Category: দেশজুড়ে

  • সুজানগরে মন্ডল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দো-য়া অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে মন্ডল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দো-য়া অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: সুজানগর পৌর শহরে মন্ডল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মন্ডল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্ণধার রিয়াজ মন্ডলের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বিএনপি নেতা অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, রাশেদুল ইসলাম বাবু মণ্ডল, সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর এম ও ডাক্তার ওয়াসিম, জামায়াত নেতা কেরামত আলী, শিক্ষক এস এম কামাল , আলাউদ্দিন আলাল, সাহেব আলী মন্ডল, শরিফুল ইসলাম মামুন, ব্রোজেন কুমার পাল, রকি ইসলাম সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ শরিক হন। দোয়া পরিচালনা করেন সুজানগর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম। মন্ডল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্ণধার রিয়াজ মন্ডল জানান মন্ডল হাসপাতালের চিকিৎসা বিভাগে আধুনিকতার ছেঁায়া ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনে এক নতুন যুগের সূচনা হলো।
    অভিজ্ঞ চিকিৎসক, উন্নত যন্ত্রপাতি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের সমন্বয়ে এই হাসপাতালে রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত সেবার প্রতিশ্রুতি বহন করা হবে এবং চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে রোগীদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে ইনশআল্লাহ।নতুনভাবে সাজানো এই হাসপাতালে শুধু চিকিৎসা নয়, রোগীর মানসিক স্বস্তি ও আস্থা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।মন্ডল হাসপাতালের এ উন্নত চিকিৎসা বিভাগ স্বাস্থ্যসেবার অগ্রযাত্রায় একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • তেঁতুলিয়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান

    তেঁতুলিয়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কার, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইমাম প্রশিক্ষণ সেন্টারে ‘পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (পিবিজিএসআই)’ স্কিমের আওতায় ২০২২ ও ২০২৩ সালের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সেকেন্ডারি এপুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি) এর অধীনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিস এই পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

    তেঁতুলিয়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. আফরোজ শাহীন খসরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিক্ষা অফিসার খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শওকত আলী, তেঁতুলিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ও আটোয়ারী একাডেমিক সুপাইভার রেজাউল নবী রাজা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ভজনপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শিপন মো. হাবিবুর রহমান, মাঝিপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোজাহারুল হক, শালবাহান দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক কাবুল, নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রমূখ। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে ভজনপুর ফখরুন্নেছা ফাযিল মাদরাসা হতে ২০২২ সালে আলিম পরীক্ষার সেরা শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম বক্তব্য দেন। অভিভাবক বক্তব্য পেশ করেন, ভজনপুর ফখরুন্নেছা ফাযিল মাদরাসার তরিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শওকত আলী।

    অনুষ্ঠানে ২০২২ ও ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে উপজেলার ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক ও সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় সবোর্চ্চ নম্বর প্রাপ্ত ৩৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। এছাড়া এসএসসি ও সমমান শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকে ১০ হাজার এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২৫ হাজার করে টাকা নিজ নিজ ব্যাংক হিসেবে পাঠানো হয়েছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • বিলু-প্তির পথে  দেশীয় প্রজাতির মাছ

    বিলু-প্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ

    লেখকঃ মোঃ হায়দার আলী।। একটা সময় এ দেশের মানুষকে বলা হতো মাছে-ভাতে বাঙালি। সে সময় গ্রামাঞ্চলোর জলাশয়গুলোতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। বাড়িতে যদি ভাত নাও থাকত, তবুও মাছের কমতি ছিল না। অনেকের এমনও দিন গেছে যে, ভাত না খেয়ে শুধু মাছ খেয়ে থাকতে হয়েছে তাদের। মৎস্য আহরণ ছিল সহজ ব্যাপার। সেই সময় প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যেত। আজ আমরা এসব মাছ খুব বেশি দেখতে পাই না। যদিও কালেভদ্রে দেখা যায়, সেগুলোর অধিকাংশই বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। ফলে দেশি মাছের প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায় না।

    নদী মাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী, খাল-বিল-নালা, পুকুর ডোবা, হাওর-বাঁওড়, ধানক্ষেত, পানিবদ্ধ বিলগুলো হচ্ছে- দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রধানতম উৎস। এসব উৎস ধ্বংস, অপরিকল্পিত মৎস্য আহরণ, মাত্রাতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের ব্যবহার এবং নানাভাবে পরিবেশ দূষণের ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে। ট্যাংরা, টাকি, চান্দা, মহাশোল, সরপুঁটি, টাটকিনি, বাগাড়, রিটা, পাঙাশ আর চিতল এসব মিঠা পানির মাছের প্রজাতিগুলো চরম হুমকিতে রয়েছে। গত কয়েক দশকে বেশ কয়েক প্রজাতির পরিচিত দেশীয় মাছ এখন আর বাজারে দেখা যায় না। বর্তমানে দেশের ১১৮ প্রজাতির দেশীয় মাছ বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। কৃষি তথ্য সার্ভিসের (এআইএস) এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশে বিলুপ্ত প্রায় মিঠা পানির মাছের প্রজাতির সংখ্যা ৬৪টি।
    গত কয়েক দশক ধরে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জলাশয়গুলোর আয়তনে সংকোচন, নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবার পানির অপরিমিত ব্যবহার, ডোবা-নালা ভরাট করা, কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশকে পানির দূষণ এবং অপরিকল্পিতভাবে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে মাত্রাতিরিক্ত মাছ ধরার ফলে প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের সংখ্যা অনেক কমছে। গত কয়েক বছরে প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের পরিমাণ অর্ধেকে নেমে এসেছে।

    বর্তমান প্রজন্ম আজ অনেক দেশি জাতের মাছের কথা ভুলে গেছে। তাদের সঙ্গে যখন দেশি মাছের কথা আলোচনা করা হয়, তখন তারা এমন ভাব করে যেন নামগুলো এই প্রথম শুনছে।
    এখন প্রশ্ন হলো, কিভাবে এই মাছগুলো বিলুপ্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে? আসলে এই মাছগুলো এমনি এমনি বিলুপ্ত হচ্ছে না, বরং বিলুপ্ত করা হচ্ছে। আজ আমরা অধিক ফলনের আশায় জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করছি। এসব কীটনাশক বৃষ্টির পানির মাধ্যমে খাল ও বিলে গিয়ে পৌঁছায়। এর ফলে ওইসব খাল-বিলের মাছ মরে যায়। অন্যদিকে অনেক মাছ ডিম ফুটে বাচ্চা বের করার সময় আহরণ করা হচ্ছে। এর ফলে ওই মাছগুলো ডিমসহ ধরা পড়ছে। এভাবে মাছ ধরার কারণে অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে অতি মাত্রায় পোনা মাছ আহরণ করা হয়, যার ফলে ওই মাছগুলো নিশ্চিত বিলুপ্তির পথে ধাবিত হচ্ছে। তাই মানুষকে এভাবে মাছ আহরণ থেকে বিরত রাখা সময়ের দাবি।

    দেশি মাছ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের আরও বেশি করে এগিয়ে আসা উচিত। ইতোমধ্যে কিছু দেশি প্রজাতির মাছ গবেষণার মাধ্যমে বিলুপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করা গেছে। অন্য যেসব মাছ হারিয়ে যেতে বসেছে, সেসবও রক্ষার পদক্ষেপ নিতে হবে। মাছ আমাদের অন্যতম সম্পদ। পৃথিবীতে মাছ উৎপাদনে আমরা বিশেষ স্থান অধিকার করে আছি। এ ধারা ধরে রাখতে হবে। বিশেষ করে আমাদের দেশি প্রজাতির মাছের উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে বেশি।

    গবেষকরা এ ব্যাপারে অবদান রাখতে পারেন। সরকারকেও এ কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
    বাংলাদেশে প্রায় বিলুপ্তির পথে ১০০ প্রকারের বেশি দেশীয় মাছ থাকলেও এখনো কোন মাছকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়নি আইইউসিএনের এ সংক্রান্ত নিয়মটি হচ্ছে, সর্বশেষ কোন একটি প্রজাতির মাছের দেখা পাবার পর পরবর্তী ২৫ বছরে যদি সেই প্রজাতির অস্তিত্বের কোন প্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে সেটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

    মৎস্য জাদুঘরের পরিচালক অধ্যাপক হোসেন বলছিলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলে নান্দিল নামে এক সময় একটি মাছ দেখা যেত, কিন্তু গত ২০ বছরে সেটির অস্তিত্বের কোন প্রমাণ দেখা যায়নি। আবার সিলেট অঞ্চলের পিপলা শোল নামে একটি মাছ দেখা যেত, যা এখন আর দেখা যায় না। গত ১০ বছরে দেখা যায়নি এই মাছ। “দেখা যায়নি, কিন্তু তবু বিলুপ্ত ঘোষণা করার আগে আরো কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে। “যদি এর মধ্যে বিপন্ন মাছেদের অস্তিত্বের ব্যপারে কোন তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে হয়ত আইইউসিএনের পরবর্তী জরিপে এগুলোর ব্যপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা থাকতে পারে।”

    আইইউসিএনের ২০১৫ সালের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী কয়েকটি শ্রেণীতে মোট ৬৪ প্রজাতির মাছকে রেড লিস্ট বা লাল তালিকাভুক্ত করেছে, এর মানে হচ্ছে এসব প্রজাতির মাছ হয় প্রায় বিলুপ্ত, মহাবিপন্ন ও বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে।

    ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘আপডেটিং স্পেসিস রেড লিস্ট অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রকল্পের অধীনে এই তালিকা করা হয়। এ সংক্রান্ত প্রথম জরিপটি হয়েছিল ২০০০ সালে, সে সময় ৫৪টি প্রজাতিকে রেড লিস্টভুক্ত করা হয়েছিল। জরিপে মূলত স্বাদু পানির এবং আধা লোনা পানির মাছকেই গণনায় ধরা হয়েছিল।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ঐ ‘রেড লিস্ট’ তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশে দেশীয় মাছের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩০০। এর মধ্যে ২০১৫ সালে আইইউসিএন এর সর্বশেষ মূল্যায়নে ২৫৩ প্রজাতির মাছের ওপর জরিপ চালানো হয়েছিল তাতে দেখা গেছে সময়ের বিবর্তনে যেসব মাছ বিলুপ্তপ্রায় তার বেশির ভাগই নদীর মাছ মানে স্বাদু পানির মাছ। তবে, ৩০০ প্রজাতির মাছের মধ্যে অন্তত ৪০ প্রজাতির মাছের ব্যাপারে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কোন সংস্থার কাছে হালনাগাদ কোন তথ্য নেই। আইইউসিএন কয়েকটি ভাগে মাছের অবস্থা ব্যাখ্যা করেছিল। এর মধ্যে কিছু মাছ ক্রিটিক্যালি এনডেঞ্জারড বা প্রায় বিলুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। অর্থাৎ এগুলো সন্ধান ও সংরক্ষণের উদ্যোগ না নিলে সেগুলো অচিরেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

    বাংলাদেশে বিপন্ন মাছের মধ্যে রয়েছে—পাঙ্গাস, দারি, ককসা, টিলা বা হিরালু, টিলা ককসা, রানি বা বউ মাছ, বেতাঙ্গি, বেটি বা পুতুল মাছ, কালা বাটা, ঘর পোয়া, ঘর পইয়া, ঘোড়া মাছ, এলানগা, কচুয়া পুটি, বোল, চিতল, গজার, টেংরা, রিটা, গাঙ্গিনা বা চাকা মাছ, বট শিং, ঘাউড়া, সাল বাইম। এছাড়া সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে বাও বাইম, চাপিলা, গুতুম, পুঁইয়া, পিয়াসি, জারুয়া বা উট্টি, ছেপ চেলা, গোফি চেলা, বাটা মাছ, নারু মাছ বা গনিয়া, কাচকি, ফলি, শিল বাইলা, বেলে, শিং, আইড়, বোয়াল, তেলি, কুইচ্চা মাছ, বামোস মাছ।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা বলছেন, মাছের প্রজাতি হারিয়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে তিনি প্রথমেই জলাশয় কমে যাওয়াকে দায়ী করেন। “শহর ও গ্রাম দুইখানেই নদী-খালসহ সব ধরণের জলাশয়ের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এ কমার সঙ্গে দিনে দিনে কমছে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মাছের পরিমাণও। “কেবল দেশী জাত ও স্বাদের মাছই নয়, এর সঙ্গে কচ্ছপসহ নানা ধরণের জলজ প্রাণী ও সরীসৃপের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে।” সেই সঙ্গে রয়েছে জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধি, যা বৃষ্টিতে ধুয়ে খাল বিলসহ জলাশয়গুলোতে পড়ে। এর ফলে মাছের মৃত্যু ও প্রজনন হার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আছে কলকারখানার বর্জ্য নিকটস্থ জলাশয়ে ফেলা হয়, তার ফলেও মাছ মরে যায়, বলেন মিজ ফাতেমা। এর সঙ্গে অপরিকল্পিত মৎস্য আহরণ, প্রজনন মৌসুমে প্রজনন-সক্ষম মাছ ও পোনা ধরা, কারেন্ট জালের ব্যবহার এবং মাছের আবাসস্থল ধ্বংস করাকেও কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে, বাংলাদেশ মৎস্য জাদুঘরের পরিচালক অধ্যাপক হোসেন জানিয়েছেন, বিদেশী মাছের চাষের কারণেও দেশী প্রজাতির মাছ কমে গেছে।
    দেশের বাজারে এক সময় দেশীয় চাষের মাছের আধিক্য দেখা যেতো। “ধরুন এখানে তেলাপিয়া, কার্পজাতীয় মাছ আনা হয়েছে, আবার এক সময় আফ্রিকান মাগুর আনা হয়েছিল। কয়েক বছর আগে আনা হলো পিরানহা–এগুলো দেশী মাছের খাবার ও বাসস্থল দখল করতো। অনেক সময় দেশী মাছ খেয়ে ফেলতো কোন কোন বিদেশী প্রজাতি।” যদিও পরে আফ্রিকান মাগুরের চাষ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু তারপরেও বিদেশী মাছের প্রজাতির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় কুলিয়ে উঠতে না পেরে অনেক মাছ কমে গেছে। বাংলাদেশে দেশীয় অনেক প্রজাতির মাছের হার কমে যাবার প্রেক্ষাপটে গত দুই দশকে কৃত্রিম প্রজনন ও চাষের মাধ্যমে মাছের সরবারহ বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রতি বছর সাড়ে ৪২ লাখ মেট্রিক টনের বেশি মাছ উৎপন্ন হচ্ছে।

    মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন অনেক মানুষ এর মধ্যে নদী, বিল ও হাওরসহ উন্মুক্ত জলাশয় থেকে ২৫ শতাংশ, পুকুর, ডোবার মত বদ্ধ জলাশয় থেকে ৫৭ শতাংশ এবং বাকি অংশ সমুদ্র থেকে উৎপাদিত হচ্ছে। দেশে ৮ লাখ হেক্টর বদ্ধ জলাশয়ে মাছ চাষ হয়। বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিসের কর্মকর্তা বলরাম মহালদার জানিয়েছেন, কৃত্রিম প্রজনন ও চাষের মাধ্যমে বাজারে চাহিদা আছে এমন মাছই বেড়েছে। “কিন্তু বাজারে চাহিদা কম এমন মাছ তো চাষ করছে না কেউ, ফলে সেগুলোর অস্তিত্ব সংকট আগের মতই থাকছে। যেমন খলিশা, চাপিলা, মেনি, ফলি, বাও বাইম, গুতুম, কুইচ্চা মাছ, বামোস ইত্যাদি ধরণের মাছ দেখতে পাবেন না।”

    “এখন বাজারে পাবদা বা গুলশা মাছ বা পাঙ্গাস পাবেন আপনি, সেগুলোর চাহিদা আছে। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক না হলে, বিপন্ন মাছের ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।” তবে ফসলি জমি নষ্ট করে দেশে মাছ চাষ করা নিয়ে পরিবেশবাদীদের এক ধরণের বিরোধিতাও রয়েছে।

    তাদের পরামর্শ বিদ্যমান নদী ও পুকুরগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তবে, সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যদিও এখন কৈ, শিং, পাবদা, মাগুর, সর পুটি, চিতলসহ বেশ কয়েকটি প্রজাতির মাছ সহজলভ্য হয়েছে, কিন্তু সেই সব মাছের স্বাদ আগের মত নয়।

    বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে বেশ কয়েক প্রজাতির পরিচিত দেশীয় মাছ বাজার থেকে ‘প্রায় নেই’ হয়ে গেছে। প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন বলছে, এর মধ্যে ‘প্রায় বিলুপ্ত’ হবার পথে বাঘাইর, পিপলা শোল বা বাক্কা মাছ, মহাশোল, নান্দিলা মাছ, চান্দা, ভাঙ্গান বাটা, খরকি মাছ, কালো পাবদা, চেনুয়া মাছসহ বেশ কিছু মাছ রয়েছে।

    ময়মনসিংহে বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য জাদুঘরের পরিচালক অধ্যাপক মোস্তফা আলী রেজা হোসেন জানিয়েছেন, এই মুহুর্তে দেশের ১১৮ প্রজাতির দেশীয় মাছ বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। “আইইউসিএন বাংলাদেশের বিপন্ন প্রাণীর তালিকা করার জন্য দুটি জরিপ চালিয়েছিল, ২০০০ সালে প্রথম জরিপে ৫৪ প্রজাতির মাছ বিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এরপর ২০১৫ সালে সর্বশেষ জরিপে তাতে আরো ৬৪ প্রজাতির মাছ যুক্ত হয়।”

    এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছর পর মাছের প্রচন্ড আকাল দেখা দেবে।
    সাধারণত জৈষ্ঠ মাসের মধ্য থেকে শ্রাবণ মাসের মধ্য পর্যন্ত সকল প্রকার দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন মৌসুম। জৈষ্ঠ মাসের মধ্যকালে প্রথম বৃষ্টির পর থেকেই এসকল সাদুপানির মাছ ডিম ছাড়া শুরু করে। যা চলে শ্রাবণ মাসের মধ্য পর্যন্ত। বৃষ্টির পরপরই যখন বিভিন্ন জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়, তখন নদ-নদী, খাল-বিল-নালা, হাওড়-বাওড়, ধান ক্ষেতসহ জলাবদ্ধ বিলগুলো জলাজমির সাথে মিশে যায় এবং তখন মুক্ত জলায়শয়ে থেকে ছড়িয়ে যায় মাগুর, শিং, কৈ, টাকী, শৈল, গজাল, পাবদা, টেংরা, পুঁটি, সরপুঁটি, খলিসা, মলা, বাইন, বোয়াল, গলদা চিংড়ি মাছ। আর তখনই স্থানীয় জনগণ অনুমোদিত ঝাকি জাল, চর পাটা জাল, বেবদি জাল, কারেন্ট জাল, চাইঁ, বরশি, টোটা, কোচ, বর্সাসহ বিভিন্ন রকম হাতে বানানো ফাঁদ পেতে মাগুর, শিং, কৈ, টাকী, শৈল, গজাল, পাবদা, টৈংরা, পুঁটি, সরপুঁটি, খলিসা, মলা, বাইন, বোয়াল, গলদা চিংড়ি এসকল প্রজাতির মাছ নিধন করতে থাকে। যার মধ্যে অধিকাংশ থাকে ডিম ছাড়ার পর্যায়ের ‘মা মাছ’। এসব মা মাছ দেদারসে মারার ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ব্যহত হচ্ছে এবং দিন দিন কমে যাচ্ছে।
    তবে এর বিপরীত চিত্র রয়েছে মৎস্য চাষে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে, পুকুর ডোবা বা বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষে গত এক দশকে বিপ্লব ঘটেছে। গত এক দশকে কৃষিপণ্য হিসেবে মাছের উৎপাদন তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে প্রায় বিলুপ্তির মুখ থেকে ফিরে এসেছে এমন দেশি মাছের সংখ্যাও এখন বাড়ছে।
    কৃষক অপরিকল্পিতভাবে জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধি, যা বৃষ্টিতে ধুয়ে খাল-বিলসহ জলাশয়গুলোতে পড়ে। এর ফলে মাছের মৃত্যু ও প্রজনন হার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এ ছাড়া কলকারখানার বর্জ্য নিকটস্থ জলাশয়ে মিশে এর ফলেও মাছ মরে যায়। এর সঙ্গে রয়েছে অপরিকল্পিত মৎস্য আহরণ, প্রজনন মৌসুমে প্রজনন-সক্ষম মাছ ও পোনা ধরা, কারেন্ট জালের ব্যবহার এবং মাছের আবাসস্থল ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকতে সকলকে সচেতন হতে হবে।

  • পাইকগাছায় বর্ষা মৌসুমে নার্সারিতে গাছের চারা বি-ক্রি বে-ড়েছে

    পাইকগাছায় বর্ষা মৌসুমে নার্সারিতে গাছের চারা বি-ক্রি বে-ড়েছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    বর্ষায় পাইকগাছায় নার্সারিতে গাছের চারার ব্যাপক চাহিদা ও বিক্রির হিড়িক পড়েছে। উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে তোলা নার্সারিগুলিতে বছরজুড়ে সব গাছের চারা পাওয়া যায়। এসব চারা বেচাকেনা হয় সব মৌসুমে। তবে চারা বিক্রির সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বর্ষাকালে। এই সময়টাতে রোপণ করা চারা শতভাগ জীবিত থাকে বলে চারারও চাহিদা বাড়ে দ্বিগুণ। অনেকে এই সময়টাতে তৈরি করেন ফলজ-বনজ বাগান। বেশির ভাগ মানুষ তাদের বসতবাড়িতে নানা প্রকারের চারা রোপণ করে থাকেন বর্ষাকালে। এ বছরের আষাঢ়ের প্রথম দিন থেকে শুরু হয়েছে। এ সুযোগে নার্সারিগুলো গাছের চারার ব্যাপক চাহিদা বিক্রির হিড়িক পড়েছে।উপজেলার গদাইপুরে বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে উঠেছে তিন শতাধিক নার্সারি। তাছাড়া ১০ শতক থেকে এক বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক নার্সারি। গ্রামের চারদিকে যেন সবুজের সমাহার। গদাইপুরে ঢুকলে চোখে পড়ে ক্ষেতের পর ক্ষেত নার্সারি। বাড়ির সামনে-পেছনে ও আশপাশে নার্সারি গড়ে তুলেছেন সবাই। সব নার্সারির সামনে আছে সাইনবোর্ড লাগাানো। নানা রকমের ফুল, ফল ও মসলার চারা বাড়িগুলোর সামনে। বাড়ির ভেতরে গড়ে তোলা নার্সারিতে চারা কেনাবেচার দৃশ্যও নজর কাড়ে। গদাইপুর এলাকার তৈরী কলম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। নার্সারি মালিক সমিতি সুত্রে জানা গেছে, কেবল বর্ষা মৌসুমেই গদাইপুরের কয়েক শত নার্সারিতে প্রায় ১০০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়। আর সারা বছরের বিক্রি হয় আড়াই ২ শত কোটি টাকার বেশি। এসময় চারা ক্রয়, বিক্রি ও পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন মালিক-শ্রমিকরা।উপজেলার গদাইপুর গ্রামের মেইন সড়কের দুই পাশে নার্সারিতে নানা প্রজাতির গাছের চারার দৃশ্য নজর কাড়ে। রাস্তার পাশে যতদূর দৃষ্টি যায় ফুল, ফল, মসলা ও বনজের চারা দেখা যায়। যেগুলোর গোড়ার মাটি পলি প্যাকেটে আবদ্ধ। চলতি পথে নার্সারিগুলোয় কর্মব্যস্ততার দৃশ্য চোখে পড়ে। কেউ নিড়ানি দিয়ে আগাছা বাছা ও ঝাঁজরি দিয়ে চারায় পানি দিচ্ছেন। আবার কেউ ভ্যান, নছিমন, ট্রাক ও পিকআপে চারা তুলে দিচ্ছেন। দেশী প্রজাতির পাশাপাশি বিদেশী ফলের চারারও উৎপাদন হয়। এখানে স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, ড্রাগন, থাই পেয়ারাসহ ৩০-৪০ প্রজাতির বিদেশী ফলের চারা তৈরি হয়। এছাড়া দেশী প্রজাতির সকল ফলের চারা নার্সারিগুলোয় পাওয়া যায়। এসব ফলের প্যাকেট চারা বছরজুড়ে পাওয়া যায়। প্যাকেটে রোপণ করা চারার পাশাপাশি টবে লাগানো ফুল-ফলের চারাও এখানে বিক্রি হয়। চুই, লবঙ্গ, তেজপাতা, দারুচিনি, গোলমরিচ, এলাচসহ বেশ কয়েক প্রজাতির মসলার চারা উৎপাদন ও বিক্রি হয়।পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, নার্সারি ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। কেউ পরিকল্পনা মাফিক নার্সারি করলে অনায়াসে তিনি স্বাবলম্বী হবেন। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ভারসাম্য ও জীবচিত্র্য রক্ষার জন্য বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্ষাকালে গাছের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। এসময় প্রচুর বৃষ্টি হয় ও উর্বরা শক্তিবৃদ্ধি পায়। তাই এই সময়ে তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণ করার জন্য আহ্বান জানান।

    অনলাইন থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যাটারি চালিত ভ্যান চুরি করতে গিয়ে পাইকগাছায় জনতার হাতে আটক চোর

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর বাজারে ব্যাটারি চালিত একটি ভ্যান চুরি করার সময় জনতার হাতে ধরা পড়েছে এক চোর।

    বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গদাইপুর মোড় থেকে একটি ব্যাটারি চালিত ভ্যান চুরি করতে গেলে সাগর সানা (২৬), পিতা – তকোব্বার সানা, গ্রাম-রাড়ুলী , ইউনিয়ন-রাড়ুলী উপজেলা পাইকগাছা তাকে স্থানীয় জনতা হাতেনাতে আটক করে। তবে ধরা পড়ার পর চোর জানায় আমি অনলাইনে দেখে চুরি শিখেছি এটাই প্রথম। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত কয়েক মাসে গদাইপুরসহ আশপাশের এলাকায় একাধিক ভ্যান ও হালকা যানবাহন চুরির ঘটনা ঘটেছে। তাদের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব চুরির সঙ্গে জড়িত।

    একজন বয়স্ক ভ্যানচালক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাদের জীবনের একমাত্র সম্বল এই ভ্যান। এটা চুরি হয়ে গেলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। প্রশাসনের উচিত এসব চোরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।”

    পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “আটক ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চক্রের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    স্থানীয়রা দাবী করেছেন, গরিব মানুষের জীবিকার অবলম্বন চুরি করে যারা, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে কেউ ভবিষ্যতে এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • বরিশাল বাবুগঞ্জে-ঢাকা মহাসড়ক: মৃ-ত্যুর ফাঁ-দে পরি-ণত

    বরিশাল বাবুগঞ্জে-ঢাকা মহাসড়ক: মৃ-ত্যুর ফাঁ-দে পরি-ণত

    বরিশাল বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি: মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।

    আজ বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫, সকাল ১২:৩০ মিনিটে বরিশালের রহমতপুর এয়ারপোর্ট মোড়ে ঘটে গেল আরেক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অন্তরা পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১২-১৩৮৫) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়।

    🚑 এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ জন যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় চিকিৎসকরা তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করছেন। তবে, বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এরকম দুর্ঘটনা বেড়ে চলায় পুরো এলাকা উদ্বিগ্ন।
    অব্যাহত সড়ক দুর্ঘটনা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে, বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক এখন যেন মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের এই ঘটনাগুলি প্রাণহানির চিত্র সামনে নিয়ে আসছে এবং নানা প্রশ্ন তুলছে সড়ক ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার বিষয়ে।
    সময় এসেছে এই পরিস্থিতির দিকে কঠোর নজরদারি এবং সঠিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের। সড়কগুলোকে নিরাপদ রাখতে এবং যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকারী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
    সঠিক সড়ক ব্যবস্থাপনা ও যথাযথ আইন প্রয়োগ অবিলম্বে প্রয়োজন। পাশাপাশি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাও জরুরি। আমরা সবাই যদি সচেতন হই এবং সতর্ক থাকি, তাহলে হয়তো নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখার আশা রাখতে পারব।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ইউএনও ও বিএনপি নেতার বা-কবিতন্ডা ভা-ইরাল

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ইউএনও ও বিএনপি নেতার বা-কবিতন্ডা ভা-ইরাল

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার
    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদকে ও বিএনপি নেতার বাকবিতন্ডা হয়েছে। খবরসুত্রে জানা যায়,গোদাগাড়ীতে বিএনপি নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার ও পোস্টার সরানোকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ ও বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েলের মধ্যে ফোনালাপের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অডিওতে শোনা যায়, ইউএনওকে প্রশ্নবিদ্ধ এবং কড়া ভাষায় ধমক দিচ্ছেন ওই বিএনপি নেতা।

    ঘটনার সূত্রপাত গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া গোল চত্বরে লাগানো ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণকে কেন্দ্র করে। এগুলোর মধ্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ছিল।

    এগুলো সরিয়ে ফেলার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েল, যিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।@

    অডিওতে শোনা যায়, কে এম জুয়েল ইউএনওকে ফোন দিয়ে জানতে চান, কেন পোস্টার সরানো হয়েছে। প্রথমে ইউএনও বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে জানান, ‘জনগণের অভিযোগ ছিল।’ তখন বিএনপি নেতা বলেন, ‘জনগণ অনেক অভিযোগ করে, সব করেন? তাহলে পুরো উপজেলার পোস্টার সরান।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেটা বলছি সেটা লিগ্যাল রাইট নিয়া বলতেছি। আপনি কালই ওই জায়গায় পোস্টার আবার লাগাবেন। আমি ঢাকায় আছি, কাল এসে যেন দেখে যেতে পারি।’

    তখন ইউএনও শুধু ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে’ বলতে থাকেন।
    পাল্টা জবাবে কে এম জুয়েল বলেন, ‘ঠিক আছে মানে কি? অবশ্যই করবেন, নইলে আমরা যেটা করার সেটা করব। আপনি আমার নেতার ছবি সরিয়েছেন। আপনার বিরুদ্ধে যেটা করার, সেটা আমরা করব।’

    এছাড়াও অডিওতে ইউএনওকে উদ্দেশ্য করে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি নরসিংদীর মানুষ না? কোন দল থেকে এসেছেন? কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন?’

    এ বিষয়ে ইউএনও ফয়সাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গোদাগাড়ী পৌরসভার প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ৬ এপ্রিল পৌর এলাকার ডাইংপাড়া মোড়ের চারপাশে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে রাখা সব ধরনের পোস্টার, ব্যানার, ভ্যানগাড়ি ও দোকানপাট সরানোর নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল এসব কারণে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নেওয়ায় ৭ এপ্রিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেগুলো অপসারণ করা হয়।’তিনি আরও বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং জনস্বার্থে নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল।’

    কে এম জুয়েল বলেন, ‘যদি প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে পুরো এলাকায় পোস্টার সরাতো তাহলে কোনো অভিযোগ থাকত না। কিন্তু শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে বিএনপির নেতাদের ছবি সম্বলিত পোস্টার সরানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ বিষয়ে আমি রাজশাহীর জেলা প্রশাসককেও অবহিত করেছি।’

    তিনি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক সমতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে ব্যাপক লাইক, কমান্ড, শিয়ার হয়েছে।।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • আশুলিয়ায় রাস্তা ও ড্রে-নে জ-লাবদ্ধতা নির-সনে কাজ করছেন মোর্শেদ ভূঁইয়াসহ এলাকাবাসী

    আশুলিয়ায় রাস্তা ও ড্রে-নে জ-লাবদ্ধতা নির-সনে কাজ করছেন মোর্শেদ ভূঁইয়াসহ এলাকাবাসী

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার মোর্শেদ আলম ভূঁইয়া ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে জামগড়া চৌরাস্তা থেকে বাগবাড়ি রাস্তা ও ড্রেনে জলাবদ্ধতা নিরাশনে কাজ করছেন। তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নয়, বরং পুরো এলাকার স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই ২০২৫ইং) বিকেলে উক্ত ব্যাপারে ইঞ্জিনিয়ার মোর্শেদ আলম ভূঁইয়া বলেন, আশুলিয়ায় সরকারি নয়নজুলি খালটি ফ্যান্টাসি কিংডম সহ প্রভাবশালীরা দখল করে রেখেছে এর কারণে সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাঁটু পানি হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ড্রেনে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ড্রেন বন্ধ হওয়ার কারণে আমরা স্থানীয় বাসিন্দা এলাকাবাসী সবাই মিলে ড্রেন সচল করার লক্ষ্যে কাজ করছি, জনস্বার্থে নয়নজুলি খালটি দখলমুক্ত করতে তিনি সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

    রাস্তা ও ড্রেনের সংস্কার কাজ করায় ইঞ্জিনিয়ার মোর্শেদ আলম ভূইয়াসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানান পথচারী ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

  • হিন্দুপল্লিতে হা-মলার ঘটনার ত-থ্য চাইলে ২ সাংবাদিককে গ্রে-প্তার ও হু-মকির অভি-যোগ ওসি বিরুদ্ধে

    হিন্দুপল্লিতে হা-মলার ঘটনার ত-থ্য চাইলে ২ সাংবাদিককে গ্রে-প্তার ও হু-মকির অভি-যোগ ওসি বিরুদ্ধে

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরের গঙ্গাচড়ার আলদাতপুর ছয়আনি হিন্দুপল্লিতে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন রংপুরের দুই সংবাদকর্মী। বুধবার (৩০ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলামের গালাগাল ও গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েন দৈনিক কালবেলার রংপুর প্রতিনিধি রেজওয়ান রনি এবং প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক জহির রায়হান।

    দুই সাংবাদিক জানান, রোববার গঙ্গাচড়ার পাশের কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নসংলগ্ন এলাকায় মাইকিং করে সিঙ্গেরগাড়ি বাংলাবাজারে হাজারো মানুষকে জমায়েত করা হয়। পরে সেখানে উত্তেজিত জনতা হিন্দুপল্লিতে হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলের আশপাশে কিশোরগঞ্জ থানা থেকে ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিষয়ে ওসির বক্তব্য নিতে গেলে শুরু হয় অপ্রীতিকর ঘটনা। থানার সামনে গোলঘরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে ওসি আশরাফুল ইসলাম প্রথমে ঘটনাটি অস্বীকার করেন এবং পরে রূঢ় ভাষায় জবাব দেন। ওই দুই সাংবাদিক অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে ওসি বলেন, ‘উসকানি দিতে আসছে ওরা। উসকানি দিচ্ছেন আপনারা। মিয়া সব খবর আছে আপনাদের উসকানি দেওয়ার। আপনাদের যোগ্যতা থাকলে ভালো জায়গায় কিছু করতেন। এভাবে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করতেন না।’

    ওসি এ সময় সাংবাদিক রেজওয়ান রনির উদ্দেশে বলেন, ‘চোখ দিয়ে এভাবে তাকাচ্ছেন কেন?’ অন্য পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ধরেন তো এদের।’

    পাশে থাকা এসআই মহসিন বিষয়টি ঠান্ডা করার চেষ্টা করলে ওসি তাঁকে নির্দেশ দেন, ‘এই পুলিশ ডাকেন, ওদের ধরেন। প্ল্যান করছে দুজনে, প্রমাণ আছে আমার কাছে।’

    এসআই মহসিন পরে দুই সাংবাদিককে থানা থেকে নিরাপদে বের করে নিয়ে যান। তখনো ওসি গালাগাল করতে থাকেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিকের।

    ঘটনার বিষয়ে নীলফামারী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখ ওসির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আধুনিক পুলিশ, সাংবাদিকদের ভয় করে চলি না। এসপি, ডিআইজি কিংবা আইজির কাছে অভিযোগ করে যদি আমার চাকরি যায়, তাহলে সে চাকরি করব না। দুষ্কৃতকারীর স্থান আমার কাছে নেই, সাংবাদিক হোক, পুলিশ অফিসার হোক আর রাজনীতিবিদ হোক। যদি ফাইজলামো করে, পিটিয়ে সোজা করে দেব একেবারে।’

    এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরপিইউজে) সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক। তিনি বলেন, ‘এটি শুধু সাংবাদিক লাঞ্ছনা নয়, গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করার শামিল। দায়িত্বরত সাংবাদিকদের অপমান ও গ্রেপ্তারের হুমকি ফ্যাসিস্ট আচরণের উদাহরণ। জড়িত ওসিকে প্রত্যাহার এবং বিভাগীয় শাস্তির আওতায় না আনলে সাংবাদিক সমাজ আন্দোলনে নামবে।’

    এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ওসি মো. আশরাফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

  • এলিট কারাতে প-য়েন্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    এলিট কারাতে প-য়েন্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    তরিকুল ইসলাম তরুন,

    এলিট কারাতে পয়েন্টের প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে
    সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল হাসান খন্দকার।

    উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সম্মানিত সদস্য ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ, ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুফি শরফুদ্দিন চৌধুরী সোয়াদ, আইনি উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আলী হোসাইন, কার্যকরী উপদেষ্টা শিহাব সেলিম প্রান্তসহ সকল অভিভাবকবৃন্দ।
    সভায় বিগত দিনের কর্মকাণ্ডের হিসাব-নিকাশ, অর্জন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়।
    পরবর্তী সময়ে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক যৌথভাবে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের স্ব স্ব পদের সনদপত্র প্রদান করেন।
    সভা শেষে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই প্রতিষ্ঠার মাত্র সাত মাসেই আমরা এই সফলতায় পৌঁছাতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও আপনাদের এমন আন্তরিকতা ও ভালোবাসা কামনা করছি।

  • চারঘাটে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিত-রণ

    চারঘাটে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিত-রণ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাটে পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিম, এসইডিপি
    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
    ২০২২ ও ২৩ সালের উপজেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ও উচ্চ মাধ্যমিক সমাপণী পুরষ্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের
    ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকাল ১০ টায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    চারঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোতাহার হোসেন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রাহেদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহাঃ আছাদুজ্জামান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কলেজ) আলমাছ উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল ওয়াহাব,

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

    সবশেষে, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৬ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী