Category: দেশজুড়ে

  • ঢাকায় জাতীয় সমাবেশ সফল করতে কুমিল্লায় জামায়াতের গণমিছিল

    ঢাকায় জাতীয় সমাবেশ সফল করতে কুমিল্লায় জামায়াতের গণমিছিল

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,

    ১৯ জুলাই ঢাকায় জাতীয় সমাবেশ সফল করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আজ ১৬ জুলাই বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় কুমিল্লা টাউনহল মাঠ থেকে এক গণমিছিল বের করে। কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত গণমিছিলে সংগঠনের হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনতা অংশ গ্রহণ করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর নায়েবে আমীর মোসলেহ উদ্দিন, নগর জামায়াতের নায়েবে আমীর একেএম এমদাদুল হক মামুন, সেক্রেটারী মাওলানা মাহবুবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সোহেল, কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ও এ্যাডভোকেট নাছির আহম্মেদ মোল্লা, অফিস সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ মোতাহার আলী দিলাল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি মুজিবুর রহমান সহ নগর জামায়াত ও শিবিরের নেতৃবৃন্দ। গণমিছিলের আগে কুমিল্লা টাউনহল মাঠে সমাবেশ অনুষ্ঠিত। সমাবেশে দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে গণমিছিল টউনহল মাঠ থেকে বের হয়ে কান্দিরপাড়, মনোহরপুর, রাজগঞ্জ হয়ে ছাটিপট্টি গিয়ে শেষ হয়।

  • মহাসমাবেশ সফল করতে সলঙ্গায় জামায়াতের মিছিল

    মহাসমাবেশ সফল করতে সলঙ্গায় জামায়াতের মিছিল

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : আগামী ১৯ জুলাই ঢাকায় জামায়াতের মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সলঙ্গায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও আলোচনা সভা অনু্ষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সলঙ্গা থানা শাখার আয়োজনে গতকাল বুধবার বাদ আছর ডাক বাংলো হতে একটি মিছিল বের হয়ে সলঙ্গা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।শেষে কদমতলা সমাজ কল্যাণ পাঠাগার চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা শুরু হয়। সলঙ্গা থানা জামায়াতের আমীর রাশেদুল ইসলাম শহিদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গা আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী,কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য,শায়খ ড. মাও: আব্দুস সামাদ।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,সলঙ্গা থানা ছাত্র শিবির সভাপতি মহসিন,জেলা ছাত্র শিবির নেতা আব্দুল্লাহ,সলঙ্গা থানা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আনিছুর রহমান,হাটিকুমরুল ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাও: রাকিবুল ইসলাম,সলঙ্গা থানা জামায়াত কর্ম পরিষদ সদস্য মাও: আব্দুর রহমান,রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জামায়াত নেতা এ বি এম আব্দুস ছাত্তারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

  • পলাশবাড়ীতে চারদিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বই মেলার শুভ উদ্বোধন

    পলাশবাড়ীতে চারদিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বই মেলার শুভ উদ্বোধন

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের অংশ হিসেবে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে চারদিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হয়েছে।

    বুধবার (১৬ই জুলাই) দুপুরে উপজেলা টাউন হলরুমে বইমেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমী সুপারভাইজার আলমগীর হোসেন। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমী সুপারভাইজার আলমগীর হোসেন বলেন,“মানুষের জীবনে পূর্ণ জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। সমাজে বই পাঠের প্রবণতা যত বাড়বে,জ্ঞানের পরিধিও তত বিস্তৃত হবে। যে কোনো জাতি গঠনে বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন,“এই ভ্রাম্যমাণ বইমেলায় পাঠক সমাজসহ স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীদের শেখার মতো অনেক কিছু রয়েছে। চারদিনব্যাপী এই মহতী আয়োজন নতুন প্রজন্মের মাঝে বইয়ের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে।”

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভ্রাম্যমান বইমেলা ইউনিট ইনচার্জ কামরুজ্জামান,পলাশবাড়ী উপজেলা বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সদস্য ও প্রধান অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইদুর রহমান,আবদুল্লাহ আদিল নান্নু,পলাশবাড়ী এসএম মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিজানুর রহমান মিজান, প্রভাষক নবীউল ইসলাম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার উত্তম কুমার,এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্বোধনী দিনে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা বইমেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বইমেলা চলবে ১৬ই জুলাই বুধবার থেকে আগামী ২১শে জুলাই শনিবার পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বইমেলা পাঠক,ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।।

  • বাগআঁচড়ায় মটর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে সুধি সমাবেশ ও ম-রণোত্তর ভাতা প্রদান  

    বাগআঁচড়ায় মটর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে সুধি সমাবেশ ও ম-রণোত্তর ভাতা প্রদান  

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ :  যশোরের বাগআঁচড়া নাভারণ বেনাপোল সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে সুধি সমাবেশ ও মৃত শ্রমিক পরিবারের হাতে মরণোত্তর ভাতা প্রদান করা হয়েছে।

    বুধবার(১৬ জুলাই) দুপুরে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রধান কার্যালয়ের সামনে  শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী রুহুল আমিন টুটুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টার ডিষ্ট্রিক বাস সিন্ডিকেট যশোরের সহসভাপতি এবিএম শামসুল আলম কাজল।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন,বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এসময় শার্শা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি জামাল উদ্দীন,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবু,তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম হোসেন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মিকাইল হোসেন মনা,কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক ওলিয়ার রহমান,

    উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কবির হোসেন,ছাত্রদলের সদস্য সচিব সবুজ হোসেন খান সহ মটর শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠান শেষে ৩১ জন মটর শ্রমিক পরিবারের হাতে নগদ ৩৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মরণোত্তর ভাতা প্রদান করা হয়।

  • চট্টগ্রামে ‘জুলাইয়ের গান ও ড্রোন শো’—তরুণদের হৃদয়ে বিপ্লবের আলোর রেখা

    চট্টগ্রামে ‘জুলাইয়ের গান ও ড্রোন শো’—তরুণদের হৃদয়ে বিপ্লবের আলোর রেখা

    শহিদুল ইসলাম,

    নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম:

    চট্টগ্রামের ইতিহাসপ্রেমী তরুণদের জন্য এবার এক অনন্য সন্ধ্যার আয়োজন—‘জুলাইয়ের গান ও ড্রোন শো’। আগামী বুধবার, ১৬ জুলাই, চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে (সাবেক এম এ আজিজ স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন।

    ১৯৭২ সালের জুলাই গণজাগরণ ও বিপ্লবের ইতিহাসকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে এই প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির সম্মিলিত সন্ধ্যা। গানের ঝঙ্কার আর আকাশভরা আলোর ভেলায় ইতিহাসের স্মৃতিচারণ ও উদ্দীপনার মিলন ঘটবে একই মঞ্চে।

    সন্ধ্যায় গানে গানে বিপ্লবের স্মৃতি
    অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় ব্যান্ড শিল্পীরা পরিবেশন করবেন দেশাত্মবোধক ও প্রেরণামূলক গান। গান হবে ‘জুলাই বিপ্লব’ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। এই গানের সঙ্গে সমান্তরালে ড্রোন শো-তে ফুটে উঠবে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর দৃশ্যরূপ—আকাশে ভেসে উঠবে বর্ণিল আলোর মাধ্যমে বিপ্লব, গণআন্দোলন ও বীরত্বগাথা।

    প্রযুক্তির সংযোজন, নিরাপত্তার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি
    খোলা আকাশের নিচে আয়োজিত এই বিশাল জনসমাগমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
    সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‍্যাবের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় গঠন করা হয়েছে। স্টেডিয়াম চত্বর ও আশপাশে স্থাপন করা হবে উচ্চক্ষমতার সিসিটিভি ক্যামেরা, ড্রোন পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

    সমন্বয় সভায় ছিল প্রশাসনের শীর্ষ মহল
    ১৫ জুলাই, মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠান ঘিরে প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভা।
    সভায় উপস্থিত ছিলেন: সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী,,সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মফিদুর রহমান
    চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন
    পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ,,জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম
    চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ তৌহিদুল ইসলামসহ,অন্যান্য উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

    “ইতিহাসের সাথে হৃদয়ের সংযোগ”—ফারুকীর বক্তব্য

    সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকী বলেন—“এই আয়োজন কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক আবেগের বহিঃপ্রকাশ। তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে প্রযুক্তির আলোয় ছড়িয়ে দিতে হবে অতীতের বীরত্ব, সংগ্রাম ও চেতনা। এই উদ্যোগ আমাদের ভবিষ্যৎ চিন্তাকে আরও ঐতিহাসিকভাবে গঠিত করবে।”

  • ভালুকায় উচ্ছে-দের পর ফের ব্যবসার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত ফুটপাতের দোকানিরা

    ভালুকায় উচ্ছে-দের পর ফের ব্যবসার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত ফুটপাতের দোকানিরা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলার শিল্প বান্ধব ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ভালুকা উপজেলার পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    এরই অংশ হিসেবে ডাস্টবিন স্থাপন, ব্যাটারি চালিত ভ্যানগাড়ি সরবরাহ, ময়লা পরিষ্কারের সরঞ্জাম (ঝাড়ু, বেলচা, বালতি) প্রদান, উপজেলা চত্বরের আলোকসজ্জা, ট্রাফিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ এবং তাদের জন্য পোশাক, বাঁশি, লাঠি ইত্যাদি সরবরাহ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করণের পাশাপাশি উচ্ছেদকৃত দোকানীদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। এসব কর্মকান্ডে উপজেলাব্যাপী ব্যাপক প্রশংসিত হয়ে উঠেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। পরিচ্ছন্ন ভালুকা গড়তে ইউএনও’র উদ্যোগ নজর কেড়েছে উপজেলাবাসীর।

    তার মেধাবী পরিকল্পনায় ভালুকা উপজেলাকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করার লক্ষ্যে গত ৮ জুলাই ২০২৫ ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়কের পাশ থেকে
    অবৈধ চা স্টল উচ্ছেদের পর উচ্ছেদ হওয়া দোকানি ও
    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুণর্বাসন করতে ২৮টি
    লোহার তৈরি বাহারি টি-স্টল নতুন দোকান তৈরী করে ১৫ জুলাই ২০২৫ মালিকদের হস্তান্তর করা হয়। এদের নামকরণ করা হয়েছে মেঘমালা’, ‘তিথিডোর’, ‘চারুদ্বীপ’, ‘উড়োচিঠি’, ‘ছায়াবীথি’নামে। প্রতিটি দোকানে ফুলের টব ও ডাস্টবিন বাধ্যতামূলক এবং ১০ ফুট এলাকা পরিষ্কার রাখার শর্তে এই দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এসবের সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসাইন ও ভালুকা পৌরসভার কর্মকর্তারা এতে সহযোগিতা করেছেন।

    রাস্তার পাশে এসব বাহারি নামের টি-স্টল চোখে পড়বে ময়মনসিংহের ভালুকায়। যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে মহাসড়কের পাশের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে সেই দোকানিদের পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে নান্দনিক টি-স্টলগুলো হস্তান্তর করেছে উপজেলা প্রশাসন ও ভালুকা পৌরসভা। ইউএনও’র এই উদ্যোগ ভালুকাকে একটি নান্দনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলছে বলে দাবী করে উপজেলার সচেতন মহল জানান ইউএনও হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নেতৃত্বে এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ!

    দোকান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইন, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা জায়েদা ফেরদৌসী, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান প্রমুখ।

    মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ পৌর এলাকার ২৮ জনের মধ্যে দোকানগুলো হস্তান্তর করার আগে তিনি ফেসবুকে ঘোষণা দেন, দোকানগুলো বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে না। দোকানদারকে দুটি ফুলের টব কিনতে হবে, একটি ডাস্টবিন কিনতে হবে এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখার চুক্তি করতে হবে, তবেই দোকানি একটি দোকান পাবেন।

    ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ভালুকায় গড়ে ওঠা অস্থায়ী চায়ের দোকানগুলো যানজট ও জনভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। জনস্বার্থে সেই দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ হওয়া দোকানিদের বিনা মূল্যে পুনর্বাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রশাসন। হস্তান্তরের আগে ভালুকা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছোট ছোট দোকান সারিবদ্ধ করে সাজানো হয়।

    দোকান পাওয়া কয়েকজন দোকানিরা বলেন, ‘নিজের দোকানটি ভাঙায় বিপাকে পড়েছিলাম। দোকানের ডাস্টবিন, ফুলের টব ও পরিষ্কার রাখার কথা দিয়ে আজ নতুন একটি দোকান পেয়েছি। দোকানটা পেয়ে ভালো লাগছে। উচ্ছেদ করার পর ফের ব্যবসার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত ফুটপাতের এসব দোকানিরা।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, “ভালুকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকি শুধু উপজেলা প্রশাসন বা ব্যবসায়ী সমিতির দায়িত্ব নয়, এটি সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে, নালায় আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে, ট্রাফিক আইন মেনে চলা ও ফুটপাতে হকারদের নিয়ন্ত্রণে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

    ইউএনও আরো বলেন, ‘উচ্ছেদের পর দোকানিরা বেকার হয়ে পড়েন। মানবিক দিক বিবেচনায় তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য বিনা মূল্যে দোকানগুলো দেওয়া হয়েছে। তাঁরা যেন এসব দোকান পরিচ্ছন্ন রাখেন, সাজিয়ে-গুছিয়ে পরিচালনা করেন, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

  • চসিকের নতুন পরিচ্ছন্নতা ছ-ক: চলবে না আর ময়লার নামে লু-টপাট

    চসিকের নতুন পরিচ্ছন্নতা ছ-ক: চলবে না আর ময়লার নামে লু-টপাট

    শহিদুল ইসলাম,
    নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রামঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নৈরাজ্য ও অর্থ বাণিজ্যের অবসানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ডোর-টু-ডোর বর্জ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে চলমান অনিয়ম, ইচ্ছেমতো অর্থ আদায় এবং দায়িত্বহীনতার বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা’–এই নীতিকে সামনে রেখে একটি নতুন ছক বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার চসিকের প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “চলবে না আর ময়লার নামে চাঁদাবাজি। নগরবাসীর টাকা ও আস্থার অপব্যবহার কঠোরভাবে রোধ করা হবে।”

    ডোর-টু-ডোর সেবায় নির্ধারিত ফি, বন্ধ অতিরিক্ত আদায়

    চসিক প্রধান জানান, নতুন নীতিমালায় প্রতিটি বাসাবাড়ির জন্য নির্ধারিত হারে সেবামূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। “কেউ অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে,”—তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

    নতুন নীতিমালার আওতায় নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের জন্য দরপত্র আহ্বান করে ১৯২টি শিডিউল বিক্রি করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অভিজ্ঞ ও সক্ষম ঠিকাদারদেরকেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    চুক্তিবহির্ভূত কোম্পানির নামে অর্থ আদায়: আইনি পদক্ষেপ শুরু
    তিনি অভিযোগ করেন, “বর্তমানে কিছু কোম্পানি মসজিদ-মাদ্রাসা থেকে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছে, অথচ তাদের সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের কোনো বৈধ চুক্তি নেই। এছাড়া একটি প্রতিষ্ঠান হাইকোর্টে রিট করে কিছু এলাকায় সেবা বন্ধ রেখে নাগরিকদের জিম্মি করে রেখেছে। আমরা আইনি পথে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    ‘নো ওয়ার্ক, নো পে’ নীতি বাস্তবায়ন
    চসিকের আওতায় ডোর-টু-ডোর সেবার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ২০০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মধ্যে অনেকে তিন মাস ধরে কাজে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ অবস্থায় ‘নো ওয়ার্ক, নো পে’ নীতি গ্রহণ করে তাদের বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন জনবল নিয়োগের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

    প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা বলেন, “প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০টি অভিযোগ পাই— মানুষ টাকা দিচ্ছে, কিন্তু ময়লা নিচ্ছে না। এ অবস্থার পরিবর্তন আনতেই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।”

    সক্ষমতা যাচাই করেই অনুমোদন
    নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি কোম্পানির শ্রমিকের সংখ্যা, গাড়ির পরিমাণ ও কার্যক্ষমতা যাচাই করে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে বৈধ লাইসেন্স রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    যন্ত্রপাতির সংকটে ময়লা অপসারণে বাধা
    চসিকের নিজস্ব যানবাহন ও ইকুইপমেন্টের সংকট সম্পর্কেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কমান্ডার ইখতিয়ার। তিনি বলেন, “অনেক যন্ত্রপাতি ২০-২৫ বছরের পুরনো। স্কেভেটর ও চেইন ডোজার ভাড়া করে ময়লা সরাতে হচ্ছে। এই খাতে বড় পরিসরে বাজেট প্রয়োজন।”

    নাগরিক অসচেতনতা ও জলাবদ্ধতা: চসিকের উদ্বেগ
    তিনি জানান, “নগরীতে জলাবদ্ধতার একটি বড় কারণ হচ্ছে বাসাবাড়ি থেকে জানালা দিয়ে ময়লা ফেলা। ড্রেন পরিষ্কারের কিছুদিন পরই ফের বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নগরবাসীকে সচেতন না করলে পরিচ্ছন্নতা টিকবে না।”
    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্যান্যরা
    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চসিক সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি এবং ডা. এস এম সারোয়ার আলম।

    ক্যাপশন:-
    নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চসিকের নতুন পরিকল্পনা ও কঠোর অবস্থানের বিষয়ে বক্তব্য রাখছেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।

  • মধুপুরে ক্রয়কৃত জমিতে যেতে বাঁ-ধা প্রদান সহ  হুম-কির অভি-যোগ

    মধুপুরে ক্রয়কৃত জমিতে যেতে বাঁ-ধা প্রদান সহ হুম-কির অভি-যোগ

    আব্দুল হামিদ,
    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে ক্রয়কৃত জমিতে যেতে বাঁধা প্রদান ও হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায় মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের তৌফিক রহমান মামুন একই ইউনিয়নের দড়িহাসিল গ্রামেন মৃত নওশের আলীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম লালমিয়ার নিকট হতে দুই শতাংশ জমি ক্রয় করে। জমি ক্রয় করার পর উক্ত জমিতে মাটি ভরাট করতে গেলে আশরাফুল ইসলাম লালমিয়া তাতে মাটি ফেলতে বাঁধা প্রধান করছে বলে জানান ভুক্তভোগী মামুন। তৌফিক রহমান মামুন জানান, প্রায় এক বছর আগে তিনি লাল মিয়ার নিকট হতে দুই শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন। ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ী করার জন্য মাটি ভরাট করতে গেলে লাল মিয়া বাঁধা প্রধান করে, এমনকি উক্ত জমিতে গেলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় বলেও জানান। মামুন জানান, লাল মিয়া প্রতিবেশী হাকিমের নিকট হতে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করে। ক্রয়করার কয়েক বছর পর সেই জমি মামুনের নিকট দুই শতাংশ এবং রাশিদার নিকট দশ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়। মামুন আরও জানান লাল মিয়ার মোট বার শতাংশ জমি আমাদের দুই জনের নিকট বিক্রি করে দেয়। রাশিদা দশ শতাংশ জমি ক্রয় করার পর বাকী দুই শতাংশ জমি সে ক্রয় করেন। এখানে লালমিয়ার আর কোন জমি না থাকার পরও সে আমার ক্রয়কৃত জমিতে মাটি ফেলে ভরাট করতে বাঁধা দিচ্ছে এবং ওই জমিতে যেতে বাঁধা নিষেধ করছে বলে জানান ভুক্তভোগী মামুন। এব্যাপারে মামুন প্রশাসের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

  • সুজানগরে বিএনপির সংঘ-র্ষের ঘটনায় ১২নেতাকর্মী কা-রাগারে,অপর মাম-লার প্রধান আসা-মী আ-টক

    সুজানগরে বিএনপির সংঘ-র্ষের ঘটনায় ১২নেতাকর্মী কা-রাগারে,অপর মাম-লার প্রধান আসা-মী আ-টক

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুইগ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় একটি মামলার জামিন নিতে গেলে ১২ জন নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অপরদিকে অপরপক্ষের দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী সুজানগর পৌর বিএনপির এক নং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক(বহিষ্কৃত) মজিবর রহমান খঁান কে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌর এলাকার চর সুজানগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব সদস্যরা। পরে এদিন বিকেলে সুজানগর থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়।
    জানাযায়, অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকারের মাধ্যমে সুজানগর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফসহ তার অনুগত ৩৩ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অপর পক্ষের করা মামলায় চিফ জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট কোর্টের (আমলি আদালত-২)-এর বিচারক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে ১৩ জনের জামিন আবেদন করা হয়। এ ১৩ জনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা থাকায় তার জামিন মঞ্জুর করা হয়। বাকি ১২ জনের জামিন নামঞ্জুর করে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার জানান, প্রথমে ১৩ জনের জামিন ধরা হয়েছিল। ১২ জনকে জামিন নামঞ্জুর করে পাবনা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। যাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন, তঁাতিবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি গোলাম আজম, তঁাতিবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মজিবর রহমান খান, সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার ওমর কসাইয়ের ছেলে জাবেদ, একই এলাকার মো. হাসু শেখের ছেলে মো.ফারুক শেখ, তঁাতীবন্দ ইউনিয়নের কামারদুলিয়া গ্রামের মন্টু মাস্টারের ছেলে রুহুল আমিন, শরিফুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম, একই ইউনিয়নের ক্রোড়দুলিয়া গ্রামের মন্টু মাস্টারের ছেলে হাসেন খঁার ছেলে রঞ্জু শেখ, শিতল আলীর ছেলে আইযুব আলী, তঁাতিবন্দ ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামের ময়েন বিশ্বাসের ছেলে রাজ্জাক, মজিবর বিশ্বাসের ছেলে হাসু বিশ্বাস, ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বছির শেখের ছেলে বিল্লাল শেখ, এরা স্থানীয় বিএনপি সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব(বহিষ্কৃত) শেখ আব্দুর রউফের অনুসারী ।
    উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই বুধবার সুজানগর পৌর বাজারের নন্দিতা সিনেমা হলরোডে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং ২৫ নেতাকর্মী আহত হন।
    এ ঘটনায় শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে গুরুতর আহত সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব(বহিষ্কৃত) শেখ আব্দুর রউফের ছেলে আদনানুর রউফ রুদ্র বাদী হয়ে সুজানগর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান খঁাকে প্রধান আসামি করে ২৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। এরপরপই মামলায় সুজানগর হাসপাতাল পাড়ার আলতু খার ছেলে নয়ন খা গ্রেপ্তার হন। এ ছাড়া অপর পক্ষে চর ভবানীপুরের আব্দুর রশিদের স্ত্রী কাজলী খাতুন বাদী হয়ে সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফকে প্রধান আসামি করে ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার আজকে পাবনা আদালতের মাধ্যমে জামিন নিতে গেলে ১২ আসমীর জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে আদালত ।

    সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ মজিবর রহমান জানান, উভয়পক্ষ পৃথকভাবে দুটি মামলা দায়ের করেন। এ দুটি মামলার আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

  • সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পেলেন আব্দুর রাজ্জাক

    সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পেলেন আব্দুর রাজ্জাক

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : ঐতিহ্যবাহী পাবনার সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আব্দুর রাজ্জাক। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) দিলীপ কুমার বিশ্বাসের চাকরির বয়সসীমা শেষ হওয়ায় ১৪ই জুলাই সোমবার তিনি অবসর গ্রহণ করায় প্রচলিত বিধি মোতাবেক ও জ্যৈষ্ঠতার ভিত্তিতে আব্দুর রাজ্জাকের উপর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
    সোমবার বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার বিশ্বাসের কাছ থেকে নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে আব্দুর রাজ্জাক দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৯৮ সালের ২৫ মে আব্দুর রাজ্জাক ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন। তার নিজ বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামে।
    দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এসময় তিনি ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারেন এজন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।
    এদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান বৃদ্ধি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা ও বিদ্যালয়টির গৌরবময় ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আন্তরিকভাবে কাজ করবেন বলে প্রত্যাশা রাখেন।