Category: দেশজুড়ে

  • নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উ-দযাপন

    নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উ-দযাপন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী নড়াইলে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, রোববার (১০ আগস্ট) সকালে জেলার মাছিমদিয়ায় শিল্পীর সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল ও কোরআনখানি আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
    এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন, নড়াইল প্রেসক্লাব, এস এম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশন, এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা, লাল বাউল সম্প্রদায়, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, এস এম সুলতান বেঙ্গল চারুকলা মহাবিদ্যালয়, জুলাই যোদ্ধা কাউন্সিল, মুর্ছনা সংগীত নিকেতন, চিত্রা থিয়েটারসহ বিভিন্ন সংগঠন শিল্পীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানায়।
    জেলা প্রশাসন ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ আয়োজন করে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি শারমিন আক্তার জাহান। তিনি বলেন, “এস এম সুলতান শুধু নড়াইল বা বাংলাদেশের নয়, তিনি বিশ্বের শিল্পভুবনে এক অনন্য নাম। তাঁর শিল্পকর্মে গ্রামীণ জীবন, কৃষকের সংগ্রাম ও মাটির গন্ধ পাওয়া যায়। নতুন প্রজন্মের কাছে সুলতানের জীবনদর্শন ও শিল্পচেতনা পৌঁছে দিতে আমাদের আরও উদ্যোগ নিতে হবে। নড়াইলের গর্ব এই মহামানবকে স্মরণ করা মানে আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লালন ও বিকশিত করার অঙ্গীকার।
    বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লিংকন বিশ্বাস, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জুলিয়া সুকাইনা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন সিকদার, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিজুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকী। এছাড়া এস এম সুলতান চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ হানিফসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
    শৈশবে আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন বেশি দূর এগোয়নি, কিন্তু শিল্পের প্রতি গভীর আগ্রহ তাঁকে ঢাকা এবং পরে কলকাতায় নিয়ে যায়। ১৯৪৪ সালে কলকাতার গভর্নমেন্ট আর্ট স্কুলে ভর্তি হলেও স্নাতক সম্পন্ন করার আগেই তিনি সৃজনশীল স্বাধীনতার টানে আনুষ্ঠানিক শিক্ষাপথ ছেড়ে দেন। এরপর তিনি ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নানা শহরে চিত্রকর্ম প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের স্বকীয়তা প্রতিষ্ঠা করেন।
    শিল্পে কৃষিজীবী মানুষের গৌরব
    এসএম সুলতানের ক্যানভাসে সর্বদাই গ্রামীণ কৃষিজীবী মানুষের প্রাণবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে। সুঠাম দেহের কৃষক, বিস্তৃত ধানক্ষেত, গবাদি পশু— তাঁর তুলির টানে গ্রামীণ জীবন হয়ে উঠেছে মহিমান্বিত ও বীরত্বমণ্ডিত। তিনি বিশ্বাস করতেন, দেশের শক্তি ও ভবিষ্যৎ নিহিত আছে মাটির মানুষ ও কৃষিজীবী সমাজের হাতে।
    শিল্প সমালোচকদের মতে, সুলতানের কাজ কেবল দৃশ্যপট নয়, বরং তা এক ধরনের সামাজিক-রাজনৈতিক বক্তব্য। শিল্পের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মর্যাদা ও আত্মমর্যাদাকে তুলে ধরেছেন, যা তাঁকে ‘মাটি ও মানুষের চিত্রশিল্পী’ উপাধি দিয়েছে।
    অর্জন ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
    চিত্রকলায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক, ১৯৮৪ সালে রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা লাভ করেন। আন্তর্জাতিকভাবে, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ম্যান অব দ্য ইয়ার উপাধিতে ভূষিত করে, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার প্রদান করে ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট এবং এশিয়া উইক পত্রিকা ঘোষণা করে ম্যান অব এশিয়া।
    নড়াইলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সুলতান
    জীবনের শেষভাগে তিনি নড়াইলে ফিরে এসে শিশুদের জন্য গড়ে তোলেন ‘শিশু স্বর্গ’ এবং ‘সুলতান সংগ্রহশালা’। এখানে শিশুদের ছবি আঁকা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ সৃষ্টি করেন। নড়াইল শহরের কুড়িগ্রাম এলাকায় সুলতান সংগ্রহশালায় এখনো তাঁর আঁকা চিত্রকর্ম, ব্যবহৃত উপকরণ ও ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত আছে।
    মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
    অসুস্থ অবস্থায় ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন এসএম সুলতান। জন্মভূমি নড়াইল শহরের কুড়িগ্রাম এলাকায় সংগ্রহশালা চত্বরে তাঁকে সমাহিত করা হয়। মৃত্যুর তিন দশক পরও তাঁর কাজ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করছে, আর তাঁর তুলির আঁচড়ে আঁকা মানুষগুলো বেঁচে আছে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চেতনায়।
    জন্মবার্ষিকীর কর্মসূচি
    সুলতানের ১০১তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ সকালে কোরআন খতম, তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আলোচনাসভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিল্পপ্রেমী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিল্পানুরাগীরা।
    নড়াইলবাসীর গর্বের প্রতীক এসএম সুলতান শুধু একজন শিল্পী নন—তিনি বাংলার মাটি, মানুষ এবং শিল্পচেতনার অবিনাশী প্রতীক। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • গাজীপুরের সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যার প্র-তিবাদে বরিশালে বাবুগঞ্জে মা-নববন্ধন

    গাজীপুরের সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যার প্র-তিবাদে বরিশালে বাবুগঞ্জে মা-নববন্ধন

    মহিউদ্দিন খান রানা,
    বরিশাল বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।
    গাজীপুরের সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে আজ রবিবার (১০ আগস্ট ২০২৫) সকাল ১১টায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
    বিমানবন্দর প্রেসক্লাব ও বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এবং সচেতন সুনাগরিকরা।
    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিটি নাগরিককে নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সাংবাদিকদের উপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বন্ধে দ্রুত সাংবাদিক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করতে হবে। তারা তুহিন হত্যার দ্রুত বিচার এবং সাংবাদিক জীবনের সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

  • সমিতির মাঠ কর্মির বাড়ি লু-টপাটের অভি-যোগ ইউপি সদস্যের বিরু-দ্ধে

    সমিতির মাঠ কর্মির বাড়ি লু-টপাটের অভি-যোগ ইউপি সদস্যের বিরু-দ্ধে

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ উপজেলাসংবাদদাতা।।

    নেছারাবাদে আরামকাঠী সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতির মাঠ কর্মীর নৃপেন মন্ডলের বাড়ি হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুয়ারেখা ইউপি সদস্য ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিত বৈরাগী ও তার অধীনস্থ জয়দের বৈরাগী, অনুপ মন্ডল, অবনী মজল, মতি লাল মন্ডল, বিমল মন্ডল, নির্মল মন্ডল, গনদের বিরুদ্ধে। তবে সুজিত বৈরাগী এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    গত জুন মাসের ২ তারিখ নৃপেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে পিরোজপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে
    মামলা দায়ের করেন যার সি আর নং ১৩১০
    ।বিজ্ঞ আদালত মামলাটি পিআইবি কে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন।

    নৃপেন মন্ডলের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায়, সে আরামকাঠী সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতির মাঠ কর্মী হিসাবে কাজ করতো। উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক রহমতুল্লাহ আত্মগোপনে যাওয়ায় সদস্যরা সমিতির বিরুদ্ধে নেছারাবাদ থানায় মামলা করে এবং ঐ সময় নৃপেন অফিসে উপস্থিত ছিলেন তখন অন্যান্য সদস্যদের সাথে তাকেও জেল হাজতে প্রেরণ করে।

    নৃপেন মন্ডল জানান, আমার অনুপস্থিতিতে ওয়ার্ড মেম্বর সুজিত বৈরাগী স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী তার দলীয় লোকজন নিয়া আমার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাত করার জন্য। গত ২১শে এপ্রিল আমার স্ত্রী একা বাড়িতে থাকায় তার হাতপা বেঁধে মারধর করে ও ভয়ভীতি দেখায়। সুজিতের ঈশারায় তার দলীয় লোকজন আমার বসত ঘরে থাকা স্বর্নের হাতের একজোড়া চুরি, স্বর্নের চেইন দুটি যার ওজন ২ ভড়ি, স্বর্নের আংটি ২ টি ওজন ১ ভড়ি, নগদ গচ্ছিত আনুমানিক প্রায় ৫০,০০০/- টাকা, ২৫ বস্তা সুপারী, পিতলের হাড়ি, পাতিল, থালা বাসন এবং ঠাকুর ঘরে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদী সহ ঘরের নিত্য ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র লুট করিয়া নিয়া যায়। আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

    নৃপেম এর স্ত্রী সুমা মন্ডল জানান, আজ চার মাস পর্যন্ত আমি ঘরে যেতে পারিনা আত্মীয় স্বজনদের বাসায় বাসায় থাকি আমাকে হাত পা বেধে সব কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায়।সুজিত বৈরাগী ও তার লোকজন। আমার পড়নের কাপড় চোপড় পর্যন্ত নিয়ে গেছে।

    ছোট ভাই নিত্যানন্দ মন্ডল জানান, আমি ঢাকায় থাকি দাদা জেলে যাবার খবর পেয়ে বাড়িতে আসি। এবং গিয়ে দেখি ঘরের সব কিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ভাই জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে একটা মামলা করে। সেজন্য পিবিআই থেকে সেদিন তদন্তে আসে। তদন্ত অফিসারদের সামনে সামনে বসেও আমাদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলো। আমরা চরপ নিরাপত্তা হীনতায় ভুগতেছি। আমরা কেউ বাড়িতে যেতে পারিনা। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

    প্রতিবেশী দীপঙ্কর বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি বাড়িতে এই ধরনের নারকীয় ঘটনা ঘটবে এটা আশাকরা যায় না। যে খানে ইউপি সদস্য একটা দুর্ঘটনা ঘটলে যেখানে সে ঐ পরিবারকে প্রটেকশন দেয়ার কথা অথচ তার ইঙ্গিতে লুটপাট হয়েছে এটা দুঃখজনক।

    এ বিষয়ে ইউপি সদস্য সুজিত বৈরাগীর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, সদস্যরা যাতে টাকা না চায় সেজন্য নৃপেন একটা নাটক সাজিয়ে আমাকে সহ অনেকর নামে মিথ্যে মামলা দিয়েছে। আর ঘর লুটপাটের তো প্রশ্নই আসেনা নৃপেন জেলে যাওয়ার পরে তার স্ত্রী ঘরের মালামাল সরিয়ে ফেলেছে আর যাদের নামে মামলা দিয়েছে তারা কেউ স্টেশনে ছিলোনা ঘটনার দিন। সুতারং আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যে।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার তদন্তকারি অফিসার এস আই প্রকাশ জানান, নৃপেন এসপি স্যারের কাছে একটা অভিযোগ দিয়েছে। মুলত তার নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা দেখতেছি। আর সে যে কোর্টে মামলাটি করেছে সেটি পিবিআই তদন্ত করতেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

  • দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের বিরু-দ্ধে মি-থ্যা  অ-পপ্রচারের প্র-তিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষো-ভ

    দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের বিরু-দ্ধে মি-থ্যা অ-পপ্রচারের প্র-তিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষো-ভ

    দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সেখ সাদেক আলীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর পোস্টার লাগানো ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মেডিকেল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    ১০ আগস্ট রবিবার দুপুর ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে কলেজ ক্যাম্পাস ও মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজের প্রশাসনিক চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে সবকটি ব্যাচের ২শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইন্টার্ণ ডাক্তার জীবন, ৩০ তম ব্যাচের তৌফিকুল ইসলাম তানিম, মেহেদী হাসান, ৩৩ ব্যাচের সাদাকাত রাফীদ প্রমূখ।

    এ সময় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বলেন, আওয়ামী সরকারের পতনের পর জুলাই-আগস্টে অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে কলেজটি ইতিমধ্যে জাতীয় পর্যায়ে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে এবং সর্বশেষ ২৯তম ব্যাচের অসাধারণ ফলাফল এই অগ্রগতির প্রমাণ। তিনি শিক্ষার্থীদের স্নেহ ও যত্নে পড়াশোনা করাচ্ছেন এবং কলেজকে আধুনিক ও শিক্ষা-বান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। একটি চক্র রাতের আঁধারে শহরের বিভিন্ন স্থানে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা অপবাদ সম্বলিত পোস্টার লাগিয়েছে, যা অধ্যক্ষের সম্মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে।

    তারা আরও বলেন, “রাতের আঁধারে চোরের মতো যারা আমাদের সুনামধন্য অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পোস্টার লাগিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”

    পরে শিক্ষার্থীরা ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর সম্বলিত অধ্যক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

    অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি কলেজকে আধুনিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। তবে রাতের আঁধারে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো আমাকে
    মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে।”

    উল্লেখ্য, গত ৩ আগস্ট গভীর রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানিয়ে পোস্টার লাগানো হয়। পরে সচেতন নাগরিক ও পেশাজীবীরা পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলেন।

  • দিনাজপুর জি-য়া হার্ট ফাউন্ডেশন প-রিদর্শন  করলেন মোহাঃ সাদিকুল হক

    দিনাজপুর জি-য়া হার্ট ফাউন্ডেশন প-রিদর্শন করলেন মোহাঃ সাদিকুল হক

    দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট ও জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সমূহ পরিদর্শন করলেন সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকা এর জাতীয় প্রকল্প পরিচালক, সিএসপিবি প্রকল্প, ফেইজ-২ ও অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মোহাঃ সাদিকুল হক।

    ১০ আগস্ট রবিবার সকাল দশটায় দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট ও জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সমূহ পরিদর্শনে আসেন সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকা এর জাতীয় প্রকল্প পরিচালক, সিএসপিবি প্রকল্প, ফেইজ-২ ও অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মোহাঃ সাদিকুল হক।

    এ সময় তিনি জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন ও জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সকল অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ঘুরে ঘুরে দেখেন। জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শন শেষে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দের সাথে সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় করেন এবং পরিদর্শন বহিতে তিনি স্বাক্ষর করেন।

    পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকা’র সিএসপিবি প্রকল্প এর সহকারী প্রকল্প পরিচালক সিরাজুম মুনির আফতাবী, সিএসপিবি প্রকল্পের এডমিন ম্যানেজার মোঃ রাছেল উদ্দিন, দিনাজপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মুনির হোসেন, দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক এ কে এম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ারুল কবির, সিইও সৈয়দ মেজবাহ আলম, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডাঃ সুদা রঞ্জন রায়, হসপিটাল ম্যানেজার এ.এস.এম আক্তার শামীম, দিনাজপুর কেয়ার নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. শারমিন সাত্তার প্রমুখ।

    এর আগে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে পৌছলে সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকা এর জাতীয় প্রকল্প পরিচালক, সিএসপিবি প্রকল্প, ফেইজ-২ ও অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মোহাঃ সাদিকুল হক কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক এ কে এম আজাদ।

  • ভি-ত্তিহীন অ-পহরন ও ধ-র্ষণ মা-মলা  দা-য়ের হও-য়ায় সংবাদ সম্মেলন

    ভি-ত্তিহীন অ-পহরন ও ধ-র্ষণ মা-মলা দা-য়ের হও-য়ায় সংবাদ সম্মেলন

    এন আই মিলন,
    দিনাজপুর প্রতিনিধি- ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অপহরন ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করায় এবং অবিচার, জুলুম ও হয়রানীর ন্যায্য তদন্তের ভিত্তিতে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার ১০ আগস্ট সকাল ১১ টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন ঠাকুরগাঁও সদরের বহুভাষী গ্রামের মোহাম্মদ মিমনূর। এ সময় তার বন্ধু রিফাত হোসেন, বন্ধু লিমন, তৃষা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২৩ সালে ডিসেম্বরে এক মেয়ের সাথে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মেয়ে তার মোবাইল নম্বর জোগাড় করে একাধিকবার যোগাযোগ করে এবং প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    পরবর্তীতে মেয়ের বড় বোন আফরিন ও তার পরিবার মিমনূরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে ধাবিত করতে থাকে। কিন্তু বারবার ফোনে যোগাযোগ করে এবং এক পর্যায়ে আত্মহত্যার ভয় দেখায়। পরবর্তীতে মেয়ে বিষপান করে। এমন অবস্থা দেখে উভয়ের সম্মতিতে ছেলে ও মেয়ে দিনাজপুর কোর্টে এসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তবে বিবাহর বিষয়ে পরিবারের কেউ জানতো না, শুধুমাত্র মেয়ের মা অবগত ছিলেন।

    চলতি বছরের মার্চ মাসে মেয়ে ছেলের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। এ সময় মেয়ের মায়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কিছুদিনের মধ্যে যোগাযোগ করবে বলে আশ্বস্ত করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে মিমনূর অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে আমি তাদের বাড়িতে গিয়ে আমাদের বিয়ের বিষয়ে অবগত করি এবং তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করি। কিন্তু তার বাবা অন্যের প্ররোচনায় পরে আমার বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। যার প্রমাণ মামলার এজাহারে আমার নামের সাথে বিন্দুমাত্র মিল নেই। যার ফলাফল আমি বিনা অপরাধে ৫৭ দিন কারাবরণ করি।

    এখন বাদীপক্ষ আমার থেকে টাকা দাবি করেছে এবং এর বিনিময়ে মামলা প্রত্যাহার করবে কথা বলে আসছে। আমার প্রতি অবিচার জুলুম ও হয়রানীর ন্যায্য তদন্তের ভিত্তিতে সুষ্ঠু বিচার চাই।

  • তুহিন হ-ত্যার  প্র-তিবাদে পঞ্চগড়ে সাংবাদিকদের মা-নববন্ধন

    তুহিন হ-ত্যার  প্র-তিবাদে পঞ্চগড়ে সাংবাদিকদের মা-নববন্ধন

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

    ঢাকায়, বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার সাহসী সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন-কে নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যার ঘটনায় সারা দেশের ন্যায় পঞ্চগড়ে ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । রবিবার ( ১০ আগস্ট) সকাল ১১ টায় পঞ্চগড়  শেরে বাংলা পার্ক চৌরঙ্গী মোড়ে জেলার কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দ এই মানববন্ধন করেন। এসময়  সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,  সাগর-রুনিসহ দেশের সব সাংবাদিক হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। তারা বলেন, সাংবাদিকদের জাতির চতুর্থ স্তম্ভ বলা হলেও দেশে তাদের কোনো নিরাপত্তা নেই। দায়িত্ব পালনের সময় প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যার মতো ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক-স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি। এসব হামলা ও হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। চুপ করে থাকলে আরও তুহিনদের মত বাকি সাংবাদিকদের রক্ত ঝরবে।  এ সময় সাংবাদিক নেতারা আরো জানান“এই ধরনের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড সাংবাদিক সমাজের জন্য এক গভীর শোক ও আতঙ্কের বার্তা।  ইতিমধ্যেই সাতজন ধরা পড়েছে এর পেছনে যেই হোক, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি দোষীদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মানববন্ধনে আরো বলা হয়, রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে  যারা এখনো বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। কোনোভাবেই যেন দোষীরা আইনের ফাঁক দিয়ে পার না পায়। এ সময় পঞ্চগড়ের সকল ইলেকট্রিক প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক  পঞ্চগড় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি —১। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করুন।

    ২। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন।

    ৩। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

    সাংবাদিক হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। আমরা এর বিচার চাই — দ্রুত, দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোরতম শাস্তি হোক এই বর্বরতার একমাত্র জবাব।

  • পঞ্চগড়ে যুবকের র-হস্যজনক মৃ-ত্যু

    পঞ্চগড়ে যুবকের র-হস্যজনক মৃ-ত্যু

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নে রাজিউল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    রবিবার (১০ আগস্ট) সকালে ভজনপুর ইউনিয়নের কাউরগছ গ্রামে তার নিজ বাড়ির ২০০ থেকে ৩০০ গজ দূর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রাজিউল ইসলাম নাজমুল হকের ছেলে।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, রাজিউল রাতে বাজারে যায়। এরপর সেখান থেকে নদীতে মাছ মারতে যায়। পরে রাতে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ি থেকে ২০০ থেকে ৩০০ গজ দূরে পড়ে যায়। সকালে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়।

    পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে।

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া বলেন, মরদেহ উদ্ধারের সময় শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন বা কোন আলামত পাওয়া যায়নি। নিহতের পরিবার বলছে তার বুকের ব্যথা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে বুকের ব্যথা থেকেই তার মৃত্যু হয়েছে। এরপরও ময়নাতদন্তে রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

    এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি, অভিযোগ দায়ের করলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

  • গৌরনদী বাসষ্টান্ড ব্যবসায়ীদের স-ঙ্গে পৌর প্রশাসক,  ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    গৌরনদী বাসষ্টান্ড ব্যবসায়ীদের স-ঙ্গে পৌর প্রশাসক, ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    গৌরনদী প্রতিনিধি ঃ গৌরনদী বাসষ্টান্ড ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গৌরনদী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)র মতবিনিময় সভা গতকাল সকালে পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গৌরনদী বাসষ্টান্ডের অবৈধ উচ্ছেদ, ফুটপাত নির্মানসহ ব্যবসায়ী সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হয়। গৌরনদী বাসষ্টান্ডের শোভাবর্ধনে প্রশাসন ব্যবসায়ীদের সহযোগীতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাজীব হোসেন, গৌরনদী বাসষ্টান্ড ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক, গৌরনদী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হারুন আর রশিদ, নির্বাহী প্রকৌশলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ বাদশা মিয়া, সাবেক পৌর কাউন্সিলর ব্যবসায়ী মোঃ ফরিদ হোসেন মিয়া, ব্যবসায়ী ও উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ টুটুল শরীফ । ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন।
    ছবিসহ
    গৌরনদীতে কিশোর কবি সুকান্ত ভট্রাচার্যের জন্ম-মৃত্যু ও কবিতা
    মালা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
    গৌরনদী চন্দ্রদ্বীপ সাহিত্য সমাজ, বাংলা ভাষা ও বাঙালী সংস্কৃতি সমাজের যৌথ উদ্যোগে রোববার বিকেলে কবি কিশোর সুকান্ত ভট্রাচার্যের জন্ম-মৃত্যু ও কবিতা মালা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গৌরনদী চন্দ্রদ্বীপ সাহিত্য সমাজের সভাপতি, গৌরনদী পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইস্যলাম জহিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হোসনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মনতোস দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি মহাদেব বসু, কবি অধ্যাপক আব্দুল হাকিম, নিজাম উদ্দিন কলেজের প্রভাষক প্রকাশ চন্দ্র রায়, কবি মোঃ শাহ আলম, প্রমথ সরকার, কবি রত্ব রেজাউল করিম, সাংবাদিক খোকন আহম্মেদ হীরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন বাংলা ভাষা ও বাঙালী সংস্কৃতি সমাজের সাধারন সম্পাদক ডাঃ মনীষ চন্দ্র বশ্বিাস।
    ছবিসহ
    ভাষা সৈনিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গৌরনদীতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি
    অপারেশ ক্যাম্পের উদ্ধোধন
    ৫২‘র ভাষা আন্দোলনের সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউÐেশন ও ট্রষ্ট্রের উদ্যোগে টরকী নীলখোলা আসিয়া চ্যারিটেবল কমপ্লেক্সে রোববার আই ক্যাম্পের উদ্ধোধন করা হয়। ক্যাম্পের উদ্ধোধন করেন প্রধান অতিথি ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউÐেশনের সাধারন সম্পাদক ও গৌরনদী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির। ক্যাম্পের মাধ্যমে হতদরিদ্র মানুষের জন্য বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, চোখের সানি, নেত্রনালী অপারেশন, বিনামূল্যে চশমা ও ঔষাধ সরবারহ করা হয়।
    আই ক্যাম্প প্রকল্প ক্যাম্প অর্গানাইজার কাজী মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউÐেশনের সাধারন সম্পাদক ও গৌরনদী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফাউন্ডেশনের সদস্য আব্দুল হাকিম, সাংবাদিক সোলায়মান তুহিন। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষ হাসপাতালের চক্ষু চিকিৎসক ডাঃ বেনজীর বুশরা, কাউন্সিলর ছিলেন সিগ্ধা গোলদার, শামীমা ফেরদৌস, বৃষ্টি মন্ডল। বক্তব্য রাখেন ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউÐেশনের তদারককারী মো. মোফাজ্জেল হোসেন। উল্লেখ্য ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউÐেশন ও ট্রষ্ট্রের উদ্যোগে টরকী নীলখোলা আসিয়া চ্যারিটেবল কমপ্লেক্সে প্রতি তিন মাস অন্তর এ সেবা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহের শনিবার ও বুধবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা বিনা পয়সার হতদরিদ্র মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়। এবারের ক্যম্প ২৬২ জনরোগীকে সেবা প্রদান করা হয়। তার মধ্যে ৬৯ জন ছানি ও ৮ জন নেত্রনালী রোগীকে বিনামূল্যে অপারেশন করানো হয়। ১৮৫ জনকে বিনামূল্যে অষুধ বিতরন করা হয়।

  • মব সৃষ্টি যেন মানুষের নে-শায় প-রিণত হয়েছে”রুপলাল হ-ত্যাকান্ড তার জ-লজ্যান্ত প্রমাণ

    মব সৃষ্টি যেন মানুষের নে-শায় প-রিণত হয়েছে”রুপলাল হ-ত্যাকান্ড তার জ-লজ্যান্ত প্রমাণ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    রংপুরের তারাগঞ্জে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে দুইজনের নিহত হয়েছে। গতকাল শনিবার (৯ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টায় উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলা এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। নিহত ব্যক্তিদ্বয় হলেন- একজন কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর এলাকার রূপলাল দাস (৪০) ও মিঠাপুকুরের বালুয়াভাটা গ্রামের প্রদীপ দাস (৩৫)।
    নিহত ব্যক্তিদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রূপলাল দাসের মেয়ের বিবাহের আলোচনা চলছিল মিঠাপুকুরের শ্যামপুরে। আজ রোববার বিবাহের দিন-খন ঠিক করার কথা ছিল। বিবাহর বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রদীপ দাস নিজের ভ্যান চালিয়ে রূপলাল দাসের বাড়ির উদ্দেশ্যে আসার পথে সয়ার ইউনিয়নের কাজীরহাট এলাকায় পৌঁছালে পথ ভুল হয়েছে ভেবে রুপলালকে ফোন করেন। সেখানে রূপলাল গিয়ে দুজনে রিকশায় চড়ে ঘনিরামপুর গ্রামের পথে রওনা হন।
    স্থানীয়দের দাবি, চোর হলেও কি মানুষকে পিটিয়ে মারা যায়? নিহত রুপলাল ছিলেন অতি সরল মানুষ, তারাগঞ্জ বাজারে মুচির কাজ করত। আজ তার মেয়ে নুপুরের বিবাহের দিনধার্য করার কথা। চোর সন্দেহে এভাবে দুইজন মানুষকে মেরে ফেলার ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। রুপলালের বৃদ্ধ মা সহ তাঁর দুই মেয়ে এক ছেলে এবং নিহত প্রদ্বীবের অসহায় স্ত্রী সহ পলাশী, দুলাল, আপন নামে তিন সন্তান রয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী রুপলালের মৃত্যুতে পরিবারটি আজ দিশেহারা। চোর হলেও কি তাঁদের পিটিয়ে মারা যায়? নিহতদ্বয়ের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন এলাকাবাসী।
    ভাগিন জামাই সহ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তারাগঞ্জ-কাজীরহাট সড়কের বটতলা এলাকায় পৌঁছালে তাঁদেরকে ভ্যান চোর সন্দেহে কয়েকজন আটক করেন এবং প্রদীপ দাসের ভ্যানে থাকা বস্তা থেকে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ছোট বোতল বের করেন। বোতল সিপি খুললে ভেতরে থাকা তরলের গন্ধে অসুস্থ হয় বুড়িরহাটের মেহেদী হাসান ও পাশারিপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন। এতে লোকজনের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। পরে অজ্ঞান পার্টি ভেবে তাঁদের মারধর শুরু করেন। মারতে মারতে তাঁদেরকে বটতলা থেকে বুড়িরহাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে রাত ১১টায় পুলিশ তাঁদেরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্বব্যরত ডা. রূপলাল দাসকে মৃত. ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত প্রদীপ দাসকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ভোররাতে তিনিও মারা যান।
    সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুকে) একটি ভিডিওতে দেখা যায় রুপলাল বারবার আকৃতি জানাচ্ছে আমাকে পুলিশের হাতে দিন আমি চোর না আগামীকাল আমার মেয়ের বিয়ে।

    স্থানীয়রা বলছেন, রুপলাল খুব সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন,হত্যা যেন মানুষের নেশায় পরিণত হয়েছে , বুড়িরহাটের রুপলাল হত্যাকাণ্ড তার জলজ্যান্ত প্রমাণ, তারাগঞ্জ বাজারে মানুষের জুতা সেলাই করে চলতেো তার সংসার, মব সৃষ্টি করে ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি জানান তারা।

    এ বিষয়ে তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক বলেন, অজ্ঞানপার্টি সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। বোতলে দুর্গন্ধযুক্ত তরল পদার্থ আছে, পরীক্ষা-নিরিক্ষা করার পর বোঝা যাবে সেগুলো আসলে কি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।