মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
প্রত্যন্ত গ্রামের ভ্যানচালক বাবা, অভাবের সংসার, চারপাশের কটূ কথা- সবকিছুকে হারিয়ে দিয়েছেন প্রত্যন্ত গ্রামের ফেরদৌসি আক্তার সোনালী। পঞ্চগড়ের এই মেয়ে এখন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের গোলরক্ষক।
অনুর্ধ্ব-২০ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বের খেলা শেষে লাওস থেকে দেশে ফিরেই এই ফুটবলার কন্যা ছুটেছেন জন্মভিটায়। দীর্ঘদিন পর মেয়েকে কাছে পেয়ে আনন্দে আপ্লুত বাবা ফারুক ইসলাম। গর্বের সুরে বলেন, ‘আমি ভ্যান চালাই, আমার মেয়ে বিমানে চড়ে দেশ-বিদেশে খেলতে যায়’।
সোনালী বেড়ে উঠেছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বনগ্রামে। বাবা ফারুক ইসলাম পেশায় একজন ভ্যানচালক। মা মেরিনা বেগম গৃহিণী। তিন সন্তানের মধ্যে সোনালী বড়। অভাবের সংসারে খেলাধুলা চালিয়ে যাওয়া ছিল দুঃসাধ্য, কিন্তু ফুটবলকে ভালোবেসে সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যান তিনি।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ে আসেন এই ফুটবলার কন্যা। জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরের বাড়ি পর্যন্ত বাবার ভ্যানেই পৌঁছেন তিনি। সোনালী বাড়িতে পা রাখতেই জড়ো হতে থাকে স্থানীয়রা। মেয়ের সাফল্যে বাবা ফারুক ইসলাম মিষ্টি খাওয়ান সবািকে।
ফারুক ইসলাম জানান, তার সম্পদ বলতে ভিটেবাড়ির কেবল ৭ শতক জমি আর উপার্জনের ব্যাটারি চালিত একটি ভ্যান। এই ভ্যান চালিয়ে সংসার চালালেও মেয়ের স্বপ্নের জন্য কখনো পিছপা হননি। অভাব-অনটনের সংসারে মেয়ের ফুটবল খেলা ছিল একসময় প্রতিবেশীদের কটাক্ষের কারণ। বাঁকা চোখে তাকাতো গ্রামের মানুষজনও, মেয়ের ফুটবল খেলা নিয়ে বলতো কটূ কথা। তবে কোনো বাধাই সোনালীর মনোবল ভাঙতে পারেনি।
জানা গেছে, সোনালীর বয়স এখন ১৮ বছর। ফুটবলের প্রতি তার আগ্রহ শুরু হয় স্থানীয় গইচপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াকালীন। সেখান থেকেই অংশ নেন বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়। পরবর্তীতে ভর্তি হন হাড়িভাসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে, যেখানে স্কুলের হয়ে অংশ নেন আন্তঃবিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে। তখনই পঞ্চগড়ের টুকু ফুটবল একাডেমিতে শুরু করেন প্রাতিষ্ঠানিক অনুশীলন।
২০২৩ সালে তার ফুটবল প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ সুযোগ মেলে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তি হওয়ার। বর্তমানে তিনি নবম শ্রেণিতে পড়াশোনার পাশাপাশি বিকেএসপিতে গোলরক্ষক হিসেবে কঠোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।
ফেরদৌসি আক্তার সোনালী বলেন, বিকেএসপিতে পড়াকালীন জাতীয় দলে সুযোগ মেলে। এরপর সিনিয়র টিমের সঙ্গে জর্ডানে খেলতে যাই। সেখানে বাংলাদেশ দল চ্যাম্পিয়ন হয়। এরপর সাফ অনুর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের টুর্নামেন্টেও চ্যাম্পিয়ন হই আমরা। সর্বশেষ এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে লাওসে খেলতে যাই। সেখানে রানার্সআপ হই।
বাবা ফারুক ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই সোনালীর ফুটবলের প্রতি আগ্রহ ছিলো। অনেকেই নানান কথা বলতো, আমার মেয়ে এসবে পাত্তা দিতোনা। অনেক সময় আমিও নিষেধ করতাম, তারপরও ফুটবল নিয়েই পড়ে থাকতো। টানাপোড়নের সংসারে তাকে সেভাবে অর্থনৈতিক সাপোর্ট দিতে পারিনি, খেয়ে না খেয়ে অনুশীলনে যেতো। আজকে আমার মেয়ে জাতীয় দলে জায়গা পেয়েছে, দেশের হয়ে বিদেশে খেলছে- এটা আমার গর্ব।
সোনালীর মা মেরিনা বেগম বলেন, ফুটবল খেলে আমার মেয়ে অনেক পুরস্কার এনেছে। তার স্বপ্ন ছিলো ফুটবলে ভালো কিছু করার। অনেক কষ্ট করে মেয়ে অনুশীলনে যেত। অনেক সময় টাকার অভাবে অনুশীলনে যেতে পারতোনা। মাঝে মধ্যে আমরা নিষেধও করেছি, কিন্তু শোনেনি। এখন জাতীয় দলে ডাক পেয়েছে, আমার বিশ্বাস আমার মেয়ে দেশের ফুটবলকে ভালো কিছু উপহার দিবে।
সোনালী অনুশীলন করতেন পঞ্চগড় টুকু ফুটবল একাডেমিতে। একাডেমির পরিচালক টুকু রেহমান বলেন, সোনালী দারুন সম্ভাবনাময়ী একজন মেয়ে। ফুটবলে সফলতা পেতে অনেক কষ্ট করেছে সে। আমি তাকে নিয়ে বেশ আশাবাদি ছিলাম, সে আমার আশা পূর্ণ করেছে। সোনালীর মত আরো অনেকেই এভাবে উঠে আসুক- এই প্রত্যাশা আমার।
হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান গোবিন্দ চন্দ্র রায় বলেন, আমাদের ইউনিয়নের মেয়ে ফেরদৌসি আক্তার সোনালী। হতদরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা এই ফুটবলার আমাদেরও গর্বের। আমরা তার সাফল্য কামনা করি। সোনালী এবং তার দরিদ্র পরিবারের প্রতি প্রশাসন যেন সু-দৃষ্টি রাখে সেই অনুরোধ জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, জাতীয় নারী ফুটবল দলের আরেক গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগমেরও বাড়ি পঞ্চগড়ের হাড়িভাসা ইউনিয়নের খোপড়াবান্দি গ্রামে। তারা দুইজন পাশাপাশি গ্রামের বাসিন্দা। ইয়ারজানও অনুশীলন করেছেন টুকু ফুটবল একাডেমিতে।
Category: দেশজুড়ে
-

‘আমি ভ্যান চালাই, আমার মেয়ে বিমানে চ-ড়ে দেশ-বিদেশে খেলতে যায়’
-

ফ্যা-সিস হাসিনাই প্রথম শাহ-বাগীদের দিয়ে ম-ব জা-স্টিস তৈরী করে- এটিএম আজহারুল ইসলাম
খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় চোর সন্দেহে নির্মমভাবে হত্যার শিকার রূপলালের পরিবারের খোঁজ নিতে আজ শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া রূপলালের বাড়ি দেখতে আসেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি নিহত রূপলালের পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানান এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আমরা সবাই মানুষ। সবই আমরা এক আল্লাহর সৃষ্টি কিন্তু সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে কিভাবে মানুষ মানুষকে পিটিয়ে মারতে পারে? বাংলাদেশ জামাত মব জাস্টিসে এ বিশ্বাস করে না। কারণ আইন নিজ হাতে তুলে নেয়ার আধিকার কারও হাতে নেই।
ফ্যাসিস শেখ হাসিনাই প্রথম শাহবাগীদের সাথে নিয়ে মব জাস্টিস তৈরী করে।
তিনি নিহত রূপলালের মেয়ে নুপুরের বিয়েতে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন। এবং নগদ অর্থ প্রদান করেন।এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি উপজেলার ঘনিরামপুর ঝাকুয়া পাড়ায় জামায়াতের সাবেক উপজেলা আমির মাহবুবুর রহমান বাবুলের কবর জিয়ারত করেন। এরপর ঘনিরামপুর ভাঙ্গা মসজিদে সর্বস্তরের মুসলিম জনতার সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির আলমগীর হোসেন।সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, “ইসলামের পথে আমাদের কাজ এখনো অনেক বাকি। সামনে আমাদের আরও কাজ করে যেতে হবে।” তিনি সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইসলামের পথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান
-

রূপলালের পরিবারকে বিএনপি’র আর্থিক সহা-য়তা প্রদান
খলিলুর রহমান খলিল,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গণপিটুনিতে নিহত রূপলালের পরিবারকে তারাগঞ্জ উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ২২ টায় উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর ডাঙ্গাপাড়ায় নিহতের বাড়িতে তার স্ত্রী শ্রীমতি মালতির কাছে নগদ ৭০ হাজার টাকা প্রদান করেন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তারাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শিপু, সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম মন্ডল, জেলা বিএনপি সদস্য মতিয়ার রহমান, উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী শাহীন, কোবায়দ হোসেন, কুর্শা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম,উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মহিউদ্দিন ইয়াহিয়া কাজল ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তারা মৃতের পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগষ্ট শনিবার উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বটতলা নামক স্থানে ভ্যানচর সন্দেহে রূপলালকে পিটিয়ে হত্যা করে স্থানীয় কিছু উশৃংখল জনতা।
ওই সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, এখন যতটুকু পেরেছি সহযোগিতা করেছি, আমরা যতদিন বেঁচে আছি রুপলালের পরিবারের পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ।
-

সলঙ্গায় গাছের চারা বিতরণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির ২ শতাধীক গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনে জামায়াতের মোনীত প্রার্থী মাও: রফিকুল ইসলাম খান এ গাছের চারা বিতরন করেন। গতকাল সকালে থানার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চকবুরু-ভেংড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের জনসাধারণের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ,বনজ ও ফুলের চারা বিতরণ করা হয়।গাছের চারা বিতরন অনুষ্ঠানে জামায়াতের রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি,জামায়াতের সলঙ্গা থানা শাখার আমীরসহ অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
-

শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত
দিনাজপুর প্রতিনিধি – দিনাজপুরের বীরগঞ্জে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য ফ্রন্ট বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে ১৬ আগস্ট শনিবার সকাল ১১ টায় কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রাটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরগঞ্জ কেন্দ্রীয় মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান অঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ রায় এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ মনজুরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের মনোনীত প্রার্থী মোঃ মতিউর রহমান, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী জাকির হোসেন ধলু, পৌর বিএনপির সভাপতি আমিরুল বাহার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য ফ্রন্ট বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মনোজ কুমার রায়, নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস প্রমুখ।
বিশেষ এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সকল বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের আদর্শিক জীবনাচরণ ও তার বাণীকে অনুসরণ করে সমাজে কল্যাণ ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান জুড়ে উপজেলার সনাতন সম্প্রদায়ের ভক্তবৃন্দের বিপুল অংশগ্রহণে ছিলো উৎসবমুখর পরিবেশ।
-

গৌরনদীতে জন্মাষ্টমীর সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য মঙ্গ-ল শোভাযাত্রা
গৌরনদী প্রতিনিধি।।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে শনিবার সকালে বরিশালের গৌরনদীতে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপলক্ষে শনিবার বেলা ১১টায়গৌরনদী উপজেলার পরিষদ চত্বরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি দুলাল রায় দুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা মৌরি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান, গৌরনদী পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহবায়ক খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নির্মল হালদার, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি শান্তনু ঘোষ। বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক গনেশ চন্দ্র দাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক রাজা রাম সাহাপ্রমূখ। সমাবেশ শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরির নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভা যাত্রাটি বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। -

জামালগঞ্জে বিএনপি কমিটিতে তিন ছ-দ্মবেশী নেতাকে বহি-ষ্কারের আ-দেশ
কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
আওয়ামী সরকার পতনের পর সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার বিএনপির নবগঠিত কমিটির ইউনিয়ন কমিটিতে ছদ্মবেশে আওয়ামী লীগের কিছু সুবিধাবাদী নেতারা বিএনপির কমিটিতে যোগদান করে নিজেদের ফায়দা হাসিল করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তা আর হলনা? বিএনপির নবগঠিত জামালগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন কমিটি উন্মোচন হওয়ার পরপরই অতীতে আওয়ামীলীগের সুবিধা বাদী ছদ্মবেশী নেতাদের নাম চোখে পরে। জেলা উপজেলার বিএনপির কিছু ত্যাগী নেতারা এতে ক্ষুব্ধ হন। তাছাড়াও বিষয়টি নিউজ পোট্রাল, পত্রিকার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগে প্রচার হয়। যা জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের চোখে পড়ে। তারই প্রেক্ষিতে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীরা ঐসমস্ত অভিযুক্ত ছদ্মবেশী নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে বিগত দিনে আওয়ামী সংগঠনের সাথে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত থাকার সত্যতা পান।পরবর্তীতে গত ১৪ই আগস্ট ২০২৫ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক, কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন ও আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত সিনিয়র সদস্য এডভোকেট মোঃ আব্দুল হকের যৌথ স্বাক্ষরিত দলীয় পেডে, ছদ্মবেশী তিন নেতাদের জামালগঞ্জ বিএনপির ইউনিয়ন কমিটি থেকে বহিষ্কারের আদেশ দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল মালেক এবং ২য় যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমানের কাছে। উল্লেখিত নোটিশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন ও স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত সদস্য এডভোকেট মোঃ আব্দুল হক জানান, জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঘোষিত ইউনিয়ন কমিটিতে, জামালগঞ্জ উত্তর ৭নং ইউনিয়ন কমিটিতে জিয়াউর রহমান, ৯নং সাচনা বাজার ইউনিয়ন কমিটিতে মফিজ আলী এবং ২নং ফেনারবাক ইউনিয়ন কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন এই তিন নেতার বিরুদ্ধে বিগত দিনে আওয়ামী রাজনীতির সাথে বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ এসেছে। পর্যালোচনা শেষে সত্যতা প্রমাণিত হওয়া ঐ তিন নেতাকে জামালগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি-র আহ্বায়ক কমিটিগুলো থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্তকে দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাস্তবায়ন করবেন এমনটাই উল্লেখ্য রয়েছে ।
এব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি-র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মইনুল ইসলাম মোহন বলেন জেলা কমিটির এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই, জেলা কমিটির এই সিদ্ধান্ত জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ত্যাগী নেতাদের মনে অনুপ্রেরণা জাগাবে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের হাত থেকে জামালগঞ্জ বিএনপিকে সুরক্ষিত রাখবে। তিনি আরও বলেন জেলা কমিটির এই সিদ্ধান্ত জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন এমনটাই প্রত্যাশা করছি।
এব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন জেলা কমিটির নির্দেশনার চিঠি পেয়েছি অচিরেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।## -

সীমান্তে নি-খোঁজে ৪ দিন পড়ে গু-লিবিদ্ধ যুবকের ম-রদেহ উ-দ্ধার
মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি ;
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় শুকানী সীমান্ত এলাকায় নদী থেকে মানিক হোসেন (৩৫) নামে এক গরু ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ৷
আজ শনিবার দুপুরে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের সীমান্তের করতোয়া-সাও নদীর মিলনস্থল (দো মুখা) নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়৷
জানা গেছে,শনিবার সকালে স্থানীয়রা বালু তুলতে গেলে সাও ও করতোয়া নদীর মিলিত স্থানে লাশ ভেসে আসতে দেখে।স্থানীয়সহ তার পরিবারের লোকজন কাছে গেলে লাশটি পরিচয় মিলে।পরে পুলিশ আসে লাশ উদ্ধার করে।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আইবুল হক জানান, মানিক চোরাচালানের সাথে জরিত ছিল।তবে মাঝে ভাল হয়ে পাথরের ব্যবসা করছিলেন।লোভ না ছাড়তে পারে বৃষ্টি হওয়ায় গত চারদিন আগে চোরাচালানে জরিতদের সাথে ভারতে যায়।ফিরে না আসায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বিজিপির কাছে মানিকের অবস্থান জানতে চাইলে উভয় পক্ষই কোন তথ্য দিতে পারেন নি।
বিএসএফ আগেই গুলি করে হত্যার পর,লাশ কয়েকদিন রেখে শনিবার সকালে বাংলাদেশের নদীতে ভাসিয়ে দেয় বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, মৃত মানিক হোসেন একই ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার তবিবুর রহমানের ছেলে।
গত চার দিন ধরে ভারতে গরু আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি৷মানিক বিএসএফের গুলিতে মারা গেছে বলে পুলিশ জানালেও বিজিবি তা নিশ্চিত করেনি – কার গুলিতে মারা গেছে তা তদন্ত করছে বলে জানায় তারা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানান, গত বুধবার রাতে ১৮-২০ জনের একটি দল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া শুকানী সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে গরু আনতে যায়৷
এসময় গরু নিয়ে ফেরার সময় ভোররাত ওই দলকে বিএসএফ সদস্যরা ধাওয়া দিলে সবাই বাংলাদেশে ফিরে আসলেও মানিকসহ চার জন নিখোঁজ হয়৷
এদিকে কয়েক দিন পর আজ শনিবার সকালে দেবনগড় ইউনিয়নের শুকানী সীমান্তের করতোয়া-সাও নদীর মিলনস্থল (দো মুখা) নদী এলাকায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল গিয়ে পুলিশ, বিজিবি ও তার পরিবারকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মানিকের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতল শেষে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তবে মরদেহের মাথায় গুলিরে চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে৷
এদিকে আজ সকালে শুকানী সীমান্তে বিজিবি ও বিএসফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এক ব্যক্তিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ৷এদিকে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি তদন্ত নজির হোসেন নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
-

ময়মনসিংহে বিভিন্ন সম-স্যা ও চল-মান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে ইউএনও’র পরিদ-র্শন,খুশি স্থানীয়রা
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নাগরিকদের নানাবিধ সমস্যা এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং চলমান অবস্থা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম প্রিন্স। উপজেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়ার পরপরই উপজেলার খাগডহর, কুষ্টিয়া, অষ্টধার,বোররচর,পরানগঞ্জ, সিরতা সহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের রাস্তাঘাটের দুর্দশা,মানুষের সমস্যা এবং থেমে থাকা কাজ পরিদর্শনে নিয়মিত বের হন তিনি।এতে উপজেলা এলাকার লোকজনও বেশ ইতিবাচকভাবে তাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন এবং অন্যান্য ইউনিয়নের নাগরিকরাও তাকে ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান।নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে ১৬ আগস্ট শনিবার উপজেলার ৪নং পরানগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড হাসাদিয়াসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের গ্রামগঞ্জ এলাকার নদী ভাঙ্গন ও সড়ক ধ্বসে বিভিন্ন গ্রামের মানুষের চলাচল বিচ্ছিন্ন ও বসবাস সমস্যা হয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে সেখানে ছুটে যান তিনি এবং সরেজমিনে দেখে সাথে সাথে উপজেলার দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।এছাড়াও বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের প্রায় দুইশতাধিক লোকের দূর্ভোগের কথা শুনে সেগুলো সমাধানের নির্দেশনা প্রদান করেন।এসময় তার এই তাৎক্ষনিক পদক্ষেপে উচ্ছাস প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।এছাড়াও পরানগঞ্জ ইউনিয়নের হাসাদীয়া এলাকার চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডের সচ্ছতা নিশ্চিত করণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন তিনি।ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।এসময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,মেম্বার স্থানীয়রা।
উন্নয়ন প্রকল্প দেখতে যাওয়ায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সরেজমিনে পেয়ে অত্যন্ত আন্দন্দ প্রকাশ করেন এবং আশার কথা ব্যক্ত করেন।
এসময় স্থানীয়রা বলেন,এরকম সচ্ছতা এর আগে থেকেই নিশ্চিত করা গেলে উপজেলার অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যেতো।তারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।এবং তাকে কাছে পেয়ে অনেকেই তাদের নানাবিধ সমস্যার কথা ইউএনওর কাছে তুলে ধরেন এবং তিনি তা সমাধানের আস্বাস দেন।
এসময় যেসকল উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো কাজই করা হয়নি সেগুলোতে যাতে বিল উত্তোলন করতে না পারে সে ব্যাপারেও নির্দেশনা দেন।
এব্যাপারে পরানগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রুবেল আহমেদ তার ফেইসবুক আইডিতে ইউএনও’র প্রতি শুভকামনা জানিয়ে লিখেন-ইউনো স্যার আমার দেখা মতে সেরা একজন অফিসার উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে নিজে উপস্থিত থেকে সশরিলে কাজ পরিদর্শন করেন এমন অফিসার থাকলে আমার মনে হয় প্রতিটা ইউনিয়নে কাজ হবে এটা আমি একজন মেম্বার হিসাবে বললাম, কাজ ফাকি দেওয়া কোন সুযোগ নাই, এক কথাই কাজ হবে ধন্যবাদ স্যার আপনার জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম প্রিন্স বলেন,উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে দেখা হচ্ছে।নাগরিকদের সমস্যা শুনে শুনে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানেরও চেষ্টা করছি।নাগরিকদের সেবায় উপজেলা প্রশাসনের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
-

তারাগঞ্জে আলোচিত মা-দক ব্যবসায়ী নূর হোসেন (বোয়াইল) যৌ-থ বাহিনীর হাতে আ-টক
খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বেলতলী মেডিকেল মোড় এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানে ৬ পুড়িয়া হেরোইন সহ গ্রেফতার হয়েছেন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী নুর হোসেন বোয়াইল (৫০)। আজ বিকেল ৪টায় তারাগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে তারাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়। নুর হোসেনের বাড়ি উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের জিগারতল এলাকায়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নুর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে ৬ পুড়িয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়, যা মাদক-শাবিদের কাছে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এম এ ফারুক জানান, “নুর হোসেন এলাকার মাদক ব্যবসার একটি বড় মাথা। তার গ্রেফতারের মাধ্যমে মাদকের বিস্তার রোধে এক ধাপ এগিয়েছে । তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে ।”
স্থানীয়রা জানান, নুর হোসেনের মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ মাদকাসক্তির দিকে ঝুঁকছিল। তার গ্রেফতারে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং এই অভিযানের প্রশংসা করেছেন। একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “এই ধরনের অভিযান আরও বাড়ানো দরকার। আমাদের তরুণদের বাঁচাতে হবে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তারাগঞ্জ উপজেলায় মাদক নির্মূলের জন্য তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এলাকায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী ও সেনাবাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।