হেলাল শেখঃ সারাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারে যুবসমাজ ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে সচেতন মহলের।
ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অবাধে ছড়িয়ে পড়া অসামাজিক ও অশালীন ভিডিও যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সমাজ বিশ্লেষকরা।সচেতন মহলের দাবি, এসব ভিডিও দেখে অনেক তরুণ-তরুণী বাস্তব জীবন থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ছে। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে, নেশা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা বাড়ছে। ভালো কোনকিছু ভাইরাল হয় না। খোলামেলা ভিডিও বা ছবি দ্রুত ভাইরাল হয়।
বিশেষ করে কিশোর বয়সীরা সহজেই এসব কনটেন্টের প্রভাবে ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে।
একাধিক অভিভাবক জানান, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে সন্তানদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ঘরের ভেতরেই বসে তারা এমন সব ভিডিও দেখছে, যা তাদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
এ বিষয়ে মানবাধিকার ও সমাজকর্মীরা বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয়, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একযোগে ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানো এবং অশালীন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
সচেতন মহল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ প্রভাব পুরো সমাজকে গ্রাস করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। আগামী প্রজন্ম কোনদিকে অগ্রসর হতে চলেছে তা কেউই বলতে পারিনা।









