Category: দেশজুড়ে

  • গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে উ-দ্যোক্তা সৃষ্টিতে প্র-শিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে উ-দ্যোক্তা সৃষ্টিতে প্র-শিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় ইকো-সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) বাস্তবায়িত আরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় এই টিওটি (ট্রেনিং অব ট্রেনার্স) প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

    ইএসডিও-এর প্রধান কার্যালয়ের সেমিনার হলে গত ৬ ও ৭ আগস্ট দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলে। এতে ইএসডিওসহ দেশের মোট পাঁচটি সহযোগী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্রশিক্ষণটির মূল লক্ষ্য ছিল উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক উন্নত জ্ঞান ও কৌশল মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষকদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন পিকেএসএফ-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ মাসুম সরকার। তিনি গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের সাফল্য কামনা করেন। প্রশিক্ষণের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের স্বনামধন্য প্রফেসর আবু নোমান ফারুক আহম্মেদ। তিনি আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, রোগবালাই দমন এবং ফলন বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ইএসডিও-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান। তিনি প্রশিক্ষণের সফলতা কামনা করে বলেন, “এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে কৃষকদের কাছে পৌঁছালে প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। এটি কেবল কৃষকদের আয় বাড়াবে না, বরং নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতেও বড় ভূমিকা রাখবে।”

    প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, তারা গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে উত্তম কৃষি চর্চা সম্পর্কে উন্নত ধারণা লাভ করেছেন, যা ভবিষ্যতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিতে এবং প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে

  • খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে মা-দক মা-মলার আ-সামি পা-লিয়ে গেছে

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে মা-দক মা-মলার আ-সামি পা-লিয়ে গেছে

    তৈয়ব আলী পর্বত।।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে মাদক মামলার এক আসামি পালিয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার ৭ আগস্ট ২০২৫ ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে।পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম ইউসুফ (২৩)। তিনি নগরীর খালিশপুর থানার আলমনগর মোড়ের শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুরে আলমনগর মোড় থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ ইউসুফকে গ্রেপ্তার করে খালিশপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় রাতেই খালিশপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। রাতে বুকে ব্যথা অনুভব হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

    খালিশপুর থানার এএসআই মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বুকে ব্যথার কারণে তাকে জরুরি বিভাগে দেখানো হলে চিকিৎসক তার রোগ শনাক্ত করতে পারেনি। ইউসুফ একেক সময় একেক রকম কথা বলছিল। তখন চিকিৎসকের নির্দেশে তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখান‌ থেকে রাত সাড়ে নয়টায় প্রিজন সেলে রেখে জিডি করে আমি চলে আসি।

    প্রিজন সেলের ইনচার্জ এস আই শামীম রেজা জানান, প্রিজন সেলে দুইজন আসামি ছিল। তাদের মধ্যে বয়স্ক আসামি রাত সাড়ে ৩টায় বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন জানান। দায়িত্বরত কনস্টেবল রাব্বি আলী তার জন্য প্রিজন সেলের দরজার তালা খুলে দেন এবং তাকে বাথরুমে নিয়ে যান। কিন্তু ভুল করে দরজার তালাটি পুনরায় বন্ধ করতে ভুলে যান। বাথরুম শেষে ফেরত আসার পর দেখা যায় ইউসুফ নেই। বাইরের কারারক্ষীদের যে গেট, সেটিরও তালা খোলা থাকায় সে পালিয়ে যায়।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ- কমিশনার (দক্ষিণ) মো. আবু তালেব জানান, প্রিজন সেলের ভেতরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশের। বাইরের প্রধান ফটকে নিরাপত্তায় থাকেন কারারক্ষীরা। দুই পক্ষের গাফিলতি ছিল। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

    খুলনার জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান জানান, তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ডাসারে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুদ-কের অ-ভিযান

    ডাসারে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুদ-কের অ-ভিযান

    মোঃমিজানুর রহমান, কালকিনি ( মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের ডাসারে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগের ভিত্তিতে দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয় (সরকারি শেখ হাসিনা উইমেন্স কলেজ) ও শশীকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান ও উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান অপুসহ চারজন সদ
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর “শেখ হাসিনা একাডেমি এন্ড উইমেন্স কলেজ জাতীয়করন করার লক্ষ্যে একটি পরিপত্র জারি করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়। উক্ত পরিপত্রে উল্লেখ থাকে যে,নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য উক্ত কলেজটির নিয়োগ, পদোন্নতি,স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর ইত্যাদির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ সহ স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি সরকার (সচিব,শিক্ষা মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ সরকারের) এর নিকট হস্তান্তর করার নিমিত্তে (রেজিস্টিকৃত দান পত্র দলিল) সম্পাদন করে মন্ত্রণালয় প্রেরণের জন্য নির্দেশ ক্রমে অনুরোধ করেন। পরিপত্র অনুযায়ী উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দেয়ার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা উপেক্ষা করে তৎকালীন অধ্যক্ষ,ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অদৃশ্য শক্তির বলে সৈয়দ অলিউর রহমান, সুদীপ বষু, রেবেকা পারভান এ্যানী, নুরুন নাহার, হুমায়ুন কবির ও মোঃ মামুনসহ ছয়জনকে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেন। বিসয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করেন। সংবাদ প্রকাষ করার পরে উল্লেখিত বিষয়টি দুদকের নজরে আসলে দুদক ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন।
    সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, আমাদের কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় চার সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম দুটি কলেজে অভিযান পরিচালনা করেছি। একটি হলো ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয় পূর্বের নাম ছিল সরকারি শেখ হাসিনা উইমেন্স কলেজ এবং আরেকটি হচ্ছে শশীকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে এবং শিক্ষা অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ওই শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটি। এ বিষয়ে আমরা ওই শিক্ষা প্রতষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেছি। প্রাথমিক তথ্য ও রেকর্ড পত্র তাদের কাছে চেয়েছি ওনারা কোন কাগজপত্র আমাদেরকে দেখাতে পারেনি এবং আগামী রবিবার পর্যন্ত তারা সময় নিয়েছে। অপরদিকে শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় প্রত্যেকটা বিষয়ে মাউশি থেকে প্রমাানিত সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য আমরা হাতে পেয়েছি এগুলোর রেকর্ড পত্র আমরা সংগ্রহ করেছি এবং অধ্যক্ষ উনার স্ত্রী ভারতে থাকেন বাংলাদেশ থেকে বেতন নিচ্ছেন ঘটনা সত্য কিন্তু কোন প্রক্রিয়ায় নিচ্ছে সেটা পর্যালোচনা করছি সেটা আইন এবং বিধি বহির্ভূত হলে অবশ্যই দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও বিধি মোতাবেক আমরা কমিশনের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরন করব।
    শশীকর কলেজের অধ্যক্ষ দূর্লভানন্দ বাড়ৈ বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে আদালতে রিট করা হয়েছে।
    এব্যাপারে ডাসার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা বলেন, উপর মহলের মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতে তখন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

  • সুজানগরে ক্ষু-রারোগের টিকা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ইউএনও

    সুজানগরে ক্ষু-রারোগের টিকা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ইউএনও

    এম এ আলীম রিপন, সুজানগর: পাবনার সুজানগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতালের আয়োজনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ও খামারে গিয়ে বিনামূল্যে ক্ষুরা রোগ (এফ এম ডি) টিকা দান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর এলাকায় ক্ষুরারোগের টিকাদানের এ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
    এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ আবু রেজা তালুকদার, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ জাহিদ হোসেন, উপজেলা ভেটরিনারি সার্জন ডাক্তার মো. নুর নবী হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
    পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, বর্ষাকালে প্রতি বছরই খুরা রোগ (এফ এম ডি) প্রকোপ বাড়ে। এতে গরু মহিষের মালিক ও খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতির হাত থেকে মালিক ও খামারিদের রক্ষা করতে এ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।
    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ আবু রেজা তালুকদার জানান,উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভাতে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই খুরা রোগের টিকা প্রদান কার্যক্রম চলবে । চার বছরের উপরের বয়সের গরু ও ছয় মাসের কম গর্ভবতী গাভীকে এই টিকা প্রদান করা যাবে। প্রত্যেকটি গরু মহিষকে ছয় মাস পরপর দুই বছরে চারবার এই ক্ষুরারোগের টিকা দেওয়া যাবে বলেও জানান তিনি ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • গোপালগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়ন কাজ করতে চান জামা-য়াতের প্রার্থী এ্যাড. আজমল সরদার

    গোপালগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়ন কাজ করতে চান জামা-য়াতের প্রার্থী এ্যাড. আজমল সরদার

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী “বলাকইড় আজহার উদ্দিন রাবেয়া সরোয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ে” অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    আজ বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) দুপুরে আয়োজিত এ মতবিনিময় 

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী “এ্যাডভোকেট আজমল হোসেন সরদার। তিনি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামো এবং সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে –

    ১. শিক্ষার্থীর শতভাগ পাশ নিশ্চিত করা 

    ২.শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা।

    ৩.পাঠদানের উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান

    ৪.মেধাবী ও আর্থিক অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করা।

    ৫. দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান তৈরি করা।

    এছাড়াও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং বলাকইড় গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের সন্তান, সুন্দরভাবে পড়াশোনা করার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    এতে,শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগন উৎফুল্লতার সাথে তার দেওয়া বক্তব্য সাদরে গ্রহণ করেন।

    এ সময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • ভেজাল সার ম-জুদের অ-ভিযোগে ব্যবসায়ীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অ-র্থদন্ড ও ৬ মাসের কা-রাদন্ড

    ভেজাল সার ম-জুদের অ-ভিযোগে ব্যবসায়ীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অ-র্থদন্ড ও ৬ মাসের কা-রাদন্ড

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :
    কৃষি দেশের অর্থনীতির প্রাণ। কৃষকদের মেরুদন্ড ধ্বংস করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন এক শ্রেণীর অবৈধ ভেজাল সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী। এ চক্রটি রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার বসন্তপুর ধাতমা এলাকায় দীর্ঘদিন হতে ভেজাল সার ও কীটনাশক বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ তারপর বটবৃক্ষ হয়েছেন।
    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ এ শক্তিশালী চক্রটিকে ধরা জন্য ৭ আগষ্ট বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার বসন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন প্রায় ৩ হাজার ৫শ ৫৪ কেজি ভেজাল সার জব্দ করা হয়েছে মেসার্স সারমিন ট্রেডার্স মালিক রমজান আলীকে আটক করেন।

    অবৈধ ভেজাল সার বিক্রয় ও মজুদের দায়ে একজন অবৈধ সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী মো:রমজান আলী (৩১) কে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড
    প্রদান করা হয়েছে।

    কয়েকজন ভুক্তভোগী কৃষক জানান, এ অবৈধ ভেজাল সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে
    কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে যেন
    আর কোন কষককে প্রতারণার স্বীকার হতে না হয়। ভেজাল সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে সারা বছর কান্না করতে না হয় পথে বসতে না হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ জানান, ভেজাল সার ও কীটনাশক বিক্রি করে এ সব অবৈধ অসৎ ব্যবসায়ী কৃষকদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিচ্ছেন। কষকদের পথে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহতভাবে চলবে। জব্দকৃত ভেজাল সার নষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বরগুনার তালতলীতে পি-ছিয়ে পড়াদের জন্য আশার আলো আরএসডিও

    বরগুনার তালতলীতে পি-ছিয়ে পড়াদের জন্য আশার আলো আরএসডিও

    তালতলী (বরগুনা)প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (আরএসডিও)। স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সহায়তায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও জীবিকা উন্নয়নের মাধ্যমে তারা বদলে দিচ্ছে নারী-পুরুষের জীবনধারা।

    ২০০৮ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর, বরগুনা থেকে নিবন্ধন লাভের পর থেকেই সংস্থাটি তালতলী উপজেলায় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম শুরু করে। সিডর পরবর্তী দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ থেকে শুরু করে ঘরবাড়ি নির্মাণ, রাস্তা সংস্কার, ভূমি অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও আইনি সহায়তাসহ নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে তারা।

    সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মংচিন থান বলেন, আমরা মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করি। এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করে থাকি।

    সুন্দরবন কোয়ালিশনের সহযোগিতায় গত তিন বছরে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে সংস্থাটির বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে- ঘূর্ণিঝড় রিমেল-পরবর্তী ৭৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা (মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে), ৪৫ জনকে জীবিকাভিত্তিক সহায়তা (আইজিএ), রাস্তা উন্নয়ন প্রকল্প ৫টি, প্রতিবন্ধীদের জন্য ৯টি হুইলচেয়ার ও ৩টি লাঠি/ক্রেস, ১৪টি স্যানিটারি ল্যাট্রিন, জেলেদের জন্য ৫০টি লাইফ জ্যাকেট, সম্মিলিতভাবে ব্যবহারের জন্য ২টি ট্রলার, ৪টি পুকুর খনন, ১টি কৃষি বীজ ভাণ্ডার স্থাপন, ১টি রাখাইন ট্র্যাডিশনাল আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ, ৬টি গভীর নলকূপ, ১টি মাতৃভাষা শিক্ষা কেন্দ্র পুনঃনির্মাণ, ১টি জেলেদের বিশ্রামাগার, ১টি বেড়িবাঁধ ও ১টি লাইট হাউস, দুর্যোগ তথ্যসম্বলিত বিলবোর্ড ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন।

    এসব কার্যক্রম তালতলীর জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে উন্নয়ন সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও মনে করছেন এলাকার জনগোষ্ঠীর।

  • ওসি জাকির সিকদারের দৃঢ় নে-তৃত্বে আলোচিত লিটু হ-ত্যা মামলার প্র-ধান আ-সামি মি-ল্টন গ্রে-ফতার

    ওসি জাকির সিকদারের দৃঢ় নে-তৃত্বে আলোচিত লিটু হ-ত্যা মামলার প্র-ধান আ-সামি মি-ল্টন গ্রে-ফতার

    বরিশাল বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের কাশিপুরে আলোচিত লিটু হত্যা মামলার প্রধান আসামি পাঁচদিন পলাতক থাকা মিল্টনকে গ্রেফতার করেছে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।

    মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকাল ৩টার দিকে কাশিপুর ইউনিয়নের পূর্ব বাগানবাড়ি এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয় এয়ারপোর্ট থানার চৌকস অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাকির সিকদার এর নেতৃত্বে। তার দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও অটল অবস্থানেই সম্ভব হয়েছে এই গুরুত্বপূর্ণ আসামিকে গ্রেফতার করা।

    ওসি জাকির সিকদার বলেন,

    এই মামলার সাথে জড়িত যেই হোক, সে যত বড় ক্ষমতাধরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

    পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, পাঁচদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মিল্টনের অবস্থান শনাক্তের পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়। তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলামতও জব্দ করা হয়েছে, যা তদন্তের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানা গেছে।

    প্রসঙ্গত, লিটু হত্যাকাণ্ড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মামলায় মিল্টন ছিলেন ৫ নম্বর আসামি এবং হত্যার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

    জনগণের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ওসি জাকির সিকদার ও তার টিম যেভাবে তৎপরতা দেখিয়েছেন, তা সাধারণ মানুষের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

  • মধুপুরে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে ওরি-য়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে ওরি-য়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ বাস্তবায়ন উপলক্ষে উপজেলার শিক্ষকবৃন্দ, ধর্মীয় ও কমিউনিটি লিডারগনের সাথে ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে বুধবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায়নকনফারেন্স রুমে এ ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইদুর রহমান এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রিফাত আনজুম পিয়া।
    এ সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা একাডেমিক সুপার ভাইজার মহি উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা সুমি, ইসলামী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা আব্দুল আলীম, গোলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক শেখ খায়রুল হক শিমুল সহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন, মসজিদের খতিব, ইমাম, সাংবাদিক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন।
    হাসপাতাল প্রধান ডাঃ সাইদুর রহমান জানান, ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের ছেলে মেয়েদের অনলাইনের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করে এ টিকা গ্রহন করতে পারবেন। তিনি আরও জানান, রেজিষ্ট্রেশন কার্ড ছাড়াও এ টিকা গ্রহন করা যাবে তবে সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে অন্যান্য টিকা গ্রহন থেকে তিনি বঞ্চিত হবেন বলে তিনি জানান।
    ওরিয়েন্টেশন সভায় টিকা গ্রহনকারী কিভাবে সহজেই রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
    এসময় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন -২৫ বাস্তবায়নের লক্ষে বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে টিকা গ্রহন কারীদের রেজিষ্ট্রেশন করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। যাতে করে সকল টিকা গ্রহনকারী সহজেই টিকা গ্রহনের জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে পারে। রেজিষ্ট্রেশনের ব্যাপারে সরকারি সহযোগিতা পেলে টিকা গ্রহনকারীরা সহজেই টিকা দেওয়ার রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবে বলে আলোচনায় উঠে আসে।
    টিসিভির লক্ষ মাত্রা অনুযায়ী মোট ৮১৯৫৭ জনকে এ টিকা প্রদান করা হবে বলে জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. সাইদুর রহমান। এসময় ভিডিও প্রামাণ্য চিত্রের মাধ্যমে কি ভাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবে তা ভিডিও প্রামাণ্য চিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, ডাঃ মোঃ নাজমুল হুদা।

  • বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিরো-ধে ২৪ দোকানে তা-লা ব্যবসায়ীরা প-থে

    বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিরো-ধে ২৪ দোকানে তা-লা ব্যবসায়ীরা প-থে

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড় সদর উপজেলার জগদল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও জগদল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মার্কেটের মোট ২৪টি দোকান ঘর হঠাৎ তালাবদ্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দীর্ঘদিনের ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীরা। প্রায় ২২-২৩ বছর ধরে নিয়মিতভাবে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসা এসব ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, সম্প্রতি একদল লোক বিদ্যালয়ের জমির মালিকানা দাবি করে তাদের গালাগালি ও হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক দোকান বন্ধ করে দেয়।

    দোকান ব্যবসায়ীদের দাবি, দোকান ঘর বন্ধ থাকায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর অবস্থার মধ্যে দিন পার করছেন। বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না তারা। দোকানে রক্ষিত মূল্যবান পণ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    এদিকে ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে তারা দোকান ঘর খুলে দিয়ে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

    ব্যবসায়ীরা বলেন, “আমরা ছোট ছোট দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। হঠাৎ করে দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে। দোকানে রাখা মালামালও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত দোকান খুলে না দিলে আমরা পথে বসে যাব।”

    এ বিষয়ে জগদল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান বলেন, “আমি গত ২৪ মার্চ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০ জনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা করেছি। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন। এখন এ বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, সেটি আদালতই নেবে।”

    বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম বলেন “আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, যেন দোকানগুলো খোলার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দোকানগুলো খোলা থাকুক। আদালতের রায় যাঁর পক্ষে যাবে, তিনি তখন পূর্বের বকেয়া ভাড়াও পেয়ে যাবেন—এটাই আমরা চাই।”