Category: দেশজুড়ে

  • বিদ্যুৎ স্পৃ-ষ্ট হয়ে এক কৃষি শ্রমিকের মৃ-ত্যু

    বিদ্যুৎ স্পৃ-ষ্ট হয়ে এক কৃষি শ্রমিকের মৃ-ত্যু

    দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বৈদ্যুতিক মটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে দিনো মোহন বর্মন (৪৫) নামে এক কৃষি শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

    ১২ জুন বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের দলুয়া দক্ষিণ প্রাণনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

    মৃত দিনো মোহন বর্মন শিবরামপুর ইউনিয়নের শালবাড়ী খাটিয়াদিঘী গ্রামের মৃত মুকুন্দু বর্মনের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতোর ইউনিয়নের দলুয়ার মৃত সুন্দর আলী ব্যপারীর ছেলে খোকন ব্যপারীর বাড়িতে দীর্ঘ ১৪ বছর যাবত জমিতে ডেইলি লেবার হিসাবে কাজ করতেন কৃষি শ্রমিক দিনো মোহন বর্মন।

    কাজ করার সময় পানির প্রয়োজন হলে বৈদ্যুতিক মটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে।

    বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল গফুর জানান, সংবাদ পেয়েই ঘটনাস্থলে থানার এসআই দেবাশীষ কে পাঠিয়েছি।

    ময়না তদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রের্কড করা হয়েছে।

  • সলঙ্গায় স্ত্রীকে গলাকে-টে হ-ত্যা করেছে ঘা-তক স্বামী

    সলঙ্গায় স্ত্রীকে গলাকে-টে হ-ত্যা করেছে ঘা-তক স্বামী

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার এরান্দহে তুচ্ছ ঘটনায় স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা করেছে ঘাতক স্বামী।এরপর নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করায় বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছে ঘাতক স্মামী। ঘটনাটি ঘটেছে,থানার নলকা ইউপির এরান্দহ গ্রামের কারিগর পাড়ায় গতরাত আড়াইটার দিকে। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,এরান্দহ গ্রামের আজিজ কসাইয়ের মেয়ে রোজিনা (৩০) কে পাশ্ববর্তী ব্রঞগাছা ইউপির বামনভাগ গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে আ: মোতালেব (৪৫) এর সাথে বিয়ে দেয়। বিয়ের পর হতে মোতালেব ঘর জামাই হিসেবে শ্বশুর বাড়িতেই থাকে।সংসারে মাহিয়া নামের ৮ মাসের একটি কন্যা সন্তানও তাদের রয়েছে। ঘটনার রাতে সামান্য কথা কাটাকাটির জের ধরে গভীর রাতে রোজিনাকে স্মামী নিজেই ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রী রোজিনাকে গলাকেটে হত্যা করে। পরে ছুরি দিয়ে নিজেই আবার নিজের গলাকাটা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে প্রতিবেশীরা টের পায়। পরে মুমুর্ষ অবস্থায় ঘাতক স্বামী মোতালেবকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ সদর ও পরে শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল হসপিটালে ভর্তি করে। ঘটনার খবর পেয়ে সলঙ্গা থানার ওসি হুমায়ন কবীর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় সলঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে বলে সলঙ্গা থানার ওসি নিশ্চিত করেন।

  • নড়াইলে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভি-যানে মোটর সাইকেল জ-ব্দ

    নড়াইলে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভি-যানে মোটর সাইকেল জ-ব্দ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল যৌথবাহিনীর অস্থায়ী চেকপোস্টে বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মোটরসাইকেল জব্দ। সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নড়াইল সদরে যৌথ বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সদর উপজেলার হাতির বাগান বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি অস্থায়ী চেকপোস্টে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    অভিযানে ট্রাফিক পুলিশ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন। যানবাহন থামিয়ে চালক ও যাত্রীদের যাচাই-বাছাই করা হয়, পাশাপাশি কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এসময় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় একটি বাসের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া, সন্দেহজনক ও নিয়মবহির্ভূত চলাচলের কারণে দশটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
    বর্তমানে সব জব্দকৃত যানবাহন রূপগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে সংরক্ষিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, কিছু যানবাহন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশ ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।
    অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগে ও পরে সড়কে যাত্রী ও যান চলাচলের চাপ বেড়ে যায়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। তাই নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুশৃঙ্খল ঈদযাত্রা নিশ্চিতে নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
    নড়াইল ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) কাজী হাসানুজ্জামান জানান, আটককৃত মোটরসাইকেলগুলোর কাগজপত্র যাচাই ও মালিকদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে কয়েকটি যানবাহনের বিরুদ্ধে জব্দাদেশ কার্যকর হতে পারে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • গোদাগাড়ীতে ঈদের ছুটিতে  পদ্মাপাড় হাজার মানুষের মিলল  মেলায় পরিনিত হয়েছে। এ যেন মিনি কক্সবাজার।

    গোদাগাড়ীতে ঈদের ছুটিতে পদ্মাপাড় হাজার মানুষের মিলল মেলায় পরিনিত হয়েছে। এ যেন মিনি কক্সবাজার।

    রাজশাহী থেকে থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার হাটপাড়া, থানার মোড, রেলওয়ে বাজার এলাকার পদ্মা এলাকায় জেগে উঠা চরে নারী পুরুষ, ছাত্র-ছাত্রী, কিশোর-কিশোরী, বালক- বালিকাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ প্রচন্ড গরম থেকে রেহায় পাবার ছুটি যাচ্ছে পদ্মার হিমেল বাতাসের পরশ নিতে।

    বর্ষায় পদ্মার ভরা যৌবন থাকার কথা থাকলেও মরণ বাধ ফারাক্কার প্রভাবে পদ্মা যেন ক্ষত বিক্ষিত। পানি নেই শুশু বালু চর, জেগে উঠা চরে মানুষ সবুজ ফসল ফলানোর চেষ্টা করছেন। চিনা, ভূট্টা, পটল, লালমী চাষ করেছেন।

    পদ্মার পানি শুকিয়ে জেগে উঠেছে বিশাল চর। এই নতুন চরই এবার ঈদের ছুটিতে মানুষের বিনোদনের নতুন ঠিকানায় পরিণত হয়েছিল। পদ্মার পাড়জুড়ে খুব সকাল, বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকে উৎসবমুখর পরিবেশ। চর পেরিয়ে নদীতে গিয়ে তারা নৌকায় চড়ে পদ্মার বুকে ভেসে বেড়ান, নদীর বাতাসে প্রাণ জুড়ান, আর পরিবারের সঙ্গে উপভোগ করেন ঈদের আনন্দ।

    পদ্মায়রচারদিকে পানিতে থৈ থৈ করার কথা, কিন্তু পানি নেই মরণ বাঁধ ফারাক্কার প্রভাবে । এখন যেদিকেই চোখ যায় গনদীর বুকে জেগে উঠা চরে শুধু বালি আর বালি, রোদ্রের আলোতে চিক চিক করছে।

    ঈদ পরবর্তী সময়ে পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দঘন মুহূর্ত বা ছুটির দিনগুলো পদ্মার পাড়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঘুরতে আসছে হাজার হাজার পর্যটক। নদীর বিশাল বুকে নৌকা নিয়ে আনন্দ ভ্রমণে মানুষের ঢল। ভ্রমণ পিপাসুদের সাড়ে সাড়ে নৌকার বহরে মুখরিত নদীর বুক। ঈদের ছুটি মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দে মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতি যেন হয়ে উঠেছে আনন্দমঞ্চ। কখনো মেঘে ঢাকা আকাশ, আবার কখনো ঝলমলে রোদ—তার মধ্যেই চলছে উৎসবের ঢেউ। ঈদের কয়েকদিন পার হলেও পদ্মাপাড়ে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

    কর্মব্যস্ততার ঈদুল আযহার ছুটিতে নারী-পুরুষ-শিশু সবাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছুটে এসেছে পদ্মার প্রকৃতির সান্নিধ্যে। তীব্র গরমের মধ্যেও ঈদের ছুটিতে প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য পদ্মার মধ্যে জেগে উঠা চর, রেলওয়ে বাজার ঘাট, হাটপাড়া, গোদাগাড়ী মডেল থানার সামনের পদ্মাপাড় যেন এক আদর্শ গন্তব্য। ছুটির আনন্দে মেতে উঠেছে অসংখ্য মানুষ। বিশেষ করে রেলওয়ে বাজার ঘাটের সামনে পদ্মানদীতে জেগে উঠেছে বিশাল চর চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। শ শ মানুষ নৌকায় করে ওই চরে গিয়ে আনন্দে মেতে উঠেছে।

    নৌকা নিয়ে বন্ধুদের সাথে নদীর নতুন পানিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে যেখানে নৈসর্গিক সৌন্দর্য মানুষের মনের ভেতরে দোলা দেয়। এবার ঈদে লম্বা ছুটিতে বিভিন্ন বয়সের মানুষ নৌকায় ভ্রমণ করে ঈদের আনন্দ উপভোগ করছেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশে হারিয়ে যেতে কে না চায়। ছুটিতে আসা পরিবারগুলোর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক ভ্রমন প্রিয়াসীদের প্রধান আকর্ষণ সাফিনা পার্ক আর বিনা টিকিটে ভ্রমন যেন সব বয়সী মানুষেরনমিলন মেলায় পরিনত হয়েছে।

    গোদাগাড়ীর সাফিনা পার্ক ও রেস্টুরেন্টে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে প্রকৃতির মাঝে খাওয়ার এবং বিশ্রামের সুযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ঈদের ছুটিতে মানুষের মনের শান্তি দেয়।

    ঢাকা থেকে আগত মতিউর রহমান বলেন, সাফিনা পার্ক খুব সুন্দর করেছে যে কেউ এখানে এসে মনপ্রাণ জুড়িয়ে যাবে। আর বিনা পয়সার পদ্মা নদীর পাড়া, জেগে উঠা চর তো আছেই।

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, “ ঈদের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো দর্শনার্থীরা নির্ভয়ে ঘুরতে পারছেন। কোথায় কোন ধরনের সমস্যা হচ্ছে না।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মার এই বিশাল চরে সৃষ্টি হয়েছে এক অনন্য নৈসর্গিক দৃশ্য, যা সহজেই যেকোনো প্রকৃতিপ্রেমীর মন কেড়ে নেয়। অনেকেই এটিকে ‘মিনি কক্সবাজার’ বলে অভিহিত করছেন। নদীর বালুচর আর বয়ে চলা বাতাসের কারণে এই জায়গাটি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পদ্মার এই চর দর্শনার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার রেলওয়ে বাজার ঘাটের সামনে মাদারপুর এলাকার বাসিন্দা ইয়াসিন আলী মাঝি বলেন, ‘একসময় পদ্মার উত্তাল ঢেউ আর গর্জন ছিল মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। আমি খুব ভয়ে ওপারে গেছি আবার মানুষ নিয়ে এপারে এসেছি। আগে নদীতে প্রচুর মাঝ হতো এখন সে মাছ আর দেখা যায় না। কালের বিবর্তনে নদী তার সেই রূপ হারালেও, নতুনভাবে বিনোদনের স্থান হয়ে উঠেছে এই চর।’

    মঙ্গলবার গোদাগাড়ী সদর থেকে রেলওয়ে বাজার পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পদ্মার তীরে মানুষ আনন্দে মেতে উঠেন। পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধুদের নিয়ে দলবেঁধে আসা মানুষ ভাসেন ঈদের আনন্দে। কেউ নদীতে নেমে গোসল করেন, কেউবা নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ান, আবার কেউ বালুর চরে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন।

    বন্ধুদের সঙ্গে নৌকায় ঘুরতে আসা জ
    আলম শেখ বলেন, ‘পদ্মার এই নতুন চর আমাদের কাছে এক নতুন বিনোদনকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। নদীতে নেমে গোসল করলাম, নৌকা ভ্রমণ করলাম- সত্যিই অসাধারণ অনুভূতি!’

    ঢাকা থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরা ওবায়দুল বলেন, ‘শহরের কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে এমন জায়গার দরকার ছিল। নদীর পাড়ের স্নিগ্ধ পরিবেশ, বাতাস, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সব মিলিয়ে এটি সত্যিই মনোমুগ্ধকর। কক্সবাজারের মতো অনুভূতি হয় এখানে এসে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী

  • তেঁতুলিয়া পিআইও’র গাফিলতি চরমে! ভাঙা ঘরে বৃদ্ধ দম্পতির মা-নবেতর জীবন-যাপন

    তেঁতুলিয়া পিআইও’র গাফিলতি চরমে! ভাঙা ঘরে বৃদ্ধ দম্পতির মা-নবেতর জীবন-যাপন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ ঈদের আনন্দে যখন দেশজুড়ে প্রতিটি ঘর আলোয় ঝলমল, তখন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের দর্জিপাড়া গ্রামের দম্পতি বাসেত-বাসিরনের চলছে মানবেতর জীবন-যাপন। দিনাতিপাত করছেন ঝড়-বৃষ্টিতে ভেঙে যাওয়া সেই ঘরেই। এমন দৃশ্য যেকোন ব্যক্তিকে স্মরণ করিয়ে দেয় আসমানি কবিতার কথা। অথচ এ কবিতার চরণ যেন উপজেলা পিআইও’র কানে পৌঁছেনা। অভিযোগ উপজেলা পিআইও’র গাফিলতির কারণে বাসেত-বাসিরনের ঝড়-বৃষ্টিতে ভাঙা ঘরের মাস খানিক হলেও কোন সহযোগিতা পাচ্ছেননা।

    জানা যায়, হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে ঘর হারিয়ে প্রায় এক মাস ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন আব্দুল বাসেদ (৬০) ও তার স্ত্রী বাসিরন বেগম। আজও মেলেনি সরকারি কোনো ত্রাণ সহায়তা কিংবা আশ্রয়ের ব্যবস্থা।
    আরও জানা যায়, গত মাসের ১১ মে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে তাদের একমাত্র ঘরটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। ওই দিন রাতেই ‘ঢাকা মেইল’ অনলাইন নিউজ পোর্টালে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। তখন থেকেই মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয় কিছু যুবকের সহায়তায় ভাঙা টিন ও বাঁশ দিয়ে বানানো হয়েছে অস্থায়ী ছাউনি, যা সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই অকার্যকর হয়ে পড়ে। নেই নিরাপত্তা, নেই খাদ্য। ঈদের আগের দিনেও তাদের ঘরে একমুঠো চাল, ডাল, তেল কিংবা লবণ পর্যন্ত নেই।

    আব্দুল বাসেদ এক সময় পাথরভাঙার প্রমিক ছিলেন। বার্ধক্যে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। স্ত্রী বাসিরনের সামান্য রোজগারেই চলত সংসার। এখন দুজনই ঘরবিহীন ও খাদ্যবঞ্চিত।

    আব্দুল বাসেদ বলেন, “ঘর ভেঙে যাওয়ার পর অনেক কষ্টে আছি। বৃষ্টি পড়লেই ভিজে ঘুমাতে হয়, খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাই। অনেকবার উপজেলা পরিষদে গিয়ে বলেছি, কেউ সহায়তা দেয়নি। ঈদের দিনেও মনে হয় না কিছু খেতে পারবো।”

    বাসিরন বেগম বলেন, “স্বামী অসুস্থ, আমি কিছুই করতে পারি না। ঈদের দিনে খালি হাতে বসে থাকতে হবে ভাবতেও কষ্ট হয়। একটু সহযোগিতা পেলে হয়তো মাথা গোঁজার ঠাঁই হতো।”

    স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাইদুল ইসলামের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে বহু ত্রাণসামগ্রী পড়ে রয়েছে বিতরণের অপেক্ষায়। অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতি ও অগ্রাধিকারহীনতার কারণে সংকটে থাকা পরিবারগুলো ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

    অভিযোগ রয়েছে, কাবিখা-কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের বরাদ্দকৃত তহবিল থেকে প্রকৃত কাজ না করেই মোটা অঙ্কের বিল উত্তোলন করা হয়েছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শুকনো খাবার ক্রয়ের জন্য কয়েক লক্ষ টাকার বরাদ্দ এলেও বিতরনের সময় অতিবাহিত হলেও সেগুলো এখনো কেনা হয়নি।

    এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘এটি আমাদের আগে জানা ছিল না। গত সপ্তাহে আমরা যখন জানছি তখন ইউএনও স্যারসহ যাওয়ার কথা ছিল। পরে ইউএনও স্যারও বললো আগে দেবনগড়ের কাজটা শেষ করি। পরে ওখানে গিয়ে ব্যবস্থা নিবো। পরে রাত হওয়াতে আর যাওয়া হয়নি। আশা করি ঈদের পর এসে, চেয়ারম্যানও কাগজপত্র অবশ্য দিয়েছে। যে দৌড়াদৌড়ি চলতেছে সে সময়তে সেখানে যাওয়া সময় হয়নি।’

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, তাকে আমরা টিন দিবো, টাকাও দিবো। পিআইও সাহেব দেখতে যেতে চেয়েছেন মাঝে পরে ভুলে গেছেন। এ কারনে আর দেয়া হয়নি। তবে আমরা তাকে সহযোগীতা করবো।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • নড়াইলের নড়াগাতী থানা পুলিশের অভিযান ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রে-ফতার

    নড়াইলের নড়াগাতী থানা পুলিশের অভিযান ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রে-ফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের নড়াগাতী থানার ওসি আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রেফতার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত আসিফ রেজা ওরফে হাবিব মল্লিক(২৭) ও রাসেল শরীফ (৩০) নামের দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসিফ রেজা ওরফে হাসিব মল্লিক (২৭) বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানাধীন শাসন (চুনখোলা) গ্রামের আক্তার মল্লিকের ছেলে ও রাসেল শরীফ (৩০) বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানাধীন শাসন (চুনখোলা) গ্রামের মৃত নাসির শরীফের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (১১ জুন) সকালে নড়াগাতী থনাধীন দশ নং পহড়ডাঙ্গা ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রামের এক নং আসামীর বসত বাড়ির হতে তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) এফ.এম.তারেক, এসআই (নিঃ) মোহম্মদ অহিদুর রহমান ও এএসআই (নঃ) মোঃ মাহমুদ করিম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে আসিফ রেজা ওরফে হাবিব মল্লিক (২৭) ও রাসেল শরীফ (৩০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে বিশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াগাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের লাখপতি বিজয়ী ২ জন ও স্বপ্নের বাজার বিজয়ী হলেন ৪ জন

    সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের লাখপতি বিজয়ী ২ জন ও স্বপ্নের বাজার বিজয়ী হলেন ৪ জন

    : রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    নোয়াখালীর সেনবাগে অরাজনৈতিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিক কর্মসূচির আওতায় ‎প্রতিবারের ন্যায় এবার ও হতদরিদ্রদের মাঝে লটারির মাধ্যমে ২(দুই) জনকে লাখপতি বানিয়েছেন সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন। রবিবার রাতে উপজেলার ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের সৈয়দ রুহুল আমিন স্মৃতি একাডেমির হলরুমে উপস্থিত দর্শকদের সামনে এই লটারি করা হয়। এবার লটারিতে বিজয় হয়ে লাখপতি হয়েছেন ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের গোরকাটা গ্রামের হতদরিদ্র ভ্যান চালক মোঃ ই্‌ব্রাহিম ও চাঁচুয়া গ্রামের মৃত মোস্তফা স্ত্রী বিধবা পারবিন আক্তার। এছাড়া লটারির মাধ্যমে আরো ৪ জনকে স্বপ্নের বাজার বিজয়ী করা হয়।লটারি হওয়ার পর রা লাক্সারি গাড়ি নিয়ে লটারি বিজয়ীদের বাড়িতে পৌঁছে ১০টায় গাড়িতে তোলে লাখপতিদেরকে অনুষ্ঠানস্থলে আনা হয়।
    অনুষ্ঠানস্থলে বিজয়ী লাখপতিদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, টপস্টার গ্রুপের কর্ণধার মানবিক যোদ্ধা খ্যাত লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ ও তার সহধর্মিণী সাজেদা আক্তার শেলী।‎এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন, সৈয়দ রুহুল আমিন স্মৃতি একাডেমী’র প্রতিষ্ঠাতা, এসএফ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও টপ স্টার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ।
    ‎‎বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম সিটি কলেজের অধ্যাপক মো: হুমায়ূন কবির, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মাষ্টার আবুল খায়ের, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইউছুপ মজুমদার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক হোসেন শহীদ সরোয়ারদী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: হারুনুর রশীদ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দলিল লিখক মির্জা সোলাইমান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক কুতুবউদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দলিল লিখক মো: মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মো: শাহজাহান শাদন, মাওলানা আবদুল মাজেদ, সাংবাদিক নাঈম বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী কানকিরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো: আবদুল জব্বার, সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন এর সদস্যবৃন্দ সহ আরো অনেকে। ‎‎অনুষ্ঠানে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সম্পুর্ন গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ব্যালেট পেপারে ফাউন্ডেশনের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে মো: ইমরান হোসেনকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুর রহমান রাকিব কে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে।

  • রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ, আড়াই ঘন্টা পর সারাদেশের সাথে ট্রেন চলাচল শুরু

    রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ, আড়াই ঘন্টা পর সারাদেশের সাথে ট্রেন চলাচল শুরু

    নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী):

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে স্থানীয় লোকজন। এতে ঈদের ফিরতি যাত্রায় সারাদেশের সাথে রাজশাহীর রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আড়াই ঘন্টা ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ থাকার পর ৮ টা ৪৫ মিনিটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

    বুধবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নন্দনগাছী স্টেশনে পৌঁছানের আগেই লাল কাপড় টাঙিয়ে খুলনাগামী সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস থামিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারী। তারা স্টেশন চত্ত্বর অবস্থান নিয়ে স্টেশন সংস্কার ও আন্তঃনগর ট্রেন থামানোর দাবি-সম্পর্কিত বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন তুলে ধরেন। এ সময় তারা “আমাদের দাবি, আমাদের অধিকার” ও নন্দনগাছী “স্টেশন এইবার হবে সংস্কার” স্লোগান দিচ্ছিলেন।

    এদিকে সকাল সাড়ে ছয়টায় নন্দনগাছী স্টেশনে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস আটকে পরার পর রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস ও মেইল ট্রেন পথিমধ্যে আটকা পড়ে। আড়াই ঘন্টা পর ট্রেন চালু হলেও শিডিউল বিপর্যয় শুরু হয়েছে।

    ঘটনাস্থলে আটকা পড়া সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের যাত্রী নোমানুর রহমান বলেন, রাজশাহীতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে পরিবার নিয়ে যশোরে নিজ বাড়িতে ফিরছি। তীব্র গরমের মধ্যে আন্দোলনের কারণে ট্রেন আটকা পড়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছে। সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে আন্দোলন না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।

    আন্দোলনকারীর দাবির মধ্যে আছে-সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ও ঢালার চর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি এবং নন্দনগাছী স্টেশনের সংস্কার।

    জানা গেছে, ১৯২৯ সালে চারঘাটের নিমপাড়া ইউনিয়নে নন্দনগাছী স্টেশনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শতবর্ষী স্টেশনটি দিয়ে প্রতিদিন ১৬টি ট্রেন যাতায়াত করলেও কোনো আন্তঃনগর ট্রেন যাত্রা বিরতি দেয় না। শুধুমাত্র দুইটি লোকাল ট্রেন থামে। নিয়ম অনুযায়ী এই স্টেশনে স্টেশনমাস্টার, টিকিট মাস্টার, পোর্টারম্যান, পয়েন্টসম্যান, গেটম্যানসহ জনবল ছিল ১২ জন। বর্তমানে শুধু পোর্টারম্যান পদে একজন কর্মরত আছেন। গত এক যুগ ধরে স্টেশনের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

    এর আগে, গেল ১ মে একই দাবিতে ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ করেছিল রাজশাহীর চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়া উপজেলার হাজারও মানুষ। এ সময় রাজশাহী থেকে চিলাহাটিগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ও লোকাল মেল ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ করা হয়। এতে প্রায় চার ঘন্টা সারাদেশের সাথে রাজশাহীর রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল। পরে রেল কতৃপক্ষ তাদের দাবি ১ জুনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলন বন্ধ করেছিল তারা।
    কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরেও দাবি মেনে না নেওয়ায় বুধবার সকাল ৬টা থেকে আবারো রেলপথ অবরোধের ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারী।

    আন্দোলনের সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম জনি বলেন, তিন উপজেলার ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র স্টেশনটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামাদি। বিগত সরকারের সাংসদ ও প্রতিমন্ত্রী বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা বাস্তবায়ন করেনি। গতদিন আন্দোলনের পর রেল কতৃপক্ষ একই ভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েও কথা রাখেনি। এবারও আড়াইঘন্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার পর জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সাইদ চাঁদ সাহেব দায়িত্ব নিয়ে ট্রেন চালু করেছেন।

    জিআরপি ইশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, অবরোধের কথা শুনে আমরা নন্দনগাছী এসেছি। স্থানীয়রা বিভিন্ন দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেছে। এখন ঈদের ফিরতি যাত্রা চলছে এজন্য ট্রেনে অনেক চাপ। অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে আমরা কাজ করছি।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক লিয়াকত শরীফ খান বলেন, ঈদের ছুটি শেষে মানুষ কর্মস্থলে ফিরছে এ সময় অবরোধ করে রেল যোগাযোগ বন্ধ করা হলে তা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। আমরা রেল সেবা নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটি না গিয়ে কাজ করছি। কিন্তু উনারা এখন আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। বরং এখন আন্দোলন না করে ঈদের ছুটির পর অফিস খুললে সেখানে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের অনুরোধ জানাচ্ছি।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • ফুলবাড়ীয়ায় তারুণ্যের ঈদ উৎসব উদযাপন

    ফুলবাড়ীয়ায় তারুণ্যের ঈদ উৎসব উদযাপন

    মো: সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় তারুণ্যের ঈদ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।বুধবার (১১ জুন) সকালে তারুণ্যে ঈদ উৎসব বাস্তবায়ন কমিটির কর্তৃক আয়োজিত মির্জা গার্ডেনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন তারণ সমাজ সেবক জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুর রশীদ ফরাজি । প্রধান অতিথি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ উদ্যোক্তা ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন।এ-সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা জামায়াতে আমীর অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন,উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ফজলুল হক শামীম,সেক্রেটারি ডাঃ মোঃ আঃ রাজ্জাক,জামায়াত নেতা আবদুল মজিদ,হাফেজ মাওলানা আঃ মতিন,অধ্যক্ষ ছিদ্দিকুর রহমান,ছাত্র শিবিরের সভাপতি মানিক হাসান, যুব বিভাগের সভাপতি প্রকৌশলী আঃ বারী,এইচ এম জোবায়ের,তারুণ্যের ফুলবাড়ীয়ার সাধারন আবু সাইদ প্রমুখ।
    অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন বলেন,
    তারুণ্যের শক্তিকে বাংলাদেশে কাজে লাগাতে হবে।ন্যায় বিচার এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।এদেশে কোন সংখ্যালঘু থাকবে না আমরা সবাই বাংলাদেশী।

  • গোদাগাড়ীতে হোন্ডা এ্যাক্সি-ডেন্ট অষ্টম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রের মৃ-ত্য।

    গোদাগাড়ীতে হোন্ডা এ্যাক্সি-ডেন্ট অষ্টম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রের মৃ-ত্য।

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র মোঃ সালমান আজ অর্থাৎ ১০ জুন সকাল ৬ টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন) । গত ৭ জুন ঈদের দিন মোটরসাইকেল এ্যাক্সিডেন্ট করেছিল।

    তার অকাল মৃত্যুতে হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র ছাত্র, শিক্ষক কর্মচারী, এলাকাবাসীর মাঝে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। এ মৃত্যু যেন কেউ মেনে নিতে পারছে না।
    কেউ যেন কাউকে শান্ত্বনা দেয়ার ভাষা ভুলে গেছে। এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।