Category: দেশজুড়ে

  • এপেক্স ক্লাব অব ভালুকার  ২০২৫ সালের  প্রথম বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত

    এপেক্স ক্লাব অব ভালুকার ২০২৫ সালের প্রথম বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আন্তর্জাতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব ভালুকার ২০২৫ সালের প্রথম বোর্ড মিটিং এবং ৮১ তম ডিনার মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ভালুকা ডক্টরস ক্যাফে আয়োজিত উক্ত ডিনার মিটিংয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। ক্লাব প্রেসিডেন্ট এপেক্সিয়ান ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম অপু’ র সভাপতিত্বে ডিনার মিটিং এ বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এপেক্সিয়ান এ.এফ.এম এনামুল হক মামুন। অনুষ্ঠানে
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এ্যাপেক্স ক্লাব বিষয়ে অনেক সুন্দর আলোচনা করেন।

    এপেক্স ক্লাব একটি নীতি আদর্শ ভিত্তিক নৈতিক সামাজিক সেবা সংগঠন। মানব ও সমাজ কল্যাণ যার লক্ষ্য। এপেক্স ক্লাবের মূল দর্শন খুবই আদর্শিক, মানবিক ও মহান। বিশ্বের প্রত্যেক অঞ্চলের যুব সমাজকে জ্ঞানে, গুনে ও নেতৃত্বে স্বাবলম্বী করে তোলা, সেবামূলক মানসিকতায় গড়ে উঠতে জ্ঞান দান করা, পরস্পরের মধ্যে নৈতিক আচরণ ও সৌহার্দপূর্ণ অভ্যন্তরীণ সম্প্রীতির বন্ধন তৈরির মাধ্যমে একে অপরের আস্থায় পরিনত হওয়া, সর্বোপরি যুব সমাজকে সুনাগরিকত্ব অর্জনে সহযোগিতা করা এপেক্স ক্লাবের দর্শনের অংশ।

    প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন-এপেক্স বাংলাদেশ থেকে সনদ প্রাপ্ত ক্লাবগুলোর হাজার হাজার এপেক্সিয়ান সমগ্র বাংলাদেশের যুব সমাজের মধ্যে নৈতিক সম্প্রীতি বিকাশে এপেক্সের আদর্শ সমূহ অন্তর থেকে অন্তরে ধারন করে চলেছেন। বাংলাদেশে অসংখ্য সামাজিক সংগঠন রয়েছে। কিন্তু ৬৩ বছর যাবৎ বাংলাদেশে বিরতিহীনভাবে যে-নৈতিক দায়িত্ব এপেক্স বাংলাদেশ পালন করে চলেছে, তার নজির বাংলাদেশে অন্যকোনো সামাজিক সংগঠনের বেলায় উদাহরণযোগ্য নয়। তিনি বলেন- এপেক্সের আদর্শ নিঃসন্দেহে মানব কল্যাণের জন্য একটি দিকনির্দেশনা। মানব কল্যাণ কল্পে যারা নিজেকে নিবেদন করেন, তারাই সমাজের রত্ন উপাধিতে বেঁচে থাকেন। মৃত্যুর পরেও আমরা আমাদের কর্ম দিয়ে মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকতে পারি। কিন্তু তার জন্য আমাদের শুদ্ধ ভাবাদর্শে বা জীবনাচারে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে হবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে এপেক্স ক্লাব অব ভালুকার সকল সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সুজানগরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার  সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

    সুজানগরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার  সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্বাবধানে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুইদিন ব্যাপী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নতুন উদ্ভাবনে সেরাদের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মেহেদী হাসান, সেলিম রেজা হাবিব ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল হাই সাগর, চিনাখড়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) দিলীপ কুমার,সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।৪৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবনে জুনিয়র গ্রুপে সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম স্থান এবং  সিনিয়র গ্রুপে  সেলিম রেজা হাবিব ডিগ্রি কলেজ প্রথম স্থান অর্জন করে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনে পাল্টে যাবে দেশ। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে জ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ এবং তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকশিত করার অপূর্ব সূযোগ এই মেলা। তরুণ সমাজকে অশ্লীলতা, মাদকাশক্তি, মোবাইল আসক্তিসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধ থেকে ফিরিয়ে এনে বিজ্ঞান চর্চায় মগ্ন রাখলে তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটবে এবং উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইউএনও। উল্লেখ্য এবারের প্রতিযোগিতায় ছিল বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শনী।মেলায় উপজেলার  মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্টল স্থাপন করে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • মানুষকে গু-লি করে হ-ত্যা ৬ লা-শ পো-ড়ানো মামলার ভুয়া বাদী জলিল ও সায়েব আলী পলাতক

    মানুষকে গু-লি করে হ-ত্যা ৬ লা-শ পো-ড়ানো মামলার ভুয়া বাদী জলিল ও সায়েব আলী পলাতক

    সাইফুল ইসলাম জয়ঃ ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আশুলিয়া প্রেসক্লাবসহ থানায় হামলা, ভাংচুর ও গুলি করে ছাত্র-জনতাকে হত্যা, ৪৬ লাশের মধ্যে ৬ জনকে পোড়ানো এবং  অগ্নিসংযোগ ও সরকারি অস্ত্র লুটের ঘটনায় মামলা হলেও বেশিরভাগ আসামীরা পলাতক। ছাত্র-জনতার হত্যার ঘটনার পর প্রতারক চক্রের ভুয়া বাদী আব্দুল জলিল ও সায়েব আলী নিজেরাই এখন অন্য মামলার আসামী হয়ে পলাতক রয়েছে। “বেড়িয়ে আসছে থলের বিড়াল” এই প্রতারক চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছেন থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।   

    জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৪৬ জনকে গুলি করে হত্যার পর সেই লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন সাবেক এমপি মন্ত্রী, পুলিশ সদস্য ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত সংস্থায় গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দায়ের করাসহ আশুলিয়া থানায় বিপুল সংখ্যক মামলা করা হয়েছে। এখানে জীবিত ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে মামলা, আশুলিয়া থানার আশুলিয়া ইঊনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা রাজু আহমেদ ও তার সহকারী আব্দুল জলিল এবং সাহেব আলী প্রতারক চক্রটি সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করে ফিটিংবাজি ও চাঁদাবাজিসহ প্রতারণা শুরু করেছে, তাদের বিরুদ্ধে দেশ টিভি’র প্রথম পর্বে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, সেই সাথে জাতীয় দৈনিক চৌকস পত্রিকাসহ একাধিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। 

    গত ৫ আগস্ট ২০২৪ইং আশুলিয়ায় একটি ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র নিহত আহনাফ আবীর আশরাফুল্লাহর বোন সাইয়েদা আক্তারের পক্ষে গত (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪) মামলা করার জন্য একটি আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান। এ ঘটনায় বিভিন্ন অনলাইন ও দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে বিপুল সংখ্যক মামলা হয়েছে। এর আগে গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। যেগুলোর ওপর তদন্ত চলমান রেখেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর পুলিশ প্রধানসহ অনেকেই বলেছেন, ছাত্র-জনতার উপর হামলা-গুলি করে হত্যার অপরাধে যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং যারা এসব ঘটনায় জড়িত নয় তাদেরকে এসব মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাদের নাম বাদ দেয়া হবে, ভিডিও ফুটেজ দেখে এবং সঠিকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। 

    উক্ত অপরাধের ধরণে বলা হয়েছে,এক থেকে পাঁচ ও সাত থেকে দশ নং আসামিদের নির্দেশ ও পরিকল্পনায় অন্যান্য আসামিরা দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র জনতাদের হত্যা করে তাদের সমূলে বা আংশিক নিমুর্ল করার উদ্দেশে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘঠনের অপরাধ। (যাদেরকে আসামি করা হয়েছে), তারা হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুহাম্মাদ আলী আরাফাত, ঢাকা-১৯, সাভার-আশুলিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, তৎকালীন সরকারের কতিপয় মন্ত্রী, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি হারুন অর রশিদ, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, সাবেক আইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত এসপি মোবাশ্বিরা জাহান, সাবেক অতিরিক্ত এসপি আব্দুল্লাহহিল কাফি, ঢাকা জেলা উত্তরের সাবেক ডিবি পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার (ওসি) এএফএম সায়েদ, (ওসি তদন্ত) নির্মল চন্দ্র, এসআই আফজালুল, এসআই জলিল, এসআই রাকিবুল, এসআই আবুল হাসান, এসআই হামিদুর রহমান, এসআই নাসির উদ্দিন, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সুমন চন্দ্র গাইন, এএসআই বিশ্বজিৎ রায়, কনস্টেবল মুকুল, কনস্টেবল রেজাউল করিমসহ কতিপয় পুলিশ সদস্য, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের সদস্যরাও আসামী হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট আশুলিয়ার বাইপাইলে ছাত্র-জনতার মিছিলে ১ থেকে ১২ নম্বর আসামির নির্দেশে আসামিরা নির্বিচারে গুলি চালালে ৪৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। গুলিবিদ্ধ মানুষের লাশগুলো ১৩ থেকে ১৬ নং আসামীসহ অজ্ঞাতনামা পুলিশ সদস্য ময়লার বস্তার মতো করে ভ্যানে তোলেন। থানার পাশে পুলিশের একটি গাড়িতে পেট্রোল দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে নিহতদের লাশ পুড়িয়ে দিয়ে গণহত্যার নির্মম ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। জানা গেছে, ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ৫জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারিপরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    এর আগে হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় যেসব হত্যা মামলা করা হয়, তার মধ্যে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা নং ২৬। তারিখ: ২২/০৮/২০২৪ইং। ছাত্র-জনতা সূত্র জানায়, আশুলিয়ার বাইপাইলে গত ৫ আগস্ট ২০২৪ইং আশুলিয়া প্রেসক্লাব ভাংচুর ও লুট করা থেকে শুরু করে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশ সদস্যসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়, এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় পর্যায়ক্রমে সবগুলো হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলার আসামি কিছু পুলিশ সদস্য, এমপি, মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষকে আসামী করা হয়। একাধিক ভুয়া বাদী অনৈতিক সুবিধা নিতে আব্দুল জলিল ও সায়েব আলী মিথ্যা মামলা করে মানুষকে হয়রানি করছে। অনেকেই ধারণা করছেন যে, আশুলিয়া প্রেসক্লাব ভাংচুর দখল, আশুলিয়া থানা ভাংচুর ও সরকারি অস্ত্র লুট অগ্নিসংযোগকারীরা এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এসব ঘটনায় অনেকেই অপপ্রচার চালায় ওমুকের গুলি লাগছে, ওমুকে আহত হয়েছেন, এসব লোকজনের গুলিবিদ্ধ কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি, তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে কোথায় কি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন? পুরো বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন শহীদ হওয়া ভুক্তভোগী পরিবারসহ সচেতন মহল। আশুলিয়ার বাইপাইলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে যারা এই গণহত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে তাদেরকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা জরুরী। এই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন সেই শহীদদের পরিবার সঠিক বিচার পাবেতো?।

    জানা গেছে, সাহেব আলী নামের ব্যক্তি ছাত্র-জনতার  আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা রাজু আহমেদ ও তার সহকারী আব্দুল জলিলের সাথে থেকে ছাত্র-জনতার উপর হামলা, আশুলিয়া থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের সাথে জড়িত থেকে কৌশলে মামলা থেকে বাঁচতে নিজেরাই নিহত মোঃ রাসেল গাজী (২৭) এর আত্মীয় ও ভুয়া বাদী সেজে একটি মামলা করে যাহা বি.পি. ফরম নং ২৭, বাংলাদেশ ফরম নং ৫৩৫৬ ও আশুলিয়া থানার স্মারক নং ৫১০০(৪)১ তারিখ ০৮/০৯/২০২৪ইং। সিআর স্মারক নং ১৩৫। তারিখ: ০৩/০৯/২০২৪ইং একটি মামলার ভুয়া বাদী মোঃ সাহেব আলী (৪৪) এনআইডি৩২৮১৩৮২৭৩৩ পিতা মোঃ আনজুর আব্দুর প্রামানিক, মাতাঃ মোছাঃ রাবেয়া খাতুন,স্থায়ী ঠিকানা: (সাভার ফদিরপুর) উপজেলা /থানা ফরিদপুর, জেলা পাবনা, বাংলাদেশ: বর্তমান: গ্রাম খেজুর বাগান, উপজেলা-থানা আশুলিয়া, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ। মোবাইল নং ০১৬৪১১৪৮৬০১। জানা গেছে, এই প্রতারক সাহেব আলীর বিরুদ্ধে উক্ত ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে, এ মামলার তিনি ৩০ নং আসামী। সেখানে সে আওয়ামী লীগের সদস্য এবং তার পিতার নাম আব্দুর প্রামানিক উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র সি আর মামলা নং ১৫৭৯/২০২৪ (আশুলিয়া)। এই মামলার বাদী হয়েছেন মনজুরুল ইসলাম (৪৫) পিতা-আব্দুল আহাদ। এই মামলার ৩৯ নং আসামী আব্দুল জলিল।তিনি আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা রাজুর সহকারী।

    অনেকেই জানায়, আব্দুল জলিল কখনো বিএনপি আবার কখনো আওয়ামীলীগ, কখনো সাংবাদিক, কখনো জমি দখল করে, কখনো দালালি, এখন ইয়ামিন হত্যা মামলার বাদী হলেও নিহতের পরিবার তা জানেনই না। জলিল যে, ছাত্র-জনতাকে গুলি করা যে পিস্তলটি ব্যবহার করেছে জলিল সেটি উদ্ধার ও তাকে গ্রেফতার করে অস্ত্র উদ্ধার করা জরুরী। এদিকে পুলিশ ও র‍্যাব জানায়, জলিলসহ এই বাহিনীর যারা হত্যার সাথে জড়িত আছে সবাইকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলমান রয়েছে।

    আশুলিয়ার বাইপাইলে গত ৫ আগস্ট শহীদ হন আশুলিয়ার সিটি ইউনিভাসিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএসসি) প্রথম বর্ষের ছাত্র- সাজ্জাদ হোসেন সজল। সজলের মা মোছাঃ শাহিনা বেগম এর কাছে তার ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার একমাত্র ছেলে, আমার ছেলেসহ যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে সেই হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এসব ভুয়া বাদীর মিথ্যা মামলা বাতিল করাসহ যারা দোষী নয় তাদের এই হয়রানি এবং যে অর্থ খরচ হয়েছে তাদেও এসব ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবী জানান, সেই সাথে প্রকৃত দোষীদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান ভুক্তভোগী পরিবারসহ সচেতন মহল। জানা গেছে, ৪ আগষ্ট প্রকাশিত সংবাদ শিরোনাম “সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের” এই সংবাদটি ছাত্র-জনতার পক্ষে যে সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করেছেন তার বিরুদ্ধেও মামলা করেছে উক্ত ভুয়া বাদী সাহেব আলী, কিন্তু নিহত ভিকটিমের পরিবার এই সাহেব আলীকে চেনেন না। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আগষ্টে হত্যা মামলার আসামীরা বেশিরভাগই ভারতের কলকাতায় পালিয়ে আছে, সেখানে একটি স্থানের নামকরুন হয়েছে জয় বাংলা মোড়, বিকেল হলে বেশিরভাগ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী আড্ডা দেন। অনেকেই জানান, সাভার, আশুলিয়াসহ সারাদেশেই এরকম কিছু মামলায় অনেক সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ৯ মাসে প্রায় ২ লাখ মা-বোন নির্যাতনের শিকার এবং প্রায় ৩-৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন। এরপর ২০২৪ইং সালে সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সুফল হয় আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান-বাকিটা ইতিহাস। ২০২৫ইং সাল কেমন যাবে তা কেউ জানেন না। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অপেক্ষা করছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সচেতন মহলের দাবি-মামলা হচ্ছে ঠিক আছে, তবে যারা এসব ঘটনার সাথে জড়িত নয় তারা যেন হয়রানির শিকার না হয়। ২০২৪ইং বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস রচনা হয়েছে, বর্তমানে ২০২৫ইং চলমান জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনায় জাতি কিন্তু ছাত্র-জনতাকে যারা হত্যা করেছে তাদের সঠিক বিচার হবেতো?।

       

       

     

  • রংপুর মহানগরীতে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে পচিঁশ হাজার টাকা জরিমানা

    রংপুর মহানগরীতে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে পচিঁশ হাজার টাকা জরিমানা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এবং জেলা প্রশাসন, রংপুর এর যৌথ উদ্যোগে রংপুর মহানগরীতে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে মুড়ি পণ্য সিএম লাইসেন্সবিহীন উৎপাদন ও বিক্রয়-বিতরণ করায় মেসার্স জ্যোতি মুড়ির মিল, জে বি সন রোড, মাহিগঞ্জ, মহানগর, রংপুর কে ১৫(১)/২৭ ধারা অনুযায়ী ২৫,০০০/- জরিমানা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জনাব জাকিয়া সুলতানা রোজী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রংপুর। প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন মারুফা বেগম, ফিল্ড অফিসার (সিএম) ও সন্দীপ দাস, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)। 

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • হাই কোর্টের নির্দেশ মানছে না ইটভাটার মালিক ও মাটি ব্যবসায়ীরা,পরিবেশ দূষণ-প্রশাসন নিরব

    হাই কোর্টের নির্দেশ মানছে না ইটভাটার মালিক ও মাটি ব্যবসায়ীরা,পরিবেশ দূষণ-প্রশাসন নিরব

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)ঃ হাই কোর্টের নির্দেশ না মেনে অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশ দূষণ ও ফসলি জমি নষ্ট করছে, অথচ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভুমিকায় রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাশে রাঙ্গামাটি এলাকা ও ধামরাইয়ে শতাধিক ইটভাটা স্থাপন করে ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধ ভাবে ইট তৈরি করছে এবং পরিবেশ দূষণ করার অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। 

    বুধবার ( ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশুলিয়ার দক্ষিণ শিমুলিয়ায় ইট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স রফিক ব্রিকস এন্ড কোং,  মেসার্স শওকত ব্রিকস এন্ড কোং,  চালাপাড়া মেসার্স হাবিবুর ব্রিকস এন্ড কোং, দক্ষিণ শিমুলিয়া মেসার্স বছির ব্রিকস এন্ড কোং, গোহাইলবাড়ী নিউ ব্রিকস ম্যানুফ্যাক্সারিং কোম্পানি, গনকপাড়া (ভাটিয়াকান্দি) মেসার্স গাজী ব্রিকস,  টেংগুরী ইউনিয়ন ব্রিকস ম্যানোফ্যাক্সারিং কোম্পানি, রাঙ্গামাটি ক্লাস ব্রিকস এন্ড সিরামিক লিঃ। এসব ইটভাটার মধ্যে একটিমাত্র ইটভাটার বৈধ কাগজপত্র রয়েছে বলে সূত্র জানায়। 

    জানা গেছে, হাই কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে ঢাকার সাভার, আশুলিয়া, ধামরাই, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশে ফসলি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করে অবৈধভাবে ইট তৈরি করছে, কিছু ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে ফলের গাছসহ বিভিন্ন গাছ। ফলের গাছের কাঠ পোড়ানোর কারণে কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এর আগে সাভারে ৬টি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট উইং। তার আগে সাভার উপজেলার নামাগেন্ডা ও বিরুলিয়া এলাকায় বায়ু দুষণকারী এসব ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। সেসময় অভিযানের সময় বায়ু দুষণের অপরাধে সাভার পৌরসভা এলাকার নামাগেন্ডা মহল্লার মেসার্স কর্ণফুলী ব্রিকসকে ৫ লাখ, মেসার্স এখলাছ ব্রিকসকে ২০ লাখ, মেসার্স মধুমতি ব্রিকসকে ৫ লাখ, ফিরোজ ব্রিকসকে ৬ লাখ, বিরুলিয়া সাদুল্লাহপুর এলাকার মেসার্স মাহিন ব্রিকসকে ২০ লাখ ও রিপন ব্রিকসকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ইটভাটাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ রাখতে সেগুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। অন্যদিকে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই কারখানা কার্যক্রম পরিচালনা করায় মধুমতি কেমিক্যালস এবং একটি টায়ার পুড়ানোকারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। বর্তমানে অনেক ইটভাটা বন্ধ থাকলেও অনেকেই ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন উপজেলার সড়কের পাশে ফসলি জমিতে ইটভাটা করে আবার অন্য ফসলি জমির মাটি কেটে জমি নষ্ট করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোসাব্বের হোসেন মোহাম্মদ রাজীবসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে বলেন, হাইকোর্টের রীট পিটিশন নাম্বার ৯১৬/২০১৯ এর প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী বায়ু দুষণ রোধে অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটা এবং প্রতিষ্ঠানসমুহ বন্ধ করার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মূলত এসব এলাকায় জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স এবং মাটি কাটার লাইসেন্স না থাকায় ভাটাগুলোতে অভিযান চালানো হয়। তারা আরও বলেন, এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    জানা গেছে, শুধু একটি এলাকায় অভিযান চালানো হলেও অন্যসব এলাকায় অবাধে চলছে অবৈধ ইটভাটার মাটি কাটা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশুলিয়ার শিমুলিয়া ও ধামরাইয়ে ইটভাটাগুলোতে ইট পোড়ানো অবাধে চলছে। জানা গেছে, পরিবেশ ও ফসলি জমি রক্ষায় সম্প্রতি এ বিষয়ে হাই কোর্ট নিষিদ্ধ করে ঢাকার আশপাশের ইটভাটা কিন্তু  হাই কোর্টের নির্দেশের পরও অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন করেছে প্রভাবশালী মালিকরা। আদালতের নির্দেশ অমান্য করেই ইটভাটা চালাচ্ছে তারা। এসব অবৈধ ইটভাটা পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। অল্প উচ্চতার ড্রাম-সিটের চিমনির ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হয় বলে বেশি উচ্চতার ইটভাটার চিমনি বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। সরকারের এই আদেশ মানছেন না ইটভাটার বেশিরভাগ মালিক।  

    রাজধানী ঢাকার আশপাশের এলাকা সাভার আশুলিয়া, ধামরাই, মানিকগঞ্জ ও অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশে বেশিরভাগ এলাকায় জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ব্যতিত, ইটভাটাগুলোতে ইট প্রস্তুত করছে। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কৃষি জমিতে গড়ে উঠা ইটভাটার কারণে পরিবেশ চরমভাবে দূষিত হচ্ছে। এতে একদিকে কৃষকদের জমি কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে আম গাছ, কাঁঠাল গাছসহ বেশিরভাগ ফলের গাছ নষ্ট করে কাঠ পুড়ানোর কারণে কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ইটভাটার আশপাশে কৃষকের কৃষি জমিতে ফসল ও ফলের গাছ নষ্ট হচ্ছে। এসব ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন জেলা প্রশাসক।

    বিশেষ করে পরিবেশ আইন-১৪৫ পাতায় “ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩” (গ) জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ব্যতীত, ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে মজা পুকুর বা খাল বা বিল বা খাঁড়ি বা দিঘি বা নদ-নদী বা হাওড়-বাওড় বা চরাঞ্চল বা পতিত জায়গা হইতে মাটি কাটা বা সংগ্রহ করা যাইবে না। (ঘ) ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে নির্ধারিত মানমাত্রার অতিরিক্ত সালফার,অ্যাশ, মারকারি বা অনুরূপ উপাদান সংবলিত কয়লা জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যাইবে না। এরপর (ঙ) (১) আবাসিক, সংরক্ষিত বা বাণিজ্যিক এলাকা, (২) সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর, (৩) কৃষি জমি। (৪) পার্বত্য জেলায় ইটভাটা স্থাপনের ক্ষেত্রে, পার্বত্য জেলার পরিবেশ উন্নয়ন কমিটি কতর্ৃক নির্ধারিত স্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। (৫) বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বা অনুরূপ কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠান হইতে কমপক্ষে ১ (এক) কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে হতে হবে। অঙ্গীকার নামাঃ ১৪৪ পাতায় ৪। শর্তাবলিঃ (ক) ইটভাটায় কোনো অবস্থাতেই কোনো প্রকার জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করা যাইবে না। (খ) লাইসেন্সের কোনো শর্ত লঙ্ঘন বা প্রতিপালন করা হইতেছে কিনা, অথবা আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা হইতেছে কিনা উহা তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক স্বয়ং বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বা তাদের মনোনীত কোনো বন কর্মকর্তা (ফরেস্টার পদের নিম্নে নহে), তারা যেকোনো সময় বিনা নোটিশে ইটভাটায় প্রবেশ ও ভাটা পরিদর্শন করতে পারেন। যে কোনো ইটভাটার মালিক বা ব্যক্তিকে রিমান্ডে বা যে কোনো দলিলাদি তলব করিতে পারেন। আইনে আরও অনেক নিয়ম রয়েছে। জানা গেছে, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর বিভাগ ও ঢাকা বিভাগসহ দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে প্রায় বেশিরভাগ এলাকায় জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ব্যতিত অনেক ইট ভাটায় ইট তৈরি করে পুড়ানো হয়। জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অভিযান শুরু করে, এরপরও পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়নি অবৈধ ইটভাটা। ঢাকা জেলার ধামরাই, সাভার আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে উক্ত ব্যাপারে সত্যতা পাওয়া গেছে। উক্ত ইটভাটার বিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়ার ১নং শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ চাঁন মিয়া বলেন, ৯টি ইটভাটার মধ্যে এই ইউনিয়নের ১টি ইটভাটা বৈধ রয়েছে। সূত্র জানায়, এরকম অবৈধ ইটভাটার কোনো হিসাব নাই। পর্ব-১।

     

  • পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির ২০২৫ সালের বাজেট অনুষ্ঠান

    পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির ২০২৫ সালের বাজেট অনুষ্ঠান

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি

    খুলনার পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির ২০২৫ সালের বাজেট অনুষ্ঠান বুধবার দুপুরে আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। আইনজীবী সমিতির সভাপতি জিএম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিএম আককাছ আলির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিনিয়র সহকারী জজ মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আলহাজ্ব জিএ সবুর, কিশোরী মোহন মন্ডল, পঙ্কজ কুমার ধর, শফিকুল ইসলাম কচি, অজিত কুমার মন্ডল, সুকান্ত কুমার সরকার, চিত্ত রঞ্জন সরকার, আব্দুল মজিদ, প্রশান্ত কুমার রায়, পীযুষ কান্তি সরকার, প্রশান্ত কুমার মন্ডল, অজিত কুমার সরকার, মোহতাছিম বিল্লাহ, সাইদুর রহমান মিঠু, অনাদি কৃষ্ণ মন্ডল, এফএমএ রাজ্জাক, শিবু প্রসাদ সরকার, আবুল কালাম আজাদ, সাইফুদ্দিন সুমন, কাজী সাইফুল ইসলাম, আবু হানিফ সোহেল, জিএম ইব্রাহিম হোসেন ও রাশনা শারমিন আঁখি। অনুষ্ঠানে আইনজীবী সমিতির ২০২৫ সালের ৫৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • পাইকগাছায় ৪৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা’ র উদ্বোধন

    পাইকগাছায় ৪৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা’ র উদ্বোধন

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি

    খুলনার পাইকগাছায় ৪৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। এ উপলক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে উপজেলা প্রশাসন ” জ্ঞান বিজ্ঞানে করবো জয়, সেরা হবো বিশ্বময়” প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর দুই দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলা এবং বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এর আয়োজন করে। মেলায় মোট ১৬ টি স্টল স্থান পেয়েছে। যার কলেজ পর্যায়ে ৫টি এবং স্কুল পর্যায়ে ১১ টি। প্রতিটি স্টলে নিজেদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি তুলে ধরেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ অন্যান্য অতিথি বৃন্দ। এছাড়া শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ মেলায় ঘুরতে আসেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপাধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম রায়, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, একাডেমিক সুপার ভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, বন কর্মকর্তা পবিত্র কুমার মন্ডল, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ঘোষ ও ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের জিএম জাকারিয়া।

  • খুবি উপাচার্যের বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত পাইকগাছা কৃষি কলেজ পরিদর্শন

    খুবি উপাচার্যের বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত পাইকগাছা কৃষি কলেজ পরিদর্শন

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত নির্মাণাধীন পাইকগাছা কৃষি কলেজ পরিদর্শন করেছেন খুবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বুধবার সকালে পাইকগাছা কয়রা সড়কের পাশে কৃষি কলেজ পরিদর্শন করেন। এসময় উপাচার্যের সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজার ড. মোঃ নুরুন্নবী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, খুবির প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ড. মোঃ খায়রুল আলম, পরিচালক পরিকল্পনা ড. সাইফুল ইসলাম, ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর শেখ মাহমুদুল হাসান, ফরেস্ট এন্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুস শাহদাৎ, এগ্রো টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর মোঃ ইয়াসমিন আলী, রেজিস্ট্রার প্রফেসর এসএম মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক শরীফ মোঃ খান, ড. আশিকুর রহমান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী গৌতম মজুমদার, আশরাফুল হক, উপ সহকারী প্রকৌশলী আকরাম হুসাইন ও মাহমুদুল হাসান। পরিদর্শন শেষে খুবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং উপাচার্যের সাথে মতবিনিময় করেন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা এসএম এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আসলাম পারভেজ, বিএনপি নেতা শেখ সাদেকুজ্জামান, আনোয়ারুল কাদীর, সাবেক কাউন্সিলর কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, ইমরান সরদার, কাজী সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, জিএম রুস্তম, আনারুল ইসলাম, ফয়সাল রাশেদ সনি ও সাদ্দাম হোসেন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • নড়াইলে টমেটো চাষ করে দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

    নড়াইলে টমেটো চাষ করে দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে টমেটো চাষ করে দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক। নড়াইলের কালিয়ায় ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় টমেটো চাষ করেছেন কৃষক রমজান খান। আগাম টমেটো চাষ করে দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন। বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় চারা রোপণের পর থেকে টমেটো চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, কালিয়া উপজেলার পৌরসভা ব্লকে ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষনাওরা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, আগাম টমেটো চাষ করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নে রাত দিন খেতের পরিচর্যায় সময় পার করছেন রমজান। বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে পানি নিষ্কাশনের জন্য পলিমালসের মাধ্যমে চাষাবাদ করেছেন। টমেটো চাষি রমজান খান বলেন, চলতি মৌসুমে ২৫ শতাংশ জমিতে গ্রীষ্মকালীন বাহুবলী জাতের ১ হাজার টমেটো চারা রোপণ করেছি। ভালো দাম পাওয়ার আশায় আগাম চাষ করেছি। আমার ৯০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। চারার বয়স ৯৫ দিনের পরের থেকে টমেটো বাজারে বিক্রি শুরু করেছি। আশা করছি ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা লাভ করতে পারব। কৃষক রমজান শেখের টমেটো চাষ দেখে আগামী বছর এ জাতের টমেটো চাষ করবেন বলে জানান একই গ্রামের কয়েকজন কৃষক। তবে এমন উন্নত জাতের বিষয়ে কৃষকের সঙ্গে কৃষি অফিসকেও এগিয়ে আসতে হবে বলে দাবি আগ্রহী কৃষকদের। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার, বলেন, মাঠ পর্যায়ে টমেটো চাষে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে জৈব বালাই নাশক ব্যবহারের পরামর্শ প্রদান করার পাশাপাশি আগাম জাতের সবজি চাষের পরামর্শ প্রদান করে থাকি। কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপজেলায় ২৫ শতাংশ জমিতে গ্রীষ্মকালীন বাহুবলী জাতের টমেটো চাষ করেছেন রমজান খান। কৃষি অফিস থেকে চাষিদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিনামূল্যে বীজ, সার, কীটনাশকসহ নানা কৃষি উপকরণ ও প্রদর্শনী দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি টমেটো চাষের জন্য সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া চাষিদের আগাম টমেটো ও বিভিন্ন সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে এক ব্যক্তিকে কু-পিয়ে ও পিটিয়ে হ-ত্যা

    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে এক ব্যক্তিকে কু-পিয়ে ও পিটিয়ে হ-ত্যা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে জামায়াত নেতা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কওসার আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার চাঁদপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কওসার আলী ওই গ্রামের লুৎফর লস্কারের ছেলে। নিহত কওসার আলী বিগত সরকারের আমলে পুলিশ ও র‌্যাবের সোর্স হিসেবে কাজ করতো।স্থানীয়রা জানায়, গেল রাত ১২ টার দিকে ১৫/২০ জন মুখোশধারী লোক তার বাড়িতে এসে জোরপুর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে বাড়ির পাশের রেলগেটে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করে।নিহত কওসার আলীর মা নুরজাহান বেগম বলেন, গভীর রাতে প্রায় ৫০/৬০ জন মুখোশধারী লোক এসে পুলিশ পরিচয়ে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর খবর আসে বাড়ির পাশের রেললাইনে তাকে কুপিয়ে রেখে গেছে। এ ঘটনার সাথে গ্রামের লোকজন জড়িত আছে। তিনি তার ছেলে হত্যার বিচার চান।কোটচাঁদপুর থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, ২০১৪ সালে জামায়াত নেতা এনামুল মাস্টার হত্যার শিকার হন । এ ঘটনায় গত ৫ আগস্টের পর কোটচাঁদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। কওসার আলী সেই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।