Category: দেশজুড়ে

  • ময়মনসিংহে মহাসড়ক যেন ইটভাটা মালিকের পৈত্রিক সম্পত্তি! জ/নদুর্ভোগ চ/রমে

    ময়মনসিংহে মহাসড়ক যেন ইটভাটা মালিকের পৈত্রিক সম্পত্তি! জ/নদুর্ভোগ চ/রমে

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদরের ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নে ময়মনসিংহ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কটি যেন সদর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির কথিত সভাপতি ও আলম ব্রিকসের মালিক খোরশেদ আলমের পৈত্রিক সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে।যেন আইনের ঊর্ধ্বে আলম ব্রিকস?

    প্রকাশ্যে মহাসড়ক দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের এমন দৃশ্য চোখে পড়লেও সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নীরব ভূমিকা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাহলে কি কর্মকর্তাদের চোখে কাঠের চশমা, নাকি ঘুষের ঘোরে বিভোর দায়িত্বশীলরা?

    সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নে ময়মনসিংহ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়ক ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে সম্পূর্ণ অনুমোদনহীন ও অবৈধ ইটভাটা ‘আলম ব্রিকস’। ইটভাটার ধুলোবালি ও কয়লার গুড়া দখল করে নিয়েছে মহাসড়কের একাংশ। এতে সড়কটির স্বাভাবিক ব্যবহার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং সৃষ্টি হয়েছে চরম জনদুর্ভোগ।

    প্রতিনিয়ত স্কুলপড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। ধুলোবালিতে ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা, বাতাসে উড়ছে কয়লার গুড়া-ফলে শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালাপোড়া ও নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহুবার প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং প্রভাবশালী ইটভাটা মালিকের কারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন এবং সড়ক আইন-সবকিছুই প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হলেও নেই দৃশ্যমান কোনো অভিযান।

    এ বিষয়ে দ্রুত অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ, মহাসড়ক দখলমুক্ত করা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। অন্যথায় জনস্বার্থ উপেক্ষা করে প্রভাবশালীদের এমন দৌরাত্ম্য আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

    এবিষয়ে ইটভাটা মালিক খোরশেদ আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমার ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নবায়ন করে দিচ্ছে না।

    এবিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক শেখ মোঃ নাজমুল হুদা’র মুঠোফোনে বারবার কল করলে তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, লোকেশন হুয়াট্স এ্যাপে দিয়ে রাখুন আমি খোজ নিয়ে দেখছি।

  • ময়মনসিংহ-১১ আসনে মোর্শেদ আলমের প্রার্থীতার বৈধ ঘোষণায় নেতাকর্মী ও ভোটারদের উল্লাস

    ময়মনসিংহ-১১ আসনে মোর্শেদ আলমের প্রার্থীতার বৈধ ঘোষণায় নেতাকর্মী ও ভোটারদের উল্লাস

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। এ খবরে তার সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ভালুকা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমকে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

    খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম এই প্রতিনিধিকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ময়মনসিংহ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থিতায় এক শতাংশ ভোটে স্বাক্ষর গরমিলের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আমি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, আমি ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম। বিগত সময়ে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৭৫ হাজার ভোট পেয়েছি। আশা করছি সংসদ নির্বাচনেও জনগণের রায় আমার পক্ষে থাকবে।

    প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু। তার সঙ্গে দলীয় মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী বিএনপি নেতা মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। এ নিয়ে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের এক পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্শেদ আলম এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবর ভালুকায় পৌঁছালে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের আরেকটি গ্রুপের নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। মোর্শেদ আলমের মনোনয়ন বৈধতার খরবে নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করেন এবং আনন্দ মিছিলের প্রস্তুতি নেন।

    স্থানীয় নেতাদের মতে, উপজেলার জামির দিয়া গ্রামের সন্তান মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম গত ২০১১-২০১৬ পর্যন্ত হবিরবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থাকা বস্থায় তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় উন্নয়নের ছোঁয়া পোঁছে দেয়াসহ অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসাবে উপজেলা ব্যাপী সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে পাশে থাকার ফলে মোর্শেদ আলম এলাকার জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তারা আশা প্রকাশ করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণের বিপুল সমর্থনে তিনি এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জয় নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।

    এ আসনে অন্য প্রার্থীরা হলেন— ফখর উদ্দিন আহাম্মেদ বাচ্চু (বিএনপি), ছাইফ উল্যাহ পাঠান ফজলু (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), প্রভাষক মো. আনোয়ারুল ইসলাম হোসেন বিদ্যুৎ (গণ অধিকার পরিষদ), ডা. জাহিদুল ইসলাম (এনসিপি) এবং মোস্তফা কামাল কাশেমী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)।

  • গণভোটের সচেতনতায়  ময়মনসিংহ সদরের পথে-প্রান্তরে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী

    গণভোটের সচেতনতায় ময়মনসিংহ সদরের পথে-প্রান্তরে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ সদরের মাঠপর্যায়ে বিশেষ প্রচারণা চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, আনসার ও ভিজিল্যান্স টিমের অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে ১৪৭ ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় জনগণকে গণভোট সম্পর্কে অবহিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

    উপজেলা প্রশাসনের এই কার্যক্রমে সরাসরি নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী । তিনি উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং গণভোটের গুরুত্ব ও ভোট প্রদানের সঠিক নিয়ম নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় সাধারণ মানুষের মাঝে গণভোট সংক্রান্ত সচেতনতামূলক লিফলেটও বিতরণ করা হয়।

    প্রচারণাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী বলেন, “গণভোট নাগরিকের একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক অধিকার। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত প্রতিফলিত হয় এই প্রক্রিয়ায়। কোনো প্রকার ভয়-ভীতি বা গুজবে কান না দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।” তিনি আসন্ন নির্বাচনে নির্ধারিত দিনে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

  • পঞ্চগড়ে গণভোট সম্পর্কে গ্রাম পুলিশের সঙ্গে ম-তবিনিময় সভা

    পঞ্চগড়ে গণভোট সম্পর্কে গ্রাম পুলিশের সঙ্গে ম-তবিনিময় সভা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে গণভোট বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় গণভোটের গুরুত্ব, আইনগত দিক, ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাঠপর্যায়ে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে গণভোট সম্পন্ন করতে গ্রাম পুলিশের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।

    সভায় জেলা প্রশাসক ও জেলা বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এখানে জনগণের সরাসরি মতামত প্রতিফলিত হয়। তাই কোনো ধরনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে গ্রাম পুলিশই প্রশাসনের প্রথম সারির সহায়ক শক্তি। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও আইন মেনে চলাই হবে তাদের প্রধান অঙ্গীকার।

    জেলা নির্বাচন অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে গ্রাম পুলিশের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। ভোট গ্রহণ কেন্দ্র ও আশপাশে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।

    উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার (অ.দা.) ও পঞ্চগড় পৌর প্রশাসক সীমা শারমিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গ্রাম পুলিশ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা সুলতান বলেন, গণভোটকে ঘিরে জনসাধারণের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে গ্রাম পুলিশের আচরণ ও দায়িত্বশীলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    মতবিনিময় সভায় গ্রাম পুলিশের সদস্যরা গণভোট সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশ্ন ও বাস্তব সমস্যা তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিসহ পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময় সভা শেষে গ্রামে গ্রামে গণভোটের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা কার্যক্রম জোরদার করতে গ্রাম পুলিশের সদস্যদের হাতে লিফলেট তুলে দেন জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও লিফলেট বিতরণে অংশ নেন।

  • অবৈধভাবে বালু উত্তোলন  সংবাদ প্রকাশের পর ক/ঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫০ হাজার টাকা জ-রিমানা

    অবৈধভাবে বালু উত্তোলন সংবাদ প্রকাশের পর ক/ঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫০ হাজার টাকা জ-রিমানা

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি;

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকায় তালমা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তালমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সড়কের পাশে বালু মজুতের সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা হয়।

    এর আগে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের ফলে তালমা নদীর পাড় ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরীসহ আশপাশের জনবসতি। এতে নদীপাড়ের স্থাপনা ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এলাকাবাসী জানান, সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের এই তৎপরতায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে তারা আশঙ্কা করছেন, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা না থাকলে পুনরায় অবৈধ বালু উত্তোলন শুরু হতে পারে।

    একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সংবাদ প্রকাশ না হলে হয়তো এই অবৈধ কাজ বন্ধ হতো না। আমরা চাই শুধু জরিমানা নয়, স্থায়ীভাবে যেন নদী রক্ষা করা হয়। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে তালমা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদী ও বালু মহলে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সচেতন মহলের মতে, এই অভিযান একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হলেও নদী ও আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ধারাবাহিক ও কঠোর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

  • চবি শিক্ষার্থী অর্পিতা শীলের চোখে সুন্দরবনের ঢাংমারী: জীব-নসংগ্রাম ও আ-তঙ্কে জ-র্জরিত জেলেপল্লী

    চবি শিক্ষার্থী অর্পিতা শীলের চোখে সুন্দরবনের ঢাংমারী: জীব-নসংগ্রাম ও আ-তঙ্কে জ-র্জরিত জেলেপল্লী

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

    সুন্দরবনের ঢাংমারী: তিন দিনের সফরে দেখা সংগ্রামী জীবন। আমাদের সুন্দরবন সফর ছিল তিন দিনের। আমাদের সেশনের সবাই গিয়েছিলাম।তবে ম্যাম আমাদের গ্রুপ হিসেবে ভাগ করে দিয়েছিলো। মোট ১০ জন শিক্ষার্থী ছিলাম—আমি, সাদিয়া, সুমাইয়া, সামান্তা, লাবণি, মৌমিতা, রাফি, দিপ্ত হাসিব,মেহেজাবিন,সানজিদা। আমাদের সঙ্গে ছিলেন দুইজন নির্দেশক ম্যাম। সফরের উদ্দেশ্যে আমরা ৪ জানুয়ারি ২০২৬, সন্ধ্যা ৫টায় রওনা দিই এবং ৭ তারিখ রাতের দিকে ফিরে আসি।

    প্রতিটি দিনই নতুন কিছু শেখার, নতুন কিছু দেখার অভিজ্ঞতায় ভরা ছিল। তবে শেষ দিনের অভিজ্ঞতা ছিল একেবারেই আলাদা—হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আমরা জরিপ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাগেরহাট জেলার সুন্দরবনের করমজল সংলগ্ন এক জেলেপল্লিতে পৌঁছালাম। গ্রামের নাম ঢাংমারী। মোংলা বন্দর থেকে প্রায় ৩০-৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জনপদটি যেন অবহেলা ও বঞ্চনার এক নীরব দলিল।

    গ্রামে ঢুকতেই বোঝা গেল, এখানকার মানুষের জীবন কতটা সংগ্রামী। বাইরে থেকে কেউ আসলেই তাদের চোখে ভেসে ওঠে এক রকম আশা—কেউ হয়তো সাহায্য নিয়ে এসেছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সবচেয়ে বেশি সহায়তার প্রয়োজন যাদের, তাদের কাছে সাহায্য খুব কমই পৌঁছায়।

    ঢাংমারীর মানুষের খাবার-জলের প্রধান উৎস হলো বৃষ্টির পানি। তারা সারাবছর বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখে, সেটুকুই পানীয় হিসেবে ব্যবহার করে। শীতকালে পর্যাপ্ত পোশাকও নেই অনেকের। জীবিকা মূলত মাছ ধরা বা সামান্য চাষাবাদে নির্ভর। তবে লবণাক্ত মাটির কারণে চাষাবাদের সুযোগও সীমিত।

    সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হলো কুমিরের আতঙ্ক। আমরা এমন এক ব্যক্তির সঙ্গেও পরিচিত হলাম, যিনি মাছ ধরার সময় কুমিরের আক্রমণে আহত হয়েছেন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছেন, কিন্তু পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য আশপাশে কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। চিকিৎসা নিতে হলে দূরের মোংলা শহরে যেতে হয়, যা অনেকের জন্য প্রায় অসম্ভব।

    শিক্ষার অবস্থা করুণ। গ্রামের স্কুল সর্বোচ্চ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। তাও অনেক শিশু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এই সামান্য সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়। ফলে অল্প বয়সেই জীবনের দায়িত্ব কাঁধে নিতে হয় তাদের।

    চরম দারিদ্র্য আর বন্যপ্রাণীর ভয়—এই দুইয়ের মধ্যে প্রতিদিন কাটে ঢাংমারীর মানুষের জীবন। দুঃখজনকভাবে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল তাদের “সুন্দরবনের বানর” বলে অবমাননাকরভাবে অভিহিত করে।

    ঢাংমারীর মানুষের জীবনকাহিনী শুধু করুণ নয়, এটি আমাদের সমাজের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। উন্নয়ন ও সভ্যতার আলো থেকে বহু দূরে থাকা এই জনপদ আজও অপেক্ষায়—মানবিক সহানুভূতি, মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় সহায়তার।

    অর্পিতা শীল
    ——- শিক্ষার্থী
    বিভাগ: প্রাণীবিজ্ঞান
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
    সেশন; ২০২২-২০২৩

  • দুর্গাপুরে ড্রেজার মেশিন জ/ব্দ ও ভা/সমান ভেলা ধ্বং/স

    দুর্গাপুরে ড্রেজার মেশিন জ/ব্দ ও ভা/সমান ভেলা ধ্বং/স

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়নের (ইউপি) আমগ্রামে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) লায়লা নুর তানজু।এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় বালু তোলার কাজে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ এবং পাইপ ও একটি ভাসমান ভেলা ধ্বংস করা হয়।
    এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু বলেন, “ভূমি ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনুমোদনহীন পুকুর খনন, অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলন বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
    এদিকে একাধিকবার অভিযান চলিয়ে অবৈধ পুকুর খনন ও ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা প্রতিরোধ এবং ফসলি জমি রক্ষা ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করায়,সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করে অভিযান চলমান রাখার অনুরোধ করেছেন।

  • ঝিনাইদহে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন

    ঝিনাইদহে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
    ঝিনাইদহে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বরে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। মেলায় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা ও তরুণ কৃষি উদ্ভাবকরা নিজ নিজ স্টল প্রদর্শন করছেন। মেলা উপলক্ষ্যে সদর উপজেলা কৃষি অফিস চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। পরে মেলা চত্বরে উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজাল, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসনেআরা, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ কবির, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা জুনায়েদ হাবিব, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন সহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    সদর উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় মোট ১৮টি স্টল বসানো হয়েছে। সদর উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা নানা ধরণের আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি উদ্ভাবন ও চাষাবাদ কৌশল প্রদর্শন করেছেন।মেলায় পারিবারিক সবজি পুষ্টি বাগান, নিরাপদ ঔষধি ফসল, নিরাপদ মাশরুম উৎপাদন, ফুল প্রদর্শনী, নিরাপদ উচ্চমূল্য ফল চাষ প্রদর্শনী স্টল বসানো হয়েছে। এ ছাড়া উচ্চমূল্য মসলা, সবজি, কৃষি প্রযুক্তি গ্রাম, শস্যচিত্রে ঝিনাইদহ সহ বিভিন্ন স্টল মেলায় প্রদর্শন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, ঝিনাইদহে সব ধরণের ফসলের চাষাবাদ অত্যন্ত ভালো হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কম হওয়ায় এই জেলা কৃষিপণ্য উৎপাদনে দারুণ অবদান রেখে চলেছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও কৃষি পদ্ধতিতে তরুণরা আগ্রহী হচ্ছে। এতে আমাদের কৃষি সমৃদ্ধ হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে অ/ভিযান চলাকালে নদীতে অ/বৈধ জাল জব্দ করে বি/নষ্ট

    নড়াইলে অ/ভিযান চলাকালে নদীতে অ/বৈধ জাল জব্দ করে বি/নষ্ট

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের কালিয়ায় অবৈধ জাল জব্দ করে বিনষ্ট। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন–১৯৫০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী এলাকার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের নলিয়া নদীতে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ অভিযানে নড়াগাতী থানা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার অভিযান চলাকালে নলিয়া নদীতে অবৈধ ভাবে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার নিষিদ্ধ জাল শনাক্ত করা হয়। এ সময় নদী থেকে মোট সাতটি চায়না দুয়ারি জাল ও ৫টি চরঘেরা জাল জব্দ করা হয়। এসব জাল নদীর স্বাভাবিক মাছের প্রজনন প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করার পাশাপাশি জলজ জীব বৈচিত্র্যের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছিল। পরে উদ্ধার করা অবৈধ জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এ অভিযানের মাধ্যমে নদীতে মাছের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাস বলেন, অবৈধ ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের ফলে নদী ও খালের মাছের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও আইন বাস্তবায়নের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। তিনি জেলেদের নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • র‌্যাব-১২ এর অ/ভিযানে সা/জাপ্রাপ্ত প/লাতক আসামী গ্রে/ফতার

    র‌্যাব-১২ এর অ/ভিযানে সা/জাপ্রাপ্ত প/লাতক আসামী গ্রে/ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    ১। গত ০২ মার্চ ২০২০ খ্রিঃ তারিখে আসামী মোঃ সোনা, পিতা- মৃত ইসলাম, সাং-সাহেদ নগর বেপারীপাড়া, থানা- সদর, জেলা- সিরাজগঞ্জ এর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মাদক মামলা দায়ের হয়। যার মামলা নং-১০, ধারা- ২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ৮(গ)। উক্ত মামলার বিচার কাজ শেষে বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত নং-০১, সিরাজগঞ্জ উক্ত মামলায় অভিযুক্ত মোঃ সোনাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ২০,০০০/-টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ০৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে। রায় হওয়ার পর থেকেই উক্ত মামলার আসামী মোঃ সোনা দেশেরে বিভিন্ন প্রান্তে পরিচয় বদলে আত্মগোপনে থাকেন বলে তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ১১ জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিঃ, বিকাল ১৬.৪০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন বাজার স্টেশন’’ এলাকা হতে একটি অভিযান পরিচালনা করে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মোঃ সোনাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সোনা, পিতা- মৃত ইসলাম, সাং-সাহেদ নগর বেপারীপাড়া, থানা- সদর, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।