Category: দেশজুড়ে

  • নড়াইলে একশত বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন গ্রেফতার

    নড়াইলে একশত বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে একশত বোতল ফেন্সিডিল সহ দুইজন গ্রেফতার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ শাহাবুদ্দিন ইসলাম (৩১) ও মোঃ আল মিরাজ (১৯) নামের দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতারকৃত মোঃ শাহাবুদ্দিন ইসলাম (৩১) চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর থানা ৮ নং পৌরসভাধীন বসতীপাড়ার মোঃ কামাল হোসেন ও মোঃ আল মিরাজ (১৯) চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর থানা ৮ নং পৌরসভাধীন দৌলতগঞ্জ পাড়ার মোঃ রায়হান ইসলামের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুরুবার
    (১০ জানুয়ারি) রাতে নড়াইল জেলার সদর থানা পৌরসভাধীন ৪ নং ওয়ার্ডের গোচর উপজেলা ভূমি অফিসের মূল গেটের সামনে নড়াইল হতে মাগুরাগামী পাঁকা রাস্তার উপর থেকে তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহাদারা খান পিপিএম, এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ টিটু আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ শাহাবুদ্দিন ইসলাম (৩১) ও মোঃ আল মিরাজ (১৯) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে একশত বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • পাইকগাছা পৌরসভায় সুপেয় পানির সংকট চরমে

    পাইকগাছা পৌরসভায় সুপেয় পানির সংকট চরমে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )।।

    লবণ পানি-অধ্যুষিত উপকূলবর্তী খুলনার দক্ষিণ জনপদ পাইকগাছা। এ অঞ্চলে সুপেয় পানির বড়ই অভাব। এলাকার মানুষ ছোটবড় পুকুর, দীঘি সংরক্ষণের মাধ্যমে পানি শোধন ও সরবরাহ করে থাকে। পাইকগাছা পৌরসভাও এর ব্যাতিক্রম নয়।পরীক্ষা করে দেখা গেছে পৌরসভায় গভীর নলকূপ বসানোর উপযুক্ত নয়। আবার পানি সংরক্ষণের মত বড় পুকুরেরও অভাব। দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানির চরম সংকট হওয়ায় পানির অভাবে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ছে এলাকাবাসী। পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারায় অনেকেই পুকুরের শ্যাওলাভর্তি, দুর্গন্ধযুক্ত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছেন পৌরবাসী। সরজমিনে পৌর সদরস্থ মধুমতি পার্কে পানি প্রকল্পের আওতায় বি ব্লকে পানি নিতে আসা শুধু পৌরবাসী নয় পার্শ্ববর্তী লস্কর ইউনিয়নের কড়ুলিয়া গ্রাম, স্মরণখালী, মাঠাম, আলমতলা নারী-পুরুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে কেউ কলসে, কেউ পটে করে পানি সংগ্রহ করেন। সেখানে এখন ধূ ধূ করছে। জনশূন্য। প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে ৯নং ওয়ার্ড থেকে আসা চঞ্চলা রাণী, আরতী ও নাজমা আক্তারদের সাথে কথা হলে বলেন, এখান থেকে আমরা নিয়মিত পানি নেয়। কয়েক দিন ধরে পানি নেই। বাধ্য হয়ে পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করছি। উপজেলার লোনা পানি কেন্দ্রের পুকুর থেকে ড্রামে পানি তোলার সময় ভ্যানচালক সুশান্ত মন্ডল বলেন, পৌরসভা যে পানি দেয় খাওয়া যায় না। আমি প্রায় ৩/৪ কিলোমটার দূরে শিববাটি, পাশে সরল ও বাতিখালী গ্রামের অনেক মানুষদের খাওয়ার জন্য এখান থেকে পানি সরবরাহ করি। আর পৌরসভা আজকে পানি দেয় তো কালকে দেয় না। উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম আশরাফুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি পানি সাপ্লাই অনিয়মিত। শুনেছি পানি সংকটের কারণে পৌরসভা পানি দিতে হিমশিম খাচ্ছে। কিন্তু পানি ছাড়া তো এক দিনও চলা যায় না। এরকম নানাবিধ অভিযোগের কথা শোনা যায়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পুকুর থেকে পানি নিতে আসা রুপালী, আক্তারের মা, বাসন্তী রাণী, টেলিফোন এক্সচেঞ্জের ছ্যালোযুক্ত পুকুর থেকে পানি আনা শেফালী, অর্চনা রাণী, উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে পানি আনা নজর আলী, রোজিনা, আমেনারা। প্রত্যেকেই অত্যন্ত নিরুপায় হয়ে শ্যাওলাভর্তি, দুর্গন্ধযুক্ত পুকুরের পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছেন। এবং পড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। এদিকে জানা যায়, পানির সংকট নিরসনে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯১৪ সাল থেকে পৌর পানি শাখার মাধ্যমে ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬টি ওয়ার্ডে পানি সরবরাহ শুরু করেন পৌর কর্তৃপক্ষ। ওই বছরই সরল পুকুর পাড়ে তিনটি পাম্প হাউজের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করে ট্রিটমেন্ট করে সরবরাহ করেন। তখন গ্রাহক সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫০টি। বর্তমানে হাউজের সংখ্যা ৫ হাজারের উর্ধ্বে। এত বিপুল চাহিদার মধ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ মাত্র ১২ শত গ্রাহকদের পাইপ লাইনের মাধ্যমে সকালে ও বিকেলে সুপেয় পানি সরবরাহ করে আসছিল। আর পানি সংকটে বান্দিকাটি, গোপালপুরের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত। পানি সংকটে ওই তিন ওয়ার্ড পানি দিতে না পারার দায়ভার স্বীকার করেছেন কর্তৃকপক্ষ। সম্প্রতি মানুষের চাহিদার তুলনায় পৌরসভায় পানি অনেক কম দিতে বাধ্য হচ্ছে। সকাল বিকালে দু’বার এর পরিবর্তে ১বার পানি সরবরাহ করছে। অনেক সময় একদিন পর পর পানি সরবরাহ করে। পানি মান সহ বিবিধ প্রশ্ন উঠালে পৌর পানি সরবরাহ শাখা বিলক্লার্ক মোঃ শাহিনুর হোসেন এ প্রতিনিধিকে জানান, পানির গুণাগুণ ভালো আছে কিনা তার জন্য প্রতি ৬ মাস পর পর কুয়েট খুলনা হতে পানি টেস্ট করা হয়। গ্রাহকের নিকট ভালো পানি দেওয়ার জন্য ২০১৮ সালে পৌরসভার পার্শ্ববর্তি ইউনিয়ন গদাইপুরের মানিকতলা নামক স্থানে একটা বোরিং করে সেখান থেকে পানি সরবরাহ করে আসছে। কিন্তু দিন দিন গ্রাহকের সংখ্যা বাড়ায় একটা পাম্প হাউজ দিয়ে পানি সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একটি পাম্প যদি নষ্ট হয় তখন সেটি মেরাতম করতে সময় লাগে মিনিমাম ৭ দিন। যার কারণে পৌরসভা গদাইপুর মোড়ে একটি জমি ক্রয় করে। পুকুর থাকায় সেটা ভরাট করে সেখানে একটি পাকা পাম্প হাউজের জন্য ঘর নির্মাণ করা হয়েছে পৌরসভার অর্থায়নে। বিদ্যুৎ এর ফোর ফোরটি লাইন না থাকায় বিদ্যুৎ অফিস প্রায় লক্ষাধিক টাকা জমা দিয়ে দুইটি কারেন্টের পোল ক্রয় করে নির্মাণ করা হয়। সেখানে নিজস্ব তিনটি ট্রান্সমিটার ক্রয় করে বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। কারেন্টের সংযোগও নেওয়া শেষ। মানিকতলা হতে গদাইপুর জমি পযর্ন্ত ৪” ই ক্লাস পাইপ বসানোর কাজ ও শেষ করা হয়েছে ঠিকাদারের মাধ্যমে। জনগনের নিকট ভালো পানি দেওয়ার জন্য এখন বোরিং এর কাজটা শেষ হওযা জরুরি। না হলে পৌরসভায় কোন ভাবে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। পৌরসভার ভিতরে এখন ৫০% লোকের বাড়িতে পানির লাইন আছে। গ্রাহকের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পানি দেওয়া সম্ভব হয় না। তাছাড়া প্রায় ১ বছর ধরে নতুন পানির লাইনের সংযোগ দেওয়া বন্ধ আছে। অস্বাস্থ্যকর, দুর্গন্ধযুক্ত পুকুর থেকে খাবার পানি সংগ্রহকারী পরিবারের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবর রহমান বলেন, এভাবে চলতে থাকলে হেপাটাইটিস এ, কলেরা, টাইফয়েড, আমাশা, ডায়রিয়া, এলার্জি সহ পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পারে। যাহা এলাকাবাসী স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়বে। এব্যাপারে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন বলেন, আপনারা জানেন এ অঞ্চলটি লবণ পানি-অধ্যুষিত। চারিদিকে পানি। তবে বিশুদ্ধ খাবার উপযোগী পানি নাই। পৌরসভার বর্তমান পানির গ্রাহকের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। চাহিদার তুলনায় পানি সরবরাহ অনেক কম থাকায় এ সংকট উত্তরণে গদাইপুরে পাম্প হাউজের কাজ চলমান। সকলের সহযোগিতায় খুব দ্রুত বাস্তবায়ন হলে পৌরসভা সহ আশেপাশের এলাকার মানুষের সুপেয় পানি আর সংকট থাকবে না। দ্রুত বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পৌরবাসী।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • নব গঠিত কমিটি কাঠালিয়া প্রেসক্লাব সভাপতি বাদল সম্পাদক রাসেল 

    নব গঠিত কমিটি কাঠালিয়া প্রেসক্লাব সভাপতি বাদল সম্পাদক রাসেল 

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল-১১ জানুয়ারি ২০২৫ রোজ শনিবার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের নিজস্ব অফিসে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়, কাউন্সিল সমন্বয়কারী: বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজ্বী মোঃ ফজলুল হক মৃধা এর উপস্থিতি এর মধ্যে দিয়ে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কাউন্সিল এ কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের সকল সদস্য  উপস্থিতি ছিলেন, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সফিকুল ইসলাম রাসেল সিকদার।সকল সদস্য সংগঠন এর সকল সদস্য বক্তব্য রাখেন এবং সংগঠন এর দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা দিক-নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন। কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের সকাল সদস্য এর সম্মিলিত প্রস্তাব এ সভাপতি বাদল হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম রাসেল সিকদার নির্বাচিত হন এছাড়াও সহ সভাপতি হারুন অর রশিদ সিকদার,সহ সভাপতি কামাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান লিটন সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব তালুকদার,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ আজিজ, কোষাধ্যক্ষ নাসিম মিরবহর, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাহাতাব উদ্দিন,প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শাওন,সমাজকল্যাণ সম্পাদক সজীব জমাদ্দার, ক্রিয়া সাংস্কৃতিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম কামাল,দপ্তর সম্পাদক মাহবুব হোসেন পরান, কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী মাসুদ, এছাড়া সদস্য হন রাজিব খান,নাঈম ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম।আজ শনিবার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের ১৯ সদস্য বিশিষ্ট ঘোষণা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ ফজলুল হক মৃধা

  • চিটাগাং ইডেন ক্লাবের গৌরবের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনে ৩ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    চিটাগাং ইডেন ক্লাবের গৌরবের ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনে ৩ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম তথা বাকলিয়ার অরাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠন চিটাগং ইডেন ক্লাবের গৌরবের ৩৫ বৎসর উদযাপন উপলক্ষে ৮,৯,ও ১০ জানুয়ারি ৩ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনি অনুষ্ঠান আজ মৌসুমি আবাসিক এলাকার মাঠে ক্লাবের সভাপতি মাসুদ পারভেজ খোকার সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রামের উপ- পরিচালক মোঃ নোমান হোসেন প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন – উপ – পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ শাকিলা সোলতানা,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহেদুল করিম কচি, যমুনা ব্যাংকের সাবেক ডি,এম,ডি লায়ন আবদুল গাফফার,বিশেষ বক্তা হিসেবে মোঃ শাহজাহান হায়দার,অনুষ্ঠান উৎযাপন কমিটির আহবায়ক ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহেল সংবর্ধিত অতিথি ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সদস্য, কার্টিন ল স্কুল পার্থ অষ্ট্রেলিয়ার প্রভাষক ও সাবেক যুগ্ন জেলা দায়রা জজ ড,জুলফিকার আলী, ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক বেলাল হোসেন চৌধুরী, ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সদস্য মীর রেজাউল ইসলাম শালুক,স্থায়ী কমিটির ভাইস – চেয়ারম্যান এস,এম,আহসানুল কবির চৌধুরী টিটু প্রমূখ। সভায় প্রধান অতিথি এবং অনন্য অতিথিদের বক্তব্যে এই কথায় সু স্পষ্ট ভাবে প্রতীয়মান হয় চিটাগং ইডেন ক্লাব চট্টগ্রামের একটি অনন্য অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনের নানাবিধ সামাজিক কাজ সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। এই সংগঠনের নানাবিধ সামাজিক কর্মকাণ্ড সহ যাবতীয় কাজে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এবং সকলেই এই সংগঠনের কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পরে অতিথিবৃন্দ ইডেন ক্লাবের বিভিন্ন খেলাধুলা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন। পরে ঢাকা থেকে আগত ব্যান্ড দলের আয়োজনে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • আজ সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ, লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার (১১ জানুয়ারি)। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০২১ সালে রাজধানীর মহাখালীর এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর অকাল প্রয়াণ হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। পরে তাকে ঢাকার মিরপুরে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    প্রয়াত মিজানুর রহমান খান সরকারি বিএম কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।তিনি ১৯৮৮ সনে নলছিটি থেকে সাংবাদিকতা শুরু করেন।পরে জাতীয় পর্যায়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা যুক্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক ছিলেন। তিনি আইন-আদালত ও কূটনীতির জটিল-কঠিন বিষয়গুলো সহজ করে পাঠকের কাছে উপস্থাপন ও ব্যাখ্যা করতেন, যা পাঠক মহলে সমাদৃত হয়। আইন-আদালত এবং কূটনীতির জটিল বিষয়গুলোকে বিশ্বাসযোগ্য ও জনপ্রিয়করণে তার একক ভূমিকা ছিল। তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে আইন বিভাগে সংবিধান বিষয় পড়াতেন।
    মিজানুর রহমান খান দৈনিক প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকাল, মানবজমিন, খবর,বাংলাবাজার, মুক্তকণ্ঠসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সহযোগী সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, প্রধান প্রতিবেদক ও কূটনৈতিক প্রতিবেদকসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন।
    মিজানুর রহমান খানের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা রয়েছে। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর প্রথম বই ‘সংবিধান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্ক’ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রিয় হয়। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে-১৯৭১: আমেরিকার গোপন দলিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা: এক অশনি সংকেত; বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের স্বরূপ; মার্কিন দলিলে মুজিব হত্যাকাণ্ড; মার্কিন দলিলে জিয়া ও মঞ্জুর হত্যাকাণ্ড এরশাদের পতন এবং বিএনপির জন্ম; মার্কিন দলিলে বঙ্গবন্ধু ও চার নেতা হত্যাকাণ্ড, জেনারেল জ্যাকবের মুখোমুখি ইত্যাদি। এ ছাড়াও বিভিন্ন জার্নালে পঞ্চাশটির বেশি প্রকাশিত প্রবন্ধ আছে তার।
    কর্মসূচি চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘মিজানুর রহমান খান ফাউন্ডেশন’ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। শনিবার সকালে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। একই দিনে ঢাকার তাঁর নিজ বাসায় এবং ঝালকাঠি জেলার নলছিটিতে প্রয়াতের পৈত্রিক বাড়িতে কুরআনখানি ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

  • মালিকানা নয়, সরকারি জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

    মালিকানা নয়, সরকারি জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

    আল আমিন মোল্লা
    জীবননগর ব্যুরো প্রধান।

    জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের মিনাজপুর রাস্তার পাশে বসবাস ১৫টি পরিবারের। কারও ভিটা জমি ৫ শতক, কারও ৬ কিনবা ৯ শতক। ২৫-৩০ বছর আগে সরকারি রাস্তার জমি একটু নীচু থাকায় মালিকানা জমি দিয়ে নির্মাণ করা হয় রাস্তা। সেই রাস্তা নতুন করে নির্মাণের বরাদ্দ আসায় জমির মালিকেরা সঠিক জায়গায় রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
    আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে সঠিক জায়গায় রাস্তা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেন। এসব কথা জানান ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
    মানববন্ধন এ বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী পরিবারের মোঃ আবু হানিফ, মিলন, মো. আলী হোসেন, মো. শাহাজান আলী, মো. বাবুল হোসেন, মো. তোফাজ্জল, খালেক ব্যাপারী, আলী হোসেন, রোকন প্রমুখ।
    বক্তারা বলেন, আমাদের মালিকানা জায়গায় রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় সরকারি রাস্তার জমিতে আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রভাবে টিনের বেড়া দিয়ে ঘর নির্মাণ করে দখল নেন আক্কাস আলী, নিয়াকত আলী, মোমিন, জুয়েল, আরশাফুল, আব্দুল জলিল, রফিজ উদ্দিন, শহিদুল এবং মহিদুল। এতদিন প্রতিবাদ করলে আমাদের বিএনপি-জামায়াত বলে ট্যাগ দেওয়া হতো৷ এখন ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা আমাদের আওয়ামী লীগ বলে ট্যাগ দিয়ে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করছে।
    এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে চাইলে তারা দোকান এবং বাড়ি থেকে দ্রুত সরে যান।
    জীবননগর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের (এলজিইডি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সেখানে রাস্তা নিয়ে ঝামেলা আছে। এ কারণে সেখানকার রাস্তা নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। আমরা কাউকে উচ্ছেদ করতে পারব না। বিষয়টি সমাধান না হলে কাজ বন্ধ থাকবে।

  • নলছিটিতে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    নলছিটিতে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এ-র নলছিটি উপজেলা শাখার সম্মেলন -২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১১ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় নলছিটি পৌরসভা মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এম ইব্রাহিম নাসরুল্লাহ, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ সরদার। বিশষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নলছিটি উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুহা. আব্দুল কুদ্দুস মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মাও. মুহা. শাহ জালাল হোসাইন, নলছিটি উপজেলা মুজাহিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাও. আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার, উপজেলা কুরআন শিক্ষা বোর্ড সভাপতি মাও. মুহা. আব্দুল করিম, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের উপজেলা সভাপতি মাও.মুহা. নজরুল ইসলাম, ইসলামি শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মাও. জামাল হোসেন মল্লিক, মাও.মুহা.সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী এবং মাও.মুহা. আব্দুল কাদের।
    ইসলামি ছাত্র আন্দোলন নলছিটি উপজে শাখার সভাপতি কে এম কাওছার হোসাইনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন, ইসলামি ছাত্র আন্দোলন ঝালকাঠি জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক মো. আবু মুসা, আলিয়া মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক হাসান মাহমুদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইসা আল মারুফ, ইসলামি যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি কবির হোসেন সরদার প্রমুখ।
    সম্মেলনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও নলছিটি পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী যোগদান করে।

  • ময়মনসিংহে মাজারে হামলা–ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, আসামি দেড় হাজার

    ময়মনসিংহে মাজারে হামলা–ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, আসামি দেড় হাজার

    স্টাফ রিপোর্ট ময়মনসিংহ – ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা সংলগ্ন প্রায় পৌনে ২০০ বছরের পুরোনো হজরত শাহ সুফি সৈয়দ কালু শাহ্ (রহ.) এর মাজারের সামা কাওয়ালি অনুষ্ঠানে হামলা ও মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) অজ্ঞাত পরিচয় দেড় হাজার জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন মাজারের অর্থ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান।

    এর আগে গত বুধবার (৮ জানুয়ারী) দিবাগত রাতে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে অবস্থিত হজরত শাহ সুফী সৈয়দ কালু শাহ (রহ)–এর মাজার। মাজারে ১৭৯তম বার্ষিক ওরস উপলক্ষে সামা কাওয়ালি গানের আয়োজন করে ভক্তরা। সেই গানের আশরেই বুধবার (৮ জানুয়ারী) দিবাগত রাত ১১টার দিকে হামলা- ভাংচুরের ঘটনা ঘটলে এর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।এতে দেখা যায়, পাঞ্জাবি–পায়জামা ও টুপি পরা দুই শতাধিক মানুষ মাজারের অনুষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালাচ্ছে। এ সময় মঞ্চ ও শতাধিক চেয়ার এবং সাউন্ড সিস্টেম ভাঙচুর করা হয়। এতে মাজারের বেশ কিছু অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়াও হয়েছে।

    মামলার বাদী খলিলুর রহমান বলেন, ‘শাহ সুফি সৈয়দ কালু শাহের মাজারের ১৭৯তম বার্ষিক ওরস উপলক্ষে মিলাদ ও গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তিন-চারটি গান হওয়ার পরই হঠাৎ থানার ওসি সাহেব এসে লোকজনকে দ্রুত সরে যেতে বলেন। এর মধ্যে বড় মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এসে হামলা চালিয়ে সব তছনছ করে ফেলে। পরে গভীর রাতে মাজারটিও গুঁড়িয়ে দেয় তাঁরা। আমি এদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’

    ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান গণমাধ্যম কে বলেন, ‘কালু শাহের মাজার ভাংচুরের ঘটনায় খলিলুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার পাঁচশত জনকে আসামি করে মামলা করেছে। মামলায় কারও নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়নি। ওসি জানান-
    বৃহস্পতিবার রাতেই থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এখানে দুটি পক্ষই খুবই স্পর্শকাতর।এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তবে আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’

    তবে অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদের প্রধান মুয়াজ্জিন শহীদুল ইসলাম জানান, রাতের মাইক বাজিয়ে গানবাজনা করছিলেন মাজারের লোকজন। উচ্চ স্বরে গান বাজানোর কারণে ছাত্রদের পড়ায় সমস্যা হয়। এমন অবস্থায় ছাত্ররা গিয়ে গানের সাউন্ড কমাতে বলেন। কিন্তু তা না করে গানের আসর থেকে উসকানিমূলক কথা বলায় ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হয়ে সেখানে গিয়ে ভাঙচুর করেন।

    উল্লেখ্য, নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানার বিপরীত দিকে অবস্থিত হজরত শাহ সুফী সৈয়দ কালু শাহের (রহ.) মাজারে ১৭৯তম বার্ষিক ওরস উপলক্ষে গত বুধবার (৮ জানুয়ারী) দিবাগত রাতে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে সামা কাওয়ালি গানের আয়োজন করে ভক্তরা। রাত ১১টার দিকে গানের অনুষ্ঠান শুরুর একপর্যায়ে মাথায় টুপি পরা শত শত লোক অনুষ্ঠানে এসে হামলা চালিয়ে মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুর করে চলে যায় তারা। পরবর্তীতে গভীর রাতে হামলা হয় মাজারে। এসময় মাজারের পাকা স্থাপনার বেশ কিছু অংশ ও ভেতরে থাকা জিনিসপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।’

  • ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অনির্বাচিত কর্মকর্তা অধিকাংশ আওয়ামী দোসর সংস্কার চায় আন্দোলনকারীরা

    ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অনির্বাচিত কর্মকর্তা অধিকাংশ আওয়ামী দোসর সংস্কার চায় আন্দোলনকারীরা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অনির্বাচিত কর্মকর্তা অবৈধভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করা প্রেস ক্লাব কর্মকর্তারা হচ্ছেন- সহ সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাশেম ও নওয়াব আলী, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর কবির জুয়েল, যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহান, ক্রীড়া সম্পাদক আবু সালেহ মো. মুসা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক শরীফুজ্জামান টিটু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এএসএম হোসাইন শাহিদ, নাট্য ও প্রমোদ সম্পাদক আদিলুজ্জামান আদিল, নির্বাহী সদস্য পদে অমিত রায়, ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ কামাল, মীর গোলাম মোস্তফা, ড. মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, নিয়ামুল কবীর সজল, মোশাররফ হোসেন ও আব্দুল মতিন। পদাধিকারবলে এই কমিটির সভাপতি ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, তার সঙ্গে ঘাতক দালাল নির্মল কমিটির সভাপতি মোঃ শাহজাহান, মহানগর জাপা(রওশন) মহানগর সাধারণ ও কথিত মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক মোশারফ হোসেন, বাকৃবিতে সাবেক কর্মকর্তা নওয়াব আলী, ন্যাপ নেতা ও প্রিন্সিপাল মতিউর রহমানের বড় ভাই মোঃ জিয়া, বর্তমান সেক্রেটারি ফ্যাসিস্ট নেতা অমিত রায়সহ অনেকেই। অপরদিকে নবাগত দায়িত্ব গ্রহণকারী গফরগাঁওয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কখনো সাইফুল ইসলাম কখনো সাইফুল মাহমুদ নির্বাচন ও ভোট ছাড়াই কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। একপক্ষের বর্জন ও অনুপস্থিতিতে সাধারণ সম্পাদক অমিত রায় অনির্বাচিত কমিটির কাছে এই দায়িত্বভার হস্তান্তর করে
    জুলাই আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা শুরুতেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফ্যাসিস্ট সাবেক আওয়ামী সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছে।

    ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার আন্দোলনকারীদের দাবী অপেশাদার সাংবাদিক সদস্যদের বাতিল করে “প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান” গঠনের প্রয়োজনে সকল পেশাদার সাংবাদিক সদস্যদের নামের তালিকা প্রণয়ন, এডহক কমিটি গঠন, সম্মিলিত সাধারণ সভায় খসড়া প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র, সংযোজন বিয়োজন, পরিমার্জন করে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ, ভোটার তালিকা করে নির্বাচন। এসকল দাবিতে সাংবাদিকরা ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনে সাংবাদিকদের তালিকা এবং প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র দাখিল করেছেন। জেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুনরায় সমঝোতা বৈঠক আহ্বান করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করা হয়।

    পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও একই প্যানেলভুক্ত নেতৃবৃন্দ নির্বাচন ছাড়া বিনা ভোটে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের দায়িত্বভার নিয়েছেন। দায়িত্বভার গ্রহণকালে অপর প্যানেলের সদস্যরা যোগ দেননি। ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব নির্বাচনে সিডিউল অনুযায়ী গত ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিল, ১৮ ডিসেম্বর বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ ও ২৭ ডিসেম্বর নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু মনোনয়ন জমাদানের দিন একপক্ষকে বাধাবিঘ্ন ও মনোনয়ন জমাদান কক্ষে তালা লাগানো ও রিটার্নিং অফিসারকে হুমকি প্রদানসহ ৩ নির্বাচন কর্মকর্তার একযোগে পদত্যাগের ঘটনায় গত ২৬ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক সভা পিছিয়ে ২ জানুয়ারি করা হয়। ঐ দিনই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

  • ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের পদক্ষেপে যৌনপল্লি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন  তিন কিশোরী

    ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের পদক্ষেপে যৌনপল্লি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন তিন কিশোরী

    নিজস্ব সংবাদদাতা :
    ময়মনসিংহের জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম এর পদক্ষেপে স্বাভাবিক জীবনে প্রত্যাবর্তন করলেন তিন কিশোরী যৌনকর্মী। এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়েছে তাদের পরিবারে।পতিতাবৃত্তির অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে আবারও সুস্থ সামাজিক ও পারিবারিক পরিবেশে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরে পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান কিশোরী জবা,তিথি ও ঝর্ণার পরিবারের সদস্যরা।

    সুত্র জানিয়েছে-কিশোরী ঝর্ণার (ছদ্মনাম) পরিবারে সারাবছর অভাব অনটন লেগেই থাকতো। তাই স্বপ্ন দেখেন নিজে টাকা রোজগারের। দুই বছর আগে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে রংপুর মহানগরীর বাসা থেকে গার্মেন্টসে চাকরি করতে ঢাকায় যান। সেখানে সাগর নামে এক যুবকের খপ্পরে পড়েন ঝর্ণা। ওই যুবক তাকে বেশি বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যান। এক পর্যায়ে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত পানি পান করিয়ে অজ্ঞান করে ময়মনসিংহ নগরীর গাঙ্গিনারপাড় এলাকার রমেশ চন্দ্র সেন রোডের যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেন।
    একই দশা হয় আরও দুই কিশোরীর। এদের মধ্যে একজনের নাম জবা (ছদ্মনাম) ও আরেকজনের নাম তিথি (ছদ্মনাম)। তাদের সুখের সংসার থাকলেও বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করার পরই ওই দুই কিশোরী সৎ মায়ের বকাবকি আর যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চাকরির পরিকল্পনা করেন।
    ২০২৩ সালের আগস্টে রংপুরের বাড়ি থেকে ঢাকায় যান জবা। এক ব্যক্তির খপ্পরে পড়েন। বিউটি পার্লারে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ময়মনসিংহ যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেন।
    অপরদিকে তিথি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বরিশালে গ্রামের বাড়ি থেকে চাকরির সন্ধানে ঢাকায় এলে এক ব্যক্তি তাকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে কৌশলে নিয়ে যান ময়মনসিংহের যৌনপল্লিতে। সেখানে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। এরপর থেকে ওই তিন কিশোরীর জীবন কাটতে থাকে যৌনপল্লিতে।
    অবশেষে ওই তিন কিশোরীরকে উদ্ধার করেছে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাতে তাদেরকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম।
    তিনি বলেন, যৌনপল্লিতে যারা নিয়ে এসে বিক্রি করেছে তাদের বিরুদ্ধে তিন কিশোরী কোনো অভিযোগ করেননি। তাদেরকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অশ্রুসিক্ত চোখে বাবা-মা তাদের নিয়ে গেছেন। এসময় পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের (কিশোরী) ভালো রাখার আশ্বাস দেয়।

    পুলিশ জানায়, কিশোরী ঝর্ণা যৌনপল্লি থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সুযোগ পাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সুকৌশলে তার মায়ের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। যৌনপল্লিতে আসার ঘটনাটি মা-বাবাকে খুলে বলে। এমতাবস্থায় তার বাবা-মা মেয়েকে ফেরত নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওদিনই গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌনপল্লিতে গিয়ে ঝর্ণাসহ আরও দুই কিশোরীরকে উদ্ধার করে নিয়ে আনে।

    উদ্ধারকৃত ভিকটিমরা পতিতাবৃত্তির অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে আবারও সুস্থ সামাজিক ও পারিবারিক পরিবেশে ফিরে যাওয়ার জন্য ইচ্ছা পোষণ করে এবং তাদেরকে এখানে আনা সম্পর্কে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করবে না বলে অবহিত করলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদেরকে স্ব-স্ব পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। তাদেরকে ফিরে পেয়ে অশ্রুসিক্ত পিতামাতার হৃদয়ে প্রশান্তির আবেশ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সুপারের এই আন্তরিকতা সমাজের সর্বস্তরে ইতিবাচকতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও- জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

    এ বিষয়ে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম বলেন, কোনো মেয়ে পরিবারের লোকজন ছাড়া দূরে কোথাও গেলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তা না হলে, এসব কিশোরীর মতো অন্য যে কারও জীবনে এমন অন্ধকার নেমে আসতে পারে। তবে পুলিশ যেকোনো অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সবসময় তৎপর রয়েছে।