Category: দেশজুড়ে

  • আশুলিয়ার ছয়তলা ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় গো-লাগুলি, আজাদ নামে এক স-ন্ত্রাসী গু-লিবিদ্ধ

    আশুলিয়ার ছয়তলা ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় গো-লাগুলি, আজাদ নামে এক স-ন্ত্রাসী গু-লিবিদ্ধ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার ছয়তলা ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় ঝুট ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আজাদ নামের এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ইং) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জামগড়া ছয়তলা ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার সাবেক সেট ফ্যাশন পোশাক কারখানা সংলগ্ন রাস্তায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই গ্রুপের মধ্যে হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আজাদ গুলিবিদ্ধ হন।

    স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ আজাদকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

    ঘটনার খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ, র‍্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। এর তিনদিন আগেও জামগড়া গফুর মন্ডল স্কুল রোডে শতাধিক মুখোশধারী সন্ত্রাসী অস্ত্র নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ঘর ভাংচুর লুটপাট করে। উক্ত গুলাগুলির ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

  • তানোরে বিএনপি প্রার্থী শরিফ উদ্দিনের গ-ণসংযোগ

    তানোরে বিএনপি প্রার্থী শরিফ উদ্দিনের গ-ণসংযোগ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (ধানের শীষ প্রতিক) মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন ওয়ার্ডের পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ ও পথসভা করেছেন। এসব পথসভায় বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

    জানা গেছে, সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর থেকে ইউপির মাদারিপুর,ভবানীপুর,কামারগাঁ, হরিপুর, কচুয়া, হাতিশাইল ও মালশিরাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি গণসংযোগ, পথসভা, উঠান বৈঠক ও নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন।

    এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, তানোর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, সাবেক সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা,উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সী, সুলতান আহম্মেদ, রবিউল ইসলাম,খলিলুর রহমান, ডায়মন্ড, ইউসুফ আলী,রাজশাহী জেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক রবিউল ইসলাম অরন্য কুসুম, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন তোফা, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাহাবুব মোল্লা, ওয়ার্ড বিএনপির নেতা ওবাইদুর রহমান,ডাঃ মিজানুর রহমান মিজান, ও ছাত্রদল নেতা শাহীন সরকারপ্রমুখ। এছাড়াও বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে এসময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ মোটা দাগে ব্যারিস্টার পরিবারের দুটি বিষয় একটি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) কৃষি উন্নয়নে অবদান, অপরটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন তানোরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও বিদ্যুৎ সুবিধার কথা তুলে ধরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ব্যারিস্টার পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।#

  • মহেশপুর সীমান্তে ৫৮ বিজিবির বড় অ-ভিযানে বিপুল পরিমাণ মা-দক ও যৌ-ন উত্তেজক ট্যাবলেট উ-দ্ধার

    মহেশপুর সীমান্তে ৫৮ বিজিবির বড় অ-ভিযানে বিপুল পরিমাণ মা-দক ও যৌ-ন উত্তেজক ট্যাবলেট উ-দ্ধার

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর (ঝিনাইদাহ) সংবাদদাতাঃ-

    ঝিনাইদহের মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) পৃথক চারটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক ও যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। গত ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি সীমান্ত এলাকায় অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজিবির দেওয়া তথ্যমতে, উদ্ধারকৃত মালামালের তালিকায় রয়েছে ভারতীয় মদ, ফেন্সিডিল জাতীয় সিরাপ এবং ভায়াগ্রা ট্যাবলেট।

    প্রথম অভিযান ২৬ জানুয়ারি সকাল ৮ টায় মাধবখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সিংনগর হালদারপাড়া গ্রামের একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে ৩৪ বোতল ভারতীয় মদ এবং ৯৫ বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ (Win Cerex ও Fairdyl) উদ্ধার করা হয়।

    দ্বিতীয় অভিযান একই দিন সকাল ১০ টায় শ্যামকুর বিওপি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাইলবাড়িয়া গ্রামের একটি কাঁচা রাস্তা থেকে ৪৯৬ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    তৃতীয় অভিযান গত ২৫ জানুয়ারি রাত ২০:৪০ ঘটিকায় জীবননগর বিওপি এলাকায় অভিযান চালিয়ে গোয়ালপাড়া গ্রামের পাকা রাস্তা থেকে ৩৮ বোতল ভারতীয় সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

    চতুর্থ অভিযান ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় রাজাপুর বিওপি এলাকার সিংনগর হালদারপাড়া গ্রামের একটি আম বাগান থেকে ৫২৮ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করে বিজিবি।

    বিজিবি জানায়, প্রতিটি অভিযানেই মাদক ও ট্যাবলেটগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে এই ঘটনায় কোনো পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় বা কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
    সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ৫৮ বিজিবি’র এ ধরনের কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর ঝিনাইদহ।।

  • বিদেশে বসে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণের দিন শে-ষ: সারজিস আলম

    বিদেশে বসে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণের দিন শে-ষ: সারজিস আলম

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক দল থেকে পঞ্চগড়-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, বিদেশে বসে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণের দিন আর নেই। শেখ হাসিনা ভারতে বসে কিংবা দেশের বাইরে অন্য কোনো দেশ বা এজেন্সি বসে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেবে সে সময় এখন আর নেই।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

    সারজিস আলম বলেন, এই তরুণ প্রজন্ম হচ্ছে অভ্যুত্থানের প্রজন্ম, বিপ্লবী প্রজন্ম। তারা এখনও ঘুমিয়ে যায়নি, তারা জেগে আছে। প্রয়োজনে যেকোনো সময় তারা মাঠে নামবে। বাইরে বসে অনেক কিছু বলা যায়, সাহস থাকলে বাংলাদেশে এসে বলুক।

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রশাসনসহ অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সব পক্ষই একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ নির্বাচন চায়। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    পঞ্চগড়ের তরুণদের উদ্দেশে সারজিস আলম বলেন, যারা বিগত এক বছরে জুলুম করেছে, চাঁদাবাজি করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করেছে তাদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে নাকি যারা ইনসাফের পক্ষে লড়াই করেছে, সিদ্ধান্ত এখন তরুণদের। তিনি আরও বলেন, যারা তিনবার শুধু কথা দিয়ে গেছে, নির্বাচনের পর হারিকেন ধরেও যাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি, তাদের ওপর আবার আস্থা রাখা হবে নাকি যারা দুঃখে-কষ্টে মানুষের পাশে থেকেছে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    তিনি দাবি করেন, মাঠপর্যায়ে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ১১ দল নিয়ে গঠিত ঐক্যবদ্ধ জোটের প্রতি মানুষের আস্থার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এই ১১ দল অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মানুষের ওপর জুলুম করেনি, চাঁদাবাজি করেনি, মামলা বাণিজ্য করেনি। মানুষ বলছে, ভোটের দিন ব্যালটের মাধ্যমেই তারা তাদের জবাব দেবে।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও বক্তব্য দেন সারজিস আলম। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফেস্টুনের নির্ধারিত মাপ লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসনের নির্দেশের পরও সেগুলো অপসারণ করা হয়নি।
    এ সময় তিনি প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, সব রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে যদি সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা না যায়, তাহলে দায়িত্বে থাকার নৈতিক অধিকার নেই। তবে নিজের দলের বিষয়ে কোনো আপত্তি থাকলে সঙ্গে সঙ্গে সংশোধনের আশ্বাস দেন তিনি।

    বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে সারজিস আলম বলেন, সংখ্যালঘু ও ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব আচরণকে তিনি স্বৈরাচারী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন।
    তিনি বলেন, ধমকি দিয়ে ভোট আদায় করার সময় শেষ। মানুষ এবার ইনসাফের পক্ষে থাকবে, জুলুমের বিরুদ্ধে থাকবে।

  • গোবিপ্রবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    গোবিপ্রবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে তোলার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ‘বাংলাদেশ ইন গ্লোবাল পলিটিক্স: নেভিগেটিং পাওয়ার, সিকিউরিটি এন্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টশন প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ এই অন্তঃবিভাগ পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

    দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিভাগটির রেজিস্ট্রেশনকৃত ৫৯ জন শিক্ষার্থী ২৯টি পোস্টার উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করে সুরভী আক্তার ও আদনান সাকিব, দ্বিতীয় স্থান লাভ করে মোহনা হামিদ মুমু, জেমিমা আলম জুঁই ও আফিফাতুন জান্নাত এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে তাপসী রাবেয়া হায়দার, মো. মেহেদী হাসান ও সুস্মিতা দাস বর্ণা।

    বিকেল তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং কক্ষে সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণেই বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। নেভিগেটিং পাওয়ার, সিকিউরিটি, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, প্রতিটি বিষয় বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রের জন্য সমান গুরুত্ব রাখে। যার ওপর দেশের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে। সম্ভবত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার এই বিষয়কে কেন্দ্র করে পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আমি প্রত্যাশা করছি, এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে করা হবে। এবং এই প্রতিযোগিতা শুধু নিজেদের মধ্যে নয়, বরং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়ে করা দরকার। যা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্যারিয়ার গঠনে ভূমিকা পালন করবে।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান বলেন, যাদের মাথায় শিক্ষার্থীদের এভাবে গ্রুমিং করার চিন্তা এসেছে আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। কেননা এসব প্রক্রিয়াই শিক্ষার্থীদের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। একটা বড়ো পরিসরের বিষয়কে অতি সংক্ষেপে উপস্থাপন করার মধ্যে যে স্মার্টনেস আছে, শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে গেলে তা অনুধাবন করতে পারবে। আজকে কে বিজয়ী হলো, কে হলো না, তার চেয়েও বড়ো বিষয় এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাহস জুগিয়েছে। শিক্ষার্থীদের জানা বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

    পরে বিজয়ীদের হাতে সনদ তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।

    বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া হাসান মুনার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি মাহবুবা উদ্দিন ও সহযোগী অধ্যাপক মো. বদরুল ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাজশাহী ১ আসনে বিএনপি ও জামায়তের হেবিওয়েট প্রার্থীর মাঝে দ্বিমুখী ল-ড়াই হবে জমজমাট

    রাজশাহী ১ আসনে বিএনপি ও জামায়তের হেবিওয়েট প্রার্থীর মাঝে দ্বিমুখী ল-ড়াই হবে জমজমাট

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভিআইপি আসন হিসেবে খ্যাত রাজশাহী ১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এবি পাটির প্রার্থীদের মাঠ পর্যায়ে গণসংযোগ, পথসভার, মিনি টুর্নামেন্ট, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, মসজিদের অনুষ্ঠান, মাহাফিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। মাঠে চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। চলছে সমীকরণ, দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করাসহ প্রার্থীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন নিজ নিজ প্রার্থীর সমর্থনে নেতা, কর্মী সমর্থকগন।

    রাজশাহী জেলার একটি প্রাচীন ও প্রসিদ্ধ উপজেলা গোদাগাড়ী। নবাব আলিবর্দী খাঁর শাসনামলে বর্গীয় হাঙ্গামায় অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধে (১৭৪১-১৭৪৪) যখন দেশবাসী শঙ্কিত, উৎকণ্ঠিত তখন বৃদ্ধ নবাব আলিবর্দী খাঁ ডেপুটি গভর্নর নোয়াযেশ মুহাম্মদ খানের নেতৃত্বে ও তত্ত্বাবধানে নবাব প্রাসাদের মূল্যবান দ্রব্য সামগ্রী, অর্থসম্পদ, সোনাদানাসহ পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার প্রয়োজনে এই গোদাগাড়ীতে স্থানান্তরিত করেছিলেন এবং গোদাগাড়ীর অদূরে বারুইপাড়া গ্রামে একটি শিবির ও কেল্লা নির্মাণ করে নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। জনশ্রুতি রয়েছে দূর অতীতে এখানে ‘গোদাবারি’ নামে একজন প্রভাবশালী ধোপা বসবাস করত। ধোপার স্ত্রী ছিলেন ব্যাভিচারিণী। গোদাবারি নামক এই ধোপা তারা স্ত্রীকে কাদায় গেড়ে (পুঁতে) ফেলেন। গোদা কর্তৃক তার স্ত্রীকে গেড়ে ফেলা থেকেই ‘গোদাগাড়ী’ নামকরণ হয়েছে ধারণা করা হয়। প্রশাসন গোদাগাড়ী থানা গঠিত হয় ১৮৬৫ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে। একই সময়ে তানোরও উপজেলার মর্যদা পেয়ে যায়।

    রাজশাহী ১ আসনটি উপজেলা গোদাগাড়ী ও তানোর নিয়ে গঠিত। রাজশাহী – ১ (গোদাগাড়ী – তানোর) আসনটির মোট আয়তন ৭৬৭.৫৩ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা মোট ৫২২২৫৪ জন এর মধ্যে পুরুষ ২২৯০৩৩ জন নারী ২৩৬৯৭৬ জন।

    রাজশাহী-১ আসনের ২টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৫২ রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে গোদাগাড়ী উপজেলায় ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯১০ জন। আর তানোর উপজেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭০ জন। গোদাগাড়ীতে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩২ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭৫ জন। তানোরে পুরুষ ভোটার ৮৪ হাজার ৫৪৬ জন। কিন্তু নারী ভোটার সংখ্যা ৮৭ হাজার ৩২৪ জন। এ আসনের কিংমেকার’ হতে পারেন নারীরাই।বিপুল সংখ্যক ভোটারের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এক বড় অংশের বসবাস রয়েছে এ আসনে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা খুবই সাধারণ জীবন যাপন করে থাকেন। মাঠে ঘাটে কৃষি কর্মে তাদের সময় কাটে অধিক। তাদের বসে আনতেও চলছে নানা তৎপরতা। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, শীর্ষ পর্যায়ের হেভিওয়েট বিএনপির এবং জামায়াতের নায়েবী আমির প্রার্থীর মধ্যে তীব্র লড়াই

    চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভোটারদের ধারণা-এ আসনে মূলত দ্বিমুখী হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এ আসনে ১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান। তিনি এবারেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী। পিতার নাম সেরাজুল ইসলাম। অপরদিকে, বরেন্দ্র বহুমূখি উন্নয়ন প্রকল্পের কর্ণধর, অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মরহুম ড. আসাদুজ্জামান ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ সাবেক মন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সহোদর ভাই ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরিফ উদ্দিন নির্বাচন করছেন ধানের শীষ প্রতীকে। কিন্তু তিনি এর আগে কোন এমপি নির্বাচনে অংশ নেননি। তার বাড়ি গোদাগাড়ীর কেল্লাবাবুইপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম ফহিম উদ্দীন বিশ্বাস। কিন্তু তানোর উপজেলা থেকে এবারে এ আসনে কোন এমপি প্রার্থী দাঁড়াননি। এছাড়াও এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন- গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মির মো. শাহজাহান। তার পিতার নাম মির মো. আজাহার। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। বাড়ি রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকায়। অপরদিকে, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করছেন। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার সারাংপুর রোডপাড়া শ্যামপুর এলাকায়। তথ্যানুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এ আসনটি নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ২০০৮ এর পূর্বে বিএনপি তথা মরহুম ব্যারিষ্টার আমিনুল হকের দখলে ছিল। এখন দলীয় সমীকরণ বদলেছে, ভোটে আ.লীগ প্রার্থীর অংশগ্রহণ না থাকলেও মাঠে ফিরেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তাপ। স্থানীয় ভোটারদের মতে, এবারের লড়াই মূলত বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মো. শরিফ উদ্দিন ও জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। তাদের বাড়ি একই উপজেলার গোদাগাড়ীতে। বিশেষ করে এ দুই প্রার্থীর মধ্যে বিপুল সংখ্যক ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ায় প্রার্থীদের মাঝে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এদিক থেকে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি এবং জামায়াতও প্রচারণায় পিছিয়ে নেই। জামায়ের প্রার্থী অভিজ্ঞ একবার নির্বাচন করে এমপি। নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    এদিকে ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিনুল হক রাজশাহী-১ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে একদলীয় নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ১৯৯৬ সালের সপ্তম এবং ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠনকালে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। সেইসাথে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।

    কিন্তু শরিফ উদ্দিন মরহুম ড. আসাদুজ্জামান ও ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সহোদর ভাই হবার সুবাদে তাদের নিজস্ব ভোটব্যাংক ও বিএনপির নীরব সমর্থন রয়েছে বলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভিন্ন কৌশলে এগোচ্ছেন। নারী কর্মীদের সম্পৃক্ত করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগঠিত প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি ও তার কর্মী সমর্থকরা। বিএনপির ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত প্রার্থীর ভোট বাড়তে পারে- এমন ধারণাও শোনা যাচ্ছে। আর নিষিদ্ধ আ.লীগের ভোটার ও কর্মী সমর্থকরা নীরবে গোপনে যে দলের প্রার্থীর দিকে যাবে তিনি বেশ এগিয়ে যাবেন।
    তবে, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মির মো. শাহজাহান ও এবি পার্টির প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান তাদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় এখনো দেখা যায়নি। এছাড়াও তারা বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবেন না বলেই অধিকাংশ ভোটারের অভিমত। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ভোটারদের মাঝে উত্তাপ ততই বাড়ছে। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের রায়ে। এখন শুধু অপেক্ষার পালা রাজশাহী-১ আসনে এমপি হিসেবে ভোটাররা কাকে বেছে নেন সেটায় দেখার বিষয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সহকারী শিক্ষককে শারীরিক নি-র্যাতনের অভিযোগ, প্রশাসনের হ-স্তক্ষেপ কামনা

    সহকারী শিক্ষককে শারীরিক নি-র্যাতনের অভিযোগ, প্রশাসনের হ-স্তক্ষেপ কামনা

    নেছারাবাদ প্রতিনিধি (পিরোজপুর)।।

    নেছারাবাদ উপজেলার দক্ষিণ কৌরিখাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক সহকারী শিক্ষকের ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কৌরিখাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ বেলাল হোসেন জানান, একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহিদ কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ‘আনিছা’ নামের এক শিক্ষার্থীর রোল নম্বর দেখতে বলেন। রোল নম্বর দেখতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় মোঃ জাহিদ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করেন।

    ভুক্তভোগী শিক্ষকের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পড় মারেন, যা একজন শিক্ষকের জন্য চরম অপমানজনক ও নিন্দনীয় আচরণ। এ ঘটনায় তিনি মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানান।
    এ বিষয়ে মোঃ বেলাল হোসেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে ঐ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহিদ জানান, আছিনা দীর্ঘ অসুস্থ থাকায় স্কুলে আসতে পারেনায় সে কোরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতায় নাম দিবে সেজন্য রোল নম্বটটি দেখতে পরেছিলাম এতেই সে উত্তেজিত হয়ে হাজিরাখাতা ছুড়ে মেয়ে স্কুল থেকে বের হয়ে যায় এবং বলে আমি শিক্ষা অফিসে আভিযোগ দিতে যাই। তিনি প্রায় সময় অন্যান্য শিক্ষকের সাথে খারাপ আচরণ করে এমনকি তার পরিবারও বলে তার মাথায় একটু সমস্যা আছে।
    এ বিষয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম বলেন, বেলাল হোসেন হাজিরা খাতাটা ছুড়ে ফেলে দেয়ায় শিক্ষক জাহিদ একটু উত্তেজিত হয়ে যায় এবং দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। আমি দুজনকে ছড়িয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আসলে একটা দুঃখ জনক আমাদের শিক্ষকদের আরো সকল বিষয়ে ল ধৈর্যশীল হওয়া উচিত।

    আনোয়ার হোসেন।।

  • শৈলকুপায় অ-স্ত্র ও গু-লিসহ ডা-কাত আ-টক

    শৈলকুপায় অ-স্ত্র ও গু-লিসহ ডা-কাত আ-টক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাইপগান ও গুলিসহ এক ডাকাত দলের সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। রোববার মধ্যরাতে উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ বাজার সংলগ্ন নতুন ভুক্ত মালিথিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাত দলের হামলায় মুক্তার হোসেন নামের এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। উত্তেজিত জনতা আটককৃত ওই ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার গভীর রাতে মালিথিয়া গ্রামের গ্রামীণ ব্যাংক অফিসের সামনে মুক্তার হোসেনের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা ধাওয়া করে। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে গ্রামবাসী একজনকে ঘেরাও করে ফেলে। পরে তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ডাকাতদের হামলায় বাড়ির মালিক মুক্তার হোসেন আহত হন।খবর পেয়ে রাতেই শৈলকুপা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আহত অবস্থায় আটক ডাকাত সদস্যকে উদ্ধার করে এবং অস্ত্র ও গুলি জব্দ করে। এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রামবাসী অস্ত্র ও গুলিসহ একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আহত আটক ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং তার সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতু: দেড় বছরের কাজ আট বছরেও শে-ষ হয়নি

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতু: দেড় বছরের কাজ আট বছরেও শে-ষ হয়নি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতু: দেড় বছরের কাজ আট বছরেও শেষ হয়নি। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নবগঙ্গা নদীর ওপর আট বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ।
    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতুর নির্মাণ ব্যয় ছিল ৬৫ কোটি টাকা। নকশা জটিলতা ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় সেতুটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটি টাকা। দেড় বছরে মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ৮ বছরেও শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে নদী পারাপার হচ্ছে এলাকাবাসী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, ৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দীর্ঘ ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের বারইপাড়া পিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণে প্রাথমিক চুক্তি মূল্য ছিল ৬৫ কোটি টাকা। বারবার মেয়াদ বৃদ্ধি ও নকশা পরিবর্তনের কারণে বর্তমান নির্মাণ ব্যয় দাড়িয়েছে ১৩৫ কোটি ৯২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
    সড়ক পথে নড়াইল সদরের সঙ্গে কালিয়া উপজেলাসহ অন্তত তিনটি জেলার যোগাযোগ সহজ করতে ২০১৮ সালে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সবশেষ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত নতুন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে নদীর দুই তীরের সংযোগ সড়কসহ ১১টি পায়ার ও ১১টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। তবে, মাঝ নদীর তিনটি পিলার ও তিনটি স্টিল স্প্যান বসানোর কাজ এখনো বাকি রয়েছে।
    কালিয়া গ্রামের মিলন শেখ বলেন, “উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় এই অঞ্চলে কোনো শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য শহরে নিতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এলাকায় কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে পুলিশ সময় মতো আসতে পারে না; আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস কিংবা জরুরি রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত পৌঁছাতে পারে না। খেয়াঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় সাধারণ লোকজকে।”
    মাউলি গ্রামের ডা. অসীম কুমার অধিকারী বলেন, “বারইপাড়া সেতুটি নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। কাজ শুরুর ৮ বছর পার হলেও তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। সেতুটি চালু হলে কালিয়াবাসী নড়াইল সদরের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে উপকৃত হতো।
    ২০১৮ সালে প্রথম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স জামিল ইকবাল অ্যান্ড মঈনুদ্দিন বাঁশি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি’ ৬৫ কোটি টাকায় কাজটি শুরু করে।
    বাল্কহেডের ধাক্কায় ৯ নম্বর পিলারটি দুইবার নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর মূল অংশের চারটি পায়ার ও তিনটি স্প্যান অসম্পূর্ণ রেখেই ৬১ কোটি টাকা তুলে নিয়ে কাজ শেষ করে তারা। পরবর্তীতে দ্বিতীয় মেয়াদে ‘কংক্রিট অ্যান্ড স্টিল টেকনোলজিস্ট লিমিটেড’ বাকি অংশের কাজ পায়।
    বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ খান লিটন বলেন, “বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ৮৬ দশমিক ৭৩ মিটার স্টিল আর্চ স্প্যানসহ আরো দুটি স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। কিছু জটিলতার কারণে স্টিল স্প্যান বিদেশ থেকে আনতে দেরি হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে দুটি স্প্যান বসানো শেষ হবে।”
    নড়াইল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, “নকশার ত্রুটি সংশোধন করে নতুন কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, এ বছরের জুনের মধ্যেই কাজ শেষ করে সেতুটি জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।

    উজ্জ্বল রায়,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জীবননগরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বি-তরণ

    শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জীবননগরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বি-তরণ

    জীবননগর প্রতিনিধি।।

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে শক্তি ফাউন্ডেশন।
    সোমবার সকাল ১০টায় শক্তি ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর শাখার উদ্যোগে এ কম্বল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৯০টি অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সৈয়দ আব্দুল জব্বার, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, জীবননগর।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর থানার অফিসার অপারেশন (ওসি) মোঃ আতিয়ার রহমান।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শক্তি ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা রিজিওনাল হেড শেখ মোঃ তৌফিকুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর এরিয়ার ম্যানেজার মোঃ গোলাম জাকারিয়া।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এনজিও সমন্বয়কারী মোঃ আব্দুল আলিম সজলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    বক্তারা বলেন, শীত মৌসুমে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবান ও বিভিন্ন সংগঠন এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। ভবিষ্যতেও শক্তি ফাউন্ডেশন এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।