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.রফিকুল ইসলাম তালুকদার,উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নিজামউদ্দিন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পার্থ সারথী দেউরী, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফসানা আরেফিন,থানার উপ-পরিদর্শক কমল,উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বরূপকাঠিতে সীলকোটের কাজ শেষ হওয়ার ৭দিনের মাথায় রাস্তার উপর গজিয়েছে ঘাস

    স্বরূপকাঠিতে সীলকোটের কাজ শেষ হওয়ার ৭দিনের মাথায় রাস্তার উপর গজিয়েছে ঘাস

    আনোয়ার হোসেন,

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //

    স্বরূপকাঠিতে সীলকোটের কাজ শেষ হওয়ার ৭দিনের মধ্যে রাস্তার উপর তিন থেকে চার ইঞ্চি গজিয়েছে ঘাস। স্বরূপকাঠি উপজেলার ৪নং আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়ন হইতে বানারীপাড়া সড়কের ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সদ্য নির্মিত ২ কিলোমিটার সড়কে সীলকোট এর কাজ শেষ করার মাত্র ৭দিনেই ঘাস জন্মেছে। স্থানীয়রা বলেন, এরকম বাজে কাজ এর পূর্বে কখনো কেউ করে নাই। উপজেলা প্রকৌশলি বলেন,পুরানো কার্পেটিংএ ঘাস ছিলো তাই কিছু যায় ঘাস উঠেছে। ঐ কাজের ঠিকাদার বলেন, এই টাকা দিয়ে এই কাজ করা সম্ভব নয়।

    স্বরূপকাঠি উপজেলার কুড়িয়ানা হইতে বানারীপাড়া সংযোগ সড়কের ১৮০০ মিটার সীলকোট এর কাজ পিরোজপুরের মিলন ইঞ্জিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কাজটি শুরু করেন। প্রথম দিকে কাজ শুরু করে বন্ধ করে দিয়েছিলেন। পুনরায় কাজ শুরু করে, মাত্র ৭দিন হয় কাজটি শেষ হয়েছে। কিন্তু এরি মধ্যে রাস্তার উপর দুই থেকে তিন চার ইঞ্চি ঘাস জন্মেছে। স্থানীয়রা বলেন, রাস্তার কাজ খুবই বাজে হয়েছে আমারা অনেক বার বলেছি কাজটা একটু ভালো করেন কিন্তু তারা দায় সাড়া ভাবে করে গেছেন। এখনই রাস্তার পিচ উঠে যাচ্ছে, বৃষ্টিরদিনে একটানা দুই চার দিন বৃষ্টি হলে ঘাস আরো জন্মাবে এবং গাড়ির চাকার সাথে পিচ উঠে যাবে।

    এলাকাবাসী বাঁধা দিয়েও কোন সুরাহা হয়নি। পূর্বের রাস্তা ঠিক মতো পরিস্কার না করেই তার উপর সীলকোটের কাজ দ্রুত শেষ করেছেন। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই সীলকোট ভেদ করে ঘাস জন্মেছে। তাছাড়া পুরানো রাস্তার উপর কার্পেটিং সমান না করায় বিভিন্ন স্থানে উচু নিচু লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ৩৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ১৮০০মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১২ ফুট চওড়া কাজটি পায় জনৈক পিরোজপুর মিলন নামে এক ঠিকাদার।

    ঐ এলাকার শংকর ঘোষ, শ্যামল মণ্ডল আজাহারুল ইসলামসহ স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ঠিকাদার রাস্তার পীচের কাজ শেষ করে গেছে। এরই মধ্যে পীচ ফুড়ে ঘাস উঠেছে।এই রাস্তা বেশিদিন টিকবেনা।

    ঐ কাজের ঠিকাদার মিলন হোসেন বলেন, পূর্বের রাস্তার উপর প্রচুর ঘাস ছিলো যে কারনে রাস্তার পাশে কিছু স্থানে ঘাস জন্মেছে।এই কাজ আমি ছাড়া অন্য কেউ করলেও একই রকম হইতো,আমি নিজে সাইটে গিয়েছিলাম তবে কাজ কাজ ভালো হয়েছে। কিন্তু ঐ কাজে এক থেকে দেড় লাখ টাকা আমার লচ হবে। এই সামান্য টাকা দিয়ে এই কাজ করা কোন ভাবেই সম্ভব না।

    উপজেলা প্রকৌশলী মো.রাইসুল ইসলাম জানান, আমি খোঁজ নিয়েছি তারা বলছে কার্পেটিং এর সাথে ঘাসের বীজ থাকলে সেটি সীলকোট ভেদ করে ঘাস জন্মাতে পারে। সড়কের কাজ সিডিউল অনুযায়ী ঠিকাদারকে শেষ করতে হবে। কোন অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না।

  • তানোরে বিএমডিএর সিদ্ধান্ত মানছে না পল্লী বিদ্যুৎ

    তানোরে বিএমডিএর সিদ্ধান্ত মানছে না পল্লী বিদ্যুৎ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের বিশাল এলাকা জুড়ে ভূ-গর্ভের পানির স্তর তলানিতে ঠেকেছে।পানির স্তর এতটাই নিচে নেমেছে যে এখন বরেন্দ্রভূমির রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আট উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন (ইউপি) এলাকায় ১৭০ ফুট খনন করেও পানি উঠছে না গভীর নলকূপে। এসব এলাকার হাজারও হস্তচালিত নলকূপ এক দশক আগেই অচল হয়েছে। অব্যাহত পানি সংকট মোকাবিলা ও ভূ-গর্ভের পানির স্তর রক্ষায় নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)।এদিকে ভু-গর্ভের পানির স্তর ধরে রাখতে, সেচ নির্ভর বোরো চাষে কৃষকদের নিরুৎসাহিত ও কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ করাতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। অথচ তানোরে পল্লী বিদ্যুতের একশ্রেণীর কর্মকর্তার যোগসাজশে আবাসিক ও অবৈধ মটর থেকে নির্বিচারে সেচ বাণিজ্যে করে ভু-গর্ভ স্তরের পানি অপচয় করা হচ্ছে। এতে বিএমডিএর নেয়া ভূ-গর্ভস্থ পানি ধরে রাখার উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে,এর দায় নিবে কে ?
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) চলতি সেচ নির্ভর বোরো মৌসুমে একটা গভীর নলকূপ ৯৮০ ঘণ্টার বেশি চালাবে না। বছরে একটা গভীর নলকূপ চলবে এক হাজার ৯৬০ ঘণ্টা। কৃষকেরা বলছেন, বিএমডিএর নতুন এ সিদ্ধান্তের কারণে বরেন্দ্রভূমির রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার পানি সংকট সম্পন্ন এলাকাগুলোতে বোরো চাষ অর্ধেকে নেমে আসবে। একটা গভীর নলকূপ এলাকার সেচ স্কিমের অর্ধেক জমিতে এবার বোরো চাষ করা যাবে। বাকি অর্ধেক জমিতে চাষ করতে হবে বোরো ছাড়া সেচ সুবিধাবিহীন প্রচলিত অন্য ফসল।
    জানা গেছে, কর্তৃপক্ষের নতুন নীতিমালা
    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার যে জমিতে বোরো চাষ করা হয়েছে আগামী বছর সেই জমিতে কম সেচনির্ভর অন্য ফসল চাষ করতে হবে। এ নীতিমালা শুধু বোরো চাষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে বিএমডিএর সিদ্ধান্তে জানা গেছে। অক্টোবরে বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ নতুন সেচ নীতিমালার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও কৃষকেরা জানতে পেরেছেন ডিসেম্বরের প্রথমে প্রচারপত্র হাতে পেয়ে। কৃষকেরা জানান ১ ডিসেম্বর নতুন সেচ নীতিমালার বিষয়ে অবহিত ও সচেতন করতে বিএমডিএর পক্ষ থেকে মাঠে মাঠে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ শুরু করা হয়েছে। প্রচারপত্র হাতে পেয়ে কৃষকদের মাঝে হতাশা নেমে এসেছে। মাঠে মাঠে এখন সেচ কর্তন জমি চিহ্নিত ও শনাক্তের কাজ করছে বিএমডিএর মাঠ কর্মকর্তারা। বিএমডিএর প্রচারপত্রে বলা হয়েছে নতুন সেচ নীতিমালা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত থাকবে। এই সময়ের বাইরে বোরোর নির্ধারিত জমিতেও আর সেচ দেওয়া হবে না। সেচ সংকোচনে কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কৃষকদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন ছিল বলে অনেক কৃষক জানিয়েছেন। আর কদিন পরেই তারা বোরোর জমি তৈরির কাজ শুরু করবেন। এমন সময়ে বিএমডিএ এমন সিদ্ধান্ত জানিয়ে কৃষকদের হতাশ করেছে। উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার ১৩৫টি উপজেলায় বিএমডিএর গভীর নলকূপের সংখ্যা ১৫ হাজার ৯৬৫টি।
    তানোরে বিএমডিএর ৫৩৬টি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ১৬টি গভীর নলকুপ রয়েছে।
    অন্যদিকে বিএমডিএর অধিভুক্ত এলাকায় ব্যক্তি মালিকানার প্রায় ৫৬ হাজার গভীর ও অগভীর নলকূপ ভূগর্ভের পানি উত্তোলন করছে। যার সিংহভাগ অবৈধ যেচযন্ত্র।
    অভিজ্ঞ মহল বলছে,ব্যক্তি মালিকানা অবৈধ গভীর-অভীর ও আবাসিক
    নলকূপগুলো থেকে সেচ পানি উত্তোলন বন্ধ করতে পারলেই ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের সংকট আর থাকবে না। কর্তৃপক্ষ সেটা না করে কৃষকদের ওপর খাঁড়ার ঘা মেরে দিচ্ছেন। কারণ ব্যক্তি মালিকানার অধিকাংশ গভীর-অভীর ও আবাসিক নলকূপ অবৈধ। বিএমডিএর নতুন সেচ নীতিমালার কারণে এবার অর্ধেক জমিতে বোরো আবাদ করতে পারবেন কৃষকেরা। যেসব কৃষক বিএমডিএর সেচ স্কিমের বাইরে বোরো আবাদ করবেন তারা সেচ সুবিধা পাবেন না। তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউপির কৃষক আতাউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম বলেন, নতুন নিয়মের কারণে তাদের স্কিমের জমি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক ভাগে এবার বোরো ধান হবে; অন্য ভাগে পরের বার হবে। এর ফলে কৃষকদের বিপুল পরিমাণ জমি পতিত থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।এবিষয়ে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক উম্মে ছালমা বলেন, আমরাও বিষয়টি শুনেছি। আমরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য বিএমডিএকে বলেছি। নতুন সেচ নীতিমালার কারণে হাজার হাজার হেক্টর আবাদযোগ্য জমি অনাবাদি থাকার আশঙ্কা থাকছে।#

  • নড়াইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদক রোমান গ্রে-ফতার

    নড়াইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদক রোমান গ্রে-ফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদক রোমান গ্রেফতার। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এফ আর রোমান রায়হান (৩০) কে রাজধানীর শ্যামলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে শ্যামলী সিকেডি হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে র‍্যাব-৬ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
    এফ আর রোমান রায়হান লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর গ্রামের ফরমান আলী শেখের ছেলে। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ লোহাগড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো. আশিকুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    জানা গেছে, ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে গত সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের নড়াইল জেলা শাখার মুখ্য সংগঠক কাজী ইয়াজুর রহমান বাবু বাদী হয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তার বাবা গোলাম মুর্তজা স্বপনসহ ২৯৫ জনের নাম উল্লেখ ও ৩০০-৩৫০কে অজ্ঞাত আসামি করে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এফ আর রোমান রায়হান এ মামলায় ৪৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
    মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত (৪ আগস্ট) লোহাগড়া উপজেলার সি অ্যান্ড বি চৌরাস্তার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার কর্মসূচি চলাকালে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বর্তমান নড়াইল জেলা সমন্বয়ক নেতা কাজী ইয়াজুর রহমান বাবু সহ আরও ১৩ জন শিক্ষার্থীকে রামদা, বাঁশের লাঠি, লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়া ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে মামলার বিবরণীতে বাদী উল্লেখ করেন।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো.আশিকুর রহমান, বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, র‍্যাব-৬ এফ আর রোমান রায়হানকে গ্রেফতারের পর লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করেছে। তিনি মামলার এজাহারনামীয় আসামি। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

  • গাইবান্ধার ফুলছড়িতে দেশীয় ব-ন্দুকসহ ডা-কাত সাইফুল গ্রেফতার

    গাইবান্ধার ফুলছড়িতে দেশীয় ব-ন্দুকসহ ডা-কাত সাইফুল গ্রেফতার

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার দুর্গম চর ফুলছড়ি ইউনিয়নের খোলাবাড়ি গ্রামে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য সাইফুল ইসলামকে দেশীয় বন্দুকসহ গ্রেফতার করেছে ফুলছড়ি থানা পুলিশ। এর আগে স্থানীয়রা তাকে ধরে মারধর করে এবং পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।

    ২৭শে ডিসেম্বর শুক্রবার ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে সাইফুলকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। পরে সাইফুলকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, সাইফুল ইসলাম একটি দুর্ধর্ষ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    এলাকাবাসীর সাহসী উদ্যোগের প্রশংসা করে ফুলছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন,”সাইফুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এলাকাবাসীর এমন সাহসী পদক্ষেপ অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরো বলেন, এই সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফুলছড়ি থানাতে আরো একটি হত্যা মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হওয়ায় সাইফুলকে হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদাণ করা হচ্ছে।

    এদিকে ডাকাত সাইফুল গ্রেফতার হওয়ায় ফুলছড়ি ইউনিয়নে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও তৎপরতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন অভিজ্ঞ মহল সহ পর্যবেক্ষক মহল।।

  • আজ জাহাজমারা হাবিব এর  মৃ-ত্যুবার্ষিকী

    আজ জাহাজমারা হাবিব এর  মৃ-ত্যুবার্ষিকী

    আজ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার  জাহাজমারা কমান্ডার নামে খ্যাত বীর বিক্রম হাবিবুর রহমান ২৫তম মৃত্যু বার্ষিকী

    । ১৯৯৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঘাটাইলের জামুরিয়া ইউনিয়নের সাধুর গলগন্ডা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাজমারা হাবিব হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন।

    জাহাজমারা হাবিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঘাটাইল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, হাবিবুর রহমান বীর বিক্রম স্মৃতি সংসদ এর পক্ষ থেকে পৃথক পৃথকভাবে  দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধর সময় ১৯৭১ সালের ১১ আগষ্ট টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরের যমুনা-ধলেশ্বরী নদী পথের মাটিকাটা নামক স্থানে নদী পথে নজরদারী করার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন কাদেরিয়া বাহিনীর দুর্ধর্ষ সাহসী চৌকস কমান্ডার মেজর হাবিবুর রহমান।

    তার অত্যন্ত দুরদর্শীতায় ও অল্প সংখ্যক সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের নিয়ে দুটি অস্ত্রবোঝাই জাহাজ এস টি রাজন ও ইউএস ইজ্ঞিনিয়ারস এল সি-৩ ধ্বংস করার মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়।

    জাহাজগুলো আক্রমন ও ধ্বংস করার মাধ্যমে এক লাখ ২০ হাজার বাক্সের তৎকালীন ২১ কোটি টাকার মুল্যের অস্ত্র ও গোলাবারুদ মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রনে আসে। পরবর্তীতে যুদ্ধ জাহাজ ও অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করার জন্য পাকিস্তানী কমান্ডডেট লেঃ জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী ও বিগ্রেডিয়ার কাদের খান নেতৃত্বে ৪৭ ব্রিগেট,৫১ কমান্ডো ব্রিগেট ও হানাদার বিমান বাহিনী ২টি এফ-৮৬ সাব জিট বিমান দ্বারা মুক্তি বাহিনীদের উপর চতুর্দিকে আক্রমন করে।

    পরবর্তীতে হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই যুদ্ধকে পট পরিবর্তনকারী টার্নিং পয়েন্ট অধ্যায় হিসেবে গণ্য করা হয় । কমান্ডার হাবিবুর রহমানের অসীম বলিষ্ঠ সাহসীকতার নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম ও জাহাজমারা হাবিব উপাধিতে ভুষিত করেন।

  • দৈনিক ”আগামীর দর্পণ’ অনলাইন নিউজ পোর্টালের বার্তা সম্পাদক  হলেন প্রদীপ কুমার রায়

    দৈনিক ”আগামীর দর্পণ’ অনলাইন নিউজ পোর্টালের বার্তা সম্পাদক হলেন প্রদীপ কুমার রায়

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    দৈনিক আগামীর দর্পণ অনলাইন পোর্টালটি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের একটি উদীয়মান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছে। পোর্টালটি ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করে এবং এর সূচনালগ্ন থেকেই এটি পাঠকদের কাছে নির্ভরযোগ্য সংবাদ পরিবেশন করে আসছে।

    “সময়ের সাথে আগামীর পথে” স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা পোর্টালটির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের সর্বশেষ খবর পরিবেশন করা এবং প্রতিটি বিষয়কে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে সংবাদ প্রকাশ করা।

    পোর্টালটির বার্তা সম্পাদক প্রদীপ কুমার রায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই পোর্টালটি পরিচালনা করছেন। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রদীপ রায় অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ পোর্টালটির সাফল্যের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিনি একটি মেধাবী ও উদ্যমী সাংবাদিক দল নিয়ে কাজ করছেন।

    পোর্টালটি জাতীয়, রাজনীতি, শিল্প বাণিজ্য, বিনোদন, টেক ওয়ার্ল্ড, খেলাধুলা, বিশ্লেষণ মূলক সর্বশেষ খবর পরিবেশন করে। বিশেষ করে বাংলাদেশ এবং এর প্রতিটি জেলা ও অঞ্চলের সংবাদ নিয়ে পোর্টালটি নিয়মিত আপডেট থাকে। জাতীয় রাজনীতি, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিনোদন থেকে শুরু করে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

  • মোরেলগঞ্জের ৮ গ্রামের ২৫হাজার মানুষের চরম ভোগান্তি বাশেঁর সাকোই একমাত্র ভরষা ব্রীজ নির্মানের দাবী ব্রীজ নির্মানের দাবী

    মোরেলগঞ্জের ৮ গ্রামের ২৫হাজার মানুষের চরম ভোগান্তি বাশেঁর সাকোই একমাত্র ভরষা ব্রীজ নির্মানের দাবী ব্রীজ নির্মানের দাবী

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দুটি ইউনিয়নের ৮গ্রামের ২৫হাজার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরষা এখন বাঁশের সাকো। খালে ভেঙে পড়া কাঠের পুলের স্থানে দুই বছরেও নির্মান হয়নি পুল বা ব্রীজ। স্কুল শিক্ষার্থী, বয়োবৃদ্ধ, নারী শিশুসহ অসুস্থ রোগীদের ভোগান্তি এখন চরমে। স্থানীয়দের দাবী জনগুরুত্বপূর্ণ চলাচলের স্থানটিতে একটি ব্রীজ নির্মানের।
    সোমবার (২৩ডিসেম্বর) সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা গেছে, বারইখালী ও বহরবুনিয়া দুই ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ড উত্তর সুতালড়ি গ্রামের খালের ওপরে নির্মিত কাঠের পুলটি গত দুই বছর পূর্বে ভেঙে পড়ায় অদ্যবধি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাঁকোটিতে নির্মান হয়নি ব্রীজ। যে কারনে প্রতিনিয়িত বারইখালী ও বহরবুনিয়া এ দুটি ইউনিয়নের উত্তর সুতালড়ি, সূর্যমূখী, পূর্ব কাটাখাল, বেতবুনিয়া, ফুলহাতা, বহরবুনিয়া, নারিকেল বাড়ীয়া ও ঘষিয়াখালীর ৮গ্রামের প্রায় ২৫হাজার মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি এখন চরমে দাড়িয়েছে। এ সাঁকোটি পেড়িয়ে প্রতিদিন ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মা বাবা ঋণ ডিগ্রী কলেজ, ডা. হিরন্ময় কারিগরি কলেজ, ৪টি মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থীরা যাচ্ছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এছাড়াও ১৫/২০টি মসজিদের মুসল্লীরা নামাজ আদায়ে যেতে হচ্ছে মসজিদে। প্রতিনিয়ত সেবা নিতে জনসাধারন যাচ্ছেন ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ, ফুলহাতা বাজার,বহরবুনিয়া বাজার, ঘষিয়াখালী বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে। এ সাঁকো পার হতে গিয়ে ইতিমধ্যে দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন ২বৃদ্ধ সহ এক শিশু শিক্ষার্থী।
    স্থানীয় গ্রামবাসী অবসরপ্রাপ্ত নেছার উদ্দিন, , রহিমা আক্তার চম্পা, ফারুক হাওলাদার, আবুল হোসেন, মাদ্রাসা শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ একাধিকরা বলেন, পুলটি ভেঙে যাওয়ার পূর্বে নড়বড়ে থাকা অবস্থায়ই ২/৩বছর ধরে শুনে এসেছি এখানে নাকি একটি ব্রীজ হবে। কর্মকর্তারা অনেকবার এসে পরিমাপ করে গেছেন। কিন্তু কোন সুরাহা নেই। স্থানীয় গ্রামবাসীদের চাঁদার টাকায় ২/৩ বার সাঁকোটি মেরামত হয়েছে। এ দূর্ভোগের শেষ কোথায়? আদৌ কি এখানে ব্রীজ হবে? ভূক্তভোগী গ্রামবাসীরা এ দূর্ভোগ লাগবের জন্য জনসাধারনের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এ সাঁকোটির স্থানে একটি ব্রীজ নির্মান করারও দাবী জানান সংশ্লিষ্ট ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি।
    এ বিষয় বারইখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আউয়াল খান মহারাজ বলেন, উত্তর সুতালড়ী খালের ওপরে পুলটিতে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে একবার সংস্কার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আর কোন মেরামত হয়নি। সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়ার পর সাঁেকা দিয়ে পারাপার হচ্ছে মানুষ। ওই স্থানে ব্রীজের জন্য এলজিইডি দপ্তরে একটি প্রস্তাবনা দেয়া রয়েছে।
    এ সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ভেঙে যাওয়া কাঠের পুলটির স্থানে এবছরে এডিপির বরাদ্দ থেকে পুনরায় নতুন পুল নির্মান করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তীতে ব্রীজ নির্মানের প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। ##

  • সাবেক মন্ত্রী কায়কোবাদের স্বদেশ পত্যাবর্তনকে গিঢ়ে বিএনপির উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি নেই

    সাবেক মন্ত্রী কায়কোবাদের স্বদেশ পত্যাবর্তনকে গিঢ়ে বিএনপির উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি নেই

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    মিথ্যা মামলা শিকার হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর দেশের বাইরে থাকা ২৮ ডিসেম্বর সকালে দেশে ফিরছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের পাঁচবারের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। দীর্ঘদিন পর প্রিয় দেশে ফেরার ঘোষনায় খুশির জোয়ারে ভাসছে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলা বিএনপিরসহ আপামর জনতার ঢেউ। অপর দিকে প্রিয় নেতাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে কয়েক লক্ষ জনতার প্রস্তুতি শেষ করেছে জনতা।

    শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে সৌদিআরব থেকে একটি ফ্লাইটে করে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের।

    জানা যায়, বিমানবন্দরে কায়কোবাদ উরফে জনতার দাদাকে স্বাগত জানাতে কুমিল্লা জেলা,-মুরাদনগর উপজেলা বিএনপি, বৈষম্যবিরোধী মতাদর্শের ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র-জনতা, মাওলানা, শিক্ষক, বিভিন্ন পেশাজীবিসহ সকল ধর্মের কয়েক লক্ষ লোকজন। অপরদিকে বিমানবন্দরে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে খাবারের আয়োজনে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন আবার কোথাও কোথাও গ্রামে গ্রামে গরু জবাই করে খাবার তৈরী করা হচ্ছে।

    এছাড়াও হাজার হাজার ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বিমানবন্দরে হাজির হবেন এবং ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেবেন মুরাদনগরে মেহনতি মানুষের প্রিয় নেতাকে।

    মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সূত্রে জানা যায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সাহেব কে স্বাগতম জানাতে মুরাদনগর উপজেলা থেকে ৪ শত বাস ও ২ সহস্রাধীক মাইক্রোবাস প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও হিসাবের বাহিরে আরো অনেক গাড়ি বিমানবন্দরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

    এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহি উদ্দিন অঞ্জন জানান, দীর্ঘ তেরো বছর ধরে দেশের বাইরে থাকা মুরাদনগরের এই জননন্দিত নেতা তার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরছেন তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে মুরাদনগরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসবের আমেজ বইছে। দল মত র্নিবিশেষে সকল শ্রেণীপেশার মানুষ এই নেতাকে বিমান বন্দরে স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ করেছে।

    তিনি আরো বলেন, কায়কোবাদ দাদার এ আগমন এবং সকল ষড়যন্ত্রের পরেও আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা ইতিমধ্যে নানান ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ ঢাকা যাবে প্রিয় নেতাকে বিমানবন্দরে বরণ করতে। সে সুবাধে যেন কোন দূস্কৃতকারী যেন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে সে বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। একই সময়ে এতো গুলো যানবাহন বিমানবন্দরে যাওয়ার কারনে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হতে পারে। সে জন্য আমরা মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। এছাড়াও যানযট নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতার জন্য আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করবে।এ ব্যাপারে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন বলেন দাদা জনতার, দাদা মুরাদনগরের মাটিতে আসাকে কেন্দ্র করে আমাদের মাঝে আনন্দ মুখর পরিবেশ কাজ করছে।দাদাকে স্বাগত জানানোর জন্য সপ্তাহ ধরে সকলে ব্যাস্ত দিন কাটাচ্ছে।