Category: দেশজুড়ে

  • নড়াইল জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত জিআইজি অ-পারেশনস

    নড়াইল জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত জিআইজি অ-পারেশনস

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল সদর কোর্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত জিআইজি অপারেশনস খুলনা রেঞ্জ জয়নুদ্দীন।
    নড়াইল জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শন করেন শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি, খুলনা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (১৯ জুলাই) অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), খুলনা রেঞ্জ কোর্ট পুলিশ কর্তৃক প্রদত্ত পরিদর্শন সালামী গ্রহণ করেন। সালামী গ্রহণ শেষে অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), সদর কোর্টে রক্ষিত বিভিন্ন রেজিস্টার, সিডিএমএস এন্ট্রি যাচাই, মালখানা পরিদর্শন সহ সদর কোর্টের প্রতিটি স্থান ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন। অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্), খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি, খুলন কোর্টের কাজকর্মে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    এ সময় নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • লাগাতার বর্ষনে প্লা-বিত রুদ্রপুরের ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিল, ৫০০ একর জমি পানির নিচে

    লাগাতার বর্ষনে প্লা-বিত রুদ্রপুরের ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিল, ৫০০ একর জমি পানির নিচে

    আজিজুল ইসলাম : লাগাতার বর্ষনে ও ভারতের ইছামতী নদীর উজানের পানিতে এবছরও প্লাবিত হয়েছে শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ঠেঙামারী ও আওয়লী বিল। এতে পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে ৫০০ একর ফসলি জমি। ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপজেলার গোগা, গোগা শান্তিপুর, বাইকোলা, গাজীর কায়বা, পাঁড়ের কায়বা, পাঁচকায়বা, ভবানীপুর ও রুদ্রপুর সহ ৮ গ্রামের মানুষ। বিশেষ করে এবছর ভারতীয় উজানের পানি ঢোকার কারনে আউশ ধান, পাট ও আমন বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

    স্থানীয় কয়েকজন চাষী জানিয়েছেন, ভারতীয় ইছামতি সংলগ্ন খালমুখের বাঁধ কেটে রাখার কারনে বৃষ্টির পানির সাথে সাথে ইছামতী নদীর উজানের পানি প্রবেশ করে ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিলের ডাঙ্গার পাট ও আউশ ধান তলিয়ে গেছে। এবং বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে। তারা আরও জানান, ভারতীয় ইছামতির উজানের পানি বিলে প্রবেশ না করলে এসব ফসলের ক্ষতি হতোনা। চাষি জাকির হোসেন জানান, তার একবিঘা জমির পাট পানির কারনে নষ্ট হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার পাটের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এরকম অনেক চাষি আছেন, যাদের পাটের জমিতে এখন ৫ থেকে ৬ ফুট পানি জমে আছে।

    কায়বা ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল – আমিন জানিয়েছেন,  এবছর আগাম বর্ষনের কারনে আমন ধানের ক্ষতি হয়নি। তবে ৫ হেক্টরের মত আমনের বীজ তলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও ৩৫ হেক্টরের মত আউশ ধান ও ২০ হেক্টরের মত পাট ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও জানান, আমন ফসলের ক্ষতি না হলেও বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হওয়ার কারনে ঠেঙামারী বিলে ৫০০ একরের মত জমিতে আমন চাষ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    একটি সুত্র জানিয়েছেন ইরি বোরো চাষের মুখে চাষিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে খালমুখের বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছিলো। যা পরবর্তীতে আর বেঁধে দেয়া হয়নি।যার ফলে এখন চাষীদের বিপদের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

  • গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

    কে এম সাইফুর রহমান, 

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    রোববার (২০ জুলাই) সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বচ্ছতা’য় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান। 

    স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (অঃ দাঃ) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ গোলাম কবির এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাঃ প্রেমানন্দ মন্ডল, গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাঈদ ফারুক, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক ওহিদ আলম লস্কর, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ বেনজীর আহমেদ, গোপালগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী স্বর্ণেন্দু শেখর মন্ডল, গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়েজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদুল হক, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিভা সরকার, গোপালগঞ্জ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম রকিবুল হাসান, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) মুনমুন সেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনিম আক্তার, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) মোঃ মাসুম বিল্লাহ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অঃ দাঃ) লাখসানা লাকী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক হারুন-অর- রশীদ, গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এর উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল হুদা, জেলা কমান্ড্যান্ট (বিভিএমএস) মজিবুল হক,
    গোপালগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আঃ কাদের সরদার, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ -এর মোটরযান পরিদর্শক জিয়া উদ্দিন সহ জেলা উন্নয়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

    জেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা করেন।

    কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, “উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই করতে হলে মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি প্রতিটি প্রকল্প যথাসময়ে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।” সভা শেষে জেলা প্রশাসক সকল অংশগ্রহণকারীকে ধন্যবাদ জানান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রয়াসেই একটি উন্নত ও মানবিক গোপালগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব।”

    সভায় জেলার প্রধান প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানমূলক প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাছাড়া, শিক্ষা খাতে মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ”জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সর্বদা সচেষ্ট থাকি যেন উন্নয়ন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে বাস্তবায়িত হয়। বিভিন্ন প্রকল্প এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা, অপরাধ দমন, সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি—এসব কাজ আমাদের চলমান দায়িত্বের অংশ।”

    তিনি আরও বলেন, “জেলার সার্বিক উন্নয়নে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অন্যান্য দপ্তরগুলোর কার্যকর সমন্বয় অত্যাবশ্যক। এ ধরনের সমন্বয় সভা সে লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

    পুলিশ সুপার সকল অংশীজনকে আইন মেনে, দায়িত্বশীলভাবে এবং জনকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

    উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপস্থিত   কমিটির  অন্যান্য সদস্যগণ জেলার সার্বিক উন্নয়নে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, এ ধরনের নিয়মিত সমন্বয় সভা প্রশাসন ও জনসাধারণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং উন্নয়নের গতি আরও বেগবান করবে।

  • ৭০ বছর পর আদালতের  মাধ্যমে জমি ফিরে পেলেও ,প্রতিনিয়তই দিচ্ছে প্রা-ণনাশের হু-মকি

    ৭০ বছর পর আদালতের মাধ্যমে জমি ফিরে পেলেও ,প্রতিনিয়তই দিচ্ছে প্রা-ণনাশের হু-মকি

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    দীর্ঘ ৭০ বছর আইনি লড়াই শেষে পৈত্রিক জমি ফিরে পেলেও স্বস্তি মেলেনি মো. আব্দুল জব্বারের পরিবারের। জমি দখলমুক্তির দিনই হামলার শিকার হন তিনি। এরপর থেকে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে দিন কাটছে পরিবারটির।

    আব্দুল জব্বার রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বেলাইচন্ডী সর্দারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বয়স ৬৮ বছর। খড়ের ছাউনি দেওয়া মাত্র ১০ হাতের একটি ঘরে স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে অমানবিক পরিস্থিতিতে বসবাস করছিলেন তিনি। গোসল করতে হতো পাশের সেচ ক্যানেলে, প্রাকৃতিক কাজ সারতে হতো ঝোপঝাড়ে। অন্যের নলকূপের পানি দিয়েই চলছিল তাদের জীবন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, খড়ের ছাউনি দেওয়া ১০ হাত একটি ঘরে তিন মেয়ে এক ছেলেকে নিয়ে থাকতেন আব্দুল জব্বার। জায়গার অভাবে গোসল করতেন সেচ ক্যানেলে। স্ত্রী সন্তানদের প্রাকৃতিক কাজ সারতে হতো ঝোপঝাড়ে। অন্যের নলকূপের পানি দিয়ে চলতো জীবন। অথচ নিজের বাপদাদার জমি দখল করে নিয়ে কোন ঠাকা করে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা।

    জানা যায়, তার দাদা জমির উদ্দিনের নামীয় ৬৮ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছিল স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এ নিয়ে প্রায় ৭০ বছর আগে মামলা হয়। একে একে মামলার বাদী হন জমির উদ্দিনের ছেলে তমিজ উদ্দিন ও পরে তার ছেলে আব্দুল জব্বার। ২০১৫ সালে মামলার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্প্রতি আদালতের রায়ে জব্বারের পক্ষে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আসে।

    গত ১৩ জুলাই উপজেলা জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমিটি পুনরুদ্ধার করে তার দখলে দেওয়া হয়। কিন্তু একই দিন বিকালে প্রতিপক্ষ হামলা চালায়। বর্তমানে তারা বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

    এ ঘটনায় তারাগঞ্জ থানায় গত বৃহস্পতিবার রাজু, জামাল উদ্দিন ওরফে টোল্লা, দুলু, খোকন সরদার, রেজাউল হোসেন, রফিক আলী, চন্টু, কালা মিয়া, জিকরুল ইসলাম, জিয়ারুল ইসলাম, সম্ভারু, আরজিনা বেগম, দুলালী বেগম, রফিকা বেগম, মশিয়ার রহমান ওরফে কালুয়া, লাল বাহাদুর, মাসুদ ও আফেজা বেগমসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    আব্দুল জব্বার বলেন, “আমার বাপ-দাদার জমি আমি ফেরত পাইলাম, কিন্তু এখনো শান্তিতে থাকতে পারছি না। ছোট একটা ঘরে থাকি, ওরা ধোঁয়ায় ঘর ভরায় দিতো, জায়গা চাইলেও দেয়নি। এখন তো মারতেই আসছে। খুব ভয় লাগছে। আমাকে রাস্তায় মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। জমিতে যাইতে দিচ্ছে না। ”

    তার মেয়ে জেসমিন আক্তার বলেন,”প্রতিদিন হুমকি দেয়। পুলিশের সামনেই হামলা করতে এসেছে। এখন আমাদের রাস্তায় চলাও দায়। আমাদের পেশী শক্তি নেই। আমরা আইনের মাধ্যমেই সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই। আমাদের নিরাপত্তা চাই ”

    অন্যদিকে এক অভিযুক্ত সম্ভারু বলেন, “বাপ-দাদার সময় থেকে ওই জমিতে ছিলাম। ওরা জমি পাইছে, নিতে চাইলে নিক। তবে আমরা হুমকি দেইনি।”

    তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জামালগঞ্জে জা-লিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খা-স জমি বন্দোবস্ত নেয়ার অভি-যোগ

    জামালগঞ্জে জা-লিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খা-স জমি বন্দোবস্ত নেয়ার অভি-যোগ

    কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে একাধিক দাগে ভূমির মালিক হওয়া সত্ত্বেও ভূমিহীন সেজে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫শে জুন এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জামালগঞ্জ উপজেলার বুতিয়ারপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার পুত্র গোলাপ মিয়া।
    অভিযোগ সূত্রে জানা য়ায়, গত দুই যুগ পূর্বে সরকারি খাস ভূমিতে মাটি ভরাটসহ বনজঙ্গল পরিষ্কার করে বাড়িঘর তৈরী করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলেন গোলাপ মিয়াসহ আরো বেশ কিছু পরিবার।
    তবে কিছু ভূমিখেকো কু-চক্রি মহলের লোক তাদের জমি-জামা থাকার পরেও ভূমিহীন সেজে এসব ভূমি বন্দোবস্ত হাসিল করে নেয়। এমনকি বর্তমানে তারা প্রতিনিয়িত অভিযোগকারীকে বাড়িঘর ছাড়তে ভয়ভীতিসহ প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এছাড়াও আদালতে একটি মামলা দায়ের করে ভূমিহীন পরিবারগুলোকে উচ্ছ্যেদে উঠে পড়ে লেগেছে তারা।
    এমন অবস্থায় ভোক্তভোগী ওই নীরিহ পরিবারের লোকজন মাথা গোজার শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় নুরুল আমিনের বন্দোবস্ত বাতিলের দাবী জানান জেলা প্রশাসকের কাছে।
    এ ব্যপারে জানতে চাইলে জামালগঞ্জ উপজেলার শরিফপুর গ্রামের বাসিন্দা হাবিব বলেন, নুরুল আমিন জীবিত থাকতে আমার বাপ-চাচাদের জমির উপরে বন্দোবস্ত দেখাইয়া একটি মামলা দায়ের করে। পরে আমরা কাগজপত্র দেখানোর পর আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিলে মামলা খারিজ হয়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল আমিনের ছেলে দেলোয়ার গংরা বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের খালসহ নীরিহ ১৫/২০টি পরিবারের উপর মামলা দায়ের করে। এখন তারা আমাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে উচ্ছ্যেদের পায়তারা করছে।
    একই গ্রামের শামসুল হক বলেন, নুরুল আমিনের ছেলে দেলোয়ার কোর্টে মুহুরিগিরী করে। তার বাবা ও মায়ের নামে বেশ কিছু ভূমি বন্দোবস্ত নিয়ে নেয়। এখন নানা ভাবে মানুষকে মামলার ভয়ভীতি দেখায়। নানা ধরনের হুমকি-দামকি দিয়ে সুনামগঞ্জে আসলে মারধর করবে বলে হুশিয়ারি দেয়। তার এসব হুমকি-দামকি ও মামলার হাত থেকে বাঁচতে নিরীহ মানুষরা তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    এ ব্যপারে অভিযোগকারী গোলাপ মিয়া বলেন, আমরা বিগত ৩০ বছর পূর্বে সরকারী আইডব্লিউটি এর জায়গায় বসবাস করে আসছিলাম। তবে নদীভাঙ্গনের আমাদের এসব বসতভিটা বিলীন হওয়ার পরে আমার শশুরের দখলে থাকা জায়গার বনজঙ্গল পরিষ্কার করে মাটি ভরাটের মাধ্যমে বসতবাড়ি তৈরী করে বসবাস করে আসছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবী প্রভাবশালী ও বহু জমির মালিক নুরুল আমিনের বন্দোবস্ত বাতিল করে আমরা নিরীহ ও অসহায় পরিবারের মানুষদের বসবাসের সুযোগ করে দিবেন।
    এ ব্যপারে অভিযুক্ত নুরুল আমিনের পুত্র দেলোয়ার বলেন, আমার বাবা যখন ভূমিহীন ছিলেন তখন জমিগুলোর বন্দোবস্ত পান। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন । উল্টো শামছু গংরা আমার বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে এবং আমার কাছে চাঁদা দাবী করছে। আমি এ বিষয়ে আমি জামাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
    এ ব্যপারে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া বলেন, জামালগঞ্জে এ ধরনের একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এবং যেগুলো বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছিলো তার অনেকগুলোর বন্দোবস্ত আমরা বাতিল করেছি। এসব পক্রিয়ার সাথে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
    ##

  • উল্লাপাড়ায় অ-গ্নিকান্ডে আদর্শ গ্রামের ১০ টি ঘর ভ-স্মিভুত

    উল্লাপাড়ায় অ-গ্নিকান্ডে আদর্শ গ্রামের ১০ টি ঘর ভ-স্মিভুত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার আদর্শ গ্রামের একটি ব্র্যাকে আগুন লেগে ১০ টি ঘর ভস্মিভুত হয়েছে। আজ রবিবার (২০ জুলাই) দুপুরে উল্লাপাড়া পৌরশহরের আদর্শগ্রামে বসবাসরত একটি ঘরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানান স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস অফিস। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

    উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিডার আসাদুজ্জামান জানান, রবিবার বেলা ১ টার দিকে উল্লাপাড়া পৌরশহরে সরকার কর্তৃপক্ষ নির্মিত আদর্শগ্রামের একটি ব্রাকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে ব্রাকের প্রায় ১০ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ সময় বসবাসরত বাসিন্দাদের প্রায় ১২ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।

    বসবাসরত বাসিন্দা রত্না জানান, আমরা বসবাসরত সকলেই ভুমিহীন পরিবারের মানুষ। সরকারের তৈরি করে দেওয়া ব্রাকে বসবাস করে আসছিলাম। আগুনে পুড়ে আজ আমরা সর্বশান্ত হয়ে গেলাম। কোথায় গিয়ে দাঁড়াব, কি খাব কিছুই বুঝতে পারছিনা। এখন আকাশের নিচে বসবাস করা ছাড়া আমাদের কোন পথ নেই। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হও এ কথা বলে তিনি কান্নায় ফেঁটে পড়েন।

    খবর পেয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং, ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২ বান্ডিল করে টেউটিন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ কেজি করে চাউল সহ প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্থদের সব ধরনের আর্থিক সহযোগিতা করবে বলে তাদের আশ্বস্ত করেন।

  • খুলনায় ম-দ খেয়ে ৫ জনের মৃ-ত্যুর পর ম-দ ব্যাবসায়ী ও তৈরি কারক আ-টক

    খুলনায় ম-দ খেয়ে ৫ জনের মৃ-ত্যুর পর ম-দ ব্যাবসায়ী ও তৈরি কারক আ-টক

    ঘরে তৈরি দেশী মদ খেয়ে ৫ জনের মৃত্যুর পর সেই মদ তৈরিকারক ও বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে নগরীর রায়ের মহল এলাকার মালেক সড়ক রোডের বাড়ি থেকে শেখ মোসলেম আলি (৭৮) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক মোসলেম আলি এলাকায় হোমিও চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। মাতৃশোধন হোমিও ফার্মাসি নামে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে। এর আড়ালে তিনি বাড়িতে বসে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে মদ তৈরি করতেন।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মো. আবু তারেক জানান, মোসলেম আলী এলকোলি নামের মাদক, ঘুমের ওষুধ ও চুনের পানি দিয়ে ঘরে বসে মদ তৈরি করতেন। আড়ংঘাটা থানার পূর্ব বিল পাবলা মদিনা নগর এলাকার একটি ঘেরে বসে কয়েকজন সেই মদ পান করেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার রাতে একজন এবং শনিবার আরও ৪ জন মারা যান। রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মদ বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।
    এর আগে সেই মদ থেকে শুক্রবার রাতে খুলনা পাবলিক কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনের বাসিন্দা তোতা মিয়া মারা যান। স্বাভাবিক মৃত্যু ধরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।

    শনিবার সকালে একই এলাকার গৌতম, বিকালে বয়রা শেরের মোড় এলাকার বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন সাবু, বয়রা মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফরোজ হোসেন বাবু এবং রায়ের মহল মল্লিক বাড়ির বাসিন্দা সাজ্জাদ মারা যান। মদ পানে গুরুতর অসুস্থ বয়রা দাশপাড়া এলাকার বাসিন্দা সনু খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • পলাশবাড়ীতে গৃহবধূ সম্পা হ-ত্যায় আসা-মীদের গ্রেফতা-রের দাবীতে বিক্ষো-ভ ও মানববন্ধন

    পলাশবাড়ীতে গৃহবধূ সম্পা হ-ত্যায় আসা-মীদের গ্রেফতা-রের দাবীতে বিক্ষো-ভ ও মানববন্ধন

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে যৌতুকের চাপে গৃহবধূ সম্পা আক্তার( ২৩)’কে বেদম মারপিটসহ শ্বাসরুদ্ধ করে নির্মমভাবে হত্যা করে মুখে কীটনাশক ঢেলে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার সাথে জড়িতদের
    গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    রোববার (২০শে জুলাই) বিকেলে অত্রালাকাবাসীর উদ্যোগে পৌর শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিলসহ এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিক্ষোভকারীরা সম্পা হত্যার সাথে জড়িত খুনিদের ফাঁসির দাবী করেন।

    এসময় সম্পার পিত্রালয়ের পরিবার -পরিজন এবং আত্মীয়-স্বজনরা বক্তব্য রাখেন।
    এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা হলেও চিহ্নিত
    আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের আয়োজন করেন।পরে বিক্ষোভকারী থানায় পৌঁছে থানা অফিসার ইনচার্জ’কে বিষয়টি অবগত করেন। এসময় তিনি দ্রুত আসামীদের গ্রেফতারের আশ্বাস প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য,গত ১৩ই জুলাই পলাশবাড়ী পৌর এলাকার শিমুলিয়া গ্রামের এক সন্তানের জননী গৃহবধূ সম্পা আক্তারকে যৌতুকের কারণে ও স্বামী মোবাইলে ক্যাসিনো জুয়া খেলায় বাঁধা দিলে হত্যা করে বলে জানা যায়। তবে ওই গৃহবধু আত্মহত্যা করেছে না হত্যা করে
    আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে এনিয়ে এলাকায় নানামুখি গুঞ্জনসহ মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
    নিহত সম্পা উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের
    কাতুলী গ্রামের ইসলাম মিয়ার মেয়ে।।

  • যশোরের বাগআঁচড়ায় ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশ

    যশোরের বাগআঁচড়ায় ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশ

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে জরুরী কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার বিকালে বাগআঁচড়া হাইস্কুল মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এএইচএম আসাদুজ্জামান মিঠুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় এ সমাবেশে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি,উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু,উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস, তাজউদ্দীন আহম্মেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহম্মেদ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আহম্মেদ আলী শাহিন, জামাল উদ্দীন ও রুহুল আমিন,সহ সংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির আলম ও আনোয়ার হোসেন বাবু,
    স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার নাসিম জামান রিফাত,আইন বিষয়ক সম্পাদক মশিয়ার রহমান,তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম হোসেন,স্বর্নিভর বিষয়ক সম্পাদক মিকাইল হোসেন মনা,
    কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম,
    সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন,শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদা,যুগ্ম আহ্বায়ক কবির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রিপন সদস্য সচিব সেলিম হোসনে আশা,যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ হোসেন,উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়ন ও সদস্য সচিব সবুজ হোসেন খান সহ বাগআঁচড়া ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃব্দরা।

    সমাবেশে বক্তারা বর্তমান সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে একটি অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবি জানান। তারা সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করে ভেদাভেদ ও কোন্দল ভুলে সকলে এক হয়ে আগামী আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

  • জুলাই-আগস্টের শ-হীদদের আ-ত্মার মা-গফিরাত কামনায় ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ

    জুলাই-আগস্টের শ-হীদদের আ-ত্মার মা-গফিরাত কামনায় ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    জুলাই ও আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল শাখা এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা নূর এ জাওয়াত রুতাব,মেহেদী হাসান,মাইনুল হাসান,আলিফ সরকার,ওমর ফারুক,হাসান মাহমুদ,তিহান,সাব্বির, সামি,জোহান,ফোয়াদ,রাকিবসহ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার ছাত্রনেতা নূর এ জাওয়াত রুতাব বলেন, অনেকেই জুলাই আগস্টের দাবিদার হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় কথা বলে তারা আজ পযর্ন্ত ৫ আগস্টের পর কোন প্রোগ্রামে ডাক দিতে দেখি নি। কোন গুপ্ত সংগঠন আজ পযর্ন্ত কোন মিলাদ মাহফিলের বা শহীদদের স্বরণে স্বরণ সভা করতে দেখিনি। তিনি বলেন- শহীদ ছাত্রনেতাদের সাহসিকতা ও অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জুলাই ও আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদরা প্রতিদিন জন্মায় না। তারা ক্ষণজন্মা। কালে কালে জাতির মুক্তির জন্য শহীদরা একজন করেই জন্মায়। নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে যারা জাতিকে উদ্ধার করে, তারা সাধারণ কোনো মানুষ নয়। আমি মনে করি, তারা মহাকাব্যিক বীরত্বগাথা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবে।’

    তিনি আরো বলেন, আজ পযর্ন্ত এই শহীদ বা আহতদের নিয়ে কথা বলতে দেখিনি। আজ আমাদের ভাইয়েরা শহীদ হয়েছে এই জায়গায় অধিকাংশ ছাত্রদলের নেতাকর্মী ছিলেন। সারা বাংলাদেশে ১৪২ জনের মত ছাত্রদলনেতা শহীদ হয়েছে এবং অসংখ্য ছাত্রদলনেতা আহত হয়েছে। এসময় তিনি সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।