ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
পাইকগাছায় কনকণে ঠান্ডা উপেক্ষা করে চলতি বোরো মৌসুমে ধান রোপনে ব্যস্তসময় পার করছেন চাষিরা । তবে মাঝখানে শীত ও ঘন কুয়াশার কারনে বোরোর বীজতলা ও রোপনকৃত চারা টিকিয়ে রাখতে কৃষকদের হিমশীম খেতে হয়েছে। এখন কৃষকরা পুরদমে বোরো ধানের চারা রোপন শুরু করেছে।
শীত ও কুয়াশার মধ্যে কৃষকরা পরাদমে বোরোর আবাদ করছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার ৫হাজার ৯৯৫হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৪২০ হেক্টর জমিতে বোরোর চারা রোপন সম্পন্ন হয়েছে। বোরো আবাদের জন্য ৩২৫ হেক্টর জমিতে বোরোর বীজতলা তৈরী হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ৯৫ হেক্টর উফশি ২৩০ হেক্টর।
জলবায়ু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে উপকূল অঞ্চলের কৃষি কাজ অন্য এলাকা থেকে এক থেকে দেড়মাস পরে শুরু হয়। এর ফলে অন্য এলাকার সাথে উপকূলীয় এলাকার চাষাবাদ ব্যবধান তৈরী হচ্ছে। সব মৌসুমেই চাষাবাদ দেরিতে শুরু হচ্ছে। এখনো আমন ধান কর্তন চলছে। ধান কাটার পর এসব ক্ষেত বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুত করা হবে। তাছাড়া বৈরী আবহাওয়ার সাথে মোকাবেলা করে ফসল লাগাতে হয়।
উপজেলার হিতামপুর ব্লাকের কৃষক নজরুল ইসলাম বালেন, মাঝখানের তীব্র শীত ও কুয়াশায় ধানের চারা কিছুটা লাল হয়েছিলো।পলিথিন দিয়ে ঢেকে,পানি বদলসহ নানারকম পরিচর্যা করে বীজতলা ও রোপনকৃত চারা টিকিয়ে রাখা হয়েছে। তবে শ্রমিকের উচ্চ মূল্যের পরও চাহিদামত বোরো আবাদ করার জন্য শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।এতে করে বোরো আবাদ সম্পন্ন করতে সময় বেশি লাগছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একরামুল ইসলাম জানান, মাঝখানে তীব্র শীত ও কুয়াশা পড়লেও বীজতলা কোন ক্ষতি হয়নি। তাছাড়া প্রতিদিন পানি বদল করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি অফিস থেকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। এখন আবহাওয়া বোরো আবাদের জন্য পুরাপুরি অনুকুলে রয়েছে। এসময় চারা রোপন করলে বোরোর আবাদ ভালো হবে।
Category: দেশজুড়ে
-

পাইকগাছায় কনকনে শীতের মধ্যে বোরা ধান চাষে ব্যস্ত চাষিরা
-

উপদেষ্টাকে দেখাতে প্রধান ফটকে রং, মেরামত বিহীন বাগান ও লাইটগুলো
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার, পল্লী ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার আগমনে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে নামে মাত্র রং করলেও মেরামত হয়নি বাগান ও পুকুরের রাস্তার লাইটগুলোর।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ রক্ষবেক্ষণের যানবাহন গ্যারেজ নির্মাণের ছাউনীতে লাগানো হয়েছে পুরোনো টিন।
জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এসপিই/এডিপি প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পরিষদের অর্গানাইজেশনে ই-জিপি ৯৯১১২৪ নং দরপত্রের মাধ্যমে গত বছরের ২৬ মে দরপত্রটি প্রকাশ করা হয়। পরের মাসের ১১ তারিখ দরপত্রটি ক্লোজিং ও ওপেনিং করা হয়। দরপত্রটি পান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ নামীয় প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হাসান আলী। এতে দরপত্রের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা ছিল ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। দরপত্র প্যাকেজের সংক্ষিপ্ত বিবরণে উপজেলা পরিষদ হলরুমের মেরামত, উপজেলা পরিষদ গার্ডেন মেরামত, পুকুরের রাস্তার লাইট মেরামত, প্রধান ফটক মেরামত এবং উপজেলা পরিষদ যানবাহন গ্যারেজ রক্ষণাবেক্ষণের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
এই দরপত্রের কাজটি গত বছরের আগস্ট মাসে শুরু করা হলে সেপ্টেম্বর মাসে কাজটি চোখে পড়ে। এরপর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ হলরুম মেরামত ও যানবাহন গ্যারেজ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়েছে। পরবর্তীতে জল্পনাকল্পনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার আগমের আগের দিন উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের নামমাত্র রং করা হলেও গার্ডেন মেরামত ও পুকুরের রাস্তার লাইট মেরামত করা হয়নি।
এ বিষয়ে জানার জন্য মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হাসান আলীকে মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, কাজটি তখনই শেষ করে বিল উত্তোলন করা হয়েছে। উপদেষ্টার আগমনে উপজেলা পরিষদ গেইটের রংয়ের কাজ কয়েকদিন আগে করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ গার্ডেন ও পুকুরের রাস্তার লাইট মেরামত না হওয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হলরুমে যে কাজ ধরা ছিল তার চেয়ে বেশি হওয়ায় অন্যান্য দুটি কাজ করা হয়নি। যানবাহন গ্যারেজে এস্টিমেটের চেয়ে বেশি এঙ্গেল লাগানো জন্য পুরোনো টিনকে নতুন টিন বানায় দিয়ে কাজটি করা হয়েছে। তবে বিল ভাওচার সম্পূর্ণ হয়েছে। আপনি ইউএনও সাহেবের সাথে কথা বলেন।
এ ব্যাপারে জানার জন্য গত মঙ্গলবার ও বুধবার (৭ ও ৮ জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা ফজলে রাব্বিকে মুঠোফোনে কল করলে কলটি রিসিভ না হওয়ায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা পরিষদ হলরুম ও গ্যারেজের কাজ চলমান থাকাকালীন পুরোনো টিনের ছবি তুলে ইউএনও মহোদয়ের সরকারি নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ এ পাঠিয়ে অবগত করা হলে অফিসে কথা বলতে চেয়ে কোনো কথাও বলেননি এবং তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেননি।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।
-

পুঠিয়ায় উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে ছাত্রদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
পুঠিয়া( রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে বানেশ্বর ইউনিয়নের বিড়ালদহ মাইপাড়া বাজার সংলগ্ন সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালিতে সভাপতিত্ব করেন এএসএম আব্দুল্লাহ – সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী- ৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের আগামী দিনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্যার এ এফ রহমান হল শাখার সাবেক সভাপতি, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন। আগামীতে আমরা মেধাবী ছাত্রদের নিয়ে সুসংগঠিত ছাত্র রাজনীতি করতে চাই তিনি আরো বলেন তারেক জিয়ার নেতৃত্বে ৩১ দফা দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন। দেশ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী জেলা যুবদল শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, পুঠিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ও পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জুলফিকার রহমান ভুট্টো।অনুষ্ঠানে আরো সাজ্জাদ হোসেন জামিল যুগ্ন আহবায়ক পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদল। মেহেদী হাসান সাগর যুগ্ম আহবায়ক পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদল, মনিরুল তালুকদার-সদস্য পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদল হুমায়ুন কবির চঞ্চল সাধারণ সম্পাদক ভল্লুকগাছী ইউনিয়ন ছাত্রদল। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা আব্দুল হালিম মুন্না, ইমরান হক রুবেল এসএম গোলাম কিবরিয়া, সুলতান খান ইমন মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।#
মাজেদুর রহমান (মাজদার)
পুঠিয়া, রাজশাহী। -

তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক সিরাজদিখানে ‘কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত
লিটন মাহমুদ,
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের
মালখানগর হাই স্কুলে “তরুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ” শীর্ষক ‘কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মালখানগর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা থোকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মালখানগর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম।
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রবীন্দ্র ভাওয়ালের সঞ্চালনায় ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ জামান। এসময় আরো অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মালখানগর হাই স্কুলের গভর্নিং বডি সাবেক সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ, ইউপি সদস্য সায়েম শিকদার, মালখানগর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক দিলরুবা বেগম, শান্ত মজুমদার প্রমুখ।
কর্মশালায় মালখানগর ডিগ্রি কলেজ এবং মালখানগর হাই স্কুলের চারটি দল অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে কলেজের মেয়ে দল প্রথম স্থান অর্জন করেন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মালখানগর হাই স্কুলের বালিকা দল এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন কলেজের ছেলেদের দল। # -

নলছিটিতে তারুন্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ কর্মশালা
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
ঝালকাঠির নলছিটির কুশংগল ইউনিয়নে এসো দেশ বদলাই-পৃথিবী বদলাই প্রতিপাদ্য নিয়ে তারুন্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালা পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:নজরুল ইসলাম।কুশংগল ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মো:আইয়ুব আলী হাওলাদারের সভাপতিত্বে এতে আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম,যুব সংগঠক মো: রেজাউল করিম,শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মেহেরাব হোসেন রিফাত,আবু মুছা, ছাত্রদল নেতা হৃদয় জোহান, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।এসময় বক্তারা তরুনদের উদ্যোগে আগামী সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়তে দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য দেন।সকলের প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিতে তরুনদের উদ্যোগী হতে আহব্বান জানান। এর আগে বিকাল ৪টায় কুশংগল ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নজরুল ইসলাম স্থানীয় হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের হাতে কম্বল তুলে দেন।এছাড়াও টিসিবি উপকারভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন ইউএনও।এসময় ইউপি সদস্যবৃন্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো:আশরাফুল ইসলাম,হিসাব সহকারী আবুল হাসান মৃধাসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। -

আশুলিয়ায় চাঁদার দাবিতে চা দোকানীকে গু-লি করে হ-ত্যা চেষ্টা!
হেলাল শেখ,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ায় চাঁদার দাবিতে চা দোকানী সৈনিক ইসলাম শাহিনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছে সন্ত্রাসীরা।বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি২০২৫ইং) দুপুরে আশুলিয়ার গোরাট এলাকার ফুল বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ আহত সৈনিক ইসলাম শাহিন নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার লাউতলা এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে। সে গোরাট এলাকায় পরিবারসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের আশুলিয়া থানার আহ্বায়ক জিল্লুর মাষ্টারের ভাড়া বাসায় থেকে চায়ের দোকানদারী করে জীবিকা নির্বাহ করে।
গুলিবিদ্ধ সৈনিক ইসলাম শাহিনের মা নাজমা বেগম জানান, স্থানীয় যুবলীগের লোক আকাশ, আসিক, সজীব, পারভেজ ও তৈয়বসহ ৮/১০জন সন্ত্রাসী প্রতিনিয়ত পোশাক কারখানার সামনে প্রত্যেক দোকান থেকে প্রতিদিন ৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিলে দোকানদারদের বেদম মারধর করে।
ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে আকাশ, আশিক, তৈয়ব, পারভেজসহ ৮-১০জন প্রত্যেক দোকান থেকে চাঁদা আদায় করছিল। এ সময় সৈনিক ইসলাম শাহিন চায়ের দোকানে চা বিক্রি করছিল।
চাঁদাবাজরা প্রতিদিনের মতো সৈনিক ইসলাম শাহিনের কাছে ৫০ টাকা চাঁদা চাইলে সে টাকা দতে অস্বীকার করে, এতে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে সে দৌড় দিলে তৈয়ব নামের এক সন্ত্রাসী তাকে পিছন থেকে গুলি করে। এই গুলিতে শাহিনের বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়, সন্ত্রাসীরা তাকে ধরতে গেলে একটি ভবনের তৃতীয় তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে ভিকটিম, তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে স্থানীয়রা থানায় সংবাদ দিলে আশুলিয়া থানা পুলিশের তদন্ত (ওসি) কামাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়।
এ ব্যাপারে নারী শিশু হাসপাতলের কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, গুলিবিদ্ধ সৈনিক ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুলি বের করার জন্য ঢাকার হাসপাতালে রেফার করা হয়েছ।
আশুলিয়া থানার ওসি তদন্ত কামাল হোসেন জানান, গুলিবিদ্ধ চা দোকানে সৈনিক ইসলামকে আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সে পরিদর্শন করেছেন।
এ ঘটনায় এখনো সন্ত্রাসীদের কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশী অভিযান চলছে।ব্যবসায়ীরা জানান, এ এলাকায় যুবলীগ সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে চাঁদা তোলে, সবাই ভয়ে দাবিকৃত চাঁদা দিয়ে দেন। এদের ভয়ে কোন ব্যবসায়ী কোন কথা বলতে পারেন না।
ব্যবসায়ীরা এ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক বিচারের দাবি জানান।বিবাদীদের পক্ষ থেকে জানানো হয় পূর্বের শক্রতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসী জানায়, মাদক ব্যবসা নিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে।
-

ভালুকায় তারুণ্য উৎসব উদযাপনের লক্ষে আন্ত ইউনিয়ন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধন
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’-এ প্রতিপাদ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইভেন্টের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ দূষণ রোধসহ জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি, প্রতিভা অন্বেষণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলা আয়োজন, এওয়ার্ড ও বৃত্তি প্রদান এবং বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সভা, সেমিনার ও কর্মশালা মধ্য দিয়ে তারুণ্যের উৎসব শুরু হয়েছে।কর্মশালার অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারী) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ভালুকা সরকারি কলেজ মাঠে আন্ত ইউনিয়ন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মুহিদুল আলম।
এ সময় তিনি বলেন, তরুণরাই আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। আমরা তরুণদের অগ্রাহ্য-অবহেলা করতে পারি না। তাদের ওপরই ভরসা রাখতে চাই, যখন দেখি এই তরুণরাই দুর্গত মানুষের পাশে এসে দাঁড়াই, তখন আশান্বিত হই। আনন্দে চিৎকার দিয়ে বলি এই তরুণরাই পারবে। আমাদের রাজনীতি, আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখতে হবে তরুণদের। কাজেই আমরা তারুণ্যের উৎসবে প্রতিজ্ঞা করতে চাই, তরুণদের মতেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।এসময় সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন আজকের এই কর্মশালায় আপনাদের উপস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ” শীর্ষক এই কর্মশালাটি আমাদের তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং দেশপ্রেমকে উদ্বুদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
আমরা জানি, তরুণরাই একটি জাতির চালিকাশক্তি। তাদের চিন্তা-ভাবনা, উদ্ভাবন এবং উদ্যোগই আগামীর বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের এই কর্মশালার মাধ্যমে আমরা জানতে চাই, কীভাবে তারুণ্যের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে একটি উন্নত, সুষ্ঠু এবং পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়।
“এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” প্রতিপাদ্যে আমরা একত্রে শপথ নিতে চাই, আমাদের সকল কাজের মাধ্যমে শুধু নিজেদের নয়, বরং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো। এই কর্মশালায় আপনাদের মতামত এবং প্রস্তাবনা আমাদের জন্য অমূল্য।
আমাদের এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের জন্য আমি সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, আজকের আলোচনাগুলো আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর সভাপতিত্বে ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক তিয়াস মাহমুদ শুভ’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহিদুল আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভালুকা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আ ন ম সাহাদত হোসেন সহকারী কমিশনার ভূমি রোকসানা আক্তার, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান।
পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব হাতেম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সালাহউদ্দিন আহাম্মেদ, রুহুল আমিন মাসুদ, মজিবুর রহমান মজু, সাকাওয়াত হোসেন পাঠান, রুহুল আমিন,পৌর বি এন পির যুগ্ন আহবায়ক জহির রায়হান, উপজেলা জামায়াতে আমির সাইফ উল্যাহ পাঠান ফজলু, উপজেলা যুবদলের সভাপতি তারেক উল্লাহ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান খান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজমুল হক মন্ডল, জেলা যুবদল দক্ষিণ এর সহ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টন, সহ দপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানা, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রিয়াদ পাঠান, পৌর আহবায়ক মিয়াদ খান। উপজেলা বিএনপির সদস্য, আব্দুল কাইয়ুম রিপন, ফরিদ উদ্দিন সরকার, আব্দুর রহিম আকন্দ, উপজেলা যুবদল নেতা, আসাদুজ্জামান শেখ আহসান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কায়ছার আহম্মেদ কাজল প্রমূখ।
দিনব্যাপী বিভিন্ন রকমের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
-

ময়মনসিংহে বাইক রাইডার হ-ত্যা মামলায় ৩জনকে গ্রেফতার করলো পিবিআই
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের কামারপাড়া হতে বকশিপাড়াগামী মাটির রাস্তা সংলগ্ন হিন্দুপল্লী গ্রামে জনৈক আব্দুর রহিমের পুকুরের দক্ষিণ দিক থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ময়মনসিংহের পিবিআই। উক্ত হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করে হত্যাকান্ডে জড়িত সন্ধিগ্ধ তিন জন গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার রাকিবুল আক্তার। অজ্ঞাত মৃত ব্যক্তির নাম জুবায়েদ আহমেদ (৩১)।তিনি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের গালাগাঁও এলাকার -সামাদ তালুকদারের ছেলে। সে মিরপুরের শিয়ালবাড়ী থেকে বাইক রাইডার হিসেবে কাজ করত।
বৃহস্পতিবার (০৯ জানুয়ারি) সকাল ১১.০০ ঘটিকায় পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি।
তিনি জানান-এই ঘটনায় মৃত জুবায়েদ এর বড় ভাই আজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ত্রিশাল থানার মামলা দায়ের করেন। যার নং-২৬, তাং-৩০/১২/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ রুজু হয়। থানা পুলিশের তদন্তকালে গত ০৭/০১/২০২৫ তারিখে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলা স্বউদ্যোগে মামলাটি অধিগ্রহণ করে
পিবিআই অ্যাডিশনাল আইজিপি,মোঃ মোস্তফা কামাল এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার এর সার্বিক সহযোগীতায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) অমিতাভ দাস মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে ৮ জানুয়ারী রাত অনুমান ০৪.১৫ টায় জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানাধীন বাট্টাজোড় এলাকা থেকে -মোঃ নাজমুল ইসলাম (৩০); ২। আবুল কাশেম @ সোনা মিয়া (৫৫); ৩। আব্দুল আজিজ @ আনিছ (২৪) নামে তিন জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার রাকিবুল আক্তার জানান- গত ৩০ডিসেম্বর সকাল ০৭.৪৫ ঘটিকায় ত্রিশাল থানা পুলিশের মাধ্যমে উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের বৈলর কামারপাড়া হতে বৈলর বকশীপাড়া গামী মাটির রাস্তা সংলগ্ন হিন্দুপল্লী গ্রামের জনৈক আঃ রহিম এর পুকুরের দক্ষিণ দিকে হাফওয়াল করা বাউন্ডারির ভিতরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে আছে বলে সংবাদ পেয়ে পিবিআই ময়মনসিংহের ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ডিজিটাল ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে উক্ত অজ্ঞাত মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করে অজ্ঞাত মৃত ব্যক্তি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের গালাগাও গ্রামের সামাদ তালুকদারের পুত্র
জুবায়েদ আহমেদ (৩১) এর লাশের সন্ধান করে খবরটি ডিসিস্টের পরিবারকে জানিয়ে দেয়। এব্যাপারে ডিসিস্টের বড় ভাই আজহারুল ইসলামের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ত্রিশাল থানার মামলা নং-২৬, তাং-৩০/১২/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ রুজু হয়। থানা পুলিশের তদন্তকালে গত ০৭ জানুয়ারি তারিখে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলা স্বউদ্যোগে মামলাটি অধিগ্রহণ করে পিবিআই অ্যাডিশনাল আইজিপি, পিবিআই মোঃ মোস্তফা কামাল এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার এর সার্বিক সহযোগীতায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) অমিতাভ দাসের
ব্যবস্থাপনায় পিবিআই ময়মনসিংহের সকল অফিসার ও ফোর্সের আন্তরিকতা, নিরলস প্রচেষ্টা মাত্র নয় দিনের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস এই হত্যাকান্ডের আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
মামলার তদন্ত শুরু করে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র নয় দিনের মধ্যেই হত্যাকান্ডে জড়িত অজ্ঞাত আসামীদের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়ে গত ৭জানুয়ারী বেলা ৪.১৫ টায় হত্যাকাণ্ডের সাথে জামালপুরের বাট্টাজোড় এলাকা থেকে তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ত্রিশালের বৈলর পালপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীনের পুত্র মোঃ নাজমুল ইসলাম (৩০),
জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় উজানপাড়া এলাকার মৃত আবুল হাশেম এর পুত্র
আবুল কাশেম @ সোনা মিয়া (৫৫), আব্দুল হামিদ এর পুত্র আব্দুল আজিজ @ আনিছ (২৪)কে গ্রেফতার করে। এসময় আসামীদের দেখানো ও সনাক্ত মতে নিহত ব্যক্তির মোটর-সাইকেলটি উদ্ধার করে জব্দ করে।
এ বিষয়ে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস এই হত্যা মামলার আসামী নাজমুলের বাড়ী ত্রিশালের বৈলরে। দীর্ঘ ৫/৬ বছর যাবত সে টঙ্গীতে ওয়েলডিং এর কাজ করত। ডিসিস্ট জুবায়েদের মিরপুরের শিয়ালবাড়ীতে বাইক রাইডার হিসেবে কাজ করত। গত ২৯ডিসেম্বর বিকাল অনুমান ০৪.০০ টায় জুবায়েদ ভাড়ার জন্য টঙ্গী স্টেশন রোডের মাথায় দাঁড়ালে সেখানে আসামী নাজমুলের সাথে দেখা হলে নাজমুল টঙ্গী হতে ময়মনসিংহ শহরে আসা-যাওয়ার কথা বলে জুবায়েদের মোটর-সাইকেল ভাড়া করে। বৈলরে পৌঁছার পর আসামী নাজমুল তার চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে পাওনা টাকা নেয়ার কথা বলে জুবায়েদকে নিয়ে ঘটনাস্থল এলাকায় যায়। একপর্যায়ে আসামী নাজমুল বাইক রাইডার জুবায়েদের গলায় থাকা চাদর দিয়ে ফাঁস দিয়ে তাকে হত্যা করে এবং ডিসিস্ট জুবায়েদ এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও মোটর-সাইকেল নিয়ে চলে আসে। আসামী নাজমুল ডিসিস্টের মোবাইল ফোনটিকে ধানিখোলা বাজারে খোকন মেকারের কাছে ২০০ টাকায় বিক্রি করে এবং মোটর-সাইকেল নিয়ে জামালপুরের বকশীগঞ্জের বাট্টাজোড় এলাকায় গিয়ে আত্মগোপন করে। ২/৩ দিন পর আসামী নাজমুল মোটর-সাইকেলটি বাট্টাজোড় এলাকায় তার পরিচিত আসামী সোনা মিয়ার কাছে বাইকটি বিক্রি করে। আসামী সোনা মিয়া ছিনতাইকৃত মোটর-সাইকেলটি তার ভাতিজি জামাই আসামী আব্দুল আজিজ আনিছ এর হেফাজতে রাখে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার আরও জানান-
গ্রেফতারকৃত সকল আসামীদের ৮জানুয়ারী বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। দুইজন আসামী বিজ্ঞ আদালতে নিজেদের সম্পৃক্ত করে ঘটনার বিবরণ উল্লেখপূর্বক ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে।হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই জড়িত সকল আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
-

ময়মনসিংহের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় জীবন্ত কিংবদন্তী শামসুল আলম খান
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহের সকল স্তরের মানুষের কাছে শ্রদ্ধাভাজন ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব শামসুল আলম খান। তিনি ময়মনসিংহের সাংবাদিকদের আস্থার প্রতীক। ময়মনসিংহের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় জীবন্ত কিংবদন্তী। এ অঞ্চলের সাংবাদিকতার পথিকৃৎ। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের গর্ব ও অহংকারের অগ্রজ সহকর্মী। তিনি দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদাহরণ। বাংলাদেশের পঞ্চাশ বছরের নানা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। ১৯৭৮সাল থেকে শুরুর করে আজ অবধি তিনি সংবাদপত্র জগতে পদচারণা করে চলেছেন। দেশেরশীর্ষ জাতীয় সংবাদপত্র দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় ১৯৮৬ সাল থেকে একটানা চল্লিশ বছর ময়মনসিংহের ব্যুরোচীফহিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে দৈনিক ইনকিলাবের বিশেষ সংবাদদাতা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার সম্পাদনায় ঢাকা থেকে প্রকাশিত অনলাইন দৈনিক দৈনিক কালের আলো পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক সন্ধানি বার্তার সম্পাদক মন্ডলীরসভাপতি ও প্রধান সম্পাদক, দৈনিক জনতার কণ্ঠস্বর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসাবে প্রকাশ করছেন তিনটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা।এ গর্ব ময়মনসিংহবাসীর। ময়মনসিংহের সাংবাদিকতায় এক অনন্য ইতিহাস। দীর্ঘ ৪৭বছর সংবাদকর্মী হিসেবে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে উদাহরণ একমাত্র তিনি। দীর্ঘ সময়ে ময়মনসিংহের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিল্প-কলকারখানা স্থাপন, ময়মনসিংহে শহর রক্ষা প্রকল্প, নগর আধুনিকায়ন, সর্বোপরি ময়মনসিংহকে অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি ধীমান সাংবাদিকের ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নানামূখী প্রতিভা দৃশ্যমান। তিনি অধিকার বঞ্চিত সাংবাদিকের অধিকার আদায়ে প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।শুরুর পর্বে স্বাভাবিকভাবে তিনি ছিলেন খন্ডকালীন সংবাদদাতা। পেশাজীবী নন। তবে ওটাই তাঁর সাংবাদিকতার শুরু। পাশাপাশি ময়মনসিংহের উন্নয়ন ও গণমানুষের অধিকার আদায় আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি তার সম্পাদনায় ময়মনসিংহ থেকে আজকের ময়মনসিংহ নামে পত্রিকা প্রকাশ করেন। শামসুল আলম খান সম্পাদিত আজকের ময়মনসিংহ নামের পত্রিকাসহ আরো দুটি জাতীয় দৈনিক এখনো নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
সহকর্মীরা জানায়,ময়মনসিংহ জেলা বাসীর কাছে আলহাজ্ব শামসুল আলম খান একজন সাদা মাঠা হাসি খুশী প্রিয় মানুষ ও সাংবাদিকতার জগতের কিংবদন্তী কলম সৈনিক। তিনি ময়মনসিংহ বাসীর প্রাণের স্পন্দন সাংবাদিকদের আশ্রম নামে খ্যাতি অর্জন করেছেন। সাংবাদিকতা জগতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে কিংবদন্তি কলম সৈনিক হিসাবেও পরিচিত । অতি সহজে সাধারন মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেন তিনি। বহুগুণের অধিকারী সাংবাদিক শামসুল আলম খান একজন স্বজ্জন ব্যক্তি। ময়মনসিংহের সাংবাদিক জগতে তিনি একজন অভিভাবক। তিনি ময়মনসিংহের সাংবাদিক জগতকে এক ও অভিন্ন রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও সাংবাদিক আলহাজ্ব মোহাম্মদ শামসুল আলম খান ২০০৮সাল থেকে ২০১৫ পর্যন্ত মহাসচিব
বাংলাদেশ কাউন্সিল অফ এডিটর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি /এছাড়া ২০০৮ থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ বিএসপি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।আলহাজ্ব শামসুল আলম খান ময়মনসিংহের সর্বাধিকদের অর্থাৎ সিনিয়র সাংবাদিকদের একমাত্র সংগঠন ময়মনসিংহ রিপোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি সভাপতি, ময়মনসিংহ সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি পিআইডি ট্রেনিং সরকারের বিভিন্ন শতাধিক ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণ করেছেন।অপরদিকে জাতীয় পর্যায়ে শেরেবাংলাপদ,মহাত্মা গান্ধী পদক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম পদক, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পদক সহ ৫০টির অধিক জাতীয় পর্যায়ে সম্মানীয় পদকে ভূষিত হয়েছেন তিনি।
-

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির হাতে ২৪ জন আটক
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের সময় ২৪ জনকে আটক করেছে মহেশপুর ব্যাটিলিয়ন (৫৮ বিজিবি)। বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাতে মহেশপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। বিজিবির দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ বিজিবির বেশ কয়েকটি টহল দল গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে রাতভর মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাংগা, পলিয়ানপুর, জীবননগর এবং খোসালপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার চেষ্টার সময় ২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে ৬ জন নারী, ১৩ জন পুরুষ এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এখানে আরোও উল্লেখ্য যে,চলতি জানুয়ারী ২০২৫ইং মাসে ৮৯ জন এবং ২০২৪ সালে আটক হয়েছে ২ হাজার ৩১১ জনকে আটক করে ৫৮ বিজিবি । এদের মধ্যে বাংলাদেশি ২ হাজার ২৫৭ জন, ভারতীয় ৩৪ জন এবং রোহিঙ্গা ২০ জন।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।