Category: দেশজুড়ে

  • গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্মেলন দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করবে- আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু

    গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্মেলন দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করবে- আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা ) ।।

    খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্মেলন দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধিনতা লাভ করেছি। সেই স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি দেশ ও জনগনের প্রয়োজনে বিএনপি দল গঠন করে ছিলেন। বিএনপি নেতা-কর্মীরা গত দেড় যুগে হামলা-মামলাসহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

    তিনি বক্তব্যে আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা শুধু জাতির সাথে বেইমানি করেননি দেশকে এক গভীর সংকটে রেখে গেছেন। গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ নেতার সংখ্যালঘূ সম্প্রদায়ের জায়গা জমি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করেছ। একটি দল আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে।

    মঙ্গলবার সকালে প্রেসক্লাব মিলোনয়তনে পৌর বিএনপির আহবায়ক আসলাম পারভেজের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ন আহবায়ক সেলিম রেজা লাকি, কামাল আহম্মেদ সেলিম নেওয়াজ ও মোহর আলীর সঞ্চালনায় সম্মেলন উদ্বোধন করেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা খায়রুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোমরেজুল ইসলাম, এনামুল হক সজল, উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, সদস্য সচিব এসএম এমদাদুল হক।

    ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আব্দুল করিম, সাধারণ সম্পাদক পদে শাহদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সিরাজুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

    ৪নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পদে তুষার সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বাবু মন্ডল।

    ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট সুবেহ সাদিক শিমুল, সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ জিয়াউর রহমান।

    ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক পদে ইব্রাহিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মামুন ইসলাম।

    ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কাইয়ুম সরদার, সাধারণ সম্পাদক পদে আল- আমিন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ আসাদুজ্জামান।

    ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল ইসলাম ডালিম, সাধারণ সম্পাদক পদে রাসেল শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাজু গাজী।

    নির্বাচন পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পাইকগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক জিএম মিজানুর রহমান, সহকারী কমিশনার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি প্রনব কান্তি মন্ডল, বিএল কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শেখ আবু সাঈদ, পাইকগাছা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট একরামুল ইসলাম।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান যখন মাদ-ক বিরো-ধী অভি-যান পরিচালনা করে

    গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান যখন মাদ-ক বিরো-ধী অভি-যান পরিচালনা করে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ০৭নং দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন স্থানে মাদকবিরোধী অভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান ( ভারপ্রাপ্ত) আফতাব উদ্দিন।

    মাদককে_না_বলুন মাদকমুক্ত_সমাজ গড়ি এ প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে ১৫ জুলাই ২০২৫ (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলার ৭নং দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত সকল গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

    মাদকমুক্ত সমাজ গড়া আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন, আমরা সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।
    এ অভিযানে অংশ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য, গ্রাম পুলিশ এবং স্থানীয় গ্রাম প্রধানগণ। তারা মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করেন।

    কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্রামে গ্রামে গিয়ে মাদকের ভয়াবহতা এবং এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করা হয়। বক্তারা মাদকসেবন ও মাদক ব্যবসার সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতির দিক তুলে ধরে বলেন, “মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়-যন্ত্র ও মিটফোর্ড হ-ত্যার প্রতি-বাদে বিএনপির বিক্ষো-ভ

    তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়-যন্ত্র ও মিটফোর্ড হ-ত্যার প্রতি-বাদে বিএনপির বিক্ষো-ভ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ধারাবাহিক মিথ্যাচার, অপপ্রচার এবং মিটফোর্ডে একজনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহলে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় নাচনমহল বাজারে এ কর্মসূচির আয়োজন করে নাচনমহল ইউনিয়ন বিএনপি ও দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ। বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

    মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আজিজ খলিফা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন মোল্লা, যুবদলের সভাপতি এমাদুল হক খোকন প্রমুখ।

    সভাপতি আজিজ খলিফা বলেন, “দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে জালিম স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছি। যারা তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছে, তারা ভুলে গেছেন তিনি এই আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদাতা।”

    সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন মোল্লা বলেন, “তারেক রহমান তারুণ্যের অহংকার। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

    বিক্ষোভ মিছিলটি বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    এসময় নাচনমহল ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বাবুগঞ্জের রাজার খালের দূ-ষণ রো-ধে ইউএনও’র কার্যকর পদক্ষেপ: ব-র্জ্য অপ-সারণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি

    বাবুগঞ্জের রাজার খালের দূ-ষণ রো-ধে ইউএনও’র কার্যকর পদক্ষেপ: ব-র্জ্য অপ-সারণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের রাজার খালে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ও পচা কাঁচামাল ফেলার কারণে খালটি দূষিত হয়ে পড়ে এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্থানীয় জনগণের মধ্যে উদ্বেগের জন্ম দেয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন নিউজপোর্টালে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

    এমন অবস্থায় বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ফারুক আহমেদ জনদুর্ভোগ লাঘব ও পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি সরেজমিনে রহমতপুর বাজার এলাকা ও রাজার খাল পরিদর্শন করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেন।

    পরবর্তীতে রহমতপুর বাজারে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাজার সংলগ্ন খালপাড় এবং রাস্তার আশেপাশের অংশ পরিষ্কার করা হয়। এ সময় স্থানীয় জনসাধারণের পাশাপাশি বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।

    এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন রহমতপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ হোসেন, বাজারের বিভিন্ন দোকান মালিক, ফল ব্যবসায়ী ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকরা। তারা ইউএনও মহোদয়ের এমন পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে বাজার ও খাল পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত অংশগ্রহণের আশ্বাস দেন।

    স্থানীয়রা মনে করছেন, এই অভিযান শুধু খাল বা বাজার পরিচ্ছন্নতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি বার্তা—“পরিবেশ রক্ষা আমাদের সকলের দায়িত্ব”। জনসচেতনতা ও প্রশাসনিক উদ্যোগের সমন্বয়েই গড়ে উঠবে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য একটি অঞ্চল।

    জনগণের পক্ষ থেকে ইউএনও মোঃ ফারুক আহমেদকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

  • পাইকগাছায় স্কুল সভাপতির পদত্যা-গের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষো-ভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় স্কুল সভাপতির পদত্যা-গের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষো-ভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব সহকারী প্রধান শিক্ষক(প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্বে ) ও শিক্ষক প্রতিনিধি সহকারী শিক্ষক ২ জনকে বহিষ্কার ও তাদের অনুগত আরো ২ সহকারী শিক্ষককে শো-কজ করেছেন সভাপতি।

    বহিষ্কার করা হয়েছে আরো এক অফিস সহকারীকে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলমান অর্ধবাষিকী পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।চলমান সংকট উত্তরণ ও সভাপতির হটোকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও তার পদত্যাগের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১ টায় বিদ্যালয়ের সামনে খুলনা-পাইকগাছা প্রধান সড়কে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অবিভাবকদের সমন্বয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্বে ) এম এম হাফিজুর রহমান মানববন্ধনে বক্তব্যে বলেন,বহু বিতর্কিত ও দূর্নীতিগ্রস্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাস। এর আগে শিক্ষক -কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত আন্দোলনের মুখে গত ১৮ ফেব্রুয়ারী পদত্যাগ করে চুপিসারে পালিয়ে যান। এরপর তৎকালীণ সভাপতি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ শাহজাহান আলীও পদত্যাগ করেন। উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের পরামর্শ, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ও বিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষকের ১৪ জনের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার স্বার্থে প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বে ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক এম এম হাফিজুর রহমান।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, অবিভাবক গফ্ফার মজলিস, রামান্দ দাশ,শাহিনুর রহমান,স্কুল শিক্ষার্থী রিন্তি মনি, বিপাসা বিশ্বাস, সাদিয়া খাতুন, হালিমা খাতুন, সাব্বির আহম্মেদ, প্রান্তিক মন্ডল,আকাশ সরদার,সম্রাটসহ অনেকেই।

    বিদ্যালয়ের সভাপতি ড. মোকারম হোসেন জানান, স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক মিলে প্রতিষ্ঠানের তিন লাখ টাকার হিসাব দিতে নাপারায় তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেকারনে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানববন্ধন করছে।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • পাইকগাছায় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা ধ্বং-স

    পাইকগাছায় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা ধ্বং-স

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি ।।

    খুলনার পাইকগাছায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে নার্সারিতে উৎপাদনকৃত ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা ধ্বংসকরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসের আয়োজনে গদাইপুর ইউনিয়নের হিতামপুর গ্রামের চার নার্সারিতে উৎপাদিত সাড়ে দশ হাজার ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা ধ্বংসকরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একরামুল হোসেন, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম রায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাশ, কমলেশ কুমারসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    রজনীগন্ধা নার্সারিতে ২হাজার ৫শো। সবুর নার্সারিতে ৪ হাজার, আলআমিন নার্সারিতে ৩ হাজার এবং ঝর্ণা নার্সারিতে ১ হাজারসহ সাড়ে ১০ হাজার ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা ধ্বংস করা হয়।

  • ঝিনাইদহে মরিচ চাষে ব্যাপক ক্ষ-তি প্রতি কেজি ৩০০ টাকা

    ঝিনাইদহে মরিচ চাষে ব্যাপক ক্ষ-তি প্রতি কেজি ৩০০ টাকা

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    ঝিনাইদহে মরিচ চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে টানা বৃষ্টিতে । জমিতে পানি জমে থাকা এবং পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত রোদের কারণে মরিচ গাছ মরে যেতে শুরু করেছে। এতে শঙ্কায় পড়েছেন জেলার হাজারো মরিচ চাষি ।

    জেলায় এ বছর ১,৮৩২ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১,৭৯২ হেক্টর। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৭,৭৯৫ মেট্রিক টন। কিন্তু আবহাওয়ার বৈরিতায় এবার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

    সদর উপজেলার চান্দেরপোল গ্রামের কৃষক আব্দুল মোতালেব বলেন, ‘১৫ শতক জমিতে মরিচ চাষ করেছি। এর মধ্যে প্রায় ৫ শতকে গাছ বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে।’ একই গ্রামের আবজাল হোসেন ও জবেদ আলীসহ অনেকে একই ধরনের সমস্যার কথা জানান।ঘোড়ামারা গ্রামের কৃষক মিলন হোসেন বলেন, ‘১ বিঘা জমিতে মরিচের আবাদ করেছি। অল্প কিছু মরিচ তুলতে পেরেছি, এর পরেই গাছ মরা শুরু হয়েছে।’কোটচাঁদপুর উপজেলার তালিনা ও ইকড়া গ্রামের কৃষকদের ক্ষেতেও একই অবস্থা। তাদের ভাষ্যমতে, গাছগুলো বাঁচানোর জন্য ছত্রাকনাশক ব্যবহার করেও ফল মিলছে না।

    ঝিনাইদহের বাজারে এখন কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। মাত্র দুই দিন আগেও এই দাম ছিল ৭০ থেকে ১১০ টাকা। তবে দাম বাড়লেও ক্ষতির কারণে কৃষকদের মুখে হাসি নেই।

    জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলার সদর উপজেলায় সবথেকে বেশি জমিতে মরিচের আবাদ হয়। এ বছরও সদর উপজেলায় ৫১০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০৬৪ মেট্রিক টন। হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে এ বছর আবাদ হয়েছে ৪১৫ হেক্টর জমিতে। এ উপজেলায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪১২২ মেট্রিক টন। এছাড়া শৈলকুপায় আবাদ হয়েছে ১৬৫ হেক্টর, কালীগঞ্জে ১২২ হেক্টর, কোটচাঁদপুরে ২৯ হেক্টর ও মহেশপুরে ২৯০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে সদর উপজেলা ও কোটচাঁদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে মরিচ ক্ষেতে মরিচ গাছ মারা যাচ্ছে।

    ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ষষ্টি চন্দ্র রায় বলেন, ‘এই মৌসুমে বৃষ্টিপাত সাধারণত বেশি হয়। ঝিনাইদহ উঁচু অঞ্চল হওয়ায় এখানে পানি জমে থাকার ঘটনা বিরল, তবে এবার অনেক জায়গায় জমিতে পানি জমেছে এবং পরে অতিরিক্ত রোদের কারণে গাছ মরে যাচ্ছে। গাছ রক্ষায় ছত্রাকনাশক স্প্রে ও বৃষ্টির সময় জমিতে হাঁটাচলা না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • ভালুকায় ট্রি-পল মা-র্ডার মামলার প্রধান আ-সামি গাজীপুরে গ্রে-ফতার

    ভালুকায় ট্রি-পল মা-র্ডার মামলার প্রধান আ-সামি গাজীপুরে গ্রে-ফতার

    রাসেল শেখ।

    গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় মা ও দুই সন্তানকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি নজরুল ইসলামকে (৩২) গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রেলওয়ে পুলিশ।

    জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাদির উজ-জামান জানান, ভালুকা থানা থেকে মেসেজ দেওয়া হয় দুই সন্তান ও তাদের মাকে হত্যার পর নজরুল ইসলাম জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করছে। পরে পুলিশ স্টেশনের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে।

    এ সময় নজরুল ইসলামের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আসামি নজরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মা ও দুই সন্তানকে হত্যার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।  

    এর আগে সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভালুকা পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ড পনাশাইল রোড এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহতরা হলেন, নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার জেনের বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ময়না আক্তার (২৫) এবং তাদের মেয়ে রাইসা (৭) ও ছেলে নিরব (২)।  

    পুলিশ জানায়, ভালুকায় সপরিবারে বাসা ভাড়া থেকে রফিকুল ইসলাম একটি স্পিনিং কারখানায় চাকরি করেন। তাদের সঙ্গে থাকেন রফিকুলের ছোট ভাই নজরুল ইসলাম। ওইদিন সকালে রফিকুল কর্মস্থল থেকে বাসায় গিয়ে দেখে গেটের দরজায় তালা ঝুলছে। ডাকাডাকি করেও কারো সাড়া না পেয়ে তালা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখেন তার স্ত্রী ও দুই সন্তান গলা কাটা অবস্থায় পড়ে আছে।

  • বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের দাবীতে পঞ্চগড়ে আইনজীবীদের মানববন্ধন

    বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের দাবীতে পঞ্চগড়ে আইনজীবীদের মানববন্ধন

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় স্বতন্ত্র বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের দাবীতে পঞ্চগড় জেলা জজ আদালতের আইনজীবী চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
    ১৫ জুলাই মঙ্গলবার সকালে পঞ্চগড় জেলা জজ আদালত চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতি মানববন্ধনের আয়োজন করে।
    জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট আদম সুফি’র সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট আদম সুফি ,পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক কমিটির আহবায়ক এডভোকেট মাহবুবুর রহমান, সদস্য এডভোকেট মির্জা আমিরুল ইসলাম, সদস্য এডভোকেট গোলাম হাফিজ, এডভোকেট আহসান হাবিব, জেলা জজ আদালতের জিপি এডভোকেট এমএ বারি।
    বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সংস্কারের জন্য বিচার বিভাগকেও সংস্কার করতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে চরে আসছে। হাইকোর্ট বিভাগ, বিচার বিভাগকে নিয়ে আলাদা সচিবালয় গঠন করতে হবে।
    জনগনের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য ও বিচারকদের জন্য আলাদা সচিবালয় হলে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। এরআগে বিগত সরকার বিচার বিভাগকে নিজেদের মত করে ব্যবহার করেছে। প্রতিটি সেক্টরে আলাদা করে বিচার বিভাগ রাখার নিয়ম থাকলও বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বিচার বিভাগ নেই। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকলে কেউ বিনা বিচারে জেলে যাবেনা। পৃথক বিচার বিভাগ না থাকলে একটি বিভাগকে টেলাঠেলি করতে থাকে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে পৃথক বিচার বিভাগকে আলাদা করা প্রয়োজন। আইন মন্ত্রনালয় আইন ও বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের দাবি আইন বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা করে পৃথক বিভাগ করতে হবে। আইন বিভাগের সাথে বিচার বিভাগ এক সাথে থাকার কারনে সাধারন মানুষ মৌলিক অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়েছে।

  • পঞ্চগড়-১ আসনে জোটে বদলে যেতে পারে ভোটের হাওয়া 

    পঞ্চগড়-১ আসনে জোটে বদলে যেতে পারে ভোটের হাওয়া 

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    জোটে বদলে যেতে পারে ভোটের হিসাবনিকাশ ছবিতে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ইকবাল হোসাইন, সার্জিস আলম, নাজমুল হক প্রধান ও রাশেদ প্রধান

    উত্তরের শুরুর জেলা পঞ্চগড়ে সংসদীয় আসন দুটি। এর মধ্যে দেশের ৩০০ আসনের এক নম্বর আসন হিসেবে তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী ও সদর উপজেলা নিয়ে পঞ্চগড়-১ আসনটি নানান কারণে গুরুত্বপূর্ণ। জেলা সদরের এই আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দল গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন এবং উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনে চলছে জোড় তৎপরতা। সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নানান উদ্যোগ নিতে দেখা যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের।

    নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন পরবর্তীসময়ে পঞ্চগড়-১ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিতি পায়। পঞ্চগড়-১ আসনে ১৯৯১ সালে বিএনপির তৎকালীন বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক স্পিকার মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ এবং ৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আরেক বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মজাহারুল হক প্রধান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বিএনপির হাতছাড়া হয় এই আসনটি। মাঝে ২০১৪ সালে জাসদের নাজমুল হক প্রধান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও পরবর্তী দুটি সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আর হাতছাড়া করেনি আসনটি। ২০১৮ সালে আবারও আওয়ামী লীগের মো. মজাহারুল হক প্রধান এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    এই আসনে আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে নারী ভোটারের পাশাপাশি তরুণদের ভোট বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের। এছাড়া নির্বাচনে না থাকলে আওয়ামী লীগের ভোটারদেরও একটা ভূমিকা থাকবে এই নির্বাচনে।

    জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশের অন্য এলাকার মতো পঞ্চগড়ের আওয়ামী নেতাকর্মীরাও এলাকা ছাড়া। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পঞ্চগড়-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম সুজনসহ বেশ কিছু নেতাকর্মী একাধিক মামলায় জেলহাজতে। এর বাইরে প্রথম সারির নেতাসহ ছোটবড় নেতাদের এলাকায় দেখা যায় না। এছাড়া দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পর স্বাভাবিক কারণেই এলাকায় দলটির কোনো কার্যক্রম বা তৎপরতা নেই। কর্মকাণ্ড নেই জাতীয় পার্টিরও। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মাঠে সরব দেখা যায়। এছাড়া বাংলাদেশ জাসদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাকের পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকেও নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখতে নানান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

    বিএনপি-জামায়াত দুই দলই আশাবাদী 

    বিএনপির চ্যালেঞ্জ জামায়াত-ইসলামী আন্দোলন 

    পঞ্চগড়-১ আসনে গত বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৯২৬। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৩৯ ও নারী ভোটার ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৬ এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ছিলেন একজন। তবে সবশেষ হালনাগাদ ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর বর্তমানে জেলার দুটি আসনে ভোটার বেড়েছে ২৯ হাজার ৬১৪। এদের মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে ভোটার বেড়েছে ১৬ হাজার ৩৪৭। এদের মধ্যে তিন উপজেলা নিয়ে এ আসনে হিন্দু ভোটার রয়েছেন ৭৫ থেকে ৮০ হাজার এবং তরুণ ভোটার ৪০ থেকে ৪৫ হাজার। এই আসনে আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে নারী ভোটারের পাশাপাশি তরুণদের ভোট বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের। এছাড়া নির্বাচনে না থাকলে আওয়ামী লীগের ভোটারদেরও একটা ভূমিকা থাকবে এই নির্বাচনে।