Category: দেশজুড়ে

  • ময়মনসিংহে ওসি শিবিরুলের অভি-যানে ১১০০ লিটার ম-দ উদ্ধার গ্রেফ-তার ১৫

    ময়মনসিংহে ওসি শিবিরুলের অভি-যানে ১১০০ লিটার ম-দ উদ্ধার গ্রেফ-তার ১৫

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে ১১০০ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়েছে, এ সময় ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১০জুলাই) রাতে নগরীর রমেশসেন রোডের নিষিদ্ধ পল্লীতে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ী তল্লাশি করে ১১০০ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়। গত ৫ই আগস্টের পর এটিই সর্বোচ্চ উদ্ধার অভিযান বলে জানিয়েছে নগরবাসী। এই ঘটনায় শহর জুড়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

    ওসি শিবিরুল ইসলাম ওসি হিসেবে কোতোয়ালী মডেল থানায় যোগদান করায় চুরি, ছিনতাই কমেছে, চুরি ছিনতাই রোধসহ তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে থানায় যোগদান করেই টানা অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত চোর ও ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার করে পুলিশ, অনেকেই দাবি করছেন পুলিশের ভয়ে নগরী ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে চোর, ছিনতাইকারীরা, রমেশসেন রোডে প্রায় ১১ মাস পর বড় ধরনের মাদক বিরোধী এই অভিযানের ফলে মাদকের ভয়াবহতা কমে আসবে বলে নগরবাসী মনে করছেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, যেখানেই মাদক সেখানেই অভিযান হবে, চোর, ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের আস্থানা এই নগরীতে হবে না, তিনি এ জন্য নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন

  • ভালুকায়  ইউএনও’র ব্যতি-ক্রমী উদ্যোগে পাল্টে গেছে উপজেলার  দৃশ্যপট-মুগ্ধ ভালুকাবাসী

    ভালুকায় ইউএনও’র ব্যতি-ক্রমী উদ্যোগে পাল্টে গেছে উপজেলার দৃশ্যপট-মুগ্ধ ভালুকাবাসী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার ব্যাতিক্রমী পরিকল্পনায় বদলে গেছে উপজেলা প্রশাসনের চিত্র। পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। প্রশাসন ফিরে পেয়েছে তার প্রাণ। বিভিন্ন দফতরে লেগেছে আধুনিকতার ছোয়া। ফলে ইউএনও প্রশংসিত হচ্ছেন। তার নিরলস পরিশ্রম আর পরিকল্পনামাফিক কাজে ভালুকা উপজেলা আজ এক ভিন্ন আলোয় উদ্ভাসিত। পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্যের ধারায় গড়ে ওঠা এই পরিবর্তনের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। তার পরিকল্পিত ও নিরলস প্রচেষ্টায় বদলে যাচ্ছে পুরো উপজেলার চিত্র।

    সরাসরি পরিদর্শনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ, ইউএনও কার্যালয়, পৌরসভা এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সুপরিকল্পিত সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে উপজেলা প্রশাসন সেজেছে নতুন রুপে। রঙিন ফুলের বাগান, দেয়ালজুড়ে চিত্রকলার ছোঁয়া, পরিচ্ছন্ন সড়ক এবং নান্দনিক আলোকসজ্জায় বদলে যাচ্ছে পরিবেশের দৃশ্যপট। এসব উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝেও জন্ম নিয়েছে এক নতুন উদ্দীপনা।

    ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ভালুকার এই নতুন রূপের ছবি ও ভিডিও। নেটিজেনরা ইউএনও’র এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ মন্তব্য করেছেন— প্রশাসনিক উদ্যোগের এমন মানবিক রূপ বাংলাদেশে অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
    বর্তমানে তার নেতৃত্বে এ উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। অনেকেই তা দেখে মুগ্ধ হয়ে চমকে উঠছেন। কারণ ভালুকা উপজেলা প্রশাসন এখন আর পূর্বের অবহেলতি চত্বর নয়। এখানে লেগেছে আধুনিকতার ছোয়া। বর্তমান ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর আচার ব্যবহারেও মুগ্ধ সাধারণ মানুষ। ফলে সর্বস্থরের মানুষের মাঝে ইউএনও প্রশংসিত হচ্ছে।

    জেলার শিল্পাঞ্চল হিসাবে পরিচিত এ উপজেলাকে দেশের মানচিত্রে উন্নত প্রথম শ্রেণির উপজেলা হিসেবে গড়তে বা চিহ্নিত করতে প্রচেস্টা চালাচ্ছেন ইউএনও। আর তার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রথমে গ্রামের হতদরিদ্র ছেলে-মেয়েদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে জিও এনজিওর সহায়তায় বহুমূখী শিক্ষা ব্যবস্থা হাতে নেন। শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষা অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরে শিল্পাঞ্চল এ উপজেলাকে এগিয়ে নিতে উপজেলার বিভিন্ন শিল্প কারখানার পণ্য উৎপাদনের জন্য শ্রমিকদের উদ্বুদ্ধ করেন। এছাড়াও তিনি এঅঞ্চলে শিল্প কারখানা গুলোর উন্নয়ন ঘটাতে উপজেলার কারখানা গুলোতে গিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে শিল্প কারখানাগুলোর মালিক ও কর্মচারীদের দিক নির্দেশনা দেন। এতে শ্রমিক অসন্তোষ আগের তুলনায় অনেক কমেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    মাদক নিয়ন্ত্রণ, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও যৌতুকসহ নারীশিশু নির্যাতন রোধে পাড়ায় পাড়ায় ব্যানার ফেস্টুন বিলি করা হয়েছে। মসজিদ, মন্দির ও গীর্জায় এসব অপরাধের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করতে ইমাম, পুরোহিত ও ফাদারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভায় কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়।

    ভালুকা উপজেলায় ইউএনও (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর যোগদানের পর সেখানকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং সেবার মান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নেতৃত্বে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার নেতৃত্বে উপজেলায় দৃশ্যমান পরিবর্তনগুলোর
    মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় হলো:স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন:বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি:জনগণের সাথে প্রশাসনের সম্পর্ক উন্নয়ন:বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন:ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়ন। সুত্র মতে ভালুকায় ইউএনও’র নির্দেশনায় ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামগ্রিক অবস্থার উন্নতির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যা সেখানকার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করবে। স্থানীয়দের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একটি পার্ক ও খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা শিশুদের মানসিক বিকাশে সাহায্য করবে। ইউএনও’র বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যা স্থানীয় উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।ইউএনও’র তত্ত্বাবধানে ভালুকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা স্থানীয়দের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে। ইউএনও’র উদ্যোগে ভালুকা উপজেলা ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে উৎসাহিত করবে। ভালুকা উপজেলায় ইউএনও’ হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর যোগদানের পর থেকে সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিভিন্ন ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হচ্ছে।

    নিজস্ব উদ্যোগ সম্পর্কে ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন,”ভালুকা আমার কর্মস্থল, আমার দায়িত্ব। আমি চাই এ উপজেলা পরিচ্ছন্ন ও মানবিক পরিবেশে পরিচালিত হোক। প্রশাসনের দরজা জনগণের জন্য সবসময় খোলা — এটা যেন শুধু কথায় না, বাস্তবেও প্রমাণ হয়। পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যই নয়, এটি মনন ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনেরও প্রতীক। আমরা চাচ্ছি জনগণও এই কাজের অংশীদার হোক। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ সবার দারুণ সাড়া পাচ্ছি।”

    স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও ইউএনও’র এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে একটি বিশ্বাসের সেতুবন্ধন তৈরি হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে।

    ভালুকার বাসিন্দারা জানান,”আগে সরকারি অফিস মানেই নিরস পরিবেশের কথা ভাবতাম। এখন পরিষদ প্রাঙ্গণে ঢুকলেই মনে হয় কোথাও বেড়াতে এসেছি। এই পরিবেশ আমাদেরও উৎসাহিত করে নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে।”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালুকায় গড়ে ওঠা এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যচর্চার আন্দোলন বাংলাদেশের অন্যান্য উপজেলাগুলোর জন্যও হতে পারে এক অনুকরণীয় মডেল। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী, যুবসমাজ ও সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে যে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা করা হয়েছে, তা স্থায়ী পরিবর্তনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

    ভালুকার এই রূপান্তর যেন প্রমাণ করছে— প্রশাসনিক সদিচ্ছা, জনগণের অংশগ্রহণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা মিলে বদলে দেওয়া সম্ভব একটি গোটা এলাকার ভাগ্য।

    ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ আরো জানান, এঅঞ্চলের অবহেলিত নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে তিনি বদ্ধপরিকর। এ ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে ও অধিকার পাইয়ে দেবার লক্ষ্যে তিনি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

  • ত্রিশালে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনসহ স্বেচ্ছায় র-ক্ত দান  ওয়েবসাইট এর উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

    ত্রিশালে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনসহ স্বেচ্ছায় র-ক্ত দান ওয়েবসাইট এর উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে ত্রিশাল উপজেলার ত্রিশাল পৌর এলাকা, সদর ইউনিয়ন, ধানীখোলা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের উন্নয়ণ মুলক কাজ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম । তিনি কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিখা) প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রাস্তা সংষ্কার কাজসহ ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়নমোলক কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।একই দিনে তিনি উপজেলার গরীব অসহায় ও মুমুর্ষ রোগীদের সুবিধার্থে ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন-এর উদ্ভাবন স্বেচ্ছায় রক্ত দানে এগিয়ে আসতে https://roktodaan.com/ ওয়েবসাইট এর উদ্বোধন ও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে থানা পরিদর্শন সহ গ্রাম পুলিশদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনা বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    বৃহস্পতিবার( ১০জুলাই) সকাল এগারোটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন তিনি।এসময় জেলা প্রশাসক ত্রিশাল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের
    ত্রিশাল-ধানিখোলা সড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন। সুত্র জানিয়েছে-২০২৪-২৫ অর্থবছরে মেসার্স ইনান এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এডিপি’র অর্থায়নে প্রায় ৪৯.৮৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ত্রিশাল পৌরসভা। এই সড়কের ০-৫৯৫ মিটার অংশ ইটের সোলিং এবং বাকি ৫৯৫-১৮৬০ মিটার অংশ কার্পেটিং দ্বারা উন্নত করা হবে।

    মানসম্পন্ন ও ধানীখোলা ইউনিয়নের জনগোষ্ঠীর ভাগ্য বদলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হওয়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা জেলা প্রশাসকের। পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্প এলাকার উপকার ভোগী মানুষের সাথে কথা বলেন। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী এবং প্রত্যাশা পূর্ণ হওয়ায় খুবই খুশি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান তারা। এদিকে কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম । এসময় তিনি কৃষি নির্ভর অর্থনীতি প্রসারে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,ত্রিশাল-ধানিখোলা সড়কের উন্নয়ন কাজের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ায় ত্রিশাল উপজেলার সাথে ধানীখোলাবাসীর যোগাযোগ সহজতর হল। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি ত্রিশাল-ধানিখোলা এলাকার কৃষি পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে, যা এলাকার সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ জনগুরুত্ব ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক সমৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্প গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে নির্মিত রাস্তায় এইচবিবি রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে। ফলে কৃষকদের উৎপাদিত শস্য বাজারজাত করণ সহজ হবে।

    বিভিন্ন মাটির রাস্তা নির্মাণ কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় গ্রামীণ জনপদের চেহারা বদলে যাবে। ত্রিশাল উপজেলার উন্নয়ন কাজ নিয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয় কাবিখা কর্মসূচীর আওতায় সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকীউল বারী বলেন, এবারের টিআর কাবিখা প্রকল্প বাস্তবায়নে পিআইওসহ সংশ্লিষ্ট সকলে যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে উন্নয়ন মুলক কাজ বাস্তবায়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছেন।কাজ মানসম্মত না হলে বার বার তাগিদ দেন তিনি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কাজের গুণগত মান নিয়ে সতর্ক করা হয় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে। তাই ঠিকাদারও সঠিকভাবে কাজ করছেন।

    মুমূর্ষু রোগীর পাশে দাঁড়ানোর সুবিধার্থে
    ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন-এর উদ্ভাবন
    https://roktodaan.com/ ওয়েবসাইট এর গুরুত্ব নিয়ে ইউএনও জানান- এই ওয়েবসাইটটি যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দেন এবং যাদের রক্তের প্রয়োজন তাদের মধ্যে একটা প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। স্বেচ্ছায় রক্তদাতাগণ এই ওয়েবসাইট এ তাদের তথ্য এন্ট্রি দিতে পারবেন, আর যাদের রক্তের প্রয়োজন হবে তারা সার্চ অপশন ব্যবহার করে ডোনারদের তালিকা এবং তাদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম খুঁজে পাবেন। এভাবেই গড়ে উঠবে রক্তের বাঁধন। রক্ত দিন, জীবন বাঁচান। যারা নিয়মিত রক্তদান করেন বা করতে চান তাদের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে অনুরোধ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরো জানান- আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা মানুষকে রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করছে। তাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। হয়তো একদিন আপনার প্রিয়জনের রক্তের প্রয়োজনে এই প্লাটফর্ম সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করবে।

    এ সময় পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ত্রিশাল পৌরসভার প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল বাকীউল বারী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ত্রিশাল মাহবুবুর রহমান এবং ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মনসুর আহাম্মদ,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ,পৌর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাবেরী জালাল পৌর সচিব, প্রধান প্রকৌশলী
    সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

  • বরিশাল বোর্ডে অকৃতকার্য ৩৬ হাজার পরীক্ষার্থী

    বরিশাল বোর্ডে অকৃতকার্য ৩৬ হাজার পরীক্ষার্থী

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (এসএসসি) পরীক্ষায় পাশের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। যেখানে ৮২ হাজার ৯৩১ জন অংশগ্রহনকারী পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৪৬ হাজার ৭৫৮ জন পরীক্ষার্থী। আর এই হিসেবে অকৃতকার্য হয়েছে ৩৬ হাজার ১৭৩ জন পরীক্ষার্থী।

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে প্রকাশিত এসএসসি’র ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ১ হাজার ৫০২ টি স্কুলের ৮৪ হাজার ৭০২ শিক্ষার্থীর এবছর এসএসসি পরীক্ষায় নিবন্ধন করলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮২ হাজার ৯৩১ জন পরীক্ষার্থী।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, বরিশালে এ বছর ফলাফলে এমন অবস্থার কারন বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা যারা গ্রামে পড়াশোনা করেন তারা ইংরেজি ও গনিতে ফেল করেছেন। ফলে ফলাফলের এমন অবস্থা। আমরা প্রতিটি জেলায় জেলায় শিক্ষকদের নিয়ে সমাবেশ শুরু করেছি। আশা করি দ্রুত এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠা যাবে। এছাড়া এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রকৃত মান উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

  • বরিশালে পাশের হার মেয়েরা এগিয়ে

    বরিশালে পাশের হার মেয়েরা এগিয়ে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় পাশের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী। এদিকে বিগত বছরের ন্যায় গড় পাশের হারে এবং জিপিএ ফাইভের বেলায় এবারেও ছেলেদের চেয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীরা এগিয়ে।

    এ বছরে ছেলেদের পাশের হার ৪৮ দশমিক ৪৫ ও মেয়েদের পাশের হার ৬৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ। পাশাপাশি মেয়েরা ১ হাজার ৬৮৫ টি জিপিএ-৫ পেয়েছে, আর ছেলেরা মোট ১ হাজার ৪২৯ টি জিপিএ-৫ পেয়েছে। আর বিষয় ভিত্তিতেও পাশের হারে বিজ্ঞান, মানবিক ও বানিজ্য বিভাগে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বিভাগের ছয় জেলার মোট এক হাজার ৪৯১টি বিদ্যালয় থেকে ৮৪ হাজার ৭০২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ছাত্র ৩৯ হাজার ৫৪৮ জন এবং ছাত্রী ৪৫ হাজার ১৫৪ জন। আর মোট ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়েছিল।
    এর মধ্যে পাস করেছে ৪৬ হাজার ৭৫৮ জন।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, বরিশালে এ বছর ফলাফলে এমন অবস্থার কারন বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা যারা গ্রামে পড়াশোনা করেন তারা ইংরেজি ও গনিতে ফেল করেছেন। ফলে ফলাফলের এমন অবস্থা। আমরা প্রতিটি জেলায় জেলায় শিক্ষকদের নিয়ে সমাবেশ শুরু করেছি। আশা করি দ্রুত এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠা যাবে। এছাড়া এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রকৃত মান উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

  • ফেনী জেলায় ব-ন্যা পরিস্থিতির অব-নতি; মোকা-বেলায় প্রস্তুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    ফেনী জেলায় ব-ন্যা পরিস্থিতির অব-নতি; মোকা-বেলায় প্রস্তুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    ফেনী জেলায় টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে ফেনী জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। গত ০৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে জেলা প্রশাসক, ফেনী এর তত্ত্বাবধানে বন্যা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে সেনাবাহিনীর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়। এ প্রেক্ষিতে গত বছরের (২০২৪) ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার আলোকে সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রস্তুতি কার্যক্রম গ্রহণ শুরু হয়েছে। পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলার সেনা ক্যাম্প সমূহে ইতোমধ্যে ট্রাইশার্ক বোট, ওবিএম ইঞ্জিন এবং লাইফ জ্যাকেট মোতায়েন করা হয়েছে, যা উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহার করা হবে। এছাড়াও জরুরী পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে সেনাবাহিনীর একটি চিকিৎসক দল জেলা সিভিল সার্জন এর সাথে সমন্বয় সভা করেছে। প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ফেনী বন্যা মনিটরিং সেল হেল্পলাইন নম্বর ০১৮৯৮৪৪৪৫০০ এবং ০১৩৩৬৫৮৬৬৯৩ এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    দুর্যোগকালীন মুহূর্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • কৃতিত্বে উজ্জ্বল আগামী সাংবাদিক পরিবারের তিন শিক্ষার্থীর সাফল্য

    কৃতিত্বে উজ্জ্বল আগামী সাংবাদিক পরিবারের তিন শিক্ষার্থীর সাফল্য

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    দোয়ারাবাজার উপজেলার সাংবাদিক পরিবার থেকে উঠে আসা তিন শিক্ষার্থীর কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল আমাদের সমাজে এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা হয়ে ধরা দিয়েছে। এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় তাদের কৃতিত্ব শুধু পরিবারকেই গর্বিত করেনি, বরং এটি প্রমাণ করে—সাংবাদিকতার মানবিক চর্চার আবহে বেড়ে ওঠা সন্তানেরাও শিক্ষাক্ষেত্রে উজ্জ্বল হতে পারে।

    🔹 জহিরুল ইসলাম জয়
    দোয়ারাবাজার সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম জয় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০ (A+) পেয়ে অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে। সে সাংবাদিক হারুন অর রশীদ ও রুবিনা আক্তার দম্পতির সন্তান।

    🔹 মোঃ আব্দুর রহমান
    সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পারুয়া আনোয়ারা উচ্চবিদ্যালয় এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৪৪ অর্জন করেছে। সে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের ভাতিজা এবং মোঃ শফিক মিয়া ও সালমা বেগম দম্পতির সন্তান।

    🔹 আশফাক আহমদ মহসিন
    দোয়ারাবাজার উপজেলার লামাসানিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আশফাক আহমদ মহসিন এবারের দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৩.১৯ অর্জন করে উত্তীর্ণ হয়েছে। সে দোয়ারাবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক ও কবি মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী এবং নাসিমা আক্তার লোপা দম্পতির একমাত্র পুত্র।

    এই তিন শিক্ষার্থীর প্রচেষ্টা ও সাফল্য আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা বহন করে—সংস্কৃতিমনা ও মানবিক পরিবেশে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়া সম্ভব।

    আমরা কামনা করি, এদের আগামী জীবন হোক নৈতিকতা, জ্ঞান ও মানবিকতায় পরিপূর্ণ।
    আল্লাহ তাঁদের জীবনের পথকে আরও আলোকিত করুন—এই শুভকামনায় রইল অভিনন্দন ও দোয়া।

  • পাইকগাছা পৌরসভা বিএনপি’র সম্মেলনে, বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী – আহবায়ক মন্টু

    পাইকগাছা পৌরসভা বিএনপি’র সম্মেলনে, বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী – আহবায়ক মন্টু

    ইমদাদুল হক,,পাইকগাছা (খুলনা)।।

    খুলনা জেলা বিএনপি আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুজ্জান মন্টু বলেছেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী হওয়ায় সাংগঠনিক কাটামো শক্তিশালী করতে স্বচ্ছ ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামিলীগ সরকারের সময়ে গনতন্ত্র না থাকায় জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।

    বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা প্রেস ক্লাব মিলোনয়তনে পৌরসভা বিএনপি’র ১,২ও ৫ নং ওয়ার্ড সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন।

    পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক আসলাম পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্লাহ খায়রুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোমরেজুল ইসলাম, জুলফিকার আলী জুলু, বিএম কারুজ্জাম টুকু, এনামুল হক সজল, সুলতান মাহমুদ, আব্দুস সালাম মল্লিক, উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, সদস্য সচিব এসএম এমদাদুল হক।

    পাইকগাছা পৌরসভার ১,২ এবং ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-২৬ শান্তিপূর্ণ ভাবে উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। ৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক পদে ভোট গ্রহণ করা হয়। এপদে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে ৪২ ভোট পেয়ে রুহুল আমিন সরদার নির্বাচিত হয়।

    একাধিক প্রার্থী না থাকায় বিনাপ্রতিদ্বতায় নির্বাচিতরা হলেন ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি, মোহাম্মদ আলী গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক, বেলাল হোসেন ২নং ওয়ার্ড সভাপতি- মনিরুল ইসলাম মন্টু , সাধারণ সম্পাদক পদে রুবেল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আনারুল ইসলাম নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়। ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বাবলু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন মিন্টু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়।

    নির্বাচন পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পাইকগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক জিএম মিজানুর রহমান, সহকারী কমিশনার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি প্রনব কান্তি মন্ডল, বিএল কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শেখ আবু সাঈদ, পাইকগাছা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট একরামুল ইসলাম।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা প্রতিনিধি।

  • বীরগঞ্জের একটি স্কুলেন কেউ পা-স করেনি, হ-তাশ অভিভাবকরা

    বীরগঞ্জের একটি স্কুলেন কেউ পা-স করেনি, হ-তাশ অভিভাবকরা

    দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের সাতখামার উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।

    দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে জানা গেছে, অংশ নেওয়া ৮ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এটি দিনাজপুর জেলার একমাত্র প্রতিষ্ঠান যেখানে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

    স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই স্কুলের রেজাল্ট পেয়ে আমরা খুবই হতাশ। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ যাতে অন্ধকারে না পড়ে, সেদিকে শিক্ষা বিভাগ এবং প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
     
    ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক নিতাই চন্দ্র রায় এর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি মোবাইল ফোন বন্ধ রাখার কারণে।
     
    এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যালয়টি সম্প্রতি এমপিও ভুক্ত হয়েছে। শিক্ষকদের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং আশা করছি আগামী বছর থেকে ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সাতখামার উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১০ জন শিক্ষক ও ৬ জন অফিস সহকারী কর্মরত আছেন। একসময় এই বিদ্যালয় ভালো ফলাফলের জন্য পরিচিত থাকলেও চলতি বছরের ফলাফল অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

  • বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডু-বি ১২ জনার ৯ জনকে জী-বিত উদ্ধার

    বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডু-বি ১২ জনার ৯ জনকে জী-বিত উদ্ধার

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী
    মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে পায়রা চ্যানেলের শেষ বয়ার কাছে ০৬/০৭/২০২৫ তারিখ ১২ জন জেলে সহ ডুবে যায় ‘এফবি সাইফুল’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার।
    টানা ৪ দিন পর সাগর থেকে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৩ জন। জানা গেছে উদ্ধার হওয়া ৯ জন জেলে সবার বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা, রাঙ্গাবালীর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে চরমোন্তাজ মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

    ট্রলারে মাঝি জানান,গত ০৬ তারিখ (রবিবার) বৈরী আবহাওয়া সাগরে উত্তাল ঢেউ থাকায় ১২ জন সহ ট্রলার ডুবে যায়। ডুবে যাওয়ার পরে চারদিন পরে ১২ জন জেলের মধ্যে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছ এখনয় ৩ জন নিখোঁজ আছে তারা বেচে আছে কিনা তা আমরা জানি না।

    রাঙ্গাবালীর (চরমোন্তাজ) নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম জানান স্থানীয় জেলেরা সাগর থেকে আসার পথে তাদেরকে ভাসতে দেখে আমাদেরকে সংবাদে দেয় আমরা গিয়ে ৯ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে এনে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি এবং স্বজনদের খবর দিয়েছি। স্বজনরা আসলে তাদেরকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।