Category: দেশজুড়ে

  • সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যার বি-চারের দা-বিতে মুরাদনগরে  বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির মা-নববন্ধন

    সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যার বি-চারের দা-বিতে মুরাদনগরে  বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির মা-নববন্ধন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, 

    গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন’কে প্রকাশ্য কু’পিয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে

    মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি মুরাদনগর উপজেলা শাখা,

    রবিবার (১০ আগস্ট )  কুমিল্লা -সিলেট আঞ্চলিক  মহাসড়কের কোম্পানীগঞ্জে 

    এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    সাংবাদিক সমিতির সদস্য নাজমুল হাসানের সঞ্চালনায় ও সাংবাদিক সমিতির  সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি মুরাদনগর উপজেলা শাখার সভাপতি এন এ মুরাদ। তিনি বলেন,  ” গাজীপুরে প্রকাশ্যে আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাই  প্রমাণ করে এখনো আমরা স্বাধীন হতে পারেনি। পতিত হাসিনা সরকার যেমন গণমাধ্যমের বাকস্বাধীনতা  কেড়ে নিয়ে সাংবাদিক  খুন ঘুমে জড়িত ছিলো। বর্তমান পরিস্থিতিও তেমন।

    গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন শুধু  পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে

    তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।  এটি খুবই নিন্দনীয়। এ হত্যা  আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অশনি সংকেত। সারাদেশে সাংবাদিকের ওপর  হত্যা  ও নির্যাতন বেড়ে গেছে।  এগুলো করে   গণমাধ্যমকে  দাবিয়ে  রাখা যাবেনা।  তিনি অরো বলেন,  সাগর রুণির মতো অন্তহীন তদন্ত চাইনা আমরা। তুহিন হত্যার বিচারকে  তদন্তের গেঁড়াকলে দীর্ঘ সময়  না করে  দ্রুত সময়ে আটককৃত  আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক  শাস্তির  ব্যাবস্থা করতে হবে ”। 

    মানববন্ধনে  আরো  বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির মুরাদনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সাধারণ সম্পাদক ও

    দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি জালাল আহমেদ,বক্তব্যতে 

    জালাল আহমেদ বলেন, সারাদেশে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন করে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আসাদুজ্জামান তুহিন ছিলো আমাদের সহকর্মী। তুহিন হত্যায় যারা

    জড়িত তাঁদের দৃষ্টান্ত মূলক  বিচার না হলে আমরা বড়ধরনের আন্দোলন করতে বাধ্য হবো।

    এতে আরো বক্তব্য রাখেন,  সাংবাদিক সমিতি মুরাদনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এম ফয়জুল ইসলাম,  যুগ্ব সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসাইন, সহ সভাপতি আবুল বাশার, সহ সভাপতি আক্তার হোসেন ভূইয়া, সাংবাদিক মো. ইউনুছ মিয়া, মিজানুর রহমান ও সুজন মুন্সি প্রমুখ। 

    এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন   সংগঠনের সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

  • ৮০ নং শাহাপুর পাড়ইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষকের অ-পসারনের দা-বিতে মা-নববন্ধন

    ৮০ নং শাহাপুর পাড়ইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষকের অ-পসারনের দা-বিতে মা-নববন্ধন

    শেখ তৈয়ব আলী, খুলনা।

    ৮০ নং শাহাপুর পাড়ইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবিকে ১০ আগষ্ট রবিবার সকাল ১১ টায় শাহাপুর এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বৃন্দ মানববন্ধন করেন পাড়ইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সামনে।
    পাড়ইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লীলাবতী দেওয়ান একজন বিতর্কিত শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ, শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং ও দলাদলি সৃষ্টির কারণে শিক্ষার মান নিম্নগামী হচ্ছে। গাইড ও লেখচার কোম্পানীর নিকট থেকে অর্থ নেওয়া ও তাদের প্রকাশিত বই স্কুলের শিক্ষার্থীদের কিনতে বাধ্য করা সরকারি বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত সরকারি বই পুস্তক বিক্রি করা নিয়ম না মেনে ক্লাশে গড় হাজির থাকা কোমলমতি শিশুদের বাঁশের কঞ্চি দিয়ে প্রহার করে তাদের রক্তাক্ত করা শিশুদের মধ্যে ভয় ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরী করা এসকল বিষয়ে তাকে একাধিকবার এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের তরফ থেকে সতর্ক করা হলেও সে কারো কথায় কর্ণপাত না করে তিমি নিজের ইচ্ছামত স্কুল পরিচালনা করছেন। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগন প্রধান শিক্ষকের নিকট কিছু জানতে চাইলে তাদেরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখানো হয়। অবশেষে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগণ একত্রিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডুমুরিয়া খুলনা এর নিকট প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও অপসারণের দাবিতে লিখিত বক্তব্য প্রদান ও মানববন্ধন করেন। অভিভাবক সহ এলাকাবাসীর জোর দাবি অনতিবিলম্বে এই লীলাবতী দেওয়ান প্রধান শিক্ষক এর অপসারণ চায়।

  • গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ যুব রেড ক্রিসেন্ট টিমের নতুন কমিটি ঘো-ষণা

    গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ যুব রেড ক্রিসেন্ট টিমের নতুন কমিটি ঘো-ষণা

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজে ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের জন্য শিক্ষার্থীদের ৫৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন যুব রেড ক্রিসেন্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেখানে চীফ এডভাইজার হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ওহিদ আলম লস্কার এবং যুব রেড ক্রিসেন্ট শিক্ষক ইন-চার্জ হিসাবে রয়েছেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ফকরুজ্জামান।

    নবগঠিত কমিটির নেতৃত্বে আছেন সজিব শেখ (টিম লিডার), রাব্বি খা (ডেপুটি লিডার-১) এবং নিতু মনি (ডেপুটি লিডার-২)। কার্যক্রমের সুচারু ও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সদস্যদের ৫টি বিশেষায়িত দলে ভাগ করা হয়েছে।

    প্রতিটি দলে একজন করে সাব-টিম লিডার ও দুইজন করে সাব-ডেপুটি টিম লিডার সহ সদস্যরা কলেজ ও স্থানীয় পর্যায়ে মানবিক সেবা, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, রক্তদান, সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।

    এই কমিটির মাধ্যমে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা মানবিক কার্যক্রমে আরও সু-সংগঠিত হয়ে সমাজের প্রতি তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে সাফল্য অর্জন করবে এবং মানবতার সেবায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে গোপালগঞ্জ তথা দেশের সমাজ উন্নয়নে এক অনন্য অবদান রাখবে এমনটি প্রত্যাশা সকলের।।

  • রুপলালের লা-শ মহা-সড়কে রেখে বিচা-রের দা-বিতে স্থানীয়দের মহা-সড়ক অ-বরোধ

    রুপলালের লা-শ মহা-সড়কে রেখে বিচা-রের দা-বিতে স্থানীয়দের মহা-সড়ক অ-বরোধ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি:
    রংপুরের তারাগঞ্জে রুপলাল ও প্রদ্বীপ আলোচিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে স্তরের স্থানীয মানুষ। রোববার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬ টায় থেকে দের ঘন্টা ব্যাপী রংপুর সৈয়দপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে লাশ নিয়ে অবরোধ করেন তারা।

    ঘটনাস্থল গিয়ে জানা যায়, রাজনৈতিক নেতা সহ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ রুপলালের লাশ রাস্তায় রেখে অবরোধ করে। রুপলাল ও তার ভাগিন জামাই প্রদীপকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও জড়িতদের গ্রেপ্তার না করায় বিক্ষুব্ধ হয়ে রুপলাল দাসের লাশ মহাসড়ক রেখে অবরোধ করেন তারা। এসময় বিএনপি নেতা আহসান হাবীব খান সাবু মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। পুলিশের উপস্থিতিতে এই হত্যাকান্ড হয়েছে বলে অবরোধ স্থনে পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং পুলিশেরও বিচার দাবি করেন বিক্ষুব্ধরা।

    পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তারাগঞ্জ উপজেলার ক্যাম্প থেকে সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যরা এসে নিহত পরিবারের পক্ষে বিক্ষুব্ধ জনতার দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বস্ত করে মহা সড়কের অবরোধ ভেঙে যান চলাচল স্বাভাবিক করে ।

    উল্লেখ্য যে, গতকাল (৯ আগস্ট) শনিবার চোর সন্দেহে রুপলাল ও তার ভাগিন জামাই প্রদীপ দাস গণপিটুনিতে নিহত হয়। এ ঘটনার প্রায় ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বর্তমান মহাসড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা, ঘটনাস্থলে এসে দোষীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার, দ্রুত বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

  • আশুলিয়ায় ৮টি অটোরিকশাসহ দুই চো-র গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় ৮টি অটোরিকশাসহ দুই চো-র গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় অটোরিকশা চুরির ঘটনায় চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের হেফাজতে থেকে ৮টি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।

    শনিবার (০২ আগস্ট২০২৫ইং) সন্ধ্যার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নান। এর আগে শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গী ও রাতে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলো-খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার পলাশপুর ক্ষেতাচোড়া খালের পাড় এলাকার মৃত রুহুল খানের ছেলে আল আমিন (৪২) ও লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানার পূর্ব ডাউয়াবাড়ী এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে নাহিদ হোসেন (২৭)।

    পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেল ৪টারদিকে গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন সাতাইশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চোর চক্রের সদস্য নাহিদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে একটি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পূর্ব তাড়াইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চোর চক্রের অন্যতম সদস্য আল আমিনকে রাত ৮টারদিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৭টি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, শনিবার সকালে ৭দিনের রিমান্ড আবেদন করে গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

  • সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যা মা-মলার আ-সামিদের দ্রু-ত গ্রে-ফতার-অ-ভিযানিক দল পুরস্কৃত

    সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যা মা-মলার আ-সামিদের দ্রু-ত গ্রে-ফতার-অ-ভিযানিক দল পুরস্কৃত

    হেলাল শেখঃ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কর্তৃক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করায় অভিযানিক দলের সদস্যদের পুরস্কৃত করেছেন জিএমপি’র সম্মানিত কমিশনার ড. মোঃ নাজমুল করিম খান।

    পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন ডিবি (উত্তর ও দক্ষিণ), বাসন থানার অভিযানিক দল এবং এলআইসি, জিএমপি’র সদস্যবৃন্দ।

    এই সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম (সেবা)।

    কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান বলেন, “সাংবাদিক সমাজ আমাদের অংশ, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামি গ্রেফতার প্রমাণ করে, পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” এদিকে সাংবাদিক হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করায় সাংবাদিক সমাজ এই অভিযানিক দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

  • সারাদেশে ভে-জাল ও মে-য়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করে অনেকেই কোটি কোটি টাকার মা-লিক

    সারাদেশে ভে-জাল ও মে-য়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করে অনেকেই কোটি কোটি টাকার মা-লিক

    হেলাল শেখ ঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া ছয়তলা বেরুণ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দোকান থেকে কিনে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ভোক্তারা। সারাদেশে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান নিয়োমিত না করায় ঢাকার আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ফার্মেসি দোকান রাস্তার ফুটপাতের দোকানে ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ অবাধে বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এসব ওষুধ সেবন করে মানুষের রোগ ভালো না হয়ে আরো কঠিন রোগ শরীরে বাসা বাঁধছে বলে অনেকেই জানান।
    রবিবার (১০ আগষ্ট ২০২৫ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উক্ত আশুলিয়ার বাইপাইল-আবাদুল্লাহপু সড়কের ফুটপাত দখল করে দোকান বসিয়ে অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে ভেজাল ও নকল ওষুধ, সেই সাথে কিছু ফার্মেসি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেখা যায়, বিশেষ করে রাস্তার পাশে ফার্মেসিতে ধুলাবালির সাথে একাকার করে চলছে ব্যবসা। এর আগে গত বছরে দুপুর থেকে সন্ধা পর্যন্ত জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার আশুলিয়ার ইউনিক বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন, এ সময় নোভা হসপিটালের ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অপরাধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সাহারা মডাণ ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শেফা ফার্মেসীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোট ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। এ সময় ইউনিক মেডিসিন কর্ণার ও সামিহা ফার্মেসী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যাওয়ার অপরাধে ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল/ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিতকরণের নোটিশ দেয়া হয়।
    নোটিশে উল্লেখ- এমতাবস্থায়, কেন আপনার ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল/ব্যবসায়িক কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হইবে না তাহা অত্র নোটিশ প্রাত্তির ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারী কার্যালয়ে উপস্থিত হইয়া কারণ দর্শানোর জন্য আপনাকে নির্দেশ প্রদান করা হইল। এ অভিযান করেন মোঃ আব্দুল জব্বার মন্ডল, সহকারী পরিচালক জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়, ঢাকা। এর আগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের সময় আশুলিয়ার জামগড়া ওষুধের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান ধামরাই মেডিসিন কর্ণার বন্ধ করে পায়ের জুতা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। উক্ত অভিযানের দিনও একই কাজ করেছে তারা, এসময় ধামরাই মেডিসিন কর্ণার ওষুধের দোকান প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ইউনিক মেডিসিন কর্ণার ও সামিহা ফার্মেসীর দোকানদারকে দোকান বন্ধ করতে বললে তারা ওই কথা শুনে তাদের ওষুধের দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। জানা গেছে, শেফা ফার্মেসীর মালিক তার নামের আগে ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন লিখে ডাক্তার হিসেবে রোগী দেখেন। সূত্র জানায়, সাভার আশুলিয়ায় অবৈধ ওষুধ ক্রয়-বিক্রয় করে গত ১২-১৫ বছরে অনেকেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন, যেমনটি ধামরাই মেডিসিন কর্ণার এর মালিক।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ডিম, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ানো হয়েছে, বর্তমানে গত ৩-৪দিন ধরে আবার চিনি ও তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, চিনি প্রতি কেজি ১৩০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কেউ কোনো জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি করতে পারতো না।
    এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার আশুলিয়ায় ডিমের ৩টি আড়তকে মোট ৪ লক্ষ ৫০ হাজার জরিমানাসহ ১টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম জনস্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর। ওইদিন শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল বগাবাড়ি বাজার এলাকায় ডিমের আড়তে প্রথমে অভিযান পরিচালনা শুরু করেন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর। এসময় কয়েকজন অসাধুডিম ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়, আটককৃতরা হলেন-আসিফ হোসেন এন্টারপ্রাইজ ডিমের আড়তের মালিক শাহ আলম হোসেন ও এসজে এগ্রো এর মালিক স্বপন ইসলাম, পরে তাদেরকে জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়।
    জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ডিমসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের বাজারে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বৃদ্ধি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ায় ডিমের আড়তে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এভাবে কারসাজির মাধ্যমে ডিমের দাম বৃদ্ধি করা ইত্যাদি অপরাধে আসিফের ডিমের আড়তকে ১ লক্ষ টাকা, এস জে এগ্রো ডিমের আড়তকে ১ লক্ষ টাকা এবং আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের নরসিংহপুরের সরকার মার্কেটের ফয়সাল এন্টারপ্রাইজকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করাসহ ৩টি প্রতিষ্ঠান ডিমের আড়ৎকে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দুইটি প্রতিষ্ঠানের মালিক জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয় এবং পরে জরিমানা আদায় করে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
    উল্লেখ্য কাজী ফার্মে উৎপাদিত সব ডিম প্রস্তাবিত দরের চেয়ে বেশি দর হাঁকিয়ে নিলামের মাধ্যমে সব ডিম ক্রয় করে অতি মুনাফা লাভের আশায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে তারা। উক্ত প্রতিষ্ঠানে ডিম ক্রয়-বিক্রর কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি, এমনকি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ৩০ জুন ২০২২ইং তারিখে মেয়াদোত্তীর্ণ দেখা যায় তখন। এ সকল অপরাধে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের সকল প্রকার কার্যক্রম জনস্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিলো কিন্তু আইন অমান্য করে তারা পরের দিন থেকেই তাদের প্রতিষ্ঠান খোলা রাখেন। এ রকম অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে আশুলিয়ায়। আশুলিয়ার জামগড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ভুয়া ডাক্তার, ভুয়া কবিরাজ, ভুয়া উকিল, লাইসেন্সবিহীন ওষুধের দোকান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নকল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রি ও বিভিন্ন নকল পণ্য দোকানে ওপেন বিক্রি করা হচ্ছে। ফুটপাত দখল করে ভ্রাম্যমান ওষুধের দোকান, ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা ও সরকারি আইন না মানার অপরাধে দোষীদের আটক করে জেল জরিমানা করার দাবী জানান সচেতন মহল। সারাদেশে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আবারও অভিযান চালানোর অনুরোধ করেন ভোক্তারা।

  • আশুলিয়ায় ৫ বছরেও নাজমা গ-ণধর্ষণ ও হ-ত্যা মাম-লার বি-চার পায়নি ভু-ক্তভোগী পরিবার

    আশুলিয়ায় ৫ বছরেও নাজমা গ-ণধর্ষণ ও হ-ত্যা মাম-লার বি-চার পায়নি ভু-ক্তভোগী পরিবার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার উত্তর বেরণ এইচ পি টাওয়ার ইয়াগী বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেড শ্রমিক সুন্দরী নাজমা গণধর্ষণ-হত্যা মামলার আসামী সবাই আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। গত ৫ বছরেও এই মামলার আসামীদের বিচার হয়নি বলে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ।
    রবিবার ( ১০ আগস্ট ২০২৫ইং) মামলার বাদী মোঃ হানিফ ওরফে নাজমুল জানান, নাজমা গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সাথে জড়িতরা বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করায় নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে আমাকে। এদিকে আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কতর্ৃক ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন। ্উক্ত মামলার একজন আসামীর রহস্যজনক মূত্যু ও অন্য আসামীদের গ্রেফতার না করা এবং মামলার সকল আসামী আদালত থেকে জামিনে আছে, পুরো বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন অনেকেই। নিহত নাজমার বাবা হানিফ ওরফে নাজমুল আরো বলেন, আমার মেয়ে নাজমা’কে গণধর্ষণ ও হত্যাকারীদের মধ্যে রিপন নামের একজনের মৃত্যু হলেও অন্য আসামীরা আদালত থেকে জামিনে আসছে। নাজমাকে ৩-৪ জন বখাটে যুবক গণধর্ষণ করে।
    আশুলিয়ার জামগড়ার রূপায়ন আবাসন-১ এর ১নং গেইট, রবিউল সরদারের বাড়ির ভাড়াটিয়া, পাবনার সাঁথিয়ার আবু হানিফ ওরফে নাজমুল এর মেয়ে মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬) কে গণধর্ষণের ঘটনায় আশুলিয়া থানা মামলা না নেওয়ায় সে ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করে বলে বাদী জানায়। ভিকটিম নিহত হওয়ার পর পুলিশ মামলা রুজু করে। নাজমাকে গণধর্ষণ করিয়া হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধে আশুলিয়া থানায় মামলা করার পর মোঃ আব্দুর রহিম (২৬), ১নং আসামীকে জনতা কতর্ৃক আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরপর এ মামলার ২নং আসামী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার বিপিনগর গ্রামের আব্দুল লতিফ এর ছেলে মোঃ রিপন (৩৫) এর লাশ সাভারের বিরুলিয়া এলাকার একটি বাগান থেকে উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এ মামলার ৩নং আসামী ইব্রাহিম খলিল শিপনকে র‍্যাব-১ এর বিশেষ একটি দল ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে ছায়া তদন্ত করে আটক করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী ফেনী জেলার সোনাগাজী আকিলপুরের মোঃ ইব্রাহিম খলিল শিপন (৩০) কে গ্রেফতারের পর র‍্যাব তাকে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করেন।
    তথ্যমতে, গত ৫ জানুয়ারি ২০১৯ইং ভিকটিম মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬), গণধর্ষণের শিকার হওয়ার পর (৬ জানুয়ারি ২০১৯ইং) নাজমা নিজে বাদী হয়ে প্রথমে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেন। বিবরণঃ জীবিত নাজমা জানায়, জামগড়া রূপায়ন আবাসন-১ এর ১নং গেইট, রবিউল সরদারের বাড়ীতে মা বাবাসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভাড়া থেকে জামগড়া ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ পোশাক কারখানায় সুইং অপরেটার হিসাবে চাকুরি করতেন। নাজমার সম্পর্কে চাচা আব্দুর রহিম, রিপন, শিপনসহ তারা বিভিন্ন পদে এক সাথে কাজ করতেন একই পোশাক কারখানায়। প্রতিদিনের ন্যায় গত ০৫/০১/২০১৯ইং তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় অফিস ছুটির পর চাচা আব্দুর রহিম (২৬) সহ আমি পায়ে হাটিয়া বাসায় যাওয়ার পথে আমাদের ফ্যাক্টরীর প্রায় ২০০গজ দুরে গলির রাস্তায় পৌছার পর অপরিচিত আরও ২জন বিবাদী তাদের নাম রানা ও শাকিলসহ ওদের সহায়তায় ১নং বিবাদী রিপন ও শিপন আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমার পরিহিত কাপড় খুলিয়া আমাকে সবাই মিলে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনার সাথে ৫ জন জড়িত বলে সে বেঁচে থাকা অবস্থায় জানায়। বাকি দুইজন আসামীকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয় কেন জাতি জানতে চায়।
    ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার দিনগত রাত ১২টার দিকে উক্ত বিবাদী রিপন, শিপনসহ ৫ জন নাজমাকে বলে এ ঘটনা যেন কাউকে না বলিস, এই বলে হুমকি দিয়ে তারা ভিকটিমকে বাসায় পৌছাইয়া দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর নাজমা সকালে আশুলিয়া থানায় গিয়ে মামলা করার জন্য অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আর বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় লোকলজ্জায় ভিকটিম নাজমা ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেন। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী-নাজমাকে নির্যাতন ও গণধর্ষণ করার পর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে স্থানীয় আশুলিয়ার জামগড়া সরকার মার্কেট নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা নং ১০/ তারিখঃ ০৭/০১/২০১৯ইং। ধারা: ৯(৩)/৩০, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩: ধর্ষণ করিয়া হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধ।
    উক্ত মামলার আসামী রিপন এর রহস্যজনক মৃত্যু হলেও শিপন ও রহিম আদালত থেকে জামিনে আসছে। এ মামলার ৩নং আসামী ইব্রাহিম খলিল শিপন (৩০) যিনি ইয়াগী বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেড এর একজন কর্মকর্তা ছিলেন। মামলার ৩ জন আসামীর তথ্য পাওয়া গেলেও অন্য আরও দুইজন ব্যক্তি জড়িত ছিলো তারা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে, এদিকে থানায় ও আদালতে অন্য সেই দুই আসামীর নাম প্রকাশ করেছেন রহিম ও শিপন। প্রায় ৫ বছর ধরে এখন পর্যন্ত তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি এবং এ মামলায় তাদের নামও নেই। নাজমা’র বয়স (১৬)। ২ বছর সুইং অপরেটার হিসেবে চাকুরি করেন। কাজ শিখে সুইং অপারেটার হতে আরও এক বছর সময় লাগছে, তাহলে কাজে যাওয়ার সময় তার বয়স ছিলো ১৪ বছর। শিশু শ্রম আইনে পোশাক কারখানায় ১৮ বছরের কম কোনো শ্রমিক চাকরি করতে পারবেন না এমন নিয়ম রয়েছে। উক্ত ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা আবার তদন্ত করলে হয়ত কেচু খুঁজতে গিয়ে সাপের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে শ্রমিকসহ সচেতন মহলের দাবী।

  • সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফের ব-হিষ্কারাদেশ প্র-ত্যাহারের দা-বিতে মা-নববন্ধন

    সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফের ব-হিষ্কারাদেশ প্র-ত্যাহারের দা-বিতে মা-নববন্ধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)সুজানগর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ কে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রবিবার দুপুরে সুজানগর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে পৌর শহরের নন্দিতা সিনেমা হল রোডে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা খন্দকার গোলাম আযম, গোলাম মোর্তজা, ইয়াকুব আলী, রফিক বিশ্বাস, কামরুল ইসলাম, আবুল কালাম, সাফা, মনিরুজ্জামান মান্নান, তোরাপ আলী, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোল্লা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজা প্রমুখ।
    মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, ষড়যন্ত্র করে কখনো নেতৃত্বকে মুছে ফেলা যায় না। বিএনপি নেতা শেখ আব্দুর রউফ রাজপথের লড়াকু সৈনিক, দুঃসময়ের পরীক্ষিত জাতীয়তাবাদী নেতা, শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত নিবেদিতপ্রাণ একজন জননেতা। শেখ আব্দুর রউফ তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৮ সালে তঁাতীবন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য,১৯৯০ সালে সুজানগর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও এরপর উপজেলা ছাত্রদলের সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে উপজেলা ছাত্রদলের ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যতম সদস্য, ১৯৯৬ সালে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে একই বছরের মে মাসে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে ৫৭ মাস কারাগারে বন্দি থাকেন। এরপর ২০০৫ সালে উপজেলার তঁাতিবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক এবং পরে সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১১ সালে পূণরায় বিপুল ভোটে তঁাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, ২০১২ সালে জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য, ২০১৬ সালে সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে শেখ আব্দুর রউফ সফলতার সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছিলেন।
    এ সময় দলটির নেতাকর্মীরা আরো বলেন, শেখ আব্দুর রউফ আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে মিছিল-মিটিং- সমাবেশে ছিলেন অগ্রভাগে। শেখ আব্দুর রউফ একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা। তিনি দলের দুর্দিনে, আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রতিটি কর্মসূচি সফল করেছেন। দল থেকে তার বহিষ্কারাদেশ বলবৎ রাখলে দলটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে। তাই তারা বিএনপি নেতা শেখ আব্দুর রউফ এর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান। মানববন্ধনে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, শ্রমিকদল ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মী অংশ নেন।
    উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব(বহিস্কৃত) শেখ আব্দুর রউফ জানান , গত ৯ জুলাই পৌরবাজারের নন্দিতা সিনেমা হল রোডে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। অথচ একটি মহল আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট ও রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করার হীন উদ্দেশ্যে ওই ঘটনার সাথে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালায় এবং থানায় একটি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাঠ পর্যায়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে পুনর্বিবেচনা করে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার বিনীত অনুরোধ জানান।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি।

  • সাংবাদিক তুহিনের খু-নিদের গ্রে-প্তার ও ফাঁ-সির দা-বিতে গোপালগঞ্জে মান-ববন্ধন

    সাংবাদিক তুহিনের খু-নিদের গ্রে-প্তার ও ফাঁ-সির দা-বিতে গোপালগঞ্জে মান-ববন্ধন

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ ।

    গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে হত্যার প্রতিবাদে বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা শাখা ও গোপালগঞ্জ জেলায় কর্মরত সকল সাংবাদিক বৃন্দ।। আজ শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা১১টায় প্রেসক্লাব গোপালগঞ্জের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এ মানববন্ধনে গোপালগঞ্জ জেলার সকল সংগঠন ও সাংবাদিকগণ অংশগ্রহণ করেন।
    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একের পর এক সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় দোষীদের বিচার না হওয়ায় দেশে দণ্ডমুক্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। তুহিন হত্যার মতো নৃশংস ঘটনা প্রমাণ করে, দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকির মুখে।
    গোপালগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের সামনে এই মানব বন্ধনের আয়োজন করেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা শাখা, গোপালগঞ্জ জার্নালিস্ট ফেডারেশনসহ সকল সাংবাদিক সংগঠনের সাংবাদিক বৃদ্ধ।
    এ সময় বক্তব্য কালে গোপালগঞ্জ জার্নালিস্ট ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চ্যানেল আই-এর জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান বাবুল বলেন, গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে যে সকল সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে তাদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দড়িতে ঝোলানোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের গডফাদারদের শনাক্ত করে আইনের কাঠগড়ায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হোক।
    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি, দৈনিক ক্রাইম নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক ও দৈনিক ভোরের বানীর চীফ রিপোর্টার এ জেড আমিনুজ্জামান রিপন বলেন, সারা দেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হত্যা, হামলা, মামলা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত বৃহস্পতিবার ৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮ টার সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গাজীপুরে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিদিনের কাগজ এর প্রতিনিধি সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে সেই সাথে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনকে। সত্য প্রকাশে যে দেশে হত্যা হয়, সে দেশের আইন-শৃংখলা সরকারের নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে গেছে বলে আমরা মনে করি। তিনি তুহিনের হত্যাকারীদের মুখোশ খোলা সহ খুনিদের দ্রুত ফাঁসীর দাবি জানান।

    এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, দৈনিক বর্তমান গোপালগঞ্জের সম্পাদক ও বৈশাখী টেলিভিশনের গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মো. মোস্তফা জামান, আর টিভির- আব্দুল্লাহ আল মামুন, ৭১- টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান রনি, চ্যানেল এস -এর প্রতিনিধি কাজী মাহামুদ ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সোহাগ সেন।

    এ সময় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ শিহাব উদ্দিন, দৈনিক ভোরের পাতার জেলা প্রতিনিধি হেমন্ত বিশ্বাস, বিএমইউজে গোপালগঞ্জ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী কাবুল, সদস্য সচিব ও ক্রাইম নিউজ এর স্টাফ রিপোর্টার সোহাগ সিকদার, ক্রীড়া সম্পাদক, ক্রাইম নিউজের জেলা প্রতিনিধি এমডি নাঈম, সদস্য সচিব দৈনিক দূরবীনের জেলা প্রতিনিধি সাকিব আল ফেরদৌস, দৈনিক পাঞ্জেরী পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মামুন রানা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও মানবাধিকার প্রতিদিন এর জেলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব ও ক্রাইম নিউজের সদর উপজেলা প্রতিনিধি বরকত মোল্লা, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ঢাকা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জসিম মুন্সী, সদস্য সচিব ও মানবাধিকার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন রাজু, সদস্য সচিব ও আইবার্তার জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহাবুদ্দিন সুজা, মানিক শিকদার দৈনিক দেশের কন্ঠ, রিকি আবির সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।