Category: দেশজুড়ে

  • পরিকল্পিত পরিবার একটি সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত-ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

    পরিকল্পিত পরিবার একটি সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত-ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, পরিকল্পিত পরিবার একটি সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।আজকের তরুণ প্রজন্মকেই পরিবার গঠনের ক্ষেত্রে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ছেলে হোক, মেয়ে হোক—২টি সন্তান যথেষ্ট—এই বার্তাটি শুধু স্লোগানে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। জন্মনিয়ন্ত্রণ একটি সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা না থাকলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ ও জনসংখ্যা বিস্ফোরণ আমাদের সামনে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার সুস্থ হোক, শিক্ষিত হোক, এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হোক। এজন্য তারুণ্যকে সচেতন, দক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করে গড়ে তুলতে হবে।

    ন্যায্য ও সম্ভাবনাময় বিশ্বে পছন্দের পরিবার গড়তে প্রয়োজন তারুণ্যের ক্ষমতায়ন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সোমবার (১৪ জুলাই-২০২৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অবস্থিত পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদ রাজীব এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায়
    স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও উপজেলার ১১ নং রাজৈ ইউনিয়ন পরিষদ এর দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক মোঃ রতন মিয়া।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত সকল অতিথি ও সহকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আলোচনা শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পারফর্মারদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হলে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

    অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, মাঠকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে উপস্থিত সকল অতিথি ও সহকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদ রাজীব।

    এবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ন্যায্য ও সম্ভাবনাময় বিশ্বে পছন্দের পরিবার গড়তে প্রয়োজন তারুণ্যের ক্ষমতায়ন’।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ আরো বলেন-ন্যায্য ও সম্ভাবনাময় বিশ্ব গঠনে তরুণদের ক্ষমতায়ন জরুরি। তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “তরুণদের প্রজনন স্বাস্থ্য-সংশ্লিষ্ট চাহিদা, পছন্দ-অপছন্দ ও প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তাদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। এতে ন্যায্যতা, সামাজিক শান্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সহজ হবে।”

  • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের  বিক্ষো-ভ মিছিল

    কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষো-ভ মিছিল

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে

    সারাদেশে প্রশাসনের নির্লিপ্ততা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকালে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা পুলিশ লাইন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

    এসময় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়৷ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সুলতান জুয়েল। আরো বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ মেরাজ উদ্দিন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ইমাম হোসেন ফারুক।

    সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমুলক অপপ্রচার এবং কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এনে বক্তব্য রাখেন বক্তারা৷ তারা বলেন, ‘জামায়াত-শিবির যে উদ্দেশ্যে মাঠে নেমেছে সেই উদ্দেশ্য আমরা নস্যাৎ করে দেবো। যারা ইসলামের নাম বিক্রি করে, বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে তাদের ঠাঁই এই বাংলায় হবে না। দেশের প্রয়োজনে কোনো আপোষ হবে না৷ আপনাদের (জামায়াত-শিবির) যদি প্রয়োজন হয় আপনারা পাকিস্তান যোগাযোগ করতে পারেন। পাকিস্তান এম্বাসিতে আপনারা যোগাযোগ করুন, নির্বাচনের পর আপনারা এই দেশে থাকতে পারবেন কিনা। পাকিস্তান আপনাদেরকে গ্রহণ করবে কিনা এটা জিজ্ঞেস করে নিবেন। আমাদের মধ্যে দরদ রয়েছে। আমরা আপনাদেরকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর মত আলাদা ক্যাম্প করে সেখানে পাঠিয়ে দেব। স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো দালালি চলবে না।”

    বক্তারা আরো বলেন, “এ দেশে জামায়াত শিবিরের কাজই দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ ও সংঘাত তৈরী করা। মব সৃষ্টিকারী কিংবা স্বাধীনতা বিরোধী কেউ এ দেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে না৷ বাংলাদেশের একমাত্র প্রাণ আমাদের নেতা তারেক রহমান। একসময় ঐ সংগঠন (জামায়াত ইসলামী) আওয়ামীলীগের সাথে ছিলো। কুমিল্লায় তারা কোনো রাজনীতি করতে পারবে না।”

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সালমান সাঈদ, রায়হান চৌধুরী, ইমদাদুল হক শিফন, শাহ কামাল, নজির আহমেদ, আলমগীর হোসেন, সুমন মিয়া, তোফায়েল আহমেদ পাটোয়ারী। দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মনসুর নেজামী, এনামুল হক সরকার, আব্দুর রহিম সুজন, আহমাদুল্লাহ খন্দকার, সোহরাব হোসেন, ফরহাদ উদ্দিন, হুমায়ুন কবির, কামাল হোসেন, জহিরুল ইসলাম তৌফিক, সারোয়ার মোর্শেদ নান্নু, আবুল বাশার, ইসমাইল হোসেন, ইমরান হোসেন, গাজী সুমন, ইয়াসিন হোসেন। আদর্শ সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. আকতারুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মাসুক, সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন, সদস্য সচিব কিবরিয়া জুয়েল। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন। নাঙ্গলকোট উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব আজিম উদ্দিন মাকসুদ। মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. বাহার, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন। বুড়িচং স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব আব্দুল আলিম। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সাবেক সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম, লালমাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোজাম্মেল হোসেন, আব্দুল আল মাহমুদ অপু সহ আরো অনেকে।

    এর আগে কুমিল্লা নগরীসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে জমায়েত হতে থাকে। তারা বিক্ষোভ মিছিলে ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়; ‘আ.লীগ গেছে দিল্লীতে, জামায়াত যাবে পিণ্ডিতে’ সহ বিভিন্ন স্লোগান তুলে৷ এসময়, প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেয়।

  • চট্টগ্রামে চাঁ-দাবাজি ও সন্ত্রা-সের বিরু-দ্ধে বিএনপি বিক্ষো-ভ মিছিল

    চট্টগ্রামে চাঁ-দাবাজি ও সন্ত্রা-সের বিরু-দ্ধে বিএনপি বিক্ষো-ভ মিছিল

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

    দমন–পীড়ন, ষড়যন্ত্র, গুজব আর রাষ্ট্রীয় অপপ্রচারের জবাব দিতে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ফ্যাসিবাদী শাসনের ছায়ায় গণতন্ত্রবিনাশী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ মোড়জুড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটি।

    গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (চপই) এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। টেকনিক্যাল মোড় থেকে শুরু হয়ে রুবি গেইট, বেবি সুপার এলাকা ঘুরে পুনরায় টেকনিক্যাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিলো কঠোর উত্তেজনা ও জনতার ব্যাপক উপস্থিতি।

    বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন—

    “দেশ আজ ভয়ংকর দুঃশাসনের কবলে। ভোটহীন সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও গুজব এখন গণতন্ত্রের বড় শত্রু। যারা জনগণের রায়ের তোয়াক্কা করে না, তারা আজ নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত।”

    তারা আরও বলেন, সরকারের একের পর এক অপপ্রচার ও গোপন প্রোপাগান্ডার জবাবে বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ক্ষমতাসীন মহল একে দমনে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে:
    এই ধরনের ধারাবাহিক প্রতিবাদ কর্মসূচি বিএনপির সাংগঠনিক সক্রিয়তা এবং মাঠপর্যায়ে পুনরাবির্ভাবেরই ইঙ্গিত বহন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা এবং চাঁদাবাজ-দখলদার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জমে ওঠা ক্ষোভই এই আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    সমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকায় থেকে
    বিক্ষোভ শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—
    যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান,দেলোয়ার হোসেন, নূরুল ইসলাম
    চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুল মুন্না,সদস্য কামরুল ইসলাম আকাশ,বায়েজিদ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল করিম,ছাত্রনেতা মাহমুদ প্রমুখ।

    নেতৃবৃন্দ একযোগে বলেন, “দুর্নীতিবাজ-দখলদার-গুজববাজ সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় দেশ চলছে। এই বাস্তবতায় জনগণের একমাত্র আশা বিএনপি।”

  • জলবায়ু হু-মকি, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও মানবসম্পদ রপ্তানিতে টরন্টো-চট্টগ্রাম কৌশলগত সংলাপ: মেয়র ডা. শাহাদাত

    জলবায়ু হু-মকি, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও মানবসম্পদ রপ্তানিতে টরন্টো-চট্টগ্রাম কৌশলগত সংলাপ: মেয়র ডা. শাহাদাত

    শহিদুল ইসলাম,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রামের চসিক মেয়র ও এমপিপি ম্যাকমাহনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা
    টরন্টোর ড্যানফোর্থে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং অন্টারিও প্রাদেশিক সংসদের প্রভাবশালী সদস্য মেরি-মার্গারেট ম্যাকমাহনের মধ্যে এক গভীর কূটনৈতিক সংলাপ। আলোচনা হয়েছে বহুমাত্রিক—কিন্তু লক্ষ্য একটাই: উভয় শহরের উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে আরও কাঠামোগত ও টেকসই রূপ দেওয়া।

    কৌশলগত আলোচনার তিনটি স্তম্ভ:

    ১.জলবায়ু সহনশীলতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর
    চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত হুমকি প্রসঙ্গে মেয়র বলেন—
    “চট্টগ্রাম এখন টিকে থাকার সংগ্রামে। প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান ও কানাডিয়ান প্রযুক্তির হস্তান্তর।”
    মেয়রের প্রস্তাব: নদী ও খাল পুনর্জীবনে কানাডার অভিজ্ঞতা প্রয়োগ, স্টর্মওয়াটার ম্যানেজমেন্টে টরন্টোর প্রযুক্তিগত সহায়তা।

    ২.স্টার্টআপ ইনকিউবেশন ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংযোগ
    চট্টগ্রামের তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা কাজে লাগাতে মেয়র সরাসরি অনুরোধ করেন—
    “মার্স ডিসকভারি ডিস্ট্রিক্ট-এর আদলে একটি আন্তর্জাতিক মানের ইনোভেশন হাব গঠন চাই চট্টগ্রামে।”
    তিনি প্রস্তাব করেন: কানাডার স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হওয়া এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া।

    ৩.নার্সিং ও পিএসডব্লিউ পেশায় কর্মসংস্থান: বাংলাদেশের মানবসম্পদকে বিশ্বমানে রূপান্তরের প্রয়াস
    বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কানাডার মানদণ্ডে মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি প্রদান, যৌথ ইনস্টিটিউট স্থাপন—এসবই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
    মেয়র বলেন, “আমাদের দক্ষতা আছে, কিন্তু দরকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি। কানাডা এই বন্ধুত্বে নেতৃত্ব দিতে পারে।”
    ম্যাকমাহনের অবস্থান ছিল স্পষ্ট, দৃঢ় ও আশাব্যঞ্জক
    “বাংলাদেশ আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি। জলবায়ু হোক বা নার্সিং—আমি সবক্ষেত্রে সহযোগিতায় প্রস্তুত।”
    তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—টরন্টো বাংলাদেশের অংশীদার, শুধু প্রতীকী নয়, বাস্তব প্রয়োগে।

    বিশ্লেষণমূলক মন্তব্য:
    এই বৈঠক শুধু একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়—এটি ভবিষ্যতের জন্য কৌশলগত নকশা। চট্টগ্রাম একটি ‘মেট্রোপলিটন ডিপ্লোম্যাসি’ রোডম্যাপে প্রবেশ করল, যেখানে নগর প্রশাসনই আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বার্তাবাহক।

  • ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ আ: খালেককে মা-রপিটের  অ-ভিযোগ

    ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ আ: খালেককে মা-রপিটের অ-ভিযোগ

    আঃ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের পদ অবৈধভাবে দখল করে কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল খালেককে মারপিট ও নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসানের বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এক লিখিত অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক জানান, গতকাল সোমবার সকালে গেট দিয়ে কলেজে ঢোকার সময় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসান ও তার লোকজন পরিকল্পিতভাবে প্রবেশ পথে বাঁধা দেয় তাকে। এ সময় অধ্যক্ষ খালেক কলেজে ঢোকার চেষ্টা করলে শামীম হাসানের পেটুয়া বাহিনী অধ্যক্ষ খালেককে শারীরিকভাবে ব্যাপক মারপিট ও নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ সহ তার সহধর্মিণী ও মেয়ে আহত হন।

    অধ্যক্ষ আরোও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পর্টপরিবর্তনের পর থেকে হুমকি ও মারপিটের ভয় দেখিয়ে বেআইনী ভাবে কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে বিধি লঙ্ঘন করে অবৈধ রেজুলেশনের মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন কলেজ শিক্ষক শামীম হাসান। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বেসরকারি ডিগ্রি কলেজে ২০১৯ বিধির ৪ এর ২ এর ২ ধারা অনুযায়ী কলেজে যে সমস্ত বিষয়ের উপর ডিগ্রি কোর্স অনুমোদন পাবে, সেই সমস্ত বিষয়ের শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করতে পারবেন। তিনি এই বিধি ভঙ্গ করে অবৈধ রেজুলেশনের মাধ্যমে জোরপূর্বক দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও অবৈধ ক্ষমতা পেয়ে বিনা কারণে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভিন্ন অযুহাতে গত ১০ মাস ধরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের বিধি ১৭ এর খ ধারার ‘গ’ আইন মোতাবেক অবৈধভাবে বরখাস্ত করে আমাকে কলেজে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না কথিত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসান।

    ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হাসান এ ব্যাপারে মারপিটের ঘটনা অস্বীকার করে তিনি জানান, বেসরকারি বিধি অনুসরণ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তারপর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছি।

    কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি এ্যাডভোকেট আরজ আলী জানান, কলেজে দুই অধ্যক্ষের পদ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরামর্শে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

    এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত জানান, এ ঘটনা আমি কলেজ সভাপতিকে অবহিত করেছি। খুব শীঘ্রই বিষয়টা মীমাংসা হয়ে যাবে বলে আশা করছি।

  • সেনবাগে সম্পত্তিগত বিরো-ধে র-ক্তক্ষয়ী সংঘ-র্ষের ঘটনায় দো-ষীদের শা-স্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মান-ববন্ধন:

    সেনবাগে সম্পত্তিগত বিরো-ধে র-ক্তক্ষয়ী সংঘ-র্ষের ঘটনায় দো-ষীদের শা-স্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মান-ববন্ধন:

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর সেনবাগে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে শালিসী বৈঠকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।১৫ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ৮নং বীজবাগ ইউপির ফকিরহাট বাজারে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য গত ১২ জুলাই বিকেলে উপজেলার বীজবাগ মোবারক আলী ব্যাপারী বাড়ীর ২০ শতাংশ জায়গার মালিকানা সংক্রান্ত এক শালিসী বৈঠক গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে ফকিরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠক চলাকালে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় আজিজুল হক, আরমান,রাজুসহ ৫ জনকে মারাত্মক ভাবে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষের জাবেদ ও আলাউদ্দিন গংরা।এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী আজিজুল হক।সেনবাগ থানা পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।কিন্তু ১নং আসামি জাবেদ সহ অনেকে এখনো পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়ে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ হতে উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মো:
    পারভেজ,তাহের,ফকির আহাম্মদ,সোহাগ, হায়দার,বুলবুল, মোতালেব, সাইফুল ইসলাম, মো: শহিদ,সহ অনেকেই।এসময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,বাজার ব্যবসায়ীগন সহ প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

  • চু-রি করে নিয়ে যাবার কালে ডিম সহ চো-র আ-টক

    চু-রি করে নিয়ে যাবার কালে ডিম সহ চো-র আ-টক

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লার নিউ মার্কেটের ভিতরে মেসার্স বাবুল ষ্টোর থেকে বিভিন্ন সময় প্রায় অর্ধলক্ষ টাকার ডিম চুরি করে নিয়ে যায় সুমন নামের এই যুবক।

    অবশেষে গত রাতে সিসি ক্যামেরা দিয়ে ডিম চোরকে হাতে নাতে আটক করেন দোকানের মালিক বাবুল মিয়া।
    পরে নিউমার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ি সমিতির সহযোগিতায় পুলিশের কাছে তুলে দেন চোরকে।দীর্ঘ দিন যাবত একটি চক্র নিউ মার্কেট এলাকায় চক্রটি চুরি করে আসছে, কিছু দিন পূর্বে হাজী পেপের হাউজের সামনে থেকে রক্ষিত কাগজের রিম নিয়ে চলে যায় তাও সিসি ক্যামেরা ধরা পরে কিন্তু চোর ধরা পরেনি। ব্যাবসায়ীরা এবার সর্তক হয়েছে।

  • বরিশালে পৃথক অভি-যানে ২৬৫০ পিস ইয়া-বা ও জা-লনোটসহ গ্রে-প্তার ৪ মাদ-ক ব্যবসায়ী

    বরিশালে পৃথক অভি-যানে ২৬৫০ পিস ইয়া-বা ও জা-লনোটসহ গ্রে-প্তার ৪ মাদ-ক ব্যবসায়ী

    বরিশাল বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখার পৃথক অভিযানে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ২৬৫০ পিস ইয়াবা, ৬০ গ্রাম গাঁজা ও জালনোটসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

    গত ১৪ জুলাই বিকেলে নগরীর ২৬নং ওয়ার্ডের কালিজিরা ব্রীজের পূর্ব পাড়ে এসআই জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালায় গোয়েন্দা শাখা। এ সময় সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার নূরের চালা গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন (৩৫) কে ২২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। অভিযানে তার কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সে কালিজিরা এলাকার করিম মিয়ার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিল।
    অপরদিকে এসআই মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন রুপাতলী হাউজিং এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের পঞ্চম তলায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৪৫০ পিস ইয়াবা, ৬০ গ্রাম গাঁজা এবং ৩০০০ টাকার জালনোটসহ আটক করা হয় তিনজনকে। তারা হলেন – বরিশালের দক্ষিণ কড়াপুর গ্রামের ফারুক হাওলাদার, ঝালকাঠী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শাকিল খান সেন্টু ও সদর উপজেলার হরিনা ফুলিয়া এলাকার মারুফা আক্তার।
    বিএমপি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • ঢাকা ও আশুলিয়ায় মা-মলা বাণি-জ্যসহ বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবা-জি

    ঢাকা ও আশুলিয়ায় মা-মলা বাণি-জ্যসহ বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবা-জি

    হেলাল শেখঃ ঢাকাসহ আশুলিয়ায় বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে মামলা বাণিজ্য ও মহাসড়কে যানবাহনসহ ফুটপাতে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি। আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় আশুলিয়ায় মানববন্ধন করেছেন বিএনপির পৃথক একটি পক্ষ। উল্লেখ্য, ঢাকা জেলার সাভার আশুলিয়া, ধামরাই ও গাজীপুরের কাশিমপুর, রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন মহাসড়ক ও শাখা রাস্তার ফুটপাতে এবং ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিক্সাসহ ফিটনেসবিহীন বিভিন্ন যানবাহন থেকে নামে বে-নামে বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে একটি মহল কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ। তদন্ত করলে কেঁচো খুঁজতে সাপের সন্ধান পাওয়া জেতে পারে বলে অনেকেই জানান। অথচ সরকার এসব সেক্টর থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। ব্যাটারি চার্জ দিয়ে বিদ্যুৎ অপচয় করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
    সোমবার (১৪ জুলাই ২০২৫ইং) জানা গেছে, আগে যেখানে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতো একটি মহল সেখানেই এখন বিএপি’র নাম ভাঙিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ব্যবসা দখল করার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা জেলার সাভারের আমিনবাজার-আরিচা মহাসড়ক ও আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং আশলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের জামগড়া, ছয়তলা, ইউসুফ মার্কেট ও নরসিংহপুর-কাশিমপুরসহ বিভিন্ন শাখা সড়কে একাধিক লাইনম্যান প্রতিটি অটোরিক্মা থেকে ২০ টাকা করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করে। জানা যায়, এই চাঁদাবাজির সাথে এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার দালালরা কাজ করে। অনেকেই সড়কের দুইপাশে মার্কেটের সামনে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছে, প্রতিদিন একটি দোকানের চকির চাঁদা ১০০ থেকে ২০০টাকা নেয়া হয়। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করা হয় যানবাহন থেকে এবং ফুটপাতসহ বিভিন্ন সরকারি জমি ও রাস্তা দখল করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে চাঁদাবাজি নিয়ে চাঁপাবাজি করছে একটি মহল আবার গত সোমবার ২৩ জুন ২০২৫ইং তারিখে আশুলিয়ার বাইাইলে বিএনপির একটি পক্ষ মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে মানররন্ধন করেছেন চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে।
    মহাসড়কসহ বিভিন্ন রোডে অবাধে চলছে অবৈধ অটোরিকসা গাড়ি-সিএনজি, মাহিন্দ্রা, তিন চাকা গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন। এসব যানবাহন থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় যানবাহন থেকে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। জানা গেছে, পুরাতন আশুলিয়া থেকে জিরাবো, নরসিংহপুর, সরকার মার্কেট, জামগড়ার ছয়তলা, ইউনিক, নবীনগর থেকে জিরানী পর্যন্ত সড়কে এবং নবীনগর থেকে পাটুরিয়া, আরিচা মহাসড়কে বাসগুলো থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। (সূচনা, দেশ মাটিসহ বিভিন্ন পরিবহণ সেক্টর থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়)। অন্যদিকে দেখা যায়, কার আগে কে যাবে আর স্টাফদের সাথে মারামারি লেগেই থাকে, অসাবধানতায় গাড়ি চালায় ১৪-১৭ বছরের কিশোর। ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা জরুরি।সাভার ও নবীনগরের ফুটপাত হকারদের থেকে দখলমুক্ত করা হলেও বেশিরভাগ এলাকায় এখনও ফুটপাত দখল করে জমজমাটভাবে চলছে ব্যবসা বাণিজ্য। লাইসেন্সবিহীন যানবাহন থেকে কিছু দালাল ও হাইওয়ে কিছু পুলিশ সদস্য মোটা অংকের চাঁদাবাজি করে থাকে বলে অনেকেই জানায়। মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গাড়ি পার্কিং দোকানপাট বসিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করা সরকার নিষিদ্ধ করলেও কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না কেন জাতি জানতে চায়। পুলিশ ও গাড়ির মালিক সমিতি কতর্ৃক চাঁদাবাজদেরকে প্রতিটি গাড়ি হতে ১০০০-২৫০০/ টাকা চাঁদা দিতে হয়। বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন (টিআই) অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিএ কতর্ৃপক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ সঠিক ভাবে করতে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ না করে অবৈধভাবে বিশৃঙ্খলার মধ্যে অবৈধ যানবাহন চলছে সড়কও মহাসড়কের সর্বত্র। ফলশ্রুতিতে জনগণ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আর সরকার সারাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিষটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনায় আনতে বিশেষভাবে সবিনয় বিনীত অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশের জনগণ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লোকের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বেকার সমস্যা দূর করতে সক্ষম হবে সরকার। মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা খুঁজে পাবে এবং নিরাপদ সড়ক বিনিমার্ণে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেই সাথে সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশুলিয়ার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ ও বাইপাইল, ইউনিক, জামগড়ার ছয়তলা ও সরকার মার্কেটসহ বিভিন্ন সড়কের পাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা থানা পুলিশের, শুধু নবীনগরসহ কিছু এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করলেও বেশিরভাগই ধরাছোঁয়ার বাইরে, কোনো ভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য, হাইওয়ে পুলিশ ও আশুলিয়ার নরসিংহপুরে মোঃ সুমন ওরফে মাহিন্দ্রা সুমন, শ্রীপুরের বাবুলসহ কয়েকজন দালাল চাঁদাবাজ কতর্ৃক তিন চাকা গাড়ি- প্রতি একটি গাড়ি থেকে ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করছে, পুরাতন আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের একজন সদস্য সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে মাসিক চাঁদা উঠায়, তা মোটা অংকের বলে অনেকেই জানায়। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বিভিন্ন ফুটপাতে চাঁদা আদায় করে। কিছু ফুটপাতের দোকানদার ব্যবসার আড়ালে চাঁদা উঠায় এমন অভিযোগও রয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের অন্যদিকে সিলেট সদরের আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক থেকে প্রতি বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার চাঁদা আদায় করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এদিকে ভৈররের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি বছর ১কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা একদিকে যানবাহন থেকে চাঁদা নিয়ে থাকে, অন্যদিকে ফুটপাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিরপুর বিভিন্ন সড়ক ও বেঁড়িবাঁধ থেকেও ব্যাপক চাঁদাবাজি করা হয়। শুধু বেড়িবাঁধ থেকেই চাঁদা নিয়ে ক্ষ্যন্ত হয়নি তারা, কার্গো জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তৈরি করেছে ল্যান্ড ষ্টেশনও। সেখানে মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতর্ৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ল্যান্ড ষ্টেশন থাকলেও অদৃশ্য কারণে তৈরি ল্যান্ড ষ্টেশনই ব্যবহার করা হচ্ছে।
    ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং ভাদাইল, ইউনিক বাজার, শিমুলতলা, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া চৌরাস্তা-ছয়তলা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের রাস্তার দুইপাশে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। সেই সাথে উক্ত এলাকায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি করে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য। জানা যায়, বিভিন্ন ক্রাইম স্পট থেকে কিছু পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদা উঠিয়ে দেয় এড়িয়াভিত্তিক মার্কেটের মালিক পক্ষের লোকজন। সচেতন মহল ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভার, আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে এবং তুরাগপাড়ের বেড়িবাঁধের রাস্তার উপরের দুপাশে বিভিন্ন দোকান, লেগুনা ষ্ট্যান্ড বসিয়েও চাঁদাবাজি করে আসছে প্রভাবশালী মহল। জানা যায়, বছরের পর বছর উল্লেখ্য এলাকার মানুষজনকেএকপ্রকার জিম্মি করেই অবৈধ কর্মকান্ড করে আসছে প্রভাবশালীরা। চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কিছু রাজনৈতিক নেতা জড়িত রয়েছে বলেও অনেকেই জানান। রাজধানীর গাবতলী মাজার রোড হয়ে দারুসসালাম থানা রোড ও থানার সামনে দিয়ে ছোট সরু রাস্তা থেকে কিছু দূর গেলেই তুরাগ নদীর পাড় এলাকাটির নাম ছোটদিয়াবাড়ী । তুরাগ নদীর এ পাড়ের অংশ ছোট দিয়াবাড়ী, উপরের অংশ কাউন্দিয়া। এই পারের অংশের বাম দিকে গাবতলী আর ডান দিকে বেড়িবাঁধ রাস্তা। যা আশুলিয়া ও উত্তরার দিকে চলে গেছে। তুরাগের বাঁধঘেষা ছোট দিয়াবাড়ী মোড়টিকে পুঁজি করেই চক্রটি মূলত বিশাল চাঁদাবাজির ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। দেখা যায়, বাঁধ সংলগ্ন রাস্তাটি বেশ চওড়াই কিন্তু দুপাশে দখলের কারণে এটি ছোট হয়ে এসেছে। দুপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় শত শত দোকান। দারুসসালাম রোড থেকে বাঁধে উঠার সংযোগ সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে বাঁশের আড়ৎ দেওয়া হয়েছে। এককালীন লাখ টাকা, পরে ১৫-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানিরা বলেন, তারা জায়গাটি ভাড়া নিয়েছেন হাজি জহিরের কাছ থেকে। তারা বলেন, এককালীন হিসেবে প্রায় লাখ খানেকের মতো টাকা দিয়েছেন আর প্রতি মাসে ১০হাজারের মতো টাকা ভাড়া দেন। হাজী জহির এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। নৌপরিবহন মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেকেই বলেন, একদল গেছে, আর একদল আসছে চাঁদাবাজিও বাড়ছে।
    মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি ও ঢাকা উত্তর ডিবি পুলিশের একাধিক সাব-ইন্সপেক্টর বলেন, এর আগে সড়কে গাড়িতে চাঁদাবাজির সময় কয়েকজনকে আটক করা হলেও আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও চাঁদাবাজি করছে। ঢাকা জেলার সাভার ট্রাফিক জোনের একজন অফিসার বলেন, আগের চেয়ে পরিবেশ অনেকটা ভালো, সড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাভারে ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, অবৈধ গাড়ি রোডে বেশি চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়, তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে অটো রিক্সা, মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ তিন চাকা গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। এখন থানা পুলিশ এ বিষয়ে দেখবেন। আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায় অভিযান চলমান রয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা রোড ও ঢাকা টাঙ্গাইল রোডে ছিনতাই এবং বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। উক্ত ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল। সামনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই বিএনপি’র শীর্ষ নেতারা উক্ত বিষয়টি আমলে না নিলে দলের বদনামসহ চরম ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সচেতন মহলের দাবী। এদিকে চাঁদাবাজি নিয়ে চাঁপাবাজির সাথে এসবের সাথে জরিতদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করছেন বিএনপির একটি পক্ষ। তাহলে আসল চাঁদাবাজদের কেন আটক করা হচ্ছে না তা জাতি জানতে চায়। আশুলিয়ায় উক্ত বিষয়সহ বিভিন্ন অপরাধীদের ব্যাপারে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নানকে জানানো হলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। সেই সাথে উক্ত এলাকাগুলোর সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ প্রশাসন জানান, এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।##

  • অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশে নকল ও ভে-জাল খাদ্যপণ্য তৈরি-স্বাস্থ্যঝুঁ-কিতে শিশুসহ সাধারণ মানুষ

    অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশে নকল ও ভে-জাল খাদ্যপণ্য তৈরি-স্বাস্থ্যঝুঁ-কিতে শিশুসহ সাধারণ মানুষ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নকল ও ভেজাল শিশু খাদ্যসহ নানারকম খাদ্যপণ্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করে বিক্রির করার অভিযোগ। বেকারী ও মিষ্টিজাত পণ্যের কারখানার মালিকরা এসব তৈরি করে বাজারজাত করছে।এসব খাদ্যপণ্যের কারখানাগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে মালিকদের দেখা পাওয়া যায় না। একদিকে শিশুদের খাবারে মেডিসিন দেওয়া হয়, অন্যদিকে ভেজাল খাদ্যপণ্য তৈরি করে বিক্রি করায় শিশুসহ সকল বয়সের মানুষ অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন।
    সোমবার (১৪ জুলাই ২০২৫ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বেকারী ও মিষ্টির কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করছে। বিশেষ করে বেশিরভাগ মানুষ সকালে চায়ের সাথে বিস্কুট, কেক, রুটিসহ নানারকম বেকারীজাত খাবার খেয়ে থাকেন। সেই সাথে অনেকের প্রিয় মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবার পছন্দ করেন। এসব খাবারের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এছাড়া বাসা বাড়িতে আত্মীয়স্বজন আসলে মেহমানদারিতে এসব খাদ্যপণ্য অন্যতম। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব খাবারের চাহিদাও ব্যাপক ভাবে বেড়েছে। দেশের ৮টি বিভাগ, ৬৪ জেলা ও উপজেলায় প্রায় এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো বেকারী ও মিষ্টির কারখানা স্থাপন করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি করা হয়।
    জানা গেছে, চট্রগ্রাম-নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও আশুলিয়াসহ সারাদেশে এখন অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি করে এসব পণ্য বাজারজাত করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এইসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে মানুষের বিভিন্ন রোগ হচ্ছে। ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া, টুইন টাওয়ারের পাশে অবস্থিত ঢাকা বেকারী, কাঠগড়া এলাকায় হজরত শাহজালাল বেকারী, ভাই বন্ধু বেকারীতে সরেজমিনে গিয়ে মালিককে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে বরিশাল, ভোলা ও চরফ্যাশন, খুলনা, বাগেরহাট, ফরিদপুর, রাজবাড়ি, পাবনা, সুজানগর, আমিনপুর, বেড়া কাশিনাথপুর, পাবনার চাটমহর, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, তাড়াশ, বগুড়া, সোনাতলা, গাবতলী, গাইবান্ধা, পলাশবাড়ি, রংপুর, দিনাজপুর, অন্যদিকে সিলেট বন্দর বাজার, জিন্দাবাজার, কাজলশাহ, আম্বরখানা, নয়াসড়ক, এদিকে উত্তরাসহ প্রায় সারা দেশের জেলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশিরভাগ বেকারী ও মিষ্টির কারখানাগুলোতে নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি করে তা হাট-বাজার ও দোকানে বিক্রি করা হয় বলে জানা যায়।
    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা সহকারি পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও বিক্রি করা অপরাধ, এ অপরাধ করে কেউ ছাড় পাবে না। অফিস সূত্রঃ সতর্কীকরণঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসন ভোক্তা-অধিকার সমুন্নত রেখে ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্যাবলী প্রতিরোধের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। শুধুমাত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তৎকতর্ৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা তৎকতর্ৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’ বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন, অভিযান অব্যাহত আছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।##