Category: দেশজুড়ে

  • রোভার স্কাউটের উ-দ্যোগে পোল মাংকি ব্রীজ তৈ-রি

    রোভার স্কাউটের উ-দ্যোগে পোল মাংকি ব্রীজ তৈ-রি

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যােগে শিক্ষার্থী সহ অন্যান্যদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংলগ্ন খালে একটি পোল মাংকি ব্রীজ তৈরি করা হয়।

    আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) রোভার অনিক কুমার সাহার (সভাপতি, রোভার ইন-কাউন্সিল) তত্ত্বাবধানে একটি দল ভোর ৬টা থেকে ব্রীজ নির্মাণের কাজ শুরু করে যা সকাল ৯ টায় শেষ হয়।

    এ সময় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক ও সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মজনুর রশিদ ও তৌফিক এলাহী উপস্থিত ছিলেন।

    পোল মাংকি ব্রীজের উদ্বোধন করেন গোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক মো.মজনুর রশিদ। এ সময় তিনি বলেন, “স্কাউট তথা রোভার স্কাউট হলো একটি আন্দোলন যা কিশোর কিশোরীদের শারিরীক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক সামাজিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে সহযোগিতা করে এবং স্কাউটরা মুক্তাঙ্গনে কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন দিকে পারদর্শিতা লাভ করে। এক্ষেত্রে সমাজ সেবা ও সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

    উল্লেখ্য, পোল মাংকি ব্রীজ সাধারণত স্কাউটদের একটি পাইওনিয়ারিং প্রজেক্ট যা বাঁশ দ্বারা নির্মিত এবং বিভিন্ন ল্যাশিং ব্যবহার করা হয় যেমন ডায়াগোনাল ল্যাশিং, স্কয়ার ল্যাশিং, ফিগার অব এইট, পোল এন্ড সেম্বার ল্যাশিং। এটি সাধারণত খাল বিল পারাপারের জন্য ব্যবহৃত হয়।

  • গোবিপ্রবিতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নি-য়োগের সি-দ্ধান্ত

    গোবিপ্রবিতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নি-য়োগের সি-দ্ধান্ত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করে এই ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সকল বিভাগে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগেও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    আজ বুধবার বেলা ১১টায় একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগীয় প্রধান ও ডিনদের অংশগ্রহণে এ সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।

    সভায় সেশনজট নিরসনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর তারিখ (১১ আগস্ট) থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে প্রথম সেমিস্টারের ক্লাস ও পরীক্ষাসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্লাস, পরীক্ষা, ফরম পূরণসহ অন্যান্য কার্যক্রমের নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করতে।

    অন্যদিকে শিক্ষক সংকট সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

  • মধুমতির ভা-ঙ্গনে শতাধিক পরিবার ঘ-রছাড়া, বি-লীন হতে চলেছে মানিকহার বাজার সহ মধুমতি গ্রাম

    মধুমতির ভা-ঙ্গনে শতাধিক পরিবার ঘ-রছাড়া, বি-লীন হতে চলেছে মানিকহার বাজার সহ মধুমতি গ্রাম

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার
    ৭নং উরফি ইউনিয়নের মানিকহার বাজার থেকে মধুপুর পর্যন্ত মধুমতি নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন কয়েক বছর ধরে গ্রামবাসীর জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    এ বছর বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের তীব্রতায় ভাঙ্গনের গতি যেন কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এ যেন মরার ওপর খারার ঘা অবস্থা। প্রতিদিনই বসতবাড়ি, ফসলি জমি, মসজিদ-মাদ্রাসা ও গ্রামীণ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই মাসে এ এলাকার অন্তত ১০০টিরও বেশি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ উন্মুক্ত মাঠে অস্থায়ী ঘর তুলে বসবাস করছেন।

    মানিকহারের পার্থ দাস বলেন, “গত বছরও কিছু জমি নদীতে গেছে, কিন্তু এ বছর ভাঙ্গন যেন থামছেই না। আমার কৃষি জমি ও বসতভিটা সব নদীতে বিলীন হয়েছে। “মধুপুর গ্রামের গ্রাম পুলিশ মাজেদ সরদার জানান, “প্রতিদিনই মনে হয় আজই হয়তো নদী আমাদের ঘর টেনে নেবে। বউ-বাচ্চাদের নিয়ে ভীষণ ভয়ে থাকি।”

    স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ভাঙ্গন পরিদর্শনে এলেও ভাঙ্গন প্রতিরোধে কার্যকর তেমন কোন ব্যবস্থাই কেউ নেননি। এখনো স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ বা প্রতিরোধক কোন ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রতিবছর ভাঙ্গন প্রতিরোধে অস্থায়ী ভিত্তিতে যে বালুর বস্তা ফেলার মতো সাময়িক পদক্ষেপ নেওয়া হয় তাও বর্ষার স্রোতের কাছে অকার্যকর হয়ে পড়ে।

    ৭নং উরফি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির গাজী বলেন, “পরিস্থিতি মারাত্মক। আমরা জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

    নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি-না? সে বিষয়ে জানতে গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রিফাত জামিলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, মানিকহার বাজার থেকে মধুমতি সহ অত্র এলাকায় নদী ভাঙ্গনের সমস্যা দীর্ঘদিনের, স্থায়ী সমাধানের জন্য ডিপিপি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। গত অর্থবছরে তা অনুমোদন পায়নি। আমরা এ বছর আবারো পাঠিয়েছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ও অর্থ বরাদ্দ পেলে স্থায়ী এবং টেকসইভাবে কাজ করা সম্ভব হবে। যদিও প্রতিবছর আমরা বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলি। এবছর ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে, ইতোমধ্যেই ফসলি জমি সহ বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমাদের একটি টিম সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন করে এসেছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টি জানিয়েছি, কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলে জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন প্রতিরোধে ওই এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবো।

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় স্ত্রীকে হ-ত্যার ঘটনায় স্বামীকে আ-টক করে পুলিশের সো-পর্দ

    আশুলিয়ার জামগড়ায় স্ত্রীকে হ-ত্যার ঘটনায় স্বামীকে আ-টক করে পুলিশের সো-পর্দ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় স্ত্রী আখী তারা (২৫) কে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী হৃদয়কে আটক করে পুলিশ সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

    বুধবার (১৩ আগষ্ট ২০২৫ইং) সকালে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন বটতলা এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।আটককৃত হৃদয় (৩২), শরীয়তপুর জেলার ডামুডা থানার বুড়িরহাট এলাকার বাসিন্দা। নিহত মোছাঃ আখী তারা একই এলাকার বাসিন্দা।

    আটককৃত মোঃ হৃদয় আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন বটতলা এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় ভাড়া থেকে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন ও তার স্ত্রী সাথী ওয়াইপি আশুলিয়া লিঃ নামক একটি ক্যাপ ফ্যাক্টরীতে কাজ করতেন।

    স্থানীয়রা জানায়, সকালে হৃদয় আশপাশের ভাড়াটিয়াদের জানায় তার স্ত্রী রাতে মারা গেছে, তাই তিনি তাকে বাড়ি নিয়ে যেতে চান। এ সময় তিনি তার স্ত্রীকে গোসল করাই দিতে বলেন। পরে আশপাশের লোকজন তার স্ত্রীর মরদেহ গোসল করাতে গেলে লাশের গলায় কালো দাগ দেখতে পান, এর পরে তাকে গোসল না করিয়ে স্বামীকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

    পুলিশ জানায়, স্থানীয় কয়েকজন নিহত সাথী তারাকে গোসল করাতে গেলে তারা সাথী তারার গলায় কালো দাগ দেখে তাদের সন্দেহ হলে হৃদয়কে আটক করে থানায় খবর দেয়।

    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের স্বামীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। সেই সাথে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈলে সাংবাদিককে হ-ত্যা ও হু-মকি দেওয়ার প্র-তিবাদে মান-ববন্ধন অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈলে সাংবাদিককে হ-ত্যা ও হু-মকি দেওয়ার প্র-তিবাদে মান-ববন্ধন অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    গাজীপুরে সাংবাদিক (দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ) আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) এর যৌথ আয়োজনে মঙ্গলবার (১২ আগষ্ট) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

    সমাবেশে বক্তব্য দেন- প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলম (এশিয়ান টিভি), সম্পাদক খুরশিদ আলম শাওন (আজকের পত্রিকা), সভাপতি শফিকুল ইসলাম শিল্পী (কালের কন্ঠ), সম্পাদক হুমায়ুন কবির (কালবেলা), সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম (ইত্তেফাক) সাবেক সম্পাদক নুরুল হক (উত্তরা), সাবেক সভাপতি ফারুক আহাম্মেদ (মোহনা টিভি) ও মোবারক আলী (আমার দেশ), সাবেক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশ (আমাদের সময়), সাবেক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ (বায়ান্ন’র আলো) যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব আলম (প্রতিদিনের সংবাদ) ও আহাম্মেদ ইসমাম, লেমন সরকার (দৈনিক সকালের সময়), হযরত আলী, নাজমুল হোসেন (আজকের দর্পণ) মো: বাদল (পীরগঞ্জ) প্রমুখ।এছাড়াও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী রজব আলী,পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শাহাজান আলী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক বকুল মজুমদার, গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ ও ছাত্র প্রতিনিধি তারেক মাহমুদ প্রমুখ।

    সে সময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যাকারিদের দ্রুত বিচার ও শাস্তি দাবি করেন। এই সাথে তারা রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দাতা ক্যাসিনো ব্যবসায়ী মাসুদ রানা’কে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য রাণীশংকৈল থানা পুলিশের প্রতি জোর দাবি জানান। এজন্য তারা আগামী ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক একে আজাদ।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে নারীও শিশুসহ  ১৪  জন বাংলাদেশী ফে-রত দি-ল ভারত

    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে নারীও শিশুসহ ১৪ জন বাংলাদেশী ফে-রত দি-ল ভারত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে নারী ও শিশুসহ ১৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

    জানাযায়,মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হরিপুর উপজেলার দনগাও বিওপির সীমান্তের ৩৫৬ নং পিলার এর কাছাকাছি বসতপুর স্থানে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আকটকৃত ১৪ জনকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে ভারতীয় বিএসএফ। পরে বিজিবি দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে হরিপুর থানায় তাদেরকে হস্তান্তর করেন।বিজিবি সূত্র জানায়,সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) এর বেতনা বিওপির বিপরীতে ভারতের কাদেরগঞ্জ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৩৬৫/২ এস থেকে প্রায় ১২০০ গজ ভেতরে ওই ১৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করে ভারতীয় বিএসএফ। আটক ব্যক্তিরা সবাই ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বাসিন্দা।আটক ব্যক্তিরা হলেন-বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চোচপাড়া গ্রামের সাকিরের ছেলে মন্টু (৪০), মন্টুর স্ত্রী মোছা. নাজেরা খাতুন (৩৮) ও দুই ছেলে নজরুল (২২) ও নুর আলম (১৯); একই উপজেলার বেউরঝাড়ি গ্রামের রহিমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (২৪), রাজ্জাকের স্ত্রী নাজমিন (২০) ও দুই মেয়ে রূকসার (৩) ও রেহেনা (১), মৃত হাকিম উদ্দিনের ছেলে আসাদুল (৩৫) আসাদুলের মা আছিয়া (৫০),স্ত্রী পারুল (৩২) ও তিন সন্তান আলামিন আলী ১৬),আশা মনি (৯)এবং আরিফ (৫)।বিজিবি জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, তারা ২০২০ সালে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পানি পাথ জেলার একটি কারখানায় (পাপস ফ্যাক্টরি) কাজ করতে গিয়েছিলেন। সম্প্রতি দেশে ফেরার পথে বিএসএফ তাদের আটক করে। আটককৃত সবাইকে ভারতীয় বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মাধ‍্যমে মঙ্গলবার (১২আগষ্ট) সকাল ১১টার দিকে ফেরত দিয়েছে।

    এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজির আহমেদ বলেন, তাদেরকে আটকের পর আমরা হরিপুর থানায় হস্তান্তর করেছি।হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন নারী-শিশুসহ ১৪জনকে বিজিবি থানায় হস্তান্তর করেছে। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার অপরাধে পাসপোর্ট আইনে মামলা রুজু করে আটককৃতদের আগামীকাল বুধবার ঠাকুরগাঁও আদালতে পাঠানো হবে।

  • বিগত ২৯ বছরে যে সকল সাংবাদিক হ-ত্যার শি-কার হয়েছে তাদের স্মৃ-তির প্রতি শ্র-দ্ধা

    বিগত ২৯ বছরে যে সকল সাংবাদিক হ-ত্যার শি-কার হয়েছে তাদের স্মৃ-তির প্রতি শ্র-দ্ধা

    আরিফ রব্বানী,

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন সময়ের দাবী অভিলম্বে সাংবাদিক হত্যা নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।
    বিগত ২৯ বছর অর্থাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে এযাবৎ যে সকল সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছে তাদের একটি খসড়া তালিকা প্রণয়ন শুরু করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে), নিম্নে বর্ণিত নিহত সাংবাদিক ছাড়াও যদি আরো কোন সাংবাদিক খুন গুম, নিখোঁজ হয়ে থাকে তাহলে সেই সকল সাংবাদিক এর নাম পরিচয় সহ আমাদেরকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করার আহবান জানাচ্ছি।

    এসকল হত্যাকান্ডের অধিকাংশ ঘটনা নিরবে নিভৃতে বিচারহীনতায় পরিবার গুলো নিঃস্ব হয়েছে। আমরা বিএমইউজে সংগঠনের পক্ষ থেকে সকল নিহত সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তাদের নামের তালিকা সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন বিএমইউজে।

    ১৯৯৬ সালের ৮ জুন সাতক্ষীরার পত্রদূত সম্পাদক শ ম আলাউদ্দীন খুন হন। এর দুই বছর পর ৩০ আগস্ট যশোরের দৈনিক রানার সম্পাদক সাইফুল আলম মুকুল খুন হন। ২০০০ সালের ১৬ জুলাই দৈনিক জনকণ্ঠের যশোর প্রতিনিধি শামছুর রহমান কেবলকে নিজ কার্যালয়ে সন্ত্রাসীরা হত্যা করে। ২০০২ সালের ২ মার্চ খুন করা হয় খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র রিপোর্টার হারুন অর রশিদকে।

    এর চার মাস পর খুন হন খুলনার অনির্বাণ পত্রিকার সাংবাদিক শুকুর হোসেন এবং আগস্টে শ্রীমঙ্গলে খুন হন দৈনিক পূবালী বার্তার সাংবাদিক সৈয়দ ফারুক আহমেদ। ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি খুলনা প্রেস ক্লাবের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হন দৈনিক সংবাদের খুলনা ব্যুরো প্রধান এবং প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মানিক সাহা।

    একই বছরের ২ মার্চ কেরানীগঞ্জে দ্য নিউএজের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ পাপ্পু নিহত হন। ওই বছরের ২৭ জুন নিজের অফিসে নিহত হন খুলনার দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ূন কবির বালু। ২২ আগস্ট চট্টগ্রামে খুন হন আজকের কাগজের সাংবাদিক কামাল হোসেন। এর দুই মাসের মাথায় অক্টোবরে বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক দুর্জয় বাংলার নির্বাহী সম্পাদক দীপংকর চক্রবর্তী নিজ বাসায় নিহত হন।

    ওই বছরই খুন হন দৈনিক সংগ্রামের খুলনা প্রতিনিধি বেলাল হোসেন। ২০০৫-এর ২৯ মে কুমিল্লার দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাংবাদিক গোলাম মাহমুদ, ওই বছরের ৫ নভেম্বর দৈনিক সমকালের ফরিদপুর ব্যুরো চিফ গৌতম দাসকে হত্যা করা হয়।

    এ ছাড়া ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি পল্টনের নিজ বাসায় খুন হন দৈনিক জনতার সহসম্পাদক ফরহাদ খাঁ ও তার স্ত্রী রহিমা খাতুন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক, জুলাই মাসে ঢাকার পাক্ষিক মুক্তমনের স্টাফ রিপোর্টার নুরুল ইসলাম ওরফে রানা, আগস্টে গাজীপুরে সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাহী সম্পাদক এমএম আহসান হাবিব বারি এবং ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদদাতা ও রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি আবুল হাসান আসিফ খুন হন।

    ২০১০ সালের ৯ মে গুপ্তহত্যার শিকার হন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলার সিনিয়র ক্যামেরাম্যান শফিকুল ইসলাম টুটুল। একই বছরের ২৮ এপ্রিল সাপ্তাহিক ২০০০-এর সিলেট প্রতিনিধি ফতেহ ওসমানী এবং ২৩ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে খুন হন বরিশালের মুলাদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন রাঢ়ী।

    ২০১১ সালের ৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যা করা হয় দৈনিক ভোরের ডাকের গোবিন্দগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলাম রঞ্জুকে। ওই বছরের এপ্রিলে চট্টগ্রামের পোর্টকলোনিতে দৈনিক আজকের প্রত্যাশার সাংবাদিক মাহবুব টুটুলকে হত্যা করা হয়। একই বছরের এপ্রিলে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সড়কে ১০ নম্বর বাসা থেকে সাপ্তাহিক বজ্রকণ্ঠের সাংবাদিক আলতাফ হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় খুন হন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি। ওই ঘটনার পর সাংবাদিক সমাজ আন্দোলন চালিয়ে গেলেও এক যুগের বেশি সময় ধরেও মামলার তদন্ত শেষ করা হয়নি। ওই বছরের ১৫ জুন যশোরে খুন হন সাংবাদিক জামাল উদ্দিন।
    ২০১৪ সালের ২১ মে চুয়াডাঙ্গায় খুন হন দৈনিক মাথাভাঙা পত্রিকার সাংবাদিক সদরুল আলম নিপুল এবং ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে রংপুরে খুন হন যুগের আলো পত্রিকার সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস, ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে খুন করা হয় দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুলকে। ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জে খুন হন দৈনিক বিজয় পত্রিকার সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। পরের বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীতে খুন হন বাংলাদেশ সমাচারের সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মোজাক্কির।

    ২০২২ সালের এপ্রিলে দৈনিক কুমিল্লার ডাকের সাংবাদিক মহিউদ্দিন সরকার নাইম খুন হন। একই বছরের ৩ জুলাই নিখোঁজের পর লাশ মেলে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক হাসিবুর রহমান রুবেলের।

    সিরাজগঞ্জে নিহত সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার খাতুন বলেন, তার স্বামীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত তৎকালীন পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুসহ তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হলেও সবাই কারাগার থেকে বেরিয়ে গেছে। তিনি ৬ বছর ধরে অপেক্ষা করেও এখন পর্যন্ত স্বামী হত্যার বিচার পেলেন না। মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাগর -রুনি, জামালপুরের নাদিম ও শেলু আকন্দ ও সর্বশেষ ৭ আগষ্ট -২৫ রাত ৮ টায় গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা মসজিদ মার্কেটে সামনে খুন হয় সাংবাদিক আসাদুজ্জামা তুহিন তার বাড়ী ফুলবাড়িয়া উপজেলায়।

  • কুমিল্লা মহানগরের অধিকাংশ স-ড়ক এখন ম-রণফাঁদে পরিনত

    কুমিল্লা মহানগরের অধিকাংশ স-ড়ক এখন ম-রণফাঁদে পরিনত

    কুমিল্লা থেকে,তরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লা নগরীতে প্রবেশ পথের প্রধান সড়কগুলো যেন এখন মরণফাঁদে রূপ নিয়েছে। কান্দিরপাড়-আলেখারচর, টমছমব্রিজ-বাখরাবাদ, কান্দিরপাড়-ধর্মপুর এবং টমছমব্রিজ-কোটবাড়ি, 

    সড়কে জায়গায় জায়গায় বিশাল গর্ত, উঠে যাওয়া কার্পেটিং, ভাঙাচোরা পিচ ও জলাবদ্ধতা জনদুর্ভোগের নতুন নাম হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, অটোরিকশা ও ভারী যানবাহন এসব ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। বৃষ্টির পানিতে গর্ত ঢেকে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর এমন করুণ দশা কর্তৃপক্ষের অবহেলারই প্রমাণ। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন জনসাধারণ। যদিও বর্ষার দোহাই দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কগুলোর সংস্কার নিয়ে দায়সারা কথা বলছেন দৈনিক বাংলার  প্রতিবেদকের সঙ্গে। সরজমিনে ঘুরে  ভোগান্তির কথা তুলে ধরা হলো – 

    কান্দিরপাড়-আলেখচর সড়ক এখন মরণফাঁদ-

    কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় থেকে শহরতলীর শাসনগাছা হয়ে আলেখারচর বিশ্বরোডের অন্তত এক কিলোমিটার জুড়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, উঠে যাওয়া পিচ ঢালাই, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পাথর সব মিলিয়ে সড়ক নয়, যেন মরণফাঁদে রূপ নিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গণপরিবহনের চালক ও যাত্রীরা। মাঝেমধ্যে ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনাও। অথচ এই সড়কটি নগরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক। এখানে রয়েছে কুমিল্লা নগরের বৃহত্তম বাসস্ট্যান্ড ‘শাসনগাছা বাস স্ট্যান্ড’। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় হাজার হাজার মানুষের চলাচল৷ 

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কুমিল্লা নগরে প্রবেশের অন্যতম এই ব্যস্ত সড়কটির কথা ভুলেই গিয়েছেন প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে এই গর্তগুলো সড়কে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার সৃষ্টি করছে। এক সময় গর্তগুলো ছোট ছোট থাকলেও এখন সেগুলো এখন বড় হয়ে রূপ নিয়েছে মরণফাঁদে,

    দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের সর্বত্র সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। বর্ষার পানিতে সেই ক্ষত আরও বেড়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। পানিতে গর্তগুলো ঢেকে যাওয়ায় না বুঝে গাড়ি সেখান দিয়ে চলাচল করলেই ঘটে দূর্ঘটনা।

    বুধবার সকালে  সরেজমিনে কুমিল্লা নগরী থেকে শহরতলীর শাসনগাছা হয়ে দুর্গাপুর এলাকার দিঘীরপাড় বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারটির প্রবেশমুখেই সড়কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্তই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা,

     দুরবস্থার কারণে চালকরা গর্ত এড়িয়ে এঁকেবেঁকে গাড়ি চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়াও, গর্ত থাকায় হেলে দুলে চলছে গাড়িগুলো। এতে গাড়ির ভিতরে থাকা যাত্রীরা পোহাচ্ছেন ভোগান্তি। রোগী বহনের ক্ষেত্রেও এই সড়ক প্রায় অচল। অথচ এটি কুমিল্লার উত্তরাঞ্চলের প্রায় ৩০ লাখ মানুষের অন্যতম যোগাযোগপথ।

    এই সড়কের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা পাসপোর্ট অফিস পার হয়ে ওষুধ মার্কেট এলাকা, শাসনগাছা ফ্লাইওভারের দুই পাশে, দুর্গাপুর দিঘিরপার বাজার ও আলেখারচর এলাকায়। প্রতিদিন গড়ে এক হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, শত শত বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী গাড়ি ও তেলের লরি এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

    যাত্রীদের অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় বর্ষায় তা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে কর্মজীবীদের কর্মস্থলে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    এই সড়ক দিয়ে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হওয়া অন্তত পাঁচজন পথচারী এই প্রতিবেদককে ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন, বড় যানবাহন কষ্ট করে চললেও অটোরিকশা নিয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। অধিকাংশ সময় অটোরিকশা হেলে পড়ে, এতে যাত্রীরা আহত হন। কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। মালামাল নিয়ে যাতায়াত এখন অনেকটাই অসম্ভব। এগুলো দেখার কি কেউ নেই। 

    স্থানীয়দের দাবি, যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত সড়কটির সংস্কার করা  এই সড়ক দিয়ে চলাচলত যাত্রীদের মনে হয় ‘ভোগান্তির আরেক নাম টমসমব্রীজ-বাখরাবাদ সড়ক। বড় বড় গর্তে জমে থাকা পানি দেখে মনে হয় সড়ক নয়, যেন জলাশয়। প্রতিদিন অসংখ্য অ্যাম্বুলেন্স, রোগীবাহী যান, পোশাককর্মী ও শিক্ষার্থী এ পথে চলাচল করেন। পথে রয়েছে ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইপিজেড, পিবিআই, সদর উপজেলা পরিষদ, বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড,সহ বহু সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এই সড়ককে নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বলা চলে।

    এই সড়কে কাজ শুরু হয়েছে এমন আশার দৃশ্য সিটি কর্পোরেশন থেকে দেখানো হলেও বর্ষার দোহাই দিয়ে সেটিও বন্ধ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। এতে খানাখন্দ যেন আরো বেড়ে গিয়েছে। যদিও সিটি কর্পোরেশন বলছে আগের তুলনায় এই সড়ক অনেক বেশি চলাচল উপযোগী হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। 

    বুধবার সকালে সরেজমিনে এই সড়কে গিয়ে দেখা যায়, কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সামনে থেকে শুরু হয়ে ইপিজেড ১ নং গেইট পর্যন্ত সড়ক যেন দাঁড়িয়েছে মরণফাঁদ হয়ে। এই সড়ক দিয়ে গাড়িগুলো চলছে একপ্রকার বাধ্য হয়ে। বড় বড় গর্তে পড়ে মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যায় গাড়ির ইঞ্জিন। এতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। এছাড়াও রোগীবাহী এম্বুলেন্স সাইরেন বাজিয়েও সঠিক সময়ে রোগী নিয়ে পৌঁছাতে পারেন না মেডিকেলের জরুরী বিভাগের সামনে। এতে অনেক সময় রোগীর জীবনের ঝুঁকির কারণও হয়ে দাঁড়ায়। 

    টমসমব্রীজ-মেডিকেল সড়কে প্রতিদিন চলাচল করা অন্তত ১০ জন যাত্রী এই প্রতিবেদককে বলেন, এই সড়কে রোগী নিয়ে গেলে গর্তে ধাক্কা খেয়ে অনেক সময় রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। বৃষ্টির সময় তো গর্ত দেখা যায় না, তখন দুর্ঘটনার ঝুঁকি দ্বিগুণ। পানি ময়লা, আবার সড়ক পিচ্ছিল। এতে যাত্রীদের অনেক সময় পড়ে যাওয়ারও ভয় থাকে। এই সড়ক দিয়ে মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে রোগী আসলে রোগীর সাথে যারা আসে তারাও অসুস্থ হয়ে যায়। দ্রুত এই সড়ক পূর্ণাঙ্গ সংস্কার প্রয়োজন।

    হেলে দুলে গাড়ি চলছে নগরীর কান্দিরপাড়-ধর্মপুর সড়কে-

    দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ভোগান্তী চরমে  কুমিল্লা নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় থেকে রাণীর বাজার হয়ে ধর্মপুর সড়ক। নগর বাসীর দাবি দ্রুত সড়ক গুলো মেরামত করা হোক, এবং অবৈধ দখল, পার্কিং,অবৈধ

  • ২৬ বছর ধরে এমপিও বঞ্চি-ত সলঙ্গা মহিলা ক-লেজ

    ২৬ বছর ধরে এমপিও বঞ্চি-ত সলঙ্গা মহিলা ক-লেজ

    এম এ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সুতিকাগার সিরাজগঞ্জ সলঙ্গা থানা সদরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে একটি স্বপ্ন “সলঙ্গা মহিলা কলেজ”।১৯৯৯ সালে কতিপয় বিদ্যানুরাগীর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষার আশার প্রদীপ।আজ সেই প্রদীপ এখনও জ্বলছে,কিন্তু শিখা যেন ধুঁকছে অভাবের হাওয়ায়।
    ২৫ জন শিক্ষক ও কর্মচারী আর প্রায় ৩০০ জন ছাত্রী নিয়ে ২৬ বছরের দীর্ঘ পথ পেরিয়েছে কলেজটি। এ পর্যন্ত ২৪টি ব্যাচ বের হয়েছে, ফলাফলও ছিল সন্তোষজনক।অথচ বাস্তবতা হলো এখনো পর্যন্ত কলেজটি এমপিওভুক্ত হয়নি। ২০১৩ সাল থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য দাবী চালিয়ে যাচ্ছেন,কিন্তু প্রতিশ্রুতির আলো জ্বলেনি।
    ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মমিনুল ইসলাম ক্ষোভ ও কষ্ট মিলিয়ে বলেন, এমপিও ভুক্তির জন্য দুইবার আবেদন করেছি,কিন্তু কোনো উত্তর মেলেনি। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকেই অন্য চাকরির সুযোগ হারাচ্ছেন,শূন্যপদে নিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে।অথচ আমরা জানি এই লড়াই ন্যায্য, তাই আমরা থামবো না।শিক্ষকদের কেউ কেউ জানালেন, মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। তবুও তারা ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ গড়তে প্রতিদিন ক্লাসে আসেন,যেন দুঃখ-কষ্ট ভুলে গিয়ে শুধু পড়াতে পারেন।নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র সলঙ্গা মহিলা কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের মেয়েদের মুক্তির সিঁড়ি।এই প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে এলাকার নারী শিক্ষার বড় ক্ষতি হবে।”
    ২৬ বছরের পুরনো একটি স্বপ্ন এখন সরকারের একটিমাত্র স্বাক্ষরের অপেক্ষায়। শিক্ষকদের চোখের পানি নিয়ে আশা করছেন,হয়তো কোন একদিন সেই কাগজে স্বাক্ষর হবে,আর সেদিন তারা বলবেন, “অবশেষে আমাদের লড়াই সফল হলো”।
    স্থানীয়দের দাবি অতিদ্রুত কলেজটি এমপিওভুক্ত করে শিক্ষার মান বৃদ্ধি করা হোক।

  • পঞ্চগড় ঘাগড়া সী-মান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ আরও ২৩ জনকে পুশ-ইন

    পঞ্চগড় ঘাগড়া সী-মান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ আরও ২৩ জনকে পুশ-ইন

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি।।

    পঞ্চগড়ের ঘাগড়া সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ আরও ২৩ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাতে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন উপজেলা সদরের হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৭ এর ২ নং সাব পিলার এলাকা দিয়ে তাদের পুশইন করে বিএসএফ। পরে আটকদের সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি। 

    বিজিবি ও পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থানীয়রা তাদের আটক করে হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। খবর পেয়ে বিজিবি তাদের আটক করে ঘাগড়া সীমান্ত ফাঁড়ির ক্যাম্পে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে ১৩ জন নারী, ৯ জন পুরুষ ও একজন শিশু। তারা যশোর, সাতক্ষীরা, লালমনিরহাট ও নড়াইল জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে।

    সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, পুশইন সংক্রান্ত আটক ২৩ জনকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগসহ পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। বাংলাদেশি পরিচয় নিশ্চিত হলে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

    তারেক ও মাসুদ-মিশুক মুনীরের মৃত্যুবার্ষিকীতারেক ও মাসুদ-মিশুক মুনীরের মৃত্যুবার্ষিকী

    এর আগে তিন মাসে ১১ দফায় পঞ্চগড়ের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ ১৬৬ জনকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠায় বিএসএফ।