Category: দেশজুড়ে

  • পাইকগাছায় তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশায় ব্যাহত স্বাভাবিক জীবনযাত্রা

    পাইকগাছায় তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশায় ব্যাহত স্বাভাবিক জীবনযাত্রা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    সারা দেশের বিভিন্ন জেলার উপর দিয়ে বয়ে যচ্ছে মৃদু ও মাঝারি ধরনের শৈতপ্রবাহ। তীব্রশীত ও ঘনকুয়াশার কারণে পাইকগাছাসহ উপকূলবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কয়েকদিন যাবৎ তীব্র শীত আর ঘনকুয়াশার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। গভীর রাত থেকে ঘন কুয়াশায় প্রকৃতি ঢাকা পড়ছে। ভোরবেলা যেন ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে। ভোর যেন হয়েও হয়না। সূয্যের আলো দেখা যায় না। সকাল ৯ টার পর সূর্যের ক্ষিন আলো প্রকৃতির উপর আচড়ে পড়তে শুরু করে। ঘন কুয়াশার কারণে প্রতিদিনের কাজকর্ম কিছুটা দেরিতে শুরু হচ্ছে। এতে করে শ্রমজীবি মানুষের কাজ শুরু করতে দেরি হওয়ায় আয় রোজগার কম হচ্ছে। তীব্র শৈত প্রবাহের বিশেষ করে দরিদ্র ও শ্রমজীবি মানুষ বেশি দূর্ভোগ পোয়াচ্ছেন। আর শীতের বেলা ছোট হওয়ায় সাথে কাজ করে এগোনই যাচ্ছে না। সে কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।

    গ্রাম অঞ্চলে তীব্র কুয়াশার পাশাপাশি শহর অঞ্চলেও কুয়াশার প্রভাব পড়ছে। বিকেলের আলো থাকতেই কুয়াশা শুরু হচ্ছে। রাত বাড়তেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে প্রকৃতি। রাত ১১ টার পর থেকে বৃষ্টি পড়ার মতো কুয়াশা পড়া গাছের পাতার পানি পড়তে থাকে সকাল পর্যন্ত। ঘন কুয়াশায় রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সকাল বেলা যানবাহন হেডলাইট চালিয়ে চলাচল করছে। নদীতে ট্রলার নৌকাসহ নৌযান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। ঘন কুয়াশায় খেয়া পারাপারে যাত্রীরা বিড়ম্বনার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে তারা কর্মস্থানে পৌছাতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ঘন কুয়াশার প্রভাবে শিশু, বৃদ্ধরা স্বর্দি জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। শ্বাস কষ্টের রোগীদের কষ্ট বেড়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়েই রোগ বালাই বাড়ছে। এ ব্যাপারে পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এর মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ ইব্রাহিম গাজী জানান, কুয়াশার মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের বের না হওয়া ভাল, গরম কাপড় ব্যবহার করতে হবে এবং ঠান্ডা পানিতে গোসল করা যাবে না। কুয়াশার মধ্যে গরম কাপড় ব্যবহার করে সাবধানে চলাচল করতে হবে।
    কুয়াশার প্রভাবে শাক সবজিসহ কৃষি কাজ কর্মের উপর প্রভাব পড়েছে। কুয়াশার কারণে আলু ক্ষেত, পান ও বোরো বীজতলার কিছুটা ক্ষতি হচ্ছে। পান গাছ থেকে পান হলুদ হয়ে ঝরে পড়ছে, এতে করে পান চাষীরা ক্ষতি শিকার হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো; একরামুল হেসেন জানান, ঘন কুয়াশায় শাক সবজির কিছুটা ক্ষতি হচ্ছে। বোরো ধানের বীজতলার চারা বড় হয়ে যাওয়ায় তেমন একটা ক্ষতির সম্ভবনা নেই। তবে রোপনকৃত বোরো ক্ষেতের চারা সূর্যের আলো ঠিকমত না পাওয়ায় খাদ্য তৈরী করতে পারছে না। এতে করে চারা হলুদ বর্ণ ধারণ করতে পারে। এব্যাপারে কৃষকদের তীব্রশীতের মধ্যে বোরো চারা রোপন করতে নিষেধ করা হয়েছে শীত একটু কমলে বোরো আবাদ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের চাষিদের কৃষি অফিসের মাধ্যমে কুয়াশার প্রভাব থেকে সবজি ক্ষেত ও বোরো ক্ষেত কুয়াশার প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

  • গড়ইখালী আলমশাহী ইনস্টিটিউট এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক  প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    গড়ইখালী আলমশাহী ইনস্টিটিউট এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার গড়ইখালী আলমশাহী ইনস্টিটিউট এর দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় মাঠে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ। বিশেষ অতিথি ছিলেন একাডেমিক সুপার ভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম ও শিক্ষক হাফিজুর রহমান । উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক গোপাল চন্দ্র মন্ডল, ব্রজেন্দ্র নাথ মৃধা, শ্যামল রায়, এএইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান, সুজিত মন্ডল, বাসনা ঢালী, ডালিমা মৃধা, পিনাকী রায়, মনোজ কান্তি মন্ডল ও স্বনন্দে মিস্ত্রি।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • পাইকগাছার লতার এবিডিপি এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতিকে সংবর্ধনা

    পাইকগাছার লতার এবিডিপি এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতিকে সংবর্ধনা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার লতা এবিডিপি এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর মোঃ ইমরান সরদার কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয় মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাকে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সদস্য সচিব বরুণ কান্তি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক অরন্য রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক প্রতিনিধি জিএম আব্দুল হামিদ, অভিভাবক সদস্য পল্লব গোলদার, মাসুদ মোল্লা, শিক্ষক রাশিদা খাতুন, মাসুদুর রহমান, মিল্কীওয়ে টিকাদার, দেলওয়ার হোসেন, নারায়ণ কবিরাজ, শংকর কুমার বিশ্বাস, অমল রায়, যুথিকা রাণী মল্লিক,তাপস মন্ডল, আফসারুল হক, মাধবী স্বর্নকার, হারুন অর রশীদ, বিপ্লব কুমার সরদার, আব্দুর রাজ্জাক গাজী, মোছাল গাজী, মনিরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, তৈয়েবুর রহমান, শিক্ষার্থী নাঈম শেখ ও ঐশী গোলদার।

  • পাইকগাছা পৌরসভার উন্নয়নে ৮দফা দাবিতে মাউক’র স্মারকলিপি প্রদান

    পাইকগাছা পৌরসভার উন্নয়নে ৮দফা দাবিতে মাউক’র স্মারকলিপি প্রদান

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা পৌরসভার উন্নয়নে ৮ দফা দাবিতে মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের (মাউক) পক্ষ থেকে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীদের সাথে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক ও পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. এফ এম এ রাজ্জাক। এসময় মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আলাউদ্দীন রাজা, মানবাধিকার কর্মী এড. প্রধীশ হালদার, সাংবাদিক পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, ১৯৯৭ সালে ১ ফেব্রুয়ারি পাইকগাছা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ‘তৃতীয়’ থেকে “দ্বিতীয় “, “দ্বিতীয় ” থেকে “প্রথম ” শ্রেণিতে উন্নীত হলেও সুদীর্ঘ ২৮ বছরে পৌরসভার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। তাই পৌরসভার উন্নয়নে ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত কল্পে মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ৮ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা । দাবি সমূহ হলো – পৌরসভার অভ্যান্তরে লোনাপানি উঠানামা বন্ধ করা। যারা ওয়াদার বাঁধ কেটে বা সরকারি স্লুইসগেট দিয়ে লোনাপানি উত্তোলন করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। পৌরসভার সাপ্লাই পানির প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য সম্মতসহ পানির মূল্য কমানো, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড সহ অন্যান্য ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার ও পাকাকরণ, পৌরসভার পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার, পৌরসভার জিরো পয়েন্টে বাস-ট্রাক পার্কিং বন্ধ সহ পৌর বাজারের ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাবলিক টয়লেট ও ডাস্টবিন নির্মাণ, গরুছাগলের হাট নির্মাণ, ষ্ট্রিট লাইট স্থাপন ও সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ, পৌরসভার শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মধুমিতা পার্কটি সম্পূর্ণ দখল মুক্ত করে সংরক্ষণ ও বিনোদনের উপযোগী করার দাবি জানানো হয়। এ
    সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মাহেরা নাজনীন বলেন , সমস্যা গুলো দীর্ঘদিনের। সকলের সহযোগিতা পেলে সমস্যা গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

  • পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন

    পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় ওএমএস কর্মসূচির আওতায় খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা সদরের চিংড়ি বিপণন মার্কেট সংলগ্ন ডিলার জুই আক্তারের বিক্রয় কেন্দ্র এবং সরল শান্তির মোড় সংলগ্ন ডিলার সুচরিতা রাণী দাশ এর বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের সাথে বিক্রয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন। তিনি সরকারের খাদ্য অধিদপ্তরের এ কর্মসূচি দেশের সকল মানুষের জন্য নির্ধারণ করা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিক্রয় কেন্দ্র থেকে যেকোনো ব্যক্তি ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন ৫ কেজি চাল সংগ্রহ করতে পারবেন। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনবান্ধব এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে কার্যক্রম পরিচালনায় সকলকে সহযোগিতা করার আহবান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, ট্যাগ অফিসার সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জিএম বাবলুর রহমান, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এনামুল হক ও শাহেদুজ্জামান বাবু। উল্লেখ্য গত ১২ জানুয়ারি থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের আওতায় উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলা সদরের দুটি বিক্রয় কেন্দ্র থেকে দুইজন ডিলারের মাধ্যমে সরকারি ছুটি ব্যতীত প্রতিদিন দুই মেট্রিক চাল ৩০ টাকা কেজি দরে মাথাপিছু ৫ কেজি করে চাল বিক্রয় করা হচ্ছে।

  • পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

    পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদের মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। উপজেলা পরিষদের ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের উন্নয়ন তহবিল থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪১ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে বাই সাইকেল প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ, একাডেমিক সুপার ভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ঘোষ ও উপজেলা পরিষদের সিএ কৃষ্ণ পদ মন্ডল।

  • দোয়ারাবাজারে বাবার কবরে ওয়াজ মাহফিলের পরিবর্তে ওরসের নামে অশ্লীলতা বন্ধের দাবিতে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ

    দোয়ারাবাজারে বাবার কবরে ওয়াজ মাহফিলের পরিবর্তে ওরসের নামে অশ্লীলতা বন্ধের দাবিতে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঢুলপশী গ্রামের নিজ বাড়িতে ওরসের নামে ডাক-ঢুল বাজিয়ে মদ-গাজার আসর ও অশ্লীলতা বন্ধের জন্য মৃত জহুর আলীর তিন ছেলে (২৩ জানুয়ারি) লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) বরাবরে।

    লিখিত অভিযোগে মৃত জহুর আলীর তিন পুত্র, মো. খুরশেদ আলম, মো. রহিদ আলী. মো. শমসের আলী উল্লেখ করেন, উনাদের ছোট ভাই মো. কামাল উদ্দিন সবসময়
    আমাদের পিতা জহুর আলী একজন পীর ছিলেন বলিয়া গ্রাম এলাকার লোকজনের নিকট প্রচার করে বেড়ায় এবং আমাদের পিতা জহুর আলী মৃত্যুর সময় কামাল উদ্দিনকে প্রতি বছর বসত বাড়ীতে ওরস অনুষ্ঠান করার কথা বলিয়া যান। অথচ
    আমাদের পিতা জহুর আলী জীবিত থাকা অবস্থায় সবসময় নিজ বাড়ীতে ওয়াজ মাহফিল করতেন। ওরসের নামে মদ গাজা ও অশ্লীলতা করতেন না তিনি। ইদানীং আমাদের ছোট ভাই মো. কামাল উদ্দিন, ওরসের নামে বখাটে যুবক যুবতীদের আনিয়া মদ, গাঁজা সহ নাচ গানের আসর বসাইয়া অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। এই বিষয়ে আমরা পরিবারের লোকজন সহ গ্রাম এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিগন বাঁধা নিষেধ করিলে, কামাল উদ্দিন আমাদেরকে মারপিট ও খুন খারাপি করিবে বলে প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করিয়া থাকে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারী-২৫ ইং রবিবার দিবাগত রাতে আমাদের ছোট ভাই কামাল উদ্দিন জোরপূর্বক ওরস করাবে বলে প্রচার করিতেছে। ঐসব অশ্লীলতা বন্ধ ও ওরস ঠেকাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
    অভিযোগ কারী তিন ভাইয়ের বক্তব্যে জানান, আমার বাবার কবরে এসব নাচ-গান, মদ-গাজার আসর বসিয়ে বেহায়াপনা ও অশ্লীলতা করে বাবার কবরকে জাহান্নামের নরকে পৌঁছাতে চাই না। আমরা প্রশাসন সহ দেশবাসী ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি বিচার প্রার্থী।
    এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেহের নিগার তনু জানান, একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নোয়াখালীতে থানার পুকুর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় লুট হওয়া চায়না রাইফেল উদ্ধার

    নোয়াখালীতে থানার পুকুর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় লুট হওয়া চায়না রাইফেল উদ্ধার

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    নোয়াখালীর চাটখিল থানা থেকে লুট হওয়া একটি চায়না রাইফেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসম্বের) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চাটখিল থানার পুকুর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাইফেলটি উদ্ধার করা হয়।এর আগে, গত ৫ আগস্ট চাটখিল থানায় হামলা-অগ্নিসংযোগ করে ওই রাইফেল লুট করা হয়।আগ্নেয়াস্ত্রটি কে বা কারা থানার পুকুরে ফেলে রেখেছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী।
    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে চাটখিল থানার পুকুরে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র থাকতে পারে।এরপর বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ ওই পুকুরের পানিতে নেমে তল্লাশি চালায়। অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি চাইনা রাইফেলটি উদ্ধার হয়।পরে সেটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন,গত ৫ আগস্ট থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র দুর্বৃত্তরা লুট করে নিয়ে যায়।এর মধ্যে এখনো ১১টি আগ্নোয়াস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি।লুণ্ঠিত অস্ত্রের মধ্যে চাটখিল থানার তিনটি চায়না রাইফেল রয়েছে।উদ্ধারকৃত চায়না রাইফেলটি কাগজ পত্রে মিলিয়ে দেখা হবে।

  • স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসনকে জনগণের দোরগোড়ায়  পৌছাতে  কাজ করছেন ডিসি মফিদুল

    স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসনকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছাতে কাজ করছেন ডিসি মফিদুল

    আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসনকে একটি দুর্ণীতিমুক্ত,স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রশাসন হিসাবে গড়ার মাধ্যমে একটি জনকল্যাণকর জনপ্রশাসন হিসাবে জনগণকে উপহার দিতে কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম। যে কোন মানুষের সমস্যা বা দুর্ভোগের কার্যকর সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করেন তিনি ।স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসনকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন ডিসি মফিদুল আলম।

    জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  হিসেবে যোগদানের পর থেকেই জেলা প্রশাসনকে স্বচ্ছ ও দুর্ণীতি মুক্ত জনপ্রশাসন হিসেবে গড়তে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে মতবিনিময়কালে দেখা গেছে নির্ভীক, নিরহংকার ও সদালাপী এই মানুষটির মনে রয়েছে নানান স্বপ্ন ও উদ্ভাবনী ভাবনা যা তিনি বাস্তবায়ন করার জন্য বদ্ধপরিকর।

    সরকারের সকল এজেন্ডা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সমাজের সর্বশ্রেণী মানুষের সার্বিক কল্যাণে নিরন্তর ব্যস্ত থাকেন তিনি। ইতোমধ্যে তিনি ও  তার টিম সারা জেলায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। এছাড়াও সেবা গ্রহীতাগণ জেলা প্রশাসনের কোন সেবা হতে বঞ্চিত হলেও অভিযোগ জানাতে পারেন জেলা প্রশাসকের মোবাইল নম্বরে।

    কিছু মানুষ নিজেদের কর্মগুনে জনমনে স্থান করে নিয়েছেন। তেমনি একজন   জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মফিদুল আলম। প্রশাসনের কাজে তিনি যেমন দক্ষ তেমনি একজন মানবিক ব্যক্তিও।  ময়মনসিংহের জেলা  প্রশাসক  হিসাবের যোগদান করার  পর তাঁর মানবিক মূল্যবোধ এবং কর্মদক্ষতায় ময়মনসিংহ জেলা বাসি  মুগ্ধ। 

     অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও কোটি কোটি টাকার  খাস  জমি উদ্ধার সহ  তিনি   কোন ধরনের    অন্যায়ের সাথে  কখনো  আপোস না করায় তিনি আসার পর এ জেলার অবৈধ বালু, ভূমি, ব্রীক্স সহ অনেক অবৈধ ব্যবসা-ই এখন বন্ধের পথে। কোন বিশেষ প্রয়োজনে তাঁর সাথে দেখা করতে চেয়ে সুযোগ পাওয়া যায়নি এমন ঘটনা বিরল। সাক্ষাৎ প্রত্যাশী মানুষের কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে তাদের সমস্যা বা দুর্ভোগের কার্যকর সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া, চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কাজে ময়মনসিংহব্যাপী আলোচিত ডিসি মফিদুল আলম।

    একজন সৎ আদর্শবান ও ক্লীন ইমেজের ব্যক্তি হিসাবে জেলায় সকলের মাঝে আলোচিত হয়ে উঠা এই জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহর অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে উন্নয়নে নিরলস কাজ করাসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক কার্যালয়কে দালাল, ঘুষ, দূর্নীতি, মাদকমুক্ত করে ময়মনসিংহকে মডেল জেলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দিনরাত ছুটে চলেছেন তিনি।

    ময়মনসিংহবাসী পেয়েছেন অক্লান্ত পরিশ্রমী এক অভিভাবককে । অসহায়, দারিদ্র, নিপিড়িত তথা সুবিধা বঞ্চিত লোকজন ময়মনসিংহে মফিদুল আলম এর যোগদানে তাদের আস্থার জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ডিসি মফিদুল আলম এ জেলায় গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে যোগদানের পর থেকে তিনি তার দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে সর্বস্তরে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার যে কোন সমস্যা বা সম্ভাবনার তথ্য পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি সেখানে ছুটে যান খোঁজ নিতে।

    বিসিএস ব্যাচ ২৪ এ উত্তীর্ণ প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা এর আগে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের একান্ত সচিব পদে কর্মরত ছিলেন।

    কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা গ্রামের মরহুম মাওলানা রশিদ আহমদ ও মরহুমা লুলু মরজানের জ্যেষ্ঠ পুত্র মুফিদুল আলম কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান অধিকার করে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্সসহ এম.বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২৪তম বিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগ দেন। চাকরিজীবনে মুফিদুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসাবে সন্দ্বীপ, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, পানছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় এবং বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের একান্ত সচিব (পিএস), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসাবে দায়িত্ব
    পালনের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসনকে জনকল্যাণে পৌছে দিতে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন। ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি তিনি নিজেকে মানবসেবায় সর্বদা নিয়োজিত রেখে চলেছেন। জেলার যে কোনো সমস্যার সমাধানে বিদ্যুতের গতিতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। প্রতিটি এলাকায় শুরু করেছেন উন্নয়নের ছোয়া ও দুস্থ অসহায়দের সহযোগিতা। এছাড়া যেখানে অনিয়ম দেখছেন সেটাকে তিনি শক্ত হাতে দমন করছেন। নিরপেক্ষ জায়গা হিসাবে সকলে খুজে নিয়েছেন ডিসি মফিদুল আলম কে। ময়মনসিংহকে জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও যানজট মুক্ত জেলা গড়তে নিয়েছেন জরুরী পদক্ষেপ। ময়মনসিংহ নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ও বিভিন্ন বাজারের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে চেম্বার কমার্স ও ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ব্যবস্থা করছেন। পরিবেশ সংরক্ষনের জন্যও সকলকে সচেতন করছেন। দুর্ণীতি ও মাদক নির্মূলে অভিযান করার পাশাপাশি নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন।

    সরকারের খাঁস জমি অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে দখলমুক্ত করে সরকারি জিম্মায় আনতে কাজ করছেন। ডিসির নির্দেশে সার্টিফিকেট মামলার কেস নথিগুলো রেগুলার করা হয়েছে। ভিপি আদায় বৃদ্ধির জন্য অচল নথির পুরাতন ইজারাদারকে নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। বিভিন্ন আইনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কারণে একদিকে স্বভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন সাধারন জনগন।অপরদিকে জরিমানা আদায়ের ফলে সরকারী কোষাগারে অর্থ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের বরাদ্দকৃত ঘর সহ বিভিন্ন কাজ সঠিক ভাবে মনিটরিং করায় কাজের মান নিয়ে জটিলতা দুর হচ্ছে বলে জনসাধারন মনে করছেন। জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা মোতাবেক ময়মনসিংহ জেলাকে শতভাগ দুর্ণীতিমুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছি। ভূমি দস্যু,দূর্ণীতিবাজ,মাদক,সন্ত্রাস দালালদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবেনা। তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে একটি জনকল্যাণমুখী গতিশীল প্রশাসন গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সহযোগিতায় মময়মনসিংহ জেলা থেকে অনিয়ম, দূর্ণীতি দূর করাসহ,মাদকমুক্ত করে জেলাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্নের মডেল জেলায় রূপান্তিত করবো ইনশাল্লাহ।

    জেলাকে নাগরিককেন্দ্রিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, জ্ঞানভিত্তিক, কল্যাণমুখী, সমন্বিত দক্ষ স্মার্ট প্রশাসন গড়ার মাধ্যমে জনগণকে উন্নত ও মানসম্মত সেবা প্রদান ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসক বলেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজ থেকে দুর্নীতির মূলোৎপাটন করতে কাজ করে যাচ্ছে। সর্বস্তরের জনতার মাঝে মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব গড়ে তোলার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষে দুর্নীতির কুফল ও দুর্নীতি রোধে করণীয় বিষয়ে সকলকে সআেতন করে তোলার চেষ্টা চলছে ।

    এছাড়াও সন্ত্রাস দমন, সব নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।
    জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গড়ে তোলা হবে এমন প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

  • টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ 

    টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ 

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া

    ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ এর আন্তঃহাউজ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।   

    প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এফডব্লিউসি, পিএসসি, জিওসি, ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার , ঘাটাইল এরিয়া  মেজর জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ মাসীহুর রহমান। 

    বিশেষ অতিথি ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বিপিএম,এনডিসি. এফডব্লিউসি, পিএসসি, কমান্ডার , ৩০৯ পদাতিক ব্রিগেড, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম । 

    প্রথমে অতিথিদেরকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ পিএসসি, এইসি ও বেগম ফাবলিহা বুশরা । পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শহীদ সালাহ উদ্দিন সেনানিবাসের উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা , সম্মানিত  অভিভাবকসহ  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

    ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে জ্যাঁকজমকপূর্ণ মার্চপাষ্ট ও মনোজ্ঞা থিম ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে  প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের ধারাবাহিক বজায় রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্র গঠনসহ দেশপ্রেমিক , আদর্শ ,সৎ  ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে  প্রতিষ্ঠিত হয়ে সুন্দর সুখী বাংলাদেশ গড়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।