Category: দেশজুড়ে

  • সাংবাদিকদের স্বা-ধীনতা নিশ্চিত করতে হবে

    সাংবাদিকদের স্বা-ধীনতা নিশ্চিত করতে হবে

    হেলাল শেখঃ সাংবাদিকদের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদপত্র চালানো ও সংবাদ তৈরি করে সেই সংবাদ পরিবেশনসহ সাংবাদিকতা করা এতোটা সহজ নয় এমনই অভিমত প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জয়। তিনি বলেন, সাংবাদিক মানে সমাজের দর্পণ আর সাংবাদিক হলো দেশ ও জাতির বিবেক। দেশে বর্তমানে কাগজপত্রসহ সকল জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও সংবাদপত্রের দাম বাড়েনি এবং সাংবাদিকদের সম্মান বাড়েনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টালে ২৪ ঘন্টা প্রচারণা চলমান থাকায় বর্তমানে প্রিন্ট পত্রিকা পড়তে আগ্রহী না বেশিরভাগ পাঠক। অনেকেই সময় বাঁচাতে অনলাইনে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করছেন। সংবাদপত্রের সাংবাদিক কতটুকুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকতা করছেন তা লিখতে গেলে ইতিহাস হবে। বিবেক ও আবেকময় মন দিয়ে বিচার হয় না। সাংবাদিকরা সবার খবর রাখেন কিন্তু তারা কেমন আছেন এই খবর কে রাখেন?
    বিশেষ করে মহান পেশা সাংবাদিকতা অথচ নিজেদের ভেতরে বাইরে শক্রতা সৃষ্টি করায় অন্যরা নিচ্ছে সুযোগ সুবিধা আর হয়রানির শিকার হচ্ছেন প্রকৃত সাংবাদিক। সাংবাদিক ও পুলিশ একে অপরের বন্ধু উল্লেখ করে সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো বাঁধা সৃষ্টিকারীদেরকে ছাড় দেয়া হবে না। এ বিষয়ে একমত হয়ে সাংবাদিক নেতারা অনেকেই বলেন, সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা বন্ধ করতে হবে কিন্তু কিছু কথিত সাংবাদিক পরিচয়পত্র নিয়ে ফিটিংবাজি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে, এদের সাথে থাকে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য, তারা তিলকে তাল বানিয়ে অবৈধভাবে ফায়দা লুটছে। দেশের যেসকল সম্পাদক ও সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা ও নির্যাতন করা হয়েছে, সেইসকল ঘটনা ও অপরাধের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক (হেলাল শেখ), তিনি বলেন, সাংবাদিকদেরকে ঘাঁয়েল করতে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় একটি মহল। সাংবাদিকদের মহান পেশাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই। তবে কিছু সম্পাদক সাংবাদিকদের বেতন দেন না, উল্টো প্রতি মাসে প্রতিনিধিদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এরকম সত্য কেউ প্রকাশ করতে চায় না কারণ, তাদের স্বার্থে আঘাত লাগবে তাই। এর কারণে অনেক সাংবাদিক এই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রিন্ট প্রত্রিকা-সংবাদপত্র নিয়মিত ছাপানো অনেক কঠিন, প্লেট ও কাগজপত্রের দাম বেড়েছে। সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি করছে যারা তাদের অপকর্ম, অনিয়ম, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতায় এক পর্যায়ে কাজ করছে কিছু অসাধু লোকজন, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরী, এতে প্রকৃত সাংবাদিক ও সম্পাদক মহোদয়ের সম্মান রক্ষা হবে। অন্যদিকে কাগজপত্র ও প্লেটের দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণে প্রিন্ট পত্রিকা ছাপানো অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। মাদক সন্ত্রাস, চোর বাটপার ও খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তির কারণে প্রকৃত সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য লজ্জাজনক। কিছু অসাধু ব্যক্তির অত্যাচারের কারণে অনেকেই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় যাচ্ছেন।
    প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন, দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না, এমনকি যেকোনো পুলিশ অফিসার সাংবাদিকদের অপমান করার অধিকার রাখেন না। আপনাদের ইতিহাস প্রকৃত সাংবাদিকই প্রকাশ করতে পারে। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ও ইতিহাস জানেন। আপনারা কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী ? কে কেমন চরিত্রবান তা সাংবাদিকরা জানেন। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল। সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়ে থাকেন। প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে কেউ ভয় দেখাবেন না, কলমের শক্তি দিয়েই তার জবাব দেয়া হবে। আমরা সাংবাদিকরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের কারণে হামলা-মামলায় শিকার হয়ে থাকেন। ভয় করবেন না “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। সাংবাদিককে অপমান করার অধিকার কারো নেই। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। বিশেষ করে নতুন সাংবাদিকদের অবশ্যই সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। কলম সৈনিক কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারীরা দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা।
    সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে বলতে পারেন না, হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না আর অভাবি ব্যক্তিরা সাংবাদিকতায় আসা ঠিক না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যাবে তাদের কাছে। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন। সাংবাদিক জাতির বিবেক, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ ও সাংঘাতিক, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে।
    জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই তার কোনো হিসাব নেই। দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। পরিচয়পত্র গলায় ঝুলিয়ে বেড়ালেই সাংবাদিক বলে না, সাংবাদিক হতে হলে নিজে সংবাদ সংগ্রহ করে সেই সংবাদ সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করতে হয়-বাকিটা ইতিহাস।#

  • আশুলিয়ায় জু-য়া ও মাদ-ক ব্যবসা জ-মজমাট বাড়ছে চু-রি ছি-নতাই:পুলিশের নির-ব ভুমিকা

    আশুলিয়ায় জু-য়া ও মাদ-ক ব্যবসা জ-মজমাট বাড়ছে চু-রি ছি-নতাই:পুলিশের নির-ব ভুমিকা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় নানারকম জুয়া ও মাদক ব্যবসা জমজমাট ভাবে চলছে, মাদক ও জুয়ার টাকা জোগাড় করতে এসবের সাথে জড়িতরা এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। এসব জুয়ারি ও মাদক কারবারিদের থানা পুলিশ গ্রেফতার না করে শান্তিচুক্তি করে নিরব ভুমিকায় থাকেন বলে অনেকেই জানান।
    সোমবার (২৮ জুলাই ২০২৫ইং) জানা গেছে, এর আগে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া মোল্লা বাড়ি মোড়ে মোবাইলের ব্যবসায়ী সোহেল এর দোকান থেকে লক্ষাধিক টাকা চুরি হয়েছে। সোহেল বলেন, কিছুদিন আগে আমার দোকানের তালা ভেঙে নগদ প্রায় লক্ষাধিক টাকাসহ মালামাল চুরি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জুয়া ও মাদকের টাকা জোগাড় করতে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে জুয়ারিরা ও মাদক সেবনকারী মাদক সন্ত্রাসীরা। মাদক সন্ত্রাসীরা শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নানারকম মাদকদ্রব্য অবাধে বিক্রি করছে আর এদের সহায়তা করে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্যসহ এলাকার প্রভাবশালীরা। মাদক সেবন করে অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে বলে তথ্য আছে।
    অনেকেই জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা শক্তিশালী তাই তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে চায়না। অনুসন্ধান করে জানা যায়, আশুলিয়ার জামগড়ার মাদক কারবারি ফিরোজা বেগমকে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দড়িসয়া গ্রামে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে হাতে নাতে গাঁজাসহ আটকের পর দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। গাঁজা সেবন ও নিজ হেফাজতে গাঁজা সংরক্ষণ যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সালের ৩৬ (১) এর ২১ ধারা লঙ্ঘন ও দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধারা মতে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ২ (দই) বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এদিকে আশুলিয়ার জামগড়া উত্তরপাড়ার শরিফুল ইসলাম শরিফকে ডিবি পুলিশ কতর্ৃক আটক করে তার হেফাজত থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তিনি ওই মামলায় জামিনে এসে আবারও সক্রিয় মাদক ব্যবসা করছে এবং বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। সেই সাথে জমি ক্রয়-বিক্রয় করা নিয়ে মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে জামগড়ার মাদক কারবারি শীর্ষ সন্ত্রাসী শরীফ মোল্লার বিরুদ্ধে। সে স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় তার সাথে আরও ৬-৭ জনের গ্রুপ রয়েছে, এর ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না বলে এলাকাবাসী জানায়।
    জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরের দড়িসয়া গ্রামের আলী আকবরের স্ত্রী মোছাঃ নুর জাহান ওরফে ফিরোজা বেগমের বিরুদ্ধে ঢাকার আশুলিয়া থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। এবারের গল্পটাই যেন ভিন্ন: স্বামী একজন রিক্সা চালক আর স্ত্রী বাসা বাড়িতে কাজের বোয়া থেকে এখন বিশাল প্রভাবশালী মাদক সিন্ডিকেটের পরিচালনাকারী নারী ফিরোজা বেগম। তিনি এখন টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরের দড়িসয়া গ্রামে ইটের দালানকোঠা তৈরি করে বাড়িতে চারসাইড দিয়ে লাগিয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এলাকাবাসীর দাবি-সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে দেখে তার বাড়িতে কারা কখন আসছে, প্রতিবেশি কেউ তার বাড়িতে প্রবেশ করলে তাকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করাসহ মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। অনেকেরই প্রশ্ন: কি তার উপার্জন আর কি বা তার ব্যবসা? দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে উঠে আসে কে এই নুর জাহান ওরফে ফিরোজা বেগম। জানা গেছে, একজন দিনমজুর আলী আকবরের অপ্রতিরোধ্য স্ত্রী ফিরোজা বেগম মানুষের বাসা বাড়িতে কাজ করেন, এরপর এখন ক্ষমতাধরের খাতায় নাম লিখেছে মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকান্ডকে পুঁজি করে। বেশিরভাগ মাদক কারবারির বাড়িতে সিসিটিভি রয়েছে।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, টাঙ্গাইলের দড়িসয়া পাড়া গ্রামের একবেলা খেয়ে আর অন্যবেলা না খেয়ে অনাহরে অর্ধাহারে থাকা সেই দিনমজুর স্বামী আলী আকববসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে ফিরোজা বেগম কাজের উদ্দেশ্যে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার মোশারফ ম্যানশন নামের একটি বাড়ির কক্ষ ভাড়া নিয়ে ওই বাড়ির মালিকের বিশাল ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রায় ১০বছর ধরে বিভিন্ন মাদক ব্যবসা করে আসছিলো। সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি এই মাদকের কারবার করে লাখ লাখ টাকার মালিক বনে গেছেন। এলাকাবাসী জানায়, ফিরোজা বেগমের মাদকের বিশাল শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে, দেশের সীমান্ত দিয়ে আসা বিদেশী মদ, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক তার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় চালান পাঠানো হয়। ২০১২ সালে সিরাজগঞ্জ, ২০১৭ সালে আশুলিয়া, ২০২১ইং সালে টাঙ্গাইলে মাদকসহ হাতে নাতে আটক হয় ফিরোজা বেগম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে অনেকবার গ্রেফতার হলেও আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে তিনি ও তার দুই ছেলে কৌশলে বেড়িয়ে এসে ক্ষমতা ও টাকার দাপটে অবাধে চালাচ্ছে তাদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড।
    এলাকাবাসী-মাদককে না বলে পৃথক ভাবে একাধিকবার মাদক বিরোধী মিছিল ও মানববন্ধনসহ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। মাদক নিমর্ূলের দাবিতে সামাজিক ভাবে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা। মাদক ব্যবসায়ীদের দ্বারা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা বন্ধের জন্য সামাজিক প্রতিরোধে এলাকার যুবসমাজকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে দড়িসয়া গ্রামের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আব্দুস সামাদ বলেন, পূর্বের ইতিহাস তারা আগে জামগড়ায় থাইকা কাম কাজ করছে। ১৫-১৬ বছর যাবতসেখানেই থাকতো তারা। তার দুই ছেলে বিভিন্ন মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে একাধিকবার, ফিরোজা বেগমও গাঁজাসহ আটক হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে দুই বছরের সাজা দেন। তিনি আরও বলেন, এই ফিরোজা বেগমের পরিবারের লোকজন সবাই এখন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছেন।
    উক্ত বিষয়ে জানতে সরেজমিনে গিয়ে আশুলিয়ার জামগড়া ও টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরের দড়িসয়া গ্রামে মোছাঃ নুর জাহান ওরফে ফিরোজা বেগমের বাড়িতে তাকে পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও র‍্যাব জানায়, অপরাধী সে যেই হোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য ও কিছু কথিত সাংবাদিক মাদকের সাথে জড়িত থাকার কারণে মাদক সন্ত্রাসীরা অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা। আশুলিয়ায় জুয়া কারবারি শাহিন, সাবু, নাঈমসহ অনেকেই জানায়, পুলিশকে ম্যানেজ করেই তারা জুয়া চালায়।
    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, আমি আশুলিয়ায় নতুন আসছি, দেহব্যবসা, জুয়া ও মাদক কারবারি যেইহোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, অপরাধ করলে অপরাধীকে গ্রেফতার করা হবে। আমাদের অভিযান চলমান আছে। তিনি এর আগে মাইক দিয়ে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে, অপরাধীরা কারাগারের ভেতরে বন্দী থাকবে আর আশুলিয়াবাসী শান্তিতে ঘরে বাইরে শান্তিতে থাকবে। অথচ আশুলিয়ার জামগড়া মনির মার্কেট এলাকার ওয়াহেদ মোল্লার ছেলে মাদক সেবনকারী মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ৫ আগষ্টে গণহত্যা মামলার আসামী শরিফুল ইসলাম মোল্লাসহ এরকম অনেক অপরাধীকে তিনি বা তার অফিসাররা গ্রেফতার করতে পারছেন না কেন জাতি জানতে চায়।##

  • নি-ষিদ্ধ প-লিথিন বিক্রি ও ব্যবহারে ড্রে-নে জ-লাবদ্ধতায় পরিবেশ দূ-ষণ-নিরব ভুমিকায় প্র-শাসন

    নি-ষিদ্ধ প-লিথিন বিক্রি ও ব্যবহারে ড্রে-নে জ-লাবদ্ধতায় পরিবেশ দূ-ষণ-নিরব ভুমিকায় প্র-শাসন

    হেলাল শেখঃ সারাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলা উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজারে ও দোকানে নিষিদ্ধ পলিথিন অবাধে ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন জনসাধাণ। একদিকে এসব পলিথিন ব্যবহার করায় ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণ হলেও নিরব ভুমিকায় প্রশাসন।
    সোমবার (২৮ জুলাই ২০২৫ইং) ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া বাজার ও বাইপাইল পাইকারি পলিথিনের দোকানে দেখা যায়, প্রতিদিন ২০০-৩০০/কেজি পলিথিনের ব্যাগ বিক্রি করা হয়। অবৈধ পলিথিন কোথায় তৈরি হয়? কারা এই পলিথিনের ব্যবসা করেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কথা এড়িয়ে যান। অনেকেই বলেন, এই অবৈধ পলিথিনের ব্যবসার সাথে অনেকেই জড়িত আছেন।
    দেশে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করায় একদিকে সোনালী দিন ফেরাতে পাটের ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে না, অন্যদিকে পলিথিন ব্যবহার করে যেখানে-সেখানে ফেলে দেওয়ার কারণে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে, এর ফলে জমিতে ফসল হচ্ছে না। এসব পলিথিন ব্যাগ ড্রেনে আটকে গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মাটিতে ফসল বৃদ্ধি করাসহ পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক ও প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন অনেকেই।
    দেখা যায়, নারায়নগঞ্জ ও রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়ার কাঠগড়া, বাইপাইল বাজার, জিরানী, ভাদাইল বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করছে নিষিদ্ধ পলিথিন। প্রাইকারি ও খুচরা দোকানদার বলেন, সবাইকে ম্যানেজ করেই পলিথিন বিক্রি করছেন তারা। অনেকেরই প্রশ্নঃ নিষিদ্ধকৃত পলিথিন ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে যেখানে সেখানে। ক্রেতা ও বিক্রেতা মাছ বাজারসহ বাজার খরচ করার সময় প্রায় ব্যক্তির হাতেই পলিথিনের ব্যাগ দেখা যায় চোখে পড়ার মতো। তাছাড়াও রাস্তা-ঘাটেও অনেক পলিথিন পরে থাকতে দেখা যায়।
    বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্মর্কর্তার্গণ সোনালী দিন ফেরাতে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে নিষিদ্ধ পলিথিন প্রকাশ্যে বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। সারা বিশ্বে পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও তা বাংলাদেশে সচেতনতার অভাবে সোনালী অঁাশ পাট প্রায় বিলুুপ্তির পথে এখন। লেখক, কলামিস্ট, পরিবেশবাদী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ বলেন, মাদক যেমনঃ যুবসমাজকে নষ্ট করছে, তেমনি পলিথিন ও প্লাস্টিক দ্রব্য পরিবেশের কুফল বয়ে আনছে। যে সকল ফসলি জমিতে পলিথিন ও প্লাস্টিক দ্রব্য ফেলা হয়-সেই জমিতে কোনো ফসল হয় না বলে কৃষক শ্রমিকরা গণমাধ্যমকে জানান।
    এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও জেলা উপজেলা প্রশাসন বলেন, পলিথিন বা প্লাস্টিক ব্যবহার করার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, রাস্তা ও ড্রেন নষ্ট করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে যারা, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সরকার নিষিদ্ধ করার পরও যারা আইন মানছেন না-তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
    এ বিষয়ে সাংবাদিক নেতা সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, পলিথিনের শুধু ছোটখাটো দোকানে অভিযান করে কি হবে, যারা এই নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরি করছে তাদেরকে আটক করে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নিলে ভালো হবে। সরকার নিষিদ্ধ করেছে পলিথিন তৈরি-বিক্রি ও ব্যবহার করা কিন্তু মাছ বাজার, মুদি দোকান, বেকারী ও মিষ্টির দোকানসহ সবখানেই বিভিন্ন সাইজের পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করতে দেখা যায়। প্রতিটি এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অভিযান পরিচালনা করলে নিষিদ্ধ এইসব পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার করা অনেকটা কমে যাবে। সরেজমিনে গেলে দেখা যাবে যে, প্রতিটি বাসা বাড়িতে ঘরে ঘরে পলিথিন ব্যবহার করা হয়, তাহলে কিভাবে বন্ধ হবে পলিথিন ব্যবহার?। পলিথিন ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার বন্ধ হলে পরিবেশ রক্ষা হবে। এতে কৃষক বাঁচবে, আর কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষের জীবন বাঁচবে বলে সাংবাদিক নেতারা এমনই অভিমত প্রকাশ করেছেন।#

  • জুলাই বি-প্লবের প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে শিক্ষা,স্বাস্থ্য সহ দেশকে এগিয়ে নিতে হবে- ডিসি মুফিদুল আলম

    জুলাই বি-প্লবের প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে শিক্ষা,স্বাস্থ্য সহ দেশকে এগিয়ে নিতে হবে- ডিসি মুফিদুল আলম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব বৈষম্যহীন ন্যায়ভিত্তিক অধিকারপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় চিরকাল অনুপ্রেরণা যোগাবে। জুলাই বিপ্লবের প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ দেশকে সামনে দিকে এগিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে।’

    সোমবার (২৮ জুলাই ২০২৫) সকালে ময়মনসিংহ সিভিল সার্ভিস অফিস হল রুমে সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজিত জুলাই পুনর্গঠন অনুষ্ঠান -২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে রক্তদান কর্মসূচি ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    এসময় তিনি বলেন-‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনীকে মনের চোখ দিয়ে দেখতে হবে। চিন্তা চেতনায় জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করতে হবে। প্রত্যাহিক কর্মে এর প্রতিফলন থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে দেশ ও জাতি পুনর্গঠনে কাজ করতে হবে।

    সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ ছাইফুল ইসলাম খান, এর আন্তরিক সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ প্রদীপ কুমার সাহা,
    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের( মহাখালীর) উপ-পরিচালক ডাক্তার এস এম শাহরিয়ার, জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ইপিআই), ময়মনসিংহের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ফয়সল আহমেদ, সিভিল সার্জনের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার সৈয়দ জাবেদ হোসেন,
    জুনিয়র কনসালটেন্ট (সিডিসি),মেডিকেল অফিসারবৃন্দ,সিনিয়র ও জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সহ অন্যান্য সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

    জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেন, আজ আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে রক্তদান কর্মসূচি পালন করছি। আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করি এবং তাঁর আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাই। এসময় তিনি বলেন, শহীদ সাগরের স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই এই আয়োজন। গত জুলাইয়ে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের সবার প্রতি আমরা গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছি। তাঁদের সাহস ও নিঃস্বার্থতার জন্য আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।

  • লালমনিরহাটে ট্রেনের মু-খোমুখি সং-ঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে

    লালমনিরহাটে ট্রেনের মু-খোমুখি সং-ঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।। 

    লালমনিরহাট শহরের বিডিআর গেট এলাকায় মুখোমুখি দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলপথে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

    (২৮ জুলাই)২০২৫ইং সোমবার দুপুর ২টার দিকে বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা ৬৬ নম্বর কমিউটার ট্রেনটি লালমনিরহাটে প্রবেশের সময় বিডিআর গেট এলাকায় রাজধানী ঢাকা থেকে আসা ৩০১১ সিরিজের লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে লালমনি এক্সপ্রেসের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।

    স্থানীয় সূত্র ও রেলওয়ে বিভাগ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি লালমনিরহাট স্টেশনে পৌঁছে যাত্রী নামিয়ে দেয়। পরে আন্তঃনগর ট্রেনটি সালটিংয়ের উদ্দেশ্যে মোগলহাট রেললাইনের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একই লাইনে বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী ৬৬ নম্বর কমিউটার ট্রেনটি ঢোকার সময় বিডিআর গেট এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে।

    দুর্ঘটনার পর থেকে লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলরুটে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে পার্বতীপুরগামী কমিউটার ট্রেনটি ঘটনাস্থলে আটকে পড়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ লাইন মেরামত ও রেক উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেলওয়ের নিরাপত্তা বিভাগের লালমনিরহাট অঞ্চলের কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ জানান, “দুর্ভাগ্যবশত কোনো যাত্রী হতাহত হননি। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধারকাজও শুরু হয়েছে।”

    লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবু হেনা মোস্তফা আলম বলেন, “ভুল সিগন্যালের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্তে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণে কর্মশালা

    পাবনা প্রতিশ্রুতির উদ্যোগে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণে কর্মশালা

    এম এ আলিম রিপন সুজানগর : গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি শীর্ষক উপ- প্রকল্পের প্রারম্ভিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন( পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় ও প্রতিশ্রুতি আয়োজনে সুজানগর উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সোমবার অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ জাহিদ হাসান। গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার আলমগীর হোসেন, উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, সঁাথিয়া উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফারহাদ হোসেন ও আকাশ মাহমুদ প্রমুখ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের গুরুত্ব ও করণীয় এবং গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের চ্যালেঞ্জ ও সমাধান সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। কর্মশালায় পাবনার সদর, সঁাথিয়া, বেড়া ও সুজানগর উপজেলার কৃষকসহ অন্যান্যরা অংশগ্রহণ করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।।

  • বিএডিসির খাল এখন কৃষকের গলা-র কাঁ-টা খনন না করায় ঝিনাইদহে ত্রিশ গ্রামের দশ হাজার হেক্টর জমির ফসল ত-লিয়ে গেছে

    বিএডিসির খাল এখন কৃষকের গলা-র কাঁ-টা খনন না করায় ঝিনাইদহে ত্রিশ গ্রামের দশ হাজার হেক্টর জমির ফসল ত-লিয়ে গেছে

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    প্রথম দেখলে মনে হবে এ এক মহাসমুদ্র। চারিদিকে পানি থৈ থৈ করছে। মাঠের পর মাঠ কৃষকের ফসলী জমি ডুবে আছে। কৃষকের রোপনকৃত হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান ক্ষেত পানির নিচে। এ অবস্থায় কৃষকের আহাজারী দিনকে দিন বাড়লেও পানি নিষ্কাশনের কোন উপায় নেই।

    সরজমিন দেখা গেছে, ঝিনাইদহের সদর উপজেলার সাধুহাটী ও মধুহাটী ইউনিয়নে বিএডসির খননকৃত খালগুলো ভরাট হওয়ায় তা এখন কৃষকের গলার কাঁটা হিসেবে দেখা দিয়েছে। পানি প্রবাহ না থাকায় মাঠের পর মাঠ ডুুবে আছে। এতে ওই এলাকার ত্রিশ গ্রামের কৃষক পড়েছে বিপাকে।
    তথ্য নিয়ে জানা গেছে, সাধুহাটি ইউনিয়নের বংকিরা, নাথকুন্ডু, ডহরপুকুর, বেজিমারা, ছাইভাঙ্গা, পোড়াহাটি, শরৎগঞ্জ, আসাননগর, ভুলটিয়া, দশমাইল, জীবনে, ওয়ারিয়া, শ্যামনগর, ছয়ঘরিয়া, মামুনশিয়া, চোরকোল, শ্রীপুর, পয়াদপুর, রাঙ্গিয়ারপোতা, ডাকবাংলা, বেড়াশূলা, বাথপুকুর, মাটিকুমরা, নবিননগর, গোবিন্দপুর, যাদবপুর, গোপালপুর, দোবিলা গ্রামের মাঠ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
    এলাকার কৃষকদের ভাষ্য বংকিরা গ্রামের কাজলের খাল, পয়াদপুর খাল এবং মামুনশিয়া খাল দীর্ঘদিন খনন না করায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। ফলে গত ৪/৫ বছর ধরে কৃষকরা সঠিকভাবে ফসল ফলাতে পারছে না। এ বছর টানা বৃষ্টিতে মাঠের পানি গ্রামের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
    বংকিরা গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে তারা বিএডিসি ঝিনাইদহ দপ্তরে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং ভরাট হওয়া খাল খনন করা হবে বলে জানান। কিন্তু তারা আশার বানী শোনালেও কোন কাজ হয়নি। কৃষকের জীবন মান উন্নয়নের জন্য বংকিরা গ্রামের কাজলের খাল, মামুনশিয়া খাল এবং পয়াদপুর খাল খননের ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী বলেও ওই কৃষক জানান।
    রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের কৃষক আব্দুল হাকিম জানান, ১০ গ্রামের পানি কাজল খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়। এই পানি ভেদড়ির বিল হয়ে মামুনশিয়া খাল দিয়ে পয়াদপুর খালের মাধ্যমে চিত্রা নদীতে পড়ে। কিন্তু উৎস্যমুখ কাজলের খাল ভরাট হয়ে কচুরিপনায় ছেয়ে গেছে। ফলে পানি বের হতে পারছে না। এতে বংকিরা, গোবিন্দপুর, মোহাম্মদপুর, আসাননগর, মামুনশিয়া ও চুয়াডাঙ্গার জীবনা গ্রামের পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃৃষ্টি হচ্ছে।
    স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম মনসাদ জানান, জলাবদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরে তারা এলাকার খালগুলো খননের জন্য বিএডিসির ক্ষুদ্রসেচ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। কিন্তু এখনো তিনি দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। এলাকাবাসি দ্রুত খালগুলো সংস্কার করে কৃষকদের জনদুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষার দাবী জানান।
    এ বিষয়ে ঝিনাইদহ বিএডিসির (সেচ) সহকারী প্রকৌশলী সৌরভ কুমার বিশ্বাস জানান, কৃষকদের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি সরজমিন পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে মাঠের পর মাঠ পানিতে ডুবে আছে। পানি বের হতে পারছে না। তিনি এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। আশা করা যায় দ্রুত বিষয়টি সমাধান করতে পারবো।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • দোয়ারাবাজারে নিরীহ পরিবারকে ইউপি সদস্যের হুম-কি” জীবনের নি-রাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

    দোয়ারাবাজারে নিরীহ পরিবারকে ইউপি সদস্যের হুম-কি” জীবনের নি-রাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

    হারুন অর রশিদ।।
    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য জামিল খাঁন কর্তৃক হত্যার হুমকিতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওয়াহাব আলীর পরিবার।

    সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১ টায় দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বোগলাবাজার ইউনিয়নের নোয়াডর গ্রামের ওয়াহাব আলী’র স্ত্রী ও পুত্র সন্তানেরা। এর আগে ঘটনার দিন শনিবার দুপুরে দোয়ারাবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওয়াহাব আলী’র পুত্র সজিব মিয়া

    লিখিত সংবাদ পাঠে সজিব মিয়া বলেন,
    শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে একই গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য জামিল খাঁন’র গরু ওয়াহাব আলী’র পুত্র সজিব খাঁন’র ফসলি জমিতে রোপন করা ধানের চারা খেয়ে ফেলে। এতে সজিব মিয়া গরুটির মালিকের পরিচয় জানতে চাইলে জামিল খাঁনের ছোট ভাই আল-আমিন খাঁন গরুটি তাদের নয় বলে অস্বীকার করেন। পরে সজিব মিয়া একটি পাইপ দিয়ে গরুর শরীরে আঘাত করলে গরুটি জামিল খাঁনের বাড়িতে চলে যায়। পরবর্তীতে সজিব মিয়া বাড়িতে চলে গেলে কিছুক্ষণ পর আল আমিন খাঁন উল্টো গিয়ে জিজ্ঞেস করে যে গরুর শরীরে আঘাত করলে কেনো! এবং আল-আমিন খাঁন অকাট্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় সজিব মিয়া গালিগালাজ করতে বারন করলে আল-আমিন খাঁন হুমকি দিয়ে চলে যায়। হুমকি দিয়ে বলে এর পরিনাম বুঝতে পারবি। এর কিছুক্ষণ পর ইউপি সদস্য জামিল খাঁন এবং আল -আমিন খাঁনের নেতৃত্বে তার ভাই লিটন খাঁন ও জামিল খাঁনের পুত্র রনি খাঁনসহ বাড়ির লোকজন দেশীয় অস্ত্র, দা,ছুরি ও লাঠিসোঁটা দিয়ে সজিব মিয়া’র বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে নগদ ৫ লাখ টাকা, স্বর্নালংষ্কার ও বসত ঘরে আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। অভিযোগ করে বলেন, এবিষয়ে শনিবার বিকালে দোয়ারাবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও থানা পুলিশের কোন তৎপরতা পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার।

    সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, জামিল খাঁনের একটি সিন্ডিকেট বাহিনী আছে। তাদের দিয়ে সীমান্ত চোরাচালান ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। নিরীহ মানুষের জমিজমা দখল করে। দল ক্ষমতায় না থাকলেও জামিল খাঁনের ভয়ে এলাকায় কেউ তাদের বিরোধিতা করতে সাহস পায়না।
    এঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করায় জামিল খাঁন তার ছেলে এবং পুত্ররা ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি প্রদান করে, যদি থানায় দায়ের করা অভিযোগ তুলে না নেওয়া হয়। তাহলে তাদেরকে এর খেসারত দিতে হবে। তাদেরকে প্রানে বাঁচতে দিবেনা। জামিল খাঁন কর্তৃক এমন হুমকির অভিযোগে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে নিরীহ এই পরিবার। নিজেদের নিরাপত্তা পেতে প্রশাসনের সঠিক ভূমিকা ও হস্তক্ষেপ চেয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবার।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ভুক্তভোগী আব্দুল ওয়াহাব মিয়া’র পুত্র মামলার বাদী সজিব খাঁন,শরিফ খাঁন, আব্দুল ওয়াহাব মিয়া’র স্ত্রী জমিলা খাতুন।
    এসময় নোয়াডর গ্রামের নুরান খানের পুত্র এমেল খাঁন,মোজাম্মেল খাঁন এর স্ত্রী বিলকিস আক্তার, মোশাররফ খাঁন এর স্ত্রী সগিতা আক্তার ও উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    থানায় দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই আশরাফ উদ্দিন বলেন,রবিবার ঘটনাস্থলে গেলে বাদী সজিব মিয়াকে বাড়িতে না পাওয়ায় তদন্ত করা হয়নি। আজ আবারও যাবো।

  • বগুড়ায় মা-দকদ্রব্য নি-য়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের টিএমএসএস মা-দকাসক্তি নি-রাময় কেন্দ্র পরিদর্শন

    বগুড়ায় মা-দকদ্রব্য নি-য়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের টিএমএসএস মা-দকাসক্তি নি-রাময় কেন্দ্র পরিদর্শন

    জিএম রাঙ্গা।।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব মোঃ হাসান মারুফ রবিবার বগুড়ায় অবস্থিত স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক মানের বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা টিএমএসএস পরিচালিত মানসিক রোগ, মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ, নিরাময়ে সরকারি ও বে-সরকারি সংস্থার মধ্যে সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষাবিদ ও আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক অধ্যাপিকা ডক্টর হোসনে-আরা বেগম প্রতিষ্ঠিত টিএমএসএসের এই শীর্ষ পর্যায়ের ও আন্তর্জাতিক মানের সংস্থাটি পরিচালিত, নিরাময় কেন্দ্রটি পরিদর্শনের পর মহাপরিচালক কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়। আলোচনা সভায় টিএমএসএস-এর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক এবং বর্তমান তরুণ প্রজন্মের অহংকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক বিসিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টি এম আলী হায়দার মাদকের ভয়াবহতা ও কুফলতা সম্পর্কে নানা পরামর্শ মূলক দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন “টিএমএসএস দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা সেবা ও পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।” তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের এই পরিদর্শনকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ উল্লেখ করে বলেন “এটি আমাদের কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা যোগাবে।” মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ হাসান মারুফ টিএমএসএসের এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও নিরাময়ে বে-সরকারি সংস্থার ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “মাদকাসক্তি একটি সামাজিক ব্যাধি এবং এর বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সভায় অন্যদের মধ্যে টিএমএসএস হেলথ গ্র্যান্ড সেক্টর প্রধান উপনির্বাহী পরিচালক-২ রোটারিয়ান ডাঃ মতিউর রহমান ও টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের পরিচালক অবঃ ব্রিঃ জেঃ ডাঃ মোঃ জামিলুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠানে টিএমএসএস’র উপদেষ্টা, পর্ষদ পরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, টিএমএসএস পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, গণ্যমান্য ব্যক্তি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং মিডিয়া কর্মীসহ বহুসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং সমাজের এই মারাত্মক ব্যাধি প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা নতুন গতি পাবে বলে সংশ্লিষ্ট সকলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব মোঃ হাসান মারুফ বগুড়ার টিএমএসএস পরিচালিত মাদকদ্রব্য নিরাময় কেন্দ্রটি পরিদর্শন করায় টিএমএসএস পরিবারের পক্ষ থেকে সংস্থার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ও বিসিএল গ্রুপের এমডি টি এম আলী হায়দার তাঁর প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান। মহাপরিচালককে টিএমএসএসের পক্ষ থেকে অভিনন্দিত করায় তিনিও সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানান।

  • বাবুগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সং-ঘর্ষে প্রা-ণ গে-লো এক যুবকের

    বাবুগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সং-ঘর্ষে প্রা-ণ গে-লো এক যুবকের

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি: মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।

    আজ সোমবার (২৮ জুলাই ২০২৫) ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের কামিনী পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে কুয়াকাটাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
    স্থানীয়রা জানায়, দুর্ঘটনার শব্দ শুনে তারা ছুটে আসেন, কিন্তু ততক্ষণে মোটরসাইকেল আরোহী আর বেঁচে ছিলেন না, তবে নিহত নাম ঠিকানা এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
    এই দুর্ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ে এখন এক মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
    নিত্যদিনের এই প্রাণহানির ঘটনা মানুষ আর মেনে নিতে পারছে না। জনসাধারণ দ্রুত ছয় লেনের মহাসড়ক বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছে।
    জীবন এতটাই অনিশ্চিত হয়ে গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হলে কেউ নিশ্চিত না সন্ধ্যায় ফেরার সুযোগ মিলবে কি না!