Category: দেশজুড়ে

  • রাজশাহীতে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায় নগরীর ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহ্ মখদুম (রহ:) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে

    রাজশাহীতে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায় নগরীর ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহ্ মখদুম (রহ:) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী: রাজশাহীতে ঈদুল আযহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায় নগরীর ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহ্ মখদুম (রহ:) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। তবে বৈরী আবহাওয়া হলে সকাল ৮ টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে হযরত শাহমখদুম (র.) দরগা মসজিদে।

    এছাড়া মহানগরীর অন্যান্য ঈদগাহে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী আঞ্চলিক তথ্য অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    এদিকে স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নগরীতে প্রথম দুটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায় আমচত্ত্বর আহলে হাদীস মাঠ এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে।

    এছাড়া সকাল সাড়ে ৭টায় নগরীর উপশহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, বড়বনগ্রাম আল ফারুক জামে মসজিদ, শালবাগান গণপূর্ত মাঠ, বিনোদপুর আহলে হাদিস জামে মসজিদ এবং মেহেরচন্ডি নতুনপাড়া ঈদগাহে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নগরীর বালিয়াপুকুর জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল পৌনে ৮টায়।

    এছাড়া সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে নগরীর সাহেব বাজার বড় রাস্তা, টিকাপাড়া ঈদগাহ মহানগর ঈদগাহ, হাজী লাল মুহাম্মদ ঈদগাহ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, লোকনাথ স্কুল মাঠ, পাঁচানীমাঠ ঈদগাহ, ডাঁশমারি পূর্বপাড়া ঈদগাহ, ডাঁশমারি বাইতুল মারেফত মাঠ, সাতবাড়িয়া ঈদগাহ, মেহেরচন্ডি ঈদগাহ, মির্জাপুর ঈদগাহ, মির্জাপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ, বুলনপুর ঈদগা, মসজিদ-ই-নূর ঈদগাহ, কয়েরদাড়া ঈদগাহ, মদিনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসা মাঠ, ডিঙ্গাডোবা ঈদগাহ মাঠ, কাশিয়াডাঙ্গা সিটি গেইট ঈদগাহ, কাশিয়াডাঙ্গা ঈদগাহ, মির্জাপুর পূর্ব পাড়া ঈদগাহ, ফিরোজাবাদ ঈদগাহ।

    সকাল সোয়া ৮টায় রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়াম (তেরখাদিয়া) ঈদগাহ, শিরোইল সরকারি হাই স্কুল ঈদগাহ, মালদা কলোনী ঈদগাহ এবং রামচন্দ্রপুর মহলদার পাড়া ঈদগাহে ঈদুল আযহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

    সকাল সাড়ে ৮টায় রাজশাহী জজ কোর্ট ঈদগাহ ময়দান, লক্ষীপুর ভাটাপাড়া ঈদগাহ, রায়পাড়া বসরী ঈদগাহ, কাঠালবাড়ীয়া ঈদগাহ, রায়পাড়া ঈদগাহ, রাজশাহী কোর্ট স্টেশন ঈদগাহ, মোল্লাপাড়া ঈদগাহ, লক্ষীপুর ভাটাপাড়া ঈদগাহ মাঠ, কোর্ট বুলনপুর ঈদগাহ মাঠ, খোজাপুর গোরস্থান ঈদগাহ মাঠ, জাহাজঘাট মোড় ঈদগাহ মাঠ, খোজাপুর ১ নম্বর ঈদগাহ, শহীদবাগ জামে মসজিদ এবং ধরমপুর মধ্যপাড়া ঈদগাহ মাঠে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া উপশহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ঈদগাহ, চৌদ্দপাই মোড় ঈদগাহ, বুধপাড়া ঈদগাহ ময়দান, খাদেমুল ইসলাম স্কুল এন্ড কলেজ এবং তালাইমারী বাজার ঈদগাহ ময়দানে একই সময়ে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

    এদিকে ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহী নগরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে ঈদে ১৮ নির্দেশনা অনুসরনের কথা বলা হয়েছে। রাজশাহী আঞ্চলিক তথ্য অফিস জানায়, রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দমুখর পরিবেশে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদ্যাপনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সরকারি ভবন ও সড়কসমূহ সজ্জিত করা হবে।

    পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে ওইদিন সুবিধামতো সময়ে হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশুপরিবার, শিশুপল্লী, শিশুসদন, ছোটমণি নিবাস, শিশুবিকাশ কেন্দ্র, সেফ হোম এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করবে।

    পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা যেন দ্রুততম সময়ে বর্জ্যসমূহ অপসারণ করতে পারে সেজন্য কোরবানীর বর্জ্য যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে যে সময়ে ইদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে যে সময়ে ইদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে

    রাজশাহী মোঃ হায়দার আলীঃ পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে গ্রহন করা হয়েছে নানা কর্মসূচি। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সরকারি ভবন ও সড়ক সজ্জিত করার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

    ইয়াতিমখানার ইয়াতিমদের জন্য উন্নতখাবার, নতুন পেশাকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ দুস্থ্য, অসহায়, প্রতিবন্ধী, ইয়াতিমদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করবেন, সকাল দুপুরে একসাথে খাবেন বলে জানা গেছে। তিনি এবারই প্রথম গোদাগাড়ী উপজেলার দুটি পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়নের সব ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত জামায়াতের সময় সূচি, ইমাম, কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ও মোবাইল নম্বর ফেসবুকে প্রচার করে চমক সৃষ্টি করেছেন। উপজেলাবাসী তার এ পরিশ্রমী কাজের জন্য প্রশাংসা করছেন। হাজার মানুষ লাইক, কমান্ড, শিয়ার করেছেন।

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার বারুইপাড়া ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৭ টার সময় ঈদ-উল-আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে রারুইপাড়া ঈদগাহ ময়দানে। একই সময়ে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে, শাহ সুলতান কামিল মাদ্রাসা, মহিশালবাড়ী পুরাতন জামে মসজিদ, আচূয়া তারতোলা ঈদগাহ ময়দান, মাদারপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ,
    মাদারপুর ঈদগাহ ময়দান, কুঠিপাড়া কদমতোলা ঈদগাহ ময়দান, ডাঙ্গাপাড়া আল আরাফা ঈদগাহ ময়দান,
    বুজরুকরাজরামপুর ঈদগাহ ময়দান, লালবাগ হেলিপ্যাড ঈদগাহ ময়দান,
    শ্রীমন্তপুর আহলে হাদীস ঈদগাহ ময়দান,
    গোদাগাড়ী উপজেলা কেন্দ্রীয়, জোত গোসাইদাস ঈদগাহ ময়দান, সারাংপুর জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দান, জাহানাবাদ আলিয়া মাদ্রাসা ঈদগাহ ময়দান, সুলতানগঞ্জ হাই স্কুল ঈদগাহ ময়দান, কাঁকনহাট পৌরসভার ঘিয়াপুকুর নতুন পাড়া উত্তর ঈদগাহ মায়দানে সকাল ৮ টায়,
    ঘিয়াপুকুর নতুন পাড়া দক্ষিন ঈদগাহ মায়দানে সকাল ৮ টায়,
    নুন্দরপুর ঈদগাহ মায়দান, , ঘিয়াপুকুর মোর্ড ঈদগাহ মায়দান, কাঁকনহাট কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মায়দান, রসুলপুর -কমেদপুন ঈদগাহ মায়দানে সকাল সাড়ে ৭ টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে।

    এছাড়া রাজাবাড়ি হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭ টায়, রাজাবড়ি কলেজ গেট আবাসিক এলাকা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায়, পালপুর ধরমপুর, পাথারঘাটা, ইশ্বরীপুর, ফুলবাড়ি ঈদগাহ ময়দানে জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে। এ দিকে সকাল সাড়ে ৭ টার সময় চর বয়ারমারী ঈদগাহ ময়দান,
    চর দিয়াড় মানিক চক ঈদগাহ ময়দান,
    চরভূবণপাড়া ঈদগাহ ময়দান, চর কানাপগড়া ঈদগাহ ময়দান, চর নওসেরা, চরহনুমন্তপুর ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামায়ত অনুষ্ঠিত হবে।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার রারুইপাড়া ঈদগাহ ময়দানের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ইসহাক আলী বিশ্বাস বলেন, ঈদগাহের ধারেকাছেও সব ধরনের কর্যক্রম শেষ হয়েছে, এখানে ৬ হাজারের বেশী নারী, পরুষসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করবেন। মহিলাদের জন্য আলাদাভবে পর্দার সহিত নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদি বৃষ্টি হয় স কিংবা আবহাওয়া অনূকূলে না থাকলে মসজিদের এক ও দু তলা, মার্কেটের বারান্দায় নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে। এক্ষেত্রে পুরুষদের সকাল সাড়ে ৭ টায় এবং মহিলাদের ৮ টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ইনসাল্লাহ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রায় প্রায় প্রতিটি ঈদগাহে বৃষ্টি হলে বিকল্প ব্যবস্থায় ঈদের নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। বলে কমিটির সভাপতি, সম্পাদক ও ঈমামগণ জানিয়েছেন।

    উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, উপজেলার ঈদের সকল প্রস্তত্তি শেষ হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে গোদাগাড়ীতে ২১ হাজার ২শ ৬১টি পরিবারের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়েছে।
    কোন দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থূের মাঝে জন প্রতি (ভিজিএফ) এর ১০ কেজি চাল না পেয়ে থাকেন তবে তাদের জন্য নিজস্ব ব্যক্তিগতভাবে ২/১ শ টাকার ব্যবস্থা করা হবে ইনসাল্লাহ। ৯ মেট্রিক টন লবন বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। কুরবানী পশুর চামড়ার মান ও বাজার মূল্য ভালো পাওয়ার জন্য যথাযথভাবে চামড়া সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তাই ঈদুল আযহার সময় যে সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান চামড়া সংরক্ষণ করেন, তারা যেন ন্যায্য দাম পান ও চামড়ার গুনগত মান বজায় রাখা যায়, তার জন্য বিনামূল্যে লবন সরবরাহ করা হয়েছে। ইয়াতিম, অসহায় শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ, উন্নত খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সরিকল স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে রাস্তা মেরামত

    সরিকল স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে রাস্তা মেরামত

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ গৌরনদীর সরিকলে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বাটাজোরের সংযোগ সড়কের আগরপুর সরিকলের পাকা রাস্তা বেহাল দশায় পরিনত হলে দৃষ্টি গোচরে পরে সরিকল স্বেচ্ছাসেবি সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত সদস্য বৃন্দদের।

    তারি ধারাবাহিকতায় গত ৪/৫ জুন ২০২৫ ইং দুই দিন ব্যাপি সকাল সন্ধ্যা তাদের নিজদের উদ্যোগ ও নিজ শ্রমে প্রাই স্হানের ডেবে যাওয়া রাস্তা পূঃনসংস্কারে মাধ্যমে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুরদুরান্ত থেকে আগত ঘড়ে ফেরা মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ও যাত্রা সুগম করতে নিরালোশ ভাবে কাজ করে রাস্তার পূঃনসংস্কার করেন এই স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন।

    সংগঠনের সভাপতি মোঃ মজিবুল হাসান টিটুর সভাপতিত্বে সার্বিক সহোযোগিতায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক -মোঃ নুরুজ্জামান শরীফ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সুমন, মোঃ মাসুম মৃধা, মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল,মোঃ রহমান হাং,মোঃ মতিউর রহমান নয়ন, সাইদুল ইসলাম, তৈয়বুর রহমান লিমন,মোঃ আল আমিন সুমন সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য বৃন্দরা।

  • রাজশাহীতে চাম-ড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে বিতরণ হচ্ছে ২৬৩ মেট্রিক টন লবণ, ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে

    রাজশাহীতে চাম-ড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে বিতরণ হচ্ছে ২৬৩ মেট্রিক টন লবণ, ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী: কোরবানির ঈদে পশু জবাইয়ের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো চামড়া সংরক্ষণ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক সময় এই চামড়া শিল্প ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী খাত। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে এ খাত নানা সংকটে পড়েছে।

    বিশেষ করে গ্রামীণ ও স্থানীয় পর্যায়ে মসজিদ, মাদ্রাসা, ইয়াতিমখানা এবং লিল্লাহ বোর্ডিংগুলো কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করে যা আয় করত, তা দিয়ে তাদের বার্ষিক অনেক খরচ নির্বাহ হতো। অথচ সময়ের সাথে এই আয়ের উৎসটি প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।

    সঠিকভাবে চামড়া সংরক্ষণের অভাবে অনেক সময় তা পচে যায়, ফলে বাজারে বিক্রি করাও সম্ভব হয় না। এ কারণে সরকারের পক্ষ থেকে এবার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা রাজশাহী জেলায় কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ২০২৫ সালের ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে রাজশাহী জেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চামড়া সংরক্ষণের জন্য ২৬৩.৩ মেট্রিক টন লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই লবণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে মসজিদ, মাদ্রাসা, ইয়াতিমখানা এবং লিল্লাহ বোর্ডিংসহ বিভিন্ন চামড়া সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানের মাঝে।

    উপজেলা ভিত্তিক বরাদ্দঃ রাজশাহী জেলার মোট নয়টি উপজেলাসহ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যে পরিমাণ লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার বিবরণ নিম্নরূপ:গোদাগাড়ী উপজেলা: ৯ মেট্রিক টন বাঘা উপজেলা: ৫৮.৩ মেট্রিক টন চারঘাট উপজেলা: ৯ মেট্রিক টন
    পুঠিয়া উপজেলা: ১৩.৫ মেট্রিক টন দুর্গাপুর উপজেলা: ১৩ মেট্রিক টন তানোর উপজেলা: ৬ মেট্রিক টন বাগমারা উপজেলা: ২০ মেট্রিক টন
    পবা উপজেলা: ৬৪.৯ মেট্রিক টন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন: ৪২.৬ মেট্রিক টন

    এই লবণ প্রায় ১৩৫ টি এতিমখানা, মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং-এ সরাসরি বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে লবণের ঘাটতির মুখোমুখি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

    প্রশাসনের তদারকি ও ব্যবস্থাপনাঃ রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মির্জা ইমাম উদ্দিন জানিয়েছেন, “শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলাভিত্তিক তালিকা তৈরি করে এসব প্রতিষ্ঠানকে ঈদের আগেই লবণ সরবরাহ শুরু করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা স্থানীয় পর্যায়ে এই কার্যক্রম তদারকি করছেন এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সার্বিক পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।”

    মাঠ পর্যায়ে ইতিবাচক সাড়াঃ গোদাগাড়ী উপজেলার নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে ১৫ টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রণয়ন করে লবণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে চামড়া সংরক্ষণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। আশা করছি এবছর স্থানীয় পর্যায়ের চামড়া ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়বেন না, বরং লাভবান হবেন।”

    জেলা প্রশাসকের দৃষ্টিভঙ্গিঃ রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, “ঈদ-উল-আযহাকে কেন্দ্র করে চামড়া একটি বড় বিজনেসের অংশ। বিগত বছরগুলোতে মসজিদ-মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো এই খাতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা দেখেছি, লবণের অভাবে চামড়া নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে এই শিল্প একেবারে ধ্বংসের পথে। সরকার এবার অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “লবণ বরাদ্দ ও ক্রয়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বিতরণ কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান কতগুলো চামড়া সংগ্রহ করবে সে অনুযায়ীই লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোন প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় লবণ না পায়।”

    চামড়া জেলার বাইরে নেওয়ায় বিধিনিষেধঃ চামড়া শিল্পে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও বাজারে অস্থিরতা রোধে সরকার একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে- ঈদের পর প্রথম ১০ দিন চামড়া জেলার বাইরে নেওয়া যাবে না। দেশের ৬৪ জেলায় একই নীতিমালা বাস্তবায়িত হবে। এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টরা চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে স্থানীয়ভাবে প্রস্তুত রাখবে, এরপর ধীরে ধীরে তা বাজারজাত করা হবে।

    রাজশাহীর চামড়া ব্যবসায়ীরা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো মনে করছেন, এই উদ্যোগ তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপ স্থানীয় চামড়া শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করবে বলে তাদের বিশ্বাস।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • আশুলিয়া থানার ওসি সোহরাব আল হোসাইনকে প্রত্যা-হার করে ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত

    আশুলিয়া থানার ওসি সোহরাব আল হোসাইনকে প্রত্যা-হার করে ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইনকে দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসের মাথায় প্রশাসনিক কারণে প্রত্যাহার করে ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    গত বুধবার (৪ জুন ২০২৫ইং) সন্ধ্যায় ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহিনুর কবির গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ওসি সোহরাব আল হোসাইন ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল আশুলিয়া থানায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মাত্র ছয় দিন আগে, ২৯ মে ২০২৫ইং ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে পুরস্কৃত হোন। তবে, তার বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছেন।

    এই ঘটনাটি পুলিশ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি’র হঠাৎ প্রত্যাহার নিয়ে পুলিশ সদস্য ও জনসাধারণের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ইং থেকে ৯ মাসে ৫ জন ওসি আশুলিয়া থানায় রদবদলের ঘটনা ঘটেছে। আশুলিয়ায় চুরি ডাকাতি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয় আর বিভিন্ন অভিযোগ ও মামলা বাণিজ্যের কারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

    আশুলিয়া থানা পুলিশ অফিসার সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়ায় কিছু পুলিশ সদস্য ও কিছু কথিত সাংবাদিক থানায় অভিযোগ ও মামলা বাণিজ্য করছে আর এর দায়ে গত ৯ মাসে ৪-৫ জন ওসি রদবদল হয়েছে, ফেসবুকে কারো সম্মানহানি হয় এমন কোনো পোস্ট করা হলে এখন থেকে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে পুলিশ জানান।

  • বেতাগীতে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায় তরুণদের সবুজ স্বপ্নের অভিযাত্রা

    বেতাগীতে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায় তরুণদের সবুজ স্বপ্নের অভিযাত্রা

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি।।

    বরগুনার বেতাগী উপজেলার বড় পুকুর পারে সড়ক ধরে হাঁটলে চোখে পড়বে চারা গাছের সারি। সবই কৃষ্ণচূড়া। লাল-কমলার মিশ্র ছোঁয়ায় যার পাপড়ি একদিন রাঙাবে শহরের আকাশ। সময় লাগবে কিছুটা। কিন্তু যেদিন এই গাছগুলো ফুলে ফুলে ঝলমল করবে সেদিন হয়তো কেউ ভাববে এই পথের রূপ বদলেছিল একদল স্বপ্নবান তরুণের হাতে।

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকালে বেতাগীর জনপ্রিয় দর্শনীয় এলাকা উপজেলা পরিষদ পুকুর পারে সড়কের পাশে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণের আয়োজন করে স্থানীয় জলবায়ু সচেতন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ও ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ বরগুনা জেলা। শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষার বার্তা ছড়ানোই ছিল তাদের সবুজ বিপ্লব কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

    গাছ রোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করা তরুণরা, স্থানীয় সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী ও পরিবেশপ্রেমী নাগরিকরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক বিষখালী পএিকার সম্পাদক মোঃ আব্দুল সালাম সিদ্দিক, প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বেতাগী উপজেলার ছাত্র প্রতিনিধ মোঃ ইমরান হোসেন, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ বরগুনা জেলার সভাপতি তাকওয়া তারিন নুপুর, গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম মান্না, সংগঠনের সৌরব জোমাদ্দার, তাওহীদ হোসেন, বিন্তি ,ঐশী,ইমন,ইমাম,আবির,সুমাইয়া,ইসরাত,অধরা,আরিফিন ইমাম সহ অনেকে।

    ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ বরগুনা জেলার সভাপতি তাকওয়া তারিন নুপুর বলেন, আমরা শুধু গাছ লাগাইনি বরং ছড়িয়ে দিয়েছি একটুকরো বার্তা। যেখানে এই শহর শুধু কংক্রিটের দেয়ালে আটকে থাকবে না, তরুণদের স্বপ্নে গড়ে উঠবে সবুজে মোড়ানো এক শহর। আর কৃষ্ণচূড়া শুধুমাত্র দৃষ্টিনন্দন গাছ নয়, এটি গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে উষ্ণতা আর নিঃসঙ্গতার বিরুদ্ধে রঙ ও ছায়ায় ভরা এক প্রতিবাদ।

    গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক মোঃ আরিফুল ইসলাম মান্না বলেন, প্রকৃতি আমাদের ক্যামেরায় ধরা দিলেও তার সত্যিকারের রক্ষাকবচ হতে হয় হাতে মাটি লাগিয়ে। যারা আজ গাছ রোপণ করছে ভবিষ্যতের বরগুনায় তাদের চিহ্ন রয়ে যাবে রঙে ও ছায়ায়।

    বেতাগী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু বলেন, পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগও মানুষের হৃদয় নাড়া দেয়। তরুণদের স্বপ্নে এই শহর শুধু একটি মানচিত্রের বিন্দু নয় বরং প্রকৃতিবান্ধব এক নতুন পরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠুক।

    ক্লাইমেট অ্যাক্টিভিস্ট ও গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি প্রতিষ্ঠতা এবং সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম মুন্না বলেন, বড় শহরগুলোর দিকে তাকিয়ে প্রায়ই বলি ওখানে গাছ নেই, বাতাস বিষাক্ত। কিন্তু ছোট শহরগুলো এখনো বদলানোর সুযোগ রাখে এবং তরুণদের এই প্রয়াস সেই সম্ভাবনার দিগন্ত আরও প্রশস্ত করে। গাছ বড় হবে, ফুল ফোটাবে, ছায়া দেবে। হয়তো তখন কেউ নাম মনে রাখবে না। কিন্তু প্রকৃতি ভুলবে না। পাতার দোলায়, বাতাসের গন্ধে, মাটির গভীরে থেকে যাবে তাদের স্পর্শ। এভাবেই দিঘির পাড়ের এই সড়ক একদিন হয়ে উঠবে তরুণদের স্বপ্ন ও সচেতনতার এক জীবন্ত নিদর্শন। প্রকৃতির ছায়ায় শান্তির শহর গড়তে এ ধরনের উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়ুক সারা দেশে।

  • লবনচরা থানায় সন্ত্রা-স মাদ-ক দম-নে বড় সাফল্য ওসি মোঃ তৌহিদুজ্জামানের ৩ কোটির মা-দক-স্বর্ণ জ-ব্দ

    লবনচরা থানায় সন্ত্রা-স মাদ-ক দম-নে বড় সাফল্য ওসি মোঃ তৌহিদুজ্জামানের ৩ কোটির মা-দক-স্বর্ণ জ-ব্দ

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    “খুলনার লবনচরায় সন্ত্রাস-মাদক দমনে বড় সাফল্য, ৩ কোটি টাকার মাদক-স্বর্ণ জব্দ” খুলনার লবনচরা থানা সম্প্রতি সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী অভিযানে অভূতপূর্ব সফলতা অর্জন করেছে। জিরো টলারেন্স নীতিতে দায়িত্ব পালনে অফিসার ইনচার্জ মোঃ তৌহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে পুরো থানা জুড়ে চলছে অপরাধ নির্মূলের ধারাবাহিক অভিযান। গত ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে লবনচরা থানার পুলিশ সদস্যরা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল, মাদকবিরোধী অভিযান ছাড়াও চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই, জাল টাকা, অস্ত্রধারী ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।থানার তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে মে ২০২৫ পর্যন্ত ৯ মাসে থানার অভিযানে জব্দ করা হয়েছে- গাঁজা ১০৪ কেজি ৩৭৫ গ্রাম, ইয়াবা ৭,৪১৪ পিস, ফেনসিডিল ৪৮৬ বোতল, স্বর্ণ ১ কেজি ৭৩০.৫৩ গ্রাম এবং জাল টাকা ৫ লক্ষ টাকা। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ তৌহিদুজ্জামান আজকের ক্রাইম নিউজ এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার বি এম মনির হোসেনকে জানান, “অপরাধ দমনে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিক, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।” এলাকাবাসীর মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে লবনচরাকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করা সম্ভব হবে। লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ তৌহিদুজ্জামান আরো জানান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। এভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ সহ অফিসার ফোঁস সকলে বর্তমানে স্থানীয় জনগণের কাছে নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

  • বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির অনুমোদন সভাপতি সালাম, সম্পাদক হানিফ

    বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির অনুমোদন সভাপতি সালাম, সম্পাদক হানিফ

    স্টাফ রিপোর্টার:
    বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ( বিএমজেএ) ৬৩ সদস্য বিশিষ্ঠ সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ বুধবার ৪ জুন সকালে বিএমজেএ সিলেট বিভাগীয় কমিটির আহব্বায়ক মোহিদ হোসেন সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম ইমরানের স্বাক্ষরিত প্যাডে একুশে টেলিভিশনের সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ আব্দুস সালামকে সভাপতি ও মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি আবু হানিফকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধি কুলেন্দু শেখর দাস, সহ-সভাপতি পদে এনটিভি ইউরোপের প্রতিনিধি মো: আব্দুল হাই, দৈনিক গণমুক্তির জেলা প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম শ্যামল, সহ-সাধারন সম্পাদক পদে চ্যানেল এস এর জেলা প্রতিনিধি ফোয়াদ মনি তালুকদার, গ্লোবাল টিভির জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান রুমান, সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক সংবাদ সারাবেলা জেলা প্রতিনিধি আফতাব উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি এনামুল কবির মুন্না, কোষাধ্যক্ষ পদে বিজয় টিভির জেলা প্রতিনিধি আলাউর রহমান, তথ্য সম্পাদক পদে বাংলা টিভির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রতিনিধি গোবিন্দ দেব, সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক পদে এনটিভি ইউকে শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি কাজী মো: জমিরুল ইসলাম মমতাজ, প্রকাশনা সম্পাদক পদে দৈনিক জনবাণী দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রতিনিধি আবু তাহের মিসবাহ, ক্রীড়া সম্পাদক পদে দৈনিক সকালের সময়ের জেলা প্রতিনিধি কেএম শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে নাগরিক টিভির জেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, প্রচার সম্পাদক পদে দৈনিক সংবাদ দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুল মোতালিব ভূইয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে রাজধানী টিভির জেলা প্রতিনিধি মাওলানা এম আর সজীব, নির্বাহী সদস্য দৈনকি ভোরের ডাক’র জেলা প্রতিনিধি অরুণ চক্রবর্থী, আলী হোসেন খান, শাহ মাসুক নাঈম, আফজাল হোসেন, একে মিলনসহ জেলার ১২ টি উপজেলার গণমাধ্যমকর্মীদের সংমিশ্রনে ৬৩ সদস্য বিশিষ্ঠ এ কমিটি অনুমোদন করা হয়।
    এ বিষয়ে অনুমোদিত কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন বিএমজেএ সাংবাদিকদের কল্যানে কাজ করে। আমরা আশা করি সুনামগঞ্জের সাংবাদিকদের কল্যানে বিরাট ভূমিকা রাখবে সংগঠনটি। আমাকে কমিটির সভাপতির দ্বায়িত্ব দেয়ায় আমি সংশ্লিষ্ঠদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি যেন সঠিকভাবে দ্বায়িত্ব পালন করতে পারি সেজন্য সবার কাছে সহযোগিতা ও দোয়া চাই।

  • উল্লাপাড়া-সলঙ্গাবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন নারী নেত্রী সুইটি

    উল্লাপাড়া-সলঙ্গাবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন নারী নেত্রী সুইটি

    সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সবিতা প্লাবণী সুইটি আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে উল্লাপাড়া-সলঙ্গাবাসীকে আন্তরিক ঈদ শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।তিনি বলেন,‘ঈদুল আজহা মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।শহরবাসী মানুষ নাড়ীর টানে ফিরে আসেন গ্রামে আপনজনদের কাছে।মিলিত হয় পাড়া প্রতিবেশী,আত্মীয়স্বজনের সাথে।এ দিনে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন।ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ,সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন।ঈদুল আজহার শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক,গড়ে উঠুক সুখী,সমৃদ্ধ বাংলাদেশ-এ প্রত্যাশা করি।
    তিনি আরো বলেন,মানুষের মধ্য হতে ‘হিংসা-বিদ্বেশ ও হানাহানি ভুলে সাম্য,মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হোক।ঈদ ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের জীবনে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসুক।ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক-এটাই কামনা।হাসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক।বিশ্বের সকল মানুষের সুখ-শান্তি,কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি হোক ঈদের দিনে।আমি মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি।দয়াময় আল্লাহর কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম উম্মাহর জন্য সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।তাই আবারো সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা “ঈদ মোবারক”।

  • সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য ৪৫ ও সহযোগী সদস্য ১৪ জন

    সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য ৪৫ ও সহযোগী সদস্য ১৪ জন

    মো: আজিজুল ইসলাম ইমরান ।।
    সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির এক সভা বৃহস্পতিবার বেলা এগারটায় অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি আবুল কালাম,যুগ্ন সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য এড. খায়রুল বদিউজ্জামান,অধ্যাপক আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দীন মামুন, আব্দুস সামাদ ও আসাদুজ্জামান সরদার।

    সভায় বিগত সভার সিদ্ধান্তসমুহ পঠন ও অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর গঠনতন্ত্রের ৪ ধারার ১ উপ-ধারায় ৪৫ জন আবেদনকারীকে সর্বসম্মতভাবে প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্য ও ১৪ জনকে সহযোগী সদস্য পদ দেওয়া হয়। বাকী ১৫ জন আবেদনকারীর আবেদন প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র মোতাবেক না হওয়ায় বাতিল ঘোষণা করা হয়।

    সাধারণ সদস্য পদ অর্জনকারী ব্যক্তিরা হলেন, সংবাদ ও নিউ নেশনের জেলা প্রতিনিধি অধ্যাপক আনিসুর রহমান, দৈনিক যুগান্তরের প্রভাষক মুজাহিদুল ইসলাম, দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদের শাহা আলম, নির্বাহী সম্পাদক নাসিমা আলম, স্টাফ রিপোর্টার নাসিরউদ্দীন, কালবেলার গাজী ফারহাদ, এনটিভির মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দৈনিক হৃদয় বার্তার সম্পাদক জিএম মোশাররফ হোসেন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আলী মোক্তাদার হৃদয়, সহযোগী সম্পাদক পুস্মিতা খাতুন সিমি, মানব জমিনের বিপ্লব হোসেন দৈনিক বাংলার আবু সাঈদ, গ্লোবাল টিভির রাহাত রাজা, দৈনিক একাত্তর বাংলার এ্যাড. এবিএম সেলিম, ঢাকার ডাক পত্রিকার তৌহিদুজ্জামান লিটু, স্বাধীন মতের আহাদুর রহমান জনি,রুপালী বাংলাদেশের আব্দুল মমিন, আজকের বিজনেছ বাংলাদেশের জামালউদ্দীন, ভোরের আকাশের আমিনুর রহমান, খবরের কাগজের নাজমুস সাদাত জাকির, দৈনিক ঘোষণার আজিজুল ইসলাম ইমরান, স্বদেশ প্রতিদিনের হাবিবুর রহমান সোহাগ, ঢাকা টাইমসের হোসেন আলী, আজকালের খবরের এস এম তৌহিদুজ্জামান, দৈনিক রানারের শহীদুজ্জামান শিমুল, দৈনিক জনবাণীর রায়হান সিদ্দিকী, গণকণ্ঠের সাইফুল বাশার, যায় যায় কালের আব্দুর রহমান, একুশে সংবাদের সানজিদুল হক ইমন, সমাজের কথার সিরাজুল ইসলাম, নবচেতনার হাসান গফুর, ভোরের চেতনার রমজান আলী, রুপান্তর প্রতিদিনের আব্দুস সালাম, খবর বাংলাদেশের রেজাউল ইসলাম বাবলু, নওরোজ ও কালান্তরের বোরহানউদ্দীন বুলু, দৈনিক অনির্বাণের জিএম সোহবার হোসেন, ভয়েজ অব টাইগারের মিলন কুমার বিশ্বাস, দেশ সংযোগের আমিরুল ইসলাম, আমার প্রাণের বাংলাদেশের নাজমুল আলম মুন্না, মানবাধিকার প্রতিদিনের ওয়াইজ কুরনি, আলোকিত সকালের সেলিম হোসেন, প্রতিদিনের কাগজের ইদ্রিস আলী, আজকালের কন্ঠের আতিয়ার রহমান ও প্রজন্ম একাত্তরের সাইফুল আযম খান মামুন।

    সহযোগী সদস্যরা হলেন,মুনসুর রহমান,শেখ সিদ্দিকুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান, মোস্তাফিজুর রহমান, আবু জাফর মো: সালেহ, মোরশেদুল হক, এস এম শাহা নেওয়াজ মাহমুদ রণি, হাবিবুল্লাহ বাহার, হামিদুল ইসলাম, মাসুদ হাসান মনি, রেজাউল করিম, ইব্রাহিম খলিল ও মৃত্যুঞ্জয় রায়।